বিশ্বকাপ ক্রিকেটের মঞ্চে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানকে ঘিরে তৈরি হওয়া চরম অস্থিরতার মাঝে নতুন এক ভবিষ্যদ্বাণী নিয়ে হাজির হলেন ভারতীয় তারকা ক্রিকেটার রবিচন্দ্রন অশ্বিন। তিনি মনে করেন, আইসিসি’র চাপের মুখে এবং বিশাল আর্থিক লোকসানের ভয়ে পাকিস্তান তাদের ‘ভারত ম্যাচ বয়কট’ করার সিদ্ধান্ত থেকে খুব শীঘ্রই সরে আসবে।
ঘটনার প্রেক্ষাপট বেশ নাটকীয়। বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ভেন্যু পরিবর্তনের দাবি জানালে আইসিসি তা গ্রহণ করেনি; বরং পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকেই বহিষ্কার করে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। আইসিসি’র এই কঠোর সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এবং বাংলাদেশের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) ঘোষণা দেয় যে, তারা আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিপক্ষে নির্ধারিত হাইভোল্টেজ ম্যাচটিতে মাঠে নামবে না।
এই পরিস্থিতি নিয়ে নিজের ইউটিউব চ্যানেলে রবিচন্দ্রন অশ্বিন বলেন, "আমার মনে হয় ভারত-পাকিস্তান ম্যাচটি শতভাগ হবে। আগামী চার-পাঁচ দিনের মধ্যেই পাকিস্তান তাদের বর্তমান অবস্থান থেকে পিছু হটবে। ব্রডকাস্টার বা সম্প্রচারকারী সংস্থাগুলোর বিশাল অংকের অর্থের ক্ষতি এড়াতে আইসিসি ও পিসিবি’র মধ্যে একটি সমঝোতা হওয়া অনিবার্য।"
অশ্বিন আরও যুক্তি দেখান যে, পাকিস্তান যদি এই সিদ্ধান্ত বজায় রাখে তবে আইসিসি’র রাজস্ব ব্যাপকভাবে কমে যাবে। এর ফলে সদস্য দেশগুলোর আয়ও কমবে, যা পাকিস্তানের ওপর কূটনৈতিক ও আর্থিক চাপ বাড়িয়ে দেবে। এমনকি শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) বিদেশি খেলোয়াড়দের অনাপত্তিপত্র বা এনওসি (NOC) না দেওয়ার মতো কঠোর সিদ্ধান্তও আসতে পারে বলে তিনি সতর্ক করেন।
ক্রিকেট বিশ্বের নজর এখন দুবাইয়ে অনুষ্ঠেয় আইসিসি’র জরুরি সভার দিকে। সেখানে পাকিস্তানের এই অনড় অবস্থানের কোনো সমাধান বের হয় কি না, নাকি রবিচন্দ্রন অশ্বিনের কথাই সত্যি প্রমাণিত হয়, তা দেখতে মুখিয়ে আছেন কোটি কোটি ক্রিকেট ভক্ত।
মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে। গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব। বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল। এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে। একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই। “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান। এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে। সূত্র: Royanews
দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে। এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা। নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা। এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।
যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)। ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না। তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে। সূত্র: ABC News
যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে। নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা। ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল। তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে। এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে বিভিন্ন দেশে একেক দিন পবিত্র ঈদুল ফিতর পালিত হচ্ছে। বাংলাদেশে ঈদ আজ (শনিবার)। সকালে যখন সবাই ঈদের নামাজে ব্যস্ত, তখন দেশের ফুটবলপ্রেমীরা আন্তর্জাতিক মাঠে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে রওনা হয়েছে। ঈদের সকালে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ দল মালদ্বীপের উদ্দেশে দেশ ত্যাগ করেছে, যাতে তারা সাফ অনূর্ধ্ব-২০ টুর্নামেন্ট খেলতে পারে। একই সময়ে, বাংলাদেশ অ-২০ নারী ফুটবল দল এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ টুর্নামেন্ট খেলতে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে থাইল্যান্ডের ব্যাংকক গিয়েছে। এদিকে, ভিয়েতনামে পৌঁছেছেন বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের খেলোয়াড় জামাল ভূঁইয়া নেতৃত্বাধীন দল। গতকাল রাতে দল ভিয়েতনামের উদ্দেশে রওনা হয়েছিল। চীনের গুয়াংজুতে কয়েক ঘণ্টার যাত্রাবিরতির পর আজ সকালে হ্যানয় পৌঁছেছে দল। আগামীকাল রোববার ইংল্যান্ড থেকে হামজা চৌধুরী ভিয়েতনামের সঙ্গে দলের সাথে যোগ দেবেন। বাংলাদেশ ভিয়েতনামের বিপক্ষে ২৬ মার্চ প্রীতি ম্যাচ খেলবে। ওই ম্যাচের পরপরই দল সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে রওনা হবে। ৩১ মার্চ সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের শেষ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। উল্লেখযোগ্য, সিঙ্গাপুর ইতিমধ্যেই এশিয়ান কাপের জন্য যোগ্যতা অর্জন করেছে, তাই বাংলাদেশ দলের জন্য ম্যাচটি মূলত নিয়মরক্ষার মর্যাদা বহন করছে।
ফিফার সম্মতি মিললে ২০২৬ বিশ্বকাপে ইরানের ম্যাচগুলো আয়োজন করতে প্রস্তুত রয়েছে মেক্সিকো—এমনটাই জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ক্লাউদিয়া শেইনবাউম। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক সামরিক হামলার পর ইরানে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়তে পারে—এমন আশঙ্কায় ফিফার কাছে ম্যাচ ভেন্যু পরিবর্তনের অনুরোধ জানিয়েছে ইরান। এ প্রেক্ষাপটে ইরানের ম্যাচগুলো যুক্তরাষ্ট্রের পরিবর্তে মেক্সিকোতে আয়োজনের প্রস্তাব এসেছে। বিষয়টি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লাউদিয়া শেইনবাউম জানিয়েছেন, ফিফা অনুমোদন দিলে ইরানের ম্যাচ আয়োজন করতে তাদের কোনো আপত্তি নেই। সূত্র: আল জাজিরা
মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে ২০২৬ সালের বহুল প্রতীক্ষিত ‘ফিনালিসিমা’ ম্যাচটি বাতিল করা হয়েছে। রোববার (১৫ মার্চ) ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফা এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করেছে। উয়েফা ইউরো ২০২৪ চ্যাম্পিয়ন স্পেন এবং কোপা আমেরিকা ২০২৪ চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার মধ্যে কাতারের দোহায় আগামী ২৭ মার্চ এই ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। মূলত ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের মধ্যকার চলমান সামরিক সংঘাত এবং পুরো অঞ্চলে যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করায় কাতারকে এই হাইভোল্টেজ ম্যাচ আয়োজনের জন্য বর্তমানে অনুপযুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। উয়েফা ও কনমেবল বিকল্প ভেন্যু হিসেবে মাদ্রিদ এবং বুয়েনেস আইরেসের নাম প্রস্তাব করলেও দুই দলের সময়সূচি ও শর্তের বিষয়ে কোনো সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ) ইউরোপের নিরপেক্ষ ভেন্যুতে খেলার প্রস্তাব নাকচ করে দেওয়ায় শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ফুটবল ভক্তদের জন্য এটি বড় একটি দুঃসংবাদ, কারণ এই ম্যাচেই প্রথমবারের মতো মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা ছিল বিশ্বকাপজয়ী কিংবদন্তি লিওনেল মেসি এবং বর্তমান ফুটবলের বিস্ময়বালক লামিনে ইয়ামালের। ১৮ বছর বয়সী ইয়ামালকে অনেকেই মেসির উত্তরসূরি হিসেবে বিবেচনা করেন। এর আগে ২০২২ সালে ইতালিকে হারিয়ে আর্জেন্টিনা ফিনালিসিমা শিরোপা জিতেছিল। ম্যাচটি বাতিল হওয়ায় এবার ট্রফি ধরে রাখার লড়াইয়ে নামা হচ্ছে না বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের।