সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার

নিউ মেক্সিকো

ম্যাডেলিন ডেলি ও তার ১১ মাস বয়সী শিশু বাসিল স্টোনার। ছবি: সংগৃহীত
বাবার হেফাজতে সন্তানকে দিতে অস্বীকৃতি, ১১ মাসের ছেলেকে গুলি করে হত্যা করলেন মা

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকো অঙ্গরাজ্যে নিজের ১১ মাস বয়সী শিশুপুত্রকে গুলি করে হত্যা করেছেন ৩৬ বছর বয়সী এক নারী। শিশুটির বাবার কাছে যেন কোনোভাবেই তার সন্তানের কাস্টডি বা হেফাজত না যায়, তা নিশ্চিত করতেই তিনি এই ভয়ংকর পথ বেছে নেন। সম্প্রতি আদালতে দোষ স্বীকার করার পর ওই নারীকে হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। পুলিশি জেরার মুখে ওই পাষণ্ড মা জানিয়েছেন, তার কাছে এই হত্যাকাণ্ডের সিদ্ধান্তটি পুরোপুরি সার্থক মনে হয়েছে।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম কাউবয় স্টেট ডেইলি ও পুলিশের একটি এফিডেভিট থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, অভিযুক্ত ওই মায়ের নাম ম্যাডেলিন ভেরোনিক ডেলি। তার ১১ মাস বয়সী সন্তানের নাম ছিল বাসিল স্টোনার। ঘটনাটি ঘটেছিল ২০২৫ সালের ২৩ ডিসেম্বর। তবে সম্প্রতি ম্যাডেলিন আদালতে ফার্স্ট ডিগ্রি মার্ডার বা প্রথম মাত্রার খুনের দায় স্বীকার করেছেন। প্রসিকিউটররা জানিয়েছেন, এই অপরাধের জন্য তার সর্বোচ্চ সাজা হিসেবে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে।   তদন্তকারী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আদালতের নির্দেশ অমান্য করে শিশুটিকে ওয়াইওমিং থেকে অপহরণ করে নিউ মেক্সিকোতে নিয়ে এসেছিলেন ম্যাডেলিন। আদালত এর আগে শিশুটির বাবা জেক স্টোনারকে জরুরি ভিত্তিতে সন্তানকে নিজের কাছে রাখার অধিকার দিয়েছিলেন। জেক পুলিশকে জানান, তিনি সবশেষ গত ২৮ সেপ্টেম্বর তার ছেলেকে দেখেছিলেন।   অপহরণের পর থেকেই ম্যাডেলিন পুলিশের ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিলেন। অবশেষে নিউ মেক্সিকোর সিলভার সিটির কাছে একটি চাকরির জন্য আবেদন করলে ব্যাকগ্রাউন্ড চেকে তার নামে থাকা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার বিষয়টি সামনে আসে। এর সূত্র ধরেই গ্রান্ট কাউন্টি শেরিফ অফিস ২৩ ডিসেম্বর একটি আরভি বা রিক্রিয়েশনাল ভেহিকেল পার্কের সন্ধান পায়, যেখানে ম্যাডেলিন আত্মগোপন করে ছিলেন।   পুলিশ সেখানে পৌঁছালে ম্যাডেলিনকে দৌড়ে একটি আরভির ভেতরে ঢুকতে দেখা যায়। ভেতরে প্রবেশের জন্য পরোয়ানার অপেক্ষায় থাকার সময় পুলিশ পুরো আরভিটি ঘিরে ফেলে। ঠিক তখনই ভেতর থেকে একটি গুলির শব্দ শোনা যায়। কর্মকর্তারা দ্রুত ভেতরে প্রবেশ করে দেখতে পান, ম্যাডেলিন একটি নাইন এমএম হ্যান্ডগান দিয়ে শিশু বাসিলকে গুলি করে হত্যা করেছেন। গ্রেপ্তারের পর জানা যায়, সন্তানকে হত্যার পর তিনি নিজেও আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু পুলিশ তাকে নিবৃত্ত করতে সক্ষম হয়।   পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে ম্যাডেলিন জানান, তিনি তার ছেলেকে নিরাপদ রাখতেই এমনটি করেছেন। শিশুটির বাবা ও তার পরিবার যেন কখনোই শিশুটিকে দেখতে না পায়, সে জন্য এই হত্যা তার কাছে সার্থক মনে হয়েছে। পুলিশের কাছে দেওয়া জবানবন্দিতে তিনি বলেন, তিনি কোনোভাবেই চাইছিলেন না তার শিশু সন্তান মাসে দুবার নেব্রাস্কা ও ওয়াইওমিংয়ের মধ্যে টানাটানির শিকার হোক।   পুলিশ যখন তাকে জিজ্ঞাসা করে যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে এগিয়ে আসতে দেখে তার মনে কী চলছিল, তখন তিনি সোজাসাপ্টা উত্তর দেন, জেক যেন বাসিলকে না পায়। ম্যাডেলিন আরও কিছু ভিত্তিহীন দাবি করে বলেন, তিনি শিশুটিকে নিয়ে ট্রেইলার থেকে বের হলে শিশুটি বিপদে পড়ত। তার দাবি, শিশুটির বাবা আর্থিকভাবে, শারীরিকভাবে বা মানসিকভাবে কখনোই ছেলের কোনো দায়িত্ব নিতে চাননি। তবে পুলিশ জানিয়েছে, তার এসব দাবির সপক্ষে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।   বর্তমানে এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের বিচারকাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। প্রসিকিউটররা আশা করছেন, নিজ সন্তানকে হত্যার দায়ে ম্যাডেলিনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড নিশ্চিত করা হবে।

মোহাম্মদ ইব্রাহিম আগস্ট ২৮, ২০২৬ ১৪:০
জেফ্রি এপস্টেইনের জোরো র‍্যাঞ্চ-সংক্রান্ত অপ্রকাশিত নথি না দেওয়ায় মার্কিন বিচার বিভাগের বিরুদ্ধে নিউ মেক্সিকোর মামলা। ছবি: সংগৃহীত
এপস্টেইন তদন্তে বাধার অভিযোগে ট্রাম্প প্রশাসনের বিচার বিভাগের বিরুদ্ধে মামলা

মামলার নথি ও সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিউ মেক্সিকো অঙ্গরাজ্য মার্কিন বিচার বিভাগ ও ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেলের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। অভিযোগ, জেফ্রি এপস্টেইনের জোরো র‍্যাঞ্চ-সংক্রান্ত অপ্রকাশিত নথি না দেওয়ায় রাজ্যের চলমান ফৌজদারি তদন্ত বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। বিষয়টি এখনও আদালতে বিচারাধীন এবং সরকারের পক্ষ থেকে গোপনীয়তা ও আদালতের সুরক্ষামূলক আদেশের কথা উল্লেখ করে পূর্ণাঙ্গ নথি প্রকাশে আপত্তি জানানো হয়েছে।    জেফ্রি এপস্টেইনের নিউ মেক্সিকোর জোরো র‍্যাঞ্চে সংঘটিত বলে অভিযোগ থাকা যৌন অপরাধের তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ এবং ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেলের বিরুদ্ধে ফেডারেল আদালতে মামলা করেছে নিউ মেক্সিকো অঙ্গরাজ্য। রাজ্যের দাবি, বহুবার অনুরোধ করার পরও এপস্টেইন-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ অপ্রকাশিত নথি হস্তান্তর না করায় তদন্ত কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে।    নিউ মেক্সিকোর অ্যাটর্নি জেনারেল রাউল তোরেজের অভিযোগ, জোরো র‍্যাঞ্চে সংঘটিত সম্ভাব্য অপরাধ, ভুক্তভোগী, সাক্ষী এবং সম্ভাব্য সহযোগীদের শনাক্ত করতে বিচার বিভাগের কাছে থাকা পূর্ণাঙ্গ নথি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বারবার আনুষ্ঠানিক অনুরোধ জানানো হলেও সেসব নথি সরবরাহ করা হয়নি। তার দাবি, এতে রাজ্যের স্বাধীন ফৌজদারি তদন্ত বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।    মামলায় বলা হয়েছে, ফেডারেল সরকারের এই অবস্থান শুধু তদন্তের গতি কমিয়ে দিচ্ছে না, বরং সম্ভাব্য ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার পাওয়ার পথও কঠিন করে তুলছে। তাই আদালতের মাধ্যমে বিচার বিভাগকে অপ্রকাশিত নথি হস্তান্তরের নির্দেশ দেওয়ার আবেদন জানিয়েছে নিউ মেক্সিকো।    অন্যদিকে, মার্কিন বিচার বিভাগের অবস্থান হলো, আদালতের সুরক্ষামূলক আদেশ, গোপনীয়তা আইন এবং ভুক্তভোগীদের পরিচয় সুরক্ষার বাধ্যবাধকতার কারণে সব নথি প্রকাশ করা সম্ভব নয়। তবে আইনগত সীমার মধ্যে নিউ মেক্সিকোকে সহযোগিতা করতে তারা আগ্রহী বলেও জানিয়েছে।    উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে কারাগারে মৃত্যুর আগে জেফ্রি এপস্টেইনের বিরুদ্ধে অপ্রাপ্তবয়স্কদের যৌন শোষণ ও পাচারের গুরুতর অভিযোগ ছিল। চলতি বছরের শুরুতে নিউ মেক্সিকো কর্তৃপক্ষ জোরো র‍্যাঞ্চ-সংক্রান্ত তদন্ত পুনরায় চালু করে এবং এরপর থেকেই ফেডারেল সরকারের কাছে সংশ্লিষ্ট নথি চেয়ে আসছে।

তাবাস্সুম আগস্ট ৬, ২০২৬ ১৪:০
শিশুদের সুরক্ষায় ও ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্কতা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় ৯৪২ মিলিয়ন ডলারের জরিমানার মুখে মার্ক জাকারবার্গের মেটা। ছবি: সংগৃহীত
শিশুদের সুরক্ষায় ব্যর্থ মেটা, ৯৪২ মিলিয়ন ডলারের জরিমানা

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকো অঙ্গরাজ্যের একটি আদালত শিশুদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ঝুঁকি সম্পর্কে যথাযথ সতর্কতা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মেটাকে মোট ৯৪২ মিলিয়ন ডলার জরিমানা করেছে।   বৃহস্পতিবার বিচারক ব্রায়ান বিডশেইডের দেওয়া চূড়ান্ত আদেশে নতুন করে ৫৬৭ মিলিয়ন ডলার একটি বিশেষ ক্ষতিপূরণ তহবিলে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এর আগে একই মামলায় জুরি ৩৭৫ মিলিয়ন ডলার দেওয়ানি জরিমানা আরোপ করেছিল। ফলে সব মিলিয়ে মেটার বিরুদ্ধে আরোপিত অর্থদণ্ডের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯৪২ মিলিয়ন ডলার, যা শিশু নিরাপত্তা ইস্যুতে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় আর্থিক রায়গুলোর একটি।    আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের মতো প্ল্যাটফর্মে শিশু-কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্য এবং অনলাইন যৌন শোষণের ঝুঁকি মোকাবিলায় মেটা পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছে। বিচারক ব্রায়ান বিডশেইড মেটার কার্যক্রমকে একটি দূষণ ছড়ানো কারখানার সঙ্গে তুলনা করে বলেন, কারখানার দূষণ যেমন চার দেয়ালের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না, তেমনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ক্ষতিকর প্রভাবও পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সমাজের ওপর দীর্ঘমেয়াদি চাপ সৃষ্টি করে।    আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, নতুন করে আরোপিত ৫৬৭ মিলিয়ন ডলারের মধ্যে বড় অংশ শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্যসেবা, সচেতনতা কর্মসূচি, ক্ষতি প্রতিরোধ এবং সহায়তামূলক কার্যক্রমে ব্যয় করা হবে। পাশাপাশি নিউ মেক্সিকোতে শিশুদের জন্য প্ল্যাটফর্মের নিরাপত্তা জোরদারে একাধিক পরিবর্তন আনতে হবে মেটাকে। এর মধ্যে উন্নত বয়স যাচাই ব্যবস্থা, নাবালকদের জন্য ডিফল্ট নিরাপত্তা সেটিংস, নিয়মিত সতর্কতামূলক বার্তা এবং শিশুদের সুরক্ষায় অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।   মামলাটি ২০২৩ সালে নিউ মেক্সিকোর অ্যাটর্নি জেনারেল রাউল তোরেস দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয়, মেটার অ্যালগরিদম নাবালকদের ক্ষতিকর কনটেন্টের দিকে ঠেলে দেয় এবং অনলাইন যৌন শোষণের ঝুঁকি বাড়ায়। ২০২৬ সালের মার্চে জুরি মেটাকে ভোক্তা সুরক্ষা আইন লঙ্ঘনের দায়ে ৩৭৫ মিলিয়ন ডলার জরিমানা করে। এরপর মামলার দ্বিতীয় ধাপে আদালত শিশুদের ক্ষতি কমাতে অতিরিক্ত ৫৬৭ মিলিয়ন ডলারের তহবিল গঠনের নির্দেশ দেয়।    রায়ের প্রতিক্রিয়ায় মেটা জানিয়েছে, তারা আদালতের সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত নয় এবং উচ্চ আদালতে আপিল করবে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা ইতোমধ্যে বিভিন্ন প্রযুক্তিগত সুরক্ষা ব্যবস্থা চালু করেছে। তবে নিউ মেক্সিকো কর্তৃপক্ষ এই রায়কে শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লড়াইয়ে একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করেছে।

তাবাস্সুম আগস্ট ৬, ২০২৬ ১৪:০
নতুন এক জরিপে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের ব্যক্তিগত জীবনধারা নিয়ে প্রকাশ করা হয়েছে তুলনামূলক চিত্র। ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে ‘সেক্সুয়ালি অ্যাডভেঞ্চারাস’ অঙ্গরাজ্য কোনটি? জানাল নতুন জরিপ

যুক্তরাষ্ট্রের কোন অঙ্গরাজ্যের বাসিন্দারা যৌনজীবনে তুলনামূলক বেশি খোলামেলা বা নতুন অভিজ্ঞতার প্রতি আগ্রহী, তা নিয়ে একটি নতুন জরিপ প্রকাশ করেছে কনডম প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ‘সে ইট উইথ এ কনডম’। জরিপে দেখা গেছে, এ তালিকায় শীর্ষে রয়েছে নিউ মেক্সিকো। এরপর রয়েছে ওরেগন ও আরকানসাস।   জরিপে বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের বাসিন্দাদের সাপ্তাহিক যৌনসম্পর্কের গড় হার, প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য নির্ধারিত দোকানে যাওয়ার প্রবণতা এবং প্রাপ্তবয়স্ক বিষয়বস্তু বা বিশেষ যৌন আচরণ সম্পর্কিত অনলাইন অনুসন্ধানের তথ্য বিশ্লেষণ করে একটি ‘কিঙ্ক স্কোর’ নির্ধারণ করা হয়েছে।   গবেষণা অনুযায়ী, নিউ মেক্সিকো ৯১ দশমিক ৬ স্কোর নিয়ে তালিকার শীর্ষে রয়েছে। অঙ্গরাজ্যটির বাসিন্দারা প্রতি সপ্তাহে গড়ে ২ দশমিক ৬ বার যৌনসম্পর্কে লিপ্ত হন। পাশাপাশি প্রাপ্তবয়স্ক বিষয়বস্তু নিয়ে অনলাইনে অনুসন্ধানের হারও দেশটির অন্যান্য অঙ্গরাজ্যের তুলনায় বেশি।   দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ওরেগনের স্কোর ৮৫ দশমিক ৯৩। জরিপে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য নির্ধারিত দোকানে যাওয়ার হার সবচেয়ে বেশি এই অঙ্গরাজ্যে। তৃতীয় স্থানে থাকা আরকানসাসের স্কোর ৮৩ দশমিক ৬৭। শীর্ষ দশে থাকা অন্য অঙ্গরাজ্যগুলো হলো ভারমন্ট, নর্থ ডাকোটা, নিউ হ্যাম্পশায়ার, কানেকটিকাট, ওয়াশিংটন, রোড আইল্যান্ড এবং আলাস্কা।   জরিপে আরও দেখা গেছে, আলাস্কার বাসিন্দারা সপ্তাহে গড়ে ২ দশমিক ৮১ বার যৌনসম্পর্কে লিপ্ত হন, যা দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ। অন্যদিকে ভারমন্ট ও নর্থ ডাকোটার বাসিন্দাদের মধ্যে এ ধরনের বিষয় নিয়ে অনলাইন অনুসন্ধানের হার উল্লেখযোগ্য।   নিউইয়র্ক এ তালিকায় রয়েছে ২১তম স্থানে। অঙ্গরাজ্যটির কিঙ্ক স্কোর ৫২ দশমিক ৫। জরিপ অনুযায়ী, নিউইয়র্কের বাসিন্দারা সপ্তাহে গড়ে ১ দশমিক ৩৯ বার যৌনসম্পর্কে লিপ্ত হন, যা জাতীয় গড় ১ দশমিক ৮-এর চেয়ে কিছুটা বেশি।   অন্যদিকে নিউ জার্সি রয়েছে ৪৩তম অবস্থানে। অঙ্গরাজ্যটির স্কোর ৩২ দশমিক ৭৪। সেখানে প্রতি সপ্তাহে যৌনসম্পর্কের গড় হার ১ দশমিক ২১ হলেও অনলাইন অনুসন্ধান এবং প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য নির্ধারিত দোকানে যাওয়ার হার তুলনামূলকভাবে কম।   জরিপে সবচেয়ে কম স্কোর পেয়েছে টেক্সাস। এর স্কোর ২২ দশমিক ৭৪। তালিকার নিচের দিকের অন্য অঙ্গরাজ্যগুলো হলো ফ্লোরিডা, টেনেসি, জর্জিয়া এবং মিসিসিপি। প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের বড় ও আলোচিত কয়েকটি অঙ্গরাজ্য প্রত্যাশার তুলনায় অনেক নিচে অবস্থান করেছে। যেমন, ক্যালিফোর্নিয়া রয়েছে ৪০তম স্থানে এবং ফ্লোরিডা ৪৯তম স্থানে।   ‘সে ইট উইথ এ কনডম’-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বেঞ্জামিন শারম্যান বলেন, যৌনতা এমন একটি বিষয়, যা নিয়ে মানুষের আগ্রহ থাকলেও অনেকেই খোলাখুলি আলোচনা করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না। এই জরিপে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের সব অঙ্গরাজ্যেই এ ধরনের বিষয় নিয়ে মানুষের আগ্রহ রয়েছে।   তিনি আরও বলেন, যেকোনো যৌনসম্পর্কের ক্ষেত্রে পারস্পরিক সম্মতি, খোলামেলা যোগাযোগ এবং নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া উচিত। নতুন কোনো অভিজ্ঞতা গ্রহণের আগে সঙ্গীর সঙ্গে স্পষ্টভাবে আলোচনা করা এবং নিরাপদ পদ্ধতি অনুসরণ করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

মোহাম্মদ ইব্রাহিম আগস্ট ১, ২০২৬ ১৪:০
হাসপাতালের ডাস্টবিনে নবজাতকের মরদেহ ফেলার মামলায় অভিযুক্ত অ্যালেক্সি ট্রেভিজো। ছবি: সংগৃহীত
হাসপাতালের ডাস্টবিনে নবজাতকের মরদেহ, প্রমাণ হিসাবে মায়ের স্বীকারোক্তি শুনবে না আদালত

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকো অঙ্গরাজ্যে হাসপাতালের ডাস্টবিনে নবজাতকের মরদেহ ফেলে দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত অ্যালেক্সি ট্রেভিজোর বিরুদ্ধে চলমান হত্যা মামলায় গুরুত্বপূর্ণ এক সিদ্ধান্ত দিয়েছে রাজ্যের সুপ্রিম কোর্ট। আদালত রায় দিয়েছে, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পুলিশ উপস্থিতিতে দেওয়া ট্রেভিজোর স্বীকারোক্তিমূলক বক্তব্য এবং ওই সময়ের বডিক্যাম ভিডিও প্রসিকিউশন আদালতে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করতে পারবে না।   বৃহস্পতিবার দেওয়া সর্বসম্মত রায়ে আদালত জানায়, ট্রেভিজোর ওই বক্তব্য চিকিৎসক ও রোগীর গোপনীয়তার আইনি সুরক্ষার আওতায় পড়ে। তাই সেগুলো বিচারিক কার্যক্রমে গ্রহণযোগ্য নয়। একই কারণে হাসপাতালের নজরদারি ক্যামেরার কিছু ভিডিও এবং পুলিশ সদস্যদের ধারণ করা বডিক্যাম ফুটেজও প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করা যাবে না।   ঘটনাটি ২০২৩ সালের ২৭ জানুয়ারির। তখন ১৯ বছর বয়সী ট্রেভিজো তীব্র পিঠব্যথা নিয়ে আর্টেসিয়া জেনারেল হাসপাতালে যান। তদন্তে বলা হয়, তিনি নিজের গর্ভধারণের বিষয়টি পরিবার ও চিকিৎসকদের কাছ থেকে গোপন রেখেছিলেন। পরে হাসপাতালের একটি বাথরুমে সন্তান প্রসব করেন এবং নবজাতককে একটি প্লাস্টিকের ব্যাগে রেখে ডাস্টবিনে ফেলে দেন বলে অভিযোগ।   পরে পরিচ্ছন্নতাকর্মী ডাস্টবিন থেকে শ্বাসপ্রশ্বাসহীন নবজাতককে উদ্ধার করেন। নিউ মেক্সিকো অফিস অব দ্য মেডিক্যাল ইনভেস্টিগেটর পরে মৃত্যুর ঘটনাকে হত্যাকাণ্ড হিসেবে চিহ্নিত করে। এরপর ২০২৩ সালের মে মাসে ট্রেভিজোর বিরুদ্ধে প্রথম ডিগ্রির হত্যার অভিযোগ আনা হয়।   প্রসিকিউশনের দাবি ছিল, পুলিশ উপস্থিত থাকলেও ট্রেভিজো সরাসরি কর্মকর্তাদের নয়, চিকিৎসাকর্মীদের উদ্দেশে বক্তব্য দিয়েছিলেন। তাই সেগুলো আদালতে গ্রহণযোগ্য হওয়া উচিত। তবে সুপ্রিম কোর্ট সেই যুক্তি প্রত্যাখ্যান করেছে।   আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, ট্রেভিজো তখনও চিকিৎসাধীন ছিলেন এবং শারীরিক ও মানসিকভাবে দুর্বল অবস্থায় ছিলেন। চিকিৎসক তার অনুমতি ছাড়াই পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতিতে ব্যক্তিগত চিকিৎসাসংক্রান্ত তথ্য নিয়ে আলোচনা করেন। ফলে তিনি স্বেচ্ছায় চিকিৎসক ও রোগীর গোপনীয়তার অধিকার ত্যাগ করেছিলেন—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই।   বর্তমানে ২২ বছর বয়সী ট্রেভিজো অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করে আসছেন, শিশুটি মৃত অবস্থায় জন্মেছিল। তবে মামলাটি এখনো বিচারাধীন এবং প্রসিকিউশন অন্যান্য প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযোগ প্রমাণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

তাবাস্সুম জুলাই ৩০, ২০২৬ ১৪:০
নিউ মেক্সিকোর বিদ্যুতের খুঁটির চূড়ায় আটকে পড়া ভালুকের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রে বিদ্যুতের খুঁটির মাথায় ভালুক, উদ্ধারের আগেই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকো অঙ্গরাজ্যে বিদ্যুতের একটি খুঁটির চূড়ায় উঠে আটকে পড়া একটি বিশালাকৃতির ভালুকের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। তবে ভাইরাল হওয়া সেই ঘটনার শেষটা ছিল মর্মান্তিক। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উদ্ধার অভিযান শুরুর আগেই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণ হারায় প্রাণীটি।   ঘটনাটি ঘটে গত ২০ জুলাই, নিউ মেক্সিকোর গ্ল্যাডস্টোন এলাকায়। পরে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ ছড়িয়ে পড়ে এবং হাজারো মানুষ তা দেখেন। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব দ্য ইন্টেরিয়র-ও ভিডিওটি শেয়ার করে রসিকতার ছলে লিখেছিল, "আমরা আমেরিকার জ্বালানি উৎপাদন নিয়ে উৎসাহকে স্বাগত জানাই, তবে আমরা এটি বোঝাতে চাইনি।"   ভিডিওতে দেখা যায়, একটি বড় আকারের কালো ভালুক বিদ্যুতের খুঁটির ওপরের ক্রসআর্ম শক্ত করে সামনের দুই পা দিয়ে ধরে আছে। পেছনের দুই পা নিচের দিকে ঝুলে রয়েছে এবং প্রাণীটি স্পষ্টতই ক্লান্ত অবস্থায় হাঁপাচ্ছিল।   ভিডিও ধারণকারী শ্যারন মুলেন্স সংবাদমাধ্যম স্টোরিফুল-কে জানান, তিনি নিউ মেক্সিকোর রেড রিভার থেকে ওকলাহোমা যাওয়ার পথে হাইওয়ে-৫৬ দিয়ে গাড়ি চালাচ্ছিলেন। দূর থেকে বিদ্যুতের খুঁটির ওপর অস্বাভাবিক কিছু দেখতে পেয়ে তিনি প্রথমে বিশ্বাসই করতে পারেননি।   তার ভাষায়, “প্রথমে আমরা ভাবছিলাম, হয়তো প্রাণীটি মারা গেছে। পরে কাছে গিয়ে বুঝতে পারি, সে তখনও জীবিত ছিল। তাই আমরা আবার ফিরে এসে পুরো ঘটনাটি দেখি।”   ভিডিওতে ৯১১ নম্বরে করা একটি জরুরি ফোনকলও শোনা যায়। ফোনকারী জানান, বিদ্যুতের খুঁটির ওপরে একটি ভালুক আটকে রয়েছে। জবাবে জরুরি সেবা কেন্দ্রের কর্মী বলেন, বিষয়টি আগে থেকেই সংশ্লিষ্ট বন্যপ্রাণী কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তবে ওই অবস্থায় প্রাণীটিকে অজ্ঞান করার চেষ্টা করলে নিচে পড়ে তার মৃত্যুর আশঙ্কা ছিল।   পরে নিউ মেক্সিকো ডিপার্টমেন্ট অব গেম অ্যান্ড ফিশ নিশ্চিত করে, স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সর্বোচ্চ চেষ্টা সত্ত্বেও উদ্ধার করার আগেই ভালুকটি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যায়। বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞদের মতে, এমন ঘটনা খুবই বিরল হলেও একেবারে নতুন নয়। মানুষ, যানবাহন বা কুকুরের ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে বিশেষ করে অল্পবয়সী ভালুক অনেক সময় গাছ ভেবে বিদ্যুতের খুঁটিতে উঠে পড়ে। কিন্তু খুঁটির ওপরে পৌঁছে তারা আটকে যায় এবং নিচে নামতে না পেরে বিপজ্জনক পরিস্থিতির মুখে পড়ে।   এর আগে ২০২১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্যেও একই ধরনের একটি ঘটনা ঘটেছিল। তবে সেবার বিদ্যুতের খুঁটিতে উঠে আটকে পড়া একটি ভালুককে নিরাপদে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছিল বন্যপ্রাণী উদ্ধারকারী দল।   সূত্র: নিউ ইয়র্ক পোস্ট, স্টোরিফুল, নিউ মেক্সিকো ডিপার্টমেন্ট অব গেম অ্যান্ড ফিশ।

মোহাম্মদ ইব্রাহিম জুলাই ২২, ২০২৬ ১৪:০
জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

Top week

৩২ বছর বয়সী এরিন পিয়াচেন্তি, ব্যাংক অব আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট

টাইমস স্কয়ারে নিজ কর্মস্থলের কাছেই ছু/রিকাঘাতে প্রাণ গেল ব্যাংক অব আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্টের

ইসতিয়াক আহমেদ সেপ্টেম্বর ১, ২০২৬ ১৪:০