হাসপাতাল

ছবি: সংগৃহীত।
কাবুলের হাসপাতালে হামলার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান পাকিস্তানের

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে সোমবার রাতে ভয়াবহ হামলা চালানো হয়। তালেবান সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, পাকিস্তানের এই হামলায় একটি মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্র (হাসপাতাল) ধ্বংস হয়েছে এবং কয়েকশ বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন। তবে পাকিস্তান এই অভিযোগকে পুরোপুরি 'ভিত্তিহীন' বলে উড়িয়ে দিয়েছে। ইসলামাবাদ জানিয়েছে, তাদের বিমানবাহিনী কাবুলের নির্দিষ্ট কিছু 'সন্ত্রাসী আস্তানা' এবং 'কারিগরি সহায়তা অবকাঠামো' লক্ষ্য করে নিখুঁত (precision) হামলা চালিয়েছে। পাকিস্তানের তথ্য মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যেসব স্থাপনা থেকে পাকিস্তানে আন্তঃসীমান্ত হামলার পরিকল্পনা ও পরিচালনা করা হচ্ছিল, কেবল সেগুলোকেই লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।  কোনো হাসপাতাল বা বেসামরিক এলাকায় হামলা চালানোর তথ্য নাকচ করে দিয়ে পাকিস্তান দাবি করেছে, তালেবান সরকার বিশ্ববাসীর সহানুভূতি পেতে এবং সন্ত্রাসীদের মদত দেওয়ার বিষয়টি ধামাচাপা দিতে ভুল তথ্য ছড়াচ্ছে। অন্যদিকে, আফগান তালেবান সরকারের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ অভিযোগ করেছেন, পাকিস্তানের যুদ্ধবিমানগুলো কাবুলের ‘উমিদ’ (Omid) নামক একটি ২,০০০ শয্যার মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্র ও হাসপাতালে বোমাবর্ষণ করেছে। তাদের দাবি অনুযায়ী, এই হামলায় অন্তত ৪০০ জন নিহত এবং ২৫০ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন, যাদের অধিকাংশই চিকিৎসাধীন রোগী ছিলেন। তালেবান প্রশাসন এই ঘটনাকে ‘মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন’ এবং ‘মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ’ হিসেবে অভিহিত করেছে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সীমান্ত উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। পাকিস্তানের দাবি, নিষিদ্ধ ঘোষিত টিটিপি (তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান) আফগানিস্তানের মাটি ব্যবহার করে পাকিস্তানে একের পর এক হামলা চালাচ্ছে, যা দমনে তালেবান সরকার কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না। এই প্রেক্ষাপটে পাকিস্তান ‘অপারেশন গজব লিল-হক’ (Operation Ghazab lil-Haq) শুরু করে আফগানিস্তানের ভেতরে বিমান হামলা চালাচ্ছে। জাতিসংঘ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় দুই পক্ষকেই ধৈর্য ধারণ করার এবং বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে। তবে দুই দেশের বর্তমান যুদ্ধংদেহী অবস্থান দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ১৭, ২০২৬ 0
জরুরি প্রস্তুতিতে আন্ডারগ্রাউন্ড ফেসিলিটিতে যাচ্ছে ইসরাইলের স্বাস্থ্যব্যবস্থা
জরুরি প্রস্তুতিতে আন্ডারগ্রাউন্ড ফেসিলিটিতে যাচ্ছে ইসরাইলের স্বাস্থ্যব্যবস্থা

ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে ইসরাইলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সারা দেশে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে। সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনায় দেশের বড় হাসপাতালগুলো তাদের চিকিৎসা কার্যক্রম ভূগর্ভস্থ বা সুরক্ষিত স্থানে সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।   মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যেসব রোগীর তাৎক্ষণিকভাবে হাসপাতালে ভর্তি থাকার প্রয়োজন নেই, তাদের দ্রুত ছাড়পত্র দিতে হবে। একই সঙ্গে হাসপাতালগুলোকে অল্প সময়ের মধ্যে আন্ডারগ্রাউন্ড ইউনিটে জরুরি সেবা চালু করার প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে।   তেল আবিবের সুরাসকি মেডিকেল সেন্টার ইতোমধ্যে তাদের ভূগর্ভস্থ জরুরি হাসপাতাল চালু করেছে এবং রোগীদের নিরাপদ স্থানে স্থানান্তর শুরু করেছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সংবেদনশীল বিভাগগুলো সুরক্ষিত পরিবেশে কার্যক্রম চালাচ্ছে। একইভাবে শেবা মেডিকেল সেন্টারও তাদের বিভিন্ন বিভাগ মাটির নিচের সুরক্ষিত স্থানে সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি সম্পন্ন করছে। হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সরা যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকার কথা জানিয়েছেন।   অন্যদিকে Rambam Health Care Campus তাদের আন্ডারগ্রাউন্ড পার্কিং এলাকা খালি করে জরুরি চিকিৎসা সেবা চালুর উপযোগী করে তুলছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সাধারণ মানুষকে বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া হাসপাতালে না আসার অনুরোধ করেছে।   এদিকে মাগেন ডেভিড অ্যাডোম জানিয়েছে, তারা সামরিক বাহিনী ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে স্বাভাবিক কার্যক্রম সীমিত করে পূর্ণাঙ্গ জরুরি ব্যবস্থায় চলে গেছে। সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ও নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলায় চিকিৎসা খাতের এই বিস্তৃত প্রস্তুতি দেশজুড়ে উদ্বেগ ও যুদ্ধাবস্থার অনুভূতি আরও জোরালো করেছে। সূত্র: CNN

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬ 0
কুষ্টিয়া -৩ আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা।
কুষ্টিয়ায় আমিই এখন উপরওয়ালা: এমপি আমির হামজা

কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কুষ্টিয়া-৩ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা। হাসপাতালের বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, কুষ্টিয়ায় সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে কোনো অপশক্তির কাছে তিনি মাথা নত করবেন না। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তিনি। এ সময় তিনি বলেন, "মেডিকেল কলেজ ও সদর হাসপাতালের অনিয়ম নিয়ে আমার কাছে লিখিত অভিযোগ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জিজ্ঞাসা করলে তারা ভুলের জন্য ক্ষমা চান এবং দায় ওপরের মহলের দিকে ঠেলে দেন। আমি তাদের পরিষ্কার বলেছি, কুষ্টিয়ায় এখন ওপরওয়ালা কেউ নেই; কুষ্টিয়ায় ওপরওয়ালা এখন আমি।" অনিয়মের বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থানের কথা জানিয়ে আমির হামজা আরও বলেন, "হাসপাতালের ভেতরে কিছু 'কালো হাত' সক্রিয় রয়েছে বলে আমি খবর পেয়েছি। যদি কেউ দুর্নীতির চেষ্টা করে বা অবৈধ সুবিধা চায়, তবে সরাসরি আমার কথা বলবেন। কুষ্টিয়ায় কার এত ক্ষমতা যে অন্যায় করবে, তা আমি দেখে নেব।" তিনি আরও জানান, সংসদ অধিবেশন শুরুর আগেই জেলার গুরুত্বপূর্ণ ৪-৫টি প্রতিষ্ঠানে তিনি সরজমিন পরিদর্শন করবেন। বিশেষ করে সিভিল সার্জনের কার্যালয় নিয়ে তার বিশেষ পরিকল্পনা রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। উক্ত সভায় জেলা প্রশাসক ইকবাল হোসেন, মেডিকেল কলেজের প্রিন্সিপাল ডাক্তার শহিদুল ইসলামসহ স্থানীয় প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ 0
বিএনপির নেত্রী সেলিমা রহমান
বিএনপির নেত্রী সেলিমা রহমান সিসিইউতে ভর্তি

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী বেগম সেলিমা রহমান গুরুতর অসুস্থ হয়ে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ায় তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদের দ্রুত সুস্থতা কামনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বইছে প্রার্থনার জোয়ার।   বিএনপির নীতিনির্ধারণী ফোরামের অন্যতম সদস্য বেগম সেলিমা রহমানকে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টার দিকে তিনি হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হলে কোনো বিলম্ব না করে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের হৃদরোগ ইউনিটের সিসিইউতে (CCU) বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন।   আজ রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ম্যাডামের শারীরিক অবস্থার ওপর চিকিৎসকরা সার্বক্ষণিক নজর রাখছেন।   বেগম সেলিমা রহমানের পরিবার এবং বিএনপির পক্ষ থেকে তাঁর দ্রুত আরোগ্য লাভের জন্য দেশবাসী ও দলীয় নেতা-কর্মীদের কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে। একজন নিবেদিতপ্রাণ নেত্রী হিসেবে পরিচিত সেলিমা রহমানের অসুস্থতার খবরে দলের তৃণমূল থেকে শুরু করে সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।   উল্লেখ্য, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি দলের সংকটকালীন সময়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন এবং নারী অধিকার ও জাতীয় রাজনীতিতে প্রশংসনীয় অবদান রেখেছেন।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬ 0
সাত মাস ধরে বেতনহীন নড়াইল জেলা হাসপাতালের আউটসোর্সিং কর্মীরা
সাত মাস ধরে বেতনহীন নড়াইল জেলা হাসপাতালের আউটসোর্সিং কর্মীরা

নড়াইল জেলা হাসপাতাল-এ কর্মরত ৪৫ জন আউটসোর্সিং কর্মী গত সাত মাস ধরে নিয়মিত বেতন পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে তাঁদের পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করতে হচ্ছে।   সংশ্লিষ্টদের দাবি, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নড়াইল টাউন মেডিকেল সার্ভিস লিমিটেড-এর অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণেই এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।   হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, এসব কর্মীর মাসিক বেতন ধরা আছে বিভিন্ন স্কেলে—১৭ হাজার ৬৩০ টাকা, ১৭ হাজার ১৩০ টাকা, ১৬ হাজার ৪৩০ টাকা ও ১৬ হাজার ১৩০ টাকা। নিয়ম অনুযায়ী এই অর্থ সরাসরি তাঁদের ব্যাংক হিসাবে জমা হওয়ার কথা। কিন্তু কর্মীদের অভিযোগ, বেতন তাঁদের অ্যাকাউন্টে দেওয়া হয় না। বরং চেকবইয়ের পাতায় আগেই স্বাক্ষর নেওয়া হয় এবং পরে জনপ্রতি ৪ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ভিন্ন ভিন্ন অঙ্ক হাতে তুলে দেওয়া হয়।   একজন কর্মী, বিদ্যুৎ বাগচি, জানান যে তিনি হাসপাতালের জ্যেষ্ঠ নার্স অঞ্জনার মাধ্যমে দেড় লাখ টাকা ঘুষ দিয়ে চাকরি নিয়েছেন। এ বিষয়ে নার্স অঞ্জনা স্বীকার করেন যে তিনি টাকা নিয়ে আউটসোর্সিং ঠিকাদারের কাছে দিয়েছেন।   নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরও কয়েকজন কর্মী অভিযোগ করেন, চাকরি পেতে তাঁদের ৫০ হাজার থেকে দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ দিতে হয়েছে। এরপরও নিয়মিত বেতন না পাওয়ায় তাঁরা চরম আর্থিক সংকটে রয়েছেন। চাকরি হারানোর আশঙ্কায় অনেকে প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করতেও সাহস পাচ্ছেন না।   অন্যদিকে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মালিক মো. মাহবুবুর রহমান সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি কোনো কর্মীর কাছ থেকে টাকা নেননি। তাঁর দাবি, হাসপাতালে অনুমোদিত ৪৫ জনের বিপরীতে ৭৬ জন কাজ করছেন। তাই ৪৫ জনের বরাদ্দকৃত বেতন ৭৬ জনের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হচ্ছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক জটিলতার কারণেও বেতন দিতে বিলম্ব হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।   এ বিষয়ে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আব্দুল গফফারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তিনি মন্তব্য করতে রাজি হননি।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬ 0
হাসপাতালের নারী ওয়াশরুমে গোপন ক্যামেরা, ইন্টার্ন চিকিৎসক আটক

টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নারী চিকিৎসকদের ওয়াশ রুমে গোপন ক্যামেরা বসানোর অভিযোগে রায়হান কবির ইমন নামে এক ইন্টার্ন চিকিৎসককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।   সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেলে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অভিযুক্ত ইমনকে শনাক্ত করেন হাসপাতালের শিক্ষার্থীরা। পরে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা হাসপাতালের পরিচালকসহ ইমনকে অবরুদ্ধ করে রাখেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ, ডিবি পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত হন।   পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের আন্দোলনের মুখে এক পর্যায়ে সন্ধ্যায় অভিযুক্ত চিকিৎসককে পুলিশ তাদের হেফাজতে নেয়। পরে তাকে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।   ঘটনাটি জানাজানি হলে হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মীদের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।     এ বিষয়ে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক আব্দুল কুদ্দুস বলেন, ‘শুক্রবার রাতে এক নারী চিকিৎসক ওয়াশ রুমে কলমসদৃশ ক্যামেরা দেখতে পান। এ সময় অভিযুক্ত ইন্টার্ন চিকিৎসক ওই কলম ছিনিয়ে নিতে চাইলে দুজনের মধ্যে তর্ক হয়। পরে বিষয়টি আমাদের কাছে অভিযোগ করলে রোববার ৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। সোমবার অভিযুক্ত ইন্টার্ন চিকিৎসক আসলে হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসকরা তাকে অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে আমরা প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করি। পরে পুলিশ এসে তাকে তাদের হেফাজতে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা দায়ের হয়নি। তবে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।   এ ব্যাপারে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) আদিবুল ইসলাম বলেন, মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ জানানোর পর অভিযুক্তকে আটক করে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ২৬, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Top week

ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক

হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ পারাপারের বিনিময়ে ভারতের কাছে তিন ট্যাংকার ফেরত চাইল ইরান

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৬, ২০২৬ 0