শেখ হাসিনা-পরবর্তী বাংলাদেশের প্রথম সাধারণ নির্বাচনকে সামনে রেখে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের ভোটাধিকার ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারতীয় গণমাধ্যম স্ক্রল ইন। সম্প্রতি প্রকাশিত এক বিশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দীর্ঘ ১৬ বছর পর আওয়ামী লীগবিহীন এই নির্বাচনে হিন্দু ভোটাররা কীভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলেও আলোচনা চলছে। প্রতিবেদনটিতে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রঞ্জন কর্মকারের একটি সাক্ষাৎকার তুলে ধরা হয়। সেখানে তিনি বলেন, “আমরা আসলে এই নির্বাচন বর্জন করতে চাই। অনেক হিন্দু ভোটার হয়তো লোকচক্ষুর অন্তরালে থাকতে বা নজর এড়াতে ভোটকেন্দ্রে যাবেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোনো মার্কায় ভোট না দিয়েই ফিরে আসবেন।” প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হওয়া এবং প্রধান রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর উত্থানের কারণে হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। রঞ্জন কর্মকার বলেন, ঐতিহাসিকভাবে হিন্দুরা একটি ধর্মনিরপেক্ষ শক্তির পক্ষে ভোট দিয়ে এলেও বর্তমান নির্বাচনি পরিস্থিতিতে তারা তেমন কোনো শক্তি দেখতে পাচ্ছেন না। তিনি আরও বলেন, সংবিধান সংস্কারের গণভোটে ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’ শব্দের পরিবর্তে ‘বহুত্ববাদ’ প্রতিস্থাপনের উদ্যোগ সংখ্যালঘুদের জন্য উদ্বেগজনক। তাঁর ভাষায়, “‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়া মানে নিজেদের ক্ষতি ডেকে আনা, আবার ‘না’ ভোট দিলেও সহিংসতার আশঙ্কা রয়েছে।” ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের সাবেক শিক্ষার্থী তরুণ সরকার ও ঢাকার বাসিন্দা সৌরভ ঘোষসহ কয়েকজন ভোটার জানান, জামায়াতে ইসলামীকে ঠেকাতে কিছু হিন্দু ভোটার বিএনপিকে সমর্থন করতে পারেন। তবে তাদের বড় উদ্বেগ ভোট-পরবর্তী নিরাপত্তা। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সংখ্যালঘু পরিবারগুলো জমি দখল ও সহিংসতার আশঙ্কায় রয়েছেন। ঐক্য পরিষদের নেতাদের মতে, প্রায় ৩০০ আসনের মধ্যে অন্তত ১০০ আসনে হিন্দু ভোট নির্ণায়ক ভূমিকা রাখে, যদিও এবারের প্রেক্ষাপট ভিন্ন। সৌরভ ঘোষ বলেন, “আমরা যদি কোনো দলকে ভোট দিই এবং তারা হেরে যায়, বিজয়ীরা আমাদের ওপর চড়াও হয়। আবার আমাদের সমর্থিত দল জিতলেও হামলা বন্ধ হয় না।” তবে বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টির সভাপতি সুকৃতি কুমার মণ্ডল ভোট বর্জনের বিপক্ষে মত দেন। তিনি মনে করেন, নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থে হিন্দু ভোটাররা এমন দলকেই বেছে নেবেন যারা নির্বাচনের পর তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেবে। প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়, ঐতিহ্যগতভাবে বাংলাদেশের হিন্দুরা আওয়ামী লীগকে সমর্থন করলেও বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে তাদের মধ্যে দ্বিধা রয়েছে। তবুও বয়োজ্যেষ্ঠ অনেক হিন্দু ভোটারের মধ্যে আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তা এখনো রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
ঝিনাইদহ-৪ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেছেন, নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থাকলেও তাদের ভোটাররা বর্তমানে বিএনপিকে একমাত্র নিরাপদ দল হিসেবে দেখছেন। তিনি মনে করেন, এর ফলে ধানের শীষ প্রতীকী ভোটের মাধ্যমে তারা বিএনপিকে সমর্থন করবেন। রাশেদ খান বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) জেলার সদর উপজেলার পান্নাতলা বাজারে নির্বাচনী গণসংযোগকালে এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, “আমরা তো জামায়াতকে জানি। তাদের একমাত্র পুঁজি হলো দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে জান্নাতে যাবেন—এমন বিশ্বাস। জামায়াত নেতারা মনে করেন জান্নাত তাদের পৈতৃক সম্পত্তি। তাই তারা চাইলে জান্নাত দিতে পারবে।” রাশেদ খানের বক্তব্যে আরও উঠে আসে, “জামায়াতের নেতাকর্মীরা জনগণের কাছে গিয়ে ভোট চাইবেন, কিন্তু দেশের ধর্মপ্রাণ মানুষকে বিভ্রান্ত করবেন না। ধর্মের ব্যবহার রাজনীতিতে বন্ধ করতে হবে। জনগণ ইতোমধ্যেই জামায়াতকে প্রত্যাখ্যান শুরু করেছে।” নির্বাচনী গণসংযোগে কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হামিদুল ইসলাম হামিদসহ দলের অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
মাদারীপুর-১ (শিবচর) আসনে বিএনপির প্রার্থী নাদিরা আক্তারের নির্বাচনী প্রচারে প্রকাশ্যে আসা, দীর্ঘদিন পলাতক থাকা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা–কর্মীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে শিবচর থানায় বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বুধবার সন্ধ্যায় ‘শিবচরের সর্বস্তরের জনগণ’ ব্যানারে আয়োজিত কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা নিজেদের ‘জুলাই যোদ্ধা’ হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। তারা অভিযোগ করেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতারা প্রকাশ্যে আসছে এবং আসন্ন নির্বাচনকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। পুলিশ ও বিক্ষোভকারীরা জানান, মঙ্গলবার শিবচর পৌরসভার খান বাড়িতে অনুষ্ঠিত নাদিরা আক্তারের উঠান বৈঠকে অন্তত ২০ জন আলোচিত আওয়ামী লীগ নেতা–কর্মী উপস্থিত ছিলেন। তারা ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দিয়ে ধানের শীষে ভোট চেয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে প্রথম আলোর অনলাইনে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর জেলার রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিক্ষোভ মিছিলটি উপজেলা সদরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শিবচর থানার সামনে এসে শেষ হয়। অর্ধশতাধিক বিক্ষোভকারী ব্যানার–ফেস্টুন হাতে থানার সামনে অবস্থান নেন এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলামের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন। বিক্ষোভকারীদের পক্ষে শাহাদাত হোসেন বলেন, “আমরা শান্তিপূর্ণভাবে স্মারকলিপি দিয়েছি। ২৪ ঘণ্টা সময় আমরা ওসিকে দিয়েছি। যদি প্রকাশ্যে আসা আওয়ামী লীগ নেতাদের গ্রেপ্তার করা না হয়, আমরা পাঁচ হাজার লোক নিয়ে থানা ঘেরাও করব। দীর্ঘ ১৭ বছর স্বৈরাচরদের প্রকাশ্যে রাজনীতি করা শিবচরের জনগণ মেনে নেবে না। আমরা প্রশাসনের কাছ থেকে জবাব চাই।” শিবচর থানার ওসি শফিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে জানান, “বিক্ষোভকারীরা নিজেদের জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধা হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। তাদের স্মারকলিপি গ্রহণ করেছি। যাদের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে, তাদের গ্রেপ্তার করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
৫ আগস্টের সেই নাটকীয় পটপরিবর্তন এবং দীর্ঘ নীরবতার পর এবার সামনে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য। ভারতে অবস্থানরত আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা কি পর্দার আড়ালে নতুন কোনো ছক কষছেন? আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘দ্য গার্ডিয়ান’-এর বিশেষ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এক বিস্ফোরক চিত্র। কলকাতায় অবস্থানরত প্রায় ৬০০ নেতার গতিবিধি এবং দিল্লির সাথে তাঁদের নিয়মিত যোগাযোগ এখন আলোচনার তুঙ্গে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কি সত্যিই ‘বীরের বেশে’ ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন? ভারতের মাটিতে বসে প্রতিদিন ১৫-১৬ ঘণ্টা মিটিং আর ফোন কলে কী বার্তা দিচ্ছেন তিনি? মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মনে এখন একটাই প্রশ্ন—সংকট কাটিয়ে দলটি কি আবারো বাংলাদেশের রাজনীতিতে জায়গা করে নিতে পারবে? পুরো বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন। তাঁর দাবি এবং গার্ডিয়ানের অনুসন্ধানী তথ্যে ঠাসা আজকের এই বিশেষ প্রতিবেদন। ভারতে অবস্থান: বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় আওয়ামী লীগের ৬০০-এর বেশি প্রভাবশালী নেতা অবস্থান করছেন। দিল্লির সাথে যোগাযোগ: গত কয়েক মাসে সাবেক সংসদ সদস্য ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়মিত দিল্লিতে ডেকে পাঠানো হচ্ছে দলীয় কৌশলের আলোচনার জন্য। শেখ হাসিনার ব্যস্ততা: সাদ্দাম হোসেনের ভাষ্যমতে, শেখ হাসিনা প্রতিদিন প্রায় ১৫ থেকে ১৬ ঘণ্টা নেতাকর্মী ও পেশাজীবী সংগঠনের সাথে যোগাযোগ রাখছেন। ফিরে আসার পরিকল্পনা: মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার ও নানা অভিযোগ মাথায় থাকলেও, দলটি বিশ্বাস করে শেখ হাসিনা আবারো বাংলাদেশে ফিরে রাজনীতিতে সক্রিয় হবেন।
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় আওয়ামী লীগ থেকে বিএনপিতে যোগদানের একদিন পর দুগ্রুপের মধ্যে কয়েক দফার সংঘর্ষে নারীসহ ১৫ জন আহত হয়েছেন। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ভাঙ্গা উপজেলার চুমরদী ইউনিয়নের বাবনাতলা গ্রামে কয়েক দফা হামলা পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে। সংবাদ পেয়ে ভাঙ্গা থানা পুলিশ ও স্থানীয় ব্যক্তিরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। জানা যায়, মঙ্গলবার বিকালে ঘারুয়া ইউনিয়নের গঙ্গাধরদী গ্রামে মতিউর রহমানের বাড়িতে বিএনপি আয়োজিত এক উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুলের হাতে ফুল দিয়ে আশপাশের কয়েকশ গ্রামবাসী আওয়ামী লীগ থেকে বিএনপিতে যোগদান করেন। তারা সবাই ইতোপূর্বে নিক্সন চৌধুরী ও কাজী জাফরউল্লাহ সমর্থিত নেতাকর্মী ছিলেন। উঠান বৈঠকে বাবনাতলা গ্রামের ইসরাফিল মোল্লা বক্তব্য দেন। বক্তব্য দীর্ঘায়িত হলে ওই বক্তব্যের প্রতিবাদ করেন একই গ্রামের প্রতিপক্ষ আনোয়ার মোল্লার দলের শহিদুল মোল্লা। বৈঠক চলাকালে এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে তর্ক-বিতর্কের ঘটনা ঘটলে পরে বিএনপির প্রার্থী শহিদুল ইসলাম বাবুলের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা হয়। এর জের ধরে আজ বুধবার সকাল ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত দুপক্ষের লোকজন লাঠিসোটা ইটপাটকেল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দফায় দফায় সংঘর্ষে জড়ায়। এতে দুপক্ষের ১৫ জন আহত হন। আহতদের ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়। আহতরা হলেন- লাবনী আক্তার (৪৫), ফাতেমা আক্তার (৩৬), অ্যাডভোকেট জাকারিয়া (৪০), লাভলু মোল্লা (৪৫), জাহিদ মোল্লা (৩৭), ইয়াদালী আলী মোল্লা (৪০), ইসরাফিল মোল্লা (৪৫), আব্দুর রহমান (২০),আনোয়ার মোল্লা (৫০), শাহাবুদ্দিন মোল্লা (৫৫), শহিদুল মোল্লা (৩০), সুমন (২৮) ও রাজনসহ (৩০) ১৫ জান। ভাঙ্গা থানার এসআই আফজাল হোসেন জানান, সংঘর্ষের সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই। পরে আমরাসহ স্থানীয় বিএনপির নেতারা ঘটনাস্থলে এসে মীমাংসার প্রস্তাব দিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন। এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষের লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে আহত বিএনপি নেতা জাকারিয়া মোল্লা জানান, আমার ভাই ইসরাফিল মোল্লার যোগদান অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার প্রতিবাদে প্রতিপক্ষের শহীদুল মোল্লা তীব্র সমালোচনা করেন। এ নিয়ে আজ সকালে আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা করে প্রতিপক্ষ শাহাবুদ্দিনের লোকজন। আমার পকেটে থাকা ৪ লাখ টাকা নিয়ে যায় এবং আমাদের বাড়িঘর ভাঙচুর করে। আমাদের প্রায় ৮-১০ জন লোক আহত করে। প্রতিপক্ষের আনোয়ার মোল্লা জানান, তার পক্ষের শহীদুল মোল্লার ওপর অতর্কিতে হামলা চালায় শাহাবুদ্দিন মোল্লার লোকজন। এ নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। আমাদের বেশ কয়েকজন লোক আহত হন।
এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল। এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে। একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই। “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান। এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে। সূত্র: Royanews
দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে। এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা। নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা। এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।
যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)। ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না। তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে। সূত্র: ABC News
যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে। নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা। ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল। তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে। এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস
মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন। পার্সটুডে- মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন। মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটার সতর্ক করে বলেছেন যে পশ্চিমারা সর্বদা তার গুপ্তচর সংস্থাগুলির মাধ্যমে ইরানের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ভিত্তি ধ্বংস করতে চাইছে এবং অপর্যাপ্তভাবে নিয়ন্ত্রিত তথ্য-যোগাযোগ রুট ব্যবহার করে কিছু ইরানিকে তাদের এজেন্ট নিয়োগ করেছে। ক্ষেপণাস্ত্র ইরানের জন্য একটি পছন্দসই আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয় পার্সটুডে অনুসারে, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরিসর সীমিত করার বিষয়ে মার্কিন কর্মকর্তাদের বক্তব্যের কথা উল্লেখ করে রিটার ব্যাখ্যা করেছেন যে এই শর্তটি বাস্তবে "নিরস্ত্রীকরণ" এবং ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের কাছ থেকে "কৌশলগত আত্মহত্যার" অনুরোধের সমতুল্য। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে ক্ষেপণাস্ত্র শুধুমাত্র ইরানের জন্য একটি কাঙ্ক্ষিত আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয়, বরং প্রতিরোধ ও বেঁচে থাকার মেরুদণ্ড এবং এই স্তম্ভটি অপসারণকারী যেকোনো চেষ্টো ইরানকে অরক্ষিত করে তুলবে। তিনি যুক্তি দেন যে ইরান যদি তার ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা এতটাই কমিয়ে দেয় যে তারা আর ইসরায়েলে আঘাত করতে পারবে না, তাহলে ইসরায়েল প্রতিশোধের ভয় ছাড়াই ইরানে আক্রমণ করবে। ইরানের সাথে যুদ্ধ নীতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অক্ষমতা আমেরিকান বিশ্লেষক স্পষ্ট করে বলেন যে ইরানের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ এড়ানোর মূল কারণ কৌশলগত অক্ষমতা। তিনি বলেন, যেকোনও সামরিক আক্রমণ ইরানকে এমন প্রতিক্রিয়ার দিকে ঠেলে দেবে যা একই সাথে মার্কিন বাহিনী এবং স্বার্থের জন্য গুরুতর ক্ষতি বয়ে আনতে পারে। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে এই ধরনের পরিবেশে ইরানের সাথে যুদ্ধ কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কৌশলগত সুবিধাতো আনবেই না বরং ট্রাম্পের জন্য একটি অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিপর্যয়ও হতে পারে। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কেবল ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষার জন্য। আলোচনা একটি ফাঁদ সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা পরামর্শ দেন যে ইরানের উচিত দুর্বলতা থেকে নয়, বরং ওয়াশিংটনে রাজনৈতিক অজুহাতের পথ বন্ধ করার জন্য আলোচনায় প্রবেশ করা। তবে, রিটার সতর্ক করে দেন যে ইরানি কর্মকর্তাদের সর্বদা ধরে নেওয়া উচিত যে আলোচনা "একটি ফাঁদ"। কূটনীতির মাধ্যম বজায় রেখে, ইরানের উচিত তার সামরিক ও গোয়েন্দা যন্ত্রপাতিকে পূর্ণ সতর্ক রাখা । স্কট রিটার সাম্প্রতিক নৌ সংঘর্ষকে আমেরিকার শ্রেষ্ঠত্ব বা আগ্রাসনের লক্ষণ হিসেবে নয়, বরং ইরানের প্রবেশাধিকার-বিরোধী এবং আঞ্চলিক-বিরোধী ক্ষমতার প্রতি ওয়াশিংটনের কৌশলগত ভয়ের প্রতিফলন। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে ইরানের নতুন প্রজন্মের নির্ভুল, কৌশলগত এবং হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের সামনে মার্কিন বিমানবাহী রণতরীগুলি "অপ্রচলিত" সিস্টেমে পরিণত হয়েছে। প্রধান হুমকি: ভেতর থেকে পতনের জন্য মানসিক যুদ্ধ অবশেষে, স্কট রিটার "মানসিক যুদ্ধ" নামক একটি ধারণার কথা উল্লেখ করেছেন; এমন একটি যুদ্ধ যেখানে, তিনি যুক্তি দেন, সরাসরি সামরিক সংঘাতের চেয়ে অনেক বেশি বিপজ্জনক, কারণ এর লক্ষ্য হল একটি গুলি না চালিয়েও একটি সমাজকে ভেতর থেকে ধ্বংস করা