সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার

ন্যায়বিচারের লড়াই

বিয়ের পোশাকে ইউসরন আজ্জাহিদি ও জিয়াদাতুর রাহমা, যারা তাদের সাবেক শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা
শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্ত করতে গিয়ে প্রেম, বিয়ে করলেন ইন্দোনেশিয়ার দুই সাবেক শিক্ষার্থী

ইন্দোনেশিয়ার একটি ইসলামি আবাসিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগের প্রমাণ সংগ্রহ করতে গিয়ে একে অপরের আরও কাছাকাছি এসেছিলেন দুই সাবেক শিক্ষার্থী। দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব, দূরত্ব পেরিয়ে যোগাযোগ এবং ন্যায়বিচারের লড়াইয়ের পর গত মাসে বিয়ে করেছেন ইউসরন আজ্জাহিদি ও জিয়াদাতুর রাহমাহ। তাঁদের এই গল্প সামনে এসেছে বিবিসি আইয়ের অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ‘ক্যাচিং মাই টিচার’-এর মাধ্যমে। তবে এটি শুধু প্রেম ও বিয়ের গল্প নয়, বরং প্রভাবশালী শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের চাপের মুখে পড়া এবং ন্যায়বিচারের জন্য দীর্ঘ লড়াইয়ের ঘটনাও। বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইন্দোনেশিয়ার লম্বক দ্বীপের আবু বারোকাত ইসলামি আবাসিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান শিক্ষক আহমাদ ইমানুদ্দিন সুমার শিক্ষার্থীদের কাছে ‘আবাহ’ নামে পরিচিত ছিলেন। স্থানীয়ভাবে সম্মানিত এই শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠানের প্রধানের বিরুদ্ধে কয়েকজন সাবেক শিক্ষার্থী যৌন নিপীড়নের অভিযোগ তোলেন। ইউসরন তখন জাকার্তায় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছিলেন, আর জিয়াদাতুর, যিনি বন্ধুদের কাছে জিয়া নামে পরিচিত, পড়াশোনা করছিলেন মিসরের কায়রোতে। এক রাতে পুরোনো দিনের স্মৃতিচারণের সময় জিয়া ইউসরনকে জানান, স্কুলে পড়ার সময় ওই শিক্ষক তাঁকে যৌন নিপীড়ন করেছিলেন। জিয়ার বয়স তখন ১৬ বছর ছিল বলে বিবিসির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনাটি শোনার পর ইউসরন প্রথমে বুঝতে পারছিলেন না কী করা উচিত। কারণ, যে শিক্ষককে তাঁরা শ্রদ্ধা করতেন, তাঁর বিরুদ্ধেই এমন গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। পরে জিয়া, ইউসরন এবং তাঁদের আরও দুই সাবেক সহপাঠী ওয়ান্ডা হামিদাহ ও মাহিমা একা মিলে অন্য শিক্ষার্থীদের বক্তব্য সংগ্রহের উদ্যোগ নেন। পুরোনো সহপাঠীদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তাঁরা আরও কয়েকজনের অভিজ্ঞতার কথা জানতে পারেন। ইউসরন সেসব তথ্য, অভিযোগের বিবরণ ও সংশ্লিষ্ট বক্তব্য নিয়ে সাত পৃষ্ঠার একটি নথি তৈরি করেন। এতে জিয়া, সুকমা রোহানা এবং আরও কয়েকজন সাবেক শিক্ষার্থীর অভিযোগের বিবরণ ছিল। তাঁদের সংগ্রহ করা তথ্যের মধ্যে সুকমা রোহানার বক্তব্যও ছিল। সুকমার দাবি, ১৭ বছর বয়সে ওই শিক্ষক তাঁকে নিজের বাড়িতে ডেকে নিয়ে যৌন নিপীড়নের চেষ্টা করেছিলেন। তিনি নিজেকে রক্ষা করে সেখান থেকে পালিয়ে আসতে সক্ষম হন বলে বিবিসিকে জানিয়েছেন। অন্য সাবেক শিক্ষার্থীদের কাছ থেকেও একই শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগের কথা উঠে আসে। এসব বক্তব্য একত্র করে ইউসরন ও তাঁর বন্ধুরা ভেবেছিলেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে গেলে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত হবে এবং ভুক্তভোগীরা ন্যায়বিচারের সুযোগ পাবেন। কিন্তু অভিযোগের নথি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনাকারী সংগঠন নাহদলাতুল ওয়াতান দিনিয়াহ ইসলামিয়াহর (এনডব্লিউডিআই) প্রতিনিধিদের কাছে দেওয়ার পর পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। ইউসরনের অভিযোগ, নথির তথ্য অভিযুক্ত শিক্ষকের কাছে পৌঁছে যায়। এরপর তিনি ইউসরনকে ফোন করে বিষয়টি প্রকাশ না করার জন্য অনুরোধ করেন। বিবিসির হাতে থাকা গোপনে ধারণ করা ফোনালাপে ওই শিক্ষককে বলতে শোনা যায়, ‘তোমার শিক্ষকের লজ্জা ঢেকে রাখো। সবাই ভুল করে, বাবা।’ ইউসরনের ভাষ্য অনুযায়ী, শিক্ষক তাঁকে অভিযোগের নথি প্রত্যাহার করার জন্যও চাপ দেন। জিয়াকেও একইভাবে নীরব থাকার অনুরোধ করা হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে ওঠে যখন ইউসরনের পরিবারও এই ঘটনার মধ্যে জড়িয়ে পড়ে। বিবিসি জানায়, ওই শিক্ষক ইউসরনের বাবা-মাকে জাকার্তায় গিয়ে ছেলেকে খুঁজে বের করার জন্য অনুরোধ করেছিলেন। পরিবারের ওপর মানসিক চাপ তৈরি হওয়ায় ইউসরন একপর্যায়ে তদন্তের কাজ থামিয়ে দেন। অন্যদিকে, জিয়াও নিজের অভিজ্ঞতার মানসিক প্রভাব নিয়ে লড়ছিলেন। তাঁদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক তখন ধীরে ধীরে গভীর হচ্ছিল। নিয়মিত ফোনালাপ ও দূর থেকে যোগাযোগের মধ্য দিয়ে তাঁরা একে অপরের প্রতি আস্থা তৈরি করেন। তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে নতুন তথ্য সামনে আসায় তাঁরা আবারও ন্যায়বিচারের চেষ্টা শুরু করার সিদ্ধান্ত নেন। পরে আরও অভিযোগ সামনে এলে ইউসরন ও জিয়া আবার সক্রিয় হন। তাঁরা যৌন নিপীড়নের শিকার ব্যক্তিদের সহায়তা নিয়ে কাজ করা এক তরুণীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তাঁর পরামর্শে একজন আইনজীবীর সহায়তা নেন তাঁরা। আইনজীবী জোকো জুমাদির পরামর্শে অভিযোগের প্রমাণ ও বক্তব্যগুলো যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা হয়। সুকমা পুলিশের কাছে অভিযোগও করেন। তবে বিবিসির মূল অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, অভিযোগ দায়েরের পরও তাঁকে দীর্ঘ সময় পুলিশের পদক্ষেপের অপেক্ষায় থাকতে হয়েছে। বিবিসির অনুসন্ধান প্রকাশের পর পরিস্থিতিতে নতুন মোড় আসে। ১০ অক্টোবর প্রকাশিত পরবর্তী প্রতিবেদনে জানানো হয়, অভিযুক্ত সাবেক প্রধান শিক্ষককে আটক করেছে কর্তৃপক্ষ এবং তিনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব থেকেও সরে দাঁড়িয়েছেন। তদন্তের পর নতুন করে আরও কয়েকজন সাবেক শিক্ষার্থী তাঁদের অভিজ্ঞতার কথা সামনে আনেন। তাঁদের মধ্যে ১২ জন অতিরিক্ত সাবেক শিক্ষার্থীর বক্তব্য পুলিশ গ্রহণ করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। অভিযুক্ত শিক্ষক অবশ্য অভিযোগগুলো অস্বীকার করেছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, গোপনে ধারণ করা ফোনালাপকে স্বীকারোক্তি হিসেবে দেখা উচিত নয়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনাকারী এনডব্লিউডিআইও অভিযোগ ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করার কথা অস্বীকার করে জানিয়েছে, তারা অভ্যন্তরীণভাবে বিষয়টি তদন্ত করছে।      এই অনুসন্ধানের মধ্যেই ইউসরন ও জিয়ার সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়। তিন বছর ধরে কথা বলা ও দূর থেকে যোগাযোগের পর গত ফেব্রুয়ারিতে ইউসরন জিয়ার সঙ্গে থাকতে কায়রোতে চলে যান। তাঁদের বিয়ে হয় গত মাসে। জিয়া বিবিসিকে বলেছেন, নিজের অভিযোগের বিষয়ে ইউসরনের সহযোগিতা ও প্রচেষ্টা দেখে তাঁর প্রতি আস্থা তৈরি হয়েছিল। অন্যদিকে ইউসরন বলেছেন, কঠিন সময়েও জিয়া দৃঢ় ছিলেন এবং তাঁর প্রতি ইউসরনের গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। তাঁদের কাছে সম্পর্কটি শুধু ব্যক্তিগত ভালোবাসার নয়, বরং একে অপরের পাশে দাঁড়িয়ে ন্যায়বিচারের চেষ্টা চালিয়ে যাওয়ারও প্রতীক। বিবিসির অনুসন্ধান প্রকাশের পর ইন্দোনেশিয়ায় বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। ইউসরন ও জিয়ার সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যোগাযোগ করে আরও অনেকে নিজেদের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন। কিছু অভিভাবক তাঁদের সন্তানদের ওই আবাসিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে সরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নেন। আইনজীবী জোকো জুমাদি বলেছেন, গোপনে ধারণ করা ফোনালাপগুলো অভিযোগের বিষয়ে চাপ প্রয়োগের ধরন বোঝার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হতে পারে। ইন্দোনেশিয়ার নারী নির্যাতনবিরোধী জাতীয় কমিশন দেশটির ইসলামি আবাসিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে যৌন নিপীড়নের বিষয়টিকে গুরুতর সংকট হিসেবে বর্ণনা করেছে। তবে অভিযোগগুলোর চূড়ান্ত বিচারিক নিষ্পত্তি কী হবে, তা তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করছে। সূত্র: বিবিসি আই অনুসন্ধানী প্রতিবেদন, বিবিসি নিউজ ইন্দোনেশিয়া।

মোহাম্মদ ইব্রাহিম অক্টোবর ১১, ২০২৬ ১৪:০
জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

Top week

দাঁত পড়ে গেলে আর চিন্তা নেই, জাপানি বিজ্ঞানীদের ওষুধে আবার গজাবে দাঁত

দাঁত পড়ে গেলে আর চিন্তা নেই, জাপানি বিজ্ঞানীদের ওষুধে আবার গজাবে দাঁত

অক্টোবর ৮, ২০২৬ ১৪:০