প্রতিমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত।
প্রটোকল ভেঙে কবরে নামলেন প্রতিমন্ত্রী: অনন্য মানবিকতায় মুগ্ধ নান্দাইলবাসী

রাষ্ট্রীয় পদের মোহ আর প্রটোকলের বেড়াজাল ছিন্ন করে এক অনন্য মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এমপি।  ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায় এক সাধারণ নাগরিকের দাফন কাজে সরাসরি কবরে নেমে অংশ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশংসায় ভাসছেন তিনি। শুক্রবার (২৭ মার্চ) নান্দাইলের জাহাঙ্গীরপুর ইউনিয়নে দুটি উন্নয়নমূলক কাজের উদ্বোধন শেষে ফিরছিলেন প্রতিমন্ত্রী। ফেরার পথে রাস্তার পাশে একটি দাফন কাজ চলতে দেখে তিনি তাৎক্ষণিক নিজের গাড়ি বহর থামানোর নির্দেশ দেন। কোনো আনুষ্ঠানিকতা ছাড়াই গাড়ি থেকে নেমে সরাসরি কবরস্থানে চলে যান তিনি। সেখানে উপস্থিত সাধারণ মানুষের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে প্রতিমন্ত্রীর কবরে নেমে মরদেহ শায়িত করার দৃশ্য দেখে বিষ্মিত হন প্রত্যক্ষদর্শীরা। স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ মানুষ জানান, একজন উচ্চপদস্থ জনপ্রতিনিধির এমন নিরহংকার আচরণ সচরাচর দেখা যায় না।  দাফন শেষে তিনি মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন। পদের দাপট ভুলে মাটির মানুষের প্রতি এমন অকৃত্রিম ভালোবাসা বর্তমানে এক বিরল দৃষ্টান্ত হয়ে দাঁড়িয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
তেলের দাম বৃদ্ধির বিষয়ে যা জানালেন প্রতিমন্ত্রী

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের ঊর্ধ্বগতি সত্ত্বেও দেশের সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করে আপাতত তেলের দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা নেই সরকারের।  বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত আজ যশোরে এক অনুষ্ঠানে এই ঘোষণা দেন। তিনি জানান, জনগণের ওপর চাপ কমাতে সরকার প্রতিদিন ১৬৭ কোটি টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে। শুক্রবার দুপুরে যশোরের জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের প্রায় ৮০টি দেশ তেলের দাম বাড়ালেও বাংলাদেশ সরকার জনগণের স্বার্থে অনড় অবস্থানে রয়েছে।  পরিবহন ও খাদ্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতেই এই সিদ্ধান্ত। ঈদ কেন্দ্রিক বাড়তি চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি আগামী ৯০ দিনের নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি মজুত নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সরকার। এছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার মাঝেও ‘হরমুজ প্রণালি’ দিয়ে জাহাজ চলাচলের বিষয়ে ইরানের বিশেষ অনুমতি পাওয়াকে সরকারের বড় কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। এর ফলে জ্বালানি সংকট নিয়ে ভয়ের কিছু নেই বলে আশ্বস্ত করেছেন প্রতিমন্ত্রী।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৭, ২০২৬ 0
সমাজকল্যাণ ও নারীবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল
‘মাননীয় স্পিকার’-এর বদলে ‘মাই লর্ড’, তবু সংসদে প্রাণবন্ত জবাব দিলেন প্রতিমন্ত্রী শারমিন পুতুল

জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে সম্বোধন করতে গিয়ে ‘মাননীয় স্পিকার’-এর পরিবর্তে কয়েকবার ‘মাই লর্ড’ বলে ফেলেন সমাজকল্যাণ ও নারীবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল। তবে পরে তিনি বিষয়টি নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেন এবং সাবলীলভাবে প্রশ্নের উত্তর দেন।   ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে আজ দ্বিতীয় প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য সমাজকল্যাণ ও নারীবিষয়ক মন্ত্রী ডা. জাহিদ হোসেনকে খোঁজা হয়। তিনি অনুপস্থিত থাকায় প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল দাঁড়িয়ে প্রশ্নের উত্তর দেন।   প্রথম প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে সম্বোধনের সময় ‘মাননীয় স্পিকার’-এর বদলে কয়েকবার ‘মাই লর্ড’ বলে ফেলেন তিনি। পরে সম্পূরক প্রশ্নের উত্তর দিতে উঠে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আমি পেশায় আইনজীবী। অভ্যাসবশত ‘মাই লর্ড’ বলে ফেলেছি। এ জন্য আমি দুঃখিত।”   এরপর তিনি মূল প্রশ্নসহ চারটি সম্পূরক প্রশ্নের উত্তর দেন। তাঁর জবাব ছিল সাবলীল ও প্রাণবন্ত। সংসদে প্রথমবারের মতো এমপি ও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে বক্তব্য দিলেও তাঁর উপস্থাপনায় সেই নবীনতার ছাপ খুব একটা দেখা যায়নি বলে উপস্থিত সংসদ সদস্যদের অনেকে মন্তব্য করেন।   এ সময় প্রথম সম্পূরক প্রশ্ন করার সুযোগ পান সাবেক বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নাল আবেদীন ফারুক। দ্বিতীয় সম্পূরক প্রশ্ন করেন জামায়াতে ইসলামীর চট্টগ্রামের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী। তৃতীয় সম্পূরক প্রশ্ন করেন জামায়াতের সাতক্ষীরার সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম।   চতুর্থ সম্পূরক প্রশ্ন করার সুযোগ পান জামায়াতের নড়াইল–২ আসনের সংসদ সদস্য মো. আতাউর রহমান। প্রতিমন্ত্রী এসব প্রশ্নেরও ধারাবাহিকভাবে উত্তর দেন।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৫, ২০২৬ 0
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
বিদ্যুৎ ও তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে, দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা নেই: প্রতিমন্ত্রী

দেশে জ্বালানি তেল বা বিদ্যুতের কোনো সংকট নেই এবং এই মুহূর্তে এগুলোর দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনাও সরকারের নেই বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সচিবালয়ে জ্বালানি তেলের সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।   মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দেশে জ্বালানি সংকট নিয়ে জনমনে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এর ফলে গত কয়েকদিন ধরে পেট্রোল পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন ও রেশনিংয়ের খবর পাওয়া যাচ্ছিল। এ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “বিশ্ববাজারে তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও সরকার এখনই দাম বাড়ানোর কথা ভাবছে না। মধ্যপ্রাচ্যের সংকট শুরুর পর থেকেই সরকার জনদুর্ভোগ কমাতে কাজ করে যাচ্ছে।”   গত সপ্তাহে পেট্রোল পাম্পগুলোতে উপচে পড়া ভিড় প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী জানান, গত পাঁচ দিনে স্বাভাবিক চাহিদার তুলনায় দুই থেকে তিন গুণ বেশি জ্বালানি সরবরাহ করা হয়েছে। তবুও মানুষের উদ্বেগ পুরোপুরি কাটেনি। তিনি এই পরিস্থিতিকে ‘পেনিক বায়িং’ বা আতঙ্কিত হয়ে কেনা হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, “এই অস্বাভাবিক চাহিদার পেছনে যৌক্তিক কোনো কারণ নেই। বরং মানুষের উৎকণ্ঠা ও আতঙ্কই বেশি কাজ করেছে। আমাদের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে, তাই অযথা আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই।”   প্রতিমন্ত্রী জানান, সরকার বর্তমানে জ্বালানি পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। বিশ্ববাজারে অস্থিরতা থাকলেও দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে এর প্রভাব যেন সাধারণ মানুষের ওপর না পড়ে, সেটিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১০, ২০২৬ 0
সংসদ সদস্যদের প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
সংসদ সদস্যদের প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন ১২ মার্চ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এ অধিবেশনকে সামনে রেখে দলীয় সংসদ সদস্যদের প্রস্তুত করতে দুই দিনব্যাপী একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করেছে বিএনপি। বিশেষ করে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং নতুন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টাদের সংসদীয় কার্যক্রম সম্পর্কে ধারণা দেওয়াই এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।   শুক্রবার (৬ মার্চ) সকালে গুলশানে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কর্মশালাটির উদ্বোধন করেন দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান এই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশ নিয়ে দলের সংসদ সদস্যদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা ভাগাভাগি করছেন।   উদ্বোধনী পর্বে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য আব্দুল মঈন খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ এবং এজেডএম জাহিদ হোসেনসহ দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। কর্মশালায় তার কন্যা জাইমা রহমানও উপস্থিত ছিলেন।   দলীয় নেতারা জানান, কর্মশালায় সংসদের নিয়ম-কানুন, আচরণবিধি, বিল প্রণয়ন ও পর্যালোচনার পদ্ধতি, বাজেট সংক্রান্ত নথি বিশ্লেষণ এবং সংসদীয় স্থায়ী কমিটির কাজের ধরনসহ নানা বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি অভিজ্ঞ সংসদ সদস্যরা তাদের বাস্তব অভিজ্ঞতা নতুনদের সঙ্গে ভাগ করে নিচ্ছেন। এর মাধ্যমে সরকারের কার্যক্রমকে আরও দক্ষ ও কার্যকর করার লক্ষ্য রাখা হয়েছে।   রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আহ্বান করেন। তার ঘোষণানুযায়ী, ১২ মার্চ সকাল ১১টায় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হবে। সেই অধিবেশনকে সামনে রেখেই নবনির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের প্রস্তুত করতে এই নিবিড় প্রশিক্ষণ আয়োজন করা হয়েছে।   কর্মশালায় প্রশিক্ষক হিসেবে সাবেক আমলা, শিক্ষাবিদ ও সাবেক সংসদ সদস্যরা উপস্থিত রয়েছেন। তারা সংসদীয় কার্যপ্রণালী, বিল ও বাজেট প্রক্রিয়া এবং স্থায়ী কমিটির ভূমিকা নিয়ে অংশগ্রহণকারীদের ধারণা দিচ্ছেন।   দুই দিনের এই কর্মশালার কার্যক্রম বিভিন্ন সেশনে ভাগ করা হয়েছে। প্রথম দিনের সকালে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টারা অংশ নেন। বিকেলে রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা ও ফরিদপুর বিভাগের কিছু সংসদ সদস্য উপস্থিত থাকবেন। পরদিন শনিবার সকালে ঢাকা জেলা, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর ও ঢাকা বিভাগের বাকি সদস্যরা অংশ নেবেন এবং বিকেলে সিলেট, কুমিল্লা ও চট্টগ্রাম বিভাগের সংসদ সদস্যরা কর্মশালায় যোগ দেবেন।   ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি থেকে মোট ২০৯ জন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১৪৬ জনই প্রথমবারের মতো সংসদে এসেছেন। ফলে সংসদীয় কার্যপ্রণালী সম্পর্কে নতুন সদস্যদের প্রস্তুত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।   বিএনপির এক জ্যেষ্ঠ নেতা জানান, কর্মশালায় সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডার উত্থাপনের পদ্ধতি, বিল প্রণয়ন ও তা নিয়ে আলোচনায় অংশ নেওয়ার নিয়ম, নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকার সমস্যা সংসদে তুলে ধরার কৌশল এবং রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনার বিষয়বস্তু নিয়ে নির্দেশনা দেওয়া হবে। পাশাপাশি সংসদ অধিবেশনে সদস্যদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হবে।   দলীয় সূত্রে আরও জানা গেছে, নির্বাচনি ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সংসদ সদস্যদের সক্রিয় ভূমিকা রাখার বিষয়ে কর্মশালায় আলোচনা হচ্ছে। স্থানীয় উন্নয়ন তদারকি, নীতিমালা বাস্তবায়ন এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের ওপর জোর দেওয়া হতে পারে।   এছাড়া মন্ত্রীদের জন্য দুর্নীতি প্রতিরোধ, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং সরকারি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার বিভিন্ন কৌশল নিয়েও আলোচনা করা হচ্ছে এই প্রশিক্ষণে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
ভূমি প্রতিমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শনে তালাবদ্ধ অফিস: ৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা

সরকারি দায়িত্ব পালনে অবহেলা ও সময়নিষ্ঠার অভাবে শাস্তির মুখে পড়লেন নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ ভূমি অফিসের তিন কর্মকর্তা। বুধবার সকালে ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার কায়সার কামালের আকস্মিক পরিদর্শনে অফিস তালাবদ্ধ পাওয়ার পর দ্রুত এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।   বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করে নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক রায়হান কবির জানান, অভিযুক্ত তিনজনকে তাৎক্ষণিক বদলি করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে।   ঘটনার প্রেক্ষাপট বুধবার সকালে কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই সিদ্ধিরগঞ্জ ইউনিয়ন ভূমি অফিস পরিদর্শনে যান ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। সরকার নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও তিনি দেখেন অফিসের প্রধান ফটক তালাবদ্ধ। প্রতিমন্ত্রী দীর্ঘ ৩০ মিনিট বাইরে অপেক্ষা করার পর একজন কর্মচারী এসে তালা খোলেন, তবে তখনও মূল কর্মকর্তারা অনুপস্থিত ছিলেন।   যারা শাস্তির আওতায় এলেন দায়িত্বে অবহেলার দায়ে শাস্তিমূলক বদলি হওয়া কর্মকর্তারা হলেন:   মো. নাসির উদ্দিন: ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা (আড়াইহাজারে বদলি)।   মো. ওমর ফারুক: উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা (আড়াইহাজারে বদলি)।   জান্নাতী: অফিস সহকারী (বন্দর উপজেলায় বদলি)।   প্রতিমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি গণমাধ্যমের সাথে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী এই ঘটনাকে ‘অনাকাঙ্ক্ষিত’ বলে অভিহিত করেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, জনগণের সেবায় বিঘ্ন ঘটানো বা রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে অবহেলা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের এমন উদাসীনতা সরকারের জনসেবামূলক লক্ষ্যকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। তিনি আরও মনে করিয়ে দেন যে, বর্তমান সরকার জনগণের কাছে দায়বদ্ধ এবং সরকারি দপ্তরে দুর্নীতি বা দায়িত্বহীনতার কোনো স্থান নেই।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৫, ২০২৬ 0
ফাইল ফটো।
মন্ত্রিসভায় রদবদল: ৮ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পুনর্বণ্টন, কার দফতর কোথায়?

সরকারের প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে ৮ প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর পুনর্বণ্টন করা হয়েছে। বুধবার (৪ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। নতুন এই বিন্যাসে বেশ কয়েকজন প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বের পরিধি সংকুচিত ও সুনির্দিষ্ট করা হয়েছে। দপ্তর পুনর্বণ্টনের বিস্তারিত চিত্র: মো. শরীফুল আলম: বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন। এখন থেকে তিনি শুধুমাত্র বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করবেন। সুলতান সালাউদ্দিন টুকু: কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকলেও এখন তাকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। হাবিবুর রশিদ: তাকে রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে। এর আগে তিনি সড়ক পরিবহন, রেলপথ ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে ছিলেন। মো. রাজিব আহসান: সড়ক পরিবহন, রেলপথ ও নৌপরিবহন থেকে সরিয়ে তাকে এখন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় এবং সেতু বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি: অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকলেও বর্তমানে তিনি শুধুমাত্র পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব সামলাবেন। ফারজানা শারমীন: মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন। এখন থেকে তিনি সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। মো. নুরুল হক: শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে তাকে পূর্ণাঙ্গভাবে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ববি হাজ্জাজ: শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা এই প্রতিমন্ত্রীকে এখন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৪, ২০২৬ 0
নির্ধারিত সময়ে অফিস বন্ধ, হঠাৎ পরিদর্শনে গিয়ে বারান্দায় অপেক্ষা ভূমি প্রতিমন্ত্রীর
নির্ধারিত সময়ে অফিস বন্ধ, হঠাৎ পরিদর্শনে গিয়ে বারান্দায় অপেক্ষা ভূমি প্রতিমন্ত্রীর

বুধবার (৪ মার্চ) সকাল ৯টায় আকস্মিকভাবে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ ইউনিয়ন ভূমি অফিসে উপস্থিত হন ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।   সরকারি সময় অনুযায়ী অফিস খোলার কথা সকাল ৯টায়। কিন্তু নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেলেও সেখানে কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর উপস্থিতি দেখা যায়নি। অফিস তালাবদ্ধ থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।   এ সময় প্রতিমন্ত্রী অফিসের বারান্দায় বসেই সেবা নিতে আসা মানুষের অভিযোগ শোনেন। প্রায় আধঘণ্টা তিনি সেখানে অবস্থান করে সরাসরি সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে কথা বলেন। উপস্থিত এক ব্যক্তি জানান, অনলাইনে মিউটেশনের আবেদন গ্রহণ হওয়ার পর পরবর্তী প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে তিনি সকাল সাড়ে ৮টার দিকে অফিসে আসেন। কিন্তু এসে দেখেন অফিস বন্ধ। নির্ধারিত সময়ে সেবা না পেয়ে তিনি ভোগান্তিতে পড়েন।   প্রতিমন্ত্রী বলেন, অফিস সময় শুরু হওয়ার পরও কর্মকর্তাদের অনুপস্থিতি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের গাফিলতির বিরুদ্ধে আইন ও বিধি অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি সতর্ক করেন। বাইরে অপেক্ষমাণ সেবাগ্রহীতাদের দুর্ভোগকে তিনি দুঃখজনক উল্লেখ করেন।   তিনি আরও জানান, ভূমি মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে এবং ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে। নাগরিকদের প্রাপ্য সেবা নিশ্চিত করতে মন্ত্রণালয় বদ্ধপরিকর বলেও তিনি উল্লেখ করেন। ভবিষ্যতেও এ ধরনের হঠাৎ পরিদর্শন চলবে, যাতে দেশের বিভিন্ন স্থানের ভূমি অফিসে সেবা কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালিত হয়।   দীর্ঘদিন ধরে ভূমি অফিসগুলোকে ঘিরে যে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে, তা দূর করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি। সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়ে প্রতিমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে যেন সময়মতো ও হয়রানিমুক্ত সেবা নিশ্চিত করা যায় এবং এ ধরনের নেতিবাচক পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি না ঘটে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৪, ২০২৬ 0
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম
শিগগিরই স্বাভাবিক হচ্ছে ভারতীয় ভিসা প্রক্রিয়া: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভারতীয় ভিসা দ্রুত পুনরায় চালু করার বিষয়ে আশার কথা শুনিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।  আজ শুক্রবার বিকেলে ফরিদপুরের সালথায় সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেন। প্রতিমন্ত্রী জানান, সম্প্রতি ভারতীয় হাইকমিশনারের সাথে তাঁর ফলপ্রসূ বৈঠক হয়েছে। ভিসা কার্যক্রম স্বাভাবিক করার বিষয়ে ভারতীয় পক্ষ অত্যন্ত ইতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করেছে। বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ যাতে দ্রুত ও নির্বিঘ্নে ভারতে যাতায়াত করতে পারেন, সেজন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এ সময় সালথার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মামুন সরকার, সহকারী পুলিশ সুপার মাহমুদুল হাসান এবং স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে তিনি উপজেলার আটঘর ইউনিয়নের অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ঢেউটিন ও নগদ অর্থসহ জরুরি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ 0
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর
প্রবাসীদের লাশ সরকারি খরচে দেশে আনার উদ্যোগ নেয়া হবে: প্রতিমন্ত্রী

বিদেশের মাটিতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করা রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের মরদেহ দেশে আনতে আর অর্থকষ্টে ভুগতে হবে না স্বজনদের। প্রবাসীদের মরদেহ বিনা খরচে দেশে আনার এক যুগান্তকারী উদ্যোগ গ্রহণ করতে যাচ্ছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। ফ্রিজিং অ্যাম্বুলেন্স সেবা: বিমানবন্দর থেকে মরদেহ নিজ বাড়িতে পৌঁছে দিতে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডে যুক্ত হয়েছে আরও দুটি নতুন ফ্রিজিং অ্যাম্বুলেন্স। এখন থেকে মোট ৫টি গাড়ি এই সেবায় নিয়োজিত থাকবে। তাৎক্ষণিক সহায়তা: মরদেহ দেশে পৌঁছানো মাত্রই দাফন-কাফন ও আনুষঙ্গিক খরচের জন্য ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা অনুদান প্রদান করা হয়। বিশাল আর্থিক সুবিধা: বিএমইটি (BMET) রেজিস্ট্রেশন করে বিদেশে গিয়ে কেউ মৃত্যুবরণ করলে তার পরিবারকে ১৩ লাখ টাকা পর্যন্ত সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। মঙ্গলবার প্রবাসী কল্যাণ ভবনে নতুন অ্যাম্বুলেন্সের উদ্বোধনকালে প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সরকারের এই মানবিক উদ্যোগের ফলে প্রবাসী পরিবারগুলোর দীর্ঘদিনের একটি বড় দুশ্চিন্তার অবসান হতে চলেছে।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬ 0
মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের নাম ঘোষণা, আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি
মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের নাম ঘোষণা, আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়োগসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে প্রকাশিত এ প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, নতুন মন্ত্রিসভায় মোট ৪৯ জন সদস্য রয়েছেন। এর মধ্যে ২৫ জন পূর্ণ মন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।   একই রাতে আলাদা গেজেটে জানানো হয়, তারেক রহমান-কে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন। সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুযায়ী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের সমর্থনপ্রাপ্ত হওয়ায় তাকে সরকার গঠনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তার নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভা গঠনেরও অনুমোদন দেওয়া হয়।   প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়, নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ বিলুপ্ত বলে গণ্য হবে। ফলে রাষ্ট্রীয় প্রশাসন ও নীতিনির্ধারণের দায়িত্ব এখন নবগঠিত মন্ত্রিসভার ওপর ন্যস্ত থাকবে।   কার দায়িত্বে কোন মন্ত্রণালয়   পূর্ণমন্ত্রীদের মধ্যে রয়েছেন— মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর (স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়), আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী (অর্থ), সালাহউদ্দিন আহমদ (স্বরাষ্ট্র), ড. খলিলুর রহমান (পররাষ্ট্র—টেকনোক্র্যাট), মো. আমিন উর রশিদ (কৃষি; মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ; খাদ্য—টেকনোক্র্যাট), ইকবাল হাসান মাহমুদ (বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ), হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক), আবু জাফর মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন (মহিলা ও শিশু বিষয়ক; সমাজকল্যাণ), আব্দুল আওয়াল মিন্টু (পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন), কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ (ধর্ম বিষয়ক), মিজানুর রহমান মিনু (ভূমি), নিতাই রায় চৌধুরী (সংস্কৃতি), খন্দকার আব্দুল মোকতাদির (বাণিজ্য; শিল্প; বস্ত্র ও পাট)।   এ ছাড়া পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন— আরিফুল হক চৌধুরী (শ্রম ও কর্মসংস্থান; প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান), জহির উদ্দিন স্বপন (তথ্য ও সম্প্রচার), আফরোজা খানম রিতা (বেসামরিক বিমান ও পর্যটন), মো. শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি (পানি সম্পদ), আসাদুল হাবিব বুলু (দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ), মো. আসাদুজ্জামান (আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক), জাকারিয়া তাহের (গৃহায়ণ ও গণপূর্ত), দীপেন দেওয়ান (পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক), আ ন ম এহসানুল হক মিলন (শিক্ষা; প্রাথমিক ও গণশিক্ষা), ফকির মাহবুব আনাম স্বপন (ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি) এবং শেখ রবিউল আলম (সড়ক পরিবহন ও সেতু; রেলপথ; নৌ পরিবহন)।   প্রতিমন্ত্রীদের মধ্যেও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন— এম রশিদুল জামান মিল্লাত (বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন), অনিন্দ্য ইসলাম অমিত (বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ), মো. শরিফুল আলম (বাণিজ্য; শিল্প; বস্ত্র ও পাট), শ্যামা ওবায়েদ (পররাষ্ট্র), সুলতান সালাউদ্দিন টুকু (কৃষি; মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ; খাদ্য), ব্যারিস্টার কায়সার কামাল (ভূমি), ফরহাদ হোসেন আজাদ (পানি সম্পদ), আমিনুল হক (যুব ও ক্রীড়া), মীর হেলাল উদ্দীন (পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক), হাবিবুর রশিদ ও মো. রাজিব আহসান (সড়ক পরিবহন ও সেতু; রেলপথ; নৌ পরিবহন), মো. আব্দুল বারী (জনপ্রশাসন), মীর শাহে আলম (স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়), মো. জুনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি (অর্থ ও পরিকল্পনা), ইশরাক হোসেন (মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক), ফারজানা শারমিন (মহিলা ও শিশু বিষয়ক; সমাজকল্যাণ), শেখ ফরিদুল ইসলাম (পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন), মো. নুরুল হক নুর (শ্রম ও কর্মসংস্থান; প্রবাসী কল্যাণ), ইয়াসের খান চৌধুরী (তথ্য ও সম্প্রচার), এম ইকবাল হোসেইন (দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ), এম এ মুহিত (স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ), আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর (গৃহায়ণ ও গণপূর্ত), ববি হাজ্জাজ (শিক্ষা; প্রাথমিক ও গণশিক্ষা) এবং আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম (সংস্কৃতি)।   এর মাধ্যমে নতুন সরকারের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং মন্ত্রণালয়ভিত্তিক দায়িত্ব বণ্টনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬ 0
শপথ নিচ্ছেন বিএনপির সংসদ সদস্যরা
বিএনপির সরকারে কে কোন মন্ত্রণালয় পেলেন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। নবগঠিত মন্ত্রিসভায় থাকছেন ২৫ জন পূর্ণমন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দলটির মিডিয়া সেল থেকে মন্ত্রীদের দায়িত্ব বণ্টনের তালিকা প্রকাশ করা হয়।   পূর্ণমন্ত্রীদের দায়িত্ব বণ্টন   মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর — স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী — অর্থ সালাহউদ্দিন আহমদ — স্বরাষ্ট্র ড. খলিলুর রহমান (টেকনোক্র্যাট) — পররাষ্ট্র মো. আমিন উর রশিদ (টেকনোক্র্যাট) — কৃষি; মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ; খাদ্য ইকবাল হাসান মাহমুদ — বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ হাফিজ উদ্দিন আহমেদ — মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক আবু জাফর মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন — মহিলা ও শিশু বিষয়ক; সমাজকল্যাণ আব্দুল আওয়াল মিন্টু — পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ — ধর্ম বিষয়ক মিজানুর রহমান মিনু — ভূমি নিতাই রায় চৌধুরী — সংস্কৃতি খন্দকার আব্দুল মোকতাদির — বাণিজ্য; শিল্প; বস্ত্র ও পাট   এ ছাড়া পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন— আরিফুল হক চৌধুরী — শ্রম ও কর্মসংস্থান; প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান জহির উদ্দিন স্বপন — তথ্য ও সম্প্রচার আফরোজা খানম রিতা — বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মো. শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি — পানি সম্পদ আসাদুল হাবিব বুলু — দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মো. আসাদুজ্জামান — আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক জাকারিয়া তাহের — গৃহায়ণ ও গণপূর্ত দীপেন দেওয়ান — পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক আ ন ম এহসানুল হক মিলন — শিক্ষা; প্রাথমিক ও গণশিক্ষা ফকির মাহবুব আনাম স্বপন — ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি শেখ রবিউল আলম — সড়ক পরিবহন ও সেতু; রেলপথ; নৌ পরিবহন   প্রতিমন্ত্রীদের তালিকা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন— এম রশিদুল জামান মিল্লাত — বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন অনিন্দ্য ইসলাম অমিত — বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মো. শরিফুল আলম — বাণিজ্য; শিল্প; বস্ত্র ও পাট শ্যামা ওবায়েদ — পররাষ্ট্র সুলতান সালাউদ্দিন টুকু — কৃষি; মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ; খাদ্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল — ভূমি ফরহাদ হোসেন আজাদ — পানি সম্পদ আমিনুল হক — যুব ও ক্রীড়া মীর হেলাল উদ্দীন — পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক হাবিবুর রশিদ ও মো. রাজিব আহসান — সড়ক পরিবহন ও সেতু; রেলপথ; নৌ পরিবহন মো. আব্দুল বারী — জনপ্রশাসন মীর শাহে আলম — স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মো. জুনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি — অর্থ; পরিকল্পনা ইশরাক হোসেন — মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক ফারজানা শারমিন — মহিলা ও শিশু বিষয়ক; সমাজকল্যাণ শেখ ফরিদুল ইসলাম — পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মো. নুরুল হক নুর — শ্রম ও কর্মসংস্থান; প্রবাসী কল্যাণ ইয়াসের খান চৌধুরী — তথ্য ও সম্প্রচার এম ইকবাল হোসেইন — দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ এম এ মুহিত — স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর — গৃহায়ণ ও গণপূর্ত ববি হাজ্জাজ — শিক্ষা; প্রাথমিক ও গণশিক্ষা আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম — সংস্কৃতি   নতুন সরকার শিগগিরই শপথ গ্রহণের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করবে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

Top week

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন
আমেরিকা

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ৩, ২০২৬ 0