ভূমিধস

ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্পে নিহত ৫১
ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্পে নিহত ৫১, সরিয়ে নেওয়া হয়েছে ৫ হাজার মানুষ

ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলে শক্তিশালী ৭ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে অন্তত ৫১ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন শতাধিক মানুষ। ভূমিকম্পের পর শত শত আফটারশক, ভূমিধস ও সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় প্রায় ৫ হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।    শনিবার স্থানীয় সময় ভোরে পূর্ব নুসা তেঙ্গারা প্রদেশের ফ্লোরেস দ্বীপের কাছে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। ইন্দোনেশিয়ার ভূকম্পন ও আবহাওয়া সংস্থা বিএমকেজি জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ছিল নাজেওকেও এলাকার কাছে সমুদ্রের নিচে। ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল প্রায় ১৫ কিলোমিটার।    ভূমিকম্পের পর এখন পর্যন্ত প্রায় ৩৪১টি আফটারশক রেকর্ড করা হয়েছে। এসব কম্পনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলোতে নতুন করে ঝুঁকি তৈরি হয়েছে এবং অনেক মানুষ বাড়িতে ফিরতে ভয় পাচ্ছেন।   সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে সিক্কা, নাজেওকেও, মাঙ্গারাই ও পূর্ব মাঙ্গারাই। সিক্কা অঞ্চলে ৩ হাজার ৩০০ জনের বেশি মানুষ আশ্রয়কেন্দ্র, ক্রীড়া কমপ্লেক্স ও অস্থায়ী তাঁবুতে অবস্থান করছেন।    ভূমিকম্পে ১ হাজার ৩০০টির বেশি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিভিন্ন স্কুল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, উপাসনালয় ও সরকারি স্থাপনাতেও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। কয়েকটি এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় উদ্ধার ও জরুরি চিকিৎসা কার্যক্রম আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।    ভূমিকম্পের পর সম্ভাব্য সুনামির আশঙ্কায় ইন্দোনেশিয়ার কয়েকটি এলাকায় সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। পরে পর্যবেক্ষণে বড় ধরনের সুনামির ঝুঁকি না থাকায় সেই সতর্কতা প্রত্যাহার করা হয়। তবে কিছু এলাকায় ছোট আকারের সমুদ্রের ঢেউ রেকর্ড করা হয়েছিল।    উদ্ধারকাজেও বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে ভূমিধস। কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক মাটি ও পাথরে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দুর্গম এলাকায় পৌঁছাতে উদ্ধারকারী দলকে বেগ পেতে হচ্ছে। যোগাযোগব্যবস্থার ক্ষতি এবং বিদ্যুৎ বিভ্রাটও পরিস্থিতি জটিল করে তুলেছে।   ইন্দোনেশিয়ার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমে হাজার হাজার সামরিক ও পুলিশ সদস্যকে যুক্ত করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ধ্বংসাবশেষ সরানো, আটকে পড়াদের উদ্ধারের পাশাপাশি জরুরি চিকিৎসা ও আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।   বিএমকেজি জানিয়েছে, ভূমিকম্পের পর পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং মানুষকে ক্ষতিগ্রস্ত বা ফাটল ধরা ভবনে প্রবেশ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আফটারশক অব্যাহত থাকায় বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।   প্রশান্ত মহাসাগরের ‘রিং অব ফায়ার’-এ অবস্থিত ইন্দোনেশিয়া বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ। এর আগেও দেশটিতে বড় ধরনের ভূমিকম্প ও সুনামিতে ব্যাপক প্রাণহানি হয়েছে। ২০২২ সালের পশ্চিম জাভার ভূমিকম্পে তিন শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছিল।   বর্তমান ভূমিকম্পকে সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে ইন্দোনেশিয়ার সবচেয়ে প্রাণঘাতী ভূমিকম্পগুলোর একটি হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে দুর্গম এলাকাগুলোতে উদ্ধার ও ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের কাজ এখনো চলমান থাকায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

নীলুফা নিশাত আগস্ট ১৫, ২০২৬ ১৪:০
অরুণাচলে টানা বৃষ্টিতে ভূমিধস
অরুণাচলে টানা বৃষ্টিতে ভূমিধস: নিহত ২, আহত ৪; সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

ভারতের অরুণাচল প্রদেশে টানা ভারী বৃষ্টির জেরে ভয়াবহ ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। লোহিত জেলার তেজুর কাছে শিবাজি নগর এলাকায় এ দুর্ঘটনায় অন্তত দুইজনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন আরও চারজন।   ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাহাড়ের একটি বড় অংশ হঠাৎ ধসে পড়ে নির্মাণস্থলের ওপর। এতে পাঁচজন পরিযায়ী শ্রমিক ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েন। তাদের মধ্যে একজন নিজেই কোনোভাবে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন। পরে উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করে এবং আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়।   প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, নিহত ও আহতরা স্থানীয় একটি নির্মাণ প্রকল্পে কাজ করছিলেন। দুর্ঘটনার পরপরই লোহিত জেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজ্য দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী (এসডিআরএফ) এবং অরুণাচল প্রদেশ পুলিশকে মোতায়েন করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়াতে ত্রাণ সহায়তার ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে।   এদিকে একই সময়ে টানা বৃষ্টির কারণে অরুণাচল প্রদেশের তিরাপ জেলাতেও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। খোংসা-লাজু সড়কের প্রায় ১১০ মিটার অংশ ধসে যাওয়ায় গুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তায় সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। খোংসার পোস্ট অফিসের কাছের অংশটি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।   এই সড়কটি লাজু প্রশাসনিক এলাকার অন্তত ১৬টি গ্রামের সঙ্গে সংযোগের প্রধান পথ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তুতনু ব্লকের গ্রাম, লাপনান, খেতি ও থিনসা এলাকার বাসিন্দারা দৈনন্দিন যাতায়াতের জন্য এই পথের ওপর নির্ভরশীল। এছাড়া এপিএসটিএস বাস স্টেশন, আসাম রাইফেলস ও সিআরপিএফের সদর দপ্তর এবং খোংসার সরকারি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে যাতায়াতের জন্যও এই সড়কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।   এর আগে ভারতের আবহাওয়া দপ্তর (আইএমডি) অরুণাচল প্রদেশের বিভিন্ন জেলায় বজ্রসহ ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছিল এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোর জন্য ‘অরেঞ্জ অ্যালার্ট’ জারি করেছিল। সংস্থাটি আকস্মিক বন্যা, ভূমিধস ও জলাবদ্ধতার আশঙ্কার কথাও উল্লেখ করে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছিল।   বুধবার নতুন করে ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে লোহিত জেলায় আকস্মিক বন্যা দেখা দেয়। এতে বেশ কয়েকটি বসতবাড়ি ও সরকারি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের কাজ চলছে।

নীলুফা নিশাত জুলাই ৮, ২০২৬ ১৪:০
ভারতে ভারী বৃষ্টিতে ভূমিধস ও দুর্ঘটনা
ভারতে ভারী বৃষ্টিতে ভূমিধস ও দুর্ঘটনা: কেরালায় ৫, মহারাষ্ট্রে ১৩ জনের মৃত্যু

ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে টানা ভারী বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার প্রভাবে প্রাণহানির ঘটনা বাড়ছে। কেরালায় ভূমিধসে অন্তত ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে, আহত হয়েছেন আরও ১০ জন। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন অন্তত ৪ জন।   বুধবার (৮ জুলাই) দ্য হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, ভারী বর্ষণের কারণে পাহাড়ি এলাকায় মাটি নরম হয়ে গিয়ে হঠাৎ ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। এতে কয়েকটি বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং হতাহতের ঘটনা ঘটে।   এদিকে গত দুই দিনের টানা বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়ায় মহারাষ্ট্রে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। রাজ্যটিতে অন্তত ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন ১০ জন।   বার্তাসংস্থা পিটিআইয়ের বরাতে জানা যায়, পুনে শহরের একটি এলাকায় পাহাড়ের অংশ ধসে কয়েকটি বাড়ি চাপা পড়ে। এ ঘটনায় অন্তত ৩০ জন আটকা পড়েন। উদ্ধার অভিযানে এখন পর্যন্ত তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, যারা একই পরিবারের সদস্য বলে নিশ্চিত করেছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। বাকিদের উদ্ধারে সেনাবাহিনী ও জরুরি সেবাদল যৌথভাবে অভিযান চালাচ্ছে।   অন্যদিকে, সোমবার সকাল থেকে ভূমিধসের কারণে মুম্বাই-পুনে মহাসড়কের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ বন্ধ রয়েছে। ফলে দেশটির আর্থিক রাজধানী মুম্বাইয়ের সঙ্গে পুনের সড়ক যোগাযোগ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। একই সঙ্গে রেল চলাচলেও বিঘ্ন ঘটেছে, যা সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়িয়েছে।   পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় প্রশাসন জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। আবহাওয়া দপ্তর মুম্বাই মহানগর অঞ্চলসহ আশপাশের এলাকায় ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি করে আরও ভারী বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা দিয়েছে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্ষা মৌসুমে ভারতের পাহাড়ি ও উপকূলীয় অঞ্চলে এ ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ নতুন নয়। তবে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এবং অতিবৃষ্টির প্রবণতা বৃদ্ধির কারণে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ভূমিধস ও বন্যার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।   বর্তমান পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে উদ্ধার তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার কাজ অব্যাহত রয়েছে।

নীলুফা নিশাত জুলাই ৭, ২০২৬ ১৪:০
১৬ জন এখনও আটকা, শতাধিক আহত
চীনে ভূমিধস ও তীব্র ঝড়ে বিপর্যয়: ১৬ জন এখনও আটকা, শতাধিক আহত

চীনের পশ্চিমাঞ্চলীয় কানসু প্রদেশের পাহাড়ি এলাকায় শক্তিশালী ভূমিধসের ঘটনায় অন্তত ১৬ জন এখনও মাটির নিচে আটকা পড়ে আছেন। একই সময়ে দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে চলমান তীব্র বজ্রঝড় ও ঝোড়ো হাওয়ায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং অন্তত ২৭৫ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম।   প্রাদেশিক জরুরি ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রাথমিক তথ্যের বরাতে চীনের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন সিসিটিভি জানিয়েছে, ভূমিধসের শুরুতে মোট ৩৩ জন আটকা পড়েছিলেন। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত ১৭ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। বাকি ১৬ জনের সন্ধানে উদ্ধারকর্মীরা নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।   ঘটনার পরপরই চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ক্ষতিগ্রস্তদের উদ্ধারে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি নিখোঁজদের দ্রুত খুঁজে বের করা এবং আহতদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।   মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ঘটে যাওয়া এই ভূমিধসের সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও নিশ্চিত নয়। তবে চলতি সপ্তাহজুড়ে চীনের বিভিন্ন অঞ্চলে তীব্র বজ্রঝড়, ভারী বৃষ্টিপাত ও দমকা হাওয়ার প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।   চীনের সরকারি সংবাদসংস্থা সিনহুয়ার খবরে বলা হয়েছে, সোমবার রাতে মধ্যাঞ্চলীয় হুবেই প্রদেশের পূর্বাঞ্চলে আকস্মিক ঝড়ে অন্তত আটজন নিহত হয়েছেন এবং একজন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। হুবেইর হুয়াংশি, হুয়াংগাং, এঝৌ এবং শিয়াননিং শহরের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় প্রায় ১৪৯ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যায়, যা ঘরবাড়ি, বিদ্যুৎব্যবস্থা এবং যোগাযোগ অবকাঠামোয় বড় ধরনের ক্ষতি করেছে।   আজ মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই ঝড়ের কারণে অন্তত ২৭৫ জন মানুষ আহত হয়েছেন। স্থানীয় প্রশাসন ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে জরুরি সহায়তা ও পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু করেছে।   এদিকে আবহাওয়া বিভাগ সতর্ক করে জানিয়েছে, দেশের বেশ কিছু অঞ্চলে আগামী দিনগুলোতে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্রের পূর্বাভাস অনুযায়ী, দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় গুয়াংশি এবং পূর্বাঞ্চলীয় জিয়াংসু ও শানডং প্রদেশে আগামী ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২৬০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে, যা নতুন করে ভূমিধস ও বন্যার ঝুঁকি বাড়াবে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব এলাকায় প্রায় ২০ কোটি মানুষের বসবাস হওয়ায় সম্ভাব্য দুর্যোগের প্রভাবও বড় আকার ধারণ করতে পারে। পাশাপাশি উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণাঞ্চলের কিছু এলাকায় টর্নেডোর আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।   প্রাকৃতিক দুর্যোগের এই পরিস্থিতির মধ্যেই চীন এখন সুপার টাইফুন ‘বাভি’ নিয়ে উচ্চ সতর্কতায় রয়েছে। প্রশান্ত মহাসাগর পেরিয়ে তাইওয়ানের দিকে অগ্রসরমান এই শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়টি ইতোমধ্যে গুয়াম, টিনিয়ান, সাইপান ও রোটা দ্বীপপুঞ্জ অতিক্রম করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় আবহাওয়া দপ্তরের তথ্যমতে, এসব এলাকায় আঘাত হানার সময় ঝড়টির গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় প্রায় ২৯০ কিলোমিটার।   আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ধারাবাহিক প্রাকৃতিক দুর্যোগে চীনের বিভিন্ন অঞ্চলে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতা জোরদার করা হলেও আবহাওয়ার প্রতিকূলতা পরিস্থিতি সামাল দেওয়াকে আরও কঠিন করে তুলছে।

নীলুফা নিশাত জুলাই ৬, ২০২৬ ১৪:০
টানা ভারি বৃষ্টিতে মুম্বাই অচল, দুর্ঘটনায় নিহত ১০; সড়ক-রেল যোগাযোগে বড় বিঘ্ন
টানা ভারি বৃষ্টিতে মুম্বাই অচল, দুর্ঘটনায় নিহত ১০; সড়ক-রেল যোগাযোগে বড় বিঘ্ন

ভারতের বাণিজ্যিক রাজধানী মুম্বাইয়ে টানা ভারি বর্ষণে জনজীবন প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে। বৃষ্টিজনিত বিভিন্ন দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত অন্তত ১০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে ভূমিধস ও জলাবদ্ধতার কারণে সড়ক ও রেল যোগাযোগে গুরুতর বিঘ্ন দেখা দিয়েছে, ফলে মুম্বাই ও পুনের মধ্যে যাতায়াত কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।   সোমবার (৬ জুলাই) ভোরে ভারতের আবহাওয়া বিভাগ (আইএমডি) মুম্বাই, থানে, পালঘর ও রায়গড় জেলায় তিন ঘণ্টার ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি করে। সতর্কবার্তায় ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়ার সঙ্গে অতিভারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়। এই সতর্কতার পরপরই প্রশাসন জরুরি পদক্ষেপ নিতে শুরু করে।   প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে মুম্বাই, থানে ও পালঘরের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সোমবার বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে মুম্বাই বিশ্ববিদ্যালয় নির্ধারিত সব পরীক্ষা স্থগিত করেছে। নতুন সূচি পরে জানানো হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।   পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের তথ্যে জানা গেছে, শহরের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টিজনিত দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ঘটেছে। কুরলা এলাকায় একটি বড় গাছ রাস্তার পাশের দোকানের ওপর ভেঙে পড়লে ৬৩ বছর বয়সী এক ব্যক্তি নিহত হন। সাকি নাকায় জলাবদ্ধতার নিচে ঢেকে থাকা খোলা নর্দমায় পড়ে ডুবে মারা যান আরেক ব্যক্তি। চেম্বুরে একটি গাছ স্কুলবাসের ওপর ভেঙে পড়লে ১১ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়।   এ ছাড়া নবি মুম্বাইয়ের খারঘরে বর্ষাকালে ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় নিষিদ্ধ ঘোষিত পাণ্ডবকাড়া জলপ্রপাতে প্রবেশ করে দুই যুবক প্রাণ হারান। মিরা রোড-ভাইয়ান্দার এলাকায় মোটরসাইকেলের ওপর একটি নারিকেল গাছ ভেঙে পড়লে সেখানেও একজনের মৃত্যু হয়েছে।   অন্যদিকে, পুনের কাছাকাছি লোহাগড় দুর্গসংলগ্ন পাতান গ্রামে ভূমিধসে একটি পরিবার আটকা পড়েছে বলে জানিয়েছেন কোলহাপুর রেঞ্জের পুলিশ মহাপরিদর্শক রঞ্জন কুমার শর্মা। তাদের উদ্ধারে জরুরি তৎপরতা চালানো হচ্ছে।   ভারী বৃষ্টির কারণে পুনে-মুম্বাই এক্সপ্রেসওয়ের একটি কংক্রিটের স্তম্ভ ধসে পড়েছে। পাশাপাশি পুরোনো মুম্বাই-পুনে মহাসড়কের বিকল্প পথ মাভাল ও তামিনি ঘাটে তীব্র জলাবদ্ধতা তৈরি হওয়ায় দুই দিক থেকেই সড়ক বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। টানেল-২-এর কাছে ভূমিধসের কারণে যানবাহন অন্য পথে ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।   রেল যোগাযোগেও এর প্রভাব পড়েছে। কারজাত ও লোনাভালার মধ্যবর্তী দক্ষিণ-পূর্ব ঘাট অঞ্চলে ভূমিধসের কারণে মধ্য রেলওয়ের ট্রেন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। এতে যাত্রীদের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।   পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হওয়ার কোনো লক্ষণ না থাকায় কর্তৃপক্ষ নাগরিকদের অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়িয়ে চলার আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে আবহাওয়া পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে পরবর্তী নির্দেশনা মেনে চলারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।   সংবাদমাধ্যম নিউজ ১৮ জানিয়েছে, চলমান বর্ষা পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কা রয়েছে, ফলে প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

নীলুফা নিশাত জুলাই ৫, ২০২৬ ১৪:০
আইভরি কোস্টে বন্যায় নিহত ৫৯, বাড়তে পারে প্রাণহানি
আইভরি কোস্টে বন্যায় নিহত ৫৯, বাড়তে পারে প্রাণহানি; ঘানা-আক্রাতেও ভয়াবহ পরিস্থিতি

পশ্চিম আফ্রিকার দেশ আইভরি কোস্টে চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত বন্যায় অন্তত ৫৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। সাম্প্রতিক টানা ভারি বর্ষণে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসের কারণে প্রাণহানির সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে কর্তৃপক্ষ।   বুধবার (১ জুলাই) রাজধানী আবিদজানে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সরকারের মুখপাত্র আমাদু কুলিবালি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, চলতি বছরে বন্যায় এত মানুষের মৃত্যু অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তবে সর্বশেষ দফার বন্যায় ঠিক কতজন প্রাণ হারিয়েছেন, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট সংখ্যা জানাতে পারেননি তিনি।   এর আগে সোমবার ঘানা ও আইভরি কোস্টের রাজধানী এলাকাগুলোতে কয়েক দিনের টানা ভারি বৃষ্টির পর হঠাৎ বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। এতে দুই দেশ মিলিয়ে অন্তত ২৪ জন নিহত হন এবং আরও কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন।   ঘানার রাজধানী আক্রায় বন্যার পানিতে বহু সড়ক ও ভবন তলিয়ে যায়, ফলে শহরের বিভিন্ন এলাকার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। পার্শ্ববর্তী তেমা শহরেও একই ধরনের পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, যেখানে নিত্যদিনের জনজীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।   অন্যদিকে আইভরি কোস্টের অর্থনৈতিক কেন্দ্র আবিদজানেও কয়েক দিনের ভারি বৃষ্টিতে ব্যাপক জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। দেশটির জাতীয় সংহতি বিষয়ক মন্ত্রী মাইস বেলমন্দে দোগো জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক বন্যায় অন্তত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের বেশিরভাগই আবিদজানের আতেকুবে ও ইয়োপুগন পৌর এলাকার বাসিন্দা।   পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের পক্ষ থেকে নাগরিকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। মুখপাত্র আমাদু কুলিবালি সবাইকে সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ জানিয়েছেন এবং যেসব এলাকাকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, সেখান থেকে দ্রুত সরে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, আফ্রিকার অনেক দেশই এখন ক্রমবর্ধমান চরম আবহাওয়ার ঝুঁকির মুখে পড়ছে। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার (ডব্লিউএমও) তথ্য অনুযায়ী, বৈশ্বিক গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণে আফ্রিকার অবদান তুলনামূলকভাবে কম হলেও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সবচেয়ে বেশি ভোগ করছে এই মহাদেশের দেশগুলোই। ফলে প্রতিবছরই বন্যা, খরা ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা বাড়ছে।   এই প্রতিবেদনটি এবিসি নিউজের তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে।

নীলুফা নিশাত জুলাই ১, ২০২৬ ১৪:০
জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

Top week

ছোট ভাইকে বুকে জড়িয়ে নিরাপদ রাখার চেষ্টা করছিল শিশুকন্যা, পরে তাদের উদ্ধার করে পুলিশ। ছবি: সংগৃহীত

জঙ্গলে ফেলে যাওয়া দুই ভাইবোনকে উদ্ধার, ছোট ভাইকে বাঁচাতে সারা রাত বুকে আগলে রাখল বোন

মোহাম্মদ ইব্রাহিম আগস্ট ১০, ২০২৬ ১৪:০