নিলামে কেনা পরিত্যক্ত বাড়িতে মিলল তিন কঙ্কাল, তদন্তে পুলিশ
যুক্তরাষ্ট্রের কানেকটিকাট অঙ্গরাজ্যে নিলামে বিক্রি হওয়া একটি জব্দকৃত (ফোরক্লোজড) বাড়ির ভেতর থেকে তিনজনের কঙ্কাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। সম্প্রতি বাড়িটি কিনে প্রবেশ করার পর নতুন মালিক ভয়াবহ এই ঘটনার সন্ধান পান।
রাজ্য পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, রোববার বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটের দিকে ঘটনাস্থলে পুলিশকে ডাকা হয়। নতুন মালিক ফোরক্লোজার নিলামের মাধ্যমে বাড়িটি ‘যেমন আছে’ অবস্থায় কিনেছিলেন। বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করে তিনি মানবদেহের কঙ্কালসদৃশ অবশিষ্টাংশ দেখতে পান এবং সঙ্গে সঙ্গে কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানান।
পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া তিনটি কঙ্কালের পরিচয় এখনো নিশ্চিত করা যায়নি। একই সঙ্গে মৃত্যুর কারণ নির্ধারণে কাজ করছে প্রধান মেডিকেল পরীক্ষকের দপ্তর।
স্থানীয় এক প্রতিবেশী জানান, কয়েক মাস আগে তিনি একজন বয়স্ক ব্যক্তিকে ওই বাড়ি থেকে ময়লা-আবর্জনা ফেলতে দেখেছিলেন। তবে তদন্তকারীরা এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বা সহিংসতার সুস্পষ্ট আলামত পাননি।
শহরের সম্পত্তি রেকর্ড অনুযায়ী, বাড়িটি ২০১৯ সালে পল ক্যাশ ও স্যালি অ্যান ক্যাশ নামে দুই ব্যক্তি কিনেছিলেন। পরে গত গ্রীষ্মে সম্পত্তিটির ফোরক্লোজার বা জব্দ প্রক্রিয়া শুরু হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটির তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। নিহতদের পরিচয়, মৃত্যুর সময়কাল এবং কীভাবে তারা সেখানে মারা গেছেন, তা উদঘাটনে কাজ করছেন তদন্তকারীরা।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে। ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে। অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে। আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন। ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে | এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
আমেরিকা
View moreযুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম উন্নত পরীক্ষামূলক পারমাণবিক চুল্লি সফলভাবে ‘সংকটমাত্রা’ বা নিয়ন্ত্রিত স্বয়ংসম্পূর্ণ পারমাণবিক বিভাজন পর্যায়ে পৌঁছেছে। দেশটির জ্বালানি বিভাগ এ ঘটনাকে উন্নত পারমাণবিক প্রযুক্তি বিকাশে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করেছে। জ্বালানি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ এই সাফল্য অর্জন করেছে ওকলোর ‘গ্রোভস’ প্রকল্পের পরীক্ষামূলক চুল্লি। এটি বিভাগের পরীক্ষামূলক চুল্লি কর্মসূচির আওতায় পঞ্চম চুল্লি, যা সফলভাবে নিয়ন্ত্রিত পারমাণবিক বিভাজন শুরু করতে সক্ষম হয়েছে। একই সঙ্গে এটি প্রথম এমন প্রকল্প, যা বেসরকারি মালিকানাধীন স্থাপনায় এই মাইলফলক অর্জন করেছে। পারমাণবিক বিজ্ঞানে এই পর্যায়ে পৌঁছানোর অর্থ হলো, চুল্লির ভেতরে নিয়ন্ত্রিত ও স্বয়ংসম্পূর্ণভাবে পারমাণবিক বিভাজন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তবে এর অর্থ এই নয় যে চুল্লিটি এখনই বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে। এর আগে আরও নিরাপত্তা পরীক্ষা, প্রযুক্তিগত মূল্যায়ন এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদনের মতো একাধিক ধাপ সম্পন্ন করতে হবে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন উন্নত পারমাণবিক প্রযুক্তির সম্প্রসারণকে অগ্রাধিকার দিয়ে একাধিক নীতিগত উদ্যোগ নিয়েছে। সেই কর্মসূচির অংশ হিসেবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে একাধিক পরীক্ষামূলক চুল্লিকে এই পর্যায়ে নেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, সেই লক্ষ্য পূরণের পাশাপাশি এখন পর্যন্ত মোট পাঁচটি পরীক্ষামূলক চুল্লি সফলভাবে এই প্রযুক্তিগত মাইলফলক অর্জন করেছে। মার্কিন প্রশাসনের ভাষ্য, ছোট আকারের উন্নত পারমাণবিক চুল্লি ভবিষ্যতে তথ্যপ্রযুক্তি কেন্দ্র, শিল্পকারখানা, সামরিক স্থাপনা এবং নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের প্রয়োজন রয়েছে এমন এলাকায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এ কারণে এসব প্রযুক্তির গবেষণা ও উন্নয়নে বিনিয়োগ বাড়ানো হচ্ছে। তবে জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিয়ন্ত্রিত পারমাণবিক বিভাজন শুরু হওয়া একটি বড় প্রযুক্তিগত সাফল্য হলেও কোনো চুল্লি বাণিজ্যিকভাবে সফল হবে কি না, তা নির্ভর করবে পরবর্তী নিরাপত্তা পরীক্ষা, পরিচালনাগত সক্ষমতা এবং সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থার চূড়ান্ত অনুমোদনের ওপর।
অপরাধে জড়িত বিদেশি নাগরিকদের বিরুদ্ধে ভিসা বাতিলে কঠোর ট্রাম্প প্রশাসন, বার্তা মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের
টিভি চ্যানেলের মালিকানায় বড় পরিবর্তন আনল যুক্তরাষ্ট্র, এফসিসির নতুন সিদ্ধান্ত
সিনেটে গেলে ট্রাম্পের স্বাস্থ্য সচিব আরএফকে জুনিয়রকে কঠিন জিজ্ঞাসাবাদের মুখে ফেলব: ড. আবদুল এল-সায়েদ
যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর ক্যারোলিনা অঙ্গরাজ্যের ক্যাসওয়েল কাউন্টিতে একটি বাড়িতে গুলির ঘটনায় একই পরিবারের একাধিক সদস্য নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে সন্দেহভাজন বন্দুকধারীও রয়েছেন। ঘটনায় আহত একজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ। বুধবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে প্রসপেক্ট হিল এলাকার ব্রুকস রোডের একটি বাড়িতে গুলির খবর পেয়ে ক্যাসওয়েল কাউন্টি শেরিফের কার্যালয়ের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। সেখানে তারা একাধিক ব্যক্তিকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দেখতে পান। উত্তর ক্যারোলিনা স্টেট ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন জানিয়েছে, গুলিবিদ্ধদের মধ্যে একজনকে ডারহামের ডিউক ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া ঘটনাস্থলে একাধিক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। তবে নিহতের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা এখনো প্রকাশ করা হয়নি। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, সন্দেহভাজন বন্দুকধারীও নিহতদের মধ্যে রয়েছেন। প্রাথমিক তদন্তে নিশ্চিত হওয়া গেছে, গুলির ঘটনায় জড়িত সবাই একই পরিবারের সদস্য। তবে কী কারণে এই গুলির ঘটনা ঘটেছে, সে বিষয়ে এখনো কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি কর্তৃপক্ষ। ঘটনার পর উত্তর ক্যারোলিনা স্টেট ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। ক্যাসওয়েল কাউন্টি উত্তর ক্যারোলিনা ও ভার্জিনিয়ার সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত। যেখানে এই গুলির ঘটনা ঘটেছে, সেটি ডারহাম শহরের উত্তর-পশ্চিমে প্রায় ৪০ মিনিটের পথ।
ড্রোনে মাদক পাঠাতে গিয়ে নিজেই কারাগারে! উটাহ এ ব্যর্থ পরিকল্পনার পর গ্রেপ্তার যুবক
ইউএসসিআইএসে ইন্টারভিউ দিতে এসে আটক এক অভিবাসী; রেকর্ডে মিলল বহিষ্কারাদেশ
ট্রাম্পের ব্যবসায়িক সাম্রাজ্যের আর্থিক নথি চায় বিবিসি, ঠেকাতে ট্রাম্পের জরুরি আবেদন
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির ব্রঙ্কসে একটি পাঁচতলা আবাসিক ভবনে শক্তিশালী বিস্ফোরণের পর ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১১ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে সাতজন সাধারণ বাসিন্দা এবং চারজন দমকলকর্মী রয়েছেন। বিস্ফোরণের তীব্রতায় জানালার ফ্রেম ছিটকে রাস্তার ওপারে গিয়ে পড়ে এবং ভবনের ভেতরের একাধিক দরজা কবজা থেকে খুলে যায় বলে জানিয়েছে নিউইয়র্ক সিটি ফায়ার ডিপার্টমেন্ট। বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার কিছু আগে ব্রঙ্কসের ইস্ট ২০৯তম স্ট্রিটের ৩৭৪ নম্বর ভবনে বিস্ফোরণ ও আগুন লাগার খবর পেয়ে দমকল বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। মাত্র তিন মিনিটের মধ্যে সেখানে পৌঁছালেও ততক্ষণে ভবনের একাধিক জানালা দিয়ে আগুনের লেলিহান শিখা বের হতে দেখা যায়। ভবনের দ্বিতীয় তলায় প্রবেশ করে দমকলকর্মীরা অত্যন্ত তীব্র অগ্নিকাণ্ডের মুখোমুখি হন। এফডিএনওয়াইয়ের চিফ অব ডিপার্টমেন্ট জন এসপোসিতো বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে কোনো ধরনের বিস্ফোরণ ঘটেছিল। বিস্ফোরণের শক্তিতে জানালার ফ্রেম ছিটকে রাস্তার অপর পাশে চলে যায় এবং দ্বিতীয় তলায় পৌঁছে দমকলকর্মীরা দেখতে পান, কয়েকটি অ্যাপার্টমেন্টের দরজা পর্যন্ত কবজা থেকে খুলে গেছে। এমন পরিস্থিতিতে আগুন নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি ভেতরে আটকে পড়া মানুষকে খুঁজে বের করা অত্যন্ত কঠিন ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছিল। পরে আগুন ভবনের তিনটি তলায় ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় তৃতীয় তলার একটি অংশ ধসে পড়ায় নিরাপত্তার স্বার্থে দমকলকর্মীদের সাময়িকভাবে ভবন থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। এই অগ্নিকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে ৩০০-এর বেশি দমকল ও জরুরি চিকিৎসাসেবা কর্মী অংশ নেন। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় ঘটনাটিকে পঞ্চম স্তরের অগ্নিকাণ্ড হিসেবে ঘোষণা করা হয়, যা নিউইয়র্কে সর্বোচ্চ মাত্রার জরুরি অগ্নিকাণ্ডের অন্যতম। এফডিএনওয়াই কমিশনার লিলিয়ান বন্সিনিওরে বলেন, ভবনের ভেতর থেকে একাধিক বাসিন্দাকে উদ্ধার করতে হয়েছে। দমকলকর্মী ও জরুরি চিকিৎসাসেবা কর্মীরা অসাধারণ সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন। দমকলকর্মীরা যখন আগুনের মধ্যে আটকে পড়াদের উদ্ধার করছিলেন, তখন জরুরি চিকিৎসাসেবা কর্মীরা ঘটনাস্থলেই জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা দিয়ে একাধিক মানুষের প্রাণ বাঁচিয়েছেন। দমকল বিভাগ জানিয়েছে, বুধবার রাত পর্যন্ত ঘটনাস্থলে নজরদারি অব্যাহত থাকবে যাতে আগুন আবার ছড়িয়ে না পড়ে। বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো জানা যায়নি। এফডিএনওয়াইয়ের অগ্নি তদন্তকারী দল ঘটনাটির কারণ অনুসন্ধান করছে।
গৃহহীন ছাত্রকে বাঁচাতে চাকরি হারিয়েছিলেন, শেষ পর্যন্ত সেই ছেলেকেই নিজের সন্তান বানালেন প্রধান শিক্ষক
ইলিনয়ের মহাসড়কে আগুনে পুড়ে ছাই গাড়ি, নিভে গেল এক দম্পতির জীবন