সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

কুইন্সে সমাজতান্ত্রিকদের দাপট, একাধিক আসনে জয়ের পথে মামদানিপন্থী প্রার্থীরা

নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি প্রকাশ: জুন ২৪, ২০২৬ ৪:৯
নির্বাচনী ফলাফল ঘোষণার পর সমর্থকদের সঙ্গে উদযাপন করছেন ডিএসএ-সমর্থিত প্রার্থীরা । ছবি:  সংগৃহীত
নির্বাচনী ফলাফল ঘোষণার পর সমর্থকদের সঙ্গে উদযাপন করছেন ডিএসএ-সমর্থিত প্রার্থীরা । ছবি: সংগৃহীত

নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানির রাজনৈতিক প্রভাব এবং তার নেতৃত্বে গড়ে ওঠা প্রগতিশীল আন্দোলনের জোয়ারে ভর করে কুইন্সে কংগ্রেস, স্টেট সিনেট ও স্টেট অ্যাসেম্বলির একাধিক গুরুত্বপূর্ণ আসনে জয়ের পথে এগিয়ে গেছেন ডেমোক্র্যাটিক সোশ্যালিস্টস অব আমেরিকা (ডিএসএ) সমর্থিত প্রার্থীরা।

 

মঙ্গলবার ভোটগ্রহণ শেষে প্রকাশিত অনানুষ্ঠানিক ফলাফলে দেখা যায়, কংগ্রেস প্রার্থী ক্লেয়ার ভালদেজ, অ্যাসেম্বলি প্রার্থী সামান্থা কাট্টান ও ডেভিড অরকিন এবং সিনেট প্রার্থী আবের কাওয়াস নিজেদের প্রতিদ্বন্দ্বীদের তুলনায় স্পষ্ট ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন।

 

ফলাফল বিশ্লেষকদের মতে, কুইন্সে ডিএসএ-সমর্থিত রাজনীতির জন্য এটি একটি বড় অর্জন। সংগঠনটির সমর্থিত প্রার্থীরা অন্তত তিনটি নতুন আসন দখলের পথে রয়েছে। শুধু ডিএসএ-সমর্থিত প্রার্থীদের সাফল্যই নয়, এবারের নির্বাচনে ভোটারদের পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষাও স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। দুই বর্তমান জনপ্রতিনিধি, স্টেট সিনেটর জেসিকা রামোস এবং অ্যাসেম্বলি সদস্য জেনিফার রাজকুমার, নিজেদের বামঘেঁষা প্রতিদ্বন্দ্বীদের কাছে পিছিয়ে পড়েছেন।

 

নিউইয়র্কের ৭ম কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্টে অবসর নিতে যাওয়া কংগ্রেসওম্যান নিডিয়া ভেলাজকুয়েজের উত্তরসূরি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পথে থাকা ক্লেয়ার ভালদেজ ভোটের প্রায় ৫৬ শতাংশ পেয়ে শুরু থেকেই এগিয়ে ছিলেন। ভোটের ৯২ শতাংশ গণনা শেষে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ব্রুকলিন বরো প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও রেনোসোর ভোট ছিল প্রায় ৩৫ শতাংশ।

 

স্টেট সিনেটের ১২ নম্বর ডিস্ট্রিক্টে অবসর নিতে যাওয়া সিনেটর মাইকেল জিয়ানারিসের স্থলাভিষিক্ত হওয়ার দৌড়ে আবের কাওয়াস প্রায় ৬০ শতাংশ ভোট পেয়ে এগিয়ে ছিলেন। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাসেম্বলিম্যান স্টিভেন রাগা পেয়েছেন প্রায় ৪০ শতাংশ ভোট।

 

অন্যদিকে অ্যাসেম্বলি নির্বাচনে সামান্থা কাট্টান তার দুই প্রতিদ্বন্দ্বী পিয়া রহমান ও মেলিসা অরল্যান্ডোর চেয়ে প্রায় ৫০ শতাংশ পয়েন্ট ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন।

 

অ্যাসেম্বলি ডিস্ট্রিক্ট ৩৮-এ আইনজীবী ডেভিড অরকিন প্রায় ৫৯ শতাংশ ভোট পেয়ে বর্তমান জনপ্রতিনিধি জেনিফার রাজকুমারকে পরাজয়ের মুখে ঠেলে দেন। ২০২১ সাল থেকে এই আসনের প্রতিনিধিত্ব করে আসছিলেন রাজকুমার।

 

ব্রুকলিনের ৯৯ স্কট নামের একটি সংগীত ভেন্যুতে ডিএসএ আয়োজিত নির্বাচনী ফলাফল পর্যবেক্ষণ অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ফলাফল প্রকাশের পর থেকেই সমর্থকদের উচ্ছ্বাস দেখা যায়।

ফেব্রুয়ারিতে মামদানির স্থলাভিষিক্ত হয়ে বিশেষ নির্বাচনে জয়ী হওয়া অ্যাসেম্বলি সদস্য ডায়ানা মোরেনো বলেন, “আমরা যে স্বপ্ন দেখেছিলাম, যার জন্য কঠোর পরিশ্রম করেছি, আজ তার ফলাফল দেখতে পাচ্ছি। এটি জনগণের শক্তির বিজয়। আমরা দেখিয়ে দিচ্ছি যে প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক শক্তিকেও পরাজিত করা সম্ভব।”

 

নিউইয়র্কের রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচিত মুখ জেসিকা রামোস এবার নিজের আসন ধরে রাখতে ব্যর্থ হতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। স্টেট সিনেট নির্বাচনে তার প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাসেম্বলি সদস্য জেসিকা গনজালেজ-রোজাস প্রায় ১০ শতাংশ পয়েন্ট ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন।

 

একসময় প্রগতিশীল রাজনীতির অন্যতম মুখ হিসেবে পরিচিত রামোস মেয়র নির্বাচনে জোহরান মামদানির পরিবর্তে সাবেক গভর্নর অ্যান্ড্রু কুয়োমোকে সমর্থন দেওয়ার পর অনেক প্রগতিশীল সংগঠনের সমর্থন হারান। এছাড়া কুইন্সে প্রস্তাবিত ক্যাসিনো প্রকল্পে সমর্থন না দেওয়াতেও দলের একটি অংশের সঙ্গে তার দূরত্ব তৈরি হয়।

 

অন্যদিকে গনজালেজ-রোজাস সরাসরি মামদানির সমর্থন না পেলেও শহরের অধিকাংশ প্রগতিশীল আইনপ্রণেতার সমর্থন পেয়েছেন। তার সাবেক চিফ অব স্টাফ ব্রায়ান রোমেরোও অ্যাসেম্বলি ডিস্ট্রিক্ট ৩৪-এ জয়ের পথে রয়েছেন। তিনি প্রায় ৬৭ শতাংশ ভোট পেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী রোসা সানচেজকে বড় ব্যবধানে পিছনে ফেলেছেন।

 

কুইন্স কাউন্টি ডেমোক্র্যাটিক পার্টি সমর্থিত প্রার্থীদের ফলাফল ছিল মিশ্র।

অ্যাসেম্বলি ডিস্ট্রিক্ট ২৩-এ দীর্ঘদিনের সরকারি কর্মকর্তা পেসাক ওসিনা প্রায় ২০ শতাংশ পয়েন্ট ব্যবধানে আইনজীবী মাইক স্কালাকে পরাজিত করার পথে ছিলেন। তিনি কুইন্স ডেমোক্র্যাটিক পার্টির সমর্থন পেয়েছিলেন।

 

দক্ষিণ-পূর্ব কুইন্সের অ্যাসেম্বলি ডিস্ট্রিক্ট ৩২-এ অবসর নিতে যাওয়া অ্যাসেম্বলি সদস্য ভিভিয়ান কুকের উত্তরসূরি নির্বাচনের দৌড়ে নাথানিয়েল হেজেকাইয়া তৃতীয়ও এগিয়ে ছিলেন। তবে সব আসনে দলীয় সমর্থিত প্রার্থীরা সফল হননি। অ্যাসেম্বলি ডিস্ট্রিক্ট ৩০-এ কুইন্স ডেমোক্র্যাটিক পার্টির সমর্থিত প্রার্থী প্যাট্রিক মার্টিনেজ এবং সাবেক এনওয়াইপিডি গোয়েন্দা শামসুল হকের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই দেখা যায়। ভোটের প্রায় ৯৯ শতাংশ গণনা শেষে মার্টিনেজ মাত্র ১৩ ভোটে এগিয়ে ছিলেন। ফলে এই আসনের ফল পুনর্গণনার দিকে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
টেসলার সাইবারট্রাক পেছাতে গিয়ে দুর্ঘটনাবশত নিজের ছেলেকেই পিষে মেরেছেন মিস্টার অলিম্পিয়া বিচারক টেরেক এল গিন্ডি। ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা: বাবার গাড়ির নিচে চাপা পড়ে ছয় বছরের শিশুর মৃত্যু

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় বাড়ির সামনে টেসলা সাইবারট্রাক পেছনে নেওয়ার সময় নিজের ছেলেকে গাড়ির নিচে চাপা দেওয়ার ঘটনায় মর্মান্তিকভাবে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। নিহত শিশুটির বয়স ছিল ছয় বছর। দুর্ঘটনায় জড়িত তার বাবা টেরিক এল গুয়িন্ডি ‘মিস্টার অলিম্পিয়া’ শরীরচর্চা প্রতিযোগিতার একজন বিচারক।   ঘটনাটি শনিবার রাত ৯টার কিছু আগে ক্যালিফোর্নিয়ার টেমেকুলা শহরের ব্রুকহেভেন কোর্ট এলাকায় ঘটে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, টেরিক এল গুয়িন্ডি গাড়িটি পেছনে নেওয়ার সময় তার ছয় বছর বয়সী ছেলে প্রেস্টন গাড়িটির ধাক্কায় গুরুতর আহত হয়। পরিবার দ্রুত জরুরি সেবা নম্বরে ফোন করে। পরে শিশুটিকে উইলডোমারের ইনল্যান্ড ভ্যালি মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তবে ওই রাতেই তার মৃত্যু হয়।   পরিবারের এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু স্টেফানি চেসব্রো শিশুটির জন্য একটি অনুদান সংগ্রহের পেজ খুলেছেন। সেখানে বলা হয়েছে, ঘটনার সময় প্রেস্টন বাইরে খেলছিল। একটি চলন্ত গাড়ির ধাক্কায় সে গুরুতর আহত হয় এবং হাসপাতালে মায়ের পাশে থাকা অবস্থায় মারা যায়। পরিবার জানিয়েছে, প্রেস্টন মাত্র গত মাসে প্রথম শ্রেণিতে পড়াশোনা শুরু করেছিল।   দুর্ঘটনার পর ক্যালিফোর্নিয়া হাইওয়ে প্যাট্রোলের কর্মকর্তারা এল গুয়িন্ডিকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন। তবে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। সংস্থাটির এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার সময় সাইবারট্রাকটি স্বয়ংক্রিয় চালনা বা অটোপাইলট ব্যবস্থায় চলছিল না। একই সঙ্গে শিশুটির পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে ক্যালিফোর্নিয়া হাইওয়ে প্যাট্রোল।   তবে দুর্ঘটনার আগে গাড়ির ভেতরের কোনো সতর্কতা ব্যবস্থা চালককে গাড়ির পেছনে শিশুটির উপস্থিতি সম্পর্কে সতর্ক করেছিল কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। এ বিষয়ে তদন্তকারীদের পক্ষ থেকেও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ ও পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছে ক্যালিফোর্নিয়া হাইওয়ে প্যাট্রোল।   টেরিক এল গুয়িন্ডি শরীরচর্চা জগতের পরিচিত মুখ। তিনি ‘মিস্টার অলিম্পিয়া’ প্রতিযোগিতার বিচারক হিসেবে কাজ করেন। প্রতিযোগিতাটিতে বিশ্বের শীর্ষ পেশাদার বডিবিল্ডারদের পারফরম্যান্স মূল্যায়নে বিচারকেরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি অলিম্পিয়া টিভির সঙ্গেও যুক্ত এবং ‘প্রাইম টাইম মাসল’ অনুষ্ঠানের উপস্থাপক হিসেবে শরীরচর্চা ও বডিবিল্ডিং নিয়ে আলোচনা করেন।   বডিবিল্ডিং অঙ্গনে এল গুয়িন্ডি নিয়মিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতা ও খেলোয়াড়দের নিয়ে মন্তব্য করে থাকেন। ছয়বারের মিস্টার অলিম্পিয়া বিজয়ী ক্রিস বামস্টেড সম্পর্কেও তিনি আগে প্রশংসাসূচক মন্তব্য করেছিলেন। বামস্টেড ২০২৪ সালে অবসরের ঘোষণা দেওয়ার পর এল গুয়িন্ডি তাকে বডিবিল্ডিংয়ের প্রতি নতুন করে আগ্রহ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা একজন ক্রীড়াবিদ হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন।   এদিকে, ছেলের মৃত্যুর ঘটনায় পরিবার গভীর শোকের মধ্যে রয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রেস্টন সবসময় হাসিখুশি থাকত এবং তার আশপাশের মানুষের মধ্যে আনন্দ ছড়িয়ে দিত। দুর্ঘটনার পর পরিবারের সদস্য ও স্বজনেরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিশুটির স্মৃতি তুলে ধরে শোক প্রকাশ করেছেন।   ঘটনাটি দুর্ঘটনা হিসেবে তদন্ত করা হচ্ছে। এ পর্যন্ত প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এল গুয়িন্ডির বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ আনা বা তাকে গ্রেপ্তারের তথ্য পাওয়া যায়নি। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত দুর্ঘটনার দায় বা কারণ সম্পর্কে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হয়নি।   সূত্র: ক্যালিফোর্নিয়া হাইওয়ে প্যাট্রোল, ওয়ার্ল্ড বডিবিল্ডিং নিউজ

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬ ২১:৫৬
ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটির ক্যাম্পাসে ছাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়ে চরম শঙ্কা দেখা দিয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটিতে তিন সপ্তাহে চার ধর্ষণ, আতঙ্কে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীরা

শিশুটির মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলায় আদালতে দোষ স্বীকার করেছেন মারাইয়া থমাস। ছবি: সংগৃহীত

দোলনা ভেবে সন্তানকে ওভেনে রেখেছিলেন মা, দোষ স্বীকারের পর ১৩ বছরের কারাদণ্ড

যুক্তরাষ্ট্রে আবাসন ব্যয়ের পর সন্তানদের দেখাশোনার খরচ অনেক পরিবারের জন্য অন্যতম বড় ব্যয়। ছবি: সংগৃহীত

সন্তান দেখাশোনায় বছরে ৯ হাজার ডলার সহায়তা, ট্রাম্পের পরিকল্পনায় লাভবান হবেন যারা

যুক্তরাষ্ট্রে ৭ লাখ ৬০ হাজার ওবামাকেয়ার গ্রাহকের সুবিধা বাতিল করছে ট্রাম্প প্রশাসন
যুক্তরাষ্ট্রে ৭ লাখ ৬০ হাজার ওবামাকেয়ার গ্রাহকের সুবিধা বাতিল করছে ট্রাম্প প্রশাসন

যুক্তরাষ্ট্রের ‘অ্যাফোর্ডেবল কেয়ার অ্যাক্ট’ (এসিএ) বা ওবামাকেয়ার স্বাস্থ্যবিমা কর্মসূচি থেকে প্রায় ৭ লাখ ৬০ হাজার গ্রাহককে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। মঙ্গলবার ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং প্রশাসনের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানান, জালিয়াতির মাধ্যমে নিবন্ধিত হওয়া কিংবা বাস্তবে অস্তিত্ব নেই—এমন গ্রাহকদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে।   সরকারি জালিয়াতি দমন টাস্কফোর্সের প্রধান জেডি ভ্যান্স জানিয়েছেন, এই গ্রাহকদের ভর্তুকি বাতিল করার মাধ্যমে ২২০ কোটি (২.২ বিলিয়ন) ডলার সরকারি অর্থ সাশ্রয় হবে। এ সময় সংবাদ সম্মেলনে তার পাশে উপস্থিত ছিলেন সেন্টার্স ফর মেডিকেয়ার অ্যান্ড মেডিকেইড সার্ভিসেস (সিএমএস)-এর প্রশাসক ড. মেহমেট ওজসহ প্রশাসনের অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তারা।   ভ্যান্স জানান, প্রায় ৩ লাখ ১৫ হাজার নিবন্ধনের আওতায় থাকা এই ৭ লাখ ৬০ হাজার গ্রাহকের যোগ্যতা সঠিকভাবে যাচাই করা হয়নি বলেই তাদের সুবিধা বাতিল করা হচ্ছে। এছাড়া আরও ৪ লাখ ১৯ হাজার নিবন্ধনের ক্ষেত্রে তারা এই সরকারি সুবিধার যোগ্য কি না, তা নিশ্চিতে অতিরিক্ত যাচাই-বাছাই করা হবে।   পাশাপাশি যেসব এজেন্ট বা ব্রোকার স্বাস্থ্যবিমার জন্য গ্রাহকদের নিবন্ধন করান, নতুনদের ক্ষেত্রে তাদের ওপর ছয় মাসের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে প্রশাসন। কর্মকর্তাদের দাবি, এসব ব্রোকারই স্বাস্থ্যবিমা খাতের বেশিরভাগ জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত।   ডিপার্টমেন্ট অব হেলথ অ্যান্ড হিউম্যান সার্ভিসেসের তথ্যমতে, ২০২৬ সালের শুরু পর্যন্ত প্রায় ১ কোটি ৯২ লাখ মার্কিন নাগরিক এসিএ মার্কেটপ্লেস স্বাস্থ্য পরিকল্পনার আওতায় রয়েছেন। বাইডেন আমলে এই কর্মসূচির আওতা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছিল।   তবে ট্রাম্প প্রশাসনের এই উদ্যোগ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্বাস্থ্যসেবা নীতি বিশেষজ্ঞরা। স্বাস্থ্য গবেষণা সংস্থা কেএফএফ-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট সিনথিয়া কক্স বলেন, যারা সত্যিই জালিয়াতি করেছেন তাদের বিমা বাতিল হওয়া উচিত ঠিকই, কিন্তু গ্রাহকদের শনাক্ত করার এই প্রক্রিয়াটি সঠিক কি না এবং বাতিল হওয়া সবাই আসলেই জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছেন কি না, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে।   বাইডেন আমলের সিএমএস কর্মকর্তা এলেন মন্টজও প্রশাসনের স্বচ্ছতার অভাবের সমালোচনা করে বলেছেন, ঠিক কীসের ভিত্তিতে এই গ্রাহকদের বাতিল করা হলো, তার কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। এদিকে, ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতারাও এই পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেছেন। ম্যাসাচুসেটসের ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসম্যান রিচার্ড ই. নিল বলেন, রিপাবলিকানরা এমনিতেই স্বাস্থ্যসেবা খাতে চরম সংকট তৈরি করেছে, আর ট্রাম্প প্রশাসনের প্রতিটি সিদ্ধান্ত পরিস্থিতিকে আরও খারাপের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬ ১৯:৩৯
কম খরচে নিউইয়র্কে বাড়ি কেনার সুযোগ, মিলতে পারে ১ লাখ ডলার পর্যন্ত সহায়তা

কম খরচে নিউইয়র্কে বাড়ি কেনার সুযোগ, মিলতে পারে ১ লাখ ডলার পর্যন্ত সহায়তা

ক্যালিফোর্নিয়ায় গৃহহীনদের আবাসন প্রকল্পে ৬ বছরেও শেষ হয়নি কাজ, খরচ বাড়ছে কোটি কোটি ডলার

ক্যালিফোর্নিয়ায় গৃহহীনদের আবাসন প্রকল্পে ৬ বছরেও শেষ হয়নি কাজ, খরচ বাড়ছে কোটি কোটি ডলার

নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে ল্যাম্বরগিনির ধাক্কায় ৬৮ বছরের বৃদ্ধ নি হত, পলাতক চালক

নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে ল্যাম্বরগিনির ধাক্কায় ৬৮ বছরের বৃদ্ধ নি হত, পলাতক চালক

ট্রাম্পের কাছে পরাজয়ের পর নির্বাচনী প্রচারণায় কমলা হ্যারিসকে চান না একাধিক ডেমোক্র্যাট প্রার্থী
ট্রাম্পের কাছে পরাজয়ের পর নির্বাচনী প্রচারণায় কমলা হ্যারিসকে চান না একাধিক ডেমোক্র্যাট প্রার্থী

আসন্ন মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে নিজ দল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির ভেতর থেকেই প্রকাশ্য দূরত্বের মুখে পড়েছেন সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস। ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে বড় পরাজয় এবং জো বাইডেন প্রশাসনের নীতি নিয়ে অসন্তোষের কারণে ঝুঁকির মুখে থাকা একাধিক অঙ্গরাজ্যের ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা নির্বাচনী মঞ্চে তাঁকে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করছেন।   আইওয়া, কানসাস, টেক্সাস ও অ্যারিজোনার মতো গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গরাজ্যগুলোর শীর্ষ ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা স্পষ্ট জানিয়েছেন, তাঁরা প্রচারণায় কমলা হ্যারিসকে পাশে চান না। আইওয়া অঙ্গরাজ্যের ডেমোক্র্যাটিক গভর্নর পদপ্রার্থী রব স্যান্ড স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন, তাঁর কোনো সহযোগিতার প্রয়োজন নেই এবং এখন দলটির নতুন নেতৃত্বের দিকে তাকিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার সময়।   একইভাবে কানসাসের সিনেট প্রার্থী অ্যাডাম হ্যামিল্টনও জানিয়েছেন, সাধারণ ভোটারদের আকৃষ্ট করতে হলে তাদের কমলা হ্যারিসের চেয়ে ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়েই মাঠে নামতে হবে।   রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দলটির কট্টর সমর্থকদের একাংশের কাছে প্রথম নারী ও কৃষ্ণাঙ্গ ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে কমলা হ্যারিসের কিছুটা আবেদন থাকলেও ট্রাম্পের কাছে সাম্প্রতিক পরাজয় তাঁর অবস্থানকে অত্যন্ত দুর্বল করে দিয়েছে।   ইউসি বার্কলে সিট্রিন সেন্টার ও পলিটিকোর সাম্প্রতিক এক যৌথ জরিপে দেখা গেছে, এমনকি তাঁর নিজ রাজ্য ক্যালিফোর্নিয়াতেও ২০২৮ সালে হ্যারিসের সম্ভাব্য প্রেসিডেন্ট প্রার্থিতা নিয়ে ভোটারদের উদ্দীপনা আশঙ্কাজনকভাবে কমে মাত্র ২৮ শতাংশে নেমে এসেছে। এছাড়া ডেমোক্র্যাট ও ডেমোক্র্যাটপন্থী ভোটারদের ৫৫ শতাংশই তাঁর পুনরায় নির্বাচনে দাঁড়ানোর কোনো যৌক্তিকতা দেখছেন না।   ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিওসম এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, হ্যারিস প্রার্থী হলে তিনি হয়তো পথ ছেড়ে দেবেন, তবে তিনি মনে করেন না কমলা আবার নির্বাচন করবেন। দলের এমন নানামুখী সমীকরণ মধ্যবর্তী নির্বাচনের মাঠে হ্যারিসকে এক জটিল বাস্তবতায় দাঁড় করিয়েছে।   তবে এই বিরোধিতার উল্টো চিত্র দেখা গেছে মিশিগানে। সেখানে কৃষ্ণাঙ্গ ভোটারদের আস্থা অর্জন এবং গাজা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে বিভক্ত হওয়া জোটকে ঐক্যবদ্ধ করতে হ্যারিসকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছেন ডেমোক্র্যাটিক ইউএস সিনেট প্রার্থী আব্দুল এল-সায়েদ।   তিনি মনে করেন, ২০২৪ সালের নির্বাচনে মধ্যপ্রাচ্য নীতি নিয়ে ক্ষুব্ধ আরব-আমেরিকান ও কৃষ্ণাঙ্গ ভোটারদের মধ্যকার মনস্তাত্ত্বিক দূরত্ব ঘোচাতে হ্যারিসের এই সফর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ডেট্রয়েটে কৃষ্ণাঙ্গ মাতৃস্বাস্থ্য এবং নাগরিক অধিকার সংগঠন এনএএসিপির (NAACP) ভোটাধিকার ফোরামে তাঁদের যৌথভাবে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।   দলীয় নেতাদের একাংশের এমন অনাগ্রহ বা সরাসরি প্রত্যাখ্যান সত্ত্বেও প্রকাশ্যে বিষয়টিকে স্বাভাবিকভাবেই নিচ্ছেন সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট। এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, দলীয় প্রার্থীরা নির্বাচনে জিততে যা প্রয়োজন বলে মনে করেন, তাতে তাঁর পূর্ণ সমর্থন রয়েছে।   সব দ্বিধাদ্বন্দ্ব ছাপিয়ে নেভাডা, জর্জিয়া ও ক্যালিফোর্নিয়ায় অন্যান্য প্রার্থীদের সঙ্গে প্রচারণায় অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি। ২০২৮ সালের পরিকল্পনা নিয়ে কোনো তাড়াহুড়ো না করে এই মুহূর্তে মধ্যবর্তী নির্বাচনের দিকেই নিজের পূর্ণ মনোযোগ সীমাবদ্ধ রাখছেন বলে জানিয়েছেন কমলা হ্যারিস।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬ ১৬:২৬
নিউইয়র্কে ডেলিভারি কর্মীদের টিপস আটকের অভিযোগ, ডোরড্যাশকে ১৩১ মিলিয়ন ডলার জরিমানা

নিউইয়র্কে ডেলিভারি কর্মীদের টিপস আটকের অভিযোগ, ডোরড্যাশকে ১৩১ মিলিয়ন ডলার জরিমানা

এনওয়াইপিডি ট্রাফিক কোর্সে ভ্যালেডিক্টোরিয়ান হয়ে ইতিহাস গড়লেন বাংলাদেশি আল মোর্শেদ

এনওয়াইপিডি ট্রাফিক কোর্সে ভ্যালেডিক্টোরিয়ান হয়ে ইতিহাস গড়লেন বাংলাদেশি আল মোর্শেদ

লং আইল্যান্ডে প্রেমিকার সাবেক সঙ্গীকে হ ত্যা, ২৫ বছরের কারাদণ্ড প্রেমিকের

লং আইল্যান্ডে প্রেমিকার সাবেক সঙ্গীকে হ ত্যা, ২৫ বছরের কারাদণ্ড প্রেমিকের

0 Comments