যার ভুল অস্ত্রোপচারে মারা গিয়েছিল রোগী, এবার রহস্যজনকভাবে মিলল সেই চিকিৎসকের মরদেহ
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় ভুল অস্ত্রোপচারে এক রোগীর মৃত্যুর পর মেডিকেল লাইসেন্স হারানো এক নারী প্লাস্টিক সার্জনের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। ৭১ বছর বয়সী সারওয়া আলদুরি নামের ওই চিকিৎসকের মৃতদেহ একটি বাড়ির পেছনের সুইমিংপুল থেকে উদ্ধার করা হয়। ক্যালিফোর্নিয়ার কার্ন কাউন্টি করোনার মৃতদেহটি শনাক্ত করে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেছে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম কেজিইটি-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বেকার্সফিল্ডের পাইনগ্লেন ড্রাইভ এলাকার একটি বাড়ি থেকে আলদুরির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বেকার্সফিল্ড পুলিশ ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, এই মৃত্যুর পেছনের প্রকৃত কারণ ও পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি উদ্ঘাটনে তাদের তদন্ত চলমান রয়েছে। কীভাবে তিনি সুইমিংপুলে মারা গেলেন বা এটি কোনো দুর্ঘটনা কি না, তা এখনও নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।
সারওয়া আলদুরি প্রায় ৩৫ বছর ধরে প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ হিসেবে চিকিৎসা পেশায় যুক্ত ছিলেন। তিনি বেকার্সফিল্ডের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত ‘বেলা হেলথ অ্যান্ড বিউটি’ নামের একটি প্লাস্টিক সার্জারি ক্লিনিকে কর্মরত দুজন চিকিৎসকের মধ্যে অন্যতম ছিলেন। মূলত নারীদের স্বাস্থ্য, সুস্থতা এবং কসমেটিক সার্জারির বিষয়ে তার বিশেষ পারদর্শিতা ছিল।
তবে তার ক্যারিয়ারের শেষ দিকটা ছিল চরম বিতর্কে ঘেরা। ভুল কসমেটিক সার্জারির কারণে এক রোগীর মৃত্যুর পর তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল। ক্যালিফোর্নিয়া মেডিকেল বোর্ডের নথিপত্র অনুযায়ী, ওই ঘটনার পর প্রথমে তাকে সাত বছরের জন্য নজরদারিতে (প্রবেশন) রাখা হয়। কিন্তু সেই নজরদারির শর্তগুলো ঠিকমতো পালন না করার অভিযোগ উঠলে অবশেষে ২০২৪ সালের মার্চ মাসে তিনি বাধ্য হয়ে নিজের মেডিকেল লাইসেন্স সমর্পণ করেন। ক্যারিয়ারের এমন চরম পতনের পরপরই তার এই আকস্মিক ও রহস্যজনক মৃত্যু স্থানীয় জনমনে নতুন করে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে। ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে। অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে। আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন। ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে | এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
আমেরিকা
View moreনিউইয়র্কে সরকারি চাকরি পেতে আবেদনকারীদের জন্য ২০২৬ সালে এসেছে বেশ কিছু নতুন সুযোগ। বিশেষ করে যারা প্রথমবার সরকারি চাকরির পরীক্ষায় অংশ নিতে চান, তাদের জন্য নিউইয়র্ক সিটিতে পরীক্ষার ফি মওকুফের সুবিধা চালু হয়েছে। পাশাপাশি নিউইয়র্ক স্টেটের একটি বিশেষ নিয়োগ কর্মসূচির আওতায় নির্দিষ্ট কিছু পদে কোনো সিভিল সার্ভিস পরীক্ষা ছাড়াই চাকরিতে প্রবেশের সুযোগ রয়েছে। ফলে নতুন চাকরিপ্রার্থী এবং ক্যারিয়ার পরিবর্তন করতে চাওয়া প্রবাসীদের জন্য সরকারি চাকরির পথ আগের তুলনায় কিছুটা সহজ হয়েছে। নিউইয়র্ক সিটির সিটি প্রশাসনের প্রশাসনিক সেবা বিভাগ জানিয়েছে, ২০২৫ সালের একটি নতুন স্থানীয় আইনের আওতায় ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে প্রথমবার সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় আবেদনকারী এবং নিউইয়র্ক সিটির হাই স্কুলের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার ফি মওকুফের সুবিধা পাচ্ছেন। অর্থাৎ যোগ্য আবেদনকারীদের নির্দিষ্ট পরীক্ষার জন্য আর ফি দিতে হচ্ছে না। তবে পরীক্ষার ফি মওকুফ হওয়ার অর্থ এই নয় যে চাকরির জন্য পরীক্ষা দিতে হবে না। নিউইয়র্ক সিটির অধিকাংশ সিভিল সার্ভিস পদে এখনো পরীক্ষার মাধ্যমে প্রার্থী বাছাই করা হয়। তাই আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট পদে পরীক্ষা বাধ্যতামূলক কি না, তা দেখে নেওয়া জরুরি। নিউইয়র্ক স্টেটের সবচেয়ে বড় সুযোগগুলোর একটি হলো এনওয়াই হেল্পস বা নিউইয়র্ক হায়ারিং ফর ইমার্জেন্সি লিমিটেড প্লেসমেন্ট স্টেটওয়াইড কর্মসূচি। এই কর্মসূচির আওতায় নির্দিষ্ট কিছু পদে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা ছাড়াই সরাসরি নিয়োগের সুযোগ রয়েছে। তবে পরীক্ষার প্রয়োজন না থাকলেও আবেদনকারীকে সংশ্লিষ্ট পদের ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা ও কাজের অভিজ্ঞতার শর্ত পূরণ করতে হবে। ২০২৬ সালে এই কর্মসূচির আওতায় প্রশাসনিক সহকারী, অফিস সহকারী, মোটর ভেহিকল প্রতিনিধি এবং এ ধরনের বিভিন্ন পদে নিয়োগের সুযোগ রয়েছে। উদাহরণ হিসেবে, নিউইয়র্ক স্টেটের একটি প্রশাসনিক সহকারী পদে বছরে ৪০ হাজার ৩৯১ ডলার থেকে ৫৮ হাজার ৪৪৭ ডলার পর্যন্ত বেতনের সুযোগ রাখা হয়েছে। পদটি বিশেষ নিয়োগ কর্মসূচির মাধ্যমে পরীক্ষাবিহীন নিয়োগের জন্য উন্মুক্ত ছিল। নিউইয়র্ক সিটির সরকারি চাকরির তালিকায় স্কুল নিরাপত্তা এজেন্ট এবং ট্রাফিক এনফোর্সমেন্ট এজেন্টের মতো পদও রয়েছে। ২০২৬ সালের তালিকা অনুযায়ী, স্কুল নিরাপত্তা এজেন্ট এবং ট্রাফিক এনফোর্সমেন্ট এজেন্ট পদের পরীক্ষার জন্য ১ জুলাই থেকে ২৫ আগস্ট পর্যন্ত আবেদন নেওয়া হচ্ছে। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী স্কুল নিরাপত্তা এজেন্ট পদের পরীক্ষা ২০ অক্টোবর এবং ট্রাফিক এনফোর্সমেন্ট এজেন্ট পদের পরীক্ষা ২২ অক্টোবর ২০২৬ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। ট্রাফিক এনফোর্সমেন্ট এজেন্ট পদে বর্তমানে দ্বিতীয় ধাপের জন্য ন্যূনতম বেতন বছরে ৪৮ হাজার ৭১৯ ডলার। এই চাকরিতে ট্রাফিক ও পার্কিং আইন কার্যকর করা, লঙ্ঘনের নোটিশ দেওয়া এবং প্রয়োজনে প্রশাসনিক শুনানি বা আদালতে সাক্ষ্য দেওয়ার মতো দায়িত্ব থাকে। চাকরিটিতে দীর্ঘ সময় বাইরে কাজ করতে হতে পারে এবং বিভিন্ন শিফটে দায়িত্ব পালনের প্রয়োজন হয়। নিউইয়র্ক সিটির স্যানিটেশন কর্মীর চাকরিও দীর্ঘদিন ধরে চাকরিপ্রার্থীদের কাছে জনপ্রিয়। তবে এটিকে পরীক্ষা ছাড়াই সহজে পাওয়া যায় এমন চাকরি বলা ঠিক হবে না। এই পদে প্রথমে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষা দিতে হয়। পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে যোগ্য প্রার্থীদের তালিকা তৈরি করা হয়। এরপর শারীরিক সক্ষমতা যাচাই, মেডিকেল পরীক্ষা, ব্যাকগ্রাউন্ড চেকসহ নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিভিন্ন ধাপ পার হতে হয়। স্যানিটেশন কর্মীর প্রাথমিক বার্ষিক বেতন ৪৭ হাজার ৭৫২ ডলার। পাঁচ বছর ছয় মাস চাকরি করার পর বেতন ৯৫ হাজার ৩১৬ ডলার পর্যন্ত বাড়তে পারে। এর সঙ্গে স্বাস্থ্যসেবা সুবিধা, পেনশন এবং অতিরিক্ত সময় কাজের জন্য বাড়তি আয়ের সুযোগ রয়েছে। তবে এই চাকরির জন্য হাই স্কুল ডিপ্লোমা বা জিইডির পাশাপাশি নিউইয়র্ক স্টেটের ক্লাস এ বা বি বাণিজ্যিক ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং নির্দিষ্ট অনুমোদন ও লাইসেন্সের শর্ত পূরণ করতে হয়। মেট্রোপলিটন ট্রান্সপোর্টেশন অথরিটির বা এমটিএর ট্রানজিট ক্লিনার পদও তুলনামূলক কম শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রার্থীদের জন্য আকর্ষণীয় হতে পারে। এমটিএর প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে এই পদের জন্য নির্দিষ্ট শিক্ষাগত যোগ্যতা বা পূর্ব অভিজ্ঞতা বাধ্যতামূলক না থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে আবেদনকারীদের মূল্যায়ন পরীক্ষা, ইংরেজি ভাষার দক্ষতা যাচাই, বৈধভাবে কাজের অনুমতি যাচাই, মাদক পরীক্ষা এবং মেডিকেল পরীক্ষাসহ নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিভিন্ন ধাপ পার হতে হয়। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ডাক বিভাগের মেইল ক্যারিয়ারসহ বিভিন্ন পদও নিউইয়র্কে বসবাসকারীদের জন্য সম্ভাব্য সরকারি চাকরির সুযোগ তৈরি করে। এটি সিটি বা স্টেটের চাকরি নয়, ফেডারেল সরকারের চাকরি। সাধারণভাবে আবেদনকারীর বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর হতে হয়। পাশাপাশি ব্যাকগ্রাউন্ড চেক, মাদক পরীক্ষা ও মেডিকেল যাচাইয়ের মতো নিয়োগ প্রক্রিয়ার ধাপ রয়েছে। কিছু পদের ক্ষেত্রে ড্রাইভিং লাইসেন্স ও অতিরিক্ত যোগ্যতাও প্রয়োজন হতে পারে। তবে ২০২৬ সালে নিউইয়র্কে সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে সবার জন্য একটি পদকে সবচেয়ে সহজ বলা যাবে না। চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা নির্ভর করে প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা, কাজের অভিজ্ঞতা, ড্রাইভিং লাইসেন্স বা বাণিজ্যিক ড্রাইভিং লাইসেন্স, শারীরিক সক্ষমতা এবং সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার ফলের ওপর। যারা নিউইয়র্কে নতুন করে সরকারি চাকরির চেষ্টা করছেন, তাদের জন্য প্রথমেই নিউইয়র্ক স্টেটের পরীক্ষাবিহীন নিয়োগের পদগুলো খুঁজে দেখা গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে নিউইয়র্ক সিটির নতুন পরীক্ষার ফি মওকুফের সুবিধাও কাজে লাগানো যেতে পারে। তবে আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট পদের ন্যূনতম যোগ্যতা, আবেদনের শেষ তারিখ এবং নিয়োগের পুরো প্রক্রিয়া অবশ্যই যাচাই করে নেওয়া উচিত।
মায়ের জন্মের মাত্র এক বছর পরই ফ্রোজেন হয়েছিল ভ্রূণ, ২৪ বছর পর সেই ভ্রূণ থেকেই জন্ম নিলেন এমা
পরিবারের সঙ্গে থাকাই কি বোঝা! প্রতিবন্ধী প্রাপ্তবয়স্কদের এসএসআই সুবিধা বন্ধের উদ্যোগ ট্রাম্প প্রশাসনের
ট্রাম্পের নতুন জন্মসূত্র নাগরিকত্ব নীতিতে কোন কোন দেশের মানুষ বেশি চাপে? বাংলাদেশিদের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের ডালাস-ফোর্ট ওয়ার্থ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মুসলিম যাত্রীদের ওজু করার সুবিধা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ডালাস এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদনের দাবি, তাদের একজন রিপোর্টার গোপন অনুসন্ধানের সময় বিমানবন্দরের দুই কর্মীর কাছে মুসলিমদের নামাজের আগে ওজু করার জন্য নির্দিষ্ট জায়গা সম্পর্কে জানতে চাইলে, দুই কর্মীই আলাদাভাবে সাধারণ শৌচাগারের বেসিনে পা ধোয়ার পরামর্শ দেন। ওজু হলো নামাজের আগে মুসলিমদের পবিত্রতা অর্জনের একটি ধর্মীয় প্রক্রিয়া। এতে মুখ, হাত, মাথা ও পা ধোয়ার মতো নির্দিষ্ট কিছু ধাপ রয়েছে। বিমানবন্দরের মতো দীর্ঘ সময় ভ্রমণ করতে হয় এমন জায়গায় মুসলিম যাত্রীদের জন্য ওজুর উপযুক্ত ব্যবস্থা থাকা ধর্মীয় অনুশীলন সহজ করতে পারে। ডালাস এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাদের একজন রিপোর্টার গোপনে বিমানবন্দরের কর্মীদের কাছে ওজু করার ব্যবস্থা সম্পর্কে জানতে চান। এ সময় দুই কর্মী পৃথকভাবে তাঁকে সাধারণ শৌচাগারের বেসিন ব্যবহারের কথা জানান। প্রতিবেদনে ওই কর্মীদের পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। তবে ডিএফডব্লিউ বিমানবন্দরে ওজুর সুবিধা একেবারে নতুন কোনো বিষয় নয়। বিমানবন্দরের নিজস্ব তথ্য অনুযায়ী, টার্মিনাল ডির আন্তধর্মীয় প্রার্থনাকক্ষের পাশে আগে থেকেই দুটি ওজুর ব্যবস্থা রয়েছে। ২০১৯ সালে প্রার্থনাকক্ষটি নতুন জায়গায় স্থানান্তরের সময় এই সুবিধা যুক্ত করা হয়। বিমানবন্দরের বিভিন্ন টার্মিনালে আন্তধর্মীয় প্রার্থনার স্থানও রয়েছে। এদিকে সাম্প্রতিক বিতর্কের সূত্রপাত হয় টার্মিনাল ডিতে পুরুষ ও নারীদের জন্য আলাদা ওজুর ব্যবস্থা তৈরির পরিকল্পনা নিয়ে। প্রকল্পের নথিতে প্রায় ৩ লাখ ডলারের সংস্কারকাজের কথা উল্লেখ করা হয়েছিল। পরিকল্পনা অনুযায়ী, পুরুষ ও নারীদের দুটি বিদ্যমান শৌচাগারে আলাদা ওজুর ব্যবস্থা যুক্ত করার কথা ছিল। এই পরিকল্পনা নিয়ে টেক্সাসে রাজনৈতিক বিতর্কও তৈরি হয়েছে। টেক্সাসের গভর্নর গ্রেগ অ্যাবট বিমানবন্দরগুলোতে মুসলিমদের ধর্মীয় পরিচ্ছন্নতার জন্য বিশেষ সুবিধা দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং বিমানবন্দরগুলোর অর্থায়ন ও এ ধরনের সুবিধা নিয়ে পর্যালোচনার আহ্বান জানিয়েছেন। তবে ওজুর ব্যবস্থা নিয়ে বিতর্কের মধ্যেও ডিএফডব্লিউ বিমানবন্দরের আগের নথিতে দেখা যায়, মুসলিম যাত্রীদের ধর্মীয় প্রয়োজন বিবেচনায় নিয়ে ২০১৯ সালেই আন্তধর্মীয় প্রার্থনাকক্ষের পাশে ওজুর ব্যবস্থা করা হয়েছিল। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই প্রার্থনাকক্ষ ও ধর্মীয় সুবিধাগুলো বিভিন্ন ধর্মের যাত্রী, কর্মী ও দর্শনার্থীদের ব্যবহারের জন্য রয়েছে। ডালাস এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে কর্মীদের সাধারণ বেসিন ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়ার বিষয়টি নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে, বিমানবন্দরে ধর্মীয় অনুশীলনের জন্য যাত্রীদের প্রয়োজনীয় সুবিধা সম্পর্কে কর্মীদের মধ্যে যথেষ্ট স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে কি না। বিমানবন্দরের পক্ষ থেকে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ডিএফডব্লিউতে পাঁচটি টার্মিনালজুড়ে বিভিন্ন ধরনের যাত্রীসেবা ও সুবিধা রয়েছে। এর মধ্যে আন্তধর্মীয় প্রার্থনাকক্ষও অন্তর্ভুক্ত। তবে ওজু করার জন্য সাধারণ শৌচাগারের বেসিন ব্যবহারের বিষয়ে বিমানবন্দরের বর্তমান নীতিমালা সম্পর্কে এই প্রতিবেদনে আলাদা কোনো সরকারি নির্দেশনা পাওয়া যায়নি। ফলে দুই কর্মী রিপোর্টারকে কী কারণে সাধারণ বেসিন ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন, সেটি তাঁদের ব্যক্তিগত নির্দেশনা ছিল নাকি বিমানবন্দরের প্রচলিত নিয়মের ভিত্তিতে দেওয়া হয়েছিল, তা স্পষ্ট নয়। এ বিষয়ে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যই চূড়ান্ত অবস্থান বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
অবৈধ অভিবাসীদের কর সুবিধা দাবি ঠেকাতে আইআরএসের নতুন পদক্ষেপ
আমেরিকায় স্কুল ডিস্ট্রিক্টের ওয়েবসাইটে চাকরি খুঁজছেন? আবেদন করার সহজ নিয়ম জানুন
যুক্তরাষ্ট্রে ডলার স্টোরের সাশ্রয়ী মূল্যের খাবারে স্বাস্থ্যঝুঁকি? গবেষণায় উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য
যুক্তরাষ্ট্রে সাশ্রয়ী মূল্যের বাড়ির সংকট কাটাতে নতুন নির্মাণ বাড়ানো প্রয়োজন হলেও উল্টো কমছে বাড়ি তৈরির গতি। জুলাইয়ে একক পরিবারের নতুন বাড়ি নির্মাণের হার আগের মাসের তুলনায় ৯ দশমিক ৯ শতাংশ কমে বার্ষিক হিসাবে ৮ লাখ ৮ হাজার ইউনিটে নেমে এসেছে বলে মার্কিন জনগণনা ব্যুরোর সর্বশেষ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। এটি ২০২২ সালের নভেম্বরের পর সবচেয়ে কম পর্যায়ের হার। একক পরিবারের বাড়িই যুক্তরাষ্ট্রের আবাসন নির্মাণের সবচেয়ে বড় অংশ। ফলে এই খাতে এমন পতন আবাসন সরবরাহ নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। একই মাসে অ্যাপার্টমেন্টসহ সব ধরনের নতুন আবাসিক ইউনিটের নির্মাণ শুরুর হারও কমেছে বলে সরকারি তথ্যে উঠে এসেছে। এর পেছনে অন্যতম বড় কারণ হিসেবে রয়েছে বাড়ি কেনার ঋণের উচ্চ সুদ। ঋণের খরচ বেড়ে যাওয়ায় অনেক সম্ভাব্য ক্রেতা বাজারে প্রবেশ না করে অপেক্ষা করছেন। অন্যদিকে নির্মাণসামগ্রী, শ্রম ও জমির ব্যয়ও বেশি থাকায় নির্মাতাদের জন্য কম দামে নতুন বাড়ি বাজারে আনা কঠিন হয়ে পড়ছে। জাতীয় আবাসন নির্মাতা সমিতি বা এনএএইচবির সাম্প্রতিক তথ্যও একই ধরনের চাপের ইঙ্গিত দিচ্ছে। আগস্টে নতুন একক পরিবারের বাড়ি নির্মাণ নিয়ে নির্মাতাদের আস্থা এক পয়েন্ট বেড়ে ৩৫ হয়েছে। তবে সূচকটি ৫০-এর নিচে থাকায় সামগ্রিকভাবে নির্মাতাদের বড় অংশ এখনো বাজার পরিস্থিতিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন না। আগস্ট ছিল টানা ১৬তম মাস, যখন এই সূচক ৪০-এর নিচে রয়েছে। জুলাইয়ে নির্মাতাদের আস্থার সূচক ছিল ৩৪। তখন বর্তমান বিক্রয় পরিস্থিতির সূচক ৩৭, আগামী ছয় মাসের বিক্রয় প্রত্যাশা ৪৩ এবং সম্ভাব্য ক্রেতাদের যাতায়াতের সূচক ছিল মাত্র ২৩। অর্থাৎ বাড়ি কিনতে আগ্রহী মানুষের উপস্থিতিও তুলনামূলক দুর্বল ছিল। বাড়ির দামও ক্রেতাদের জন্য বড় বাধা হয়ে আছে। জাতীয় পর্যায়ে বাড়ির দাম উচ্চ অবস্থানে থাকায় কম সুদের ঋণের জন্য অপেক্ষা করছেন অনেক ক্রেতা। ফলে একদিকে বাড়ির প্রয়োজন ও চাহিদা রয়েছে, অন্যদিকে বর্তমান দামে অনেক পরিবারের পক্ষে বাড়ি কেনা কঠিন হয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতিকে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের আবাসন সংকটের সঙ্গে মিলিয়ে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। ২০০৮ সালের আর্থিক সংকটের পর দেশটির আবাসন নির্মাণ খাত বড় ধাক্কা খায়। বহু নির্মাণ প্রতিষ্ঠান ব্যবসা বন্ধ করে, কর্মীরা খাতটি ছেড়ে যান এবং নতুন প্রকল্পে ঋণ পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। এর ফলে কয়েক বছর ধরে প্রয়োজনের তুলনায় কম বাড়ি নির্মাণ হয়েছে। করোনাভাইরাস মহামারির সময় সুদের হার ঐতিহাসিকভাবে কমে যাওয়ার পর বাড়ি কেনার চাহিদা হঠাৎ বেড়ে যায়। কিন্তু তখনও বাজারে পর্যাপ্ত বাড়ি ছিল না। সীমিত সরবরাহের বিপরীতে ক্রেতাদের প্রতিযোগিতা বাড়ায় বিভিন্ন এলাকায় বাড়ির দাম দ্রুত বেড়ে যায়। মহামারির পর নির্মাণ কিছুটা বাড়লেও দীর্ঘদিনের ঘাটতি এখনো কাটেনি। ফ্রেডি ম্যাকের হিসাব অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে প্রয়োজনের তুলনায় প্রায় ৩৭ লাখ বাড়ির ঘাটতি রয়েছে। আবাসন সংকটের আকার নিয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের হিসাব ভিন্ন হলেও, পর্যাপ্ত সরবরাহের অভাব যে বাজারের বড় সমস্যা, তা নিয়ে ব্যাপক ঐকমত্য রয়েছে। অন্যদিকে নির্মাতাদের জন্য পরিস্থিতি কিছুটা জটিল। দেশে বাড়ির ঘাটতি থাকলেও ক্রেতারা বর্তমান দামে পর্যাপ্ত বাড়ি কিনতে পারছেন না। ফলে নতুন বাড়ি নির্মাণ করে বিক্রি না হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। এতে নির্মাতারা নতুন প্রকল্প শুরু করার ক্ষেত্রে সতর্ক হয়ে পড়ছেন। এনএএইচবির তথ্য অনুযায়ী, জুলাইয়ে ৩৭ শতাংশ নির্মাতা বাড়ির দাম কমিয়েছিলেন। গড়ে দাম কমানোর হার ছিল ৬ শতাংশ। একই সময়ে ৬৩ শতাংশ নির্মাতা ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে বিভিন্ন ধরনের বিক্রয় সুবিধা বা প্রণোদনা দিয়েছেন। আগস্টেও নির্মাতাদের মধ্যে এই চাপ পুরোপুরি কাটেনি। এনএএইচবির চেয়ারম্যান বিল ওওয়েন্স বলেন, উচ্চ নির্মাণ ব্যয় ও আবাসনের সামর্থ্যসংক্রান্ত চাপ নির্মাতাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে রয়েছে। উচ্চ বন্ধকি ঋণের হার সম্ভাব্য ক্রেতাদের বাজারের বাইরে রাখছে, আর নির্মাণসামগ্রী, জ্বালানি ও অন্যান্য ব্যয় বাড়ায় ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে বাড়ি তৈরি করা কঠিন হয়ে উঠছে। তবে পুরো চিত্রই নেতিবাচক নয়। জুলাইয়ে আবাসিক ভবনের নির্মাণ অনুমোদনের হার বেড়েছে। জনগণনা ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, মোট নির্মাণ অনুমোদন বার্ষিক হিসাবে প্রায় ১৪ লাখ ৪০ হাজার ইউনিটে উঠেছে। একক পরিবারের বাড়ির অনুমোদনও বেড়েছে। অর্থাৎ নির্মাতাদের একটি অংশ ভবিষ্যতের চাহিদা নিয়ে এখনো পুরোপুরি আশাহত হননি। এখানে নির্মাণ অনুমোদন এবং নির্মাণ শুরু হওয়ার মধ্যে পার্থক্য গুরুত্বপূর্ণ। কোনো বাড়ির নির্মাণ অনুমোদন পাওয়া মানেই সঙ্গে সঙ্গে নির্মাণ শুরু হয়ে গেছে এমন নয়। ফলে অনুমোদন বাড়লেও প্রকৃত নির্মাণ শুরু হতে সময় লাগতে পারে। আবাসন বাজারের এই চাপ শুধু বাড়ি নির্মাতা বা ক্রেতাদের বিষয় নয়। নতুন বাড়ির সরবরাহ কম থাকলে পুরোনো বাড়ির বাজারেও চাপ তৈরি হতে পারে। আবার বাড়ির দাম দীর্ঘদিন উচ্চ থাকলে প্রথমবারের মতো বাড়ি কিনতে যাওয়া পরিবারগুলো সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়ে। বিশেষ করে তরুণ পরিবার ও মধ্যম আয়ের ক্রেতাদের জন্য বাড়ি কেনার সামর্থ্য এখন বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। ঋণের সুদ, ডাউন পেমেন্ট, বাড়ির মূল্য এবং মাসিক কিস্তি সব মিলিয়ে বাড়ি কেনার মোট খরচ বেড়ে যাওয়ায় অনেকেই সিদ্ধান্ত পিছিয়ে দিচ্ছেন। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের আবাসন বাজার এখন এক ধরনের বৈপরীত্যের মধ্যে রয়েছে। একদিকে দেশটির দীর্ঘমেয়াদি বাড়ির ঘাটতি পূরণ করতে আরও নির্মাণ প্রয়োজন, অন্যদিকে উচ্চ সুদ ও নির্মাণ ব্যয়ের কারণে নির্মাতারা নতুন প্রকল্পে ঝুঁকি নিতে চাইছেন না। ক্রেতাদের সামর্থ্য না বাড়লে শুধু নির্মাণ বাড়ালেই সমস্যার পুরো সমাধান হবে না। আগামী মাসগুলোতে বন্ধকি ঋণের সুদ, নির্মাণসামগ্রীর দাম, বাড়ির বিক্রি এবং নির্মাতাদের আস্থার সূচক আবাসন বাজারের গতিপথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, জুলাইয়ের দুর্বল নির্মাণের পরও নির্মাণ অনুমোদনের কিছুটা উন্নতি বাজারে সম্ভাব্য পুনরুদ্ধারের আশা ধরে রেখেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের পানি সরবরাহ ব্যবস্থায় এআই-নির্ভর সাইবার হামলার আশঙ্কা, সতর্ক করল কর্তৃপক্ষ
মিশিগানে লেকের নীল পানির পাশে একটি বাড়ি এখন ক্রেতার অপেক্ষায়, দাম চাওয়া হচ্ছে প্রায় ১৩ লাখ ডলার