আমেরিকা

ছয় মাসেই ট্রাম্পসহ শীর্ষ মার্কিন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ১০ হাজার হুমকি, রেকর্ড তদন্ত সিক্রেট সার্ভিসের

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ২৩, ২০২৬ ৮:৪
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি : সংগৃহীত
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি : সংগৃহীত

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ পর্যায়ের সুরক্ষাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসেই প্রায় ১০ হাজার হুমকির তদন্ত করেছে মার্কিন সিক্রেট সার্ভিস।

 

সংস্থাটির পরিচালক শন কারান জানান, তাঁর ২৪ বছরের কর্মজীবনে এত বড় পরিসরের হুমকির পরিস্থিতি তিনি আগে কখনো দেখেননি।

 

কারানের ভাষায়, “পরিস্থিতি আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি অস্থির। হুমকির পরিধি ও মাত্রা আমার দেখা সবচেয়ে বড়।”

 

সিক্রেট সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের একই সময়ে তদন্তের সংখ্যা ছিল প্রায় ৭ হাজার। সেই তুলনায় চলতি বছরে হুমকির তদন্ত বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে।

 

বর্তমানে সংস্থাটি প্রেসিডেন্ট, ভাইস প্রেসিডেন্ট, তাঁদের পরিবারের সদস্য, সাবেক প্রেসিডেন্ট এবং প্রেসিডেন্টের উত্তরাধিকার তালিকায় থাকা কর্মকর্তাসহ প্রায় তিন ডজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছে।

 

কর্মকর্তারা জানান, অধিকাংশ হুমকিই আসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, ই-মেইল ও অন্যান্য ডিজিটাল মাধ্যমে। প্রতিটি অভিযোগকেই শুরুতে সম্ভাব্য বাস্তব হুমকি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

 

তদন্তের সময় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হামলার উদ্দেশ্য, সক্ষমতা এবং বাস্তবে তা কার্যকর করার সামর্থ্য আছে কি না—এসব বিষয় যাচাই করা হয়। প্রয়োজন হলে অন্যান্য ফেডারেল ও স্থানীয় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তাও নেওয়া হয়।

 

রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের বিরুদ্ধে সহিংস হুমকি ও অনলাইন উসকানি বাড়তে থাকায় সিক্রেট সার্ভিস এখন আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি চাপের মধ্যে কাজ করছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

Advertisement

আমেরিকা

View more
ক্যামেরার দৃশ্য। ছবি:সংগৃহীত
বডিক্যামেরায় ধরা পড়ল হৃদয়বিদারক দৃশ্য, বাবাকে পিটিয়ে হত্যার পর ছেলের মৃত্যু

যুক্তরাষ্ট্রের কানেকটিকাট অঙ্গরাজ্যে ভয়াবহ এক পারিবারিক সহিংসতার ঘটনায় ৬৯ বছর বয়সী এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। পুলিশের প্রকাশ করা বডিক্যামের ফুটেজে দেখা যায়, অভিযুক্ত তার ছেলেই তাকে বেসবল ব্যাট দিয়ে আঘাত করছিলেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ বারবার সতর্ক করার পরও হামলা বন্ধ না করায় গুলি চালানো হয়।    ঘটনাটি ঘটে রোববার সকালে কানেকটিকাটের মেরিডেন শহরের সাগামোর রোডের একটি বাড়ির সামনে। পুলিশ জানায়, জরুরি কল পাওয়ার পর তারা সেখানে পৌঁছে ৩৮ বছর বয়সী রবার্ট লি জেনকিন্স তৃতীয়কে দেখতে পান, যিনি তার বাবাকে বেসবল ব্যাট দিয়ে আঘাত করছিলেন।    পুলিশের প্রকাশিত প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়, ঘটনাস্থলে পৌঁছানো প্রথম কর্মকর্তা অ্যান্থনি অফিয়েলি অভিযুক্তকে ব্যাট ফেলে দেওয়ার নির্দেশ দেন। কর্মকর্তার দাবি, তাকে চারবার নির্দেশ দেওয়া হলেও জেনকিন্স হামলা চালিয়ে যেতে থাকেন। এরপর ওই কর্মকর্তা তার সার্ভিস অস্ত্র থেকে একাধিক গুলি ছোড়েন।    পুলিশের গুলিতে আহত জেনকিন্সকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে একই দিন রাতে তার মৃত্যু হয়। মেডিকেল পরীক্ষকের প্রতিবেদনে তার মৃত্যুর কারণ হিসেবে শরীরে একাধিক গুলির আঘাতের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।    অন্যদিকে হামলার শিকার রবার্ট জেনকিন্স জুনিয়র ঘটনাস্থলেই মারা যান। ময়নাতদন্তে তার মৃত্যুর কারণ হিসেবে মাথায় ভোঁতা আঘাতজনিত গুরুতর জখমের কথা বলা হয়েছে। উভয় মৃত্যুকেই তদন্তকারীরা হত্যাকাণ্ড হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করেছেন।    ঘটনার পর স্থানীয় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিবেশীরা জানান, পরিবারটিকে তারা দীর্ঘদিন ধরে চিনতেন এবং প্রকাশ্যে তাদের আচরণ সাধারণত স্বাভাবিক ছিল। তবে স্থানীয় কয়েকজনের ভাষ্য অনুযায়ী, অভিযুক্ত জেনকিন্সের আগে সহিংস আচরণের ইতিহাস ছিল।    কানেকটিকাটের ইন্সপেক্টর জেনারেলের কার্যালয়, রাজ্য পুলিশ এবং স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাটির তদন্ত করছে। পুলিশ কর্মকর্তার গুলি ব্যবহারের বিষয়টিও আলাদাভাবে পর্যালোচনা করা হচ্ছে।    তদন্তকারীরা এখন হামলার কারণ, ঘটনার আগে পরিবারের মধ্যে কোনো বিরোধ ছিল কি না এবং পুরো পরিস্থিতি কীভাবে এত ভয়াবহ রূপ নিল এসব বিষয় খতিয়ে দেখছেন।

বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ: জুলাই ২৩, ২০২৬ ৮:২৫
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি : সংগৃহীত

ছয় মাসেই ট্রাম্পসহ শীর্ষ মার্কিন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ১০ হাজার হুমকি, রেকর্ড তদন্ত সিক্রেট সার্ভিসের

গ্যাভেল। ছবি:সংগৃহীত

ডিএনএ-তে উন্মোচিত হলো ১৯৯২ সালের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের রহস্য

সুপার শপ।ছবি:সংগৃহীত

৩০% আমেরিকানরা দোকান থেকে পণ্য চুরি করে! বার্ষিক জরিপে বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

প্রতীকী ছবি: সংগৃহীত
বিশ্বজুড়ে উচ্চশিক্ষার স্কলারশিপ খুঁজে পাওয়ার ৫ নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইট, যেভাবে করবেন আবেদন

বিদেশে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন দেখেন অনেক শিক্ষার্থী। কিন্তু পর্যাপ্ত তথ্যের অভাবে অনেকেই সময়মতো উপযুক্ত স্কলারশিপের খোঁজ পান না। অথচ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ, বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি প্রতিষ্ঠানের অসংখ্য স্কলারশিপের তথ্য অনলাইনে পাওয়া যায়। প্রয়োজন শুধু সঠিক জায়গায় খোঁজ করার দক্ষতা।   স্কলারশিপ পাওয়ার প্রথম ধাপ হলো নিজের যোগ্যতা ও আগ্রহের সঙ্গে মিল থাকা সুযোগগুলো খুঁজে বের করা। অনেক শিক্ষার্থী এখনো জানেন না কোন কোন প্ল্যাটফর্ম থেকে আন্তর্জাতিক স্কলারশিপের তথ্য পাওয়া যায়। তাই বিশ্বের বিভিন্ন দেশের উচ্চশিক্ষার সুযোগ খুঁজতে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ ওয়েবসাইট সম্পর্কে জানা প্রয়োজন।   Studyportals Scholarship Search   বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারি প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্কলারশিপ খুঁজে পাওয়ার জন্য Studyportals Scholarship Search একটি জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম। এখানে দেশ, বিষয় এবং ডিগ্রির ধরন অনুযায়ী স্কলারশিপ খোঁজা যায়।   WeMakeScholars   আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য এটি একটি বড় স্কলারশিপ ডাটাবেজ। এখানে মাস্টার্স, পিএইচডি এবং বিভিন্ন দেশের সরকারি ও বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক স্কলারশিপের তথ্য পাওয়া যায়। শিক্ষার্থীরা নিজেদের একাডেমিক যোগ্যতা অনুযায়ী বিভিন্ন সুযোগ খুঁজে নিতে পারেন।   DAAD Scholarship Database   জার্মানিতে উচ্চশিক্ষার জন্য আগ্রহী শিক্ষার্থীদের কাছে DAAD Scholarship Database একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস। জার্মান একাডেমিক এক্সচেঞ্জ সার্ভিস (DAAD) পরিচালিত এই প্ল্যাটফর্মে জার্মানির বিভিন্ন স্কলারশিপ ও গবেষণার সুযোগ সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যায়।   Scholars4Dev   সম্পূর্ণ অর্থায়িত (Fully Funded) এবং আংশিক অর্থায়িত আন্তর্জাতিক স্কলারশিপের তথ্য খুঁজে পাওয়ার জন্য Scholars4Dev একটি পরিচিত প্ল্যাটফর্ম। দেশ, ডিগ্রি ও শিক্ষার স্তর অনুযায়ী এখানে সুযোগগুলো সাজানো থাকে।   Opportunity Desk   স্কলারশিপ ছাড়াও ফেলোশিপ, এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম, ইন্টার্নশিপ এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সুযোগের নিয়মিত আপডেট প্রকাশ করে Opportunity Desk। বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য এটি একটি কার্যকর তথ্যভাণ্ডার হিসেবে কাজ করে।   তবে শুধু ওয়েবসাইটের নাম জানলেই হবে না, সঠিকভাবে সার্চ করাও গুরুত্বপূর্ণ। উদাহরণ হিসেবে Opportunity Desk ব্যবহার করে সহজেই নিজের জন্য উপযুক্ত সুযোগ খুঁজে বের করা যায়।   প্রথমে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে সার্চ অপশনে যেতে হবে। এরপর নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী কীওয়ার্ড লিখতে হবে। যেমন— Australia Scholarship, Japan Scholarship, Fully Funded Scholarship, Master's Scholarship, PhD Scholarship অথবা Erasmus Mundus।   সার্চ করার পর পাওয়া প্রতিটি স্কলারশিপের তথ্য ভালোভাবে যাচাই করা জরুরি। বিশেষ করে দেখতে হবে আবেদনকারীর যোগ্যতা (Eligibility), কী ধরনের সুবিধা দেওয়া হবে (Benefits), প্রয়োজনীয় কাগজপত্র (Required Documents), আবেদনের শেষ সময় (Deadline) এবং আবেদন করার অফিসিয়াল লিংক।   আবেদনের ক্ষেত্রে একটি বিষয় মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ— এসব ওয়েবসাইট সাধারণত নিজেরা কোনো আবেদন গ্রহণ করে না। তারা শুধু বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, সরকার ও আন্তর্জাতিক সংস্থার সুযোগগুলো এক জায়গায় প্রকাশ করে। আবেদন করার আগে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় বা প্রতিষ্ঠানের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে তথ্য যাচাই করতে হবে।   স্কলারশিপ খোঁজার সময় শুধু দেশের নাম লিখে সার্চ না করে নির্দিষ্ট ফরম্যাট ব্যবহার করলে ভালো ফল পাওয়া যায়। যেমন:   Fully Funded Japan Master's Scholarship   Australia PhD Scholarship   Study in UK Scholarship   Erasmus Mundus Scholarship   এ ছাড়া আগামী শিক্ষাবর্ষের জন্য Fully Funded Scholarship 2027, Australia Awards Scholarship, MEXT Scholarship এবং Chevening Scholarship-এর মতো জনপ্রিয় প্রোগ্রামগুলো নিয়েও নিয়মিত খোঁজ রাখা যেতে পারে।   উচ্চশিক্ষার জন্য স্কলারশিপ পাওয়া শুধু ভাগ্যের বিষয় নয়, বরং সঠিক তথ্য খোঁজা, সময়মতো প্রস্তুতি নেওয়া এবং নিজের যোগ্যতার সঙ্গে মিল থাকা সুযোগে আবেদন করার ওপর অনেকটাই নির্ভর করে। তাই শিক্ষার্থীদের উচিত পড়াশোনার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সুযোগ সম্পর্কে নিয়মিত খোঁজ রাখা এবং আগেভাগেই প্রস্তুতি শুরু করা।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ২৩, ২০২৬ ৫:৩১
লিঙ্গ, সমতা, কোভিড–১৯, ইত্যাদি কীওয়ার্ড দেখে গবেষণা অনুদান বাতিল

লিঙ্গ, সমতা, কোভিড–১৯, ইত্যাদি কীওয়ার্ড দেখে গবেষণা অনুদান বাতিল, আদালতে স্বীকার করল হোয়াইট হাউস

ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স

ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সফরসূচি ফাঁসের সন্দেহে সিক্রেট সার্ভিসের এক সদস্য প্রশাসনিক ছুটিতে

চাচার লালসার ও নির্যাতনের শিকার হয়ে সন্তান প্রসব করল ১২ বছরের ভাতিজী

চাচার লালসার ও নির্যাতনের শিকার হয়ে সন্তান প্রসব করল ১২ বছরের ভাতিজী

গ্র্যান্ড ক্যানিয়নে সঙ্গীর কাছ থেকে আলাদা হতেই নিখোঁজ ৮৩ বছরের পর্যটক
গ্র্যান্ড ক্যানিয়নে সঙ্গীর কাছ থেকে আলাদা হতেই নিখোঁজ ৮৩ বছরের পর্যটক! চলছে ব্যাপক তল্লাশি

যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্যের গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন ন্যাশনাল পার্কে নিখোঁজ হয়েছেন ৮৩ বছর বয়সী এক পর্যটক। মঙ্গলবার বিকেলে তার সঙ্গে থাকা সঙ্গীর কাছ থেকে নিখোঁজের খবর পাওয়ার পরপরই জাতীয় উদ্যান কর্তৃপক্ষ, স্থানীয় অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দল এবং অন্যান্য সংস্থা যৌথভাবে ব্যাপক অনুসন্ধান অভিযান শুরু করেছে।    নিখোঁজ ব্যক্তির নাম জেরাল্ড গুইন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের উটাহ অঙ্গরাজ্যের কানাব শহরের বাসিন্দা। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মঙ্গলবার বিকেল প্রায় ৫টার দিকে গ্র্যান্ড ক্যানিয়নের দুর্গম নর্থ রিম এলাকার ডগ স্যাডল (ফরেস্ট সার্ভিস রোড ৬১০) এলাকায় হাঁটার সময় তিনি তার সঙ্গীর কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। এরপর থেকেই তার আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।    ন্যাশনাল পার্ক সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, জেরাল্ড গুইনের উচ্চতা প্রায় ৫ ফুট ১০ ইঞ্চি, ওজন ১৪০ পাউন্ড এবং তার চুল ধূসর। সর্বশেষ তাকে হালকা বাদামি রঙের লম্বা হাতার শার্ট, নীল জিন্স এবং একটি বল ক্যাপ পরা অবস্থায় দেখা যায়। তার সঙ্গে কোনো হাইকিং বা ক্যাম্পিং সরঞ্জাম ছিল না, যা অনুসন্ধানকারীদের উদ্বেগ আরও বাড়িয়েছে।    বুধবারও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। স্থলপথে অনুসন্ধানের পাশাপাশি ড্রোন ও হেলিকপ্টার ব্যবহার করে দুর্গম এলাকাগুলো তল্লাশি চালানো হচ্ছে। এ অভিযানে গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন ন্যাশনাল পার্কের কর্মীদের পাশাপাশি কোকোনিনো কাউন্টি সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ এবং কেন কাউন্টি সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ দলের সদস্যরা অংশ নিচ্ছেন।    কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কেউ যদি জেরাল্ড গুইনকে দেখে থাকেন বা তার অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য জানেন, তাহলে দ্রুত ন্যাশনাল পার্ক সার্ভিসের তদন্ত বিভাগকে জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে।   বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় প্রাকৃতিক পর্যটনকেন্দ্র গ্র্যান্ড ক্যানিয়নের নর্থ রিম অংশটি তুলনামূলকভাবে দুর্গম এবং জনসমাগমও কম। দুর্গম ভূপ্রকৃতি ও গ্রীষ্মের তীব্র আবহাওয়ার কারণে সেখানে অনুসন্ধান অভিযান প্রায়ই জটিল হয়ে ওঠে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ২৩, ২০২৬ ১:৪২
ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় বিপর্যস্ত ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া

ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় বিপর্যস্ত ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া, উদ্ধার অভিযানে ন্যাশনাল গার্ড

লুইজিয়ানায় আঘাত হেনে এবার টেক্সাসের পথে ঘুর্ণিঝড় বার্থা

লুইজিয়ানায় আঘাত হেনে এবার টেক্সাসের পথে ঘুর্ণিঝড় বার্থা

বাড়িতে মিলল ৮০ প্রাণীর ভয়াবহ চিত্র

ডাক বিলির পথে বিড়াল কুড়িয়ে আনতেন, বাড়িতে মিলল ৮০ প্রাণীর ভয়াবহ চিত্র

0 Comments