নিজের দুই সন্তানের জন্য ঘরে বসে হাতে-কলমে শেখার উপকরণ তৈরি করেছিলেন এক মা। সেই ছোট উদ্যোগই একসময় গ্যারেজ থেকে শুরু হয়ে আজ একশ কোটি ডলার আয়ের সফল প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার বাসিন্দা স্যান্ড্রা ওহ লিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করার সময় বুঝতে পারেন, শিশুদের জন্য এমন শিক্ষাসামগ্রী প্রয়োজন যা খেলতে খেলতেই তাদের সৃজনশীলতা, বিজ্ঞানমনস্কতা ও সমস্যা সমাধানের দক্ষতা বাড়াবে। এই ভাবনা থেকেই তিনি ২০১১ সালে নিজের গ্যারেজে বসে শিক্ষামূলক কার্যক্রমভিত্তিক বাক্স তৈরি শুরু করেন।
শুরুতে তিনি পরিবার ও বন্ধুদের সন্তানদের কাছে এসব শিক্ষাসামগ্রী পৌঁছে দেন। সবার কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাওয়ার পর তিনি এটিকে পূর্ণাঙ্গ ব্যবসায় রূপ দেন।
প্রতিষ্ঠানটি যাত্রার শুরুতে এক কোটিরও বেশি ডলার বিনিয়োগ সংগ্রহ করে। পরে ধীরে ধীরে লাভজনক হয়ে ওঠে এবং নিজেদের আয় দিয়েই ব্যবসা সম্প্রসারণ করে।
বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বের ৪০টিরও বেশি দেশে শিশুদের জন্য শিক্ষামূলক কার্যক্রমভিত্তিক বাক্স পাঠায়। এখন পর্যন্ত পাঁচ কোটিরও বেশি শিক্ষামূলক কিট সরবরাহ করেছে এবং দেড় হাজারের বেশি নতুন শিক্ষামূলক প্রকল্প তৈরি করেছে।
স্যান্ড্রা ওহ লিন বলেন, একশ কোটি ডলার আয় তাঁর কাছে শুধু একটি ব্যবসায়িক সাফল্য নয়; বরং এটি বিশ্বের লাখো শিশুর শেখা, কল্পনাশক্তি ও সৃজনশীলতার প্রতীক।
সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটির পণ্য যুক্তরাষ্ট্রের বড় খুচরা বিক্রয় প্রতিষ্ঠান টার্গেট এবং বার্নস অ্যান্ড নোবল-এর দোকানেও বিক্রি শুরু হয়েছে।
নতুন উদ্যোক্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সফল হতে হলে একই পথের উদ্যোক্তাদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। অভিজ্ঞতা বিনিময়, পরামর্শ গ্রহণ এবং কঠিন সময়ে একে অপরের পাশে থাকা দীর্ঘমেয়াদি সাফল্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে। ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে। অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে। আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন। ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে | এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
যুক্তরাষ্ট্রে হামের সংক্রমণ নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। চলতি বছরের মাত্র সাত মাসেই দেশটিতে নিশ্চিত হামের রোগীর সংখ্যা গত বছরের পুরো বছরের মোট সংক্রমণকে ছাড়িয়ে গেছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিকাদানের হার কমে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে এবং দেশটির বহু বছরের অর্জিত হাম নির্মূলের মর্যাদাও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র (সিডিসি) প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এ বছর এখন পর্যন্ত দেশটিতে ২ হাজার ৩১৮টি নিশ্চিত হামের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। ২০২৫ সালে মোট সংক্রমণ ছিল ২ হাজার ২৮৯টি। ফলে ২০২৬ সাল ইতোমধ্যেই ১৯৯১ সালের পর সর্বোচ্চ সংক্রমণের বছর হিসেবে রেকর্ড গড়েছে। দেশটির অন্তত ৪৫টি অঙ্গরাজ্য ও বিভিন্ন অঞ্চলে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। সবচেয়ে বড় প্রাদুর্ভাব দেখা গেছে সাউথ ক্যারোলাইনা, উটাহ, অ্যারিজোনা, টেক্সাস, ভার্জিনিয়া ও পেনসিলভানিয়াসহ কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে। এ বছর এখন পর্যন্ত ৩৫টি বড় সংক্রমণ ক্লাস্টার শনাক্ত হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সংক্রমণের বেশির ভাগই এমন শিশু ও তরুণদের মধ্যে হয়েছে, যারা হাম, মাম্পস ও রুবেলার (এমএমআর) টিকা নেননি অথবা তাদের টিকাদানের তথ্য জানা নেই। জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, আক্রান্তদের প্রায় ৯৩ শতাংশই এই শ্রেণির। সিডিসি বলছে, হাম বিশ্বের সবচেয়ে সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগগুলোর একটি। আক্রান্ত ব্যক্তির কাশি বা হাঁচির মাধ্যমে ভাইরাস বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে এবং আক্রান্ত ব্যক্তি স্থান ত্যাগ করার পরও প্রায় দুই ঘণ্টা পর্যন্ত বাতাসে সক্রিয় থাকতে পারে। তাই কোনো এলাকায় টিকাদানের হার কমে গেলে দ্রুত বড় ধরনের প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ার আশঙ্কা থাকে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, সম্প্রদায়ভিত্তিক সুরক্ষা বা হার্ড ইমিউনিটি বজায় রাখতে অন্তত ৯৫ শতাংশ মানুষের টিকা নেওয়া প্রয়োজন। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রে শিশুদের টিকাদানের হার সেই সীমার নিচে নেমে এসেছে, যা সংক্রমণ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ২০০০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে হাম নির্মূল হয়েছে বলে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল। তবে চলমান পরিস্থিতির কারণে সেই মর্যাদা বহাল থাকবে কি না, তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। প্যান আমেরিকান হেলথ অর্গানাইজেশন চলতি বছরের শেষ দিকে এ বিষয়ে মূল্যায়ন করবে।
যুক্তরাষ্ট্রের আরকানসাস অঙ্গরাজ্যের জোনসবোরো শহরে স্পাইডারম্যানের পোশাক পরা এক তরুণের মানবিক উদ্যোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। ব্যস্ত ছয় লেনের একটি সড়ক পার হতে গিয়ে বিপাকে পড়া হুইলচেয়ার ব্যবহারকারী এক ব্যক্তিকে দেখে নিজের গাড়ি থামিয়ে দ্রুত ছুটে যান তিনি। এরপর নিরাপদে রাস্তা পার করে দিয়ে আবার ফিরে যান নিজের গাড়িতে। ঘটনাটি ট্রাফিক ক্যামেরায় ধারণ হওয়ার পর মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাটি ঘটে গত ২১ জুলাই। ওই তরুণের নাম ক্রিস্টোফার হেলেনথাল (২০)। তিনি একটি ট্রাম্পোলিন পার্কে শিশুদের জন্য আয়োজিত সুপারহিরো-থিমের অনুষ্ঠানে স্পাইডারম্যান সেজে কাজ শেষ করে ফিরছিলেন। তখনই সিগন্যালের কাছে হুইলচেয়ারে থাকা ব্যক্তিকে ধীরে ধীরে রাস্তা পার হতে দেখে আর অপেক্ষা করেননি। গাড়ি থেকে নেমে দ্রুত তাকে নিরাপদে অপর পাশে পৌঁছে দেন। পরে হেলেনথাল জানান, তিনি শুধু একজন মানুষের প্রয়োজনে পাশে দাঁড়াতে চেয়েছিলেন। তার ভাষায়, “আমি তাকে বলেছিলাম, চিন্তা করবেন না, আমি আছি।” তিনি আরও বলেন, স্পাইডারম্যানের পোশাক থাকুক বা না থাকুক, একই পরিস্থিতিতে তিনি আবারও একই কাজ করতেন। জোনসবোরো পুলিশ বিভাগ ট্রাফিক ক্যামেরার ভিডিওটি প্রকাশ করে লিখেছে, “লাল বাতি হোক বা সবুজ, সঠিক কাজ করার জন্য সব সময়ই সময় থাকে।” পুলিশ হেলেনথালকে ‘সত্যিকারের সুপারহিরো’ বলেও প্রশংসা করেছে। ভিডিওটি প্রকাশের পর অল্প সময়ের মধ্যেই লাখো মানুষ সেটি দেখেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই মন্তব্য করেছেন, বাস্তব জীবনের এমন মানবিক উদ্যোগই প্রকৃত বীরত্বের পরিচয়। ঘটনাটি শুধু একজন হুইলচেয়ার ব্যবহারকারীকে নিরাপদে পৌঁছে দেওয়ার গল্প নয়, বরং ব্যস্ত জীবনের মধ্যেও অপরিচিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এক অনন্য উদাহরণ হয়ে উঠেছে।
কানাডা থেকে যুক্তরাষ্ট্রে আমদানি করা প্রায় ৪ হাজার ৩০০ পাউন্ড ক্যানজাত চিকেন নুডলস স্যুপ বাজার থেকে প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের ফুড সেফটি অ্যান্ড ইনস্পেকশন সার্ভিস (FSIS)। কারণ, পণ্যগুলো বাধ্যতামূলক আমদানি পুনঃপরিদর্শন ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছে, যা খাদ্য নিরাপত্তা বিধিমালার লঙ্ঘন। এফএসআইএস জানিয়েছে, কানাডার কুইবেকভিত্তিক আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান BCI Foods Inc. স্বেচ্ছায় এই রিকল কার্যক্রম শুরু করেছে। প্রত্যাহার করা পণ্যটি ১০ দশমিক ৫ আউন্সের “tasty KITCHEN Chicken Noodle Condensed Soup PRODUCT OF CANADA” নামে বিক্রি হচ্ছিল। এটি ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সালে উৎপাদিত হয় এবং ক্যানে “Best By: 2028 FE 04”, লট কোড “5 9 2 26 035” ও কানাডার প্রতিষ্ঠান নম্বর “EST. 142” উল্লেখ রয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এই চালানটি ওকলাহোমার বিভিন্ন ফুড ব্যাংক ও খাদ্য বিতরণ কেন্দ্রে সরবরাহ করা হয়েছিল। প্রতিষ্ঠানটি নিজেই এফএসআইএসকে জানায় যে, পণ্যটি যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সময় প্রয়োজনীয় আমদানি পুনঃপরিদর্শনের জন্য উপস্থাপন করা হয়নি। এরপরই রিকলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এফএসআইএস বলেছে, এখন পর্যন্ত এই স্যুপ খেয়ে কেউ অসুস্থ হয়েছেন বা কোনো ধরনের স্বাস্থ্যগত ক্ষতির শিকার হয়েছেন—এমন নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে সংশ্লিষ্ট পণ্য যাদের কাছে রয়েছে, তাদের এটি না খেয়ে ফেলে দেওয়া অথবা কেনা প্রতিষ্ঠানে ফেরত দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কোনো ধরনের অসুস্থতা দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। খাদ্য নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রত্যাহার কার্যক্রম সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করতে তারা নিয়মিত নজরদারি চালাবে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব বিতরণকারী প্রতিষ্ঠানকে বাজার থেকে পণ্য সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।