নিউ ইয়র্কের সেন্ট্রাল পার্কেরভাইরাল দুই আইনজীবীর বসেরও গোপন প্রেম, মিলল ১০ কোটি ডলারের বিশাল চুক্তি
নিউইয়র্কের সেন্ট্রাল পার্কে দুই আইনজীবীর ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই একই আইন প্রতিষ্ঠানকে ঘিরে নতুন দাবি সামনে এসেছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওয়াচটেল, লিপটন, রোজেন অ্যান্ড কাটজের সাবেক জ্যেষ্ঠ অংশীদার উইলিয়াম "বিল" স্যাভিট এবং প্রতিষ্ঠানটির আরেক জ্যেষ্ঠ অংশীদার সারাহ এডির মধ্যেও একসময় পারস্পরিক সম্মতিতে ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল বলে একাধিক সূত্র দাবি করেছে। তবে স্যাভিট এ সম্পর্ককে "পরকীয়া" হিসেবে উল্লেখ করার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রতিষ্ঠানটিতে সহকর্মীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্মতিতে ব্যক্তিগত সম্পর্কের বিরুদ্ধে কোনো নীতিমালা ছিল না। এছাড়া সারাহ এডি স্যাভিটের সরাসরি অধীনস্থ কর্মী ছিলেন না। ফলে অভিযোগে উল্লিখিত সম্পর্কটি প্রতিষ্ঠানটির অভ্যন্তরীণ নীতিমালা লঙ্ঘন করেছে, এমন তথ্য পাওয়া যায়নি।
উইলিয়াম স্যাভিট সম্প্রতি ওয়াচটেল ছেড়ে প্রতিদ্বন্দ্বী আইন প্রতিষ্ঠান গিবসন ডানে যোগ দিয়েছেন। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, তিনি প্রতিষ্ঠানের আরও পাঁচজন অংশীদারকে সঙ্গে নিয়ে নতুন কর্মস্থলে যোগ দেন। এই পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রের করপোরেট আইন অঙ্গনে বড় ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
নিউইয়র্ক পোস্ট দাবি করেছে, স্যাভিটের নতুন চুক্তির আর্থিক মূল্য তিন বছরে প্রায় ৯ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার হতে পারে। তবে এ বিষয়ে স্যাভিট প্রকাশ্যে মন্তব্য করেননি। একই প্রতিবেদনে স্যাভিটের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র এই অঙ্ক সঠিক নয় বলেও দাবি করেছে। ফলে পারিশ্রমিকের প্রকৃত পরিমাণ স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্যাভিট ও এডি দুজনই ওপেনএআইয়ের প্রধান নির্বাহী স্যাম অল্টম্যানের পক্ষে ইলন মাস্কের করা বহুল আলোচিত মামলায় কাজ করেছিলেন। ওই মামলায় তাদের ভূমিকার জন্য তারা আইনি অঙ্গনে প্রশংসাও পেয়েছিলেন।
নতুন এই দাবি এমন সময় সামনে এলো, যখন একই প্রতিষ্ঠানের দুই আইনজীবী ন্যাথানিয়েল কালারটন ও কেলসি বোরেনজওয়েইগের সেন্ট্রাল পার্কের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। ওই ঘটনার পর কালারটনকে সাময়িক ছুটিতে পাঠানো হয় এবং গিবসন ডানে তার সম্ভাব্য নিয়োগও বাতিল হয়। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ সিদ্ধান্তের পেছনে তাদের কর্মস্থলের দায়িত্বগত সম্পর্ক একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচিত হয়েছিল।
নিউইয়র্ক পোস্টের প্রশ্নের জবাবে স্যাভিট বলেন, সারাহ এডির সঙ্গে তার সম্পর্ককে "পরকীয়া" হিসেবে বর্ণনা করা সঠিক নয়। অন্যদিকে গিবসন ডান, ওয়াচটেল লিপটন এবং সারাহ এডির কাছে মন্তব্য চাওয়া হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তারা কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, এ প্রতিবেদনটি মূলত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ঘনিষ্ঠ সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে প্রকাশিত হয়েছে। সম্পর্কসংক্রান্ত দাবিগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের পূর্ণাঙ্গ বক্তব্য বা স্বাধীন যাচাই এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। ফলে বিষয়টি নিয়ে আরও তথ্য সামনে আসার অপেক্ষায় রয়েছে আইন অঙ্গন।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে। ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে। অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে। আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন। ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে | এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
আমেরিকা
View moreযুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের স্পেস কোস্ট উপকূলে একটি অদ্ভুত আকৃতির বিশাল সামুদ্রিক বস্তু ভেসে আসার পর তা ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে। প্রথম দেখায় অনেকে এটিকে তিমির মস্তিষ্ক, আবার কেউ বিশাল কোনো সামুদ্রিক প্রাণীর দেহাংশ বলে মনে করলেও পরে সামুদ্রিক বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত করেছেন, এটি আসলে ‘সি পর্ক’ নামে পরিচিত টিউনিকেট প্রাণীদের একটি বিশাল উপনিবেশ। ঘटनাটি ঘটেছে ফ্লোরিডার ব্রেভার্ড কাউন্টির চেরি ডাউন পার্ক সৈকতে। নিয়মিত সৈকতে হাঁটতে যাওয়া ডেভ ক্লার্ক সূর্যোদয়ের ভিডিও ধারণ করার সময় অদ্ভুত এই বস্তুটি দেখতে পান। পরে তিনি এর ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করলে সেটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। কেউ এটিকে আপেল ফ্রিটার, কেউ আবার তিমির মস্তিষ্কের সঙ্গে তুলনা করেন। পরে ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপকূলীয় জৈব-ভূরসায়নের সহযোগী অধ্যাপক ড. টড অসবর্ন ছবিগুলো দেখে জানান, এটি কোনো একক প্রাণী নয়। বরং অসংখ্য ক্ষুদ্র টিউনিকেটের সমন্বয়ে গঠিত একটি বিশাল উপনিবেশ, যা সাধারণভাবে ‘সি পর্ক’ নামে পরিচিত। বিজ্ঞানীদের ভাষ্য অনুযায়ী, টিউনিকেট হলো ক্ষুদ্র সামুদ্রিক প্রাণী, যারা সমুদ্রের পানি ছেঁকে খাদ্য সংগ্রহ করে। এরা ঝিনুক বা অয়েস্টারের মতো পানির ভেতরের ক্ষুদ্র কণা ছেঁকে খায়। এ প্রক্রিয়ায় সমুদ্রের পানি পরিষ্কার রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। একটি সি পর্ক উপনিবেশে কয়েক লাখ থেকে কয়েক মিলিয়ন পর্যন্ত পৃথক টিউনিকেট একসঙ্গে বাস করতে পারে এবং বাইরে থেকে দেখতে এটি একটি একক জীবের মতো মনে হয়। ডেভ ক্লার্কের ধারণা, তিনি যে সি পর্কটি দেখেছেন সেটির আকার প্রায় দুটি আমেরিকান ফুটবলের সমান ছিল। তিনি বলেন, সৈকতে হাঁটতে গিয়ে প্রায়ই নানা ধরনের সামুদ্রিক প্রাণী দেখা যায়, তবে এমন অদ্ভুত কিছু আগে কখনো দেখেননি। তার ভাষায়, “দেখে মনে হচ্ছিল এটি যেন একটি মস্তিষ্ক। ভেতরে কিছু নড়াচড়া করছে বলেও মনে হচ্ছিল।” বিশেষজ্ঞরা জানান, সি পর্ক সাধারণত সমুদ্রে ভাসমান কাঠ, দড়ি বা অন্য কোনো বস্তুর সঙ্গে লেগে থেকে ধীরে ধীরে বড় হতে থাকে। প্রজননের মাধ্যমে উপনিবেশটি ক্রমে আকারে বিশাল হয়ে উঠতে পারে। তবে কোনো কারণে এটি উপকূলে ভেসে এলে এবং কয়েক মিনিটের বেশি সময় পানির বাইরে থাকলে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই উপনিবেশটি বেঁচে থাকতে পারে না। সামুদ্রিক জীববিজ্ঞানীদের মতে, দেখতে অস্বাভাবিক বা কিছুটা ভীতিকর মনে হলেও সি পর্ক মানুষের জন্য সাধারণত ক্ষতিকর নয়। বরং সমুদ্রের পরিবেশ সুস্থ রাখতে এদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। পানি পরিশোধনের পাশাপাশি সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য রক্ষায়ও টিউনিকেটদের অবদান উল্লেখযোগ্য। তাই সৈকতে এ ধরনের প্রাণী দেখা গেলে অযথা স্পর্শ না করে নিরাপদ দূরত্ব থেকে পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
নিজের দলেই ধস: জনপ্রিয়তায় ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প
নিউ ইয়র্কের সেন্ট্রাল পার্কেরভাইরাল দুই আইনজীবীর বসেরও গোপন প্রেম, মিলল ১০ কোটি ডলারের বিশাল চুক্তি
ঝোপের ছদ্মবেশে পুলিশ কর্মকর্তা, নিউ জার্সিতে ৬ ঘণ্টায় ৭৪ অসচেতন চালককে জরিমানা
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস ও তাঁর স্বামী ডগ এমহফ ক্যালিফোর্নিয়ার মালিবুর অভিজাত পয়েন্ট ডিউম এলাকায় প্রায় ৮.১৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে একটি বাড়ি কিনেছেন। তবে এই বাড়ি কেনার পর আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে এলাকার জনসংখ্যাগত বৈশিষ্ট্য। কয়েকটি মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এলাকাটিতে কৃষ্ণাঙ্গ বাসিন্দার সংখ্যা অত্যন্ত কম, যা নিয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। নিউইয়র্ক পোস্টের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, পয়েন্ট ডিউম এলাকার বাসিন্দাদের বড় অংশই শ্বেতাঙ্গ এবং কৃষ্ণাঙ্গ বাসিন্দার হার খুবই কম। প্রতিবেদনে এই বিষয়টিকে কমলা হ্যারিসের দীর্ঘদিনের বর্ণবৈষম্যবিরোধী রাজনৈতিক অবস্থানের সঙ্গে তুলনা করে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। তবে এসব মূল্যায়ন প্রতিবেদনের নিজস্ব বিশ্লেষণ; এ বিষয়ে কমলা হ্যারিস বা তাঁর প্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ৪ হাজার বর্গফুটের এই বাড়িতে চারটি শয়নকক্ষ ও ছয়টি বাথরুম রয়েছে। পাহাড়চূড়ায় অবস্থিত বাড়িটি থেকে প্রশান্ত মহাসাগরের দৃশ্য দেখা যায়। সম্পত্তিটির সঙ্গে সীমিত প্রবেশাধিকারযুক্ত লিটল ডিউম সৈকতে যাওয়ার বিশেষ সুবিধাও রয়েছে, যা দীর্ঘদিন ধরেই মালিবুর অন্যতম অভিজাত আবাসিক এলাকা হিসেবে পরিচিত। কমলা হ্যারিস ও ডগ এমহফ এর আগে লস অ্যাঞ্জেলেসের ব্রেন্টউড এলাকায় বসবাস করতেন। চলতি বছরের শুরুতে তাঁদের মালিবুতে নতুন বাড়ি কেনার খবর প্রথম প্রকাশ্যে আসে। যুক্তরাষ্ট্রে কোনো জনপ্রতিনিধি বা সাবেক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার ব্যক্তিগত আবাসন নির্বাচন প্রায়ই জনআলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে। তবে কোনো এলাকার জনসংখ্যাগত গঠনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য বা ব্যক্তিগত অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর মতো স্বাধীন প্রমাণ বর্তমানে প্রকাশ্যে নেই। ফলে বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে ভিন্ন ভিন্ন ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ সামনে আসছে।
যুক্তরাষ্ট্রে শাস্তির নামে শিক্ষার্থীর পিঠে দাঁড়িয়েছিলেন ১৬০ কেজি ওজনের শিক্ষক, অমানবিক আচরণে মিলল সাজা
নিউইয়র্কে লেজিওনেয়ার্স রোগের প্রাদুর্ভাবে আরও একজনের মৃত্যু, মৃত বেড়ে ৭
১৬ ঘণ্টার বিদ্যুৎহীনতায় লাইফ সাপোর্টে থাকা ছেলেকে বাঁচাতে মায়ের প্রাণপণ লড়াই
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে বন্দুক সহিংসতার বলি হচ্ছে নিরীহ শিশু-কিশোররা। নিউইয়র্ক পুলিশ ডিপার্টমেন্টের (NYPD) পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছর শহরটিতে বন্দুক হামলায় অন্তত ৫০ জন শিশু-কিশোর গুলিবিদ্ধ বা নিহত হয়েছে। এই সহিংসতার সর্বশেষ মর্মান্তিক শিকার হয়েছে ব্রঙ্কসের ১২ বছর বয়সী জ্যাকব ফ্রেইটেস। গত ২৫ জুলাই স্থানীয় একটি দোকান (বোদেগা) থেকে বল কিনে বের হওয়ার সময় রাস্তায় গোলাগুলির মাঝে পড়ে যায় সে। নিউইয়র্ক পুলিশের এক অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্টের ছেলে জ্যাকব বুকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দৌড়ে দোকানে ঢুকে পড়ে এবং মেঝেতে লুটিয়ে পড়ে, যা সিসিটিভি ফুটেজেও ধরা পড়েছে। পরে কাছের একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। জ্যাকবের মৃত্যুর আগে থেকেই কিশোরদের ওপর এমন বন্দুক হামলার ঘটনা ধারাবাহিকভাবে ঘটে আসছিল। জ্যাকব নিহত হওয়ার মাত্র দুদিন আগে ২৩ জুলাই ব্রুকলিনের বুশউইকে এক বিবাদের জেরে ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরের পায়ে গুলি লাগে। এছাড়া ২০ জুলাই ব্রুকলিনের একটি ম্যাকডোনাল্ডসের পার্কিং লটে গোলাগুলির ঘটনায় ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরীও গুলিবিদ্ধ হয়। পুলিশের দেওয়া তথ্যমতে, ২০২৬ সালের জুনের শেষভাগ পর্যন্ত প্রথম ছয় মাসে বন্দুক হামলার শিকার হওয়া ৪৯ জনের বয়স ১৮ বছরের নিচে। বিস্ময়কর ব্যাপার হলো, এই হামলাগুলোর সাথে জড়িত সন্দেহভাজন ৪৯ জন হামলাকারীর বয়সও ১৮ বছরের নিচে, যারা বয়সের কারণে আইনত ভোট দেওয়ারও যোগ্য নয়। তবে পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৫ সালের একই সময়ের তুলনায় ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে তরুণদের জড়িত থাকার বা শিকার হওয়ার ঘটনা কিছুটা কমেছে। গত বছরের প্রথম ছয় মাসে ১৮ বছরের কম বয়সী ৫৭ জন হামলার শিকার হয়েছিল এবং সন্দেহভাজন হামলাকারী ছিল ৫৩ জন। নিউইয়র্ক পুলিশের রেকর্ড অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে সব বয়সীদের মিলিয়ে বন্দুক হামলার মোট সংখ্যা ঐতিহাসিকভাবে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। কিন্তু সামগ্রিক হামলার সংখ্যা কমলেও ১৮ বছরের কম বয়সী হামলাকারীদের অনুপাত উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। ২০১৮ সালের একই সময়ে যেখানে তরুণ হামলাকারীর হার ছিল মাত্র ৮ শতাংশ, ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২২ শতাংশে।
বাবার সামনেই বিষাক্ত ক্র্যাটম বড়ি খেয়ে ছটফট করছিল ২ বছরের শিশু, ৯১১-এ কল না করায় গ্রেপ্তার বাবা ও এক নারী
একই নির্যাতনের গল্পে ডজন ডজন অ্যাসাইলাম আবেদন, ভারতীয় বংশোদ্ভূত আইনজীবীকে ৪.৭ লাখ ডলার জরিমানা