সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
বিশ্ব

কলকাতা থেকে ২২ হাজার রুপিতে এমবিবিএস সনদ, দেশে ভুয়া চিকিৎসকের ভয়াবহ চিত্র

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ ১:৫
কলকাতা থেকে ২২ হাজার রুপিতে এমবিবিএস সনদ
কলকাতা থেকে ২২ হাজার রুপিতে এমবিবিএস সনদ

বাংলাদেশে শিক্ষাগত যোগ্যতা ছাড়াই জাল সনদ নিয়ে এমবিবিএস চিকিৎসক পরিচয়ে রোগী দেখানোর একটি চক্রের চিত্র উঠে এসেছে যমুনা টিভির অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, অনুমোদনহীন বা অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠানের সনদ ব্যবহার করে অনেকে চিকিৎসক পরিচয়ে কাজ করছেন। এমনকি বিএমডিসির ভুয়া রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করেও রোগীদের বিশ্বাস অর্জনের চেষ্টা করা হচ্ছে।

 

যমুনা টিভির অনুসন্ধানে দেখানো হয়েছে, ভুয়া এমবিবিএস সনদ সংগ্রহের প্রক্রিয়াটি কতটা সহজ হতে পারে। অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে এক সাংবাদিক ছদ্মবেশে কলকাতার একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে ২২ হাজার ভারতীয় রুপির বিনিময়ে একটি এমবিবিএস সনদ সংগ্রহ করা হয় বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

 

প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুধু সনদ সংগ্রহই নয়, ভুয়া চিকিৎসকের পরিচয়কে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে বিভিন্ন কৌশল ব্যবহার করা হচ্ছে। কেউ অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করছেন, আবার কেউ এমন প্রতিষ্ঠানের পরিচয় দিচ্ছেন যার বাস্তবে অস্তিত্বই নেই। রোগীদের কাছে নিজেদের চিকিৎসক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে বিভিন্ন কাগজপত্র ও পরিচয়ও দেখানো হচ্ছে।

 

অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, দেশে প্রায় ১০ হাজার ভুয়া চিকিৎসক থাকতে পারেন। তবে এই সংখ্যাটি যমুনা টিভির প্রতিবেদনে উত্থাপিত একটি অনুমান বা দাবি হিসেবে এসেছে। এর স্বাধীন সরকারি যাচাই বা নির্ভরযোগ্য পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ্যে পাওয়া না গেলে সংখ্যাটিকে নিশ্চিত পরিসংখ্যান হিসেবে বিবেচনা করা যায় না।

 

সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয়, এসব ব্যক্তির কেউ কেউ সরাসরি রোগীদের চিকিৎসা দিচ্ছেন বলে প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। চিকিৎসা বিষয়ে প্রয়োজনীয় শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ না থাকা কোনো ব্যক্তি চিকিৎসকের পরিচয়ে রোগী দেখালে ভুল রোগ নির্ণয়, ভুল ওষুধ দেওয়া কিংবা চিকিৎসা জটিলতার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। এতে সাধারণ রোগীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়তে পারেন।

 

বাংলাদেশে বৈধভাবে চিকিৎসা পেশা পরিচালনার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল বা বিএমডিসির নিবন্ধন গুরুত্বপূর্ণ। কোনো ব্যক্তি চিকিৎসক হিসেবে দাবি করলে তার শিক্ষাগত যোগ্যতার পাশাপাশি বিএমডিসির নিবন্ধন যাচাই করা যায়। তবে অনুসন্ধানে ভুয়া বিএমডিসি রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহারের অভিযোগও সামনে এসেছে।

 

স্বাস্থ্যসেবা বিশেষজ্ঞদের জন্য এই ধরনের প্রতারণা শুধু আর্থিক প্রতারণার বিষয় নয়, জনস্বাস্থ্যের জন্যও বড় ঝুঁকি। একজন রোগী চিকিৎসকের যোগ্যতা যাচাই না করে চিকিৎসা নিলে তার স্বাস্থ্যের ওপর সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষ করে জটিল রোগের ক্ষেত্রে অযোগ্য ব্যক্তির পরামর্শে চিকিৎসা নেওয়া পরিস্থিতিকে আরও গুরুতর করে তুলতে পারে।

 

যমুনা টিভির অনুসন্ধানে উঠে আসা এই চিত্রের পর ভুয়া চিকিৎসক শনাক্তকরণ, সনদের সত্যতা যাচাই এবং বিএমডিসি নিবন্ধন ব্যবস্থার কার্যকর তদারকির বিষয়টি নতুন করে সামনে এসেছে। তবে প্রতিবেদনে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কোনো নির্দিষ্ট আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত সরকারি তথ্য পাওয়া যায়নি।


সূত্র: যমুনা টিভি


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

বিশ্ব

View more
ফিলিস্তিনপন্থী আন্দোলন থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা জানিয়েছেন পারিশাদ কাভিয়ানি। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা
ইরানি নারীদের স্বাধীনতার দাবিতে সমর্থন না পেয়ে ফিলিস্তিনপন্থী আন্দোলন ছাড়লেন কানাডীয় নারী

ইরানের নারীদের স্বাধীনতা ও মানবাধিকারের প্রশ্নে ফিলিস্তিনপন্থী আন্দোলনের একাংশের নীরবতার সমালোচনা করে আন্দোলন থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা জানিয়েছেন ইরানি বংশোদ্ভূত কানাডীয় নারী পারিশাদ কাভিয়ানি। তাঁর অভিযোগ, ফিলিস্তিনিদের অধিকার নিয়ে সোচ্চার থাকা আন্দোলনের কিছু সমর্থক ইরানি নারীদের স্বাধীনতার দাবিতে একইভাবে সরব নন। এমনকি কেউ কেউ ইরানের ক্ষমতাসীন শাসনব্যবস্থার পক্ষেও অবস্থান নিচ্ছেন। ফক্স নিউজ ডিজিটালকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, দুই বছরের বেশি সময় ধরে যে আন্দোলনের সঙ্গে ছিলেন, সেখানে মানবাধিকারের চেয়ে রাজনৈতিক আদর্শকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে তাঁর মনে হয়েছে।   ইরানে জন্ম নেওয়া কাভিয়ানি ১৪ বছর বয়সে পরিবারের সঙ্গে কানাডায় চলে যান। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানে বেড়ে ওঠার অভিজ্ঞতা ফিলিস্তিন-ইসরায়েল ইস্যু এবং মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতি সম্পর্কে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি গঠনে প্রভাব ফেলেছে। তিনি জানান, একসময় ফিলিস্তিনিদের অধিকারের দাবিতে আয়োজিত মিছিল ও কর্মসূচিতে নিয়মিত অংশ নিতেন। কিন্তু গত কয়েক মাসে সাবেক আন্দোলনসঙ্গীদের কাছ থেকে সমকামীবিদ্বেষ, বর্ণবাদ ও নারীবিদ্বেষী আচরণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। এসব অভিজ্ঞতাও আন্দোলন থেকে দূরে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্তে ভূমিকা রেখেছে বলে জানান কাভিয়ানি।   কাভিয়ানির মতে, ফিলিস্তিনিদের অধিকার নিয়ে সোচ্চার ব্যক্তিদের ইরানি নারীদের পোশাকের স্বাধীনতা ও ব্যক্তিগত অধিকার নিয়েও কথা বলা উচিত। তাঁর অভিযোগ, ইরানের নারীরা নিজেদের পছন্দমতো পোশাক পরার স্বাধীনতা চাইলে আন্দোলনের অনেক সমর্থক নীরব থাকেন। কেউ কেউ আবার ইরানের ক্ষমতাসীন কর্তৃপক্ষের প্রতি সমর্থন জানান। তিনি বলেন, মানবাধিকারের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোনো দেশের বা গোষ্ঠীর জন্য আলাদা মানদণ্ড থাকা উচিত নয়।   ইরানে শৈশবের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে কাভিয়ানি বলেন, সেখানে রাষ্ট্রীয় প্রচারমাধ্যম ও কর্তৃপক্ষের বক্তব্যে ফিলিস্তিনিদের দুর্দশা এবং তাদের সহায়তার প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি নিয়মিত তুলে ধরা হতো। কিন্তু দেশের ভেতরে দারিদ্র্য, বিশুদ্ধ পানির সংকট এবং প্রত্যন্ত গ্রামের মানুষের চিকিৎসাসেবা পাওয়ার অসুবিধার মতো সমস্যাগুলোও তিনি দেখেছেন। তাঁর প্রশ্ন, দেশের নাগরিকদের মৌলিক চাহিদা পূরণ না করে বিদেশে সহায়তা পাঠানোর বিষয়টিকে কেন অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। তবে এসব বক্তব্য তাঁর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও রাজনৈতিক মূল্যায়ন।   ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের হামলাকে আন্দোলন থেকে সরে আসার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বাঁক হিসেবে উল্লেখ করেন কাভিয়ানি। তাঁর বক্তব্য, ওই হামলার পর কিছু আন্দোলনসমর্থকের প্রতিক্রিয়া তাঁকে হতাশ করে। তিনি মনে করেন, কারও জাতীয়তা বা রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে তাকে হত্যা, নির্যাতন কিংবা জিম্মি করে রাখার বিষয়টি সমর্থনযোগ্য হতে পারে না। বেসামরিক মানুষের ওপর হামলা এবং তাদের জিম্মি করার বিরোধিতা করা উচিত, যে পক্ষই তা করুক না কেন। এ অবস্থানের কারণে আন্দোলনের কিছু মানুষের সঙ্গে তাঁর মতবিরোধ তৈরি হয় বলে জানান তিনি।   কাভিয়ানি আরও বলেন, ফিলিস্তিনপন্থী আন্দোলনের কিছু সমর্থকের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) পক্ষে যায় এমন প্রচার ও বক্তব্য দেখে তিনি আরও অস্বস্তি বোধ করেন। তাঁর অভিযোগ, মানবাধিকারের কথা বলা ব্যক্তিদের একটি অংশ নির্যাতন ও নিপীড়নের ঘটনায় বেছে বেছে প্রতিক্রিয়া দেখায়। এ কারণে আন্দোলনটির সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততা আর ধরে রাখতে চাননি তিনি।   ফক্স নিউজের প্রতিবেদনে কাভিয়ানির বক্তব্য ও ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই তাঁর আন্দোলন ছাড়ার কারণ তুলে ধরা হয়েছে। তবে ফিলিস্তিনপন্থী আন্দোলন একটি বিস্তৃত ও বৈচিত্র্যময় রাজনৈতিক-সামাজিক পরিসর। কাভিয়ানির অভিযোগ আন্দোলনের সব সমর্থক বা সংগঠনের অবস্থানকে প্রতিনিধিত্ব করে না। ফিলিস্তিনিদের অধিকার, ইসরায়েলি বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপত্তা এবং ইরানের নারীদের স্বাধীনতার প্রশ্নগুলো পৃথক হলেও মানবাধিকারের বৃহত্তর আলোচনায় এগুলো পরস্পরবিরোধী নয়।   সূত্র: ফক্স নিউজ ডিজিটাল

প্রকাশ: নভেম্বর ১, ২০২৬ ০:১২
ইরানের দাবি, কেশম দ্বীপের আকাশে মার্কিন এমকিউএম-১৭০ ড্রোন আটক করা হয়েছে। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

কেশম দ্বীপে অক্ষত অবস্থায় মার্কিন গোয়েন্দা ড্রোন আটক করল ইরান

ইসলাম গ্রহণের আগে উইলিয়াম হেনরি কুইলিয়াম নামে পরিচিত ছিলেন আবদুল্লাহ কুইলিয়াম। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

ইংল্যান্ডে লিভারপুল মসজিদ প্রতিষ্ঠা ও ৬০০ ব্রিটিশকে ইসলামে দীক্ষিত করেন আইনজীবী উইলিয়াম হেনরি

চীনের সবচেয়ে ধনী নারী ঝৌ ছুনফেই, তাঁর সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১৮ দশমিক ৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

কারখানার শ্রমিক থেকে প্রযুক্তি সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা, চীনের শীর্ষ ধনী নারী ঝৌ কুনফেই

যুক্তরাজ্যে সরকারি ভাতা জালিয়াতির দায়ে ৪০ মাসের কারাদণ্ড পাওয়া আতিখুর রহমান। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা
নারী সেজে মাতৃত্বকালীন ভাতাসহ সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আতিকুরের কারাদণ্ড

অন্যের পরিচয় ব্যবহার করে যুক্তরাজ্যের সরকারি বিভিন্ন ভাতা ও আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি থেকে ১ লাখ ৭২ হাজার পাউন্ডের বেশি অর্থ আত্মসাতের দায়ে ৩৪ বছর বয়সী আতিখুর রহমানকে ৪০ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পরিবারের সদস্য ও বন্ধুদের পরিচয় ব্যবহার করে তিনি ২৬ জনের নামে ৪০টির বেশি ভুয়া আবেদন করেছিলেন। এসব আবেদনের মধ্যে ছিল মাতৃত্বকালীন ভাতা, ইউনিভার্সাল ক্রেডিট, কর-সহায়তা এবং শিশু ভাতা। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) কেন্টের ক্যান্টারবেরি ক্রাউন কোর্টে তাঁর সাজা ঘোষণা করা হয়।   যুক্তরাজ্যের ডেলিভারি চালক আতিখুর রহমানের বাড়ি কেন্টের মারগেট এলাকায়। দেশটির কর্ম ও পেনশনবিষয়ক বিভাগ (ডিডব্লিউপি) জানিয়েছে, ২০১৫ সালের জুলাই থেকে ২০২১ সালের মে পর্যন্ত ছয় বছর ধরে তিনি বিভিন্ন ব্যক্তির পরিচয় ব্যবহার করে জালিয়াতি চালান। এ জন্য ভুয়া কোম্পানি, চাকরির তথ্য এবং কাল্পনিক সন্তানের বিবরণও ব্যবহার করেন। এসব তথ্যের ভিত্তিতে সরকারি সহায়তার জন্য একের পর এক আবেদন জমা দেন তিনি। তদন্তে তাঁর বিরুদ্ধে পাঁচটি প্রতারণার অভিযোগ আনা হয়, যেগুলোতে তিনি দোষ স্বীকার করেন।   এ ছাড়া করোনাভাইরাস মহামারির সময় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে সহায়তার জন্য চালু করা ‘ইট আউট টু হেল্প আউট’ কর্মসূচির অর্থ হাতিয়ে নেওয়ারও চেষ্টা করেন আতিখুর। এ কর্মসূচির আওতায় ২০টি ভুয়া নিবন্ধনের মাধ্যমে ৬২ হাজার পাউন্ডের বেশি অর্থ পাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন তিনি। তবে যুক্তরাজ্যের রাজস্ব ও শুল্ক বিভাগ (এইচএমআরসি) অর্থ ছাড়ের আগেই জালিয়াতি শনাক্ত করে। ফলে সরকারি কোষাগার থেকে ওই অর্থ নেওয়া সম্ভব হয়নি। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জাল নিবন্ধনগুলো শনাক্ত করে করদাতাদের ৬০ হাজার পাউন্ডের বেশি অর্থ সুরক্ষিত রাখা হয়েছে।   ২০১৮ সালে তাঁর জালিয়াতির বিষয়টি প্রথম সামনে আসে। পরিচয় চুরি হওয়া ব্যক্তিদের একজন নিজের নামে সরকারি ভাতার আবেদন করতে গেলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সন্দেহ হয়। পরে আর্থিক লেনদেনের তথ্য বিশ্লেষণ করে তদন্তকারীরা অন্যের পরিচয়ে করা একাধিক আবেদনের সন্ধান পান। তদন্তের অংশ হিসেবে ২০২১ সালের অক্টোবরে এইচএমআরসি তাঁকে গ্রেপ্তার করে এবং তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালায়। পরবর্তী জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ভুয়া নিবন্ধন তৈরির কথা স্বীকার করেন।   ২০২৫ সালের অক্টোবরে পাঁচটি প্রতারণার অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে মামলা করা হয়। পরে আদালতে দোষ স্বীকার করলে শুক্রবার তাঁকে ৪০ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। একই সঙ্গে আট বছরের জন্য কোম্পানির পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। আদালতের এই রায়ের বিষয়ে এইচএমআরসির প্রতারণা তদন্ত বিভাগের উপপরিচালক মার্গারেট মসলি বলেন, মহামারির সময় বিপদে পড়া ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে সহায়তার জন্য কর্মসূচিটি চালু করা হয়েছিল। কিন্তু আতিখুর ব্যক্তিগত লাভের জন্য সেটি কাজে লাগানোর চেষ্টা করেন।   যুক্তরাজ্যের উদ্ভাবন, প্রতারণা ও তথ্যবিষয়ক মন্ত্রী লিলিয়ান গ্রিনউড বলেন, মানুষের আস্থার সুযোগ নিয়ে এ ধরনের প্রতারণা সরকারি সহায়তার প্রকৃত দাবিদারদের ক্ষতিগ্রস্ত করে। প্রতারণার কারণে সরকারি তহবিলের প্রতিটি পাউন্ড কমে যাওয়া মানে প্রয়োজনীয় জনসেবা ও প্রকৃত সুবিধাভোগীদের জন্য বরাদ্দ অর্থ কমে যাওয়া। এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর ব্যবস্থা অব্যাহত রাখবে বলেও জানান তিনি।   সূত্র: যুক্তরাজ্যের কর্ম ও পেনশনবিষয়ক বিভাগ (ডিডব্লিউপি), রাজস্ব ও শুল্ক বিভাগ (এইচএমআরসি) এবং বার্মিংহাম লাইভ।

প্রকাশ: অক্টোবর ৩১, ২০২৬ ২২:২৩
মেক্সিকোর হিদালগো অঙ্গরাজ্যের স্কুলে ডে অব দ্য ডেড উৎসবে পোশাকে আগুন লেগে গুরুতর দগ্ধ হয়েছে ১২ বছরের ছাত্রী জাইরা ওসোরিও। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

স্কুলের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে মোমবাতি থেকে ছাত্রীর পোশাকে আগুন, শরীরের ৪০ শতাংশ দগ্ধ

ভিলা ভি ওডিসিতে দীর্ঘদিন বসবাসের স্বপ্ন নিয়ে জাহাজে উঠেছিলেন জোয়েল গ্রেইফ। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

ফ্লোরিডার বাড়ি ছেড়ে আজীবন বিলাসবহুল জাহাজে থাকার পরিকল্পনা, এক মাসেরও কম সময়ে ভেঙে গেল স্বপ্ন

নকল মদের সঙ্গে ১৩ জনের মৃত্যুর যোগসূত্র খতিয়ে দেখতে নমুনা পরীক্ষাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

এআই প্রযুক্তির সহায়তায় তৈরি মদ পান করে ভারতে ১৩ জনের মৃত্যুর আশঙ্কা, গ্রেপ্তার ১১

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইসরায়েলের সমালোচনা ও ফিলিস্তিনের প্রতি সমর্থন জানিয়ে পোস্ট করার পর কর্মস্থলে সাময়িক বরখাস্ত হয়েছিলেন ডা. নাদিম ক্রো। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইসরায়েলের সমালোচনা করে পোস্ট, সাময়িক বরখাস্ত ব্রিটিশ চিকিৎসক

ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযান নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলায় যুক্তরাজ্যে চিকিৎসকদের কণ্ঠরোধ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ব্রিটিশ-জর্ডানীয় চিকিৎসক ডা. নাদিম ক্রো। তাঁর দাবি, ফিলিস্তিনিদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মত প্রকাশকারী চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে পেশাগত নিয়ন্ত্রক সংস্থায় অভিযোগ করা হচ্ছে। এতে চিকিৎসকদের মধ্যে স্বাধীনভাবে মত প্রকাশের ক্ষেত্রে ভীতি তৈরি হচ্ছে। বিশেষ করে যুক্তরাজ্যের জেনারেল মেডিকেল কাউন্সিলের (জিএমসি) কাছে চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাঠানোর প্রক্রিয়া নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন তিনি।   গত ২৯ অক্টোবর কুদস নিউজ নেটওয়ার্কের এক প্রতিবেদনে ক্রোর বক্তব্য তুলে ধরা হয়। তিনি অভিযোগ করেন, যুক্তরাজ্যের ক্যাম্পেইন অ্যাগেইনস্ট অ্যান্টিসেমিটিজম (সিএএ), ইউকে লইয়ার্স ফর ইসরায়েল (ইউকেএলএফআই) এবং সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল ও টেলিগ্রাফের মধ্যে একটি সমন্বিত যোগাযোগব্যবস্থা রয়েছে বলে তাঁর মনে হচ্ছে। তাঁর ভাষ্য, এর মাধ্যমে বিশেষ করে চিকিৎসক ও অন্যান্য পেশাজীবীর বিরুদ্ধে অভিযোগের নথি বা তথ্যসংকলন প্রকাশ করা হয়, যা পরবর্তী সময়ে সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছে অভিযোগ জানানোর ক্ষেত্রে ব্যবহার হতে পারে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর বক্তব্য ওই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।   ক্রোর নিজের অভিজ্ঞতাও এ বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে। ২০২৪ সালের ১৪ আগস্ট লন্ডনের রয়্যাল ফ্রি হাসপাতালে জরুরি বিভাগে দায়িত্ব পালনকালে তাঁকে কাজ থেকে সাময়িকভাবে সরিয়ে দেওয়া হয়। তাঁর ব্যক্তিগত এক্স অ্যাকাউন্টে ইসরায়েলের সমালোচনা এবং ফিলিস্তিনিদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে দেওয়া কয়েকটি পোস্টের বিষয়ে এক সহকর্মী অভিযোগ জানানোর পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এ পদক্ষেপ নেয়। ক্রোর দাবি, অভিযোগের নির্দিষ্ট বিষয়বস্তু তাঁকে প্রথমে জানানো হয়নি। পরে তাঁকে পোস্টগুলো মুছে ফেলতে বলা হয়, অন্যথায় পূর্ণাঙ্গ তদন্তের মুখোমুখি হতে হবে বলে তিনি মনে করেছিলেন।   পরবর্তী সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টগুলো মুছে ফেলার পর ১৬ আগস্ট তাঁর ওপর থেকে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয় এবং পরদিন তিনি আবার কাজ করেন। তবে নিজের সঙ্গে আচরণের বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জানানোর পরও যথাযথ জবাব পাননি বলে দাবি করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত কর্মস্থলে আস্থা হারিয়ে অসুস্থতাজনিত কারণে কাজ থেকে বিরত থাকেন এবং পরে চাকরি ছেড়ে দেন। রয়্যাল ফ্রি লন্ডন এনএইচএস ফাউন্ডেশন ট্রাস্টের বিরুদ্ধে বৈষম্য ও হয়রানির অভিযোগে ২০২৬ সালের জুনে কর্মসংস্থান ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন তিনি।   মামলায় ক্রো অভিযোগ করেছেন, তাঁর ফিলিস্তিনপন্থী ও জায়নবাদবিরোধী রাজনৈতিক বিশ্বাস এবং আরবীয় বংশপরিচয়ের কারণে বৈষম্যের শিকার হয়েছেন। তাঁর দাবি, একই ধরনের বিষয়ে অন্যদের ক্ষেত্রে ভিন্ন আচরণ করা হলেও ফিলিস্তিনের পক্ষে মত প্রকাশ করায় তাঁকে বেশি কঠোর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে। মামলায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ বৈষম্য, হয়রানি এবং চাকরি ছাড়তে বাধ্য হওয়ার অভিযোগও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে রয়্যাল ফ্রি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এসব অভিযোগের সঙ্গে একমত নয়। তাদের বক্তব্য, ক্রোর বিরুদ্ধে কোনো আনুষ্ঠানিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি; বিষয়টি অনানুষ্ঠানিকভাবে পর্যালোচনা করা হয়েছিল।   যুক্তরাজ্যের চিকিৎসা পেশায় মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং পেশাগত আচরণবিধি নিয়ে এ ঘটনা নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে। চিকিৎসকদের পেশাগত আচরণ ও রোগীদের নিরাপত্তা তদারকির দায়িত্বে থাকা জেনারেল মেডিকেল কাউন্সিলের কাছে অভিযোগ জমা পড়লে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হতে পারে। তবে কোনো অভিযোগ জমা পড়া মানেই সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক পেশাগত অসদাচরণ করেছেন, এমন নয়। অভিযোগের সত্যতা ও প্রমাণের ভিত্তিতেই নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে সিদ্ধান্ত নিতে হয়।   ক্রোর বক্তব্য, গাজায় মানবিক বিপর্যয় নিয়ে চিকিৎসকদের কথা বলার অধিকার থাকা উচিত। তাঁর মতে, রাজনৈতিক মতামত ও পেশাগত দায়িত্বের মধ্যে পার্থক্য বজায় রেখেই চিকিৎসকদের স্বাধীনভাবে মানবিক বিষয়ে অবস্থান জানানোর সুযোগ দিতে হবে। অন্যদিকে, রয়্যাল ফ্রি কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, কর্মীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত বক্তব্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মূল্যবোধ ও পেশাগত আচরণবিধির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া প্রয়োজন। ক্রোর দায়ের করা মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তির তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।   সংবাদসূত্র: কুদস নিউজ নেটওয়ার্ক, দ্য ন্যাশনাল ও লেই ডে।

প্রকাশ: অক্টোবর ৩০, ২০২৬ ২১:৫১
কানাডার ওন্টারিওতে আপত্তিকর পোশাক পরে বিতর্কে জড়ানো স্কুল বাসচালক। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

কানাডায় স্কুল বাসে আপত্তিকর পোশাক পরায় ট্রান্সজেন্ডার চালক বরখাস্ত

উটাহে প্রাচীন ডাইনোসরের জীবাশ্ম খনন

১৪ কোটি বছর আগের জীবাশ্মের সন্ধান, উটাহে নতুন ডাইনোসর প্রজাতি আবিষ্কারের সম্ভাবনা

৩৮ জনকে হত্যার অভিযোগে মোজেস মুজুরিজিকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছেন উগান্ডার সেনাপ্রধান। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

উগান্ডায় ৩৮ জনকে হত্যা ও খেয়ে ফেলার অভিযোগে কথিত সিরিয়াল কিলার গ্রেপ্তার

0 Comments