সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

প্রিয় পোষা কুকুরের দাহের ছাই ছড়াতে এসে একাধিক গুলিতে প্রাণ গেল দুই শৈশববন্ধুর

ফ্লোরিডা প্রতিনিধি প্রকাশ: জুলাই ৩১, ২০২৬ ১২:৩
ফ্লোরিডার ডিল্যান্ড শহরে পোষা কুকুরের ছাই ছড়াতে এসে গুলিতে নিহত দুই শৈশববন্ধু। ছবি: সংগৃহীত
ফ্লোরিডার ডিল্যান্ড শহরে পোষা কুকুরের ছাই ছড়াতে এসে গুলিতে নিহত দুই শৈশববন্ধু। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের ডিল্যান্ড শহরে পরিবারের প্রিয় পোষা কুকুরের দাহের ছাই ছড়িয়ে দিতে এসে গুলিতে নিহত হয়েছেন দুই শৈশববন্ধু। নিহতরা হলেন ১৯ বছর বয়সী ডাস্টিন রোজ ও ১৮ বছর বয়সী স্যামসন ক্যাম্পবেল।

 

ডিল্যান্ড পুলিশ জানিয়েছে, বুধবার রাতে শহরের ওয়েস্ট নিউ ইয়র্ক অ্যাভিনিউয়ের একটি খালি জায়গা থেকে তাদের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়। কয়েক ঘণ্টা ধরে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে স্বজনরা খোঁজ শুরু করলে মরদেহ দুটি দেখতে পান।

 

পুলিশপ্রধান জেসন আমবার্গার জানান, তদন্তে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে দুই তরুণকেই একাধিকবার গুলি করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ এখনো স্পষ্ট নয় এবং এ ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

 

নিহত স্যামসন ক্যাম্পবেলের খালা ক্যারেন চোবিন জানান, পরিবারের আট বছর বয়সী প্রিয় পোষা কুকুর হিনাতা সম্প্রতি মারা যায়। কুকুরটির দাহের ছাই ছড়িয়ে দিতে ডিল্যান্ডে এসেছিলেন ক্যাম্পবেল। তার শৈশবের বন্ধু ডাস্টিন রোজ দক্ষিণ ক্যারোলাইনা থেকে বিশেষভাবে সেখানে আসেন বন্ধুর পাশে দাঁড়াতে এবং এ কাজে সহায়তা করতে।

 

চোবিন বলেন, কুকুরটির মৃত্যু পরিবারকে গভীরভাবে শোকাহত করেছিল। সেই শোকের মধ্যেই দুই তরুণের এমন মর্মান্তিক মৃত্যু তাদের পরিবারের জন্য আরও বড় ট্র্যাজেডি হয়ে দাঁড়িয়েছে। তার ভাষায়, তারা দুজনই অত্যন্ত ভদ্র, সহানুভূতিশীল এবং উজ্জ্বল ভবিষ্যতের অধিকারী ছিলেন।

 

ডাস্টিন রোজ দক্ষিণ ক্যারোলাইনার সামরিক কলেজ দ্য সিটাডেল-এর শিক্ষার্থী ছিলেন। পাশাপাশি তিনি সাউথ ক্যারোলাইনা আর্মি ন্যাশনাল গার্ডের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তার মৃত্যুতে ন্যাশনাল গার্ড গভীর শোক প্রকাশ করে পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে।

 

অন্যদিকে, স্যামসন ক্যাম্পবেল গত ডিসেম্বর থেকে শিকাগো এলাকায় তার খালার সঙ্গে বসবাস করছিলেন। তিনি বাবার সঙ্গে দেখা করতে এবং পরিবারের প্রিয় কুকুরটির স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ডিল্যান্ডে এসেছিলেন।

 

পুলিশ জানিয়েছে, দুই তরুণকে সর্বশেষ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জীবিত দেখা গিয়েছিল। ওই সময়ের নজরদারি ক্যামেরার ফুটেজসহ বিভিন্ন আলামত বিশ্লেষণ করে হত্যাকারীদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে। ঘটনার বিষয়ে কোনো তথ্য থাকলে পুলিশকে জানাতে সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
যুক্তরাষ্ট্রে প্রথমবারের মতো চিকিৎসকদের নজিরবিহীন ধর্মঘট
যুক্তরাষ্ট্রে প্রথমবারের মতো চিকিৎসকদের নজিরবিহীন ধর্মঘট, রোগীসেবায় প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ

যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের টুইন সিটিজ এলাকায় অলিনা হেলথের দুটি হাসপাতালে প্রায় ১৫০ জন ইউনিয়নভুক্ত চিকিৎসক সোমবার চার দিনের ধর্মঘট শুরু করেছেন। কুন র‍্যাপিডসের মার্সি হাসপাতাল এবং ফ্রিডলির ইউনিটি ক্যাম্পাসে কর্মরত এসব চিকিৎসকের এই কর্মবিরতিকে যুক্তরাষ্ট্রের বেসরকারি খাতের হাসপাতাল চিকিৎসকদের প্রথম ধর্মঘট হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। চিকিৎসকদের ইউনিয়ন ডক্টরস কাউন্সিল-এসইআইইউ বলছে, দীর্ঘদিনের চুক্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর কর্মপরিবেশ, রোগীসেবায় চিকিৎসকদের ভূমিকা এবং কর্মীদের অধিকার নিয়ে এই ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   চিকিৎসকদের অভিযোগ, দীর্ঘ সময় ধরে অতিরিক্ত কাজের চাপ এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও ছুটির সুযোগের অভাব চিকিৎসকদের বার্নআউট বাড়াচ্ছে। তাদের দাবি, চিকিৎসকদের কাজের পরিবেশ সরাসরি রোগীসেবার মানের সঙ্গে যুক্ত। এ কারণে তারা শুধু বেতন ও বেনিফিট নয়, রোগীর চিকিৎসা সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে চিকিৎসকদের আরও বেশি মতামতের সুযোগ, পেইড সিক ডে এবং ছুটির মতো বিষয়েও চুক্তিতে সুরক্ষা চান।   মার্সি হাসপাতালের কুন র‍্যাপিডস ও ফ্রিডলির ইউনিটি ক্যাম্পাসের চিকিৎসকদের প্রতিনিধিত্ব করছে ডক্টরস কাউন্সিল-এসইআইইউ। ইউনিয়নটি ২০২৪ সালের শুরুতে স্বীকৃতি পেলেও চিকিৎসকদের প্রথম চুক্তি নিয়ে অলিনা হেলথের সঙ্গে প্রায় তিন বছর ধরে আলোচনা চলছে। জুনে ইউনিয়নের সদস্যদের ৯১ শতাংশ ধর্মঘটের পক্ষে ভোট দেন। এরপর ৪ সেপ্টেম্বর ইউনিয়ন কর্তৃপক্ষ ১০ দিনের নোটিশ দিয়ে জানায়, ১৪ থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কর্মবিরতি হবে।   এই ইউনিটে হাসপাতালিস্ট, অবসটেট্রিকস ও গাইনোকলজি বিশেষজ্ঞ, সাইকিয়াট্রিস্ট এবং ক্রিটিক্যাল কেয়ার চিকিৎসক রয়েছেন। চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, হাসপাতালের ব্যবস্থাপনায় রোগীসেবার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় চিকিৎসকদের মতামত যথেষ্ট গুরুত্ব পাচ্ছে না। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারের ক্ষেত্রেও চিকিৎসকদের আরও বেশি সম্পৃক্ততা প্রয়োজন বলে তারা মনে করেন।   অলিনা হেলথ অবশ্য চিকিৎসকদের অভিযোগের সঙ্গে একমত নয়। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, ইউনিয়নটি দুই হাসপাতালের চিকিৎসকদের মধ্যে প্রায় ১০ শতাংশের প্রতিনিধিত্ব করে এবং তাদের সবাই ধর্মঘটে অংশ নিচ্ছেন না। ধর্মঘটের সময় রোগীসেবা চালু রাখতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের প্রস্তুতি রয়েছে বলেও জানানো হয়েছে। অলিনার ভাষ্য অনুযায়ী, কুন র‍্যাপিডসের মার্সি হাসপাতাল ও ফ্রিডলির ইউনিটি ক্যাম্পাস স্বাভাবিক কার্যক্রম চালিয়ে যাবে এবং রোগীদের সেবায় কোনো বিঘ্ন ঘটার কথা নয়।   অলিনা হেলথ আরও বলেছে, চিকিৎসকদের সঙ্গে ন্যায্য চুক্তিতে পৌঁছাতে তারা আলোচনা চালিয়ে যেতে চায়। তবে বেতন ও বেনিফিট নির্ধারণের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যসেবা খাতের বাড়তে থাকা ব্যয়, ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির ক্লেইম প্রত্যাখ্যানের চাপ এবং স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার সামগ্রিক আর্থিক পরিস্থিতিও বিবেচনায় নিতে হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির মতে, নতুন চুক্তির প্রভাব রোগীসেবার খরচ ও ভবিষ্যতে সেবার প্রাপ্যতার ওপরও পড়তে পারে।   ধর্মঘটটি এমন সময়ে শুরু হয়েছে, যখন অলিনা হেলথের প্রায় ৬০ জন হসপিস নার্সও আলাদা শ্রম বিরোধে কর্মসূচিতে রয়েছেন। তবে চিকিৎসকদের ধর্মঘট হাসপাতালের নার্সদের ওই কর্মসূচি থেকে আলাদা। চিকিৎসকদের চার দিনের কর্মবিরতি শেষ হওয়ার কথা ১৭ সেপ্টেম্বর। এদিকে অলিনা হেলথ ও ক্যালিফোর্নিয়াভিত্তিক সাটার হেলথের মধ্যে সম্ভাব্য অধিগ্রহণ চুক্তির বিষয়টিও প্রতিষ্ঠানটির সামগ্রিক ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনায় রয়েছে।   মিনেসোটার এই ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্যসেবা খাতে চিকিৎসকদের ইউনিয়নভিত্তিক শ্রম অধিকার ও কর্মপরিবেশ নিয়ে চলমান বিতর্ককে নতুন করে সামনে এনেছে। একদিকে চিকিৎসকেরা বলছেন, পর্যাপ্ত ছুটি, কাজের পরিবেশ এবং রোগীসেবার সিদ্ধান্তে চিকিৎসকদের ভূমিকা নিশ্চিত করা জরুরি। অন্যদিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, স্বাস্থ্যসেবা খাতের বাড়তি ব্যয় ও আর্থিক চাপের মধ্যেই দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির বিষয়ে সমঝোতায় পৌঁছাতে হবে। ধর্মঘট চলাকালে রোগীসেবায় বাস্তবে কী ধরনের প্রভাব পড়ে, সেটিও এখন দুই পক্ষের দাবির গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষায় পরিণত হয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬ ১:৩৯
ডে-কেয়ারে ১০ মিলিয়ন ডলারের বিশাল জালিয়াতি!

ডে-কেয়ারে ১০ মিলিয়ন ডলারের বিশাল জালিয়াতি! গ্রেপ্তার ১২ অভিবাসী

বাস দুর্ঘটনার নিউজ করতে গিয়ে এনবিসি সংবাদমাধ্যমের  হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত

বাস দুর্ঘটনার নিউজ করতে গিয়ে এনবিসি সংবাদমাধ্যমের হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত ৩

ইরান যুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ব্যয় ও ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৩৮ বিলিয়ন ডলার, বাড়ছে মূল্যস্ফীতির চাপ

এনার্জি অ্যাফোর্ডেবিলিটি প্রোগ্রামের আওতায় আয়ভেদে ইউটিলিটি বিলে ছাড় দেওয়া হয়। ছবি: সংগৃহীত
নিউইয়র্কে ২৫ লাখ পরিবারের জন্য ইউটিলিটি বিলে ৫০০ ডলার পর্যন্ত সহায়তার সুযোগ

নিউইয়র্কে ইউটিলিটি বিলের খরচ কমাতে নতুন করে প্রায় ২৫ লাখ পরিবারের জন্য ৫০০ ডলার পর্যন্ত সহায়তার ঘোষণা এসেছে। স্টেটের সম্প্রসারিত এনার্জি অ্যাফোর্ডেবিলিটি প্রোগ্রামের আওতায় যোগ্য পরিবারগুলো মাসিক ইউটিলিটি বিলের ওপর ছাড় পেতে পারে। আয় ও পরিবারের পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে বছরে সর্বোচ্চ ৫০০ ডলার পর্যন্ত সাশ্রয় হতে পারে।    মঙ্গলবার ১৫ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের গভর্নর ক্যাথি হোকুল এই কর্মসূচিতে আরও বেশি পরিবারকে যুক্ত করতে রাজ্যব্যাপী নতুন এনরোলমেন্ট উদ্যোগের ঘোষণা দেন। স্টেটের হিসাবে, প্রায় ১০ লাখ পরিবার ইতোমধ্যে এনার্জি অ্যাফোর্ডেবিলিটি প্রোগ্রামের সুবিধা পাচ্ছে। নতুন করে আরও প্রায় ২৫ লাখ পরিবার এই মাসিক ইউটিলিটি বিল ছাড়ের জন্য যোগ্য হতে পারে।    তবে এই সুবিধাকে সবার জন্য নিশ্চিত ৫০০ ডলারের নগদ সহায়তা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এটি মূলত ইউটিলিটি বিলের ওপর মাসিক ছাড়। পরিবারের আয় অনুযায়ী ছাড়ের পরিমাণ নির্ধারিত হবে এবং কর্মসূচির লক্ষ্য হলো যোগ্য পরিবারের বার্ষিক আয়ের তুলনায় সাধারণ ইউটিলিটি খরচ ৬ শতাংশের মধ্যে রাখা।    ২০২৬ সালে কর্মসূচিটির যোগ্যতার পরিধি বাড়ানো হয়েছে। নতুন নিয়মে স্টেট বা সংশ্লিষ্ট এলাকার মধ্যম আয়ের নিচে থাকা আরও অনেক পরিবার এই সুবিধার আওতায় আসতে পারে। ফলে আগে যোগ্য না থাকা কিছু পরিবারও এখন ইউটিলিটি বিলের ছাড়ের জন্য আবেদন করতে পারবে।    স্টেটের তথ্য অনুযায়ী, কিছু পরিবার অন্য সরকারি সহায়তা কর্মসূচিতে থাকার কারণে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এনার্জি অ্যাফোর্ডেবিটি প্রোগ্রামে অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। এর মধ্যে হোম এনার্জি অ্যাসিস্ট্যান্স প্রোগ্রাম বা হিপ, মেডিকেইড, সাপ্লিমেন্টাল নিউট্রিশন অ্যাসিস্ট্যান্স প্রোগ্রাম বা স্ন্যাপ, সাপ্লিমেন্টাল সিকিউরিটি ইনকাম বা এসএসআই, ফেডারেল পাবলিক হাউজিং অ্যাসিস্ট্যান্স এবং ভেটেরান্সের নির্দিষ্ট সুবিধার মতো কর্মসূচি রয়েছে। তবে কোন কর্মসূচির সুবিধাভোগী স্বয়ংক্রিয়ভাবে যুক্ত হবেন আর কাদের নিজে অ্যাপ্লিকেশন করতে হবে, তা প্রোগ্রাম ও ইউটিলিটি কোম্পানির নিয়মের ওপর নির্ভর করে।    যারা ইতোমধ্যে হিপের সুবিধা পান, তারা নিজেদের ইউটিলিটি কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ করে এনার্জি অ্যাফোর্ডেবিটি প্রোগ্রামে অ্যাকাউন্টটি অন্তর্ভুক্ত হয়েছে কি না তা যাচাই করতে পারেন। অন্যদিকে আয়ভিত্তিক যোগ্য গ্রাহকরা সরাসরি তাদের ইউটিলিটি কোম্পানির মাধ্যমে আবেদন করতে পারেন।    আবেদনের ক্ষেত্রে পরিবারের আয় ও যোগ্যতার প্রমাণসহ প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে হতে পারে। নির্দিষ্ট কাগজপত্র ইউটিলিটি কোম্পানি ও আবেদনকারীর যোগ্যতার ধরন অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে। তাই আবেদন করার আগে নিজের ইউটিলিটি কোম্পানির কাছ থেকে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া গুরুত্বপূর্ণ।   নিউইয়র্ক স্টেটের হিসাবে, নতুন ও পুরোনো সুবিধাভোগী মিলিয়ে রাজ্যের প্রায় অর্ধেক পরিবার এই কর্মসূচির আওতায় মাসিক ইউটিলিটি বিল ছাড় পাওয়ার যোগ্য হতে পারে। যোগ্য পরিবারগুলো এখনই তাদের যোগ্যতা যাচাই করে আবেদন করতে পারে।

নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ ২২:৪৬
থিও সাবোর মৃত্যুর ঘটনায় তাঁর বাবা-মা মিহাইল ও আনকা সাবো গ্রেপ্তার হয়েছেন। ছবি: সংগৃহীত

৫ বছরের সন্তানকে গাড়িতে রেখেই পার্টিতে বাবা-মা, অতিরিক্ত গরমে শিশুর মৃত্যু

ইলিনয়ের মনমাউথে স্মিথফিল্ড ফুডসের মাংস প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা। ছবি: সংগৃহীত

সহকর্মীর মৃত্যুর পরও কাজ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ, ক্ষোভে কারখানা ছাড়লেন শতাধিক শ্রমিক

পাখির ডাক নকল করে পরিচিতি পাওয়া ১২ বছরের স্যামুয়েল হেন্ডারসন। ছবি: সংগৃহীত

১০০টির বেশি পাখির ডাক নকল করতে পারে ১২ বছরের স্যামুয়েল, তাঁর প্রতিভায় মুগ্ধ নেট দুনিয়া

নিউইয়র্কের স্প্রিং স্ট্রিট পাতালরেল স্টেশনে ট্রেনের ধাক্কায় নিহত মালাইকা চিত্রে ও নাভাম কাউল। ছবি: সংগৃহীত
নিউইয়র্কে বন্ধুকে সাহায্য করতে গিয়ে ট্রেনের ধাক্কায় ভারতীয় বংশোদ্ভূত তরুণীসহ দুজনের মৃত্যু

নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে পাতালরেলের লাইনে উঠে পড়ার পর চলন্ত ট্রেনের ধাক্কায় ভারতীয় বংশোদ্ভূত এক তরুণী ও তাঁর বন্ধুর মৃত্যু হয়েছে। কীভাবে তাঁরা রেললাইনে চলে গেলেন, তা নিয়ে তদন্ত চলছে। প্রাথমিকভাবে একজনকে সাহায্য করতে অন্যজন লাইনে নেমেছিলেন বলে ধারণা করা হলেও পুরো ঘটনার কারণ এখনো নিশ্চিত নয়।   নিহত দুজন হলেন ২৪ বছর বয়সী মালাইকা চিত্রে ও তাঁর বন্ধু নাভাম কাউল। মালাইকা যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির ডেটনের বাসিন্দা এবং ভারতীয় বংশোদ্ভূত। নাভাম নিউ জার্সির সায়রভিলের বাসিন্দা এবং নেপালি বংশোদ্ভূত আমেরিকান। দুজনই রাটগার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী ছিলেন।   ঘটনাটি ঘটে রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ভোরে নিউইয়র্কের লোয়ার ম্যানহাটনের স্প্রিং স্ট্রিট পাতালরেল স্টেশনে। স্থানীয় সময় আনুমানিক রাত ৩টা ১৪ মিনিটে দক্ষিণমুখী ৪ নম্বর ট্রেনটি স্টেশনে প্রবেশের সময় মালাইকা ও নাভাম রেললাইনের ওপর ছিলেন। ট্রেনের চালক তাঁদের দেখতে পেয়ে জরুরি ব্রেক প্রয়োগ করেন। তবে খুব অল্প সময়ের মধ্যে ট্রেনটি তাঁদের কাছে পৌঁছে যাওয়ায় সংঘর্ষ এড়ানো সম্ভব হয়নি। ঘটনাস্থলেই দুজনের মৃত্যু হয়।   নিউইয়র্ক ডেইলি নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুর্ঘটনার সময় ট্রেনটিতে প্রায় ১০০ যাত্রী ছিলেন। সংঘর্ষের পর তাঁদের নিরাপদে ট্রেন থেকে নামিয়ে স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে নিয়ে যাওয়া হয়। ট্রেনটি থামার সময় এর ১০টি বগির মধ্যে চারটি স্টেশনের ভেতরে ঢুকে গিয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।   কীভাবে দুজন রেললাইনে গেলেন, সেটিই এখন তদন্তের প্রধান বিষয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সূত্রের বরাত দিয়ে নিউইয়র্ক পোস্ট জানিয়েছে, নাভাম প্রথমে লাইনে পড়ে যেতে পারেন বা নিজে নিচে নেমে থাকতে পারেন। এরপর তাঁকে সাহায্য করতে মালাইকা লাইনে নেমেছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।   ঘটনার আগের মুহূর্তের একটি ভিডিওও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দুজনকে রেললাইনের ওপর বসে থাকতে দেখা যায়। তবে ভিডিওটি কীভাবে তাঁরা সেখানে পৌঁছেছিলেন বা তার আগের ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য দেয় না। ফলে ভিডিওর ভিত্তিতে দুর্ঘটনার পুরো কারণ নির্ধারণ করা সম্ভব নয়।   গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, তদন্তকারীরা তাঁরা ওই সময় মদ্যপ ছিলেন কি না, সেটিও খতিয়ে দেখছেন। তবে এখন পর্যন্ত সরকারি কোনো প্রতিবেদনে মদ বা মাদক গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়নি। আত্মহত্যার সম্ভাবনাও তদন্তকারীরা পুরোপুরি বাদ দেননি, কিন্তু এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হয়নি। ঘটনাস্থলে কোনো আত্মহত্যার নোট পাওয়া যায়নি বলে নিউইয়র্ক পোস্টের সূত্রগুলো জানিয়েছে।   মালাইকা ও নাভাম দুজনেরই রাটগার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল। মালাইকা ২০২৪ সালের মে মাসে রাটগার্স-নিউ ব্রান্সউইকের স্কুল অব আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সেস থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে তিনি নিউ জার্সির একটি ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান একাডিয়া ফার্মাসিউটিক্যালসে মান নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনাসংক্রান্ত কাজে যোগ দেন। চলতি বছরের আগস্টে তিনি টেম্পল ইউনিভার্সিটির স্কুল অব ফার্মেসিতে ফার্মেসি বিষয়ে উচ্চতর পড়াশোনা শুরু করেছিলেন।   নাভাম রাটগার্স বিজনেস স্কুলে পড়াশোনা করেন এবং ২০২৪ সালে অর্থ বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে তিনি নিউইয়র্কভিত্তিক আর্থিক তথ্য ও সংবাদ প্রতিষ্ঠান ব্লুমবার্গে আর্থিক তথ্য বিশ্লেষক হিসেবে কাজ করছিলেন।   দুজনের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর তাঁদের সাবেক বিশ্ববিদ্যালয়েও শোকের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। রাটগার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের সংবাদ ও গণমাধ্যমবিষয়ক সহকারী ভাইস প্রেসিডেন্ট ডোরি ডেভলিন বলেন, দুই সাবেক শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যুর খবর জেনে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ গভীরভাবে শোকাহত।   নাভামের পরিবার নেপাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে বসতি গড়েছিল বলে বিভিন্ন মার্কিন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়জীবন থেকেই মালাইকা ও নাভাম ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন এবং তাঁদের পরিচিত মহলে তাঁরা সুপরিচিত ছিলেন। তাঁদের আকস্মিক মৃত্যু নিউ জার্সির পরিবার, বন্ধু ও সাবেক সহপাঠীদের মধ্যে শোক তৈরি করেছে।   নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগ ঘটনার তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। রেললাইনে দুজন কীভাবে পৌঁছেছিলেন এবং দুর্ঘটনার ঠিক আগে কী ঘটেছিল, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়নি।   সূত্র: নিউইয়র্ক ডেইলি নিউজ, নিউইয়র্ক পোস্ট, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ ২০:৪৩
ফিলাডেলফিয়ায় রহস্যময় বাড়িতে নিখোঁজ ৫ নারী, তদন্তে একের পর এক ভ য়ংকর তথ্য

ফিলাডেলফিয়ায় রহস্যময় বাড়িতে নিখোঁজ ৫ নারী, তদন্তে একের পর এক ভ য়ংকর তথ্য

যুক্তরাষ্ট্রে স্টুডেন্ট লোনে ২৯ সেপ্টেম্বর ডেডলাইন, সেভ প্ল্যান ছাড়লেন ১৫ লাখ, অপেক্ষায় ৬০ লাখ

যুক্তরাষ্ট্রে স্টুডেন্ট লোনে ২৯ সেপ্টেম্বর ডেডলাইন, সেভ প্ল্যান ছাড়লেন ১৫ লাখ, অপেক্ষায় ৬০ লাখ

লস অ্যাঞ্জেলেসে ১ বিলিয়ন ডলারের গৃহহীন তহবিল কেলেঙ্কারি, কংগ্রেসের তোপের মুখে মেয়র

লস অ্যাঞ্জেলেসে ১ বিলিয়ন ডলারের গৃহহীন তহবিল কেলেঙ্কারি, কংগ্রেসের তোপের মুখে মেয়র

0 Comments