যুক্তরাষ্ট্রে সাধারণ বাড়ি কিনতে এখনও দরকার ৬ ডিজিটের আয়
যুক্তরাষ্ট্রে নিজের একটি বাড়ির মালিক হওয়ার স্বপ্ন এখনো সাধারণ পরিবারের জন্য কঠিনই রয়ে গেছে। নতুন এক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দেশের মাঝারি দামের একটি বাড়ি কিনে মর্টগেজের খরচ আয়সীমার মধ্যে রাখতে হলে একটি পরিবারের বছরে অন্তত ১ লাখ ৯ হাজার ৭৯৬ ডলার আয় প্রয়োজন। অথচ যুক্তরাষ্ট্রে সাধারণ পরিবারের আনুমানিক মধ্যম বার্ষিক আয় ৮৭ হাজার ৫৯৯ ডলার। অর্থাৎ বাড়ি কেনার জন্য প্রয়োজনীয় আয়ের তুলনায় গড়ে প্রায় ২২ হাজার ২০০ ডলার পিছিয়ে রয়েছে একটি সাধারণ পরিবার।
রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠান রেডফিনের জুন ২০২৬-এর তথ্যভিত্তিক বিশ্লেষণে এই চিত্র উঠে এসেছে। প্রতিষ্ঠানটি এমন বাড়িকে ক্রেতার জন্য সামর্থ্যের মধ্যে বলে বিবেচনা করে, যেখানে মর্টগেজসহ মাসিক হাউজিং পেমেন্ট পরিবারের মোট আয়ের ৩০ শতাংশের বেশি নয়। এই হিসাবে প্রয়োজনীয় বার্ষিক আয় গত বছরের রেকর্ড ১ লাখ ১০ হাজার ৩৮২ ডলার থেকে মাত্র দশমিক ৫ শতাংশ কমেছে।
কাগজে-কলমে সামান্য উন্নতি হলেও গড় আমেরিকানের জন্য বাস্তবতা এখনো কঠিন। মধ্যম আয়ের একটি পরিবারকে বর্তমানে মাঝারি দামের একটি বাড়ি কিনতে হলে তার আয়ের প্রায় ৩৮ শতাংশ হাউজিং খরচে ব্যয় করতে হবে। অর্থাৎ প্রচলিত ৩০ শতাংশের সামর্থ্যসীমার তুলনায় ব্যয়ের চাপ এখনো অনেক বেশি।
তবে হাউজিং মার্কেটে কিছুটা স্বস্তির লক্ষণও দেখা যাচ্ছে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে বিক্রির জন্য থাকা বাড়িগুলোর প্রায় ৩৪ দশমিক ২ শতাংশ মধ্যম আয়ের পরিবারের সামর্থ্যের মধ্যে রয়েছে। এক বছর আগে এই হার ছিল ৩০ দশমিক ৫ শতাংশ। আয় বৃদ্ধি এবং কিছু এলাকায় বাড়ির দাম কমে আসায় পরিস্থিতি ধীরে ধীরে উন্নত হচ্ছে।
প্রথমবার বাড়ি কিনতে চাওয়া ক্রেতাদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলকভাবে ভালো। একটি সাধারণ স্টার্টার হোম কিনতে বর্তমানে বছরে প্রায় ৭০ হাজার ৬৯৩ ডলার আয় প্রয়োজন। সামগ্রিক হাউজিং মার্কেটের তুলনায় এ ধরনের কমদামি বাড়ির সামর্থ্য পরিস্থিতি কিছুটা দ্রুত উন্নত হচ্ছে।
তবে শহরভেদে ব্যবধান ব্যাপক। দেশের বড় মেট্রো এলাকাগুলোর মধ্যে সাধারণ পরিবারের আয় দিয়ে মাঝারি দামের বাড়ি কেনা সহজ এমন শহরের সংখ্যা খুবই সীমিত। নিউইয়র্ক, ক্যালিফোর্নিয়াসহ উচ্চমূল্যের অনেক এলাকায় সাধারণ আয়ের মানুষের জন্য বাড়ির মালিক হওয়া এখনো নাগালের বাইরে। অন্যদিকে সেন্ট লুইস, ইন্ডিয়ানাপোলিস ও পিটসবার্গের মতো কয়েকটি শহরে তুলনামূলকভাবে পরিস্থিতি ভালো।
বাড়ির দাম বেশি থাকার পাশাপাশি মর্টগেজ রেটও ক্রেতাদের ওপর চাপ তৈরি করছে। জুনে ৩০ বছরের ফিক্সড মর্টগেজের গড় হার ছিল প্রায় ৬ দশমিক ৪৯ শতাংশ। উচ্চ বাড়ির দাম ও মর্টগেজ রেট একসঙ্গে মাসিক পেমেন্টকে উচ্চ পর্যায়ে ধরে রেখেছে।
রেডফিনের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, কয়েক বছর ধরে দ্রুত অবনতির পর যুক্তরাষ্ট্রের হাউজিং অ্যাফোর্ডেবিলিটি এখন ধীরে ধীরে স্থিতিশীল হওয়ার লক্ষণ দেখাচ্ছে। কিন্তু বছরে প্রায় ছয় অঙ্কের আয় ছাড়া দেশের মাঝারি দামের একটি বাড়ি স্বচ্ছন্দে কেনা এখনো কঠিন। ফলে বিশেষ করে প্রথমবার বাড়ি কিনতে চাওয়া এবং মধ্যম আয়ের পরিবারগুলোর জন্য আমেরিকান হোমওনারশিপের স্বপ্ন এখনো বড় আর্থিক চ্যালেঞ্জ হয়ে আছে।
© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।
বিষয়
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে। ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে। অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে। আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন। ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে | এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
আমেরিকা
View moreযুক্তরাষ্ট্র, ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের মধ্যে নতুন একটি নিরাপত্তা চুক্তি হয়েছে, যার লক্ষ্য গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি আরও জোরদার করা এবং চীন ও রাশিয়ার মতো ন্যাটোর বাইরের দেশগুলোর সামরিক ঘাঁটি বা সংবেদনশীল বিনিয়োগ ঠেকানো। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ১৮ সেপ্টেম্বর চুক্তিটিকে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে তুলে ধরেছেন। চুক্তির আওতায় গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কার্যক্রম ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য দীর্ঘমেয়াদি প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলো যেন দ্বীপটিতে সামরিক ঘাঁটি স্থাপন বা এমন বিনিয়োগ করতে না পারে, যা যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটোর নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে, সেটিও চুক্তির অন্যতম লক্ষ্য। তবে চুক্তির সুনির্দিষ্ট সব শর্ত এখনো প্রকাশ করা হয়নি। গ্রিনল্যান্ড ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর্কটিক অঞ্চলে অবস্থিত দ্বীপটি উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপের মধ্যবর্তী কৌশলগত এলাকায় রয়েছে। সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের পিটুফিক স্পেস বেস রয়েছে, যা ক্ষেপণাস্ত্র সতর্কতা, মহাকাশ পর্যবেক্ষণ এবং স্যাটেলাইট ট্র্যাকিংয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজে ব্যবহৃত হয়। মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের বাজেট নথিতেও পিটুফিককে যুক্তরাষ্ট্রের প্রাথমিক ক্ষেপণাস্ত্র সতর্কতা ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থাপনা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের দৃষ্টিতে গ্রিনল্যান্ডের গুরুত্ব শুধু সামরিক অবস্থানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। আর্কটিকে বরফ গলার সঙ্গে নতুন নৌপথ, প্রাকৃতিক সম্পদ ও গুরুত্বপূর্ণ খনিজ নিয়ে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা বাড়ছে। চীন ও রাশিয়াও এই অঞ্চলে নিজেদের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত প্রভাব বাড়ানোর চেষ্টা করছে। ফলে ওয়াশিংটন গ্রিনল্যান্ডে প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তির দীর্ঘমেয়াদি উপস্থিতি সীমিত রাখতে চাইছে। তবে চুক্তিটিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক ভিন্নভাবে উপস্থাপন করছে। ট্রাম্প বলেছেন, চুক্তির মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র স্থায়ী নিয়ন্ত্রণ পাবে। অন্যদিকে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড জানিয়েছে, তাদের সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ন থাকবে। ডেনিশ কর্মকর্তারা এটিকে আর্কটিক অঞ্চলের নিরাপত্তা জোরদারের একটি ব্যবস্থা হিসেবে দেখছেন এবং ন্যাটোরও এতে ভূমিকা থাকবে বলে জানিয়েছেন। ডেনমার্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লার্স লেকে রাসমুসেন বলেছেন, আর্কটিকের নিরাপত্তা শুধু যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্কের দায়িত্ব নয়, ন্যাটোরও এতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন চুক্তিটি বিদ্যমান ১৯৫১ সালের মার্কিন ডেনমার্ক প্রতিরক্ষা চুক্তির ওপর কতটা প্রভাব ফেলবে, তা এখনো পুরোপুরি পরিষ্কার নয়। গ্রিনল্যান্ড দীর্ঘদিন ধরে ডেনমার্কের স্বশাসিত অঞ্চল হিসেবে রয়েছে এবং সেখানকার রাজনৈতিক নেতৃত্ব ভবিষ্যতে স্বাধীনতার বিষয়েও কথা বলে আসছে। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন নিরাপত্তা ব্যবস্থার পাশাপাশি গ্রিনল্যান্ডের নিজস্ব রাজনৈতিক অবস্থান ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নটিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বর্তমান চুক্তি অবশ্য গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের অংশ করে দিচ্ছে না; বরং মূল বিষয় হচ্ছে নিরাপত্তা, সামরিক উপস্থিতি ও কৌশলগত সহযোগিতা। চুক্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সময় নিউইয়র্কে স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা রয়েছে। ফলে গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের দীর্ঘদিনের চাপ ও বিতর্কের পর নতুন এই নিরাপত্তা কাঠামো বাস্তবে কীভাবে কার্যকর হয়, সেটিই এখন নজরে থাকবে।
হোয়াইট হাউসে প্রবেশ নিষেধ, ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা করছে সিএনএন সহ দুই সংবাদমাধ্যম
অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের চেষ্টা করা অভিবাসীদের ক্যালিফোর্নিয়ার বন্দরে নামিয়ে পালিয়ে গেল নৌকা
নিউইয়র্ক পাতালরেলে পুলিশের ৭৭ মিলিয়ন ডলারের তহবিল শেষ, বাড়তি খরচ দিচ্ছে মামদানি প্রশাসন
যুক্তরাজ্যের বিমানবন্দরগুলোতে সাম্প্রতিক এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল সমস্যার কারণে আবারও ফ্লাইট দেরি ও বাতিলের ঘটনা ঘটছে। এমন পরিস্থিতিতে যাত্রীদের অনেকেই জানেন না, কখন এয়ারলাইনকে খাবার, হোটেল বা বিকল্প ফ্লাইট দিতে হবে এবং কখন টিকিটের টাকা ফেরত পাওয়ার অধিকার তৈরি হয়। যুক্তরাজ্য ও ইউরোপের নির্দিষ্ট রুটে যাত্রীদের জন্য এসব অধিকার আইনেই নির্ধারিত রয়েছে। যুক্তরাজ্য বা ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিমানবন্দর থেকে যাত্রা করা অনেক ফ্লাইট এবং নির্দিষ্ট ব্রিটিশ বা ইউরোপীয় এয়ারলাইনের ফ্লাইট এসব যাত্রী অধিকার আইনের আওতায় পড়ে। ফ্লাইট বাতিল হলে যাত্রী সাধারণত পুরো টাকা ফেরত নেওয়া অথবা বিকল্প ফ্লাইটে গন্তব্যে যাওয়ার সুযোগ পাবেন। বাতিলের পর বিকল্প ফ্লাইটের জন্য অপেক্ষা করতে হলে খাবার ও প্রয়োজনীয় সহায়তাও এয়ারলাইনকে দিতে হতে পারে। যুক্তরাজ্য সরকারের বর্তমান নির্দেশনা অনুযায়ী, রিফান্ড সাধারণত সাত দিনের মধ্যে দেওয়ার কথা। ফ্লাইট পাঁচ ঘণ্টা বা তার বেশি দেরি হলে যাত্রী আর ভ্রমণ না করার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন এবং অব্যবহৃত যাত্রার টিকিটের টাকা ফেরত চাইতে পারেন। এ ক্ষেত্রে শুধু ভাউচার দেওয়ার পরিবর্তে টাকা ফেরত পাওয়ার অধিকার থাকে, যদি না যাত্রী নিজে ভাউচার গ্রহণে সম্মত হন। তবে যাত্রী যদি পাঁচ ঘণ্টার বেশি দেরির পরও ফ্লাইটে ভ্রমণ করেন, পরিস্থিতি অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সুযোগ থাকতে পারে। দীর্ঘ সময় ফ্লাইট আটকে থাকলে এয়ারলাইনের দায়িত্ব শুধু টিকিটের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। নির্দিষ্ট সময়ের বেশি দেরি হলে যাত্রীকে খাবার ও পানীয় দিতে হয়। দেরির কারণে রাত কাটানোর প্রয়োজন হলে হোটেল এবং বিমানবন্দর থেকে হোটেলে যাতায়াতের ব্যবস্থাও করতে হতে পারে। সাধারণত ১ হাজার ৫০০ কিলোমিটারের কম দূরত্বের ফ্লাইটে দুই ঘণ্টা, ১ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার ৫০০ কিলোমিটারের ফ্লাইটে তিন ঘণ্টা এবং এর বেশি দূরত্বের ফ্লাইটে চার ঘণ্টা দেরির পর এই সহায়তার অধিকার কার্যকর হয়। ফ্লাইটের দেরি যদি যাত্রীর চূড়ান্ত গন্তব্যে পৌঁছাতে তিন ঘণ্টার বেশি সময় বাড়িয়ে দেয়, তাহলে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে আর্থিক ক্ষতিপূরণও পাওয়া যেতে পারে। যুক্তরাজ্যের বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, ১ হাজার ৫০০ কিলোমিটারের কম দূরত্বের ফ্লাইটে ক্ষতিপূরণ ২২০ পাউন্ড, ১ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার ৫০০ কিলোমিটারের ফ্লাইটে ৩৫০ পাউন্ড এবং ৩ হাজার ৫০০ কিলোমিটারের বেশি দূরত্বের ফ্লাইটে ৫২০ পাউন্ড পর্যন্ত হতে পারে। দীর্ঘ দূরত্বের ফ্লাইটে গন্তব্যে পৌঁছানোর দেরি তিন থেকে চার ঘণ্টার মধ্যে হলে ক্ষতিপূরণের পরিমাণ ২৬০ পাউন্ড হতে পারে। তবে ফ্লাইট দেরি বা বাতিল হলেই ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত নয়। এয়ারলাইনের নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকা কিছু ঘটনাকে আইনে ‘এক্সট্রাঅর্ডিনারি সারকামস্ট্যান্সেস’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এর মধ্যে নিরাপদে ফ্লাইট পরিচালনার অনুপযোগী আবহাওয়া, বিমানবন্দর বা এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল কর্মীদের ধর্মঘট, নিরাপত্তা ঝুঁকি, রাজনৈতিক বা বেসামরিক অস্থিরতা এবং কিছু ধরনের এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল সিদ্ধান্ত থাকতে পারে। এসব কারণে সরাসরি দেরি বা বাতিল হলে নির্দিষ্ট আর্থিক ক্ষতিপূরণ নাও পাওয়া যেতে পারে। তবে এমন পরিস্থিতিতেও বিকল্প ফ্লাইট, খাবার, হোটেলসহ যাত্রীর অন্যান্য অধিকার সাধারণত বহাল থাকে। সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে এই বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ৮ সেপ্টেম্বর যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল এয়ার ট্রাফিক সার্ভিসেস বা ন্যাটসের একটি সিস্টেম সমস্যার কারণে ব্যাপক ফ্লাইট বিঘ্নিত হওয়ার পর দেশটির সিভিল এভিয়েশন অথরিটি জানিয়েছিল, ওই ঘটনার কারণে সৃষ্ট দেরি ও বাতিলকে ‘এক্সট্রাঅর্ডিনারি সারকামস্ট্যান্সেস’ হিসেবে বিবেচনা করা হতে পারে। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত যাত্রীরা নির্দিষ্ট আর্থিক ক্ষতিপূরণ নাও পেতে পারেন। তবে তাদের খাবার, থাকার ব্যবস্থা ও বিকল্প যাত্রার মতো অন্যান্য অধিকার আলাদা বিষয়। ফ্লাইট বাতিল হলে যাত্রীকে নিজের খরচে খাবার বা হোটেলের ব্যবস্থা করতে হলে সব রসিদ সংরক্ষণ করা গুরুত্বপূর্ণ। এয়ারলাইন প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে ব্যর্থ হলে যুক্তিসংগত খরচ পরে ফেরত দেওয়ার সুযোগ থাকতে পারে। তবে বিলাসবহুল হোটেল, অতিরিক্ত ব্যয়বহুল খাবার বা অ্যালকোহলের মতো খরচ সাধারণত ফেরতযোগ্য নয়। ফ্লাইট দেরি বা বাতিলের পর ক্ষতিপূরণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যাংক অ্যাকাউন্টে চলে আসে না। যাত্রীকে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনের কাছে দাবি করতে হয়। এয়ারলাইন দাবি প্রত্যাখ্যান করলে কেন প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে তা জানানোর কথা। যাত্রী সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট না হলে নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি ব্যবস্থার মাধ্যমে অভিযোগ করতে পারেন। তাই ফ্লাইটের সময়সূচি, বাতিলের নোটিশ, বোর্ডিং তথ্য, অতিরিক্ত খরচের রসিদ এবং এয়ারলাইনের সঙ্গে যোগাযোগের রেকর্ড সংরক্ষণ করা যাত্রীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
চুয়েট থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয় একাডেমিক বিষয়ক সহযোগী উপাচার্য ড. নিয়াজ
সোশ্যাল সিকিউরিটিতে এ সপ্তাহে সর্বোচ্চ ৫,১৮১ ডলার, কারা পাচ্ছেন! জেনে নিন
বন্দুক নিয়ে ‘খেলতে গিয়ে’ দুর্ঘটনাবশত প্রেমিকাকে গুলি করে হত্যা, এরপর নিজেই আত্মহত্যা করলেন যুবক
যুক্তরাষ্ট্রে এফ-১ ভিসায় পড়াশোনা করা আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের কারিকুলার প্র্যাকটিক্যাল ট্রেনিং বা সিপিটি ব্যবহারের নিয়ম আরও কঠোরভাবে প্রয়োগ শুরু হয়েছে। মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ এবং এর অধীন স্টুডেন্ট অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ ভিজিটর প্রোগ্রাম গত আগস্টে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের জন্য নতুন নির্দেশনা জারি করে। এরপর একাধিক মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয় তাদের সিপিটি অনুমোদনের প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন এনেছে। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, কোনো ইন্টার্নশিপ, প্র্যাকটিকাম বা ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ শুধু ঐচ্ছিক হলে সেটি সিপিটির জন্য যোগ্য নাও হতে পারে। সংশ্লিষ্ট প্রশিক্ষণকে শিক্ষার্থীর ডিগ্রি কারিকুলামের অবিচ্ছেদ্য অংশ হতে হবে এবং নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে একই ডিগ্রি প্রোগ্রামের সব শিক্ষার্থীর জন্য তা বাধ্যতামূলক হতে হবে। সিপিটি হলো এফ-১ শিক্ষার্থীদের জন্য অনুমোদিত একটি ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের পড়াশোনার সঙ্গে সম্পর্কিত ইন্টার্নশিপ, কো-অপারেটিভ এডুকেশন, প্র্যাকটিকাম বা অন্যান্য বাস্তব কাজের অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারেন। নতুন নির্দেশনার পর বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এখন আগের তুলনায় আরও সতর্কতার সঙ্গে সিপিটির আবেদন যাচাই করছে। ইউনিভার্সিটি অব কানেকটিকাটের আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ও স্কলার সার্ভিসেস জানিয়েছে, নতুন নির্দেশনার ভিত্তিতে এমন সিপিটি অনুমোদন করা যাবে না, যা ডিগ্রি প্রোগ্রামের সব শিক্ষার্থীর জন্য স্নাতক বা ডিগ্রি সম্পন্ন করার বাধ্যতামূলক শর্ত নয়। একই ধরনের পরিবর্তন অন্যান্য মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী দপ্তরেও দেখা যাচ্ছে। নতুন নিয়মের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব পড়তে পারে ঐচ্ছিক ইন্টার্নশিপের ক্ষেত্রে। আগে কোনো একাডেমিক প্রোগ্রামের সঙ্গে ইন্টার্নশিপ বা ব্যবহারিক অভিজ্ঞতা যুক্ত থাকলেও সেটি সব শিক্ষার্থীর জন্য বাধ্যতামূলক না হলে কিছু ক্ষেত্রে সিপিটি অনুমোদনের সুযোগ ছিল। এখন নতুন নির্দেশনার পর ডিগ্রি সম্পন্ন করার জন্য ব্যবহারিক প্রশিক্ষণটি যদি বাধ্যতামূলক না হয়, তাহলে সেটিকে সিপিটির জন্য যোগ্য হিসেবে বিবেচনা না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ইউনিভার্সিটি অব ওয়াশিংটন জানিয়েছে, সেপ্টেম্বর থেকে তাদের বিভিন্ন ক্যাম্পাসে এমন নতুন সিপিটি আবেদন অনুমোদন করা হবে না, যা ডিগ্রি প্রোগ্রামের সব শিক্ষার্থীর জন্য বাধ্যতামূলক নয়। ভ্যান্ডারবিল্ট ইউনিভার্সিটিও জানিয়েছে, ঐচ্ছিক ইন্টার্নশিপ এবং ডিগ্রি সম্পন্নের জন্য বাধ্যতামূলক নয়—এমন ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ সিপিটির আওতায় পড়বে না। তবে এর অর্থ এই নয় যে সব ধরনের সিপিটি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। যেসব ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠিত কারিকুলামের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং ডিগ্রি প্রোগ্রামের শিক্ষার্থীদের জন্য বাধ্যতামূলক, সেগুলো এখনও সিপিটির আওতায় থাকতে পারে। কিছু বিশ্ববিদ্যালয় থিসিস বা গবেষণামূলক কাজের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত বিশেষ ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে সিপিটি বিবেচনা করছে। ইউনিভার্সিটি অব ওরেগনের আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী দপ্তর জানিয়েছে, বাধ্যতামূলক ডিগ্রি শর্তের পাশাপাশি এমন কিছু ইন্টার্নশিপ, প্র্যাকটিকাম বা ফিল্ডওয়ার্ক সিপিটির জন্য বিবেচিত হতে পারে, যা প্রয়োজনীয় মাস্টার্স থিসিস বা ডক্টরাল গবেষণাপত্র সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় এবং যার যথাযথ একাডেমিক ভিত্তি রয়েছে। ফলে সিপিটির যোগ্যতা নির্ধারণে এখন প্রতিটি শিক্ষার্থীর ডিগ্রি প্রোগ্রাম, কারিকুলাম এবং একাডেমিক শর্ত আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। নতুন নির্দেশনার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, বিষয়টি শুধু শিক্ষার্থীর আবেদন অনুমোদনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ওপরও নিয়ম মেনে চলার দায়িত্ব বাড়ছে। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, ভুলভাবে সিপিটি অনুমোদন করলে শিক্ষার্থী, বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য অভিবাসন আইন মেনে চলার ক্ষেত্রে ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। এ কারণে অনেক বিশ্ববিদ্যালয় তাদের পুরোনো সিপিটি নীতি পুনর্বিবেচনা করছে এবং চলমান আবেদনগুলোও নতুন নিয়ম অনুযায়ী যাচাই করছে। জর্জটাউন ইউনিভার্সিটিও জানিয়েছে, নতুন নির্দেশনার পর তাদের কাছে থাকা চলমান সিপিটি আবেদনগুলো নতুনভাবে পর্যালোচনা করা হয়েছে। বাংলাদেশি ও দক্ষিণ এশীয় এফ-১ শিক্ষার্থীদের জন্য এই পরিবর্তন বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনার পাশাপাশি ইন্টার্নশিপ বা ব্যবহারিক কাজের অভিজ্ঞতা অনেক শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ চাকরি, পেশাগত যোগাযোগ এবং ক্যারিয়ার পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। নতুন সিপিটি নির্দেশনার কারণে ঐচ্ছিক ইন্টার্নশিপের ওপর নির্ভরশীল শিক্ষার্থীদের তাই আগেভাগেই নিজেদের বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী দপ্তর এবং একাডেমিক বিভাগের সঙ্গে সিপিটির যোগ্যতা যাচাই করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে সিপিটি ও অপ্টি এক বিষয় নয়। সিপিটি মূলত পড়াশোনার সময়কার কারিকুলাম-সম্পর্কিত ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ, আর অপ্টি হলো আলাদা কর্মসংস্থান অনুমোদন ব্যবস্থা। ফলে সিপিটি নিয়ে নতুন নির্দেশনাকে অপ্টি বন্ধ বা বাতিলের সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখা ঠিক হবে না। বর্তমান তথ্য অনুযায়ী, মূল পরিবর্তনটি হচ্ছে সিপিটির যোগ্যতা নির্ধারণ ও প্রয়োগের ক্ষেত্রে কঠোরতা বৃদ্ধি।
গলফ খেলায় আবারও বিতর্কে ট্রাম্প, প্রতারণা করে ট্রফি জেতার অভিযোগ
ইরানকে ট্রাম্পের কড়া হুঁশিয়ারি, পাল্টা বড় হামলার প্রস্তুতির তেহরানের