সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

স্ত্রীর প্রতিশ্রুতি রাখতে, স্ত্রীকেই হত্যার অভিযোগ ৯১ বছর বয়সী বৃদ্ধের

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ৮, ২০২৬ ৩:১৭
স্ত্রীকেই হত্যার অভিযোগ ৯১ বছর বয়সী বৃদ্ধের
স্ত্রীকেই হত্যার অভিযোগ ৯১ বছর বয়সী বৃদ্ধের

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় ৯১ বছর বয়সী এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। তদন্তকারীদের দাবি, স্ত্রীকে হত্যার পর ওই ব্যক্তি তাদের জানান, তিনি কেবল স্ত্রীর কাছে আগে দেওয়া একটি ‘প্রতিশ্রুতি’ রক্ষা করেছেন। ঘটনাটি সামনে আসার পর বৃদ্ধ বয়স, গুরুতর অসুস্থতা ও জীবনাবসানের সিদ্ধান্তকে ঘিরে আইনি ও নৈতিক প্রশ্ন নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

 

প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা খবর পেয়ে ওই দম্পতির বাড়িতে পৌঁছানোর পর বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করেন। এরপর তার স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং তদন্তের একপর্যায়ে তাকে হেফাজতে নেওয়া হয়।

 

শেরিফের দপ্তরের তদন্তকারীদের কাছে ওই ব্যক্তি দাবি করেন, স্ত্রীর সঙ্গে তার আগে একটি বোঝাপড়া হয়েছিল। স্ত্রী গুরুতর অসুস্থ হয়ে এমন অবস্থায় পৌঁছালে তাকে কষ্ট থেকে মুক্তি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি তিনি দিয়েছিলেন বলে দাবি করেন।

 

তবে কারও অনুরোধ বা পূর্বসম্মতি থাকলেও ইচ্ছাকৃতভাবে অন্য ব্যক্তির জীবন শেষ করা ফ্লোরিডার আইনে বৈধ নয়। সেই কারণে অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্য তদন্তে উঠে এলেও তা নিজে থেকে হত্যার অভিযোগ থেকে তাকে অব্যাহতি দেয় না।

 

মামলাটিতে এখন তদন্তকারীরা ঘটনার আগে দম্পতির পরিস্থিতি, স্ত্রীর শারীরিক অবস্থা এবং অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্যসহ সংশ্লিষ্ট প্রমাণ যাচাই করছেন। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি আদালতেই হবে।

 

ঘটনাটি একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসকের সহায়তায় জীবনাবসান বা ‘মেডিক্যাল এইড ইন ডাইং’ নিয়ে চলমান বিতর্ককেও সামনে এনেছে। দেশটির কিছু অঙ্গরাজ্যে কঠোর শর্তে মৃত্যুপথযাত্রী যোগ্য রোগীদের চিকিৎসকের সহায়তায় নিজের জীবনাবসানের জন্য ওষুধ গ্রহণের সুযোগ রয়েছে। তবে ফ্লোরিডায় এ ধরনের ব্যবস্থা বৈধ নয়।

 

এ ধরনের আইনি ব্যবস্থাতেও পরিবারের কোনো সদস্য নিজে রোগীর জীবন শেষ করতে পারেন না। রোগীর সক্ষমতা, চিকিৎসাগত অবস্থা, একাধিক অনুরোধ এবং চিকিৎসকের নির্ধারিত প্রক্রিয়াসহ কঠোর নিয়ম অনুসরণ করতে হয়।

 

ফ্লোরিডার এই ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তির ‘প্রতিশ্রুতি রক্ষার’ দাবি তাই মামলার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রেক্ষাপট হলেও তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের আইনি মূল্যায়ন আলাদাভাবে হবে। আদালতে দোষী প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তাকে আইনের চোখে নির্দোষ হিসেবেই বিবেচনা করা হবে।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

প্রাণীর সঙ্গে যৌন কর্মকাণ্ডের অভিযোগে গ্রেপ্তার বুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী ও সাউথ ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে প্রাণীর সঙ্গে যৌন কর্মকাণ্ডের ছবি বা ভিডিও ধারণ, বিতরণ ও সংরক্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রায়ান আবদুল বাতেন। তিনি বাংলাদেশের বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী এবং যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার সহকারী অধ্যাপক।   হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের কার্যালয়ের সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত গ্রেপ্তারসংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, গত ২৮ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রকাশিত রেকর্ডে তাঁর বিরুদ্ধে ‘Film, Distribute, or Possess Image or Video of Sexual Activity with an Animal’ শীর্ষক অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থাৎ, প্রাণীর সঙ্গে যৌন কর্মকাণ্ডের ছবি বা ভিডিও ধারণ, বিতরণ কিংবা নিজের কাছে রাখার অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।   গ্রেপ্তারসংক্রান্ত সরকারি রেকর্ড প্রকাশের পর বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে বুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী এবং যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে তাঁর পরিচয়ের কারণে ঘটনাটি নিয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যেও আলোচনা তৈরি হয়েছে।   এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রাণীটির পরিচয় সম্পর্কে বিভিন্ন দাবি ছড়িয়ে পড়লেও হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের কার্যালয়ের প্রকাশিত গ্রেপ্তারসংক্রান্ত তথ্যে নির্দিষ্ট কোনো প্রাণীর নাম উল্লেখ করা হয়নি। ফলে ছাগলের সঙ্গে যৌন কর্মকাণ্ডের যে দাবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে করা হচ্ছে, তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।   তথ্যসূত্র: হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের কার্যালয় (Hillsborough County Sheriff’s Office), ফ্লোরিডা।

আমেরিকা

View more
মার্কিন নাগরিকত্ব পেতে এবার প্রমাণ করতে হবে সৎ নৈতিক চরিত্র ও আর্থিক দায়িত্ববোধ
মার্কিন নাগরিকত্ব পেতে এবার প্রমাণ করতে হবে সৎ নৈতিক চরিত্র ও আর্থিক দায়িত্ববোধ

গত ৪ নভেম্বর, ২০২৬ তারিখে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সেবা দপ্তর (USCIS) ন্যাচারালাইজেশন বা নাগরিকত্ব পাওয়ার যোগ্যতার ক্ষেত্রে 'গুড মোরাল ক্যারেক্টার' (সৎ নৈতিক চরিত্র) মূল্যায়নের জন্য একটি নতুন নীতিগত স্মারকলিপি বা পলিসি মেমোরেন্ডাম জারি করেছে।   নতুন এই নির্দেশনায় আবেদনকারীর সততা, আইন মেনে চলার প্রবণতা এবং গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিগত ও আর্থিক দায়িত্ব পালনের বিষয়গুলোকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ইউএসসিআইএস জানিয়েছে, এখন থেকে এই পর্যালোচনা কেবল অতীতের অপরাধমূলক রেকর্ডের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং ট্যাক্স বা কর প্রদান, আর্থিক বাধ্যবাধকতা এবং অন্যান্য আচরণগত বিষয়গুলোও নিবিড়ভাবে খতিয়ে দেখা হবে।   সাধারণত নাগরিকত্বের জন্য আবেদনের পূর্ববর্তী তিন বা পাঁচ বছরের সময়কালকে আবেদনকারীর 'সৎ নৈতিক চরিত্র' প্রমাণের মাপকাঠি হিসেবে ধরা হয়। তবে নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, আবেদনকারীর বর্তমান নৈতিক চরিত্র নির্ধারণের ক্ষেত্রে ওই নির্ধারিত সময়ের আগের কোনো অসদাচরণও আমলে নেওয়া হতে পারে।   বিশেষ করে, অতীতে কর ফাঁকি দেওয়া বা সরকারি সুবিধা নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রতারণার ইতিহাস থাকলে এবং পরবর্তীতে আবেদনকারীর আচরণের কোনো ইতিবাচক পরিবর্তন না দেখা গেলে তা নাগরিকত্ব পাওয়ার ক্ষেত্রে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। তাই নির্দিষ্ট তিন বা পাঁচ বছর পার হয়ে গেছে ভেবে অতীতের কোনো বড় ভুল বা অসদাচরণ আর প্রাসঙ্গিক নয়—এমনটা ভেবে নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।   নতুন নির্দেশনায় নির্ভরশীলদের আর্থিক সহায়তার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে। ইউএসসিআইএস এখন থেকে খতিয়ে দেখবে যে, আবেদনকারী তার সন্তান বা অন্যান্য নির্ভরশীলদের প্রতি আর্থিক দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেছেন কি না। পর্যাপ্ত আর্থিক সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও ইচ্ছাকৃতভাবে সন্তানের ভরণপোষণ দিতে অস্বীকৃতি জানানো বা নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে কম অর্থ প্রদান করা হলে তা নাগরিকত্ব আবেদনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এমনকি আদালতের কোনো নির্দেশ না থাকলেও, একজন পিতা বা মাতা তার অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের যুক্তিসঙ্গত আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন কি না, তা যাচাই করা হতে পারে।   তবে কেউ যদি ইচ্ছাকৃতভাবে সহায়তা দেওয়া থেকে বিরত থাকেন আর কেউ যদি সত্যিই আর্থিকভাবে অক্ষম হন—এই দুইয়ের মধ্যে স্পষ্টভাবে পার্থক্য করবে ইউএসসিআইএস। আর্থিক সংকটের কোনো যৌক্তিক কারণ বা বিশেষ পরিস্থিতি থাকলে তা অবশ্যই সদয়ভাবে বিবেচনা করা হবে।   যেসব আবেদনকারীর সন্তান বা নির্ভরশীলরা সরকারি সহায়তা গ্রহণ করেন বা যারা কেবল সরকারি সুবিধা পাওয়ার যোগ্য থাকার জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে কাজ করা থেকে বিরত থাকেন, তাদের বিষয়েও মেমোরেন্ডামে কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে। পর্যাপ্ত সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও ইচ্ছাকৃতভাবে সন্তানকে সহায়তা না করা, যার ফলে ওই সন্তানকে সরকারি ভাতার ওপর নির্ভর করতে হয়—এমন পরিস্থিতি ইউএসসিআইএস কঠোরভাবে মূল্যায়ন করবে। এছাড়া সরকারি সুবিধা নেওয়ার জন্য মিথ্যা আয়ের তথ্য দেওয়া, পরিবারের সদস্য সংখ্যা গোপন করা, যোগ্যতার পরিবর্তন হওয়ার পরও তা না জানানো কিংবা ভুয়া পরিচয়ে সুবিধা নেওয়ার বিষয়গুলোও গভীরভাবে যাচাই করা হবে।   তবে মনে রাখা জরুরি, কেবল দারিদ্র্য, শারীরিক অক্ষমতা বা বৈধভাবে সরকারি সুবিধা গ্রহণের কারণে কাউকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নাগরিকত্বের অযোগ্য ঘোষণা করা হবে না। এখানে মূল বিবেচ্য বিষয় হলো ইচ্ছাকৃত প্রতারণা এবং অনিচ্ছাকৃত ভুলের মধ্যকার পার্থক্য।   অনেক মার্কিন নাগরিক এবং গ্রিন কার্ডধারী তাদের পরিবারের সদস্যদের স্থায়ী বসবাসের জন্য 'অ্যাফিডেভিট অব সাপোর্ট' ফর্মে স্বাক্ষর করে স্পন্সর করে থাকেন। এটি একটি আইনগতভাবে প্রয়োগযোগ্য বাধ্যবাধকতা, যার মাধ্যমে স্পন্সর হওয়া ব্যক্তির আর্থিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।   নতুন নীতিমালার অধীনে, কোনো আবেদনকারী অতীতে কাউকে স্পন্সর করে সেই আর্থিক বাধ্যবাধকতা পূরণে ব্যর্থ হয়েছেন কি না, তা পরীক্ষা করে দেখবে ইউএসসিআইএস। উদাহরণস্বরূপ, একজন গ্রিন কার্ডধারী যদি তার স্ত্রীকে স্পন্সর করে পরবর্তীতে ওই ফর্মে উল্লেখিত শর্ত অনুযায়ী আর্থিক সহায়তা দিতে ব্যর্থ হন, তবে নাগরিকত্ব আবেদনের সময় তার নিজের যোগ্যতার ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।   আবেদনকারীদের আর্থিক দায়িত্ব, নির্ভরশীলদের সহায়তা এবং সরকারি সুবিধার ব্যবহার সম্পর্কে আরও বিশদ তথ্য সংগ্রহের জন্য ইউএসসিআইএস তাদের 'ফর্ম এন-৪০০' (Form N-400) সংশোধন করার পরিকল্পনা করছে। এর পাশাপাশি ইমিগ্রেশন অফিসারদের জন্যও বিস্তারিত নির্দেশিকা জারি করা হবে।   ফলে, মার্কিন নাগরিকত্ব পাওয়ার প্রক্রিয়াটি এখন আর কেবল নির্দিষ্ট সময়কাল যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস বা উপস্থিতির শর্ত পূরণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে না; বরং আর্থিক দায়িত্ববোধ, অভিবাসন স্পনসরশিপের শর্তপূরণ, সরকারি সুবিধার সঠিক ব্যবহার এবং ট্যাক্স পরিপালনের বিষয়গুলো প্রমাণ করাও এখন সমানভাবে জরুরি।

প্রকাশ: নভেম্বর ৭, ২০২৬ ৬:৫৬
ফ্লোরিডায় কৃষ্ণাঙ্গ পুলিশ দেখে  ৯১১-এ ফোন

ফ্লোরিডায় কৃষ্ণাঙ্গ পুলিশ দেখে ৯১১-এ ফোন, জরুরি সেবার অপব্যবহারের অভিযোগে গ্রেপ্তার মার্কিন নাগরিক

এআইয়ের দাপটে ক্ষুব্ধ ইউরোপ

এআইয়ের দাপটে ক্ষুব্ধ ইউরোপ, মাইক্রোসফটের নির্মাণস্থলে ঢুকে পড়ল শত শত বিক্ষোভকারী

নারী-শিশুসহ একই পরিবারের সাত বাংলাদেশির মৃত্যু

সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় চকরিয়ার নারী-শিশুসহ একই পরিবারের সাত বাংলাদেশির মৃত্যু

বাবার জন্য খাবার কিনতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ মনিরুল
বাবার জন্য খাবার কিনতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ মনিরুল, বিএসএফের হাতে যাওয়ার পর নিখোঁজ

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতে আহত হওয়ার পর মনিরুল ইসলাম (৩৫) নামে এক বাংলাদেশি যুবককে ধরে ভারতে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে তাঁর পরিবারের সদস্যরা চরম উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। এখনো তাঁর শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।নিখোঁজ মনিরুল ইসলাম চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার হরিহরনগর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি স্থানীয় লিয়াকত ইসলামের ছেলে।   স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সন্ধ্যায় মনিরুলসহ সাতজন সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়ার কাছাকাছি এলাকায় যান। এ সময় বিএসএফ সদস্যরা তাঁদের লক্ষ্য করে গুলি ও রাবার বুলেট ছোড়েন বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে মনিরুলের পায়ে গুলি লাগে এবং পিঠের বিভিন্ন স্থানে রাবার বুলেটের আঘাত লাগে।   গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি মাটিতে পড়ে গেলে তাঁর সঙ্গে থাকা অন্য ছয়জন পাশের খালে ঝাঁপ দিয়ে পালিয়ে যান। পরে বিএসএফ সদস্যরা আহত মনিরুলকে আটক করে ভারতের অভ্যন্তরে নিয়ে যান বলে স্থানীয়দের ভাষ্য।ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর সীমান্তবর্তী এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরিবারের সদস্যরা মনিরুলের কোনো খোঁজ না পেয়ে উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন।   মনিরুলের স্ত্রী রিমা খাতুন জানান, তাঁর স্বামী বিকেলে গ্রামের একটি খেলা দেখে বাড়িতে এসেছিলেন। পরে অসুস্থ বাবার জন্য খাবার কিনতে বটতলার বাজারে যান। এরপর আর বাড়ি ফেরেননি। রাতে লোকমুখে জানতে পারেন, তাঁর স্বামীকে গুলি করে বিএসএফ ভারতে নিয়ে গেছে। স্বামীকে জীবিত ও সুস্থ অবস্থায় ফিরে পাওয়ার আকুতি জানিয়েছেন রিমা খাতুন। পরিবারের সদস্যদের অপেক্ষা এখন একটাই—মনিরুল কোথায় আছেন এবং তিনি কেমন আছেন, সেই খবর পাওয়া।   এদিকে মহেশপুর-৫৮ বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে মেদেনীপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্তে মেইন পিলার ৬৩/১-এস-এর কাছে শূন্যরেখা থেকে প্রায় ২০০ গজ ভারতের অভ্যন্তরে কাঁটাতারের বেড়ার পাশে গুলির শব্দ শোনা যায়। বিজিবির বক্তব্য অনুযায়ী, স্থানীয়দের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যে ৩২ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের টুঙ্গী ক্যাম্পের সদস্যরা ভারতে প্রবেশ করা এক বাংলাদেশিকে লক্ষ্য করে গুলি চালান। পরে সীমান্ত ও স্থানীয় মানুষের নিরাপত্তার স্বার্থে মেদেনীপুর ক্যাম্পের বিজিবি টহল দল পাল্টা ফায়ার করে।   ঘটনার পর সীমান্তে টহল ও নজরদারি জোরদার করেছে বিজিবি। একই সঙ্গে বিএসএফের সঙ্গে কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানানো হয়েছে।অন্যদিকে ভারতের কৃষ্ণনগর এলাকার শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে মনিরুলকে নেওয়া হয়েছে বলে স্থানীয় কয়েকটি সূত্রে দাবি করা হয়েছে। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাঁর সেখানে চিকিৎসাধীন থাকার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।   সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, গুলিবিদ্ধ মনিরুল বর্তমানে কোথায় আছেন? তিনি জীবিত আছেন কি না, তাঁর চিকিৎসা চলছে কি না—এসব বিষয়ে এখনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।একটি পরিবারের কাছে প্রিয় মানুষটির নিরাপদে ফিরে আসাই এখন সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা। বিজিবি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পরিবারের প্রত্যাশা, দ্রুত মনিরুলের অবস্থান নিশ্চিত করে তাঁকে নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

প্রকাশ: নভেম্বর ৭, ২০২৬ ৫:৩৬
কভারেজ নিতে এখনই আবেদন করুন

স্বাস্থ্যবিমার নতুন সময় শুরু, ২০২৭ সালের কভারেজ নিতে এখনই আবেদন করুন

বন্যার পানিতে আটকে মা-ছেলে

বন্যার পানিতে আটকে মা-ছেলে, ফেসবুকের পোস্ট দেখে ছুটে এলেন দুই কিশোর

আগুনের গ্রাসে বাড়ি দুই মেয়েকে বাঁচাতে জানালা দিয়ে ছুড়লেন

আগুনের গ্রাসে বাড়ি, দুই মেয়েকে বাঁচাতে জানালা দিয়ে ছুড়লেন মা, ধরলেন প্রতিবেশীরা

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে সম্প্রতি বিক্রি শুরু হয়েছে ইসরাইলি প্রতিষ্ঠানের তৈরি থ্রিডি প্রিন্টেড কৃত্রিম মাংস। ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ইসরাইলি প্রতিষ্ঠানের কৃত্রিম মাংস, খেয়ে হতাশ খাদ্যবিশেষজ্ঞ, গন্ধ প্লাস্টিকের মতো!

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বিক্রি শুরু হয়েছে ইসরাইলি প্রতিষ্ঠানের তৈরি থ্রিডি প্রিন্টেড কৃত্রিম মাংস। তবে নতুন এই খাবার পরীক্ষা করে স্বাদ, গন্ধ ও গঠন নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের খাদ্যবিষয়ক সাংবাদিক এমিলি হেইল। তাঁর অভিজ্ঞতায়, রান্নার সময় কৃত্রিম মাংস থেকে প্লাস্টিকের মতো গন্ধ বের হয়েছে। খাওয়ার পরও স্বাদ ছিল অস্বাভাবিক ও অপ্রীতিকর।   শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দ্য ওয়াশিংটন পোস্টে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমিলি হেইল থ্রিডি প্রিন্টারে তৈরি দুটি মাংসের বিকল্প খাবার পরীক্ষা করার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। এর একটি গরুর মাংসের জনপ্রিয় অংশ ‘ফিলে মিনিয়ন’ এবং অন্যটি মুরগির বুকের মাংসের বিকল্প হিসেবে বাজারজাত করা হয়েছে।   ইসরাইলভিত্তিক প্রতিষ্ঠান পারফেক্টা ফুডস সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের গ্রোসারি স্টোরগুলোতে এসব পণ্য বিক্রি শুরু করেছে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, বিশেষ প্রযুক্তিতে উদ্ভিদজাত উপাদান ব্যবহার করে আসল মাংসের স্বাদ ও গঠন অনেকটাই অনুকরণ করা সম্ভব।   পারফেক্টা ফুডসের মূল প্রতিষ্ঠান স্টেকহোল্ডার জানিয়েছে, তাদের তৈরি এমএক্স২০০ প্রিন্টার উদ্ভিদভিত্তিক ও পরীক্ষাগারে উৎপাদিত উপাদান নির্দিষ্ট স্তরে সাজিয়ে মাংসের মতো গঠন তৈরি করতে পারে। এই প্রক্রিয়ায় পেস্টের মতো উপাদান যন্ত্রের মাধ্যমে সাজানো হয়, যাতে আসল মাংসের পেশি ও চর্বির বিন্যাস অনুকরণ করা যায়।   তবে পণ্যগুলোর প্যাকেটে থ্রিডি প্রিন্টিং প্রযুক্তি ব্যবহারের বিষয়টি উল্লেখ না থাকায় কিছু ক্রেতা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্যসংক্রান্ত বিধি অনুযায়ী পণ্যের উপাদান জানানো বাধ্যতামূলক হলেও উৎপাদনের প্রতিটি প্রক্রিয়া উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক নয়।   পণ্যগুলোর স্বাদ পরীক্ষা করতে মেরিল্যান্ডের প্রাকৃতিক খাদ্যপণ্যের দোকান থেকে কৃত্রিম গরু ও মুরগির মাংস সংগ্রহ করেন এমিলি হেইল। এরপর প্যাকেটের নির্দেশনা অনুযায়ী সেগুলো রান্না করেন। দুটি পণ্যই হিমায়িত অবস্থায় বিক্রি করা হয় এবং রান্নার আগে বরফ ছাড়িয়ে নিতে হয়।   দামের দিক থেকে কৃত্রিম গরুর মাংস আসল মাংসের তুলনায় সস্তা ছিল। প্রায় ৯ দশমিক ২ আউন্সের একটি প্যাকেটের দাম ছিল ১০ ডলার। একই পরিমাণ আসল গরুর মাংসের দাম প্রায় ২৪ ডলার।   অন্যদিকে একই পরিমাণ কৃত্রিম মুরগির মাংসের দাম ছিল ৯ ডলার ৫০ সেন্ট। অথচ সমপরিমাণ আসল মুরগির মাংসের দাম প্রায় ৩ ডলার ৪৫ সেন্ট। অর্থাৎ পরীক্ষিত দুটি পণ্যের মধ্যে কৃত্রিম গরুর মাংস তুলনামূলক সস্তা হলেও মুরগির বিকল্পটি ছিল বেশি দামের।   তবে রান্নার আগেই কৃত্রিম গরুর মাংসের গঠন দেখে হতাশ হন ওই সাংবাদিক। তাঁর মতে, প্যাকেটে দেখানো মাংসের টুকরার সঙ্গে বাস্তব পণ্যের তেমন মিল ছিল না। দেখতে এটি আসল স্টেকের পরিবর্তে কিমা করা মাংসের মতো মনে হয়েছে।   রান্নার সময় কৃত্রিম গরুর মাংস থেকে লালচে তরল বের হতে দেখা যায়। তবে রান্না শেষে এর গঠন আসল মাংসের মতো হয়নি। এমিলি হেইলের বর্ণনায়, মাংসের স্বাভাবিক আঁশ ও স্তরের পরিবর্তে পুরো অংশটি ছিল সমানভাবে ঘন এবং প্রক্রিয়াজাত হটডগের মতো।   স্বাদের অভিজ্ঞতা আরও হতাশাজনক ছিল বলে জানিয়েছেন তিনি। রান্নার সময় পণ্যটি থেকে প্লাস্টিকের মতো অস্বাভাবিক গন্ধ বের হচ্ছিল। খাওয়ার পর গরুর মাংসের স্বাভাবিক স্বাদের পরিবর্তে কৃত্রিম, তেতো ও টক ধরনের স্বাদ পেয়েছেন বলে উল্লেখ করেন এমিলি।   এরপর কৃত্রিম মুরগির মাংস পরীক্ষা করেন তিনি। তাঁর ধারণা ছিল, গরুর মাংসের তুলনায় মুরগির স্বাদ তুলনামূলক হালকা হওয়ায় এর বিকল্প পণ্যটি ভালো হতে পারে। কিন্তু সেটিও তাঁকে হতাশ করেছে।   প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কৃত্রিম মুরগির মাংসেও একই ধরনের স্পঞ্জের মতো গঠন পাওয়া গেছে। রান্নার সময় অস্বাভাবিক গন্ধ বের হয়েছে এবং স্বাদও প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি। যদিও রান্নার পর বাইরের অংশ কিছুটা বাদামি হয়েছিল, তবু এটি আসল মুরগির বুকের মাংসের মতো গঠন ধরে রাখতে পারেনি।   পণ্য দুটির উপাদান নিয়েও প্রতিবেদনে আলোচনা করা হয়েছে। কৃত্রিম গরুর মাংসের প্রধান দুটি উপাদান পানি ও সয়াবিনের আটা। অন্যদিকে কৃত্রিম মুরগির মাংসে রয়েছে পানি ও গমের গ্লুটেন।   দুটি পণ্যেই মিথাইলসেলুলোজ নামের একটি ঘনকারক উপাদান ব্যবহার করা হয়েছে। এই উপাদান অন্যান্য উদ্ভিদভিত্তিক মাংসের বিকল্প খাবারেও ব্যবহৃত হয়। পাশাপাশি কিছু ধরনের কোষ্ঠকাঠিন্যের ওষুধেও এর ব্যবহার রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।   তবে প্রযুক্তিটির সম্ভাবনা পুরোপুরি নাকচ করেননি এমিলি হেইল। তাঁর মতে, প্রাণিজ মাংসের বিকল্প তৈরির প্রচেষ্টা গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে বার্গার বা নাগেটসের পরিবর্তে আসল মাংসের বড় টুকরার মতো খাবার তৈরির প্রযুক্তি আকর্ষণীয়।   কিন্তু পারফেক্টা ফুডসের পরীক্ষিত দুটি পণ্য সম্পর্কে তাঁর মূল্যায়ন ইতিবাচক নয়। স্বাদ, গন্ধ ও গঠনের কারণে এগুলো আবার খাওয়ার আগ্রহ তৈরি হয়নি বলে জানিয়েছেন তিনি। এই অভিজ্ঞতা নির্দিষ্ট দুটি পণ্যের স্বাদ পরীক্ষার ভিত্তিতে দেওয়া তাঁর ব্যক্তিগত মূল্যায়ন।   সূত্র: দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট

প্রকাশ: নভেম্বর ৭, ২০২৬ ৪:২৭
অভিবাসী পরিবারকে স্বস্তি দিতে নতুন সিদ্ধান্ত হিউস্টনে

পুলিশ দেখলেই আতঙ্ক নয়, অভিবাসী পরিবারকে স্বস্তি দিতে নতুন সিদ্ধান্ত হিউস্টনে

ব্রুকলিনে গাড়ির ধাক্কায় আহত পথচারী

ব্রুকলিনে গাড়ির ধাক্কায় আহত পথচারীকে ফেলে যাওয়ার অভিযোগে সাবেক এফবিআই এজেন্ট গ্রেপ্তার

ফিলিস্তিনিদের সহায়তায় তহবিল সংগ্রহের কনসার্ট আয়োজন করতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ভেন্যুর বাধার মুখে পড়েছেন র‍্যাপার ম্যাকলেমোর। ছবি: সংগৃহীত

ফিলিস্তিনের পাশে দাঁড়ানোয় যুক্তরাষ্ট্রে কনসার্ট করতে বাধার মুখে মার্কিন র‍্যাপার

0 Comments