সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

করোনাকালীন ঋণ জালিয়াতির সন্দেহে ৮ লাখ ৭০ হাজার মানুষকে সরকারি ঋণ থেকে নিষিদ্ধ করল যুক্তরাষ্ট্র

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ ২৩:২৩
সরকারি ঋণ জালিয়াতির বিরুদ্ধে অভিযানের ঘোষণা দিচ্ছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। ছবি: সংগৃহীত
সরকারি ঋণ জালিয়াতির বিরুদ্ধে অভিযানের ঘোষণা দিচ্ছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। ছবি: সংগৃহীত

করোনাকালীন সরকারি ঋণ কর্মসূচিতে জালিয়াতির সন্দেহে প্রায় ৮ লাখ ৭০ হাজার ঋণগ্রহীতাকে ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ছোট ব্যবসা ও দুর্যোগকালীন ঋণ থেকে নিষিদ্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। সোমবার মিসৌরির কানসাস সিটিতে এ ঘোষণা দেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।

 

ভ্যান্স বলেন, করদাতাদের অর্থ নিয়ে যারা প্রতারণা করেছে, তাদের আর সরকারি অর্থায়ন পাওয়ার সুযোগ থাকা উচিত নয়। তিনি জানান, সন্দেহভাজন এসব ঋণগ্রহীতাকে ভবিষ্যতে সরকারি সহায়তা-সমর্থিত ঋণ কর্মসূচিতে আবেদন করা থেকে বিরত রাখা হবে।

 

মার্কিন ক্ষুদ্র ব্যবসা প্রশাসন বা এসবিএর প্রশাসক কেলি লফলার জানান, নতুন করে স্থগিত করা প্রায় ৮ লাখ ৭০ হাজার ঋণগ্রহীতার সঙ্গে আনুমানিক ৩৯ বিলিয়ন ডলার বা ৩ হাজার ৯০০ কোটি ডলারের সন্দেহভাজন জালিয়াতির যোগসূত্র রয়েছে। এই অর্থ ৪৫টি অঙ্গরাজ্য ও অঞ্চলের সরকারি তহবিলের সঙ্গে সম্পর্কিত। আগের পদক্ষেপগুলোসহ দেশজুড়ে প্রায় ৪৯ বিলিয়ন ডলারের সন্দেহভাজন জালিয়াতির সঙ্গে যুক্ত ঋণগ্রহীতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে এসবিএ।

 

এসবিএ জানিয়েছে, স্থগিত করা ঋণগ্রহীতারা ভবিষ্যতে সংস্থাটির ছোট ব্যবসা ও দুর্যোগকালীন ঋণ কর্মসূচিতে অংশ নিতে পারবেন না। পাশাপাশি এসবিএর ৮(এ) ফেডারেল ঠিকাদারি কর্মসূচিসহ কিছু সরকারি সুবিধাও তাদের জন্য বন্ধ থাকবে। সন্দেহভাজন ঋণের অর্থ ফেরত দেওয়ার জন্য চিঠিও পাঠানো হচ্ছে। অর্থ পরিশোধ না করলে বিষয়টি মার্কিন ট্রেজারি বিভাগের ঋণ আদায় প্রক্রিয়ায় যেতে পারে এবং প্রয়োজন হলে ফেডারেল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার পদক্ষেপও হতে পারে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

 

ভ্যান্সের ঘোষণার সঙ্গে একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ করোনাকালীন ঋণ জালিয়াতির বিরুদ্ধে কয়েক মাসের একটি বড় তদন্ত ও মামলা পরিচালনার ফলাফল প্রকাশ করেছে। ১২ জুন থেকে ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলা এই অভিযানে ৪০টির বেশি মার্কিন অ্যাটর্নির কার্যালয় এবং ২০টির বেশি ফেডারেল ও অঙ্গরাজ্য পর্যায়ের তদন্তকারী সংস্থা অংশ নেয়। বিচার বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, অভিযানে ১৬০ জনের বেশি আসামিকে ঘিরে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং সম্ভাব্য ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২৪৫ মিলিয়ন ডলার।

 

এই অভিযানে প্রায় ৮০ জনের বিরুদ্ধে নতুন করে গুরুতর ফৌজদারি অভিযোগ আনা হয়েছে। এসব মামলায় সম্ভাব্য ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১০০ মিলিয়ন ডলার। আরও প্রায় ৪৩ জন এসবিএ-সংশ্লিষ্ট করোনাকালীন ঋণ জালিয়াতির মামলায় দোষ স্বীকার করেছেন, যেসব মামলায় সম্ভাব্য ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৪৪ মিলিয়ন ডলার। প্রায় ৪০ জনের সাজাও হয়েছে, যেসব মামলায় সম্ভাব্য ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১০০ মিলিয়ন ডলার।

 

তদন্তকারীদের নজরে এসেছে বিভিন্ন ধরনের জালিয়াতির অভিযোগ। এর মধ্যে রয়েছে অস্তিত্বহীন ব্যবসা দেখিয়ে ঋণের আবেদন, কর্মী ও বেতন সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য দেওয়া, আয় ও ব্যবসার হিসাব পরিবর্তন করা এবং অন্যের পরিচয় ব্যবহার করে ঋণ নেওয়া।

 

করোনাভাইরাস মহামারির শুরুতে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে টিকিয়ে রাখতে ২০২০ সালে পেচেক প্রোটেকশন প্রোগ্রাম বা পিপিপি চালু করেছিল মার্কিন সরকার। লকডাউন ও ব্যবসায়িক বিধিনিষেধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ছোট ব্যবসাগুলোকে কর্মীদের বেতনসহ নির্দিষ্ট খরচ মেটাতে এই কর্মসূচির মাধ্যমে ঋণ দেওয়া হয়। এসব ঋণের নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ হলে পরে তা মওকুফ করার সুযোগও ছিল।

 

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, পিপিপির আওতায় প্রায় ১ কোটি ১৮ লাখ ঋণ দেওয়া হয়েছিল, যার মোট মূল্য ছিল প্রায় ৮০০ বিলিয়ন ডলার। তবে কর্মসূচি দ্রুত চালু করার কারণে ঋণ অনুমোদনের আগে আবেদনকারীদের যাচাই-বাছাইয়ের ক্ষেত্রে বড় ধরনের দুর্বলতা তৈরি হয়। পরবর্তী সময়ে সরকারি নজরদারি সংস্থাগুলো বিপুল পরিমাণ অর্থ জালিয়াতির মাধ্যমে নেওয়ার সম্ভাবনার কথা জানায়।

 

মার্কিন সরকারের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, পিপিপি এবং করোনাকালীন আরেকটি ঋণ কর্মসূচি, অর্থনৈতিক ক্ষতি দুর্যোগ ঋণ বা ইআইডিএল থেকে বিতরণ করা ২০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থে জালিয়াতির লক্ষণ পাওয়া গেছে। তবে এই পরিমাণকে সরাসরি প্রমাণিত জালিয়াতির অর্থ হিসেবে ধরা যায় না। এটি বিভিন্ন তথ্য, অসঙ্গতি ও জালিয়াতির সম্ভাব্য সংকেতের ভিত্তিতে করা সরকারি হিসাব।

 

করোনাকালীন ঋণ জালিয়াতির অনেক ঘটনা এত বছর পরও কেন সামনে আসছে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্ল্যাঞ্চ সিবিএস নিউজকে বলেন, আগে যেসব মামলার তদন্ত বা বিচার করার মতো পর্যাপ্ত জনবল ও অর্থ ছিল না, এখন সেসব মামলা হাতে নেওয়ার মতো সক্ষমতা তৈরি হয়েছে। দেশজুড়ে প্রায় ৫০০ প্রসিকিউটর এ ধরনের জালিয়াতির বিরুদ্ধে কাজ করছেন বলেও তিনি জানান।

 

গত মাসে বিচার বিভাগ জাতীয় জালিয়াতি শনাক্তকরণ কেন্দ্র চালু করেছে। বিভিন্ন সরকারি সংস্থার আলাদা তথ্যভান্ডার থেকে তথ্য নিয়ে সন্দেহজনক লেনদেন ও আবেদন শনাক্ত করাই এর অন্যতম লক্ষ্য। ২০২৫ সালের মার্চে প্রকাশিত মার্কিন সরকারি জবাবদিহি দপ্তরের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, করোনাকালীন ঋণ জালিয়াতি নিয়ে করা প্রায় ৩০ লাখ রেফারেলের মধ্যে প্রায় ২০ লাখেই অসম্পূর্ণ, ভুল অথবা পুনরাবৃত্ত তথ্য ছিল। ফলে অনেক ক্ষেত্রেই তদন্ত এগিয়ে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছিল।

 

নতুন অভিযানে মিসৌরির একটি মামলাও বিশেষভাবে সামনে এসেছে। সেখানে জেমি গ্রে নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রায় ৫৬ মিলিয়ন ডলারের সম্ভাব্য ক্ষতির সঙ্গে যুক্ত তারের মাধ্যমে প্রতারণা ও অর্থপাচারের অভিযোগ আনা হয়েছে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, গ্রে পিপিপি ও ইআইডিএল ঋণের আবেদনে এমন কয়েক ডজন ব্যবসার মালিকানা দাবি করেছিলেন, যেগুলোর বেশির ভাগই সংশ্লিষ্ট সময়সীমার আগে বাস্তবে চালু ছিল না। ব্যবসার মালিকানা, কর্মী, আয় এবং কার্যক্রম সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

 

আইওয়াতেও পৃথক একটি মামলায় দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ৪৭টি অভিযোগ আনা হয়েছে। প্রসিকিউটরদের দাবি, তারা আরও শতাধিক ব্যক্তির সঙ্গে মিলে প্রায় ৪৭০টি ভুয়া পিপিপি আবেদন জমা দিয়েছিলেন। এসব আবেদনের মাধ্যমে ৪ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বেশি ঋণ নেওয়ার চেষ্টা করা হয় এবং প্রায় ২ দশমিক ৪ মিলিয়ন ডলার বিতরণও করা হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযুক্ত দুই ব্যক্তি বর্তমানে পলাতক বলে জানিয়েছে বিচার বিভাগ। তবে আদালতে দোষ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্তদের নির্দোষ হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

 

মহামারির সময় দ্রুত সহায়তা পৌঁছে দিতে গিয়ে সরকারি ব্যবস্থায় যে দুর্বলতা তৈরি হয়েছিল, নতুন অভিযান সেই পুরোনো প্রশ্নও সামনে এনেছে। সরকারি জবাবদিহি দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, পিপিপির বিস্তৃত স্বয়ংক্রিয় যাচাই ও পর্যালোচনা ব্যবস্থা ২০২১ সালের জানুয়ারিতে কার্যকর করা হয়। তখন পর্যন্ত ৫২৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি পিপিপি ঋণ অনুমোদিত হয়ে গিয়েছিল।

 

তদন্তের সময়সীমাও বাড়ানো হয়েছে। কংগ্রেস করোনাকালীন পিপিপি ও সংশ্লিষ্ট সরকারি ঋণ কর্মসূচির সম্ভাব্য জালিয়াতির তদন্ত ও মামলা করার আইনি সময়সীমা ১০ বছর পর্যন্ত বাড়িয়েছে। ফলে কিছু ক্ষেত্রে ২০৩০ বা ২০৩১ সাল পর্যন্ত নতুন মামলা সামনে আসার সুযোগ রয়েছে।

 

ট্রাম্প প্রশাসন সাম্প্রতিক সময়ে সরকারি অর্থের অপচয় ও জালিয়াতি বন্ধের ওপর জোর দিচ্ছে। চলতি বছর বিচার বিভাগ জাতীয় জালিয়াতি দমন বিভাগ গঠন করেছে। পাশাপাশি ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্সের নেতৃত্বে সরকারি অর্থের অপচয়, অপব্যবহার ও জালিয়াতি শনাক্তে একটি আন্তঃসরকারি টাস্কফোর্সও কাজ করছে।

 

বিচার বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, করোনাকালীন সহায়তা কর্মসূচির উদ্দেশ্য ছিল সংকটে থাকা ব্যবসাগুলোকে টিকিয়ে রাখা। এখন তদন্তকারীদের লক্ষ্য হলো যেসব ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান সেই অর্থের অপব্যবহার করেছে বলে সন্দেহ রয়েছে, তাদের শনাক্ত করা এবং সম্ভব হলে সরকারি অর্থ ফেরত আনা।

 

সূত্র: সিবিএস নিউজ, যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ।
 


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
যুক্তরাষ্ট্রের উপসাগরীয় উপকূলের দিকে দ্রুত ধেয়ে আসছে শক্তিশালী হারিকেন ইসাইয়াস। এর প্রভাবে জর্জিয়ায় ভারী বৃষ্টিপাত, প্রবল দমকা বাতাস, আকস্মিক বন্যা এবং টর্নেডোর তীব্র আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় আবহাওয়া দপ্তরের
জর্জিয়ার দিকে ধেয়ে আসছে হারিকেন ইসাইয়াস, আটলান্টায় ভারী বৃষ্টি ও ঝড়ের সতর্কতা

যুক্তরাষ্ট্রের উপসাগরীয় উপকূলের দিকে দ্রুত ধেয়ে আসছে শক্তিশালী হারিকেন ইসাইয়াস। এর প্রভাবে জর্জিয়ায় ভারী বৃষ্টিপাত, প্রবল দমকা বাতাস, আকস্মিক বন্যা এবং টর্নেডোর তীব্র আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় আবহাওয়া দপ্তরের আটলান্টা কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, ঝড়ের প্রভাবে উত্তর ও মধ্য জর্জিয়ার আবহাওয়া রাতের দিকে চরম আকার ধারণ করতে পারে।   আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, শুক্রবার রাত থেকে রবিবারের শুরুর দিক পর্যন্ত কয়েক দফায় ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এতে করে শহরাঞ্চলের নিচু এলাকা, দুর্বল নিষ্কাশনব্যবস্থা থাকা সড়ক এবং নদী ও খালের পার্শ্ববর্তী অঞ্চলগুলোতে বন্যার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে।   আবহাওয়া দপ্তরের তথ্যমতে, উত্তর ও মধ্য জর্জিয়ার বিভিন্ন এলাকায় ঘণ্টায় ৩৫ থেকে ৪৫ মাইল বা তারও বেশি বেগে দমকা হাওয়া বয়ে যেতে পারে। প্রবল এই বাতাসের কারণে গাছপালা ভেঙে পড়া, বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হওয়া এবং সড়ক যোগাযোগে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।   যদিও হারিকেনের কেন্দ্র সরাসরি আটলান্টায় আঘাত হানার পূর্বাভাস নেই, তবে উপকূলে আছড়ে পড়ার পর এর ধ্বংসাত্মক প্রভাব অভ্যন্তরীণ এলাকাগুলোতেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। এছাড়া ঝড়ের সঙ্গে টর্নেডো সৃষ্টির প্রবল ঝুঁকি রয়েছে বলে সতর্ক করেছেন আবহাওয়াবিদরা। টর্নেডোর সতর্কতা জারি হলে বাসিন্দাদের দ্রুত জানালার কাছ থেকে সরে ভবনের ভেতরের নিরাপদ কক্ষে আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। জলাবদ্ধ রাস্তা দিয়ে গাড়ি না চালিয়ে বিকল্প পথ ব্যবহারেরও নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।   দুর্যোগপূর্ণ এই পরিস্থিতিতে আটলান্টা ও এর আশপাশে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির জন্যও বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সপ্তাহান্তে অনেকের কেনাকাটা, সামাজিক অনুষ্ঠান বা বাইরে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে সেগুলোতে পরিবর্তন আনার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।   জরুরি প্রয়োজনে মুঠোফোন চার্জ করে রাখা, টর্চলাইট প্রস্তুত রাখা এবং স্থানীয় জরুরি সতর্কতাগুলোর (অ্যালার্ট) দিকে নজর রাখার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। ফ্লোরিডা ও আলাবামার কিছু এলাকাতেও ঝড়ের সম্ভাব্য আঘাতের কারণে আগাম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো গুজবে কান না দিয়ে সবাইকে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় হারিকেন কেন্দ্রের সর্বশেষ তথ্যের ওপর নজর রাখার আহ্বান জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। হ্যাশট্যাগ:

প্রকাশ: অক্টোবর ৯, ২০২৬ ১৯:৩৬
নিউইয়র্কে আইসের অভিযানে গ্রেপ্তার শিশু নির্যাতনকারী, খুনের আসামিসহ একাধিক অপরাধী

নিউইয়র্কে আইসের অভিযানে গ্রেপ্তার শিশু নির্যাতনকারী, খুনের আসামিসহ একাধিক অপরাধী

‘আমার কাঁধে ৩ হাজার ডলারের পার্স, আমি কীভাবে চুরি করতে পারি?’ গ্রেপ্তারের পর নারীর সাফাই

‘আমার কাঁধে ৩ হাজার ডলারের পার্স, আমি কীভাবে চুরি করতে পারি?’ গ্রেপ্তারের পর নারীর সাফাই

যুক্তরাষ্ট্রে আগেও দুই শিশুকে  ছু রিকাঘাত করেছিলেন, এবার  হা মলায় সংকটাপন্ন ২ বছরের শিশু

যুক্তরাষ্ট্রে আগেও দুই শিশুকে ছু রিকাঘাত করেছিলেন, এবার হা মলায় সংকটাপন্ন ২ বছরের শিশু

নিউইয়র্কে শিশুদের নিরাপত্তায় দমকল বিভাগের উদ্যোগ, শেখানো হচ্ছে আগুন থেকে বাঁচার উপায়
নিউইয়র্কে শিশুদের নিরাপত্তায় দমকল বিভাগের উদ্যোগ, শেখানো হচ্ছে আগুন থেকে বাঁচার উপায়

শিশুদের মধ্যে অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং জরুরি মুহূর্তে নিরাপদে বেরিয়ে আসার কৌশল শেখাতে এক বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে নিউইয়র্কের দমকল বিভাগ। 'জাতীয় অগ্নিনিরাপত্তা সপ্তাহ' উপলক্ষে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে আগুন প্রতিরোধের মতো গুরুতর বিষয়গুলোকে শিশুদের কাছে অত্যন্ত সহজ ও আনন্দদায়কভাবে তুলে ধরার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।   সাধারণত শিশুদের জন্য অগ্নিনিরাপত্তার মতো জটিল বিষয়গুলো বোঝা ও মনে রাখা বেশ কঠিন হয়ে পড়ে। তাই শেখার পুরো প্রক্রিয়াটিকে তাদের উপযোগী করে বিনোদনমূলক উপায়ে সাজিয়েছে দমকল বিভাগ।   এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো শিশুদের অগ্নিনিরাপত্তা সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা দেওয়ার পাশাপাশি জরুরি পরিস্থিতিতে করণীয় বিষয়গুলো হাতে-কলমে শেখানো। হঠাৎ আগুন লাগলে কীভাবে ঘাবড়ে না গিয়ে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যেতে হবে, সে বিষয়ে ছোটবেলা থেকেই একটি কার্যকর অভ্যাস গড়ে তোলার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। দমকল বিভাগের মতে, যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত বিপদকালীন সময়ে দ্রুত ও সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য এমন পূর্বপ্রস্তুতির কোনো বিকল্প নেই।   জাতীয় অগ্নিনিরাপত্তা সপ্তাহের এই আয়োজনে শিশুদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের প্রতিও আগুন থেকে সুরক্ষার জরুরি নিয়মগুলো নিয়মিত অনুশীলনের আহ্বান জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। দমকল বিভাগ মনে করিয়ে দিয়েছে, জীবন রক্ষাকারী এসব কৌশল শেখার জন্য বয়স কোনো বাধা নয়।   এছাড়া শিশুদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকেও অগ্নিনিরাপত্তার নিয়ম শেখানোর বিষয়ে আরও দায়িত্বশীল হওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়েছে, যেন যেকোনো বিপদের সময় শিশুরাও নিজেদের জীবন রক্ষায় প্রস্তুত থাকতে পারে।

প্রকাশ: অক্টোবর ৯, ২০২৬ ১৬:৫৯
ক্যাশ অ্যাপের তথ্য ফাঁসের মামলায় ক্ষতিপূরণ পাচ্ছেন গ্রাহকরা, সর্বোচ্চ ২,৫০০ ডলার

ক্যাশ অ্যাপের তথ্য ফাঁসের মামলায় ক্ষতিপূরণ পাচ্ছেন গ্রাহকরা, সর্বোচ্চ ২,৫০০ ডলার

ট্রাম্পের হাতে কালশিটে, স্যুটের নিচে রহস্যময় ফোলা অংশ, স্বাস্থ্য নিয়ে বাড়ছে জল্পনা

ট্রাম্পের হাতে কালশিটে, স্যুটের নিচে রহস্যময় ফোলা অংশ, স্বাস্থ্য নিয়ে বাড়ছে জল্পনা

মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের জয় হলে বিপাকে ট্রাম্প পরিবার? আইনি প্রতিরক্ষায় বিশেষ তহবিল

মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের জয় হলে বিপাকে ট্রাম্প পরিবার? আইনি প্রতিরক্ষায় বিশেষ তহবিল

নিউইয়র্কে ৫ বছরের শিশুর সামনে বাবাকে গুলি, আইসের অভিযান বন্ধে ট্রাম্পকে মামদানীর কড়া বার্তা
নিউইয়র্কে ৫ বছরের শিশুর সামনে বাবাকে গুলি, আইসের অভিযান বন্ধে ট্রাম্পকে মামদানীর কড়া বার্তা

নিউইয়র্ক শহরে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্টের (আইস) এক এজেন্টের গুলিতে এক ব্যক্তি গুরুতর আহত হওয়ার পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে শহরে সংস্থাটির সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধের দাবি জানিয়েছেন মেয়র জোহরান মামদানী। বৃহস্পতিবার মার্বেল হিল আবাসিক এলাকায় এই গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে মেয়র বলেন, আইস এজেন্টরা সাধারণ মানুষের মাঝে আতঙ্ক ছড়াবে, আর তিনি চুপ করে থাকবেন—এমনটা কখনোই হতে দেওয়া হবে না।   নিউইয়র্ক পুলিশের তথ্যমতে, বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে একটি নির্দিষ্ট অভিযান পরিচালনার সময় আইস এজেন্টরা ২৮ বছর বয়সী অস্কার বেলগাল নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করে। এ সময় বেলগালের গাড়িতে তার পাঁচ বছর বয়সী ছেলেও ছিল।   পুলিশ কমিশনার জেসিকা টিশ জানান, একজন সাদা পোশাকের আইস এজেন্ট অস্ত্র হাতে চালকের জানালার কাছে এগিয়ে যান। গাড়িটি সামনের দিকে এগোতে চাইলে এজেন্ট অন্তত সাত রাউন্ড গুলি চালান, যা বেলগালের ঘাড়ে আঘাত করে। আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং শিশুটি বর্তমানে পরিবারের হেফাজতে নিরাপদে রয়েছে।   ঘটনার পর মেয়র মামদানী প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও হোমল্যান্ড সিকিউরিটি (ডিএইচএস) মন্ত্রী মার্কওয়েইন মুলিনের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা বললেও ভুক্তভোগীর মুক্তির বিষয়ে কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেননি। অন্যদিকে, ডিএইচএস-এর পক্ষ থেকে নিউইয়র্কের ‘স্যাংচুয়ারি’ বা আশ্রয়দানকারী নীতির তীব্র সমালোচনা করে বলা হয়েছে, এসব নীতির কারণে কেন্দ্রীয় এজেন্টদের সঙ্গে অসহযোগিতা করা হচ্ছে। মন্ত্রী মুলিন উল্টো মেয়রের বিরুদ্ধে ‘শত্রুতা উসকে দেওয়ার’ অভিযোগ তুলেছেন।   ডিএইচএস জানায়, ভুক্তভোগী বেলগাল একজন অপরাধী ও অবৈধ অভিবাসী, যার বিরুদ্ধে চুরি, মাদক ও অস্ত্র রাখাসহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে এবং গত বছর একজন সীমান্তরক্ষী কর্মকর্তার ওপর হামলায় জড়িত গ্যাংয়ের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা রয়েছে।   নিউইয়র্কের গভর্নর ক্যাথি হোকুল থেকে শুরু করে সিনেট মাইনরিটি লিডার চাক শুমারসহ ডেমোক্র্যাট নেতারা এই ঘটনার তীব্র সমালোচনা করে অবিলম্বে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। গাড়িতে একজন শিশু থাকা অবস্থায় কীভাবে এতগুলো গুলি ছোড়া হলো, তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মেয়র মামদানী ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।   নিউইয়র্ক টাইমস ও এবিসি নিউজের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সম্প্রতি কেন্দ্রীয় অভিবাসন এজেন্টদের সঙ্গে জড়িত এমন সহিংস ঘটনায় ২০ জনের বেশি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন, যাদের মধ্যে অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনা ট্রাম্প প্রশাসনের দেশব্যাপী কঠোর অভিবাসন নীতির প্রয়োগ এবং এর ফলে সৃষ্ট মানবিক সংকটকে আবারও সামনে নিয়ে এসেছে।

প্রকাশ: অক্টোবর ৯, ২০২৬ ১৪:২৪
ফ্লোরিডায় দুই সন্তানকে হত্যার পর বাবার আত্মহত্যা, সন্তানদের আনতে গিয়ে তিনজনের মরদেহ দেখলেন মা

ফ্লোরিডায় দুই সন্তানকে হ ত্যার পর বাবার আ ত্মহ ত্যা, সন্তানদের আনতে গিয়ে তিনজনের ম রদেহ দেখলেন মা

বিমান ধরতে যাচ্ছিলেন কনে

বিয়ের পোশাক ট্রেনে ফেলে বিমান ধরতে যাচ্ছিলেন কনে, শেষ মুহূর্তে উদ্ধার করল নিউ জার্সির কর্মীরা

নিউজার্সিতে খামারের পার্কিংয়ে এসইউভির চাপায় প্রাণ গেল দুই বছরের শিশুর

নিউজার্সিতে খামারের পার্কিংয়ে এসইউভির চাপায় প্রাণ গেল দুই বছরের শিশুর, অল্পের জন্য বাঁচলেন দাদি

0 Comments