সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

ক্যালিফোর্নিয়ার ইয়োসেমিটিতে ৪০০ ফুট উঁচু জলপ্রপাত থেকে পড়ে প্রাণ গেল ১৯ বছর বয়সী রেসলারের

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬ ১৪:১৫
মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ১৯ বছর বয়সী উদীয়মান কলেজ রেসলার রায়ান জর্জ
মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ১৯ বছর বয়সী উদীয়মান কলেজ রেসলার রায়ান জর্জ

ক্যালিফোর্নিয়ার ইয়োসেমিটি ন্যাশনাল পার্কে বন্ধুদের সাথে হাইকিংয়ে গিয়ে এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ১৯ বছর বয়সী উদীয়মান কলেজ রেসলার রায়ান জর্জ। গত ছুটির দিনে পার্কটির প্রায় ৪০০ ফুট উঁচু ইলিউয়েট জলপ্রপাতের (Illilouette Falls) কাছে পা পিছলে পড়ে নিচে তলিয়ে যান সান্তা রোসা জুনিয়র কলেজের এই প্রতিভাবান ক্রীড়াবিদ। মৃত্যুর মাত্র দুদিন আগেই স্যাক্রামেন্টোতে অনুষ্ঠিত ডেভ পাচেকো ইনভাইটেশনাল প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলেন তিনি।

 

 

রেসলার হিসেবে রায়ানের ক্যারিয়ার ছিল অত্যন্ত সম্ভাবনাময় ও সাফল্যে ঘেরা। দ্য প্রেস ডেমোক্র্যাটের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সান্তা রোসা কলেজে নিজের প্রথম বর্ষেই তিনি ‘অল-আমেরিকান’ সম্মাননা অর্জন করেন এবং ক্যালিফোর্নিয়া কমিউনিটি কলেজ অ্যাথলেটিক অ্যাসোসিয়েশন টুর্নামেন্টে তৃতীয় স্থান অধিকার করেছিলেন।

 

এর আগে মন্টগোমারি হাইস্কুলে পড়ার সময় তিনি ২১৭ পাউন্ড ওজন শ্রেণিতে নর্থ বে লিগের শিরোপা জিতেন এবং সিনিয়র হিসেবে নর্থ কোস্ট সেকশন টুর্নামেন্টে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছিলেন।

 

রায়ান জর্জের এই অকাল মৃত্যুতে তার কোচ, সতীর্থ এবং পরিচিতদের মাঝে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সান্তা রোসার রেসলিং কোচ ফ্রেড ডুয়ার এক বিবৃতিতে জানান, রায়ান ছিলেন তার দেখা সবচেয়ে ইতিবাচক ও অকৃত্রিম মানুষদের একজন। যেকোনো পরিবেশকে মুহূর্তের মধ্যে আনন্দমুখর করে তোলা এবং আশেপাশের সবার সেরা গুণগুলো বের করে আনার এক অদ্ভুত ক্ষমতা ছিল তার।

 

মন্টগোমারি হাইস্কুলের রেসলিং কোচ ইয়ান হেসও তাকে একজন চমৎকার সতীর্থ হিসেবে স্মরণ করেছেন। তিনি বলেন, রায়ান কখনোই কোনো বিষয় নিয়ে অভিযোগ বা বিরক্তি প্রকাশ করত না; সে সবসময় হাসিমুখে অন্যদের সাহায্য করতে প্রস্তুত থাকত। তার এই ইতিবাচক মানসিকতাই তাকে রেসলিংয়ে একটি ঈর্ষণীয় ক্যারিয়ার গড়তে সাহায্য করেছিল।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
যুক্তরাষ্ট্রে এফবিআইয়ের নিয়োগ পোর্টালে সাইবার হামলা, প্রায় সব এজেন্টের তথ্য ফাঁসের দাবি
যুক্তরাষ্ট্রে এফবিআইয়ের নিয়োগ পোর্টালে সাইবার হামলা, প্রায় সব এজেন্টের তথ্য ফাঁসের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (এফবিআই) নিয়োগ ওয়েবসাইটে বড় ধরনের সাইবার হামলার ঘটনা ঘটেছে। 'শাইনিহান্টারস' নামের একটি পরিচিত হ্যাকার গ্রুপ এই সাইবার হামলার দায় স্বীকার করে দাবি করেছে যে, তারা প্রায় সব এফবিআই এজেন্ট এবং চাকরিপ্রার্থীদের "অত্যন্ত স্পর্শকাতর তথ্য" হাতিয়ে নিয়েছে।   এই ঘটনার পরপরই সম্ভাব্য কর্মীদের জন্য এফবিআই সম্পর্কে জানার এবং আবেদনের মূল পোর্টাল 'এফবিআইজবস ডট গভ' (FBIjobs.gov) অফলাইনে চলে যায়। এফবিআই এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা এই অননুমোদিত প্রবেশ ও সাইবার হামলার দাবির বিষয়ে অবগত আছে এবং বর্তমানে বিষয়টি নিয়ে নিবিড় তদন্ত চলছে।   হ্যাকার গ্রুপ শাইনিহান্টারস অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া একটি বার্তার মাধ্যমে এই হামলার দায় স্বীকার করেছে। এফবিআই পরিচালক ক্যাশ প্যাটেল এবং সাইবার বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী পরিচালকের উদ্দেশ্যে লেখা ওই বার্তায় তারা দাবি করে যে, এফবিআইয়ের প্রায় সব বর্তমান এজেন্ট এবং যারা চাকরি পাওয়ার জন্য আবেদন করেছিলেন, তাদের সবার অত্যন্ত গোপনীয় ব্যক্তিগত তথ্য এখন হ্যাকারদের হাতে।   যদিও তাৎক্ষণিকভাবে এই দাবির সত্যতা পুরোপুরি নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি এবং এফবিআইয়ের কোনো মুখপাত্র এ বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করতে রাজি হননি, তবুও সাইবার নিরাপত্তা গবেষকরা এই হামলাকে অত্যন্ত গুরুতর বলে মনে করছেন।   এই সাইবার হামলার পেছনে মূলত আর্থিক কোনো কারণের চেয়ে এফবিআইয়ের ওপর ক্ষোভকেই প্রধান হিসেবে তুলে ধরেছে শাইনিহান্টারস। হ্যাকার গ্রুপটি তাদের বার্তায় এফবিআইকে এক সপ্তাহের সময় বেঁধে দিয়েছে, যেন তারা গত মে মাসে প্রকাশিত একটি পাবলিক সার্ভিস অ্যানাউন্সমেন্ট বা জনসচেতনতামূলক বিজ্ঞপ্তি থেকে শাইনিহান্টারস সম্পর্কে করা "মিথ্যা অভিযোগগুলো" সংশোধন বা প্রত্যাহার করে নেয়।   এফবিআইয়ের ওই বিজ্ঞপ্তিতে শাইনিহান্টারসকে এমন এক সাইবার অপরাধী গোষ্ঠী হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছিল, যারা বিপুল পরিমাণ তথ্য চুরি ও চাঁদাবাজিতে পারদর্শী। এফবিআই সতর্ক করেছিল যে, এই হ্যাকাররা ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের জন্য ব্যক্তিগত ও সংবেদনশীল তথ্যে প্রবেশের সত্য বা অতিরঞ্জিত দাবি ব্যবহার করে এবং প্রায়শই ভুক্তভোগীদের হেনস্তা বা হুমকি দেয়।   এমনকি তাদের কাছে ভুক্তভোগীদের বিব্রতকর ছবি বা ভিডিও থাকার মিথ্যা দাবি করারও অভিযোগ তোলা হয়েছিল। শাইনিহান্টারস জানিয়েছে, এফবিআইয়ের এই ধরনের বর্ণনায় তারা "অপমানিত" বোধ করেছে এবং অবিলম্বে এসব দাবি প্রত্যাহারের আল্টিমেটাম দিয়েছে।   এফবিআইয়ের মতো সুরক্ষিত সংস্থার জন্য সাইবার হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হওয়া এটিই প্রথম নয়। এর আগে গত মার্চ মাসে এফবিআই জানিয়েছিল যে, তাদের নজরদারি অভিযান এবং তদন্ত সম্পর্কিত সংবেদনশীল তথ্য রয়েছে এমন একটি অভ্যন্তরীণ সিস্টেমে "সন্দেহজনক কার্যকলাপের" বিষয়টি তারা তদন্ত করছে।   একই মাসে একটি ইরানপন্থি হ্যাকার গ্রুপ দাবি করেছিল যে, তারা এফবিআই পরিচালক ক্যাশ প্যাটেলের একটি অ্যাকাউন্ট হ্যাক করেছে এবং অনলাইনে তার বহু পুরোনো ছবি, জীবনবৃত্তান্ত এবং এক দশকেরও বেশি সময় আগের ব্যক্তিগত নথিপত্র ফাঁস করে দিয়েছে। সাম্প্রতিক এই ঘটনা মার্কিন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলোর ডিজিটাল নিরাপত্তার ক্ষেত্রে নতুন করে গভীর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬ ১৪:৫৮
মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ১৯ বছর বয়সী উদীয়মান কলেজ রেসলার রায়ান জর্জ

ক্যালিফোর্নিয়ার ইয়োসেমিটিতে ৪০০ ফুট উঁচু জলপ্রপাত থেকে পড়ে প্রাণ গেল ১৯ বছর বয়সী রেসলারের

নিউইয়র্কে নেতানিয়াহুর হোটেলের পাশের ম্যানহোলে লুকিয়ে ছিলেন তিন ব্যক্তি, নিরাপত্তা হু মকির আশঙ্কা

নিউইয়র্কে নেতানিয়াহুর হোটেলের পাশের ম্যানহোলে লুকিয়ে ছিলেন তিন ব্যক্তি, নিরাপত্তা হু মকির আশঙ্কা

যুক্তরাষ্ট্রের সেরা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় শীর্ষে ক্যালিফোর্নিয়ার দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

যুক্তরাষ্ট্রের সেরা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় শীর্ষে ক্যালিফোর্নিয়ার দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

সান হোসেতে ১৪ বছর বয়সী কিশোরীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া উবারচালক অনুজ কুমার। ছবি: সংগৃহীত
ক্যালিফোর্নিয়ায় কিশোর যাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে ভারতীয় বংশোদ্ভূত উবারচালক গ্রেপ্তার

ক্যালিফোর্নিয়ার সান হোসেতে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোর যাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে ভারতীয় বংশোদ্ভূত উবারচালক অনুজ কুমারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ৩২ বছর বয়সী ফস্টার সিটির বাসিন্দা কুমারের বিরুদ্ধে অভিযোগ, উবারে যাত্রার সময় তিনি কিশোরটির সঙ্গে যৌন নিপীড়নমূলক আচরণ করেন এবং গাড়ির শিশু-নিরাপত্তা লক চালু করে তাকে বের হতে বাধা দেন। ঘটনার পর সান হোসে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে এবং একই ধরনের ঘটনায় আরও কেউ ভুক্তভোগী হয়েছেন কি না, তা খতিয়ে দেখছে।   পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ১২ সেপ্টেম্বর রাতে সান হোসের কেন্দ্রীয় এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। রাত সাড়ে ১০টার কিছু পর পাসেও দে সান আন্তোনিওর ১০০ নম্বর ব্লকে অপ্রাপ্তবয়স্ক এক ব্যক্তিকে ঘিরে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ পেয়ে পুলিশ সেখানে যায়। কিশোরটি একটি উবার গাড়িতে করে যাতায়াত করছিল। পুলিশ জানিয়েছে, গাড়ির চালকই তার সঙ্গে যৌন নিপীড়ন করেছেন বলে অভিযোগ ওঠে।   আদালতের নথিতে অভিযোগ করা হয়েছে, অনুজ কুমার ওই ১৪ বছর বয়সী কিশোরকে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে স্পর্শ করেন। এরপর গাড়ির শিশু-নিরাপত্তা লক চালু করে দেন, যাতে কিশোরটি গাড়ি থেকে বের হতে না পারে। অভিযোগের ঘটনাটি কিশোরটির নির্ধারিত গন্তব্যের কাছাকাছি ঘটে। তার গন্তব্য ছিল সান হোসে স্টেট ইউনিভার্সিটির কাছে অবস্থিত হ্যামার থিয়েটার।   ঘটনার পর গাড়ি থেকে বের হতে সক্ষম হয়ে কিশোরটি দ্রুত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করে। সান হোসে পুলিশ বিভাগের মুখপাত্র স্টেসি শিহ জানান, ভুক্তভোগী দ্রুত পুলিশের কাছে অভিযোগ করায় তদন্ত শুরু করা সম্ভব হয়েছে। অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত গাড়ি ও চালককে শনাক্ত করার কাজ শুরু করে।   তদন্তকারীরা স্বয়ংক্রিয় নম্বরপ্লেট শনাক্তকারী ক্যামেরার তথ্য ব্যবহার করে সংশ্লিষ্ট গাড়িটিকে শনাক্ত করেন। পরে ওই গাড়ির সঙ্গে অনুজ কুমারের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়। পুলিশের তদন্তের ভিত্তিতে ফস্টার সিটি পুলিশের সহায়তায় ১৩ সেপ্টেম্বর ফস্টার সিটিতে কুমারকে গ্রেপ্তার করা হয়। অর্থাৎ অভিযোগের পরদিনই তাকে আটক করা হয়।   গ্রেপ্তারের পর অনুজ কুমারকে সান্তা ক্লারা কাউন্টি প্রধান কারাগারে অপ্রাপ্তবয়স্কের ওপর যৌন নিপীড়নের সন্দেহে নথিভুক্ত করা হয়। আদালতের নথি অনুযায়ী, তিনি প্রায় আড়াই বছর ধরে উবারচালক হিসেবে কাজ করছিলেন। উবারে তার যাত্রী মূল্যায়নের গড় ছিল ৪ দশমিক ৯৫।   অভিযোগের খবর প্রকাশের পর উবার কুমারকে তাদের প্ল্যাটফর্ম থেকে স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করেছে। প্রতিষ্ঠানটির এক মুখপাত্র বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং যৌন নিপীড়নের মতো আচরণের উবারের প্ল্যাটফর্মে কোনো স্থান নেই। তদন্তে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতা করা হচ্ছে বলেও প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে।   পুলিশের তদন্ত এখনো চলছে। তদন্তকারীদের আশঙ্কা, অনুজ কুমারের বিরুদ্ধে আরও ভুক্তভোগী থাকতে পারেন। এ কারণে তার সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো তথ্য কিংবা একই ধরনের ঘটনার অভিজ্ঞতা রয়েছে এমন কাউকে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। সান হোসে পুলিশের যৌন নিপীড়ন তদন্ত ইউনিট এ বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করছে।   পুলিশ জানিয়েছে, এই মামলায় তথ্য থাকা ব্যক্তি বা একই ধরনের ঘটনার শিকার কেউ তদন্তকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। এ জন্য সান হোসে পুলিশের গোয়েন্দা কর্মকর্তা হোয়াংয়ের সঙ্গে যোগাযোগের অনুরোধ করা হয়েছে। পুলিশের দেওয়া যোগাযোগ নম্বর হলো ৪০৮-২৭৭-৪১০২ এবং ই-মেইল ঠিকানা ৪৬৮৪@সানহোসেসিএ.গভ।   ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর উবারে অপ্রাপ্তবয়স্ক যাত্রীদের নিরাপত্তার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। তবে এই মামলায় পুলিশের তদন্ত এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত হয়নি এবং তদন্তের পরবর্তী ধাপে পুলিশ সম্ভাব্য অন্য ভুক্তভোগী ও ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তথ্য যাচাই করবে।   অনুজ কুমারকে গ্রেপ্তার করা হলেও তার বিরুদ্ধে অভিযোগের চূড়ান্ত বিচারিক নিষ্পত্তি এখনো হয়নি। বর্তমানে তার বিরুদ্ধে অপ্রাপ্তবয়স্কের ওপর যৌন নিপীড়নের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া চলছে। একই সঙ্গে পুলিশ নতুন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে তা মামলার তদন্তে যুক্ত করার চেষ্টা করছে।   ঘটনার পরপরই ভুক্তভোগী পুলিশের কাছে যোগাযোগ করায় তদন্তকারীরা দ্রুত সংশ্লিষ্ট গাড়ি শনাক্ত করতে সক্ষম হন। স্বয়ংক্রিয় নম্বরপ্লেট শনাক্তকারী ক্যামেরার তথ্য ব্যবহার করে চালকের পরিচয় বের করা হয় এবং এক দিনের মধ্যে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এখন তদন্তের মূল লক্ষ্য সম্ভাব্য অন্য অভিযোগ বা ভুক্তভোগীর বিষয়ে তথ্য পাওয়া এবং মামলার সব তথ্য যাচাই করা।   সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬ ১২:৩৮
নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

মাদুরো আটকের পর ট্রাম্প-রদ্রিগেজের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক, নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত

নিউইয়র্কে ক্লিনটন গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভের বার্ষিক সভায় বিল ক্লিনটন ও হিলারি ক্লিনটনের সঙ্গে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: সংগৃহীত

নিউইয়র্কে পুরোনো বন্ধু বিল ক্লিনটন ও হিলারি ক্লিনটনের সঙ্গে দেখা করেন ড. ইউনূস

টেক্সাসের সারোগেসি মামলার আইনি লড়াইয়ে জয়ী ক্যালিফোর্নিয়ার ভারতীয় বংশোদ্ভূত দম্পতি নওশিন গিলকার ও ওমর আহমেদ। ছবি: সংগৃহীত

টেক্সাসে সারোগেট মায়ের আবেদন খারিজ, ভারতীয় বংশোদ্ভূত দম্পতির কাছেই থাকছে সন্তান

পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা নিয়ে সমালোচনা করা ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। ছবি: সংগৃহীত
ইসরায়েলি তাণ্ডব নিয়ে জাতিসংঘে ম্যাক্রোঁর ক্ষোভ, ক্রোধে পাল্টা জবাব নেতানিয়াহুর

ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা ও ফিলিস্তিনিদের পরিস্থিতি নিয়ে সমালোচনার পর তার তীব্র জবাব দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। মঙ্গলবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ম্যাক্রোঁর বক্তব্যের পর নেতানিয়াহুর কার্যালয় এক বিবৃতিতে তার মন্তব্যকে কঠোর ভাষায় প্রত্যাখ্যান করে।    জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে ম্যাক্রোঁ গাজার মানবিক পরিস্থিতির পাশাপাশি অধিকৃত পশ্চিম তীরের পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, পশ্চিম তীরে প্রতিদিনই লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটছে এবং এই পরিস্থিতি ফিলিস্তিনিদের অধিকার ও দীর্ঘমেয়াদি শান্তির সম্ভাবনাকে আরও কঠিন করে তুলছে।    ম্যাক্রোঁর বক্তব্যের একটি অংশ নিয়েই মূলত ইসরায়েলের সঙ্গে নতুন করে কূটনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। তার ফরাসি ভাষণের ইংরেজি ব্যাখ্যায় বলা হয়, পশ্চিম তীরে হামাস কখনো সক্রিয় ছিল না। তবে ফরাসি এক কূটনৈতিক সূত্র পরে জানিয়েছে, ম্যাক্রোঁর বক্তব্যের অর্থ ছিল হামাস পশ্চিম তীর শাসন করেনি, সেখানে সংগঠনটির কোনো প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ ছিল না। জাতিসংঘ এখনো ওই বক্তব্যের আনুষ্ঠানিক অনুবাদ প্রকাশ করেনি।    নেতানিয়াহুর কার্যালয় ম্যাক্রোঁর মন্তব্যকে ‘চরম অসঙ্গত’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে, হামাসের সদস্যরা পশ্চিম তীরে ইসরায়েলিদের বিরুদ্ধে হামলা চালিয়েছে এবং বহু ইসরায়েলি বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। বিবৃতিতে সাম্প্রতিক একটি হামলার ঘটনাও উল্লেখ করা হয়, যেখানে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের দাবি অনুযায়ী এক ফরাসি নাগরিকও নিহত হন।    রোববার পশ্চিম তীরে একটি হামলায় ইসরায়েলি নাগরিক নেতানেল শুকরুন নিহত হন বলে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। ইসরায়েলের দাবি, তিনি ফরাসি নাগরিকও ছিলেন এবং ছয় সন্তানের বাবা ছিলেন। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, হামলায় জড়িত সন্দেহে এক ফিলিস্তিনিকে রামাল্লার একটি হাসপাতালে আটক করা হয়েছে। হামলার পর ওই সন্দেহভাজনের গ্রামেও অভিযান চালানো হয়।    তবে পশ্চিম তীরে সহিংসতার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের হামলার অভিযোগ। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি ও তাদের সম্পত্তিকে লক্ষ্য করে বসতি স্থাপনকারীদের সঙ্গে সম্পর্কিত প্রতিদিন গড়ে প্রায় ছয়টি সহিংস ঘটনা ঘটছিল। ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলা, সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত করা এবং জমি দখলের অভিযোগ নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দীর্ঘদিন ধরে উদ্বেগ রয়েছে।    ফ্রান্সও সাম্প্রতিক মাসগুলোতে পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি সম্প্রসারণ ও বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা নিয়ে অবস্থান আরও স্পষ্ট করেছে। ৮ সেপ্টেম্বর ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য ও কানাডার যৌথ বিবৃতিতে পশ্চিম তীরে বসতি সম্প্রসারণ এবং বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতাকে দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের জন্য সরাসরি হুমকি হিসেবে উল্লেখ করা হয়। ওই বিবৃতিতে বসতিগুলো থেকে পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা এবং বসতি সম্প্রসারণের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে লক্ষ্যভিত্তিক ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়।    এর আগে মে মাসেও ফরাসি প্রেসিডেন্টের দপ্তর থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা বন্ধ, এ ধরনের ঘটনার জবাবদিহি নিশ্চিত এবং বসতি সম্প্রসারণের নীতি বন্ধের আহ্বান জানানো হয়েছিল। ফ্রান্স একই সঙ্গে ইসরায়েলের নিরাপত্তা এবং একটি ভবিষ্যৎ ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের পাশাপাশি অবস্থানের পক্ষে নিজেদের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে।    নেতানিয়াহু ও ম্যাক্রোঁর মধ্যে এই নতুন বাকযুদ্ধ এমন সময়ে সামনে এলো, যখন গাজা যুদ্ধ, পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি সামরিক অভিযান, বসতি সম্প্রসারণ এবং ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি নিয়ে ইসরায়েল ও কয়েকটি ইউরোপীয় দেশের মধ্যে মতপার্থক্য বাড়ছে। ফ্রান্স ২০২৫ সালে ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পর থেকেই দুই দেশের সম্পর্কের বিভিন্ন ইস্যুতে প্রকাশ্য মতবিরোধ আরও স্পষ্ট হয়েছে।    ম্যাক্রোঁর বক্তব্যের ব্যাখ্যা নিয়ে বিতর্ক থাকলেও পশ্চিম তীরের সহিংসতা নিয়ে আন্তর্জাতিক উদ্বেগ নতুন নয়। একদিকে ইসরায়েল পশ্চিম তীরে হামাস ও অন্যান্য ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠীর হামলার বিষয়টি সামনে আনছে, অন্যদিকে ফিলিস্তিনিদের ওপর বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা এবং ইসরায়েলি বসতি সম্প্রসারণ নিয়ে ইউরোপীয় দেশ ও জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পক্ষ উদ্বেগ জানিয়ে আসছে। এই দ্বিমুখী উত্তেজনাই পশ্চিম তীরে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাকে আরও জটিল করে তুলছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬ ১০:২৯
বিডেফোর্ডে আইসিই এজেন্টের গুলিতে কলম্বিয়ার নাগরিক জোহান সেবাস্তিয়ান দুরান গেরেরো নিহত হওয়ার ঘটনার তদন্ত চলছে। ছবি: সংগৃহীত

মেইনে আইসিই এজেন্টের গুলিতে নিহত ব্যক্তির ৩ বছরের মেয়ের কার সিটেও লাগে গুলি

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নিহত সেনাসদস্যের প্রকাশ্য সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯ জনে। ছবি: সংগৃহীত

ইরান যুদ্ধে নতুন করে এক মার্কিন সেনার মৃত্যু! পরিচয় প্রকাশ করল পেন্টাগন, নিহতের সংখ্যা ১৯

জর্জিয়ায় প্রায় ৫ হাজার গাড়ি ঋণগ্রহীতার জন্য আসছে আর্থিক স্বস্তি

৬৯৪ মিলিয়ন ডলারের সমঝোতা, হাজারো গাড়ি ঋণগ্রহীতার জন্য আসছে বড় আর্থিক স্বস্তি

0 Comments