সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

কর ফেরতের তথ্য ও বকেয়া দেখার সুযোগ নিয়ে আইআরএসের নতুন অ্যাপ

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬ ৩:৫৯
কর ফেরতের তথ্য ও বকেয়া দেখার সুযোগ নিয়ে আইআরএসের নতুন অ্যাপ
কর ফেরতের তথ্য ও বকেয়া দেখার সুযোগ নিয়ে আইআরএসের নতুন অ্যাপ

যুক্তরাষ্ট্রের করদাতাদের জন্য নতুন মোবাইল অ্যাপ চালু করেছে আইআরএস। এতে কর ফেরতের অগ্রগতি দেখার পাশাপাশি নির্দিষ্ট অ্যাকাউন্টের তথ্য দেখা ও কর পরিশোধের সুযোগ রয়েছে। ২৫ সেপ্টেম্বর অ্যাপটি চালুর ঘোষণা দেয় সংস্থাটি। এটি আগের ‘আইআরএসটুগো’ অ্যাপের জায়গা নিয়েছে।

 

কর ফেরতের অবস্থা জানতে অ্যাপে সাইন ইন করতে হবে না। সাইন ইন ছাড়াই নির্দিষ্ট কর পরিশোধ এবং বিনামূল্যে কর রিটার্ন দাখিলের সহায়তা খোঁজার সুবিধাও থাকছে।

 

তবে সাইন ইন করলে করের বকেয়া, আগের পরিশোধের তথ্য, আইআরএসের পাঠানো নির্দিষ্ট চিঠি এবং করসংক্রান্ত নথি দেখা যাবে। সংশোধিত রিটার্নের ফেরতের অবস্থাও দেখা যাবে। আইআরএস জানিয়েছে, চালুর সময় অ্যাপে অনলাইন অ্যাকাউন্টের সব সুবিধা থাকছে না।

 

যাঁদের ফোনে আগে থেকেই ‘আইআরএসটুগো’ আছে, তাঁদের আলাদা অ্যাপ নামাতে হবে না। স্বয়ংক্রিয় আপডেট চালু থাকলে পুরোনো অ্যাপটি নতুন সংস্করণে বদলে যাবে। অ্যাপটি বিনামূল্যে অ্যাপল অ্যাপ স্টোর ও গুগল প্লেতে পাওয়া যাচ্ছে।

 

আইআরএসের নামে নকল অ্যাপ বা বার্তা থেকে সতর্ক থাকতে বলেছে সংস্থাটি। আসল অ্যাপ খুঁজতে আইআরএসের ওয়েবসাইটে থাকা যাচাইকৃত লিংক ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়েছে তারা। অনাকাঙ্ক্ষিত বার্তা বা ইমেইলে আইআরএস ব্যক্তিগত ও আর্থিক তথ্য চায় না বলেও জানিয়েছে।
 


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
ডোনাল্ড ট্রাম্পকে এ আই এর ঝুঁকি নিয়ে বুঝাতে আগ্রহী বিল গেটস
ডোনাল্ড ট্রাম্পকে এ আই এর ঝুঁকি নিয়ে বুঝাতে আগ্রহী বিল গেটস

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের ঝুঁকি ও প্রয়োজনীয় সুরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে চান বিল গেটস। মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা বলেছেন, এআইয়ের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ ‘ধাপ্পা’ নয়। তাঁর মতে, প্রযুক্তিটির ওপর নজরদারি বাড়ালে যুক্তরাষ্ট্র চীনের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়বে, এমন ধারণাও ঠিক নয়। এনবিসির মিট দ্য প্রেস অনুষ্ঠানে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।    ট্রাম্প এর আগে এআই খাতে নতুন নিয়ন্ত্রণের আহ্বানকে ‘ধাপ্পা’ বলে অভিহিত করেন। তাঁর বক্তব্য, যুক্তরাষ্ট্রে এআই প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ ইতিমধ্যে রয়েছে; নতুন নিয়মের কারণে প্রযুক্তিটির অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হওয়া উচিত নয়। চীন এতে সুবিধা পেতে পারে বলেও তিনি যুক্তি দিয়েছেন।    গেটসের মতে, ট্রাম্প তাঁর এবং অন্যদের বক্তব্য শুনলে বুঝতে পারবেন, সুরক্ষা ব্যবস্থা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিযোগিতার সক্ষমতা কমাবে না। এআইয়ের উন্নয়নের গতি কমানো হবে কি না, সেটি আলাদা আলোচনা। কিন্তু প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যবহৃত এআই কী করছে, তা পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা এখনই যুক্ত করা সম্ভব বলে মনে করেন তিনি।    গেটস বলেন, শুধু প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর নিজেরা নিয়ম মেনে চলার ওপর নির্ভর করা যথেষ্ট নয়। নজরদারি ও সুরক্ষার নিয়ম কেমন হবে, তা নির্ধারণে আইনপ্রণেতা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাকেও যুক্ত করতে হবে।    তাঁর আশঙ্কা, অসৎ উদ্দেশ্যে এআই ব্যবহার করে প্রতারণা বা সাইবার হামলার মতো ঘটনা ঘটতে পারে। কোনো ঘটনা ঘটলে তা শনাক্ত ও তদন্ত করার জন্য এআই ব্যবস্থার ভেতরেই পর্যবেক্ষণ ও তথ্য সংরক্ষণের ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন বলে তিনি জানিয়েছেন। এগুলো গেটসের তুলে ধরা সম্ভাব্য ঝুঁকি; তাঁর বক্তব্যকে কোনো নির্দিষ্ট হামলার পূর্বাভাস হিসেবে দেখা যাবে না।    চীনও সুরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে বলে মনে করেন গেটস। তবে এআই নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন দেশের মধ্যে সমঝোতা করা কঠিন হবে বলেও স্বীকার করেছেন তিনি। 

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬ ৪:১০
ট্রাম্পের প্রতি সমর্থনের চেয়ে অসমর্থন বেশি ২২ দশমিক ৪ পয়েন্ট

ট্রাম্পের প্রতি সমর্থনের চেয়ে অসমর্থন বেশি ২২ দশমিক ৪ পয়েন্ট

কর ফেরতের তথ্য ও বকেয়া দেখার সুযোগ নিয়ে আইআরএসের নতুন অ্যাপ

কর ফেরতের তথ্য ও বকেয়া দেখার সুযোগ নিয়ে আইআরএসের নতুন অ্যাপ

সপ্তাহে ছয় দিন যেতেন ডেটে, দুই বছরে ১৫ হাজার ডলার সাশ্রয় করলেন নারী

সপ্তাহে ছয় দিন যেতেন ডেটে, দুই বছরে ১৫ হাজার ডলার সাশ্রয় করলেন নারী

নিউ ইয়র্কে মায়েদের জন্য ফর্মুলা ও খাবার সহায়তা
নিউ ইয়র্কে মায়েদের জন্য ফর্মুলা ও খাবার সহায়তা, উইকে আবেদন করবেন যেভাবে জানুন

নিউ ইয়র্ক সিটিতে বসবাসরত যোগ্য বাংলাদেশি পরিবারগুলো শিশুদের খাবার, নির্দিষ্ট ধরনের ইনফ্যান্ট ফর্মুলা ও অন্যান্য পুষ্টিকর খাবার কিনতে উইক কর্মসূচির সহায়তা পেতে পারে। গর্ভবতী নারী, সদ্য সন্তান জন্ম দেওয়া মা এবং পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুর পরিবারের জন্য এ কর্মসূচি চালু রয়েছে। এটি শুধু বাংলাদেশিদের জন্য নয়; যোগ্য নিউইয়র্কবাসী সবাই আবেদন করতে পারেন।    নিউ ইয়র্ক সিটির সরকারি তথ্যসেবা অ্যাকসেস এনওয়াইসি জানিয়েছে, উইকে আবেদনের সময় ইমিগ্রেশন স্ট্যাটাস জানতে চাওয়া হয় না। তবে নিউ ইয়র্ক অঙ্গরাজ্যে বসবাস, পরিবারের আয় এবং কর্মসূচির অন্যান্য যোগ্যতার শর্ত পূরণ করতে হয়। শিশুর বাবা, দাদা-দাদি, নানা-নানি বা অন্য প্রধান পরিচর্যাকারীও শিশুর জন্য আবেদন করতে পারেন।    উইকের সুবিধা নগদ টাকা হিসেবে দেওয়া হয় না। যোগ্য ব্যক্তিরা ই-উইক কার্ড দিয়ে অনুমোদিত খাবার কেনেন। পরিবারের প্রয়োজন অনুযায়ী খাবারের পাশাপাশি পুষ্টি বিষয়ে পরামর্শ ও বুকের দুধ খাওয়ানোর সহায়তাও পাওয়া যায়। কোন শিশুর জন্য কী খাবার বা ফর্মুলা পাওয়া যাবে, তা উইক অফিস নির্ধারণ করে।    আবেদন বা কাছের উইক অফিসের তথ্য জানতে ১-৮০০-৫২২-৫০০৬ নম্বরে কল করা যায়। ফোনে বা সরাসরি সাক্ষাতের সময় ঠিক করতেও এই নম্বর ব্যবহার করা যায়।    উইকের বাইরে বিনামূল্যে খাবারের প্রয়োজন হলে নিউ ইয়র্ক সিটির কমিউনিটি ফুড কানেকশন কর্মসূচির ফুড প্যান্ট্রি ও কমিউনিটি কিচেনের খোঁজ পাওয়া যায় ৩১১ নম্বরে কল করে। প্রচলিত ‘NYC FOOD’ লিখে ৩০৪-৩০৪ নম্বরে টেক্সট করার নির্দেশনাটি মূলত আগের বছরের গ্রীষ্মকালীন খাবার কর্মসূচির প্রচারে ব্যবহৃত হয়েছে। বর্তমান ফুড প্যান্ট্রির অবস্থান জানতে সিটি কর্তৃপক্ষ ৩১১ নম্বর ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬ ৩:১২
নিউইয়র্ক ও নিউ জার্সিসহ ছয় রাজ্যে ঝড়, শত শত ফ্লাইট বাতিল

নিউইয়র্ক ও নিউ জার্সিসহ ছয় রাজ্যে ঝড়, শত শত ফ্লাইট বাতিল, বিদ্যুৎহীন লক্ষাধিক মানুষ

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়ালমার্টের দোকানগুলোতে কাগজের মূল্যতালিকার পরিবর্তে ডিজিটাল লেবেল ব্যবহার বাড়ছে। ছবি: সংগৃহীত

সুপারমার্কেটে ডিজিটাল মূল্য তালিকা নিয়ে উদ্বেগ, ক্রেতাদের আশ্বস্ত করল ওয়ালমার্ট

নিউইয়র্কের CUNY ব্যবস্থায় সাম্প্রতিক বছরগুলোতে স্নাতক সম্পন্নের হার নিয়ে নতুন তথ্য প্রকাশ হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

সিটি ইউনিভার্সিটি অব নিউইয়র্কে কমছে গ্র্যাজুয়েশনের হার, উঠছে শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন

প্রতীকী ছবি
নিউইয়র্কে বাংলাদেশিদের উদ্যোগে নির্মাণ হবে ৮ মিলিয়ন ডলারের মসজিদ

নিউইয়র্কের কুইন্সের ওজন পার্কে নতুন আল ফুরকান মসজিদ নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও তহবিল সংগ্রহের অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববারের এ আয়োজনে স্থানীয় বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও মুসল্লিরা অংশ নেন।   নতুন মসজিদটি নির্মাণে প্রায় ৮ মিলিয়ন ডলার ব্যয় হবে বলে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। তিনতলা ভবনটির নির্মাণকাজ প্রায় তিন বছরের মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। মসজিদটি নির্মিত হলে ওজন পার্ক ও আশপাশের এলাকায় বসবাসকারী মুসল্লিদের নামাজ আদায়, ধর্মীয় শিক্ষা ও বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমের জন্য আরও বড় পরিসরের সুযোগ তৈরি হবে।   আল ফুরকান জামে মসজিদ দীর্ঘদিন ধরে ওজন পার্কের মুসলিম কমিউনিটিতে ধর্মীয় ও সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। মসজিদের নিজস্ব ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটি ২০০০ সালে একটি ছোট বেসমেন্ট থেকে কার্যক্রম শুরু করে। বর্তমানে সেখানে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, জুমার নামাজ, ঈদের নামাজ, জানাজা এবং বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। পাশাপাশি ইসলামি স্কুল, কোরআন তাফসির ও ধর্মীয় শিক্ষার বিভিন্ন কার্যক্রমও পরিচালিত হয়।   মসজিদটির বর্তমান ঠিকানা ৭৬-১৮ গ্লেনমোর অ্যাভিনিউ, ওজন পার্ক, কুইন্স। স্থানীয় বিভিন্ন তথ্যসূত্রেও এটিকে ওই এলাকার মুসলিম কমিউনিটির একটি পরিচিত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।   নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগের বিষয়ে কুইন্স কমিউনিটি বোর্ড ১০-এর ২০২৬ সালের জুনের সভার নথিতেও আল-ফুরকান-সংক্রান্ত নতুন ভবনের জন্য খননকাজের উল্লেখ পাওয়া যায়। সেখানে প্রস্তাবিত নতুন ভবনের জন্য খননকাজের অনুমতির বিষয়টি আলোচনায় আসে।   রোববারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও তহবিল সংগ্রহের আয়োজনে বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণ নতুন মসজিদ নির্মাণ প্রকল্পে স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের সম্পৃক্ততার বিষয়টিও তুলে ধরে। আয়োজকদের পরিকল্পনা অনুযায়ী, নির্মাণকাজ শেষ হলে নতুন ভবনটি শুধু নামাজের স্থান হিসেবে নয়, ধর্মীয় শিক্ষা ও কমিউনিটির বিভিন্ন কার্যক্রমের জন্যও ব্যবহৃত হবে।   ওজন পার্ক কুইন্সের একটি বহুজাতিক এলাকা, যেখানে দক্ষিণ এশীয় অভিবাসীদের পাশাপাশি বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মানুষ বসবাস করেন। আল ফুরকান জামে মসজিদও দীর্ঘদিন ধরে এ এলাকার মুসলিমদের ধর্মীয় কর্মকাণ্ডের একটি কেন্দ্র হিসেবে কাজ করছে। মসজিদের নিজস্ব তথ্য অনুযায়ী, এটি একটি অলাভজনক ও অরাজনৈতিক ধর্মীয় সংগঠন।   নতুন তিনতলা মসজিদ নির্মাণের জন্য প্রায় ৮ মিলিয়ন ডলারের যে তহবিল প্রয়োজন হবে, তা সংগ্রহে কমিউনিটির সহযোগিতাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মধ্য দিয়ে দীর্ঘমেয়াদি নির্মাণ প্রকল্পটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হলো বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।   তবে নতুন ভবনের মোট আয়তন, আসনসংখ্যা এবং নির্মাণের নির্দিষ্ট সমাপ্তির তারিখ সম্পর্কে মসজিদের প্রকাশ্য ওয়েবসাইটে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। তাই এসব বিষয়ে আয়োজকদের ঘোষণাকেই প্রাথমিক তথ্য হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।  

নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬ ২১:৪৩
নিউইয়র্কের গ্রিনউইচ ভিলেজের একটি অ্যাপার্টমেন্ট ভবনের লবিতে ডেলিভারি কর্মীর কর্মকাণ্ড নিরাপত্তা ক্যামেরায় ধরা পড়ে। ছবি: সংগৃহীত

নিউইয়র্কে ডেলিভারি দিতে গিয়ে অ্যাপার্টমেন্টের লবিতে প্রস্রাব, ক্যামেরায় ধরা পড়লেন কর্মী

যুক্তরাষ্ট্রের বৈধ অভিবাসন ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রস্তাব। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ড ও বৈধ অভিবাসন ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের প্রস্তাব, সিনেটে নতুন বিল উত্থাপন

যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন রাজ্যে মর্টগেজের সুদ বাড়ার গতিতে বড় পার্থক্য দেখা গেছে

বাড়ি কিনতে খরচ বাড়ছে কোথায়, কমছে কোন রাজ্যে- দেখুন তালিকা

0 Comments