আমেরিকা

যে কারণে সংবাদমাধ্যমকে দোষারোপ করলেন ট্রাম্প

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ইরানকে ঘিরে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই মার্কিন সংবাদমাধ্যমের ওপর তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি অভিযোগ করেছেন, কিছু সংবাদমাধ্যম এমনভাবে খবর প্রকাশ করছে যেন তারা যুক্তরাষ্ট্রের পরাজয় দেখতে চায়।

 

এর আগে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুই মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানায়, সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে অবস্থানরত পাঁচটি মার্কিন বিমান ইরানি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

 

তবে এই দাবি সরাসরি নাকচ করে দেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, কয়েকদিন আগে ওই ঘাঁটিতে হামলা হলেও বিমানগুলো ধ্বংস বা গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি।

 

ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, পাঁচটি বিমানের মধ্যে চারটির প্রায় কোনো ক্ষতি হয়নি এবং সেগুলো ইতোমধ্যেই আবার উড্ডয়নের জন্য প্রস্তুত। আর একটি বিমানে তুলনামূলক কিছুটা বেশি ক্ষতি হয়েছে, তবে সেটিও দ্রুত মেরামত করে আকাশে ওড়ানোর প্রস্তুতি চলছে।

 

এ প্রসঙ্গে ট্রাম্প আরও অভিযোগ করেন, কিছু গণমাধ্যম ইচ্ছাকৃতভাবে এমন খবর প্রকাশ করছে যাতে মনে হয় যুক্তরাষ্ট্র বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে। তার দাবি, বাস্তবতা ভিন্ন হলেও মিডিয়া এমন একটি চিত্র তুলে ধরছে যেন যুক্তরাষ্ট্র এই যুদ্ধে হেরে যাচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

আমেরিকা

View more
ছবি: সংগৃহীত
হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তায় চীন-জাপান-যুক্তরাজ্যসহ ৫ দেশকে পাশে চায় ট্রাম্প

মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনার মধ্যেই আন্তর্জাতিক সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, যেসব দেশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা তেল ব্যবহার করে, তাদেরই এই গুরুত্বপূর্ণ পথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এগিয়ে আসা উচিত।   নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল–এ দেওয়া একাধিক পোস্টে ট্রাম্প উল্লেখ করেন, ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, যুক্তরাজ্য এবং চীন—এই দেশগুলো যদি হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা তেলের ওপর নির্ভর করে, তাহলে এই জলপথের নিরাপত্তা রক্ষায় তাদেরও দায়িত্ব রয়েছে।   ট্রাম্পের মতে, হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা কেবল যুক্তরাষ্ট্রের একার দায়িত্ব হতে পারে না। বরং এটি হওয়া উচিত আন্তর্জাতিক অংশীদারদের যৌথ প্রচেষ্টা। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, যারা এই প্রণালি থেকে সুবিধা পায়, তাদেরই এর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব নিতে হবে।   বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই মন্তব্যে বোঝা যাচ্ছে যে হরমুজ প্রণালি ঘিরে পরিস্থিতি এখনো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। বিশেষ করে ইরান কার্যত এই পথ বন্ধ করে দেওয়ার পর আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।   এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে এই অঞ্চলে বড় সামরিক উপস্থিতি বজায় রেখেছে এবং অতিরিক্ত মেরিন সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এতে স্পষ্ট হচ্ছে, জাহাজ চলাচল নিরাপদ রাখা এখন ওয়াশিংটনের জন্যও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।   সূত্র: আল-জাজিরা

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

যে কারণে সংবাদমাধ্যমকে দোষারোপ করলেন ট্রাম্প

ছবি: সংগৃহীত

উপসাগরীয় দেশগুলো ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে—মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দাবি

মার্কিন ভিসা

ভিসায় বড় পরিবর্তন: মার্কিন দূতাবাসের জরুরি সতর্কবার্তা

যুক্তরাষ্ট্রে সংঘবদ্ধ ডাকাতি বেড়েই চলেছে, এক মিনিটে ১৭ লাখ ডলারের গয়না লুট
যুক্তরাষ্ট্রে সংঘবদ্ধ ডাকাতি বেড়েই চলেছে, এক মিনিটে ১৭ লাখ ডলারের গয়না লুট

যুক্তরাষ্ট্রে সংঘবদ্ধ ডাকাতির ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে চলেছে। সর্বশেষ ক্যালিফোর্নিয়ার বে এরিয়ায় এক দুঃসাহসিক স্ম্যাশ-অ্যান্ড-গ্র্যাব ডাকাতির ঘটনায় মাত্র এক মিনিটের মধ্যে প্রায় ১৭ লাখ ডলারের স্বর্ণ ও হীরার গয়না লুট করে পালিয়ে গেছে একদল মুখোশধারী দুর্বৃত্ত।   পুলিশ জানিয়েছে, কয়েকজনের একটি সংঘবদ্ধ দল হঠাৎ করেই একটি জুয়েলারি দোকানে ঢুকে পড়ে এবং হাতুড়ি ও ভারী বস্তু দিয়ে কাচের শোকেস ভাঙতে শুরু করে। দোকানের কর্মচারীরা আতঙ্কে নিরাপদ স্থানে সরে যান, আর সেই সুযোগে ডাকাতরা দ্রুত মূল্যবান গয়না ব্যাগে ভরে ফেলে। পুরো ঘটনাটি ঘটে মাত্র ৬০ থেকে ৭০ সেকেন্ডের মধ্যে, যা সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়েছে।   ডাকাতরা ঘটনাস্থল থেকে একাধিক গাড়িতে করে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত এলাকায় অভিযান চালায় এবং সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করতে আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এই ডাকাতির সাথে একটি সংগঠিত অপরাধচক্র জড়িত।   আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক সময়ে ক্যালিফোর্নিয়া সহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে মব-স্টাইল স্ম্যাশ-অ্যান্ড-গ্র্যাব ডাকাতি বেড়ে গেছে। বিশেষ করে বিলাসবহুল দোকান, জুয়েলারি শপ ও ব্র্যান্ডেড স্টোরগুলোকে টার্গেট করা হচ্ছে, কারণ অল্প সময়ে বড় অঙ্কের মালামাল লুট করা সম্ভব।   পুলিশ জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে এবং ঘটনার সাথে জড়িতদের ধরতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ১৪, ২০২৬ 0
ট্রাম্পের নির্দেশে ইরানের প্রধান তেলকেন্দ্র খার্গ দ্বীপে মার্কিন হামলা

ট্রাম্পের নির্দেশে ইরানের প্রধান তেলকেন্দ্র খার্গ দ্বীপে মার্কিন হামলা

হরমুজে হামলা চললে ইরানের জ্বালানি বাণিজ্য ধ্বংসের হুমকি ট্রাম্পের

হরমুজে হামলা চললে ইরানের জ্বালানি বাণিজ্য ধ্বংসের হুমকি ট্রাম্পের

ছবি: সংগৃহীত

ট্রাম্পের আসন্ন বিপদ ‘এপস্টেইন ফাইল’

ছবি: সংগৃহীত
ইরান যুদ্ধ কংগ্রেসের মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প–এর জন্য রাজনৈতিকভাবে কঠিন সময় তৈরি করেছে। ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতি এবং বিদেশি যুদ্ধে জড়িত না হওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এলেও এখন তিনি একের পর এক সামরিক অভিযানে জড়িয়ে পড়েছেন। সর্বশেষ ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে এর বড় প্রভাব পড়ছে।   বিভিন্ন জরিপে দেখা গেছে, অধিকাংশ মার্কিন নাগরিক এই যুদ্ধ সমর্থন করছেন না এবং ইরানকে সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় সামরিক হুমকি হিসেবেও দেখছেন না। যুদ্ধের ফলে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো হামলার মুখে পড়েছে এবং অনেক মার্কিন সেনা হতাহত হয়েছেন।   বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প দ্রুত সামরিক সাফল্য আশা করলেও বাস্তবে পরিস্থিতি অনেক জটিল হয়ে উঠেছে। ফলে এই যুদ্ধ আসন্ন কংগ্রেসের মধ্যবর্তী নির্বাচনে তার দল রিপাবলিকান পার্টি–এর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।   বর্তমানে প্রতিনিধি পরিষদের ৪৩৫ আসনের মধ্যে রিপাবলিকানদের দখলে রয়েছে ২১৮টি এবং ডেমোক্র্যাটিক পার্টি–এর দখলে ২১৩টি আসন। অন্যদিকে সিনেটের ১০০ আসনের মধ্যে রিপাবলিকানদের ৫৩টি এবং ডেমোক্র্যাটদের ৪৭টি আসন রয়েছে। দুই কক্ষেই খুব অল্প ব্যবধানে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রেখেছে রিপাবলিকানরা।   আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে যদি এই নিয়ন্ত্রণ হারায়, তাহলে ট্রাম্পের অনেক নীতি ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন কঠিন হয়ে পড়বে। এমনকি ডেমোক্র্যাটরা সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে অভিশংসন প্রক্রিয়া শুরু করার সুযোগও তৈরি হতে পারে।   সাম্প্রতিক জরিপগুলোতে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা কমার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। এক জরিপে দেখা গেছে তার প্রতি জনসমর্থন নেমে এসেছে মাত্র ৩৬ শতাংশে। একই সঙ্গে অনেক ভোটার যুদ্ধের অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন।   আরেক জরিপে ৫৪ শতাংশ ভোটার ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের পদক্ষেপকে প্রত্যাখ্যান করেছেন, যেখানে সমর্থন করেছেন ৪১ শতাংশ। একইভাবে ৫২ শতাংশ ভোটার মনে করেন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া উচিত ছিল না।   অর্থনৈতিক দিক থেকেও চাপ বাড়ছে। যুদ্ধ শুরুর পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়েছে, ফলে পেট্রোল ও জ্বালানির দামও বাড়ছে। এতে মার্কিন নাগরিকদের দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব পড়ছে এবং মুদ্রাস্ফীতির চাপ বাড়ছে।   বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধের ব্যয়, তেলের দাম বৃদ্ধি এবং চাকরি সংকট—সব মিলিয়ে মার্কিন ভোটারদের মনোভাব দ্রুত বদলাচ্ছে। এই পরিবর্তন আগামী নির্বাচনে বড় রাজনৈতিক প্রভাব ফেলতে পারে এবং ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৪, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ট্রাম্পের উপদেষ্টার ভিসা বাতিল করল ব্রাজিল

ছবি: সংগৃহীত

ইরান যুদ্ধের প্রভাব বৈশ্বিক বাজারে, মার্কিন শেয়ারবাজারে বড় পতন

ছবি: সংগৃহীত

এক বা দুই সপ্তাহের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধ করতে পারেন ট্রাম্প: সাবেক মার্কিন দূত

0 Comments