আমেরিকা

ইরানের পাল্টা অভিযানে ৬৫০ মার্কিন সেনা হতাহত দাবি

তাবাস্সুম মার্চ ৩, ২০২৬ 0
৬৫০ মার্কিন সেনা হতাহত হয়েছে বলে দাবি করেছে আইআরজিসি। ছবি: সংগৃহীত
৬৫০ মার্কিন সেনা হতাহত হয়েছে বলে দাবি করেছে আইআরজিসি। ছবি: সংগৃহীত

ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তাদের পাল্টা “ট্রু প্রমিস ৪” অভিযানে দুই দিনে ৬৫০ জনের বেশি মার্কিন সেনা নিহত বা আহত হয়েছেন। এই অভিযানে পারস্য উপসাগরজুড়ে মার্কিন ঘাঁটি ও যুদ্ধজাহাজ লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।

 

আইআরজিসির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলি মোহাম্মদ নায়েনি মঙ্গলবার (৩ মার্চ) জানান, বাহরাইনে মার্কিন নৌঘাঁটি ও সামরিক সদরদপ্তরে হামলার পর ইরানি উপকূলীয় জলসীমা থেকে বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে। তিনি দাবি করেন, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোতে ইরানি বাহিনী ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করেছে।

 

নায়েনি বলেন, যুদ্ধের প্রথম দুই দিনেই ৬৫০ মার্কিন সেনা হতাহত হয়েছেন। তিনি আরও জানান, এক দফা হামলায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন সামরিক স্থাপনায় আঘাত হানার সময় ১৬০ জন মার্কিন সেনা নিহত বা আহত হয়েছে। পাশাপাশি, মার্কিন নৌবাহিনীর এমএসটি কমব্যাট সাপোর্ট জাহাজ ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

 

আইআরজিসি আরও জানিয়েছে, ইরানি নৌবাহিনী দক্ষিণ-পূর্ব ইরানের চাবাহার উপকূল থেকে প্রায় ২৫০–৩০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থানরত ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনকে লক্ষ্য করে চারটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। হামলার পর এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ারটি দক্ষিণ-পূর্ব ভারত মহাসাগরের দিকে চলে যায়।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

আমেরিকা

View more
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত
ট্রাম্পের বিরুদ্ধে নিজের দেশেই তীব্র প্রশ্ন উঠল

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও নতুনভাবে ব্যাখ্যা দিয়েছেন, কেন ইরানে সামরিক হামলা চালানো হয়েছিল। তিনি জানিয়েছেন, ইসরাইল ইরানে আঘাত হানার জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিল এবং হামলা শুরু হলে তেহরানের পাল্টা আঘাতের লক্ষ্যবস্তু মার্কিন বাহিনী হতো। এই আশঙ্কা থেকেই ট্রাম্প প্রশাসন আগেভাগে ইরানে অভিযান শুরু করার সিদ্ধান্ত নেয়।   ওয়াশিংটনে কংগ্রেসে অনুষ্ঠিত এক শুনানিতে রুবিও এসব কথা বলেন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন সিআইএর পরিচালক জন র‍্যাটক্লিফ এবং জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান ড্যান কেইন। রুবিও বলেন, ইসরাইল পদক্ষেপ নেবে—এটি আগেই জানা ছিল, তাই মার্কিন বাহিনীর ওপর হামলার ঝুঁকি এড়াতে আগে আঘাত করা প্রয়োজন ছিল।   ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ফক্স নিউজকে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের মূল লক্ষ্য ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখা। তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট এই লক্ষ্য না পূরণ হওয়া পর্যন্ত থামবেন না। তবে প্রশাসনের মধ্যে ভ্যান্স আগে ইরানে সামরিক হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করেছিলেন।   সংঘাত শুরুর পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের বিভিন্ন স্থানে বিমান হামলা চালিয়েছে। জবাবে তেহরান মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘনিষ্ঠ দেশগুলোতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে। এসব হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনিসহ কয়েকজন শীর্ষ সামরিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। মার্কিন পক্ষও ছয়জন সেনাসদস্যের মৃত্যুর কথা স্বীকার করেছে। ইরানের রেড ক্রিসেন্টের তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে মৃতের সংখ্যা কমপক্ষে ৭৮৭ জন।   এই ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে বিভাজন আরও স্পষ্ট হয়েছে। রিপাবলিকানরা ট্রাম্পের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করলেও ডেমোক্র্যাটরা এটিকে অপ্রয়োজনীয় সংঘাত বলে সমালোচনা করছেন। সিনেটে ডেমোক্র্যাট নেতা চাক শুমার বলেন, এটি ট্রাম্পের বেছে নেওয়া যুদ্ধ, যার শেষ করার পরিকল্পনা স্পষ্ট নয়।   সিনেট ইন্টেলিজেন্স কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান মার্ক ওয়ার্নার উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ইসরাইল যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন জটিল যুদ্ধে জড়িয়ে ফেলেছে। তিনি মনে করেন, ইরানের হুমকি মূলত ইসরাইলের প্রতি ছিল; যুক্তরাষ্ট্রের ওপর সরাসরি হুমকি হিসেবে ধরা হলে পরিস্থিতি অনিশ্চিত হয়ে যাবে।   রুবিও বলেন, ইরানের ওপর হামলার মূল লক্ষ্য ছিল তাদের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ও নৌবাহিনী ধ্বংস করা। শুনানি শেষে মার্ক ওয়ার্নার মন্তব্য করেন, এই যুদ্ধের প্রকৃত লক্ষ্য ও সমাপ্তি পরিকল্পনা স্পষ্ট করা এবং প্রেসিডেন্টের কংগ্রেসের কাছে ব্যাখ্যা দেওয়া প্রয়োজন।

তাবাস্সুম মার্চ ৩, ২০২৬ 0
৬৫০ মার্কিন সেনা হতাহত হয়েছে বলে দাবি করেছে আইআরজিসি। ছবি: সংগৃহীত

ইরানের পাল্টা অভিযানে ৬৫০ মার্কিন সেনা হতাহত দাবি

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

‘বড় ঢেউ’ আসছে, হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

বিক্ষোভ

ইরানে হা/মলা বন্ধের দাবিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে সাধারণ মানুষের বিক্ষোভ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার।
স্টারমারের সহযোগিতায় ক্ষিপ্ত ট্রাম্প, তলানিতে ব্রিটেন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক

আটলান্টিকের দুই পাড়ের দীর্ঘদিনের 'বিশেষ সম্পর্ক' কি তবে ফাটলের মুখে? সম্প্রতি ইরানে মার্কিন হামলার ঘটনায় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করে বিশ্ব রাজনীতিতে শোরগোল ফেলে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।  বিখ্যাত সংবাদমাধ্যম 'দ্য সান'-কে দেওয়া এক একান্ত টেলিফোন সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প সরাসরি অভিযোগ করেছেন যে, স্টারমার তাকে যথাযথ সহযোগিতা করছেন না। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে দুই দেশের মধ্যকার ঐতিহাসিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আর আগের জায়গায় নেই। স্টারমারের ওপর ক্ষোভ উগরে দিয়ে ট্রাম্প বলেন, "প্রধানমন্ত্রী সাহায্য করছেন না। আমি কখনও ভাবিনি যে যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে এমন কিছু দেখতে হবে। সম্পর্কটি স্পষ্টতই আগের মতো নেই এবং এটি অত্যন্ত দুঃখজনক।" ঘটনার নেপথ্যে যা ঘটেছে: আকাশপথ ব্যবহারে বাধা: শুরুতে ইরানে হামলার জন্য ব্রিটিশ সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দেয়নি যুক্তরাজ্য সরকার। নীতিগত পার্থক্য: সোমবার প্রধানমন্ত্রী স্টারমার স্পষ্ট জানান, তার সরকার আকাশ থেকে হামলা চালিয়ে কোনো দেশের শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনে বিশ্বাসী নয়। আংশিক সহযোগিতা: যদিও পরবর্তীতে ব্রিটিশ ঘাঁটিগুলো থেকে 'প্রতিরক্ষামূলক' হামলার অনুমতি দেওয়া হয়, তবে ততক্ষণে দুই নেতার মধ্যে দূরত্বের সৃষ্টি হয়েছে। সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প ফ্রান্সসহ অন্যান্য মিত্রদের প্রশংসা করলেও ব্রিটেনের ভূমিকাকে নেতিবাচকভাবে তুলে ধরেন। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, "ফ্রান্স দুর্দান্ত কাজ করছে, কিন্তু যুক্তরাজ্য এখন অন্যদের চেয়ে অনেক আলাদা আচরণ করছে।"  আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, স্টারমার ও ট্রাম্পের এই বাগযুদ্ধ আগামী দিনে পশ্চিমা বিশ্বের প্রতিরক্ষা ও কূটনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ৩, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।

‘ঝুঁকি বেশি, লাভও বেশি’, যে লোভে হাজার হাজার মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিলেন ট্রাম্প

সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।

এপস্টাইনের সাথে ‘দারুণ সময়’ কেটেছে ট্রাম্পের: বিস্ফোরক জবানবন্দী ক্লিনটনের

Trump

যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ‘চিরকাল’ যুদ্ধ চালানোর মতো পর্যাপ্ত অস্ত্র মজুত আছে: ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
ইরান হামলা নিয়ে কংগ্রেসে ব্যাখ্যা দিলেন ট্রাম্প — সামরিক অভিযানের সময়সীমা অনিশ্চিত

ওয়াশিংটন, প্রতিবেদন: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক সামরিক হামলা নিয়ে কংগ্রেসে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দিয়েছেন। ‘ওয়ার পাওয়ারস রেজুলেশন’ অনুযায়ী জমা দেওয়া এক চিঠিতে তিনি অভিযানের উদ্দেশ্য ও প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন।   চিঠিতে ট্রাম্প উল্লেখ করেন, তার প্রশাসন কূটনৈতিক সমাধানের চেষ্টা করলেও ইরানের কর্মকাণ্ড যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের জন্য গুরুতর হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছিল। সেই প্রেক্ষাপটে তার নির্দেশে মার্কিন বাহিনী ইরানের ভেতরে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং সামরিক কমান্ড কাঠামোসহ একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁত হামলা চালায়।   তিনি দাবি করেন, এই পদক্ষেপের লক্ষ্য ছিল মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন বাহিনীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ রক্ষা করা এবং Strait of Hormuz দিয়ে আন্তর্জাতিক নৌবাণিজ্যের অবাধ চলাচল বজায় রাখা। পাশাপাশি ইসরায়েলসহ মিত্রদের সম্মিলিত আত্মরক্ষার অংশ হিসেবেও এ অভিযান পরিচালিত হয়েছে বলে উল্লেখ করেন।   প্রেসিডেন্ট আরও জানান, অভিযানে কোনো মার্কিন স্থলবাহিনী ব্যবহার করা হয়নি এবং বেসামরিক হতাহতের ঝুঁকি কমানোর চেষ্টা করা হয়েছে। তবে তিনি স্বীকার করেন, সামরিক অভিযানের পূর্ণ সময়সীমা এখনই নির্ধারণ করা সম্ভব নয় এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী ভবিষ্যতে অতিরিক্ত পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।   বিশ্লেষকদের মতে, সময়সীমা অনিশ্চিত থাকায় এই অভিযান দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতে রূপ নিতে পারে কি না—তা নিয়েই এখন রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।

নিলুফা ইয়াসমিন মার্চ ৩, ২০২৬ 0
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

ইরানে ‘কঠোর আঘাত’ এখনো করিনি, ‘মূল আক্রমণ শিগগিরই’: ট্রাম্প

হোয়াইট হাউসের ইস্ট রুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ডোনাল্ড ট্রাম্প

ইরানে হামলায় ‘সবার সমর্থন’ ছিল: ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওয়াশিংটন ডিসির হোয়াইট হাউসে নিজের ডেস্কে । ছবি: রয়টার্স

সৌদি যুবরাজের চাপেই কি ইরানে হামলার সিদ্ধান্ত নেন ট্রাম্প?

0 Comments