সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

ট্যাম্পায় নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থীর খোঁজে জোর তৎপরতা, এখনো মেলেনি সন্ধান

তাবাস্সুম মোহাম্মদ প্রকাশ: এপ্রিল ২১, ২০২৬ ২৩:১১
জামিল লিমন ও নাহিদা ব্রিস্টি | ছবি: সংগৃহীত
জামিল লিমন ও নাহিদা ব্রিস্টি | ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের ট্যাম্পায় নিখোঁজ হওয়া ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডা (University of South Florida)–এর দুই বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী জামিল লিমন ও নাহিদা ব্রিস্টিকে খুঁজে বের করতে জোর তৎপরতা চালাচ্ছে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তবে সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এখনো তাদের কোনো সন্ধান মেলেনি।

 

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত ১৬ এপ্রিল তাদের সর্বশেষ আলাদাভাবে দেখা যায়। জামিল লিমনকে সকাল ৯টার দিকে তার বাসার কাছে এবং নাহিদা ব্রিস্টিকে সকাল ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যাম্পা ক্যাম্পাসে শেষবার দেখা গেছে। এরপর থেকে তাদের সঙ্গে পরিবারের সদস্য, বন্ধু বা সহপাঠীদের কোনো যোগাযোগ হয়নি বলে জানা গেছে।

 

পরদিন ১৭ এপ্রিল, এক পারস্পরিক পরিচিত ব্যক্তি তাদের নিখোঁজের রিপোর্ট করলে অনুসন্ধান শুরু করে পুলিশ। এরপর থেকে স্থানীয় পুলিশ, বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশ বিভাগ এবং সংশ্লিষ্ট তদন্ত সংস্থাগুলো যৌথভাবে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত যাচাই করছে।

 

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, তাদের সর্বশেষ অবস্থান, মোবাইল ফোনের তথ্য এবং সম্ভাব্য চলাচলের পথ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো অপরাধমূলক ঘটনার প্রমাণ প্রকাশ করেনি কর্তৃপক্ষ।

 

এ ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে বাংলাদেশি কমিউনিটির মধ্যে গভীর উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অসংখ্য প্রবাসী বাংলাদেশি তাদের ছবি ও নিখোঁজ সংক্রান্ত পোস্ট শেয়ার করছেন। অনেকে দ্রুত তাদের নিরাপদে ফিরে আসার জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।

 

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কেউ তাদের সম্পর্কে কোনো তথ্য জানলে দ্রুত সংশ্লিষ্ট পুলিশ বিভাগে যোগাযোগ করতে অনুরোধ করা হয়েছে।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
যুক্তরাষ্ট্রে চাকরি হারালেই ছাড়তে হবে দেশ, এইচ-১বি ভিসাধারীদের ৬০ দিনের গ্রেস পিরিয়ড বাতিলের প্রস্তাব
যুক্তরাষ্ট্রে চাকরি হারালেই ছাড়তে হবে দেশ, এইচ-১বি ভিসাধারীদের ৬০ দিনের গ্রেস পিরিয়ড বাতিলের প্রস্তাব

যুক্তরাষ্ট্রে এইচ-১বি ভিসায় কর্মরত অভিবাসীদের জন্য বড় ধরনের দুঃসংবাদ নিয়ে এসেছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। সম্প্রতি ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি (ডিএইচএস) একটি নতুন প্রস্তাবনা প্রকাশ করেছে, যেখানে চাকরি হারানোর পর নতুন কাজ খোঁজার জন্য দেওয়া ৬০ দিনের ‘গ্রেস পিরিয়ড’ বা অতিরিক্ত সময়সীমা বাতিলের কথা বলা হয়েছে।   এই নিয়ম চূড়ান্ত হলে চাকরি হারানোর পর এইচ-১বি ভিসাধারীদের তাৎক্ষণিকভাবে যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ করতে হবে। বৃহস্পতিবার ফেডারেল রেজিস্টারে প্রকাশিত এই প্রস্তাবনাটি মূলত যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোতে কর্মরত বিদেশি কর্মীদের জন্য একটি বড় ধাক্কা।   ২০১৭ সাল থেকে চালু থাকা এই ৬০ দিনের গ্রেস পিরিয়ডের কারণে চাকরিচ্যুত বিদেশি কর্মীরা নতুন স্পন্সর বা নিয়োগদাতা খোঁজার সুযোগ পেতেন। দেশ ছাড়ার আগে বাড়ি বিক্রি বা সন্তানদের স্কুল থেকে ছাড়পত্র নেওয়ার মতো জরুরি কাজগুলো গুছিয়ে নেওয়ার জন্যও এই সময়টুকু তাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল।   নতুন প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, এই নিয়ম বাতিল হলে শূন্য হওয়া পদগুলোতে মার্কিন নাগরিকরাই কাজ করার সুযোগ পাবেন। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে পুনরায় ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ট্রাম্প প্রশাসন বৈধ অভিবাসন সীমিত করতে নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে, যার মধ্যে দক্ষ কর্মীদের ভিসা ফি বৃদ্ধি ও বিশ্বব্যাপী মার্কিন মিশনগুলোতে অভিবাসী ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট সাময়িক স্থগিত করা অন্যতম।   তবে এই কড়াকড়ি কেবল এইচ-১বি ভিসাধারীদের জন্যই নয়; এর প্রভাব পড়বে অন্যান্য সাময়িক ওয়ার্ক ভিসার ওপরও। আন্তর্জাতিক ব্যবসায়ী, নির্বাহী, বিজ্ঞানী, ক্রীড়াবিদ ও শিল্পীদের জন্য নির্ধারিত ই-১, ই-২, এল-১, ও-১ এবং টিএন ভিসাধারীরাও এই নতুন প্রস্তাবনার আওতাভুক্ত হবেন।   এছাড়া সিঙ্গাপুর ও চিলির দক্ষ কর্মী এবং অস্ট্রেলিয়ার বিশেষ কর্মীদের ভিসার ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে। আপাতত দুই মাসের জন্য প্রস্তাবনাটি জনমত যাচাইয়ের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে, যার পরেই এটি চূড়ান্ত করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ ১৯:৫১
যুক্তরাষ্ট্রে ভুয়া সরকারি কর্মকর্তা সেজে প্রবীণদের স্বর্ণ হাতিয়ে নেওয়া, ভারতীয় শিক্ষার্থীর ৩০ মাসের কারাদণ্ড

যুক্তরাষ্ট্রে ভুয়া সরকারি কর্মকর্তা সেজে প্রবীণদের স্বর্ণ হাতিয়ে নেওয়া, ভারতীয় শিক্ষার্থীর ৩০ মাসের কারাদণ্ড

নিউইয়র্কে বিলাসবহুল মার্সিডিজ পোড়ানোর চেষ্টা, হোমলেসদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ ব্যবসায়ীরা

নিউইয়র্কে বিলাসবহুল মার্সিডিজ পোড়ানোর চেষ্টা, হোমলেসদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ ব্যবসায়ীরা

নিউইয়র্ক সিটিতে শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা ছাড়াই চাকরি, বেতন ৪৯ হাজার ডলার পর্যন্ত

নিউইয়র্ক সিটিতে শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা ছাড়াই চাকরি, বেতন ৪৯ হাজার ডলার পর্যন্ত

সেনাসদস্য থেকে মার্কিন নাগরিক, ‘এবার আমি আমেরিকা উপভোগ করতে চাই’
সেনাসদস্য থেকে মার্কিন নাগরিক, ‘এবার আমি আমেরিকা উপভোগ করতে চাই’

নিউইয়র্কের সিরাকিউজে নাগরিকত্ব গ্রহণের অনুষ্ঠানে ১১ দেশের ১২ জন নতুন মার্কিন নাগরিক হিসেবে শপথ নিয়েছেন। তাদের মধ্যে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর চার সদস্য। বৃহস্পতিবার জেমস এম. হ্যানলি ফেডারেল কোর্টহাউসে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে তাদের কয়েক বছরের নাগরিকত্বের যাত্রা আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়।   নতুন নাগরিকদের একজন জোসেফ ইয়াওসন। যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হওয়ার স্বপ্নের সঙ্গে তাঁর আরেকটি স্বপ্ন জড়িয়ে ছিল, আর সেটি হলো মার্কিন সামরিক বাহিনীতে যোগ দেওয়া। সেই স্বপ্নও পূরণ করেছেন তিনি।   “আমার স্বপ্ন ছিল যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীতে যোগ দেওয়া, আর আমি তা করতে পেরেছি,” বলেন ইয়াওসন।   তবে নাগরিকত্ব পাওয়ার পথটি তাঁর জন্য সহজ ছিল না। ইয়াওসন জানান, পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে তাঁর প্রায় তিন থেকে চার বছর সময় লেগেছে।   “এটি খুব কঠিন একটি প্রক্রিয়া। এমন নয় যে শুধু উঠে দাঁড়ালেন আর পেয়ে গেলেন। এখানে পৌঁছাতে তিন থেকে চার বছর লেগেছে,” বলেন তিনি।   অনুষ্ঠানে মার্কিন দেউলিয়া আদালতের বিচারক প্যাট্রিক রাডেল সভাপতিত্ব করেন। এটি ছিল তাঁর পঞ্চম নাগরিকত্ব প্রদান অনুষ্ঠান। নতুন নাগরিকদের স্বাগত জানিয়ে তিনি সাবেক প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যানের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি বক্তব্যও তুলে ধরেন, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রে এসে বিভিন্ন দেশের মানুষের মার্কিন নাগরিক হওয়ার সুযোগের কথা বলা হয়।   নাগরিকত্বের শপথ নেওয়ার মাধ্যমে নতুন নাগরিকদের দীর্ঘ প্রক্রিয়ার একটি অধ্যায় শেষ হয়েছে এবং শুরু হয়েছে জীবনের নতুন অধ্যায়।   সামরিক বাহিনীতে যোগ দেওয়া এবং মার্কিন নাগরিক হওয়ার দুটি লক্ষ্যই পূরণ করেছেন ইয়াওসন। এখন তাঁর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাও ঠিক করা আছে।   “যখন আমার সময় আসবে, আমি অবসর নিতে চাই। আমি আমেরিকা উপভোগ করতে চাই,” বলেন তিনি।   সিএনওয়াই সেন্ট্রালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবারের অনুষ্ঠানে ব্রাজিল, ঘানা, পাকিস্তান, ফিলিপাইন ও সিয়েরা লিওনসহ ১১টি দেশের নাগরিকরা মার্কিন নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন।

নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ ১৮:১
নিউজার্সিতে টিন্ডারে ‘হিটম্যান’ ভাড়া করে সাবেক প্রেমিক ও তার মেয়েকে  হত্যার চেষ্টা, ২৮ বছরের তরুণী গ্রেপ্তার

নিউজার্সিতে টিন্ডারে ‘হিটম্যান’ ভাড়া করে সাবেক প্রেমিক ও তার মেয়েকে হত্যার চেষ্টা, ২৮ বছরের তরুণী গ্রেপ্তার

যুক্তরাষ্ট্রের মোট মুসলিমের ২০ শতাংশই অন্য ধর্ম থেকে ইসলাম গ্রহণ করেছেন, ১৩ দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ

যুক্তরাষ্ট্রের মোট মুসলিমের ২০ শতাংশই অন্য ধর্ম থেকে ইসলাম গ্রহণ করেছেন, ১৩ দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ

নিউইয়র্কে ট্রাম্পের শৈশবকালের জরাজীর্ণ পুরোনো বাড়ি সংস্কার করে ১৯ লাখ ডলারে বিক্রি

নিউইয়র্কে ট্রাম্পের শৈশবকালের জরাজীর্ণ পুরোনো বাড়ি সংস্কার করে ১৯ লাখ ডলারে বিক্রি

নিউইয়র্কে ৯/১১ স্মরণসভায় ‘সব মুসলিমকে বিতাড়িত করো’ স্লোগান, উগ্র ডানপন্থীদের সঙ্গে সংঘর্ষ
নিউইয়র্কে ৯/১১ স্মরণসভায় ‘সব মুসলিমকে বিতাড়িত করো’ স্লোগান, উগ্র ডানপন্থীদের সঙ্গে সংঘর্ষ

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে ৯/১১-এর স্মরণসভা চলাকালে সিটি হলের বাইরে উগ্র ডানপন্থী নেতা জেক ল্যাংয়ের ডাকা এক বিতর্কিত মিছিলে চরম বিশৃঙ্খলা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।   শুক্রবার আয়োজিত ‘ক্রুসেডার মার্চ’ নামের এই চরমপন্থী ও ইসলামবিদ্বেষী কর্মসূচিতে দুপক্ষের মধ্যে ব্যাপক হাতাহাতির সৃষ্টি হয়, যার জেরে অন্তত একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।   স্থানীয় সূত্রগুলোর তথ্যমতে, লোয়ার ম্যানহাটনের চার্চ স্ট্রিট এবং কোর্টল্যান্ড ওয়ের কাছে উগ্র ডানপন্থী ও এর বিরোধিতাকারী পাল্টা-প্রতিবাদকারীদের মধ্যে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।   প্রায় ২০০ জন বিক্ষোভকারী এই ঘটনায় জড়ান। তবে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তি জেক ল্যাংয়ের কট্টর সমর্থক নাকি বিরোধী পক্ষের কেউ, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।   চরমপন্থীদের এই মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের সন্ত্রাসী হামলার জন্য ঢালাওভাবে ইসলাম ধর্মকে দায়ী করে। এ সময় তাদের হাতে ‘সব মুসলিমকে বিতাড়িত করো’ লেখা উসকানিমূলক প্ল্যাকার্ড দেখা যায়।   এই ন্যক্কারজনক দৃশ্য ও বর্ণবাদী আচরণের প্রতিবাদে তাৎক্ষণিকভাবে পাল্টা-বিক্ষোভ শুরু করেন বর্ণবাদবিরোধীরা।   পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে হয় যখন মিছিলে নাৎসিদের স্বস্তিকা চিহ্ন সংবলিত বাহুবন্ধনী পরা একদল নব্য-নাৎসি (neo-Nazis) গোষ্ঠীর উপস্থিতিও চোখে পড়ে।   উসকানিমূলক এই জমায়েত এবং এর বিরুদ্ধে হওয়া তীব্র প্রতিবাদ নিউইয়র্কের রাস্তায় সাময়িক উত্তেজনার সৃষ্টি করেছিল।

নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬ ১৪:৪৪
চিকিৎসকের পরিচয় ব্যবহার করে ৯৩ মিলিয়ন ডলারের জালিয়াতি, ভারতীয় নাগরিককে খুঁজছে যুক্তরাষ্ট্র

চিকিৎসকের পরিচয় ব্যবহার করে ৯৩ মিলিয়ন ডলারের জালিয়াতি, ভারতীয় নাগরিককে খুঁজছে যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় একদিনেই দুই ঘনিষ্ঠ বান্ধবীকে হত্যার দায়ে বিচারের মুখোমুখি ভারতীয় বংশোদ্ভূত নারী

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় একদিনেই দুই ঘনিষ্ঠ বান্ধবীকে হত্যার দায়ে বিচারের মুখোমুখি ভারতীয় বংশোদ্ভূত নারী

যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকোতে ভুয়া দলিলে ৪০ লাখ ডলারের বাড়ি দখল, ৭ বার মালিকানা বদলের চেষ্টা

যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকোতে ভুয়া দলিলে ৪০ লাখ ডলারের বাড়ি দখল, ৭ বার মালিকানা বদলের চেষ্টা

0 Comments