বিশ্ব

মধ্যপ্রাচ্যে প্রতিদিন নিহত হচ্ছে ৮৭ শিশু: ইউনিসেফের ভয়াবহ রিপোর্ট

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৪, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
ছবি: সংগৃহীত।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে শিশুদের ওপর নেমে আসা মানবিক বিপর্যয়ের এক লোমহর্ষক চিত্র তুলে ধরেছে জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ। সংস্থাটির সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাম্প্রতিক এই সংঘাতে এখন পর্যন্ত ২,১০০-এর বেশি শিশু নিহত অথবা আহত হয়েছে। সেই হিসেবে গড়ে প্রতিদিন ৮৭ জন শিশু এই যুদ্ধের নির্মম শিকার হচ্ছে।


সোমবার জাতিসংঘে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে ইউনিসেফের ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর টেড চাইবান এই উদ্বেজনক তথ্য প্রকাশ করেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, চলমান লড়াই বন্ধ না হলে এই সংখ্যা আরও ভয়াবহভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।


দেশভিত্তিক হতাহতের পরিসংখ্যান: টেড চাইবানের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই সংঘাতে ইরানে ২০৬ জন এবং লেবাননে ১১৮ জন শিশু প্রাণ হারিয়েছে। ইসরায়েলে ৪ জন এবং কুয়েতে ১ জন শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, এই পরিসংখ্যানগুলো কেবল নথিভুক্ত করা তথ্য; প্রকৃত সংখ্যা এর চেয়ে অনেক বেশি হতে পারে।


বাস্তুচ্যুত লাখ লাখ শিশু: যুদ্ধের ভয়াবহতায় কেবল প্রাণহানিই ঘটছে না, লাখ লাখ শিশু ঘরবাড়ি হারিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। ইউনিসেফের রিপোর্ট বলছে:


লেবানন: দেশটিতে ১০ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ৩ লাখ ৭০ হাজারই শিশু। অর্থাৎ মোট বাস্তুচ্যুত জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশই শিশু।


ইরান: ইরানে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা প্রায় ৩২ লাখে পৌঁছেছে, যেখানে কয়েক লাখ শিশু মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়ে খোলা আকাশের নিচে বা অস্থায়ী শিবিরে আশ্রয় নিয়েছে।


টেড চাইবান বলেন, "পুরো অঞ্চলের শিশুরা এই যুদ্ধের জন্য এক চড়া মূল্য দিচ্ছে। সহিংসতা ছড়িয়ে পড়া এবং দ্রুত হারে বাস্তুচ্যুতির ফলে একটি পুরো প্রজন্ম গভীর সংকটের দিকে ধাবিত হচ্ছে।"


প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলো স্কুল এবং বিভিন্ন সরকারি ভবনে আশ্রয় নিয়েছে। তবে প্রয়োজনীয় পরিষেবা এবং সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় খাদ্য, পানীয় জল ও চিকিৎসার চরম সংকট দেখা দিয়েছে। সিরিয়া ও লেবাননের সীমান্ত এলাকায় বাস্তুচ্যুত মানুষের ভিড় এবং মানবিক সহায়তার অভাব পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।


বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ইউনিসেফ বলেছে, শিশুদের জীবন রক্ষায় এবং এই মানবিক বিপর্যয় ঠেকাতে অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ ও যুদ্ধবিরতি প্রয়োজন। অন্যথায় মধ্যপ্রাচ্যের এই ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এক অপূরণীয় ক্ষতির সম্মুখীন হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

Advertisement

বিশ্ব

View more
পশ্চিমবঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী
পশ্চিমবঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে সরকার গঠনের প্রক্রিয়ায় বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। দলটির বিধায়কদলের বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারী-কেই মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে তিনি হতে যাচ্ছেন রাজ্যের প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী। শুক্রবার (৮ মে) কলকাতায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি দলীয় বিধায়কদের সঙ্গে আলোচনা শেষে শুভেন্দুকে পরিষদীয় দলনেতা হিসেবে ঘোষণা করেন। অমিত শাহ জানান, দলনেতা নির্বাচনের জন্য একাধিক প্রস্তাব উঠলেও প্রতিটি প্রস্তাবেই একমাত্র নাম ছিল শুভেন্দু অধিকারীর। দ্বিতীয় কোনো নাম না আসায় সর্বসম্মতিক্রমেই তাকে নির্বাচিত করা হয়। নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকেই মুখ্যমন্ত্রী পদে শুভেন্দুর নামই সবচেয়ে বেশি আলোচনায় ছিল। দলের ভেতরে তাকে শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে দেখা হচ্ছিল। রাজ্যের রাজনীতিতে তার উত্থানের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে একাধিক নির্বাচনী লড়াই। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তিনি নন্দীগ্রাম কেন্দ্র থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয় পান।  এরপর সাম্প্রতিক নির্বাচনেও নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর—দুই কেন্দ্রেই লড়াই করে তিনি আবারও মমতাকে পরাজিত করেন, এবং আগের তুলনায় ব্যবধানও বাড়ান। সব মিলিয়ে, পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে যাচ্ছে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে।

ডেস্ক রিপোর্ট মে ৮, ২০২৬ 0
হরমুজ প্রণালী নিয়ে অচলাবস্থা, ট্রাম্প ‘মুখ রক্ষার’ চেষ্টায় সমঝোতা খুঁজছেন

হরমুজ প্রণালী নিয়ে অচলাবস্থা, ট্রাম্প ‘মুখ রক্ষার’ চেষ্টায় সমঝোতা খুঁজছেন

ডলারের দরপতনে বিশ্ববাজারে বাড়ছে সোনার দাম

ডলারের দরপতনে বিশ্ববাজারে বাড়ছে সোনার দাম

ঘানার একটি গ্রামের সাধারণ দৃশ্য এবং উড়ন্ত ড্রোনের প্রতীকী চিত্র। ছবি: এআই

ঘানার দরিদ্র যুবকের হজযাত্রা নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল গল্প, সত্যতা যাচাই হয়নি

ছবি: সংগৃহীত।
নাচ ভুলে স্কুলের মধ্যে শুরু করল মারামারি, কুং-ফু রোবটের তাণ্ডবে তোলপাড় চীনে

চীনের জিনজিয়াং প্রদেশের একটি স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া অনুষ্ঠানে ঘটে গেল এক অদ্ভুত ও আতঙ্কিত করার মতো ঘটনা। স্কুলের শিক্ষার্থীদের আনন্দ দিতে আনা একটি হিউম্যানয়েড (মানুষের মতো দেখতে) রোবট হঠাৎ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। রোবটটি নির্ধারিত নাচের তাল বাদ দিয়ে অনুষ্ঠানস্থলেই এলোপাথাড়ি 'কুং-ফু কিক' মারতে শুরু করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, রোবটটি প্রথমে সুশৃঙ্খলভাবে শিক্ষার্থীদের সাথে তাল মিলিয়ে নাচছিল। কিন্তু হঠাৎ যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে এটি ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে এবং চারপাশের পারফর্মারদের লক্ষ্য করে লাথি চালাতে থাকে। এসময় আতঙ্কিত শিক্ষার্থীরা নিজেদের বাঁচাতে এদিক-ওদিক ছুটতে শুরু করে। অবস্থা বেগতিক দেখে দ্রুত টেকনিশিয়ান এবং আয়োজকরা এগিয়ে আসেন। তারা রোবটটিকে জাপটে ধরে সরিয়ে নিয়ে যান। তবে সৌভাগ্যবশত, এই ঘটনায় কোনো শিক্ষার্থী বা দর্শক আহত হননি। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, রোবটটির সেন্সর সিস্টেমে কোনো যান্ত্রিক ত্রুটি অথবা সফটওয়্যারে গোলযোগের কারণে এটি নির্ধারিত প্রোগ্রাম থেকে বিচ্যুত হয়েছিল। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন রোবটের এমন অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে বেশ হাসাহাসি চললেও, জননিরাপত্তায় রোবট ব্যবহারের ঝুঁকি নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মে ৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।

কে এই রহস্যময় শিল্পী ব্যাঙ্কসি? উন্মোচিত হলো আসল পরিচয়!

থালাপতি বিজয় । ছবি: সংগৃহীত

কংগ্রেসের সমর্থনে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন থালাপতি বিজয়

ছবি: সংগৃহীত।

অপারেশন ‘উইংস অফ ডন’, কেন ভারতের একটি সম্প্রদায়ের মানুষকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে ইসরায়েলে?

ছবি: সংগৃহীত
অনিয়মিত অভিবাসীদের বৈধতা দেবে স্পেন, আসছে নতুন সুযোগ

স্পেনে বসবাসরত অনিয়মিত অভিবাসীদের জন্য বড় ধরনের সুযোগ নিয়ে আসছে দেশটির সরকার। ‘নিয়মিতকরণ প্রকল্প ২০২৬’-এর আওতায় যোগ্য অভিবাসীদের আইনিভাবে বসবাস ও কাজের সুযোগ দেওয়া হবে।   সরকারের এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো দেশের ভেতরে থাকা অনিয়মিত জনশক্তিকে মূলধারার অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত করা। প্রকল্পের আওতায় নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলে অভিবাসীরা বিভিন্ন সুবিধা ভোগ করতে পারবেন।   এই উদ্যোগের মাধ্যমে অভিবাসীরা বৈধভাবে কাজ করার অনুমতি পাবেন। পাশাপাশি সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। এতে শ্রমবাজারে তাদের অংশগ্রহণ আরও সুসংগঠিত হবে।   স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রেও বড় পরিবর্তন আসবে। বৈধতা পাওয়ার পর অভিবাসীরা ন্যাশনাল হেলথ সিস্টেম-এর আওতায় সরকারি চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করতে পারবেন, যা সাধারণ নাগরিকদের মতোই কার্যকর হবে। এ ছাড়া বৈধতার পর শেঙেন এলাকাভুক্ত দেশগুলোতে ১৮০ দিনের মধ্যে ৯০ দিন পর্যন্ত ভ্রমণের সুযোগ মিলবে।   তবে এই অনুমতি কিছু সীমাবদ্ধতার মধ্যেও থাকবে। এটি মূলত একটি জাতীয় পারমিট, যার মাধ্যমে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্য কোনো দেশে স্থায়ীভাবে বসবাস বা কাজ করা যাবে না। অন্য দেশে স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করলে তার ব্যয় স্পেন বহন করবে না। একইভাবে অন্য কোনো দেশে দীর্ঘমেয়াদি অবস্থানের জন্য সংশ্লিষ্ট দেশের অভিবাসন আইন অনুযায়ী আলাদা আবেদন করতে হবে।   শ্রমবাজারের চাহিদা মেটাতে ইউরোপের আরও কয়েকটি দেশ একই ধরনের উদ্যোগ নিচ্ছে। ইতালি ২০২৬ থেকে ২০২৮ সালের মধ্যে প্রায় পাঁচ লাখ অ-ইউরোপীয় নাগরিককে কাজের অনুমতি দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। অন্যদিকে জার্মানি দক্ষ কর্মী ও কেয়ারগিভার নিয়োগে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মে ৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।

মহাকাশ বিজ্ঞানে চমক: প্লুটোর বাইরে মিলল রহস্যময় বায়ুমণ্ডলের অস্তিত্ব

কারাবন্দী অবস্থায় মানবাধিকারকর্মী নার্গিস মোহাম্মদির । ছবি: সংগৃহীত

কারাগারে অসুস্থ নোবেলজয়ী নার্গিস মোহাম্মদি, তেহরানে উন্নত চিকিৎসার আহ্বান

আটলান্টিক মহাসাগরে যাত্রারত এমভি হন্ডিয়াস ক্রুজ জাহাজের প্রতীকী দৃশ্য | ছবি: সংগৃহীত

ক্রুজ জাহাজে ছড়িয়ে পড়েছে প্রাণঘাতী হান্টাভাইরাস, তিন যাত্রীর মৃত্যু

0 Comments