বিশ্ব

ইসরায়েলের ওপর হিজবুল্লাহর সমন্বিত রকেট ও ড্রোন হামলা

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৯, ২০২৬ 0
ইসরায়েলের ওপর হিজবুল্লাহর সমন্বিত রকেট ও ড্রোন হামলা
ইসরায়েলের ওপর হিজবুল্লাহর সমন্বিত রকেট ও ড্রোন হামলা

লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ উত্তর ইসরাইলের বিভিন্ন এলাকায় একযোগে রকেট ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে। রোববার (২৯ মার্চ) ভোর থেকে এ হামলার কারণে উত্তর ইসরাইলের শহর ও গ্রামে সাইরেন বাজতে শুরু করে।

 

হিজবুল্লাহ একাধিক বিবৃতিতে তাদের হামলার লক্ষ্যবস্তু সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়েছে। স্থানীয় সময় ভোর ৫টায় মেতুলা শহরে রকেট নিক্ষেপ করা হয়। এরপর সকাল ৬টা ২০ মিনিটে শ্তুলা গ্রামে হামলা চালানো হয়।

 

এছাড়া হিজবুল্লাহ জানিয়েছে, অধিকৃত গোলান মালভূমির রাওইয়া সামরিক ঘাঁটিতে তারা ড্রোন হামলা চালিয়েছে। একই সময়ে সকাল ৬টা ২৫ মিনিটে গাজার গ্রামের একটি স্থাপনাকেও রকেট হামলার লক্ষ্য করা হয়েছে।

 

সূত্র: আল জাজিরা

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

বিয়ের মাধ্যমে আমেরিকার নাগরিকত্ব কি বন্ধ? ইউএস ইমিগ্রেশন ওয়েবসাইটে কী বলা আছে

সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্রে বিয়ের মাধ্যমে নাগরিকত্ব বা গ্রীন কার্ড পাওয়ার নিয়ম বন্ধ হয়ে গেছে। তবে মার্কিন ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ ইউএস সিটিজেনশিপ এন্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিস  এর অফিসিয়াল তথ্য অনুযায়ী এই দাবি সঠিক নয়। সংস্থাটি জানিয়েছে, বিয়ের মাধ্যমে এখনও গ্রীন কার্ড এবং পরে নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগ রয়েছে, তবে আবেদনকারীদের নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলতে হবে এবং বর্তমানে যাচাই-বাছাই আগের তুলনায় বেশি কঠোর করা হয়েছে। ইউএসসিআইএসের নিয়ম অনুযায়ী, একজন মার্কিন নাগরিক বা গ্রীন কার্ডধারী তার স্বামী বা স্ত্রীর জন্য পারিবারিক ভিত্তিতে অভিবাসনের আবেদন করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে প্রথমে বৈধ বিয়ের প্রমাণসহ আবেদন জমা দিতে হয়। আবেদন অনুমোদিত হলে বিদেশি স্বামী বা স্ত্রী গ্রীন কার্ড পেতে পারেন এবং স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে থাকার অনুমতি পাবেন। সাধারণত মার্কিন নাগরিককে বিয়ে করলে প্রক্রিয়া তুলনামূলক দ্রুত হয়, আর গ্রীন কার্ডধারীকে বিয়ে করলে অপেক্ষার সময় কিছুটা বেশি হতে পারে। গ্রীন কার্ড পাওয়ার পর নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করার নিয়মও আগের মতোই রয়েছে। ইমিগ্রেশন নীতিমালা অনুযায়ী, যদি কেউ মার্কিন নাগরিককে বিয়ে করে গ্রীন কার্ড পান এবং কমপক্ষে তিন বছর একসাথে বসবাস করেন, তাহলে তিনি নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারেন। আর যদি গ্রীন কার্ডধারীকে বিয়ে করেন, তাহলে সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে পাঁচ বছর পূর্ণ হলে নাগরিকত্বের আবেদন করা যায়। ইমিগ্রেশন বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রে বেশি সাক্ষাৎকার নেওয়া হচ্ছে, অতিরিক্ত কাগজপত্র চাওয়া হচ্ছে এবং যৌথ ব্যাংক হিসাব, বাসার ঠিকানা, ট্যাক্স নথি ও পারিবারিক প্রমাণ জমা দিতে হচ্ছে। ভুয়া বিয়ের মাধ্যমে সুবিধা নেওয়া ঠেকাতে এই যাচাই-বাছাই বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া আবেদন প্রক্রিয়ায় সময় বেশি লাগার কারণেও অনেকের মধ্যে ভুল ধারণা তৈরি হয়েছে যে বিয়ের মাধ্যমে নাগরিকত্ব বন্ধ হয়ে গেছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বিয়ের মাধ্যমে আমেরিকার নাগরিকত্ব বা গ্রীন কার্ড বন্ধ হয়নি। তবে বর্তমানে আবেদন প্রক্রিয়া কঠোর হয়েছে এবং প্রতিটি ক্ষেত্রে বৈধ বিবাহ, একসাথে বসবাস এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রমাণ করা বাধ্যতামূলক।

Advertisement

বিশ্ব

View more
ছবি: সংগৃহীত।
ইরানে ৪ ঘন্টায় ৭০১ হামলা, আগ্রাসনের নতুন রেকর্ড ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা এখন চরম শিখরে। গত শনিবার ইরানজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বাহিনীর চালানো ভয়াবহ হামলায় কেঁপে উঠেছে পুরো দেশ। হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্টস নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ) জানিয়েছে, বর্তমান সংঘাত শুরুর পর থেকে ২৮ মার্চ ছিল ইরানের জন্য সবথেকে রক্তক্ষয়ী এবং বিধ্বংসী দিন। প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, শনিবার বিকেল ৫টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মাত্র চার ঘণ্টার ব্যবধানে ইরানজুড়ে অন্তত ৭০১টি হামলার ঘটনা নথিভুক্ত করা হয়েছে। এই ভয়াবহ আক্রমণের প্রায় ৭৪ শতাংশই পরিচালিত হয়েছে রাজধানী তেহরানকে লক্ষ্য করে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, দফায় দফায় বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে রাজধানীসহ আশপাশের এলাকাগুলো। সংস্থাটির পরিসংখ্যানে উঠে এসেছে এক ভয়াবহ চিত্র। চলমান এই সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত ইরানে ১ হাজার ৫৫১ জন সাধারণ নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন। এর মধ্যে অন্তত ২৩৬ জনই শিশু, যা আন্তর্জাতিক মহলে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।  বিশ্লেষকরা বলছেন, এক দিনে এত বিপুল সংখ্যক হামলার ঘটনা আধুনিক যুদ্ধবিগ্রহের ইতিহাসে বিরল। তেহরানের আকাশ এখন ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন, আর উদ্ধারকারীরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়াদের উদ্ধারে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৯, ২০২৬ 0
ইসরায়েলের ওপর হিজবুল্লাহর সমন্বিত রকেট ও ড্রোন হামলা

ইসরায়েলের ওপর হিজবুল্লাহর সমন্বিত রকেট ও ড্রোন হামলা

হুথিদের যুদ্ধজালে প্রবেশে বিশ্বজুড়ে নতুন নিরাপত্তা হুমকি

হুথিদের যুদ্ধজালে প্রবেশে বিশ্বজুড়ে নতুন নিরাপত্তা হুমকি

ইরান বিশ্বের অনলাইন নেটওয়ার্কে বড় ধরনের ব্যাঘাত সৃষ্টির ক্ষমতা রাখে

ইরান বিশ্বের অনলাইন নেটওয়ার্কে বড় ধরনের ব্যাঘাত সৃষ্টির ক্ষমতা রাখে

লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠীর হামলায় ইসরায়েলি সেনার মৃত্যু
লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠীর হামলায় ইসরায়েলি সেনার মৃত্যু

লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে হিজবুল্লাহর হামলায় একজন ইসরায়েলি সেনা নিহত হয়েছেন, আরও তিনজন আহত হয়েছেন। রোববার (২৯ মার্চ) ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। নিহত সেনার নাম সার্জেন্ট মোসে ইয়েজাক হাকোহেন কাৎজ, বয়স ২২ বছর।   তিনি ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর প্যারাট্রুপার ব্রিগেডের ৮৯০তম ব্যাটালিয়নের সদস্য ছিলেন। নিহত সেনার আসল ঠিকানা যুক্তরাষ্ট্রের কানেক্টিকাটের নিউ হ্যাভেন।   আহত তিনজনের অবস্থা মাঝারি এবং তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের পরিবারকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।   গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথ হামলা চালায়। এরপর কয়েকদিনের মধ্যে হিজবুল্লাহ এই যুদ্ধে অংশ নেয়। ইসরায়েল লেবানের দক্ষিণাঞ্চলে সেনা মোতায়েন করার পাশাপাশি হিজবুল্লাহর যোদ্ধাদের লক্ষ্য করে অতর্কিত হামলা চালাচ্ছে। একই সঙ্গে তারা ইসরায়েলের দখলকৃত ফিলিস্তিনি এলাকায় রকেট হামলা অব্যাহত রাখছে।   হিজবুল্লাহ জানিয়েছে, যতদিন ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েল যুদ্ধ চালাবে, ততদিন তারা ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে রকেট হামলা চালাবে। পূর্বে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার মানুষের প্রতি সংহতি দেখিয়ে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে হিজবুল্লাহ সংঘর্ষে নেমেছিল।   যদিও ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি হয়, তারপরও ইসরায়েল লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে হিজবুল্লাহর লক্ষ্য করে একাধিক হামলা চালিয়েছে। হিজবুল্লাহ তখন সরাসরি জবাব না দিলেও, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর তারা পুনরায় সক্রিয় হয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৯, ২০২৬ 0
ইরানের রাজধানী তেহরান -পুরোনো ছবি

তেহরানে ভয়াবহ বিস্ফোরণে ধোঁয়ার কুণ্ডলি উঠতে দেখা গেছে

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে ব্যাপক বিক্ষোভ, রাস্তায় লাখো মানুষ

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে ব্যাপক বিক্ষোভ, রাস্তায় লাখো মানুষ

ট্রাম্পের আপত্তি সত্ত্বেও ইরানে সেনা মোতায়েনের পরিকল্পনা পেন্টাগনের

ট্রাম্পের আপত্তি সত্ত্বেও ইরানে সেনা মোতায়েনের পরিকল্পনা পেন্টাগনের

মধ্যপ্রাচ্যে কয়েক হাজার সেনাকে জড়ো করা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
ইরানকে লক্ষ্য করে কয়েক সপ্তাহ ধরে স্থল হামলার প্রস্তুতিতে যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্র ইরানে সম্ভাব্য স্থল অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে—এমন দাবি করেছে মার্কিন গণমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে ইতোমধ্যে কয়েক হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন করা হয়েছে এবং তাদের ব্যবহার করে কয়েক সপ্তাহব্যাপী একটি বিশেষ ধরনের স্থল অভিযান চালানো হতে পারে। তবে এই অভিযান প্রচলিত যুদ্ধের মতো সরাসরি আক্রমণ নাও হতে পারে।   সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, পরিকল্পিত এই পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে তা চলমান উত্তেজনাকে নতুন এক পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারে এবং শুরু থেকেই এটি মার্কিন বাহিনীর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। একাধিক সূত্র জানিয়েছে, এখানে বড় আকারের যুদ্ধের বদলে বিশেষ বাহিনী ও কামান ইউনিটের মাধ্যমে লক্ষ্যভিত্তিক অভিযান চালানোর কৌশল নেওয়া হতে পারে।   তবে এমন অভিযানে মার্কিন সেনাদের ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র ও সরাসরি হামলার ঝুঁকিতে পড়ার আশঙ্কার কথাও উল্লেখ করেছেন কর্মকর্তারা।   এ বিষয়ে জানতে চাইলে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট বলেন, প্রতিরক্ষা দপ্তরের কাজই হলো সম্ভাব্য সব পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি রাখা, যাতে প্রেসিডেন্ট প্রয়োজন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। তবে পরিকল্পনা করা মানেই চূড়ান্তভাবে কোনো সামরিক অভিযান অনুমোদন দেওয়া হয়েছে—এমন নয় বলেও তিনি স্পষ্ট করেন।   সম্ভাব্য লক্ষ্য হিসেবে ইরানের খারগ দ্বীপের নাম উঠে এসেছে, যা হরমুজ প্রণালির কাছে অবস্থিত। দ্বীপটি ইরানের তেল রপ্তানির প্রধান কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত, যেখানে থেকে দেশটির বড় অংশের অপরিশোধিত তেল বিশ্ববাজারে যায়। সামুদ্রিক পথ নিরাপদ রাখতে এই অঞ্চল কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।   অভিযানের সম্ভাব্য সময়কাল নিয়েও ভিন্নমত রয়েছে। কেউ বলছেন এটি কয়েক সপ্তাহ স্থায়ী হতে পারে, আবার অন্যদের ধারণা—পরিস্থিতি অনুযায়ী এটি কয়েক মাস পর্যন্ত গড়াতে পারে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

দুবাইয়ে ড্রোন ডিপোতে ইরানের হামলার দাবি

ছবি: সংগৃহীত

জর্ডানে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল সংশ্লিষ্ট স্থাপনায় হামলার হুমকি প্রো–ইরান গোষ্ঠীর

ছবি: সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালীতে পাকিস্তানের ২০ জাহাজ চলাচলে সম্মতি দিল ইরান

0 Comments