ড্রোন হামলা

কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার পর ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড
কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার পর ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড

কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার অভিযোগ উঠেছে ইরানের বিরুদ্ধে। এতে বিমানবন্দরের জ্বালানি সংরক্ষণ এলাকায় বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। বুধবার (১ এপ্রিল) সকালে কুয়েতি কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানায়।   দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের মুখপাত্র আব্দুল্লাহ আল-রাজি জানান, ইরান এবং তাদের মিত্র সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো এই হামলা চালিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, হামলায় একটি জ্বালানি ট্যাংকারে আঘাত হানার ফলে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।   তিনি আরও জানান, জরুরি সেবা কর্মীরা ঘটনাস্থলে কাজ করছেন। কিছু অবকাঠামোগত ক্ষতি হলেও এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।   এর আগে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর থেকে উত্তেজনা বাড়তে থাকে। ওই ঘটনার জেরে উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থানরত মার্কিন স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে পাল্টা পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানায় ইরান। এর অংশ হিসেবে বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাও ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইরানের অভিযোগ, কিছু আরব দেশ তাদের বিমানবন্দর যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কাজে ব্যবহারের সুযোগ দিচ্ছে।   এদিকে, একই দিনে বাহরাইনেও হামলার খবর পাওয়া গেছে। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, একটি প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোতে আগুন লেগেছে, যা নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিস কাজ করছে। তবে ঠিক কোন প্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।   এর আগে ইরান ঘোষণা দিয়েছিল, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-সম্পৃক্ত কোম্পানিগুলোকেও তারা লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করতে পারে।   সূত্র: আলজাজিরা

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
তেহরানে একের পর এক বিস্ফোরণ! আকাশ প্রতিরক্ষা সক্রিয়? কি ঘটছে ইরানে?

ইরানের রাজধানী তেহরানে একাধিক বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। স্থানীয় সময় রোববার (২৯ মার্চ) ভোরে এ ঘটনা ঘটে, যা নিয়ে শহরজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। Fars News Agency জানিয়েছে, বিস্ফোরণের সুনির্দিষ্ট স্থান সম্পর্কে বিস্তারিত পরে জানানো হবে।   অন্যদিকে Reuters-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, তাদের সাংবাদিকরা সকাল ৭টা ২০ মিনিটের দিকে উত্তর তেহরানে শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন। এ সময় আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় ছিল বলে জানা গেছে।   পরবর্তীতে Al Jazeera জানায়, কয়েক মিনিটের ব্যবধানে একাধিক বিস্ফোরণের পর একটি পাহাড়ি এলাকা থেকে ধোঁয়ার কুণ্ডলি উঠতে দেখা গেছে।   তবে এখনো নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি, কোন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট এলাকায় সামরিক স্থাপনার পাশাপাশি বেসামরিক বসতিও রয়েছে, ফলে ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃতি স্পষ্ট নয়।   উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর ইরানকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়। চলমান এই সংঘাতে তেহরানসহ বিভিন্ন স্থানে হামলা অব্যাহত রয়েছে, যার ফলে সামরিক ও বেসামরিক অবকাঠামো ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৯, ২০২৬ 0
ড্রোন হামল
ইরাক থেকে ছোড়া ড্রোন হামলা প্রতিহত, সিরিয়ায় রক্ষা পেল মার্কিন ঘাঁটি

সিরিয়ায় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ইরাক থেকে ছোড়া ড্রোন হামলার চেষ্টা প্রতিহত করেছে সিরিয়ার সেনাবাহিনী। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।   রোববার (২৯ মার্চ) এক বিবৃতিতে সিরিয়ার উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী সিপান হামো জানান, দেশের উত্তরাঞ্চলের কার্সাক এলাকায় যুক্তরাষ্ট্রের একটি ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে ইরাক থেকে চারটি ড্রোন ছোড়া হয়। তবে সেগুলো আকাশেই ভূপাতিত করা হয়েছে।   তিনি বলেন, “এই হামলার জন্য ইরাককে দায়ী করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে এমন ঘটনা ঠেকাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।”   এর আগে সিরিয়ার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের আল-তানফ ঘাঁটিতেও একই ধরনের ড্রোন হামলার চেষ্টা চালানো হয়। ওই ঘাঁটিতে আগে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা উপস্থিতি ছিল।   আঞ্চলিক সূত্রগুলো বলছে, ইরাকভিত্তিক ইরানপন্থি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে মার্কিন ঘাঁটি ও স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা বাড়িয়েছে। পাল্টা জবাবে যুক্তরাষ্ট্রও এসব গোষ্ঠীর ওপর হামলা চালিয়েছে।   মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইরানপন্থি বিভিন্ন গোষ্ঠী বিশেষ করে ইরাক, লেবানন ও ইয়েমেনভিত্তিক সংগঠনগুলো ক্রমেই সক্রিয় হয়ে উঠছে। এতে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৯, ২০২৬ 0
ইসরায়েলের ওপর হিজবুল্লাহর সমন্বিত রকেট ও ড্রোন হামলা
ইসরায়েলের ওপর হিজবুল্লাহর সমন্বিত রকেট ও ড্রোন হামলা

লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ উত্তর ইসরাইলের বিভিন্ন এলাকায় একযোগে রকেট ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে। রোববার (২৯ মার্চ) ভোর থেকে এ হামলার কারণে উত্তর ইসরাইলের শহর ও গ্রামে সাইরেন বাজতে শুরু করে।   হিজবুল্লাহ একাধিক বিবৃতিতে তাদের হামলার লক্ষ্যবস্তু সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়েছে। স্থানীয় সময় ভোর ৫টায় মেতুলা শহরে রকেট নিক্ষেপ করা হয়। এরপর সকাল ৬টা ২০ মিনিটে শ্তুলা গ্রামে হামলা চালানো হয়।   এছাড়া হিজবুল্লাহ জানিয়েছে, অধিকৃত গোলান মালভূমির রাওইয়া সামরিক ঘাঁটিতে তারা ড্রোন হামলা চালিয়েছে। একই সময়ে সকাল ৬টা ২৫ মিনিটে গাজার গ্রামের একটি স্থাপনাকেও রকেট হামলার লক্ষ্য করা হয়েছে।   সূত্র: আল জাজিরা

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
দুবাইয়ে ড্রোন ডিপোতে ইরানের হামলার দাবি

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই–এ ইউক্রেনের একটি ড্রোন-বিধ্বংসী অস্ত্রের ডিপোতে হামলার দাবি করেছে ইরান। দেশটির সেনাবাহিনীর বরাতে তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, শনিবার (২৮ মার্চ) চালানো ওই হামলায় ডিপোটি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে।   ইরানের খাতাম আল-আনবিয়া সেন্ট্রাল কমান্ড–এর এক মুখপাত্র দাবি করেন, হামলার সময় সেখানে ২১ জন ইউক্রেনীয় ড্রোন বিশেষজ্ঞ উপস্থিত ছিলেন। হামলার পর ডিপোর ভেতরের অবস্থা স্পষ্ট না হওয়ায় তাদের সবাই নিহত হয়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।   সামরিক সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, দুবাইয়ে অবস্থানরত মার্কিন বাহিনীর গোপন স্থাপনা লক্ষ্য করেই এই হামলা চালানো হয়। পাশাপাশি, যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা দেওয়ার উদ্দেশ্যে সেখানে রাখা ইউক্রেনের ড্রোন-বিধ্বংসী ব্যবস্থার ডিপোও লক্ষ্যবস্তু করা হয়।   তবে এই দাবি সরাসরি নাকচ করেছে ইউক্রেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সংস্থাটির মুখপাত্র জর্জি তিখি বলেন, “এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা তথ্য। আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে এই দাবি প্রত্যাখ্যান করছি।” তিনি আরও অভিযোগ করেন, ইরান প্রায়ই এ ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করে।   এর আগে শনিবারই এক অনানুষ্ঠানিক সফরে আমিরাতে যান ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। সফরকালে তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে প্রতিরক্ষা খাতে সহযোগিতা জোরদারের কথা জানান। তার এই ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ড্রোন ডিপোতে হামলার দাবি সামনে আসে।   বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনার সত্যতা নিয়ে বিভ্রান্তি থাকলেও এটি মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের ভূরাজনৈতিক উত্তেজনাকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ইরানের হামলায় আমিরাতের অ্যালুমিনিয়াম কারখানায় ব্যাপক ক্ষতি, আহত বহু কর্মী

সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রায়ত্ত অ্যালুমিনিয়াম উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান Emirates Global Aluminium-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎপাদন কেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে ইরান। এতে স্থাপনাটি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং বেশ কয়েকজন কর্মী আহত হয়েছেন।   শনিবার (২৮ মার্চ) সকালে আবুধাবির Khalifa Economic Zone-এ অবস্থিত আল তাওইলাহ উৎপাদন কেন্দ্রকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয় বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। প্রতিষ্ঠানটির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরানের ছোড়া মিসাইল ও ড্রোনের আঘাতে কারখানার বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে বহু কর্মী আহত হলেও কারও অবস্থা গুরুতর নয়। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও নিরূপণ করা হচ্ছে।   এর আগে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম Al Jazeera জানিয়েছিল, খলিফা অর্থনৈতিক জোন এলাকায় মিসাইলের ধ্বংসাবশেষ পড়ে এবং এতে একাধিক স্থাপনায় আগুন ধরে যায়। আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, শনিবার একদিনেই ইরান তাদের লক্ষ্য করে ২০টি ব্যালিস্টিক মিসাইল ও ৩৭টি ড্রোন নিক্ষেপ করেছে। তবে এর মধ্যে কতগুলো ভূপাতিত করা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।   প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলমান সংঘাত শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত মোট ৩৯৮টি মিসাইল এবং ১,৮৭২টি ড্রোন প্রতিহত করেছে আমিরাত। এদিকে, ইরানের হামলায় এখন পর্যন্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতে ১১ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে তিনজন সামরিক বাহিনীর সদস্য রয়েছেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৮, ২০২৬ 0
আরব আমিরাতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় শিল্পাঞ্চলে আগুন
আরব আমিরাতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় শিল্পাঞ্চলে আগুন

সংযুক্ত আরব আমিরাতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পর শনিবার (২৮ মার্চ) ভোরে একটি শিল্পাঞ্চলে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। খবর এএফপি থেকে পাওয়া গেছে।   আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরান থেকে ছোড়া ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন প্রতিহত করতে দেশের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় ছিল। আঞ্চলিক সংঘাত শুরু হওয়ার এক মাসের মধ্যে উপসাগরীয় অঞ্চলে তেহরান হামলা জোরদার করছে।   আবুধাবি সরকারের গণমাধ্যম দপ্তর জানায়, খলিফা ইকোনমিক জোনস এলাকায় দুটি অগ্নিকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে আনা হচ্ছে। এছাড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে প্রতিহত করা হয়েছে। তবে তার ধ্বংসাবশেষ ভূপাতিত হয়ে আগুনের সূত্রপাত করেছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৮, ২০২৬ 0
প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটির স্যাটেলাইট ইমেজ
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরাইলে একজন নিহত

সৌদি আরবে অবস্থিত মার্কিন বিমানঘাঁটি প্রিন্স সুলতান এয়ার বেইসে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় অন্তত ১২ জন মার্কিন সৈন্য আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে দু’জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। হামলা শুক্রবার ঘটে এবং এতে বিমানঘাঁটির কয়েকটি রি-ফুয়েলিং বিমানও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।   ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে মার্কিন সেনা কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, প্রিন্স সুলতান এয়ার বেইসের কাছে মোতায়েন সেনারা প্যাট্রিয়ট মিসাইল ব্যাটারি এবং থাড প্রতিরক্ষাব্যবস্থা পরিচালনা করেন। হোয়াইট হাউস জানায়, সৌদি আরবে বর্তমানে ২ হাজার ৩২১ জন মার্কিন সৈন্য অবস্থান করছেন, যারা আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পরিচালনা এবং সামরিক বিমানের কার্যক্রমে সহায়তা দেন।   ইরান এবং পশ্চিমা বিশ্বের মধ্যে গত দুই দশক ধরে পরমাণু ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে উত্তেজনা বিদ্যমান। ফেব্রুয়ারিতে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে ২১ দিনের আলোচনার পর কোনো সমঝোতা চুক্তি না হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র ২৮ ফেব্রুয়ারি ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে। একই সময়ে ইসরায়েলও ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ চালু করে। এই অভিযানের প্রথম দিনেই ইরানের সামরিক ও সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজন নিহত হন।   যুদ্ধের শুরু থেকেই ইরান মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে। এর আগে ১ মার্চ প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে হামলার ফলে কয়েকজন মার্কিন সৈন্য আহত হন, যার মধ্যে সার্জেন্ট বেঞ্জামিন এন. পেনিংটন (২৬) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।   সেন্টকোমের তথ্য অনুযায়ী, গত এক মাস ধরে চলমান ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত ৩০০ জনেরও বেশি মার্কিন সৈন্য আহত হয়েছেন।   সূত্র: ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল, এপি

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৮, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
সৌদি-কুয়েতসহ আরব দেশগুলোতে ইরানের ড্রোন হামলা, বাড়ছে মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনা

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় প্রতিবেশী দেশগুলোর দিকে ধারাবাহিক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান। বুধবার সকালে সৌদি আরব ও কুয়েত জানিয়েছে, তাদের লক্ষ্য করে ইরান থেকে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।   এছাড়া কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান এবং বাহরাইনও একই ধরনের হামলার শিকার হয়েছে। পাশাপাশি অঞ্চলে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি, বেসামরিক স্থাপনা ও জ্বালানি অবকাঠামোকেও লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে।   প্রেক্ষাপটে জানা যায়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথভাবে ইরানের ওপর হামলা শুরু করলে, এর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইরান প্রতিবেশী দেশগুলোর দিকে আঘাত হানে। পরে সেই হামলার জন্য কিছু দেশের কাছে দুঃখপ্রকাশও করেছিল তেহরান।   তবে সাম্প্রতিক হামলা কেন অব্যাহত রয়েছে—এ বিষয়ে বিবিসির সংবাদদাতা বারবারা প্লেট-আশার বিশ্লেষণ দিয়েছেন। তার মতে, ইরান অঞ্চলের নিরাপদ, স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে ওঠা ভাবমূর্তিকে দুর্বল করতে চাইছে।   তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের তেল ও গ্যাস খাত বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই খাতে বিঘ্ন ঘটাতে পারলে বিশ্ববাজারে বড় প্রভাব পড়বে, যা ইরানের কৌশলগত চাপ তৈরির অংশ হতে পারে।   একই সঙ্গে, এই হামলার মাধ্যমে আরব প্রতিবেশীদের ওপর চাপ বাড়িয়ে যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আরও চাপ প্রয়োগের লক্ষ্যও থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, পরিস্থিতি এখন শুধু আঞ্চলিক নয়, বৈশ্বিক অর্থনীতি ও নিরাপত্তার জন্যও বড় ঝুঁকি তৈরি করছে

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ইসরায়েলের বেন গুরিয়ান বিমানবন্দর ও হাইফা বন্দরে ইরানের ড্রোন হামলা

ইসরায়েলের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বেন গুরিয়ান এবং হাইফা বন্দর এলাকায় ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের সামরিক বাহিনী। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তারা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ এই দুই স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করেছে।   কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম Al Jazeera-এর প্রতিবেদকদের বরাতে বলা হয়েছে, ভোররাত থেকে শুরু হওয়া এই হামলায় বেন গুরিয়ান বিমানবন্দরের অবকাঠামো—বিশেষ করে বিমানে জ্বালানি সরবরাহ সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করা হয়। ইরানের সেনাবাহিনীর দাবি, হামলার লক্ষ্য ছিল বিমানবন্দরসংলগ্ন সামরিক ও মহাকাশ শিল্প সংশ্লিষ্ট স্থাপনা এবং হাইফা বন্দর এলাকার গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো।   এদিকে একই দিনে মধ্যপ্রাচ্যের আরও কয়েকটি দেশে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অবস্থান লক্ষ্য করে হামলা চালানোর কথাও জানিয়েছে ইরান। বাহরাইন, কাতার, কুয়েত, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিভিন্ন ঘাঁটি লক্ষ্য করে এসব হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়।   বাহরাইনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে চলমান হামলার ঘটনায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের এক সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন। এই হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করেছে দেশটি। তবে এসব হামলার বিষয়ে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৪, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরাইলে আহত ৪৮২৯, গুরুতর ১২

ইরানের নিক্ষিপ্ত ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় এ পর্যন্ত ইসরাইলে মোট ৪ হাজার ৮২৯ জন আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে ১১১ জন এখনও হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন এবং ১২ জনের অবস্থা গুরুতর বলে জানিয়েছে ইসরাইলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।   মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়। এর আগে ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে আলোচনা চলে, যা কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়।   এরপর ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে এবং একই সময়ে ইসরাইল ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ নামে সামরিক অভিযান চালায়। এই হামলায় ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলী লারিজানি এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপৌরসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি ইরানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনা ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং দুই হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।   এদিকে ইরান নতুন করে ইসরাইল ও মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে হামলার ঘোষণা দিয়েছে। দেশটির ইসলামিক রেভলুশনারি গার্ড কোর জানায়, তারা ‘৭৭তম’ বারের মতো হামলা চালিয়েছে। ইরানের সংবাদ সংস্থা তাসনিমের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, উত্তর, কেন্দ্র ও দক্ষিণ ইসরাইলে এই হামলা চালানো হয়, যেখানে ‘সুপার-হেভি’ ও ‘পয়েন্ট-অ্যান্ড-শুট’ সিস্টেম, খাইবার শেকান ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে।   এছাড়া ইরান দাবি করেছে, তারা মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি সামরিক ঘাঁটিতেও হামলা চালিয়েছে, যার মধ্যে কুয়েতের আলি আল সালেম, সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল-দাফরা ঘাঁটি রয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৪, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ইসরায়েলের আইএআই স্থাপনায় হামলার দাবি ইরানের

ইরান দাবি করেছে, তারা ইসরায়েল অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ (আইএআই)-এর একটি স্থাপনায় ড্রোন হামলা চালিয়েছে। তবে এ হামলায় কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ইরানের সরকারি সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে দেশটির সেনাবাহিনী জানায়, বেন গুরিয়ান বিমানবন্দর সংলগ্ন আইএআই স্থাপনাকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে।   একই সঙ্গে সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমান ঘাঁটিতে অবস্থানরত একটি মার্কিন নজরদারি বিমানেও হামলার দাবি করেছে তেহরান। তবে হামলার প্রকৃতি বা ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, এসব দাবির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। অন্যদিকে এ বিষয়ে এখনো ইসরায়েল বা যুক্তরাষ্ট্র-এর পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।   এদিকে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, নতুন করে ইরান থেকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। দেশটির সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় রোববার মধ্যরাতের পর এটি ইরানের অষ্টম দফার হামলা হতে পারে। দক্ষিণাঞ্চলে সতর্ক সংকেত জারির প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২২, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান লক্ষ্য করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ, পাল্টা ড্রোন হামলার দাবি

ইসরায়েলের যুদ্ধবিমান লক্ষ্য করে ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপণযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান—এমনটাই জানিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। এক বিবৃতিতে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানায়, ইরানের আকাশসীমায় তাদের বিমানবাহিনীর একটি অভিযান চলাকালে এই ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করা হয়। তবে ঠিক কখন এ ঘটনা ঘটেছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।   বার্তা আদান-প্রদানের মাধ্যম টেলিগ্রাম-এ প্রকাশিত বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর ক্রু সদস্যরা নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ করে পরিস্থিতি মোকাবিলা করেন। এতে কোনো বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি এবং পরিকল্পনা অনুযায়ী অভিযান সম্পন্ন হয়।   অন্যদিকে তেহরান দাবি করেছে, তারা তেল আবিব-এর কাছে অবস্থিত বেন গুরিয়ন বিমানবন্দর লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এ হামলায় জ্বালানি ট্যাংক ও একটি রিফুয়েলিং উড়োজাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করা হয়।   ইরানের সামরিক বাহিনী জানায়, এ হামলায় ইসরায়েলের সামরিক কার্যক্রমে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে এবং কিছু সেনা সদস্যকে সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছে। দেশটির সেনাবাহিনী ও ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) যৌথভাবে এই হামলা চালিয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে। তবে এসব দাবির বিষয়ে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে এখনো বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।   উল্লেখ্য, তেল আবিবের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরটি ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থাপনা, যেখানে যুদ্ধবিমান রক্ষণাবেক্ষণ ও জ্বালানি সরবরাহের বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২১, ২০২৬ 0
ইরাকের বাগদাদে দেশটির গোয়েন্দা সদর দপ্তর লক্ষ্য করে আজ শনিবার ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে | ছবি: এক্স থেকে নেওয়া
ইরাকে গোয়েন্দা সদর দপ্তরে ড্রোন হামলা, নিহত ১

ইরাকের রাজধানী বাগদাদ-এ গোয়েন্দা সদর দপ্তর ও একটি যোগাযোগ ভবন লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত একজন কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা।   শনিবার সকালে শহরের প্রাণকেন্দ্রে এ হামলা চালানো হয় বলে নিশ্চিত করেছেন ইরাক সরকারের নিরাপত্তা মিডিয়া ইউনিটের প্রধান জেনারেল সাদ মান।   বার্তা সংস্থা রয়টার্স হামলার তথ্য নিশ্চিত করেছে। অন্যদিকে এএফপি নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, গোয়েন্দা সদর দপ্তরের পাশাপাশি একটি যোগাযোগ ভবনও হামলার শিকার হয়েছে।   প্রতিবেদনে বলা হয়, ক্ষতিগ্রস্ত ভবনটিতে ইরাকের একটি নিরাপত্তা সংস্থার কার্যালয় ছিল, যা দেশটিতে উগ্রবাদবিরোধী অভিযানে মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটের সঙ্গে কাজ করে।   ইরাকের ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সদর দপ্তরের কাছে ‘আইনবহির্ভূত গোষ্ঠী’র চালানো এই ড্রোন হামলায় তাদের এক কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন।   তবে হামলার দায় এখনো কোনো গোষ্ঠী স্বীকার করেনি।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২১, ২০২৬ 0
ক্ষাপণাস্ত্র ছুড়ছে ইরান।
ইসরায়েলসহ মধ্যপ্রাচ্যের ৪ দেশে ইরানের নতুন ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা

ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি হত্যার প্রতিশোধ হিসেবে ইরান শুক্রবার (২০ মার্চ) থেকে একযোগে ইসরায়েল, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত ও সৌদি আরবে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। বিবিসি জানিয়েছে, এই হামলার সময় সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়েছে।   ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, গত দুই ঘণ্টার মধ্যে দ্বিতীয় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র ধেয়ে এসেছে। এর ফলে দেশে সতর্কতা জারি করা হয়েছে এবং সাধারণ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।   সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই ও কুয়েতেও একাধিক বিস্ফোরণ ও আকাশ প্রতিরক্ষা কার্যক্রম দেখা গেছে। দুবাই কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রচণ্ড শব্দগুলো মূলত আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনীর সফল প্রতিরোধ অভিযান। কুয়েতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও জানিয়েছেন, তারা শত্রুভাবাপন্ন ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে কাজ করছে।   সৌদি আরবও ইরানের হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পূর্বদিকের আকাশসীমায় অন্তত ছয়টি ইরানি ড্রোন শনাক্ত ও ধ্বংস করা হয়েছে।   এই হামলাগুলো ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে বড় পাল্টা আক্রমণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক সামরিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি খামেনির মৃত্যুর পর ইরানের কঠোর প্রতিশোধের প্রতিফলন। ইরান দাবি করছে, তারা মার্কিন সম্পদ ও মিত্র দেশগুলোকে লক্ষ্য করেই এই হামলা পরিচালনা করেছে।   বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুদ্ধের তীব্রতা বেড়েছে। হরমুজ প্রণালী ও আশপাশের দেশগুলোতে এর প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতি ও তেলের বাজারে অস্থিরতা তৈরি করছে। আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের সক্ষমতা নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে।   সূত্র: বিবিসি ও আল জাজিরা

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২১, ২০২৬ 0
ইসরাইলের নিরাপত্তা মন্ত্রণালয় লক্ষ্য করে ইরানের হামলা
ইসরাইলের নিরাপত্তা মন্ত্রণালয় লক্ষ্য করে ইরানের হামলা

ইরান দাবি করেছে, ইসরাইলের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা মন্ত্রণালয়কে লক্ষ্য করে তারা ড্রোন হামলা চালিয়েছে। দেশটির সামরিক বাহিনীর বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, সম্প্রতি তাদের শীর্ষ কর্মকর্তা ও নৌসদস্যদের নিহত হওয়ার ঘটনাকে প্রতিশোধ হিসেবে এই হামলা পরিচালিত হয়েছে।   শুক্রবার (২০ মার্চ) ভোরে আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, হামলা পশ্চিম জেরুজালেমে অবস্থিত সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে লক্ষ্য করে চালানো হয়েছিল।   ইরানের সামরিক বাহিনীর বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, যুদ্ধজাহাজ ‘আইআরআইএস ডেনা’-র নৌসদস্যদের রক্তের প্রতিশোধ এবং দেশের গোয়েন্দামন্ত্রী ইসমাইল খতিব হত্যার জবাব হিসেবে এই হামলা করা হয়েছে। তবে হামলার ফলে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানি হয়েছে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত তথ্য প্রকাশিত হয়নি।   এর আগে, ৪ মার্চ শ্রীলঙ্কার দক্ষিণ উপকূলে ইরানের যুদ্ধজাহাজ ‘আইআরআইএস ডেনা’-কে লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র টর্পেডো হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করে তেহরান। ভারতের মহড়া শেষে দেশে ফেরার পথে এই জাহাজে হামলার কারণে ৮০-এর বেশি নৌসদস্য নিহত হয় বলে দাবি করা হয়েছে।   এছাড়া, চলতি সপ্তাহের শুরুতে ইসরাইলি বিমান হামলায় নিহত হন ইরানের গোয়েন্দামন্ত্রী ইসমাইল খতিব।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২০, ২০২৬ 0
যুদ্ধবিমান-রণতরী
মার্কিন রণতরিকে সহায়তা করলে হামলার হুমকি

সাগরে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ডকে সহায়তা করা যেকোনো কেন্দ্রকে হামলার বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে গণ্য করা হবে বলে সতর্ক করেছে ইরান।   রোববার ইরানের খাতাম আল-আম্বিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তরের এক মুখপাত্র এই সতর্কবার্তা দেন। তিনি বলেন, লোহিত সাগরে মার্কিন এই বিমানবাহী রণতরির উপস্থিতি ইরানের নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করছে।   মুখপাত্র আরও বলেন, লোহিত সাগরে অবস্থানরত ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ডকে যেসব কেন্দ্র লজিস্টিকসহ অন্যান্য সহায়তা দিচ্ছে, সেগুলো ইরানি সশস্ত্র বাহিনীর সম্ভাব্য হামলার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচিত হবে।   খাতাম আল-আম্বিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তর ইরানি সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফের অধীন একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক কমান্ড। এই দপ্তরের মূল দায়িত্ব বিভিন্ন সামরিক ইউনিটের সমন্বয়ে অভিযান পরিকল্পনা ও পরিচালনা করা।   মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক উত্তেজনার মধ্যে ইরানের এই হুঁশিয়ারি নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে বলে বিশ্লেষকদের মত।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৬, ২০২৬ 0
দুবাই বিমানবন্দর
ইরানি ড্রোন হামলার পর ৪ ঘণ্টা বন্ধ, ফের চালু দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর

ইরানি ড্রোন হামলায় সৃষ্ট অগ্নিকাণ্ডের কারণে প্রায় চার ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর আবার চালু হয়েছে বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত বিমানবন্দর দুবাই ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট। সোমবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টা (বাংলাদেশ সময় দুপুর ১২টা) থেকে সীমিত আকারে বিমানবন্দরটির ফ্লাইট পরিচালনা পুনরায় শুরু হয়েছে।   দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ (ডিএক্সবি) এবং দুবাই প্রশাসনের জনসংযোগ দপ্তর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পৃথক বার্তায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।   ডিএক্সবি জানিয়েছে, বর্তমানে সীমিত পরিসরে ফ্লাইট পরিচালনা শুরু হয়েছে। আপাতত কার্গো বিমানের পাশাপাশি কিছু জরুরি বাণিজ্যিক ফ্লাইট পরিচালনা করা হচ্ছে। এছাড়া কয়েকটি ফ্লাইটকে আল মাকতুম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্থানান্তর করা হয়েছে।   কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, বাতিল হওয়া অন্যান্য ফ্লাইটগুলো পর্যায়ক্রমে পুনরায় চালু করা হবে। যাত্রীদের আতঙ্কিত না হয়ে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।   এর আগে রোববার মধ্যরাতে বিস্ফোরকবাহী ইরানি ড্রোনের আঘাতে দুবাই বিমানবন্দরের একটি জ্বালানি ট্যাংকে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে বিমানবন্দরের একটি বড় এলাকায় আগুন ছড়িয়ে পড়ে। কয়েক ঘণ্টার চেষ্টায় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।   অগ্নিকাণ্ডের পর নিরাপত্তাজনিত কারণে সব ধরনের ফ্লাইট সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে সীমিত আকারে ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি দেওয়া হয়।   উল্লেখ্য, দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বিশ্বে যাত্রী চলাচলের দিক থেকে অন্যতম ব্যস্ত বিমানবন্দর। প্রতিদিন এখানে হাজার হাজার ফ্লাইট ওঠানামা করে এবং বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে যাত্রী পরিবহন করা হয়।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৬, ২০২৬ 0
ড্রোন হামলার কারণে দুবাই বিমানবন্দরে আগুন, ফ্লাইট সাময়িক বন্ধ
ড্রোন হামলার কারণে দুবাই বিমানবন্দরে আগুন, ফ্লাইট সাময়িক বন্ধ

ড্রোন হামলার ফলে দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছাকাছি একটি জ্বালানি ট্যাংকে আগুন লেগে যায়। এই কারণে বিমানবন্দরে কিছু সময়ের জন্য ফ্লাইট চলাচল স্থগিত রাখা হয় এবং কিছু ফ্লাইট অন্য বিমানবন্দরে স্থানান্তর করা হয়েছে। তবে আগুন ইতোমধ্যেই নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে এবং কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি, জানিয়েছে দুবাই কর্তৃপক্ষ।   বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানায়, সোমবার (১৬ মার্চ) ড্রোন হামলার কারণে দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। এ ঘটনার কারণে সাময়িকভাবে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ রাখতে হয়েছিল। তবে এতে কেউ আহত হননি।   ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে উত্তেজনার কারণে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমা অস্থির হয়ে পড়েছে। ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার আশঙ্কায় অনেক ফ্লাইট বাতিল করা হচ্ছে, সময়সূচি পরিবর্তন করা হচ্ছে বা ভিন্ন পথে ঘুরিয়ে নেয়া হচ্ছে। এই পরিস্থিতির সঙ্গে জ্বালানির দামও বেড়ে যাচ্ছে।   সোমবারের ঘটনা দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তৃতীয়বারের মতো ঘটে। ইরান ফেব্রুয়ারি ২৮ থেকে উপসাগরীয় দেশগুলোতে হামলা শুরু করার পর থেকে এই ধরনের ঘটনা ঘটে আসছে। তেহরান বলেছে, এসব হামলা মূলত যুক্তরাষ্ট্রের উপস্থিতি লক্ষ্য করেই চালানো হচ্ছে।   সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইরাক, জর্ডান ও তুরস্কের মতো উপসাগরীয় দেশগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। তবে ইরান ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে বেসামরিক স্থাপনাও লক্ষ্য করেছে, যেমন বিমানবন্দর, হোটেল ও বন্দর।   দুবাই মিডিয়া অফিস এক্স-এ জানিয়েছে, “দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে ড্রোন সংক্রান্ত ঘটনায় একটি জ্বালানি ট্যাংক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।” পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পর বিমানবন্দর সংলগ্ন সড়ক ও টানেলপথে সাময়িকভাবে যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছিল। এমিরেটস এয়ারলাইন্সও দুবাইগামী ফ্লাইট স্থগিত করে।   দুবাই মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, কিছু ফ্লাইট আল মাকতুম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্থানান্তর করা হয়েছে। তবে কখন আবার পুরো ফ্লাইট চলাচল স্বাভাবিক হবে, তা এখনও বলা হয়নি।   ফেব্রুয়ারি ২৮ থেকে উপসাগরীয় দেশগুলো দুই হাজারের বেশি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মুখে পড়েছে। হামলার লক্ষ্য ছিল যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক ও সামরিক ঘাঁটি, গুরুত্বপূর্ণ তেল অবকাঠামো, বাসাবাড়ি ও অফিস। ২০২০ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাত ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার পর থেকে দেশটি সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হয়েছে। তবে উপসাগরীয় সকল দেশই এই হামলার প্রভাব অনুভব করেছে এবং ইরানের নিন্দা জানিয়েছে।   এর আগে ১১ মার্চ দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে দুটি ড্রোন আঘাত হানে। সংঘাতের শুরুতেই উপসাগরীয় বিভিন্ন দেশে ইরান রাতভর হামলা চালানোর সময় বিমানবন্দরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রে কাঁপল সৌদিসহ চার দেশ, কুয়েতে ক্ষতিগ্রস্ত রাডার ব্যবস্থা

ইরানের ওপর ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়ার পর তার জবাবে তেহরান সরাসরি ইসরাইলি ভূখণ্ডে আঘাত হানার পাশাপাশি উপসাগরীয় দেশগুলোতে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। সংঘাতের ১৬তম দিনে রোববার (১৫ মার্চ) সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইন ব্যাপক হামলা প্রতিহত করার দাবি করেছে।   ইরানের হামলার আশঙ্কায় বাহরাইনে সাইরেন বেজে ওঠে। অন্যদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সতর্কতা দিয়ে বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার নির্দেশ দেয়।   সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, রাজধানী রিয়াদ ও পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের আকাশে তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ১০টি ড্রোন প্রতিহত ও ধ্বংস করেছে। এছাড়া রোববার তারা ৬টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং অন্তত ৩৪টি ড্রোন ভূপাতিত করেছে বলে জানিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। ইরান পুনরায় উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর নৈশকালীন হামলা শুরু করার পর এই ঘটনা ঘটে।   সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সে পৃথক পোস্টে সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, প্রিন্স সুলতান এয়ার বেস অবস্থিত আল-খারজ এলাকায় সব ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করা হয়েছে। অধিকাংশ ড্রোন প্রতিহত করা হয়েছে পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশে, যেখানে বড় বড় তেল শোধনাগার রয়েছে। এছাড়া কিছু ড্রোন রিয়াদ অঞ্চলেও ভূপাতিত করা হয়েছে।   ইরানের অভ্যন্তরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলি হামলার প্রতিশোধ হিসেবে উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর গত এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে নৈশকালীন ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হচ্ছে। দিনের বেলা কয়েক ঘণ্টা শান্ত থাকার পর প্রতি সন্ধ্যায় আবার হামলা চালানোর একটি নির্দিষ্ট ধরণ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।   এই সহিংসতার প্রভাব সৌদি আরবের সীমানা ছাড়িয়ে অন্যান্য দেশেও ছড়িয়ে পড়েছে। রোববার ভোরে বাহরাইনের রাজধানী মানামার আকাশে বিস্ফোরণের আলো দেখা যায়। দেশটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ইরানের অভিযান শুরুর পর থেকে তারা ১২৫টি ক্ষেপণাস্ত্র এবং ২০৩টি ড্রোন প্রতিহত করেছে। এসব হামলায় বাহরাইনে ২ জন এবং প্রতিবেশী উপসাগরীয় দেশগুলোতে আরও ২৪ জন নিহত হয়েছেন।   কুয়েতের ন্যাশনাল গার্ডের মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জাদান ফাদেল জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনী পাঁচটি ড্রোন ভূপাতিত করেছে। কুয়েতের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শনিবার রাতে ড্রোন হামলায় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রাডার ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই সেখানে সব ধরনের ফ্লাইট চলাচল বন্ধ রয়েছে।   সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, তারা ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হুমকির মোকাবিলা করছে। শনিবার তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরানের ৯টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ৩৩টি ড্রোন প্রতিহত করেছে। দুবাই মিডিয়া অফিস জানায়, মেরিনা ও আল-সুফুহ এলাকায় শোনা শব্দগুলো আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সফল প্রতিরোধের ফল ছিল।   ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতের তিনটি প্রধান বন্দর খালি করার আহ্বান জানিয়েছে এবং প্রথমবারের মতো কোনো প্রতিবেশী দেশের অ-মার্কিন বেসামরিক স্থাপনায় হামলার হুমকি দিয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, হামলার শুরু থেকে এ পর্যন্ত দেশটি ২৯৪টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ১৫টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ১ হাজার ৬০০টি ড্রোন প্রতিহত করেছে। এই সংঘাতে এখন পর্যন্ত সেখানে ছয়জন নিহত হয়েছেন।   সূত্র: আরব নিউজ ও টাইমস অব ইসরাইল।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৫, ২০২৬ 0
ফাইল ছবি
মধ্যপ্রাচ্যে তিন মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার দাবি

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি সামরিক বিমানঘাঁটিকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। ইরানের আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম ফার্স এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।   প্রকাশিত বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, ইরাকের এরবিলে অবস্থিত আল-হারির বিমানঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনীর একটি সমাবেশস্থল লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। একই সঙ্গে কুয়েতে থাকা আলি আল সালেম এবং আরিফজান সামরিক ঘাঁটিতেও ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের মাধ্যমে আঘাত হানার দাবি করা হয়েছে।   আইআরজিসির বক্তব্য অনুযায়ী, এসব হামলা তাদের ঘোষিত ‘অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪’-এর ৫২তম ধাপের অংশ। ইরানের একটি শিল্প এলাকায় কর্মীদের হত্যার ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় এই অভিযান চালানো হয়েছে বলেও তারা উল্লেখ করেছে।   এদিকে বিবৃতিতে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দিকেও কড়া হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। সেখানে বলা হয়, তিনি যদি এখনও জীবিত থাকেন, তাহলে তাকে খুঁজে বের করে হত্যার চেষ্টা চালিয়ে যাবে তারা।   তথ্যসূত্র: দ্য ডন।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৫, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

Top week

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন
আমেরিকা

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ৩, ২০২৬ 0