বিশ্ব

ট্রাম্প ইরান যুদ্ধে খরচ আরব দেশগুলোর ওপর চাপাচ্ছেন

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৩১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক সংঘাতের ব্যয় আঞ্চলিক আরব দেশগুলোর মাধ্যমে বহন করানোর প্রতি আগ্রহী বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন। হোয়াইট হাউস থেকে জানানো হয়েছে, এই খরচ কয়েক দশমিক বিলিয়ন ডলারের মধ্যে পৌঁছাতে পারে।

 

সোমবার প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র ক্যারোলিন লেভিট সাংবাদিকদের বলেন, “যেমন ১৯৯০ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধে মিত্র দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রকে আর্থিকভাবে সহায়তা করেছিল, তেমনভাবে এবারও আরব দেশগুলোকে অর্থায়নের জন্য আহ্বান জানানো হতে পারে।” তিনি আরও যোগ করেন, “এটি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের একটি ভাবনা, এবং তিনি বিষয়টি বাস্তবায়ন করতে আগ্রহী হবেন।”

 

উপসাগরীয় যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র কুয়েত আক্রমণ প্রতিহত করতে একাধিক দেশকে নিয়ে একটি বৈশ্বিক জোটের নেতৃত্ব দিয়েছিল। সেই সময় জার্মানি, জাপান ও অন্যান্য দেশ যুক্তরাষ্ট্রের খরচ মেটাতে প্রায় ৫৪ বিলিয়ন ডলার প্রদান করেছিল, যা বর্তমান দিনে প্রায় ১৩৪ বিলিয়ন ডলারের সমতুল্য।

 

বর্তমান পরিস্থিতিতে, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইল একতরফাভাবে ইরানের বিরুদ্ধে কার্যক্রম পরিচালনা করছে, মিত্র বা আঞ্চলিক দেশগুলোকে সরাসরি জড়িয়েছে না।

 

এই মাসের শুরুতে, ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ ডানপন্থি বিশ্লেষক শন হ্যানিটি বলেন, যেকোনো যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে ইরানকে ব্যয়ভার বহনের শর্ত অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। হ্যানিটি বলেন, “যুদ্ধের ক্ষতি বা খরচের পুরোটা ইরানকে তেল দিয়ে বা অন্যভাবে পরিশোধ করতে হবে।”

 

সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের অনুমান অনুযায়ী, সংঘাতের ১২তম দিনে মোট ব্যয় ১৬.৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে এবং যেহেতু যুদ্ধ ৩১তম দিনে প্রবেশ করেছে, তাই খরচ আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। হোয়াইট হাউস পেন্টাগনের অস্ত্র পুনরায় পূরণ এবং সামরিক অভিযানের জন্য কংগ্রেসের কাছে অন্তত ২০০ বিলিয়ন ডলার অতিরিক্ত অনুমোদনের আবেদন করতে যাচ্ছে।

 

সূত্র: আলজাজিরা

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

Advertisement

বিশ্ব

View more
ছবি: সংগৃহীত
ফিলিস্তিনিদের জন্য ইসরাইলে মৃত্যুদণ্ড আইন পাস, আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া তীব্র

ইসরাইলের সংসদ নেসেটে সোমবার একটি আইন পাস হয়েছে, যা প্রাণঘাতী হামলার দায়ে দোষী সাব্যস্ত ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড প্রয়োগের অনুমতি দেয়। মানবাধিকার গোষ্ঠী এবং ফিলিস্তিনি নেতারা এই আইনকে বৈষম্যমূলক ও আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন বলে আখ্যা দিয়েছেন।   আইনটি ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কট্টর ডানপন্থি মিত্রদের প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে পাস করা হয়েছে। নতুন বিধান অনুযায়ী, অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরাইলিদের হত্যা করার দায়ে দোষী সাব্যস্ত ফিলিস্তিনিদের জন্য মৃত্যুদণ্ডই হবে প্রধান শাস্তি।   আইনটির পক্ষে ছিলেন কট্টর ডানপন্থি ইসরাইলি জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গভির, যিনি ৬২-৪৮ ভোটে পাস হওয়ার পর সংসদে শ্যাম্পেনের মাধ্যমে উদযাপন করেন।   এই আইনটি এমন সময় এসেছে যখন গাজায় ইসরাইলি হামলা, পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনিদের ওপর সামরিক অভিযান ও বসতি সম্প্রসারণ এবং হাজার হাজার গ্রেফতারের ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে।   ইসরাইলের নাগরিক অধিকার সমিতি ইতিমধ্যেই এই আইনটির বিরুদ্ধে দেশের সর্বোচ্চ আদালতে আপিল করেছে।   ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ এটিকে “বিপজ্জনক উত্তেজনা বৃদ্ধি” হিসেবে আখ্যা দিয়েছে এবং উল্লেখ করেছে, অধিকৃত অঞ্চলে ফিলিস্তিনিদের ভূমি ইসরাইলের সার্বভৌমত্বাধীন নয়। ফিলিস্তিনি দল হামাসও আইনটি তীব্রভাবে নিন্দা করেছে, বলেছে এটি বন্দি ফিলিস্তিনিদের জীবনকে হুমকির মুখে ফেলবে।   গাজা-ভিত্তিক ফিলিস্তিনি মানবাধিকার কেন্দ্র পিএইচসিআর এই আইনকে “আইনের আড়ালে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের ইসরাইলি দীর্ঘদিনের নীতি আরও দৃঢ় করার চেষ্টা” বলে অভিহিত করেছে।   জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরও ইসরাইলকে আইনটি অবিলম্বে প্রত্যাহার করার আহ্বান জানিয়েছে এবং উল্লেখ করেছে যে, এটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন।   সূত্র: আল জাজিরা

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৩১, ২০২৬ 0
আল-আকসা মসজিদে পশু বলির চেষ্টা

"আল-আকসা মসজিদে পশু বলির চেষ্টা, ইহুদি সেটলারদের পরিকল্পনা"

ছবি: সংগৃহীত

ট্রাম্প ইরান যুদ্ধে খরচ আরব দেশগুলোর ওপর চাপাচ্ছেন

হাইতিতে গ্যাং হামলায় অন্তত ৭০ নিহত

হাইতিতে গ্যাং হামলায় অন্তত ৭০ নিহত

ইসরাইলি সেনাবাহিনীর একটি দল। ছবি: সংগৃহীত
লেবাননে সংঘাতে আরও ৪ ইসরাইলি সেনা নিহত

দক্ষিণ লেবাননে আরও চারজন ইসরাইলি সেনা নিহত হয়েছে, এমনটি জানিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী। খবরটি এসেছে আল জাজিরা থেকে।   প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিহতদের মধ্যে দুজনের বয়স ২১ বছর এবং একজনের বয়স ২২ বছর। চতুর্থ সেনার পরিচয় এখনও প্রকাশ করা হয়নি, কারণ ‘তার নাম প্রকাশের অনুমতি এখনও দেওয়া হয়নি’।   উল্লেখ্য, গত ২ মার্চ থেকে লিটানি নদীর দক্ষিণে ইসরাইল তাদের সামরিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি করেছে। এ সময়ের মধ্যে এখন পর্যন্ত অন্তত ১০ জন ইসরাইলি সেনা প্রাণ হারিয়েছেন।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৩১, ২০২৬ 0
হরমুজ প্রণালি। সংগৃহীত ছবি

হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে হঠাৎ নরম ট্রাম্প, কী বদলে দিল অবস্থান?

ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে প্রাণ হারালেন ৮ ভারতীয় নাগরিক

ইরানে সম্ভাব্য পারমাণবিক হামলা নিয়ে উদ্বেগ, চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস

ইরানে সম্ভাব্য পারমাণবিক হামলা নিয়ে উদ্বেগ, চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস

নিউইয়র্কে ছোট বোনের জন্য কেক আনতে গিয়ে প্রাণ হারালেন বাংলাদেশি তরুণী
নিউইয়র্কে ছোট বোনের জন্য কেক আনতে গিয়ে প্রাণ হারালেন বাংলাদেশি তরুণী

নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র: ছোট বোনের আবদার পূরণ করতে কেক কিনে বাসায় ফেরার পথে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন এক বাংলাদেশি তরুণী। নিহত নিশাত জান্নাত (১৯) নিউইয়র্কের কুইন্সে বাবা-মা ও তিন বোনের সঙ্গে বসবাস করতেন।   পরিবার সূত্রে জানা গেছে, রোববার রাতে কাজ শেষে ছোট বোনের জন্য কেক কিনতে জ্যাকসন হাইটসে যান নিশাত। সেখান থেকে কেক নিয়ে বাসায় ফেরার পথে উডসাইড এলাকায় পৌঁছালে দুর্ঘটনার শিকার হন তিনি।   পুলিশ জানায়, রাত আনুমানিক ১১টা ৫৫ মিনিটে কুইন্সের উডসাইড এলাকার রুজভেল্ট অ্যাভিনিউ ও ৬২তম স্ট্রিটের সংযোগস্থলে ক্রসওয়াক দিয়ে রাস্তা পার হওয়ার সময় একটি স্যানিটেশন (গার্বেজ) ট্রাক নিশাতকে ধাক্কা দেয়। ঘটনাস্থলেই জরুরি সেবা কর্মীরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।   ঘটনার পর দীর্ঘ সময় যোগাযোগ না হওয়ায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। পরে মোবাইল ফোনের লোকেশন ট্র্যাক করে তার এক বোন ঘটনাস্থলে গিয়ে দুর্ঘটনার বিষয়টি জানতে পারেন।   দুর্ঘটনায় জড়িত ট্রাকটির চালক ৩৮ বছর বয়সী এক নারী। এ ঘটনায় এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। বিষয়টি তদন্ত করছে নিউ ইয়র্ক পুলিশ বিভাগ এর কলিশন ইনভেস্টিগেশন স্কোয়াড।   নিশাত জান্নাত কুইন্সের উডসাইড এলাকার বায়তুল জান্নাহ জামে মসজিদের ইমাম হেলাল আহমদের মেয়ে। চার বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন দ্বিতীয়। ২০১৭ সালে পরিবারের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে আসেন তিনি। তাদের গ্রামের বাড়ি সিলেটের দক্ষিণ সুরমার মোগলাবাজারে।   তার আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবারে নেমে এসেছে শোকের মাতম। প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটিতেও গভীর শোক বিরাজ করছে। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার বাদ জোহর উডসাইডের বায়তুল জান্নাহ জামে মসজিদে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৩১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

খারগ দ্বীপে মার্কিন অভিযান ‘হিতে বিপরীত’ হতে পারে, সতর্কতা বিশেষজ্ঞদের

ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্য সংকট: সামরিক বাস্তবতার বদল ও বৈশ্বিক শক্তির নতুন সমীকরণ

ছবি: সংগৃহীত

জাতিসংঘ কূটনীতিকের পদত্যাগ: ইরানে পারমাণবিক হামলার আশঙ্কার অভিযোগ

0 Comments