ক্যাম্পাস

ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন সাদিক-ফরহাদ

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬ 0
(ডাকসু)-এর শীর্ষ দুই নেতা সাদিক কায়েম ও এস এম ফরহাদ
(ডাকসু)-এর শীর্ষ দুই নেতা সাদিক কায়েম ও এস এম ফরহাদ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে রাজধানী ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন। রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর গুঞ্জন চলছে যে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)-এর বর্তমান শীর্ষ দুই নেতা ভিপি সাদিক কায়েম ও জিএস এস এম ফরহাদ এবার সরাসরি মেয়রের লড়াইয়ে নামতে পারেন।

 

সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্র এবং ছাত্রশিবিরের একজন শীর্ষ নেতার বক্তব্যে এই সম্ভাবনার বিষয়টি জোরালো হয়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি জানিয়েছেন, "সাদিক কায়েম এবং এস এম ফরহাদকে নিয়ে ইতোমধ্যেই দলের ভেতর ও জোটের পর্যায়ে আলোচনা চলছে। সব ঠিক থাকলে সাদিক কায়েম ঢাকা উত্তর এবং এস এম ফরহাদ ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র পদে লড়তে পারেন।" যদিও এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি, তবে এই দুই তরুণ ছাত্রনেতার প্রার্থী হওয়ার বিষয়টি রাজধানীর রাজনীতিতে নতুন এক উন্মাদনা সৃষ্টি করেছে।

 

ঢাকার দুই সিটির নির্বাচন ঘিরে আরও কিছু হেভিওয়েট ও আলোচিত নাম সামনে আসছে। দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবেরের নাম জোরালোভাবে শোনা যাচ্ছে। পাশাপাশি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর নাম আলোচনায় থাকলেও, রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা তিনি সংসদের উচ্চকক্ষে (সিনেট) মনোনিবেশ করার সম্ভাবনাই বেশি।

 

অন্যদিকে, সদ্য সমাপ্ত জাতীয় নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পাওয়া বিএনপির পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের সম্ভাব্য প্রার্থীদের বিষয়ে কোনো স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। তবে সরকার গঠনের পর দলটি ঢাকার স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও তাদের আধিপত্য বজায় রাখতে শক্তিশালী প্রার্থী দেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

জুলাই বিপ্লব পরবর্তী নতুন বাংলাদেশে তরুণ নেতৃত্বের প্রতি সাধারণ মানুষের যে আকাশচুম্বী প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, তার প্রতিফলন এই সিটি নির্বাচনে ঘটবে কি না, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের বিমানবাহী রণতরী কিছুই না; মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা

মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   পার্সটুডে- মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটার সতর্ক করে বলেছেন যে পশ্চিমারা সর্বদা তার গুপ্তচর সংস্থাগুলির মাধ্যমে ইরানের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ভিত্তি ধ্বংস করতে চাইছে এবং অপর্যাপ্তভাবে নিয়ন্ত্রিত তথ্য-যোগাযোগ রুট ব্যবহার করে কিছু ইরানিকে তাদের এজেন্ট নিয়োগ করেছে।   ক্ষেপণাস্ত্র ইরানের জন্য একটি পছন্দসই আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয় পার্সটুডে অনুসারে, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরিসর সীমিত করার বিষয়ে মার্কিন কর্মকর্তাদের বক্তব্যের কথা উল্লেখ করে রিটার ব্যাখ্যা করেছেন যে এই শর্তটি বাস্তবে "নিরস্ত্রীকরণ" এবং ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের কাছ থেকে "কৌশলগত আত্মহত্যার" অনুরোধের সমতুল্য। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে ক্ষেপণাস্ত্র শুধুমাত্র ইরানের জন্য একটি কাঙ্ক্ষিত আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয়, বরং প্রতিরোধ ও বেঁচে থাকার মেরুদণ্ড এবং এই স্তম্ভটি অপসারণকারী যেকোনো চেষ্টো ইরানকে অরক্ষিত করে তুলবে। তিনি যুক্তি দেন যে ইরান যদি তার ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা এতটাই কমিয়ে দেয় যে তারা আর ইসরায়েলে আঘাত করতে পারবে না, তাহলে ইসরায়েল প্রতিশোধের ভয় ছাড়াই ইরানে আক্রমণ করবে।   ইরানের সাথে যুদ্ধ নীতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অক্ষমতা আমেরিকান বিশ্লেষক স্পষ্ট করে বলেন যে ইরানের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ এড়ানোর মূল কারণ কৌশলগত অক্ষমতা। তিনি বলেন, যেকোনও সামরিক আক্রমণ ইরানকে এমন প্রতিক্রিয়ার দিকে ঠেলে দেবে যা একই সাথে মার্কিন বাহিনী এবং স্বার্থের জন্য গুরুতর ক্ষতি বয়ে আনতে পারে। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে এই ধরনের পরিবেশে ইরানের সাথে যুদ্ধ কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কৌশলগত সুবিধাতো আনবেই না বরং ট্রাম্পের জন্য একটি অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিপর্যয়ও হতে পারে। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কেবল ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষার জন্য।   আলোচনা একটি ফাঁদ সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা পরামর্শ দেন যে ইরানের উচিত দুর্বলতা থেকে নয়, বরং ওয়াশিংটনে রাজনৈতিক অজুহাতের পথ বন্ধ করার জন্য আলোচনায় প্রবেশ করা। তবে, রিটার সতর্ক করে দেন যে ইরানি কর্মকর্তাদের সর্বদা ধরে নেওয়া উচিত যে আলোচনা "একটি ফাঁদ"। কূটনীতির মাধ্যম বজায় রেখে, ইরানের উচিত তার সামরিক ও গোয়েন্দা যন্ত্রপাতিকে পূর্ণ সতর্ক রাখা । স্কট রিটার সাম্প্রতিক নৌ সংঘর্ষকে আমেরিকার শ্রেষ্ঠত্ব বা আগ্রাসনের লক্ষণ হিসেবে নয়, বরং ইরানের প্রবেশাধিকার-বিরোধী এবং আঞ্চলিক-বিরোধী ক্ষমতার প্রতি ওয়াশিংটনের কৌশলগত ভয়ের প্রতিফলন। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে ইরানের নতুন প্রজন্মের নির্ভুল, কৌশলগত এবং হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের সামনে মার্কিন বিমানবাহী রণতরীগুলি "অপ্রচলিত" সিস্টেমে পরিণত হয়েছে।   প্রধান হুমকি: ভেতর থেকে পতনের জন্য মানসিক যুদ্ধ অবশেষে, স্কট রিটার "মানসিক যুদ্ধ" নামক একটি ধারণার কথা উল্লেখ করেছেন; এমন একটি যুদ্ধ যেখানে, তিনি যুক্তি দেন, সরাসরি সামরিক সংঘাতের চেয়ে অনেক বেশি বিপজ্জনক, কারণ এর লক্ষ্য হল একটি গুলি না চালিয়েও একটি সমাজকে ভেতর থেকে ধ্বংস করা

Advertisement

ক্যাম্পাস

View more
(ডাকসু)-এর শীর্ষ দুই নেতা সাদিক কায়েম ও এস এম ফরহাদ
ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন সাদিক-ফরহাদ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে রাজধানী ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন। রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর গুঞ্জন চলছে যে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)-এর বর্তমান শীর্ষ দুই নেতা ভিপি সাদিক কায়েম ও জিএস এস এম ফরহাদ এবার সরাসরি মেয়রের লড়াইয়ে নামতে পারেন।   সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্র এবং ছাত্রশিবিরের একজন শীর্ষ নেতার বক্তব্যে এই সম্ভাবনার বিষয়টি জোরালো হয়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি জানিয়েছেন, "সাদিক কায়েম এবং এস এম ফরহাদকে নিয়ে ইতোমধ্যেই দলের ভেতর ও জোটের পর্যায়ে আলোচনা চলছে। সব ঠিক থাকলে সাদিক কায়েম ঢাকা উত্তর এবং এস এম ফরহাদ ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র পদে লড়তে পারেন।" যদিও এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি, তবে এই দুই তরুণ ছাত্রনেতার প্রার্থী হওয়ার বিষয়টি রাজধানীর রাজনীতিতে নতুন এক উন্মাদনা সৃষ্টি করেছে।   ঢাকার দুই সিটির নির্বাচন ঘিরে আরও কিছু হেভিওয়েট ও আলোচিত নাম সামনে আসছে। দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবেরের নাম জোরালোভাবে শোনা যাচ্ছে। পাশাপাশি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর নাম আলোচনায় থাকলেও, রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা তিনি সংসদের উচ্চকক্ষে (সিনেট) মনোনিবেশ করার সম্ভাবনাই বেশি।   অন্যদিকে, সদ্য সমাপ্ত জাতীয় নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পাওয়া বিএনপির পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের সম্ভাব্য প্রার্থীদের বিষয়ে কোনো স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। তবে সরকার গঠনের পর দলটি ঢাকার স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও তাদের আধিপত্য বজায় রাখতে শক্তিশালী প্রার্থী দেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।   জুলাই বিপ্লব পরবর্তী নতুন বাংলাদেশে তরুণ নেতৃত্বের প্রতি সাধারণ মানুষের যে আকাশচুম্বী প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, তার প্রতিফলন এই সিটি নির্বাচনে ঘটবে কি না, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬ 0
শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামী)। ছবি: ফেসবুক ওয়াল থেকে

হত্যার হুমকি ঢাবি শিক্ষক মোনামীর, ফাঁস করলেন একাধিক স্ক্রিনশট

লাল গোল বৃত্তে অধ্যাপক আ ক ম জামাল উদ্দীন

‘রাজাকারের বাচ্চাদের ব্রাশফায়ার দিতে হবে’ বলা ঢাবির সেই শিক্ষকের এবার ধানমন্ডি-৩২ এ শ্রদ্ধা, হট্টগোল

জাতীয় ছাত্রশক্তি

সারাদেশে বিএনপির হামলার প্রতিবাদে ছাত্রশক্তির সংবাদ সম্মেলন

ছবি: সংগৃহীত
'পুরোনো ফ্যাসিবাদকে নতুন কোনো রূপে মেনে নেওয়া হবে না'

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর দেশব্যাপী শুরু হওয়া রাজনৈতিক সহিংসতার কঠোর সমালোচনা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক এস এম ফরহাদ। শুক্রবার রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি বিএনপিকে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, ফ্যাসিবাদী কায়দায় দমনের চেষ্টা করা হলে ছাত্র-জনতা তা মেনে নেবে না।   এস এম ফরহাদ তাঁর পোস্টে ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট টেনে বলেন, ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসার পর আওয়ামী লীগ যেভাবে ফ্যাসিবাদের পথ বেছে নিয়েছিল, বর্তমান বিএনপির আচরণেও সেই একই ছায়া দেখা যাচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৬-এর এই নির্বাচনে ৫৪ শতাংশ ভোট এবং ২০৯টি আসন পেয়ে সরকার গঠন করতে যাওয়া বিএনপি এখনই ভিন্নমতের ওপর চড়াও হতে শুরু করেছে।   ডাকসু জিএস অভিযোগ করেন, নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর থেকে দেশের শতাধিক স্থানে ভিন্নমতের ভোটারদের ওপর নৃশংস হামলা চালানো হয়েছে। এতে অসংখ্য মানুষ গুরুতর আহত হওয়ার পাশাপাশি একজনকে হত্যার খবরও পাওয়া গেছে। তিনি আরও দাবি করেন, বিএনপি এই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডগুলো আড়াল করতে সুপরিকল্পিতভাবে সংবাদমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।   বিএনপিকে সরাসরি প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে ফরহাদ বলেন, “আওয়ামী লীগ ১৫ বছর সময় নিয়েছিল ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে, আপনারা কি তার চেয়েও কম সময় নেবেন? স্বাগতম এই পথে!” তবে তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন যে, জুলাই বিপ্লবের উত্তরসূরিরা আবারও জীবন দিতে প্রস্তুত। “এবার আবু সাঈদরাও প্রস্তুত আছে। জীবন দেবে, কিন্তু পুরনো ফ্যাসিবাদের কোনো নতুন রূপ এই জমিনে মেনে নেওয়া হবে না ইনশাআল্লাহ,” বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।   নির্বাচন পরবর্তী এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে ডাকসু জিএসের এমন কড়া অবস্থান দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সাধারণ ছাত্র-জনতার মাঝে আবারও প্রতিরোধের মানসিকতা তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬ 0
আবু সাদিক কায়েম

বাংলাদেশে সন্ত্রাস ও মাফিয়াতন্ত্র কায়েম হতে দিবো না - সাদিক কায়েম

ফারিয়া মতিন ইলা

‘রাজাকার আলবদর কিছুই রবে নারে’ গানে উড়াধুরা নাচের আয়োজন ঢাবি শিক্ষার্থীর

রাবি ছাত্রদল সেক্রেটারি গণভোটে ‘না’, ব্যালট ফেসবুকে শেয়ার

ছবি: সংগৃহীত
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়া অবকাঠামো উন্নয়নে বিসিবির ২ কোটি টাকার অনুদান

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রের আধুনিকায়ন ও ক্রিকেট মাঠের অবকাঠামোগত সংস্কারের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)-এর পক্ষ থেকে ২ কোটি টাকার চেক হস্তান্তর করা হয়েছে।   এই গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ বাস্তবায়নে সার্বিক সহযোগিতার জন্য যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান, পিএইচডি, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল, বিসিবি পরিচালক নাজমুল আবেদিন ফাহিমসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)-এর পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানানো হয়েছে।   ডাকসু দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়া অবকাঠামো উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের জন্য খেলাধুলার সুযোগ সম্প্রসারণে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।   অতি দ্রুত সময়ের মধ্যেই কেন্দ্রীয় খেলার মাঠের সংস্কার কাজ সম্পন্ন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্র ও ক্রিকেট গ্রাউন্ডকে একটি আধুনিক, মানসম্মত ও শিক্ষার্থীবান্ধব ক্রীড়া কেন্দ্রে রূপান্তর করা হবে।

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬ 0

রাবিতে অ্যাডহক ভিত্তিতে বিপুল সংখ্যক কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগের অভিযোগ

বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাকে শিল্পমুখী করতে রাবিতে প্রথম ‘ইনকিউবেশন হাব’ চালু

সহপাঠীর মৃত্যুর মামলা করতে গিয়ে গ্রেফতার বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র

0 Comments