ক্যাম্পাস

‘হাদির হত্যাকারীর সঙ্গে সেলফি’ যা বললেন জুমা

তাবাস্সুম মার্চ ৯, ২০২৬ 0
ফাতিমা তাসনিম জুমা। ফাইল ছবি
ফাতিমা তাসনিম জুমা। ফাইল ছবি

শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদির সংগঠন ইনকিলাব মঞ্চের অন্যতম সংগঠক ফাতিমা তাসনিম জুমাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে হাদি হত্যার মূল আসামি শুটার ফয়সাল করিম মাসুদের সঙ্গে তাকে সেলফি তুলতে দেখা যায়।

 

রোববার ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর গ্রেফতার হওয়ার পর ছবিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি নিয়ে একটি বেসরকারি টেলিভিশনের সঙ্গে কথা বলেন ডাকসু নেত্রী জুমা।

 

তিনি বলেন, যদি তার কোনো দোষ থাকে তাহলে প্রশাসনের কাছে তার অনুরোধ তাকে গ্রেফতার করা হোক। গ্রেফতারের পর তদন্ত করা হোক এবং তদন্তে যদি কিছু পাওয়া যায়, তা যেন যথাযথভাবে ব্যবহার করা হয়।

 

ইনকিলাব মঞ্চের এই নেত্রী আরও বলেন, কেউ যদি তাকে দোষী বানাতে বা ফাঁসাতে চায়, তবে শেষ পর্যন্ত সত্য গোপন থাকে না। তিনি বলেন, হয়তো তাকে গ্রেফতার করা হবে বা রিমান্ডে নেওয়া হবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যেভাবে আওয়াজ তোলা হচ্ছে। তবে তার দাবি, এটি এখন শুরু হয়নি; ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যার দিন থেকেই এ ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

 

হাদি হত্যার বিচার দাবি করে তিনি বলেন, শহীদ ওসমান হাদি হত্যার বিচার হলে অনেকেই ফেঁসে যাবেন এটাই তাদের ভয়ের জায়গা। তিনি আরও বলেন, যদি কেউ মনে করে তাকে বা জাবেরকে ফাঁসিয়ে কিংবা ইনকিলাব মঞ্চকে চুপ করিয়ে হাদি হত্যার বিচার ধামাচাপা দেওয়া যাবে, তবে সেই আশা পূরণ হবে না। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের আট লাখ মানুষ একটি মানুষের জানাজায় অংশ নিয়েছিল এবং সারা দেশের মানুষ তার কবর জিয়ারত করছে ও বিচার দাবি করছে।

 

এদিকে আলোচিত ছবিটি আসল না নকল তা নিয়ে অনুসন্ধান চালিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে রিউমার স্ক্যানার। তাদের অনুসন্ধানে বলা হয়েছে, ফয়সাল করিম মাসুদের সঙ্গে ফাতিমা তাসনিম জুমার যে ছবিটি ছড়ানো হয়েছে তা আসল নয়; এআইয়ের মাধ্যমে তৈরি করে প্রচার করা হয়েছে।

 

এ বিষয়ে অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্ট দাবিতে ছড়ানো পোস্টগুলো পর্যালোচনা করে দাবির পক্ষে কোনো তথ্যসূত্র পাওয়া যায়নি। একই সঙ্গে প্রাসঙ্গিক কী-ওয়ার্ড ব্যবহার করে অনুসন্ধান করেও নির্ভরযোগ্য কোনো সূত্রে এ দাবির সমর্থনে তথ্যপ্রমাণ পাওয়া যায়নি।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

ক্যাম্পাস

View more
ফাতিমা তাসনিম জুমা। ফাইল ছবি
‘হাদির হত্যাকারীর সঙ্গে সেলফি’ যা বললেন জুমা

শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদির সংগঠন ইনকিলাব মঞ্চের অন্যতম সংগঠক ফাতিমা তাসনিম জুমাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে হাদি হত্যার মূল আসামি শুটার ফয়সাল করিম মাসুদের সঙ্গে তাকে সেলফি তুলতে দেখা যায়।   রোববার ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর গ্রেফতার হওয়ার পর ছবিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি নিয়ে একটি বেসরকারি টেলিভিশনের সঙ্গে কথা বলেন ডাকসু নেত্রী জুমা।   তিনি বলেন, যদি তার কোনো দোষ থাকে তাহলে প্রশাসনের কাছে তার অনুরোধ তাকে গ্রেফতার করা হোক। গ্রেফতারের পর তদন্ত করা হোক এবং তদন্তে যদি কিছু পাওয়া যায়, তা যেন যথাযথভাবে ব্যবহার করা হয়।   ইনকিলাব মঞ্চের এই নেত্রী আরও বলেন, কেউ যদি তাকে দোষী বানাতে বা ফাঁসাতে চায়, তবে শেষ পর্যন্ত সত্য গোপন থাকে না। তিনি বলেন, হয়তো তাকে গ্রেফতার করা হবে বা রিমান্ডে নেওয়া হবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যেভাবে আওয়াজ তোলা হচ্ছে। তবে তার দাবি, এটি এখন শুরু হয়নি; ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যার দিন থেকেই এ ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।   হাদি হত্যার বিচার দাবি করে তিনি বলেন, শহীদ ওসমান হাদি হত্যার বিচার হলে অনেকেই ফেঁসে যাবেন এটাই তাদের ভয়ের জায়গা। তিনি আরও বলেন, যদি কেউ মনে করে তাকে বা জাবেরকে ফাঁসিয়ে কিংবা ইনকিলাব মঞ্চকে চুপ করিয়ে হাদি হত্যার বিচার ধামাচাপা দেওয়া যাবে, তবে সেই আশা পূরণ হবে না। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের আট লাখ মানুষ একটি মানুষের জানাজায় অংশ নিয়েছিল এবং সারা দেশের মানুষ তার কবর জিয়ারত করছে ও বিচার দাবি করছে।   এদিকে আলোচিত ছবিটি আসল না নকল তা নিয়ে অনুসন্ধান চালিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে রিউমার স্ক্যানার। তাদের অনুসন্ধানে বলা হয়েছে, ফয়সাল করিম মাসুদের সঙ্গে ফাতিমা তাসনিম জুমার যে ছবিটি ছড়ানো হয়েছে তা আসল নয়; এআইয়ের মাধ্যমে তৈরি করে প্রচার করা হয়েছে।   এ বিষয়ে অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্ট দাবিতে ছড়ানো পোস্টগুলো পর্যালোচনা করে দাবির পক্ষে কোনো তথ্যসূত্র পাওয়া যায়নি। একই সঙ্গে প্রাসঙ্গিক কী-ওয়ার্ড ব্যবহার করে অনুসন্ধান করেও নির্ভরযোগ্য কোনো সূত্রে এ দাবির সমর্থনে তথ্যপ্রমাণ পাওয়া যায়নি।

তাবাস্সুম মার্চ ৯, ২০২৬ 0
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু), সিনেট ও হল প্রতিনিধি সম্মেলন–২০২৬

স্মরণকালের প্রথম রাকসু, সিনেট ও হল প্রতিনিধি সম্মেলন

ফেসবুক কমেন্টের মন্তব্য নিয়ে সালাহউদ্দিন আম্মার ও ছাত্র অধিকার নেতার বাকবিতন্ডা

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির

খামেনির শাহাদাত ও মার্কিন-ইসরাইলি আগ্রাসনে শিবিরের প্রতিবাদ

শাবিপ্রবিতে ছাত্রী হল সংলগ্ন টিলায় আগুন, ৬ নিরাপত্তাকর্মী আহত

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাতেমা তুজ জাহরা হলের পাশের টিলায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় বিস্তীর্ণ এলাকা পুড়ে গেছে এবং আগুন নেভাতে গিয়ে ছয়জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে দুইজনের অবস্থা গুরুতর। নিরাপত্তা শাখার সুপারভাইজার আজিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।   বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল প্রায় আড়াইটার দিকে ছাত্রী হলসংলগ্ন টিলায় আগুনের সূত্রপাত ঘটে। দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়লে হলে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রথমে হলের নিরাপত্তাকর্মী, মালি ও ইলেক্ট্রিশিয়ানরা আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। পরে আগুন অনেকটা নিয়ন্ত্রণে এলে সিলেট সদর ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে চূড়ান্তভাবে আগুন নেভায়।   শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, হলসংলগ্ন টিলার প্রায় ২০০ শতক এলাকা পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আগুনের তীব্র ধোঁয়া হলে প্রবেশ করায় শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত হয়ে বাইরে বেরিয়ে খোলা মাঠে আশ্রয় নেন। এ সময় প্রশাসনের বিলম্বিত উপস্থিতি ও ফায়ার সার্ভিসের দেরিতে আসা নিয়ে শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।   টিম লিডার প্রীতম দাস জানান, টিলার পাশে আকাশমনি গাছের শুকনো পাতা জমে থাকায় সেখানে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ধারণা করা হচ্ছে, কেউ বিড়ি বা সিগারেটের জ্বলন্ত অংশ ফেলে যাওয়ায় আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তিনি আরও জানান, আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে পানি ছিটানো হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা এড়াতে সবাইকে আরও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।   আহত ছয়জনের মধ্যে গুরুতর আহত হলেন হলের ইলেক্ট্রিশিয়ান আজিজুল হক এবং গার্ডেনার রাকিব হোসাইন। ধোঁয়া শ্বাসনালিতে প্রবেশ করায় আজিজুল হক শ্বাসকষ্টে ভুগছেন এবং বর্তমানে অক্সিজেন সাপোর্টে রয়েছেন। রাকিব হোসাইনও শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় আক্রান্ত। অন্য আহতরা হলেন নিরাপত্তাকর্মী রঞ্জন দাস, লিমন দাস, সুমন আহমদ এবং ইলেক্ট্রিশিয়ান সেলিম মিয়া। তাঁদের কারও পা ছিটে গেছে, কারও হাত কেটে গেছে।   নিরাপত্তাকর্মীদের অভিযোগ, হলে থাকা অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রগুলোর মেয়াদ উত্তীর্ণ থাকায় সেগুলো ব্যবহার করতে গিয়ে শ্বাসকষ্ট দেখা দেয় এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বেগ পেতে হয়। আজিজুর রহমান বলেন, “জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নিরাপত্তাকর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করেছেন, এতে অনেকেই আহত হয়েছেন। আমরা তাদের সম্পূর্ণ চিকিৎসা ব্যয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বহনের দাবি জানাই। পাশাপাশি তাদের উৎসাহ দিতে সম্মানী বা পুরস্কারের ব্যবস্থা করা উচিত।”   ঘটনাস্থলে উপস্থিত উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সাজেদুল করিমের কাছে শিক্ষার্থীরা তিন দফা দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো—জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আগুন নেভানো কর্মীদের পুরস্কৃত করা, তাদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা এবং ভবিষ্যতে অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ ও একটি জরুরি হটলাইন চালু করা।   এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মোখলেসুর রহমান বলেন, আহতদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং চিকিৎসার সম্পূর্ণ ব্যয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বহন করবে। শিক্ষার্থীদের দাবির সঙ্গেও প্রশাসনের সহমত রয়েছে। তবে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রের মেয়াদোত্তীর্ণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, হল কর্তৃপক্ষ থেকে বিষয়টি জানানো না হলে তা জানা সম্ভব নয় এবং এ বিষয়ে হল কর্তৃপক্ষই বিস্তারিত বলতে পারবে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ 0
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

রাবিতে ইফতার মাহফিলের আয়োজন

শামীম হোসেন। ফাইল ছবি

নর্দান বিশ্ববিদ্যালয়ে ডাকসুর আলোচিত ভিপি প্রার্থী শামীম হোসেন নিয়োগ

‘ছোটভাই আর্গুমেন্ট বেশি করতেছো’ বলে ছাত্রনেতাকে পুলিশের মারধর

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মাদকবিরোধী অভিযান চলাকালে ‘আর্গুমেন্ট’ করার অজুহাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) এক শিক্ষার্থী ও ছাত্রনেতাকে নির্মমভাবে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। সোমবার রাতের এই ঘটনায় এক সংবাদকর্মীও পুলিশের লাঠিপেটার শিকার হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও সাংবাদিক মহলে তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।   যৌক্তিক প্রশ্নেই ক্ষিপ্ত পুলিশ: প্রত্যক্ষদর্শী ও শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, অভিযানের সময় ঢাবির নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ও বামপন্থী ছাত্ররাজনীতির পরিচিত মুখ নাঈম উদ্দিন পুলিশের কর্মকাণ্ড নিয়ে কিছু যৌক্তিক প্রশ্ন তোলেন। এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যরা। এ সময় ‘ছোটভাই আর্গুমেন্ট বেশি করতেছো’ বলে নাঈমকে এলোপাথাড়ি লাঠিপেটা শুরু করে পুলিশ। অভিযোগ রয়েছে, অভিযানের নেতৃত্বে থাকা ডিসি মাসুদের সামনেই এই ঘটনা ঘটে এবং পুলিশ সদস্যরা নাঈমের মোবাইল ফোনটিও কেড়ে নেয়।   হাসপাতালে সাংবাদিক: একই অভিযানে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে গুরুতর আহত হয়েছেন ‘বাংলানিউজ টোয়েন্টিফোর’-এর মাল্টিমিডিয়া জার্নালিস্ট তোফায়েল আহমেদ (২৫)। আহত তোফায়েল জানান, তিনি ভিডিও ধারণ করতে গেলে পুলিশ বাধা দেয় এবং ৪-৫ জন কনস্টেবল মিলে তাঁকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করে। বর্তমানে তিনি ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন।   ছাত্রনেতাদের প্রতিবাদ ও প্রশাসন নীরব: এই ঘটনাকে ‘রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস’ হিসেবে অভিহিত করেছেন বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতারা। ছাত্র ইউনিয়নের ঢাবি সভাপতি শিমুল কুম্ভকার ও ডাকসু সদস্য তাজিনুর রহমানসহ অনেকে এই বর্বরোচিত হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দায়ী পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তুলেছেন। তারা বলেন, “পুলিশ রাস্তায় দাঁড়িয়ে বিচার করার অধিকার রাখে না। প্রশ্ন তোলায় গায়ে হাত দেওয়া ফৌজদারি অপরাধের শামিল।”   এদিকে, গুরুতর এই অভিযোগের বিষয়ে শাহবাগ থানার ওসি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সাইফুদ্দিন আহমেদকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তাঁদের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। এমনকি ঢাকা মহানগর পুলিশের পক্ষ থেকেও তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   শিক্ষার্থীদের একাংশ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এই ‘রহস্যজনক নীরবতা’ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ব্যর্থতার দায়ে প্রক্টরিয়াল টিমের সমালোচনা করেছেন। সোহরাওয়ার্দী উদ্যান মাদকমুক্ত করার প্রয়োজনীয়তা থাকলেও, অভিযানের নামে নিরপরাধ নাগরিক ও সাংবাদিকদের ওপর এমন আক্রমণ নতুন বাংলাদেশের আইনের শাসনকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬ 0
ছাত্রশিবির

মসজিদে ঢুকে নামাজরত ছাত্রশিবির নেতাকে টেনে বের করে পিটিয়ে জখম

ছাত্রশিবিরের বর্ণাঢ্য র‍্যালি

পবিত্র মাহে রমাদানকে স্বাগত জানিয়ে রংপুর ছাত্রশিবিরের বর্ণাঢ্য র‍্যালি

টানা ৩৯ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে কলেজ, ক্লাস শুরু ২৯ মার্চ

টানা ৩৯ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে কলেজ, ক্লাস শুরু ২৯ মার্চ

0 Comments