সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
বাংলাদেশ

‘কাউকে অর্ধেক পাওয়ার চেয়ে হারানো সম্মানের, ভালোবাসা ভাগ করার বিষয় নয়’: চিঠিতে মরিয়ম

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬ ৭:১৭
সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম ও মরিয়ম খাতুন। ছবি: সংগৃহীত
সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম ও মরিয়ম খাতুন। ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম খাতুনের (১৯) মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় তার রেখে যাওয়া বলে পরিচিত কয়েকটি হাতে লেখা নোট সামনে এসেছে। এসব লেখায় সম্পর্কের টানাপোড়েন, বিশ্বাসভঙ্গ, ভালোবাসা এবং আত্মসম্মান নিয়ে তার ব্যক্তিগত অনুভূতির কথা উঠে এসেছে।

 

মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ মেয়ের মৃত্যুর ঘটনায় শেরেবাংলা নগর থানায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা করেছেন। মামলায় গাজী নজরুল ইসলাম, তাঁর প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম এবং মরিয়মের মামা মো. ওবায়দুর রহমানকে আসামি করা হয়েছে। মামলার পর গাজী নজরুল ও তাঁর প্রথম স্ত্রীকে গ্রেপ্তার দেখায় পুলিশ। সোমবার আদালত গাজী নজরুলের চার দিন এবং তাঁর প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

 

পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, গত রোববার সন্ধ্যায় শেরেবাংলা নগরের ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর ভবনের তৃতীয় তলার ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাট থেকে মরিয়মের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহটি ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। ঘটনাটি তদন্ত করতে ফরেনসিক দলও ঘটনাস্থলে কাজ করেছে।

 

মরিয়মের রেখে যাওয়া বলে পরিচিত নোটগুলোর কয়েকটি জাতীয় সংসদের অফিসিয়াল প্যাডে লেখা। কোথাও কালো কালি, কোথাও লাল কালিতে লেখা এসব পাতায় তাঁর ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে হতাশা ও ক্ষোভের কথা উঠে এসেছে।

 

একটি লেখায় মরিয়ম লিখেছেন, তিনি গভীর বিশ্বাস নিয়ে সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন। কিন্তু শেষ দিকে এসে তাঁর মনে হয়েছে, যাকে তিনি নিজের পাশে ভেবেছিলেন, তিনিই যেন বিপরীত অবস্থানে ছিলেন। সেখানে তিনি লেখেন, ‘আমি অতি বিশ্বাস করে যুদ্ধে নেমেছিলাম তার সাথে, কিন্তু জিততে পারিনি হেরে গেলাম ময়দানে। জিতবোই বা কেমনে যুদ্ধের শেষ প্রান্তে এসে দেখি তুমিই তো ছিলে বিপক্ষ দলের সেনাপতি।’

 

অন্য একটি লেখায় নিজের অবস্থান ও সম্পর্কের জটিলতা তুলে ধরেছেন মরিয়ম। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘কাউকে অর্ধেক পাওয়ার চেয়ে হারিয়ে ফেলা বেশি সম্মানের কারণ... ভালোবাসা কখনোই ভাগ করে নেওয়ার বিষয় নয়... ভালোবাসা হয় সম্পূর্ণ, না হয় অপূর্ণ!’

 

আরেকটি পাতায় সম্পর্ককে একটি খেলায় পরিণত করার অনুভূতির কথা লিখেছেন তিনি। সেখানে রয়েছে, ‘সে বলেছিল আজ থেকে আমরা বন্ধু চলো একটা গেমস খেলি। আমিও সরল মনে বিশ্বাস করে রাজি হয়েছিলাম। কিন্তু কে জানতো আমিই ছিলাম তোমার গেমসের দাবার এক গুটি।’

 

আরেকটি লেখায় বিশ্বাস করার কারণে প্রতারিত হওয়ার অনুভূতি প্রকাশ পেয়েছে। সেখানে মরিয়ম লিখেছেন, তিনি বিশ্বাস করেছিলেন বলেই তাঁকে ঠকানো সম্ভব হয়েছে। একই লেখায় নিজের কষ্টের মধ্যেও হাসিমুখে থাকার কথা উল্লেখ করেছেন তিনি।

 

লাল কালিতে লেখা আরেকটি সংক্ষিপ্ত বার্তায় আত্মসম্মানের বিষয়টিও উঠে এসেছে। সেখানে মরিয়ম লিখেছেন, মায়ার কারণে তিনি বারবার নত হয়েছেন, তবে নিজেকে অন্যের ধারণার মতো ‘সস্তা’ মনে করেন না।

 

এ ছাড়া ১২ জুলাই ২০২৬ তারিখ লেখা একটি পাতায় ঘুমানোর আগে পড়ার জন্য বিভিন্ন ধর্মীয় আমলের তালিকাও পাওয়া গেছে। সেখানে কালেমা, দরুদ শরিফ, ঘুমের দোয়া, আয়াতুল কুরসী, বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম, আস্তাগফিরুল্লাহসহ বিভিন্ন আমলের কথা লেখা ছিল।

 

মরিয়মের মৃত্যু নিয়ে করা মামলায় তাঁর বাবা বিভিন্ন অভিযোগ তুলেছেন। মামলার নথিতে বলা হয়েছে, জুন মাসে গাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে মরিয়মের বিয়ে হয় এবং এরপর তিনি ন্যাম ভবনের ওই ফ্ল্যাটে গাজী নজরুল ও তাঁর প্রথম স্ত্রী মাকছুদার সঙ্গে থাকতেন। মামলায় মরিয়মকে মানসিক ও শারীরিকভাবে নির্যাতনের অভিযোগও আনা হয়েছে। এসব অভিযোগের সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।

 

মরিয়মের মৃত্যুর আগে জুলাইয়ে গাজী নজরুল ও মরিয়মকে ঘিরে একটি ব্যক্তিগত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল। ওই সময় বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়। পরে গাজী নজরুল নিজেই ওই তরুণীকে তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে পরিচয় দেন। এরপর ২২ জুলাই জামায়াতে ইসলামী তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করে বলে প্রথম আলো জানিয়েছে।

 

মরিয়মের হাতে লেখা নোটগুলোর বক্তব্য তাঁর ব্যক্তিগত অনুভূতি ও উপলব্ধির প্রকাশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। নোটগুলো সত্যিই তাঁর লেখা কি না এবং সেগুলোর বক্তব্যের প্রেক্ষাপট কী ছিল, তা ফরেনসিক ও তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা হবে। তাই এসব লেখায় থাকা অভিযোগ বা বক্তব্যকে তদন্তের ফল হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

 

মরিয়মের মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলার তদন্ত এখন চলমান। আদালতের আদেশ অনুযায়ী গাজী নজরুল ইসলাম ও তাঁর প্রথম স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

 

সূত্র: প্রথম আলো, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস), জাগো নিউজ


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

বাংলাদেশ

View more
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী চীনা রাষ্ট্রদূত
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ, সাইবার নিরাপত্তায় সহযোগিতা জোরদারের অঙ্গীকার

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। সোমবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়।   সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত বৈঠকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রযুক্তির ব্যবহার, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রশিক্ষণ বিনিময়ের বিষয়ও গুরুত্ব পায়। দুই পক্ষ এসব ক্ষেত্রে বিদ্যমান সহযোগিতা আরও এগিয়ে নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে।   বৈঠকের শুরুতে রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন জানান, আগামী অক্টোবরের শুরুতে বাংলাদেশে তাঁর দায়িত্বের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। এরপর তিনি বাংলাদেশ ত্যাগ করবেন। এ সময় তিনি চীনের জননিরাপত্তা মন্ত্রীর পক্ষ থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে শুভেচ্ছা জানান।   এ ছাড়া চীনের জননিরাপত্তাবিষয়ক একটি ফোরামে অংশ নেওয়া এবং দুই দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে বৈঠকের লক্ষ্যে সালাহউদ্দিন আহমদকে চীন সফরের আমন্ত্রণ পৌঁছে দেন ইয়াও ওয়েন। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, উচ্চপর্যায়ের এ ধরনের যোগাযোগ দুই দেশের নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণে ভূমিকা রাখতে পারে।   বৈঠকে বিশেষ গুরুত্ব পায় সাইবার অপরাধ মোকাবিলা। রাষ্ট্রদূত জানান, গত দুই বছরে চীন বাংলাদেশের একশর বেশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যকে বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিয়েছে। এসব প্রশিক্ষণের মধ্যে সাইবার অপরাধ মোকাবিলা, জননিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা, যানবাহন ও পরিবহন ব্যবস্থাপনা, অভিবাসন এবং জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রম রয়েছে।   চীনের এ সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দক্ষতা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন।   এর আগে ১৫ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশ পুলিশে একটি পূর্ণাঙ্গ ও প্রাতিষ্ঠানিক সাইবার নিরাপত্তা ইউনিট গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক পর্যায়ের একজন কর্মকর্তার নেতৃত্বে ইউনিটটি পরিচালিত হবে। পুলিশ সদর দপ্তর, ঢাকা মহানগর পুলিশের সাইবার ইউনিট ও অপরাধ তদন্ত বিভাগের মাধ্যমে বর্তমানে যেসব সাইবার অপরাধ তদন্ত ও ডিজিটাল ফরেনসিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে, সেগুলোকে আরও স্থায়ী ও সমন্বিত কাঠামোর আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।   সোমবারের বৈঠকে বাংলাদেশ ও চীন আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, সাইবার নিরাপত্তা, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং প্রশিক্ষণ বিনিময়ের ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে আগ্রহ পুনর্ব্যক্ত করেছে।

বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬ ৮:২৮
উচ্চ বেতনের চাকরির প্রলোভনে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রতারণা কেন্দ্রে বাংলাদেশিরা: জাতিসংঘ

উচ্চ বেতনের চাকরির প্রলোভনে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রতারণা কেন্দ্রে বাংলাদেশিরা: জাতিসংঘ

সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম ও মরিয়ম খাতুন। ছবি: সংগৃহীত

‘কাউকে অর্ধেক পাওয়ার চেয়ে হারানো সম্মানের, ভালোবাসা ভাগ করার বিষয় নয়’: চিঠিতে মরিয়ম

ছবি: ডিবিসি নিউজ

হাটহাজারীতে সাত পা নিয়ে বাছুরের জন্ম, দেখতে কৌতূহলী মানুষের ঢ্ল

জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে সোমবার ভোরে নিউইয়র্কের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ২১ সেপ্টেম্বর সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে রওনা হন। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।    প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী, তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং সফরসঙ্গীদের নিয়ে তুর্কিশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইট সকাল ৬টা ৫ মিনিটে ঢাকা ছাড়ে। নিউইয়র্কে পৌঁছানোর পর বিমানবন্দর থেকে মোটর শোভাযাত্রার মাধ্যমে তাঁকে নির্ধারিত হোটেলে নেওয়া হবে। সফরকালে সেখানেই তাঁর অবস্থানের কথা রয়েছে।    এ সফর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে প্রথম অংশগ্রহণ। ২৪ সেপ্টেম্বর তিনি সাধারণ বিতর্ক পর্বে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে ভাষণ দেবেন। এর আগে ২২ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস আয়োজিত রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের স্বাগত প্রাতরাশে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। পরে সাধারণ পরিষদের উদ্বোধনী অধিবেশনেও অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী।    সফরসূচি অনুযায়ী, ২২ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট আয়োজিত রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান এবং তাঁদের জীবনসঙ্গীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। এ ছাড়া ইন্টারন্যাশনাল পিস ইনস্টিটিউটের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তাঁর বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে।    সরকারের অর্থনৈতিক কূটনীতির অংশ হিসেবেও প্রধানমন্ত্রীর সফরে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক রয়েছে। তিনি মেটা, ওয়াল স্ট্রিট এবং কয়েকটি ব্যবসায়ী সংগঠনের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে। এসব বৈঠকে বাংলাদেশের অর্থনীতি, বিনিয়োগ এবং ব্যবসায়িক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হতে পারে।    প্রধানমন্ত্রীর এবারের জাতিসংঘ সফরকে ঘিরে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির পাশাপাশি অর্থনৈতিক ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিষয়গুলোও গুরুত্ব পাচ্ছে। নিউইয়র্কে অবস্থানকালে তিনি বিভিন্ন বিশ্বনেতা ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের সুযোগ পাবেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।   প্রধানমন্ত্রী ২৫ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক সময় রাত ১১টায় এমিরেটস এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে। সফরসূচি অনুযায়ী, ২৬ সেপ্টেম্বর তিনি দেশে ফেরার কথা রয়েছে। সূত্র: প্রথম আলো

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬ ০:১২
গাজীপুরের একটি পোশাক কারখানার সেলাই বিভাগে কাজ করছেন শ্রমিকেরা (সম্পাদিত ও সংগৃহিত)

বাংলাদেশের গার্মেন্টস ঠান্ডা রাখার খরচ চার বছরেই উঠে আসতে পারে, গবেষণা

এক লাফে পেট্রলের দাম ২০ টাকা বাড়ায় মাথায় হাত ভোক্তার (প্রতীকী ছবি)

বাংলাদেশে এক লাফে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ল ২০ টাকা, ২০২২ সালের পর একবারে সর্বোচ্চ বৃদ্ধি

জামায়াতকে আধুনিকায়ন ও সংস্কারে ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাকের পাঁচ পরামর্শ

একাত্তরের জন্য ক্ষমা, নেতৃত্বে পরিবর্তনসহ জামায়াতকে রাজ্জাকের ৫ পরামর্শ

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশে আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূত আবদেলোহাব সাইদানি।
দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তায় আলজেরিয়ার সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ

বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উত্তর আফ্রিকার দেশ আলজেরিয়ার সঙ্গে সহযোগিতা আরও গভীর করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বিশেষ করে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি, তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস এবং অন্যান্য পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানির পাশাপাশি জ্বালানি অবকাঠামো উন্নয়নে দুই দেশের মধ্যে অংশীদারত্বের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছে।    সাম্প্রতিক আলোচনায় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আলজেরিয়ার সঙ্গে জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এর লক্ষ্য হচ্ছে আন্তর্জাতিক বাজারের অনিশ্চয়তার মধ্যে জ্বালানির উৎস বৈচিত্র্যময় করা এবং ভবিষ্যতের চাহিদা পূরণে দীর্ঘমেয়াদি ও নির্ভরযোগ্য সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তোলা। বাংলাদেশের সরকারি জ্বালানি নীতিতেও ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণে এলএনজি আমদানি এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক জ্বালানি সহযোগিতা জোরদারের কথা রয়েছে।    গত ১০ সেপ্টেম্বর আলজেরিয়ার জ্বালানিমন্ত্রী মোহাম্মদ আরকাব এবং বাংলাদেশের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের মধ্যে ভিডিও বৈঠকে বিষয়টি আরও এগিয়ে নেওয়া হয়। বৈঠকে আলজেরিয়ার রাষ্ট্রীয় জ্বালানি প্রতিষ্ঠান সোনাত্রাকের প্রধান নির্বাহী নুরেদ্দিন দাউদি, আলজেরিয়ায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এবং পেট্রোবাংলা, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন ও রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানির শীর্ষ কর্মকর্তারা অংশ নেন।    বৈঠকের অন্যতম প্রধান বিষয় ছিল আলজেরিয়া থেকে বাংলাদেশে এলএনজি সরবরাহের জন্য একটি কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলা। বাংলাদেশ আলজেরিয়ার সঙ্গে এলএনজি ক্রয় ও সরবরাহ চুক্তি করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এ ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক গ্যাসবাজারে আলজেরিয়ার রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান সোনাত্রাকের অবস্থানকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।    শুধু এলএনজি কেনাবেচায় সম্পর্ক সীমাবদ্ধ না রেখে দুই দেশের জ্বালানি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারত্ব তৈরির বিষয়ও আলোচনায় এসেছে। এলএনজির পাশাপাশি তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস ও অন্যান্য পেট্রোলিয়াম পণ্যের সরবরাহ এবং সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো উন্নয়নের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে দুই দেশ। আলোচনাগুলো এগিয়ে নিতে একটি যৌথ কার্যকরী দল গঠনের বিষয়েও দুই পক্ষ সম্মত হয়েছে।    আলজেরিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের জ্বালানি সহযোগিতার আলোচনা অবশ্য সেপ্টেম্বরেই শুরু হয়নি। গত ৯ জুলাই ঢাকায় আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূত আবদেলওয়াহাব সাইদানি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন। ওই বৈঠকেও বাংলাদেশ দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা কৌশলের অংশ হিসেবে আলজেরিয়ার সঙ্গে এই খাতে সম্পর্ক শক্তিশালী করার আগ্রহ প্রকাশ করে। জ্বালানির পাশাপাশি বাণিজ্য, বিনিয়োগ, কৃষি, ওষুধশিল্প, জাহাজ নির্মাণ, মৎস্য এবং জনশক্তি খাতেও সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়।    বাংলাদেশের জন্য নতুন ও নির্ভরযোগ্য জ্বালানি উৎস খোঁজার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশ্বব্যাংকের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, দেশটির বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবস্থা আমদানি করা কয়লা, পেট্রোলিয়াম পণ্য ও এলএনজির ওপর উল্লেখযোগ্যভাবে নির্ভরশীল। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধি ও সরবরাহে বিঘ্ন ঘটলে অর্থনীতি এবং বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ তৈরি হয়।    সরকারের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ বর্তমানে দুটি ভাসমান সংরক্ষণ ও পুনরায় গ্যাসে রূপান্তর ইউনিটের মাধ্যমে দৈনিক প্রায় ১১০ কোটি ঘনফুট এলএনজি গ্রহণ করতে পারে। দেশের বার্ষিক এলএনজি চাহিদা প্রায় ৭০ লাখ টন। ২০২৬ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে বছরে আরও ৩০ থেকে ৪০ লাখ টন এলএনজি সরবরাহ বাড়ানোর পরিকল্পনাও রয়েছে। ২০৩১ থেকে ২০৪০ সালের মধ্যে মোট চাহিদা বছরে প্রায় ১ কোটি ৭০ লাখ থেকে ১ কোটি ৮০ লাখ টনে পৌঁছাতে পারে বলে সরকারি পর্যায়ে ধারণা দেওয়া হয়েছে।    এই পরিস্থিতিতে আলজেরিয়া বাংলাদেশের জন্য সম্ভাব্য নতুন সরবরাহ উৎস হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। তবে এখন পর্যন্ত আলোচনাগুলো মূলত সম্ভাব্য সরবরাহ ব্যবস্থা, চুক্তি ও অংশীদারত্ব এগিয়ে নেওয়ার পর্যায়ে রয়েছে; চূড়ান্ত এলএনজি সরবরাহ চুক্তির ঘোষণা পাওয়া যায়নি। দুই দেশের যৌথ কার্যকরী দলের পরবর্তী আলোচনা থেকে মূল্য, সরবরাহের পরিমাণ, মেয়াদ ও পরিবহন ব্যবস্থাসহ সম্ভাব্য চুক্তির বিস্তারিত নির্ধারিত হতে পারে।   বাংলাদেশের লক্ষ্য হলো কোনো একটি উৎসের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা না রেখে একাধিক দেশ থেকে জ্বালানি সংগ্রহের সুযোগ তৈরি করা। আলজেরিয়ার সঙ্গে চলমান আলোচনা বাস্তব চুক্তিতে রূপ নিলে বাংলাদেশের এলএনজি সরবরাহের উৎস আরও বৈচিত্র্যময় হতে পারে এবং দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা কৌশলে নতুন একটি সরবরাহ পথ যুক্ত হতে পারে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬ ১০:১৭
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বিশ্বমঞ্চে বাংলায় কথা বলবেন তারেক রহমান, জাতিসংঘে তুলে ধরবেন বাংলাদেশের নতুন যাত্রা

রুমিন ফারহানা

সরকারের সংকটের কারণ জানালেন রুমিন ফারহানা, বললেন ‘দোষ দিতে চাই না’

অপ্রতিম হ ত্যা মামলার বিচার দ্রুত শেষ করার আশা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

অপ্রতিম হ ত্যার বিচার দ্রুত শেষ করার আশা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

0 Comments