বাংলাদেশ

রাজধানীতে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে স্কুলছাত্র নিহত

Unknown প্রকাশ: মার্চ ২১, ২০২৬ ১:৩৯
নিহত মো. রাব্বি। ছবি: সংগৃহীত
নিহত মো. রাব্বি। ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর মগবাজারে দুর্বৃত্তের এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাতে মো. রাব্বি (১৭) নামে এক স্কুলছাত্র নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (২০ মার্চ) রাতের দিকে মগবাজারের মধুবাগ মাদ্রাসা খেলার মাঠ সংলগ্ন এলাকায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

 

নিহত রাব্বি মগবাজার আঞ্জুমান হাই স্কুলের ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং পঞ্চগড়ের ফুলতলা উপজেলার মো. ফারুক মিয়ার ছেলে। বর্তমানে তিনি পরিবারের সঙ্গে মগবাজারের চেয়ারম্যান গলিতে বসবাস করতেন।

 

প্রতিবেশী কাজী সিয়াম আব্দুল্লাহ জানিয়েছেন, ইফতারের পর রাব্বি তার দুই বন্ধু ও এক বান্ধবীর সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছিল। এ সময় স্থানীয় বখাটে উজ্জ্বলসহ ৫-৬ জন কিশোর তাদের ঘিরে ফেলে। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে তারা রাব্বির বুকে ছুরি মারে এবং পালিয়ে যায়।

 

গুরুতর আহত অবস্থায় রাব্বিকে প্রথমে স্থানীয় কমিউনিটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. ফারুক জানান, রাব্বির লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে। এই ঘটনায় হাতিরঝিল থানায় অভিযুক্ত এক ব্যক্তি আটক হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

বাংলাদেশ

View more
টাঙ্গাইলের সখীপুরে প্রবাসফেরত অসুস্থ স্বামীকে রাস্তার পাশে ফেলে যাওয়ার অভিযোগ স্ত্রীর বিরুদ্ধে। ছবি: সংগৃহীত
প্রবাসফেরত অসুস্থ স্বামীকে রাস্তায় ফেলে যাওয়ার অভিযোগ স্ত্রীর বিরুদ্ধে

টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলায় প্রবাসফেরত এক অসুস্থ ব্যক্তিকে রাস্তার পাশে ফেলে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের দাবি, শনিবার দিবাগত রাতে উপজেলার কালমেঘা এলাকায় তাকে রেখে চলে যান স্ত্রী ও সন্তানরা। পরে এলাকাবাসীর সহায়তায় তিনি আশ্রয় পান স্বজনের বাড়িতে।   অভিযোগের শিকার জামাল উদ্দিন (৪৯) কালমেঘা গ্রামের ফজর আলীর ছেলে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রায় ২৫ বছর আগে তিনি নিজ গ্রাম ছেড়ে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার শ্বশুরবাড়িতে বসবাস শুরু করেন। পরে জীবিকার প্রয়োজনে সৌদি আরবে যান এবং সেখানে প্রায় ১২ বছর কাজ করেন।   স্থানীয় সূত্রের দাবি, প্রবাসে থাকাকালে তিনি উপার্জিত অর্থ পরিবারের কাছে পাঠাতেন। কয়েক বছর আগে কিডনির জটিলতাসহ বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার পর প্রায় আট মাস আগে দেশে ফেরেন। দেশে ফেরার পর তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসা ও দেখভালের ক্ষেত্রে অবহেলার অভিযোগও ওঠে।   স্থানীয়দের অভিযোগ, শনিবার গভীর রাতে জামাল উদ্দিনকে তার পৈতৃক ভিটার পাশের সড়কে রেখে চলে যান তার স্ত্রী রিনা আক্তার ও সন্তানরা। পরে রাতে বৃষ্টি শুরু হলে তিনি অসহায় অবস্থায় পড়ে থাকেন। বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয়রা এগিয়ে আসেন এবং পরে তার ভাতিজি ইসমতারার বাড়িতে তাকে আশ্রয়ের ব্যবস্থা করেন। বর্তমানে তিনি সেখানেই অবস্থান করছেন।   স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মোশাররফ জানান, খবর পেয়ে এলাকাবাসী দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে জামাল উদ্দিনকে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যান। অন্যদিকে জামাল উদ্দিনের বড় ভাই সোহরাব আলী বলেন, তিনি আগে থেকেই ভাইকে শ্বশুরবাড়িতে না থাকার পরামর্শ দিয়েছিলেন। পরে জানতে পারেন, অসুস্থ অবস্থায় তাকে রাস্তার পাশে ফেলে রেখে যাওয়া হয়েছে।   তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জামাল উদ্দিনের স্ত্রী রিনা আক্তার। তার দাবি, কয়েক মাস আগেই তিনি স্বামীকে তালাক দিয়েছেন। ফলে বর্তমানে তাদের মধ্যে বৈবাহিক সম্পর্ক নেই। রাতের বেলায় জামাল উদ্দিন কীভাবে ওই এলাকায় পৌঁছেছেন, সে বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না বলেও দাবি করেন।   এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুল আলম জানান, বিষয়টি উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ৩, ২০২৬ ১০:২৭
রাতের আঁধারে পাঁচটি হিন্দু পরিবারের বাড়িতে আলাদাভাবে হুমকির চিঠি রেখে গেছে দুর্বৃত্তরা। ছবি: সংগৃহীত

চাঁদা না দেয়ায় চিঠি দিয়ে পাঁচ হিন্দু পরিবারকে হত্যার হুমকি

বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় চীনা চক্রের আস্তানায় ডিবির অভিযানে ৪ সদস্য গ্রেপ্তার। ছবি: সংগৃহীত

বসুন্ধরায় ভুয়া চাকরির প্রলোভনে প্রতারণার আস্তানা: ৬ হাজার সক্রিয় সিমসহ বিদেশি চক্রের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার

সিফাত। ছবি:সংগৃহীত

এইচএসসি পরীক্ষার আগেই এমআইটিতে ১০ কোটি টাকার স্কলারশিপ অর্জন চাঁদপুরের সিফাতের

শয়তানের ধোঁকায় পড়ে শুরু করেছিলাম
‘শয়তানের ধোঁকায় পড়ে শুরু করেছিলাম, দেখে ফেলায় শেষ করতে পারিনি’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হলে একটি ভাইরাল ভিডিওকে কেন্দ্র করে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। হল সংসদের সহসাধারণ সম্পাদক (এজিএস) ইব্রাহীম খলিলের কক্ষে অবস্থান করা দুই বহিরাগত অতিথির বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত অন্তরঙ্গ আচরণের অভিযোগ ওঠার পর পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এর পরিপ্রেক্ষিতে হল প্রশাসন ইব্রাহীম খলিলের আবাসিক সিট সাময়িকভাবে বাতিল করেছে এবং ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।   শনিবার সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি ক্যাম্পাসজুড়ে আলোচনার জন্ম দেয়। ভিডিওতে দুই ব্যক্তিকে তাদের আচরণ নিয়ে বক্তব্য দিতে এবং ক্ষমা চাইতে দেখা যায়। তবে ভিডিওটির সত্যতা বা এর সম্পূর্ণ প্রেক্ষাপট স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।   ইব্রাহীম খলিলের রুমমেট ও হলের আবাসিক শিক্ষার্থী অনয় চৌধুরী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করেন, গত ২৭ জুলাই ওই দুই ব্যক্তি ইব্রাহীম খলিলের অতিথি হিসেবে কক্ষে অবস্থান করছিলেন। পরে তাদের আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পাওয়ার দাবি করেন তিনি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, উপস্থিত কয়েকজন শিক্ষার্থী ঘটনার বিষয়ে বক্তব্য ধারণ করলেও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের গোপনীয়তা ও ঘটনার সংবেদনশীলতার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে পুরো ভিডিও প্রকাশ করা হয়নি।   এদিকে সমালোচনার মুখে ফেসবুকে দেওয়া এক বক্তব্যে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন ইব্রাহীম খলিল। তিনি বলেন, চিকিৎসার উদ্দেশ্যে ঢাকায় আসা পরিচিত দুজনকে মানবিক কারণে তার কক্ষে থাকার অনুমতি দিয়েছিলেন। তবে অভিযোগের সময় তিনি কক্ষে উপস্থিত ছিলেন না এবং ঘটনার বিষয়েও তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানতেন না বলে দাবি করেন। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগের নিন্দা জানিয়ে প্রকৃত দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়ায় সহযোগিতার আশ্বাস দেন।   অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ইব্রাহীম খলিল একটি অডিও কল রেকর্ড সরবরাহ করেন। সেখানে একজনকে বলতে শোনা যায়, তারা একটি অনৈতিক কাজে জড়িয়ে পড়তে যাচ্ছিলেন, তবে রুমমেট এসে পড়ায় তা সম্পন্ন হয়নি। অডিওটির সত্যতাও স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।   শহীদুল্লাহ হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আমিনুল ইসলাম ভূইয়া জানান, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ইব্রাহীম খলিলের বরাদ্দকৃত সিট সাময়িকভাবে বাতিল করা হয়েছে। একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা হবে। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই পরবর্তী প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।   হল সংসদের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) তৌকির হাসান বলেন, এজিএস ইব্রাহীম খলিলের কাছে ইতোমধ্যে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। তার বক্তব্য এবং রুমমেটের বক্তব্য পর্যালোচনা করে হল সংসদ প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবে।   এদিকে ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে শহীদুল্লাহ হলের পুকুরপাড় এলাকায় একদল শিক্ষার্থী বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেন। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।   উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনে ছাত্রশিবির-সমর্থিত প্যানেল থেকে শহীদুল্লাহ হলের এজিএস নির্বাচিত হন ইব্রাহীম খলিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি মুহা. মহিউদ্দিন খান নিশ্চিত করেছেন যে, ইব্রাহীম খলিল সংগঠনটির সক্রিয় কর্মী।   বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হবে না।

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: আগস্ট ২, ২০২৬ ৪:২৭
দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে অনিরাপদ- অপরাধপ্রবণ শহর ঢাকা

দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে অনিরাপদ- অপরাধপ্রবণ শহর ঢাকা

২০ বছর ধরে মৃত শিক্ষকের বেতন তুলে আলোচনায় জামায়াত নেতা

২০ বছর ধরে মৃত শিক্ষকের বেতন তুলে আলোচনায় জামায়াত নেতা

বাংলাদেশে বিনিয়োগে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিবাচক বার্তা

বাংলাদেশে বিনিয়োগে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিবাচক বার্তা, আসছে ২৫ মার্কিন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদল

১২ ঘণ্টার ব্যবধানে ৩৩তম বিসিএসের দুই স্বাস্থ্য ক্যাডারের মৃত্যু
১২ ঘণ্টার ব্যবধানে ৩৩তম বিসিএসের দুই স্বাস্থ্য ক্যাডারের মৃত্যু, শোক প্রকাশ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

মাত্র ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন ৩৩তম বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারের দুই কর্মকর্তা। শুক্রবার (৩১ জুলাই) দিবাগত রাত এবং শনিবার দুপুরে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁদের মৃত্যু হয়। চিকিৎসা অঙ্গনের এই দুই মেধাবী কর্মকর্তার আকস্মিক প্রয়াণে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল।   প্রয়াত এই দুই চিকিৎসক হলেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্যাথলজি বিভাগের কিউরেটর ডা. আবু ঈসা মো. আরাফাত ইমাম এবং নেত্রকোণার মোহনগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) ডা. মোমেনুল ইসলাম। জানা গেছে, ঢাকা মেডিকেল কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ডা. আরাফাত ইমাম শুক্রবার দিবাগত রাত আনুমানিক ২টায় ঢাকার ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।   মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল প্রায় ৪২ বছর। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন।   অন্যদিকে, শনিবার দুপুর ২টার দিকে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন ডা. মোমেনুল ইসলাম। রাজশাহী মেডিকেল কলেজের প্রাক্তন এই শিক্ষার্থীর বয়স হয়েছিল আনুমানিক ৪৫ বছর। মৃত্যুকালে তিনিও স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন। দুই চিকিৎসকের অকাল মৃত্যুতে শনিবার বিকেলে এক শোকবার্তায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন তাঁদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার, সহকর্মী ও স্বজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা ও সহমর্মিতা জ্ঞাপন করেন।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ১, ২০২৬ ১৪:৮
স্ত্রীর দাফনের প্রস্তুতিতে মিলল ২৪ বছর আগের স্বামীর অক্ষত মরদেহ। ছবি: সংগৃহীত

কবর খননের সময় ২৪ বছর আগের মরদেহ অক্ষত থাকার দাবি, কুমিল্লায় চাঞ্চল্য

মিরপুর-১০ ও ফার্মগেট মেট্রো স্টেশনের সন্দেহজনক বস্তুর ব্যাগ ঘিরে বোমাতঙ্ক। ছবি: সংগৃহীত

মিরপুর-১০ মেট্রো স্টেশনে বোমা আতঙ্কে পাওয়া ব্যাগে জর্দার কৌটা ও পান ছিল: ডিএমপি

কেএনএফের সহিংসতায় বাস্তুচ্যুত হওয়ার পর নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতিতে বান্দরবানের পাহাড়ি এলাকায় ফিরতে শুরু করেছে ২২১টি পরিবার। পুনর্বাসন ও স্বাভাবিক জীবন ফিরিয়ে আনতে সহায়তা দিচ্ছে প্রশাসন ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। (সংগৃহীত ছবি)

কেএনএফের আতঙ্ক কাটিয়ে বান্দরবানের পাহাড়ে ফিরেছে ২২১ বাস্তুচ্যুত পরিবার

0 Comments