বাংলাদেশ

দৌলতদিয়ায় পদ্মা থেকে বাস উদ্ধার, ভেতর থেকে একের পর এক লাশ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় পদ্মা নদীতে ডুবে যাওয়া যাত্রীবাহী বাসটি বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে উদ্ধার করা হয়েছে। বাসটি তোলার পর ভেতর থেকে একের পর এক লাশ উদ্ধার করতে দেখা গেছে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের। ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত অন্তত ১২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে তিনজন পুরুষ, ছয়জন নারী ও তিনজন শিশু রয়েছে।

 

উদ্ধারকারী সূত্র জানায়, বাসটির দরজা ভাঙা অবস্থায় রয়েছে। ভেতর থেকে স্কুলব্যাগ, জুতা-স্যান্ডেল, ভ্যানিটি ব্যাগসহ বিভিন্ন সামগ্রী ভেসে উঠতে দেখা গেছে। ঘটনাস্থলে উদ্ধারকাজে সহায়তার জন্য তিনটি অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

 

নিখোঁজ স্বজনদের খোঁজে ঘাট এলাকায় ভিড় করছেন পরিবার-পরিজনের সদস্যরা। তাঁদের মধ্যে রোকন বলেন, তাঁর বন্ধুর ছোট বোন ও তার স্বামী ওই বাসে করে ঢাকায় যাচ্ছিলেন। দুর্ঘটনার পর থেকে এখনো তাঁদের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

 

আরেক স্বজন শরিফুল ইসলাম জানান, তাঁর পরিবারের কয়েকজন সদস্য বাসে ছিলেন। তাঁদের মধ্যে স্ত্রী, মেয়ে ও এক আত্মীয় সাঁতরে উঠতে পারলেও সাত বছরের ছেলে ও ১১ বছর বয়সী ভাগ্নে এখনও নিখোঁজ। তিনি বলেন, “আমার আর কিছু লাগবে না, শুধু আমার সন্তানের লাশটা আমাকে বুঝিয়ে দিন।”

 

নিখোঁজ দুই নাতির জন্য অপেক্ষা করছেন নবীজ উদ্দিন। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, “আমার নাতি-নাতনি বাসে ছিল। তাদের জন্য অপেক্ষা করছি।” ঘাট তত্ত্বাবধায়ক মো. মনির হোসেন জানান, প্রায় ৫০ জন যাত্রী নিয়ে বাসটি কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ঢাকার উদ্দেশে যাচ্ছিল। দৌলতদিয়ার তিন নম্বর ঘাটে ফেরির জন্য অপেক্ষার সময় ‘হাসনা হেনা’ নামের একটি ছোট ফেরি পন্টুনে আঘাত করলে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে পড়ে যায়। উদ্ধারকারীরা আশঙ্কা করছেন, এখনও আরও যাত্রী বাসের ভেতরে আটকা থাকতে পারেন।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

বিয়ের মাধ্যমে আমেরিকার নাগরিকত্ব কি বন্ধ? ইউএস ইমিগ্রেশন ওয়েবসাইটে কী বলা আছে

সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্রে বিয়ের মাধ্যমে নাগরিকত্ব বা গ্রীন কার্ড পাওয়ার নিয়ম বন্ধ হয়ে গেছে। তবে মার্কিন ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ ইউএস সিটিজেনশিপ এন্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিস  এর অফিসিয়াল তথ্য অনুযায়ী এই দাবি সঠিক নয়। সংস্থাটি জানিয়েছে, বিয়ের মাধ্যমে এখনও গ্রীন কার্ড এবং পরে নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগ রয়েছে, তবে আবেদনকারীদের নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলতে হবে এবং বর্তমানে যাচাই-বাছাই আগের তুলনায় বেশি কঠোর করা হয়েছে। ইউএসসিআইএসের নিয়ম অনুযায়ী, একজন মার্কিন নাগরিক বা গ্রীন কার্ডধারী তার স্বামী বা স্ত্রীর জন্য পারিবারিক ভিত্তিতে অভিবাসনের আবেদন করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে প্রথমে বৈধ বিয়ের প্রমাণসহ আবেদন জমা দিতে হয়। আবেদন অনুমোদিত হলে বিদেশি স্বামী বা স্ত্রী গ্রীন কার্ড পেতে পারেন এবং স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে থাকার অনুমতি পাবেন। সাধারণত মার্কিন নাগরিককে বিয়ে করলে প্রক্রিয়া তুলনামূলক দ্রুত হয়, আর গ্রীন কার্ডধারীকে বিয়ে করলে অপেক্ষার সময় কিছুটা বেশি হতে পারে। গ্রীন কার্ড পাওয়ার পর নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করার নিয়মও আগের মতোই রয়েছে। ইমিগ্রেশন নীতিমালা অনুযায়ী, যদি কেউ মার্কিন নাগরিককে বিয়ে করে গ্রীন কার্ড পান এবং কমপক্ষে তিন বছর একসাথে বসবাস করেন, তাহলে তিনি নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারেন। আর যদি গ্রীন কার্ডধারীকে বিয়ে করেন, তাহলে সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে পাঁচ বছর পূর্ণ হলে নাগরিকত্বের আবেদন করা যায়। ইমিগ্রেশন বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রে বেশি সাক্ষাৎকার নেওয়া হচ্ছে, অতিরিক্ত কাগজপত্র চাওয়া হচ্ছে এবং যৌথ ব্যাংক হিসাব, বাসার ঠিকানা, ট্যাক্স নথি ও পারিবারিক প্রমাণ জমা দিতে হচ্ছে। ভুয়া বিয়ের মাধ্যমে সুবিধা নেওয়া ঠেকাতে এই যাচাই-বাছাই বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া আবেদন প্রক্রিয়ায় সময় বেশি লাগার কারণেও অনেকের মধ্যে ভুল ধারণা তৈরি হয়েছে যে বিয়ের মাধ্যমে নাগরিকত্ব বন্ধ হয়ে গেছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বিয়ের মাধ্যমে আমেরিকার নাগরিকত্ব বা গ্রীন কার্ড বন্ধ হয়নি। তবে বর্তমানে আবেদন প্রক্রিয়া কঠোর হয়েছে এবং প্রতিটি ক্ষেত্রে বৈধ বিবাহ, একসাথে বসবাস এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রমাণ করা বাধ্যতামূলক।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

Advertisement

বাংলাদেশ

View more
ছবি: সংগৃহীত
সাবেক সেনা কর্মকর্তা শেখ মামুন খালেদ গ্রেপ্তার

সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে সাবেক সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব) শেখ মামুন খালেদকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বুধবার (২৬ মার্চ) দিবাগত রাতে তাকে মিন্টুরোড ডিবি কার্যালয়ে আনা হয়েছে।   ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সুনির্দিষ্ট কিছু অভিযোগের ভিত্তিতে লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব) শেখ মামুন খালেদকে আমরা ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে এসেছি। কিছু বিষয়ে আমরা তার সঙ্গে কথা বলব। বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে।   ডিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রেপ্তার এই কর্মকর্তা অর্থ আত্মসাৎ ও ভূমি দখলের অভিযোগের মুখোমুখি। এছাড়া তার বিরুদ্ধে একটি গোয়েন্দা সংস্থাকে রাজনৈতিক কাজে ব্যবহার করার অভিযোগও রয়েছে।   প্রসঙ্গত, এর আগে ২০২৫ সালের ২২ মে আদালত ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক শেখ মামুন খালেদ, তার স্ত্রী নিগার সুলতানা খালেদ, কর কমিশনার আবু সাঈদ মো. মুস্তাক এবং এনএসআই-এর সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল টি. এম. জোবায়েরের ভাই খন্দকার আবুল কাইয়ুমের বিদেশ যাত্রা নিষিদ্ধ করেন। ওই আদেশ দুদকের পৃথক দুটি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ জাকির হোসেন গালিব দেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

দৌলতদিয়ায় মর্মান্তিক বাস দুর্ঘটনা: ১৬ মরদেহ উদ্ধার, শোক প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

ছবি: সংগৃহীত

দৌলতদিয়ায় পদ্মা থেকে বাস উদ্ধার, ভেতর থেকে একের পর এক লাশ উদ্ধার

ছবি: সংগৃহীত

দৌলতদিয়ায় পদ্মায় ডুবে যাওয়া বাস তোলার কাজ শুরু, নিখোঁজ বহু যাত্রী

ছবি: সংগৃহীত
ঝিনাইদহে ফেসবুক পোস্টের জেরে কৃষক দল নেতাকে পিটিয়ে হত্যা

ফেসবুকে দেওয়া একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলায় আবুল কাশেম নামের এক কৃষক দল নেতাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে উপজেলার কুল্লাগাছা-ভাতুরিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।   নিহত আবুল কাশেম কাপাশহাটিয়া ইউনিয়ন কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি ওই গ্রামের মৃত আবদুল লতিফের ছেলে।   পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাম্প্রতিক জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। বুধবার সকালে এক ফেসবুক পোস্টকে ঘিরে দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। পরে সন্ধ্যায় একটি চায়ের দোকানে সেই বিরোধ আরও তীব্র হয়ে ওঠে।   একপর্যায়ে প্রতিপক্ষের হামলায় আবুল কাশেম গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ বিল্লাহ হোসেন জানান, মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এলাকায় নতুন করে সহিংসতা এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

দৌলতদিয়া ঘাটে যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে: দুইজনের মৃত্যু, নিখোঁজ আরও অনেকে

ছবি: সংগৃহীত

হাদি হত্যা: জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার ফয়সাল করিমের, দেশে ফেরাতে উদ্যোগ সরকারের

ছবি: সংগৃহীত

কক্সবাজারে ছুরিকাঘাতে ছাত্রদল নেতা খোরশেদ নিহত

বাগমারা থানা
রাজশাহীর বাগমারায় সশস্ত্র বাহিনীর তাণ্ডবের অভিযোগ, ভাঙচুর-লুটপাটে আতঙ্কে স্থানীয়রা

রাজশাহীর বাগমারা এলাকা আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। অভিযোগ উঠেছে, তাহেরপুর পৌরসভা বিএনপির সভাপতি আ ন ম শামছুর রহমান মিন্টুর মদদে ‘সিক্স স্টার’ নামে একটি সশস্ত্র বাহিনী গড়ে উঠেছে, যারা চাঁদাবাজি, জমি ও হাটবাজার দখল এবং নির্যাতনের মাধ্যমে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। শুধু সাধারণ মানুষ নয়, বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরাও এ বাহিনীর হামলার শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।   গত ২১ মার্চ ঈদুল ফিতরের রাতে বাগমারার তাহেরপুর পৌরসভার নূরপুর মহল্লায় যুবলীগ ও ছাত্রলীগের তিন নেতাকর্মীর বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এ সময় দুটি বাড়ির প্রায় সব আসবাবপত্র ভেঙে ফেলা হয় এবং নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুট করা হয়। রাত সাড়ে ১০টা থেকে ১২টা পর্যন্ত এ তাণ্ডব চলে বলে জানা গেছে।   স্থানীয়দের অভিযোগ, এর আগে হরিতলা মোড়ে একটি বৈঠকে এসব হামলার পরিকল্পনা করা হয়। এরপর রাতে ১২ থেকে ১৫ জনের একটি সশস্ত্র দল মাইক্রোবাসে করে তাহেরপুর ও শ্রীপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় মহড়া দেয় এবং আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের বাড়িতে হামলা চালায়।   নির্যাতিত আব্দুল গাফ্ফার অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা তার বাড়িতে ঢুকে খাট, টেবিল, আলমারি, টেলিভিশনসহ প্রায় সব আসবাবপত্র ভেঙে ফেলে এবং অস্ত্রের মুখে নগদ ৫৫ হাজার টাকা ও আড়াই লাখ টাকার স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে যায়। পাশের বাড়িতেও ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয় বলে জানা গেছে।   ঘটনার পর আব্দুল গাফ্ফার বাগমারা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন, যেখানে কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, হামলার সময় আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করা হয় এবং এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করা হয়।   অন্যদিকে, অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে এসব অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। বিএনপি নেতা মিন্টু বলেন, হামলার বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না এবং এর সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। অপরদিকে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৪, ২০২৬ 0
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর

বিদেশে উচ্চশিক্ষায় বড় সুখবর: শিক্ষার্থীদের ১০ লাখ টাকা ঋণ দেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ছবি: সংগৃহীত

আশুলিয়ায় গণধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

ছবি: সংগৃহীত

সিরাজগঞ্জ থেকে ভিডিও কলে জকিগঞ্জ হাসপাতালের কার্যক্রম দেখলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

0 Comments