সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
তথ্যপ্রযুক্তি

টেসলার এআই সফটওয়্যারের নেতৃত্বে ভারতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েট অশোক

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: অক্টোবর ২৩, ২০২৬ ৮:৪৪
টেসলার এআই সফটওয়্যারের ভাইস প্রেসিডেন্ট অশোক এলুসওয়ামি
টেসলার এআই সফটওয়্যারের ভাইস প্রেসিডেন্ট অশোক এলুসওয়ামি

ভারতের তামিলনাড়ুতে প্রকৌশল পড়াশোনা করা অশোক এলুসওয়ামি এখন টেসলার এআই সফটওয়্যারের ভাইস প্রেসিডেন্ট। প্রতিষ্ঠানটির অটোপাইলট দলের প্রথম প্রকৌশলী হিসেবে যোগ দিয়ে তিনি ধাপে ধাপে সফটওয়্যার নেতৃত্বের দায়িত্বে উঠে এসেছেন। টেসলার ২০২৬ সালের সিভিপিআর সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক আয়োজনের বিবরণেও তাঁকে এআই সফটওয়্যারের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে পরিচয় করানো হয়েছে।
 

অশোক চেন্নাইয়ের কলেজ অব ইঞ্জিনিয়ারিং, গিন্ডি থেকে ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক করেন। কলেজটি আন্না বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশ। পরে যুক্তরাষ্ট্রের কার্নেগি মেলন বিশ্ববিদ্যালয়ে রোবোটিক সিস্টেমস ডেভেলপমেন্ট বিষয়ে উচ্চশিক্ষা নেন। বিশ্ববিদ্যালয়টির রোবোটিকস ইনস্টিটিউটের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের তালিকা অনুযায়ী, ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে তাঁর ওই প্রোগ্রাম সম্পন্ন হয়। 


টেসলায় তাঁর যাত্রা শুরু হয় ২০১৪ সালে। অর্থাৎ অটোপাইলটের প্রথম সংস্করণ চালুর আগেই তিনি প্রতিষ্ঠানটির সংশ্লিষ্ট সফটওয়্যার দলে যুক্ত হন। ২০২৪ সালে প্রকাশিত এক বক্তব্যে ইলন মাস্কও তাঁকে টেসলার এআই ও অটোপাইলট দলের প্রথম সদস্য হিসেবে উল্লেখ করেন। টেসলার বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রকাশিত নথিতে সংরক্ষিত ওই বক্তব্যে মাস্ক জানান, পরে অশোক পুরো এআই ও অটোপাইলট সফটওয়্যারের নেতৃত্বে উঠে আসেন। 


কর্মজীবনের শুরুতে অটোপাইলটের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করার পর তিনি সিনিয়র এবং সিনিয়র স্টাফ সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হন। ২০১৯ সালে পান অটোপাইলট সফটওয়্যারের পরিচালক পদ। তাঁর পেশাগত প্রোফাইলের তথ্যের ভিত্তিতে ২০২৪ সালের অক্টোবরে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এআই সফটওয়্যারের ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে পদোন্নতির খবর জানানো হয়। 


তাঁর নেতৃত্বের ক্ষেত্র বোঝার জন্য টেসলার প্রযুক্তির কাজও গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিষ্ঠানটির আনুষ্ঠানিক বিবরণ অনুযায়ী, তাদের এআই উন্নয়নে ক্যামেরার দৃশ্য থেকে বাস্তব পরিবেশ বুঝে যানবাহন ও রোবটের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণের মডেল তৈরি করা হয়। এতে শুধু মডেল প্রশিক্ষণ নয়, বাস্তব পরিস্থিতিতে কার্যকারিতা মূল্যায়ন, নিরাপত্তা বিবেচনা এবং নির্ভরযোগ্যভাবে প্রযুক্তি ব্যবহারের বিষয়ও রয়েছে। ২০২৬ সালের সিভিপিআর আয়োজনে অশোকের বক্তব্যের বিষয় ছিল টেসলায় রোবোটিকসের জন্য ভিত্তিমূলক মডেল নির্মাণ। 


তবে টেসলার ‘ফুল সেলফ ড্রাইভিং’ নামটির সঙ্গে প্রযুক্তিটির ব্যবহারের শর্ত আলাদা করে বোঝা প্রয়োজন। টেসলা নিজেই জানিয়েছে, গ্রাহকদের জন্য থাকা ‘ফুল সেলফ ড্রাইভিং সুপারভাইজড’ ব্যবহারে চালকের সক্রিয় নজরদারি আবশ্যক। এই ব্যবস্থা গাড়িকে সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় করে না। ফলে অশোকের কাজের ক্ষেত্রকে চালকের সহায়তাকারী প্রযুক্তি ও ভবিষ্যতের স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার উন্নয়ন হিসেবে দেখা যথাযথ। 


টেসলায় যোগ দেওয়ার আগে অশোক ওয়াবকো ভেহিকল কন্ট্রোল সিস্টেমসে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করেন। ফোক্সওয়াগেনের ইলেকট্রনিক রিসার্চ ল্যাবেও গবেষণা ইন্টার্ন ছিলেন। ভারতে প্রকৌশলের প্রাথমিক শিক্ষা, যুক্তরাষ্ট্রে রোবোটিকসের উচ্চশিক্ষা এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানে কাজের অভিজ্ঞতার ধারাবাহিকতায় গড়ে উঠেছে তাঁর কর্মজীবন।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

তথ্যপ্রযুক্তি

View more
টেসলার এআই সফটওয়্যারের ভাইস প্রেসিডেন্ট অশোক এলুসওয়ামি
টেসলার এআই সফটওয়্যারের নেতৃত্বে ভারতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েট অশোক

ভারতের তামিলনাড়ুতে প্রকৌশল পড়াশোনা করা অশোক এলুসওয়ামি এখন টেসলার এআই সফটওয়্যারের ভাইস প্রেসিডেন্ট। প্রতিষ্ঠানটির অটোপাইলট দলের প্রথম প্রকৌশলী হিসেবে যোগ দিয়ে তিনি ধাপে ধাপে সফটওয়্যার নেতৃত্বের দায়িত্বে উঠে এসেছেন। টেসলার ২০২৬ সালের সিভিপিআর সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক আয়োজনের বিবরণেও তাঁকে এআই সফটওয়্যারের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে পরিচয় করানো হয়েছে।   অশোক চেন্নাইয়ের কলেজ অব ইঞ্জিনিয়ারিং, গিন্ডি থেকে ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক করেন। কলেজটি আন্না বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশ। পরে যুক্তরাষ্ট্রের কার্নেগি মেলন বিশ্ববিদ্যালয়ে রোবোটিক সিস্টেমস ডেভেলপমেন্ট বিষয়ে উচ্চশিক্ষা নেন। বিশ্ববিদ্যালয়টির রোবোটিকস ইনস্টিটিউটের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের তালিকা অনুযায়ী, ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে তাঁর ওই প্রোগ্রাম সম্পন্ন হয়।  টেসলায় তাঁর যাত্রা শুরু হয় ২০১৪ সালে। অর্থাৎ অটোপাইলটের প্রথম সংস্করণ চালুর আগেই তিনি প্রতিষ্ঠানটির সংশ্লিষ্ট সফটওয়্যার দলে যুক্ত হন। ২০২৪ সালে প্রকাশিত এক বক্তব্যে ইলন মাস্কও তাঁকে টেসলার এআই ও অটোপাইলট দলের প্রথম সদস্য হিসেবে উল্লেখ করেন। টেসলার বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রকাশিত নথিতে সংরক্ষিত ওই বক্তব্যে মাস্ক জানান, পরে অশোক পুরো এআই ও অটোপাইলট সফটওয়্যারের নেতৃত্বে উঠে আসেন।  কর্মজীবনের শুরুতে অটোপাইলটের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করার পর তিনি সিনিয়র এবং সিনিয়র স্টাফ সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হন। ২০১৯ সালে পান অটোপাইলট সফটওয়্যারের পরিচালক পদ। তাঁর পেশাগত প্রোফাইলের তথ্যের ভিত্তিতে ২০২৪ সালের অক্টোবরে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এআই সফটওয়্যারের ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে পদোন্নতির খবর জানানো হয়।  তাঁর নেতৃত্বের ক্ষেত্র বোঝার জন্য টেসলার প্রযুক্তির কাজও গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিষ্ঠানটির আনুষ্ঠানিক বিবরণ অনুযায়ী, তাদের এআই উন্নয়নে ক্যামেরার দৃশ্য থেকে বাস্তব পরিবেশ বুঝে যানবাহন ও রোবটের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণের মডেল তৈরি করা হয়। এতে শুধু মডেল প্রশিক্ষণ নয়, বাস্তব পরিস্থিতিতে কার্যকারিতা মূল্যায়ন, নিরাপত্তা বিবেচনা এবং নির্ভরযোগ্যভাবে প্রযুক্তি ব্যবহারের বিষয়ও রয়েছে। ২০২৬ সালের সিভিপিআর আয়োজনে অশোকের বক্তব্যের বিষয় ছিল টেসলায় রোবোটিকসের জন্য ভিত্তিমূলক মডেল নির্মাণ।  তবে টেসলার ‘ফুল সেলফ ড্রাইভিং’ নামটির সঙ্গে প্রযুক্তিটির ব্যবহারের শর্ত আলাদা করে বোঝা প্রয়োজন। টেসলা নিজেই জানিয়েছে, গ্রাহকদের জন্য থাকা ‘ফুল সেলফ ড্রাইভিং সুপারভাইজড’ ব্যবহারে চালকের সক্রিয় নজরদারি আবশ্যক। এই ব্যবস্থা গাড়িকে সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় করে না। ফলে অশোকের কাজের ক্ষেত্রকে চালকের সহায়তাকারী প্রযুক্তি ও ভবিষ্যতের স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার উন্নয়ন হিসেবে দেখা যথাযথ।  টেসলায় যোগ দেওয়ার আগে অশোক ওয়াবকো ভেহিকল কন্ট্রোল সিস্টেমসে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করেন। ফোক্সওয়াগেনের ইলেকট্রনিক রিসার্চ ল্যাবেও গবেষণা ইন্টার্ন ছিলেন। ভারতে প্রকৌশলের প্রাথমিক শিক্ষা, যুক্তরাষ্ট্রে রোবোটিকসের উচ্চশিক্ষা এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানে কাজের অভিজ্ঞতার ধারাবাহিকতায় গড়ে উঠেছে তাঁর কর্মজীবন।

প্রকাশ: অক্টোবর ২৩, ২০২৬ ৮:৪৪
চু রি করা আইফোনে সতর্কবার্তা

ফ্রান্সে অ্যাপল স্টোরে লু ট পা টের পর চো রদের আইফোনেই ভেসে উঠল সতর্কবার্তা

সাইবার হামলার আশঙ্কায় বিশ্বজুড়ে অনলাইন নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ

সাইবার হামলার আশঙ্কায় বিশ্বজুড়ে ওয়েবসাইট বন্ধ, বাংলাদেশের প্রস্তুতি কতটা আর ঝুঁকিই বা কী

ফেসবুকে কনটেন্ট পৌঁছানোর হিসাব দেখাতে পরিচিত ‘রিচ’ সূচকের জায়গায় গুরুত্ব পাচ্ছে ‘ভিউয়ারস’। ছবি: সংগৃহীত

ফেসবুকে বন্ধ হচ্ছে পরিচিত ‘রিচ’, জায়গা নিচ্ছে নতুন সূচক ‘ভিউয়ারস’

এআই ও শিল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনায় জেনসেন হুয়াং
এআই নিয়ে প্রচলিত ধারণা বদলে দিলেন এনভিডিয়া সিইও, শিল্পখাতকে দিলেন জরুরি পরামর্শ

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) মানুষের দক্ষতা ও কাজের জায়গা দখল করে নেবে—এমন আশঙ্কার বিপরীতে ভিন্ন বার্তা দিয়েছেন এনভিডিয়ার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জেনসেন হুয়াং। তাঁর মতে, এআইকে মানুষের বিকল্প হিসেবে না দেখে শিল্পের উৎপাদনশীলতা বাড়ানো, নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণ এবং অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করার হাতিয়ার হিসেবে কাজে লাগানো উচিত। বিশেষ করে জার্মানির মতো শিল্পনির্ভর অর্থনীতির দেশগুলোর জন্য এআই বড় সুযোগ তৈরি করতে পারে বলে মনে করেন তিনি।   জার্মানির গাড়ি নির্মাণ, যন্ত্রপাতি উৎপাদন ও ভারী শিল্প খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোকে এআই প্রযুক্তি গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন হুয়াং। তাঁর বক্তব্য, কেবল ডিজিটাল প্রযুক্তির ওপর নির্ভর করলেই চলবে না; বাস্তব জগতের যন্ত্রপাতি, উৎপাদনব্যবস্থা ও শিল্পকারখানার সঙ্গে এআইয়ের সমন্বয় ঘটাতে হবে। এতে উৎপাদনপ্রক্রিয়া আরও কার্যকর হতে পারে, জটিল কাজ সহজ হতে পারে এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেতে পারে। হুয়াংয়ের বক্তব্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, ডিজিটাল প্রযুক্তি বাস্তব জগতের কাজকে পুরোপুরি প্রতিস্থাপন করবে না। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “ইলেকট্রন কখনো পরমাণুর জায়গা নেবে না।” এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন, কম্পিউটার ও সফটওয়্যারভিত্তিক প্রযুক্তির উন্নতি হলেও বাস্তব পণ্য তৈরি, যন্ত্র পরিচালনা এবং শিল্প উৎপাদনের প্রয়োজনীয়তা শেষ হয়ে যাবে না। বরং এআইয়ের সহায়তায় এসব কাজ আরও উন্নত করার সুযোগ তৈরি হবে। বিশেষ করে রোবটিকস, স্মার্ট কারখানা, গাড়ি নির্মাণ এবং ভারী যন্ত্রপাতি পরিচালনার মতো ক্ষেত্রে এআইয়ের ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। এআইয়ের সঙ্গে বাস্তব জগতের যন্ত্রপাতি ও কাজের পরিবেশকে যুক্ত করার এই ধারণাকে প্রযুক্তি খাতে ‘ফিজিক্যাল এআই’ বলা হয়। এর মাধ্যমে রোবট ও স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রপাতি পরিবেশ বুঝে কাজ করতে, তথ্য বিশ্লেষণ করতে এবং উৎপাদনসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিতে আরও সক্ষম হয়ে উঠতে পারে। হুয়াংয়ের মতে, জার্মানির শিল্পখাতের বড় শক্তি হলো দেশটির দীর্ঘদিনের প্রকৌশল দক্ষতা, উৎপাদন অভিজ্ঞতা এবং শিল্পকারখানার বিপুল তথ্যভান্ডার। এসব সম্পদ এআই প্রযুক্তির সঙ্গে যুক্ত করা গেলে দেশটির প্রতিষ্ঠানগুলো নতুন প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা অর্জন করতে পারে। বিশেষ করে ছোট ও মাঝারি শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য এআই উৎপাদনব্যবস্থা আধুনিক করা এবং সীমিত সম্পদ আরও দক্ষতার সঙ্গে ব্যবহারের সুযোগ তৈরি করতে পারে। জার্মানি বর্তমানে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মন্থরতা, উচ্চ জ্বালানি ব্যয়, চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতা এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতার মতো নানা চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণের পর রাশিয়ার তুলনামূলক সস্তা গ্যাসের সরবরাহ হারানোও দেশটির শিল্পের ব্যয় বাড়ানোর অন্যতম কারণ। এমন পরিস্থিতিতে এআইয়ের ব্যবহার বাড়িয়ে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং শিল্পের সক্ষমতা ধরে রাখার বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তবে এআই ব্যবহারের ক্ষেত্রে ইউরোপের কিছু উদ্বেগও রয়েছে। বিশেষ করে মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা, ডেটা সেন্টারের নিয়ন্ত্রণ এবং সংবেদনশীল তথ্য বিদেশি সার্ভারে সংরক্ষণের বিষয়গুলো নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এ বিষয়ে হুয়াংয়ের পরামর্শ হলো, উন্নত প্রযুক্তি গ্রহণের পাশাপাশি নিজেদের প্রকৌশল জ্ঞান, স্থানীয় দক্ষতা ও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের ওপর নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে হবে। তাঁর বক্তব্যের মূল বার্তা হলো, এআইকে মানুষের দক্ষতার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখলে এর সম্ভাবনা পুরোপুরি কাজে লাগানো যাবে না। বরং মানুষের অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তির সক্ষমতাকে একসঙ্গে ব্যবহার করতে পারলেই শিল্পের ভবিষ্যৎ আরও শক্তিশালী হতে পারে। জার্মানির শিল্পখাতের জন্য এআই তাই শুধু নতুন প্রযুক্তি নয়, অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকারও একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ।

প্রকাশ: অক্টোবর ২০, ২০২৬ ৫:৫৭
প্রেমের টানে ১২০০ মাইল, বাস্তবে প্রেমিকা এআই!

স্বপ্নের প্রেমিকাকে বিয়ে করতে ১২০০ মাইল পাড়ি, সামনে গিয়ে জানলেন তিনি আসলে এআই

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন তরুণ কায়রান কাজী

১৪ বছরেই স্পেসএক্সে চাকরি, ১৬তে ওয়াল স্ট্রিটে  বাংলাদেশি কায়রান

স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি নিরূপণে নতুন এআই সফটওয়্যার

স্তন ক্যানসার ফিরে আসার ঝুঁকি নির্ণয়ে এআই প্রযুক্তির নতুন সফটওয়্যার ব্যবহারে এফডিএর অনুমোদন

স্পেসএক্সের থ্রাস্টারসহ নতুন টেসলা রোডস্টার
আকাশে উড়বে, মাঝপথে ডিগবাজিও খাবে টেসলার নতুন গাড়ি, থাকছে স্পেসএক্সের রকেট প্রযুক্তি

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নতুন প্রজন্মের বৈদ্যুতিক স্পোর্টস কার ‘রোডস্টার’ সামনে এনেছে যুক্তরাষ্ট্রের গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলা। গাড়িটির সবচেয়ে আলোচিত বৈশিষ্ট্য হলো, এতে যুক্ত করা হয়েছে স্পেসএক্সের সঙ্গে যৌথভাবে তৈরি রকেটের মতো থ্রাস্টার। এসব প্রযুক্তি ব্যবহার করে গাড়িটিকে বাতাসে উঠতে, মাঝআকাশে ঘুরতে এবং নিয়ন্ত্রিতভাবে মাটিতে নামতে দেখা গেছে। এমনকি বিশেষ সাকশন ব্যবস্থার সাহায্যে উল্টো করে তৈরি একটি র‍্যাম্পের নিচের অংশে গাড়ি চালানোর প্রদর্শনীও করেছে প্রতিষ্ঠানটি। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) টেক্সাসের ম্যাকগ্রেগরে স্পেসএক্সের পরীক্ষাকেন্দ্রে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নতুন রোডস্টার প্রদর্শন করা হয়। টেসলার প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্কের উপস্থিতিতে গাড়িটির বিভিন্ন সক্ষমতা তুলে ধরা হয়। প্রদর্শনীতে গাড়িটি বাতাসে ঘুরে যাওয়ার পাশাপাশি পার্ক করে রাখা কয়েকটি গাড়ির ওপর দিয়েও উড়ে যায়। প্রায় নয় বছর আগে প্রথমবার নতুন প্রজন্মের রোডস্টারের ধারণা সামনে এনেছিল টেসলা। এবার এর নকশা ও প্রযুক্তিতে বড় ধরনের পরিবর্তন দেখানো হলো। টেসলার দাবি, নতুন রোডস্টার ঘণ্টায় শূন্য থেকে ৬০ মাইল বা প্রায় ৯৭ কিলোমিটার গতিতে পৌঁছাতে এক সেকেন্ডেরও কম সময় নিতে পারে। গাড়িটির সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ২৩০ মাইলের বেশি, যা প্রায় ৩৭০ কিলোমিটারের সমান। তবে মাস্কের মতে, স্পেসএক্সের প্রযুক্তি যুক্ত হওয়ার পর গাড়িটির সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক শুধু দ্রুতগতিতে চলার ক্ষমতা নয়; বরং বাতাসে বিভিন্ন কৌশল দেখানোর সক্ষমতা। গাড়িটিতে ব্যবহৃত হয়েছে উন্নত কোল্ড-গ্যাস থ্রাস্টার। টেসলার ব্যাখ্যা অনুযায়ী, বৈদ্যুতিক অ্যাকচুয়েটরের মাধ্যমে এসব থ্রাস্টার খুব দ্রুত ও নিখুঁতভাবে ধাক্কা বা থ্রাস্ট তৈরি করতে পারে। এর ফলে বাতাসে থাকা অবস্থায় গাড়ির ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণ এবং প্রয়োজনীয় ছোটখাটো সমন্বয় করা সম্ভব হয়। গাড়িটি মাঝআকাশে ঘুরে যাওয়া কিংবা নিয়ন্ত্রিতভাবে অবতরণের মতো কৌশল দেখাতে এই প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আরেকটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো গাড়ির নিচে থাকা ফ্যানভিত্তিক সাকশন ব্যবস্থা। টেসলার প্রদর্শনীতে এই ব্যবস্থার সাহায্যে গাড়িটিকে উল্টোভাবে তৈরি র‍্যাম্পে আটকে থাকতে দেখা যায়। মাস্কের বক্তব্য অনুযায়ী, এই প্রযুক্তি সর্বোচ্চ দুই জি পর্যন্ত বল তৈরি করতে পারে। এর উদ্দেশ্য শুধু ব্যতিক্রমী প্রদর্শনী নয়, বরং গাড়ির নিচের দিকে চাপ বাড়িয়ে বাঁক নেওয়ার সময় সড়কের সঙ্গে সংযোগ ও নিয়ন্ত্রণ উন্নত করা। মাস্ক বলেন, গাড়ির নিচের দিকে বেশি চাপ তৈরি হলে এটি ট্র্যাকে দ্রুত বাঁক নিতে পারবে। তাঁর দাবি, এই প্রযুক্তির কারণে রোডস্টার প্রচলিত স্পোর্টস কারের তুলনায় অসাধারণ পারফরম্যান্স দেখাতে পারে এবং বিভিন্ন ট্র্যাকের রেকর্ড ভাঙার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এসব সক্ষমতা নিয়ে প্রতিষ্ঠানের দাবি এবং বাস্তব ব্যবহারে গাড়িটির পারফরম্যান্সের মধ্যে পার্থক্য থাকতে পারে। স্বাধীনভাবে সব প্রযুক্তিগত দাবি যাচাইয়ের সুযোগ এখনো সীমিত। গাড়িটির নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। মাস্ক নিজেই স্বীকার করেছেন, এটি সব দিক থেকে নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে তৈরি গাড়ি নয়। তিনি অবশ্য এটিকে চালানোর অভিজ্ঞতার দিক থেকে অত্যন্ত রোমাঞ্চকর বলে তুলে ধরেছেন। সাধারণ সড়কে গাড়িটির বাতাসে ওড়ার মতো কৌশলগুলো আইনগতভাবে অনুমোদিত হবে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। ফলে প্রদর্শনীতে দেখানো প্রযুক্তি বাস্তবে কীভাবে ব্যবহার করা যাবে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। নতুন রোডস্টারের দামও এখনো পুরোপুরি ঘোষণা করেনি টেসলা। তবে গাড়িটির তিনটি সংস্করণের জন্য বুকিং বা রিজার্ভেশন চালুর তথ্য পাওয়া গেছে। ‘পারফরম্যান্স’ সংস্করণের জন্য ৫০ হাজার ডলার জমা দিতে হবে। ‘থ্রাস্ট’ সংস্করণে দ্রুতগতির জন্য অতিরিক্ত থ্রাস্টার রয়েছে এবং এর জন্য জমার পরিমাণ ২ লাখ ৫০ হাজার ডলার। অন্যদিকে ‘রকেট’ সংস্করণটি কেবল আমন্ত্রণের ভিত্তিতে পাওয়া যাবে; এর নির্দিষ্ট মূল্য প্রকাশ করা হয়নি। এই সংস্করণে পূর্ণাঙ্গ ফ্লাইট ব্যবস্থা থাকার কথা জানানো হয়েছে। নতুন রোডস্টার তৈরির পরিকল্পনা প্রথম সামনে আসে ২০১৭ সালে। তখন গাড়িটির প্রাথমিক মূল্য ২ লাখ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছিল এবং ২০২০ সাল থেকে সরবরাহ শুরুর পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে উৎপাদন শুরু হয়নি। এবার টেসলা জানিয়েছে, গাড়িটির উৎপাদন ২০২৮ সালে শুরু করার লক্ষ্য রয়েছে। ফলে ক্রেতাদের হাতে গাড়িটি পৌঁছাতে আরও সময় লাগবে। টেসলার জন্য রোডস্টার শুধু একটি দ্রুতগতির বৈদ্যুতিক গাড়ি নয়; এটি প্রতিষ্ঠানটির প্রকৌশল ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা তুলে ধরারও একটি প্রচেষ্টা। সাম্প্রতিক সময়ে কোম্পানিটি স্বচালিত গাড়ি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং রোবট প্রযুক্তিতে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে নতুন রোডস্টার প্রতিষ্ঠানটির উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন গাড়ি তৈরির পরিচয়কে আবার সামনে আনতে পারে। তবে প্রদর্শনীতে দেখানো সব কৌশল সাধারণ সড়কে ব্যবহার করা যাবে কি না, গাড়িটির চূড়ান্ত মূল্য কত হবে এবং উৎপাদনের সময়সীমা এবার বজায় রাখা সম্ভব হবে কি না—এসব প্রশ্নের উত্তর পেতে অপেক্ষা করতে হবে। আপাতত রকেট থ্রাস্টার, বাতাসে ঘোরার সক্ষমতা এবং অস্বাভাবিক দ্রুতগতির দাবিই টেসলার নতুন রোডস্টারকে আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে।

প্রকাশ: অক্টোবর ১৬, ২০২৬ ৬:২৭
চাঁদে হাঁটা সাবেক নভোচারী চার্লস ডিউক

ইউএফও শয়তানের পাঠানো অশুভ সত্তা, দাবি চাঁদে হাঁটা নাসার সাবেক নভোচারীর

চিপ ডিজাইনের প্রতিষ্ঠান গড়েছিলেন মোহাম্মদ এনায়েতুর রহমান

সিলিকন ভ্যালির অভিজ্ঞতায় এনায়েতুরের চার প্রকৌশলীর উল্কাসেমিতে এখন ছয় শতাধিক প্রকৌশলী

ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট কেশবন শানমুগাম

মা বাবাকে সময় দিতে যুক্তরাষ্ট্রে সবকিছু ছেড়ে নিজ দেশে মাইক্রোসফটের ভাইস প্রেসিডেন্ট

0 Comments