তোলপাড় সৃষ্টি করেছে ডিপসিক-ভি৪, এআই দুনিয়ায় এবার রাজত্ব করতে যাচ্ছে চীন?
বিশ্বের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বাজারে আধিপত্য বিস্তারের লড়াই এবার আরও তুঙ্গে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি এবং গুগলের জেমিনাই-কে সরাসরি টেক্কা দিতে চীনভিত্তিক স্টার্টআপ ‘ডিপসিক’ বাজারে এনেছে তাদের লেটেস্ট মডেল ‘ডিপসিক-ভি৪’।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল, ২০২৬) এক আনুষ্ঠানিক ঘোষণায় কোম্পানিটি এই নতুন মডেলের প্রিভিউ সংস্করণ উন্মোচন করেছে। মার্কিন মডেলের চেয়েও সস্তা:ডিপসিক-ভি৪ এর সবচেয়ে বড় চমক হলো এর অবিশ্বাস্য কম দাম। কোম্পানিটির দাবি, তাদের এই মডেলটি ব্যবহার করতে খরচ হবে ওপেনএআই বা অ্যানথ্রপিকের মডেলগুলোর তুলনায় কয়েক গুণ কম।
যেখানে মার্কিন কোম্পানিগুলো তাদের শক্তিশালী মডেলগুলোর এপিআই (API) ব্যবহারের জন্য উচ্চমূল্য রাখে, সেখানে ডিপসিক অত্যন্ত সস্তায় একই মানের বা তার চেয়েও উন্নত সেবা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে।
কারিগরি সক্ষমতা: ডিপসিকের নতুন এই মডেলে রয়েছে ‘ভি৪-প্রো’ (V4-Pro) এবং ‘ভি৪-ফ্ল্যাশ’ (V4-Flash) নামক দুটি সংস্করণ। এর মধ্যে প্রো সংস্করণটিতে ১.৬ ট্রিলিয়ন প্যারামিটার রয়েছে, যা একে বর্তমান বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী এআই মডেলে পরিণত করেছে। এটি গণিত এবং কোডিংয়ের ক্ষেত্রে ওপেন-সোর্স মডেলগুলোর মধ্যে শীর্ষস্থানে রয়েছে এবং বিশ্বজ্ঞানের ক্ষেত্রে জেমিনাই ৩.১-প্রো-র ঠিক পরেই এর অবস্থান।
১ মিলিয়ন টোকেন উইন্ডো: গবেষকদের মতে, ডিপসিক-ভি৪ এর সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এর ১ মিলিয়ন টোকেন সমৃদ্ধ কন্টেক্সট উইন্ডো। এর মানে হলো, এই এআই একবারে কয়েক হাজার পৃষ্ঠার বই বা বিশালাকার কোডবেস বিশ্লেষণ করতে পারবে কোনো তথ্য না হারিয়েই।
হুয়াওয়ে চিপের প্রভাব: মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে এনভিডিয়া (Nvidia) চিপের সংকট থাকলেও, ডিপসিক তাদের এই মডেলটিকে চীনের তৈরি হুয়াওয়ে অ্যাসেন্ড (Huawei Ascend) চিপের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করেছে। এটি প্রমাণ করে যে, হার্ডওয়্যার সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও চীন এআই প্রযুক্তিতে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে। ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে। অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে। আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন। ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে | এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
তথ্যপ্রযুক্তি
View moreব্রিটিশ উদ্যোক্তা জেমস ড্যাকোম্ব মাত্র ১৭ বছর বয়সে কলেজ ছেড়ে ব্যবসা শুরু করেছিলেন। নয় বছর পর তার প্রতিষ্ঠিত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ওলিক্সের মূল্যায়ন পৌঁছেছে ৩ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারে। লন্ডনভিত্তিক ওলিক্স কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির জন্য প্রয়োজনীয় সেমিকন্ডাক্টর ও প্রযুক্তিগত অবকাঠামো তৈরি করে। সম্প্রতি নতুন বিনিয়োগ সংগ্রহের পর প্রতিষ্ঠানটির মূল্য আগের তুলনায় তিন গুণ বেড়েছে। এআই চিপের বাজারে বর্তমানে এনভিডিয়ার আধিপত্য থাকলেও, সেই বাজারে বিকল্প তৈরি করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে ওলিক্স। মাত্র ২৫ বছর বয়সী জেমস ড্যাকোম্ব দুই বছর আগে ওলিক্স প্রতিষ্ঠা করেন। এর আগে ১৭ বছর বয়সে তিনি কো-মাইন্ড নামে আরেকটি প্রতিষ্ঠান শুরু করেছিলেন। কলেজ ছাড়ার পর পিটার থিয়েলের দাতব্য ফেলোশিপের সহায়তায় তিনি ওই উদ্যোগ শুরু করেন। পিটার থিয়েল ফেলোশিপ একটি প্রতিযোগিতামূলক অনুদান কর্মসূচি, যেখানে নির্বাচিত ব্যক্তিদের দুই বছরের জন্য অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়, যাতে তারা প্রচলিত উচ্চশিক্ষার পরিবর্তে নিজেদের প্রকল্প বা ব্যবসা নিয়ে কাজ করতে পারেন। প্রযুক্তি খাতের আরও কয়েকজন পরিচিত উদ্যোক্তাও এই ফেলোশিপের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। জেমস ড্যাকোম্বের আগের প্রতিষ্ঠান কো-মাইন্ড বর্তমানে মস্তিষ্কের কার্যক্রম পরিমাপের মাধ্যমে রোগী পর্যবেক্ষণ ও চিকিৎসা প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে। পাশাপাশি তিনি ব্লেচলি ইন্ডাস্ট্রিজ নামে একটি হোল্ডিং প্রতিষ্ঠানও পরিচালনা করছেন, যার মাধ্যমে ভবিষ্যৎ গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিনিয়োগ বা নতুন প্রতিষ্ঠান তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। সম্প্রতি ওলিক্স ৩১২ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ সংগ্রহ করেছে। এই বিনিয়োগে চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান আর্ম এবং নেটফ্লিক্সের সহপ্রতিষ্ঠাতা রিড হেস্টিংসসহ কয়েকজন বিনিয়োগকারী অংশ নিয়েছেন। চলতি বছরের শুরুতে প্রতিষ্ঠানটির মূল্য ছিল প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার, যা ছয় মাসের মধ্যে বেড়ে ৩ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। বর্তমানে ওলিক্সে ১৪০ জনের বেশি কর্মী কাজ করছেন। লন্ডন, ব্রিস্টল ও যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয় রয়েছে। জেমস ড্যাকোম্ব জানিয়েছেন, ওলিক্সের বিশেষায়িত চিপ প্রযুক্তি বড় আকারের এআই মডেল দ্রুত ও কম খরচে পরিচালনায় সহায়তা করতে পারে। ওলিক্সের তৈরি চিপগুলো এনভিডিয়ার প্রচলিত চিপের তুলনায় ভিন্ন পদ্ধতিতে তৈরি করা হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটি নির্দিষ্ট কাজের জন্য উপযোগী চিপ তৈরি করে বাজারে নিজেদের অবস্থান শক্ত করার চেষ্টা করছে। আগামী বছর গ্রাহকদের কাছে প্রথম তৈরি চিপ সরবরাহের পরিকল্পনা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির। এআই খাতে বর্তমানে এনভিডিয়া সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি। প্রতিষ্ঠানটির বাজারমূল্য প্রায় ৫ ট্রিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি। তবে ওলিক্সের মতো নতুন প্রতিষ্ঠানগুলো বিশেষায়িত প্রযুক্তির মাধ্যমে এই খাতে নিজেদের জায়গা তৈরি করার চেষ্টা করছে। যুক্তরাজ্য সরকারের সার্বভৌম এআই তহবিলও ওলিক্সে বিনিয়োগ করেছে। দেশটির এআই মন্ত্রী কানিশকা নারায়ণ বলেন, ভবিষ্যতের এআই প্রযুক্তি পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় চিপ তৈরিতে ওলিক্সের মতো প্রতিষ্ঠান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ওলিক্স কর্মীদের জন্য কিছু ভিন্ন ধরনের নীতিও চালু করেছে। প্রতিষ্ঠানটি কর্মীরা নিজেদের উপযুক্ত মনে না করলে চাকরি ছাড়ার জন্য ১৮ সপ্তাহের বেতন দেওয়ার ব্যবস্থা রেখেছে। এছাড়া যারা কর্মস্থলের ২০ মিনিটের মধ্যে বসবাস করেন, তাদের অতিরিক্ত মাসিক বেতন দেওয়ার ব্যবস্থাও রয়েছে।
এআই প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে পুরোনো বই কিনে স্ক্যান করেই পুড়িয়ে ফেলার অভিযোগ
পুরোনো সিম কার্ডেই মিলল ১৯১ গ্রাম সোনা! ভাইরাল ভিডিওর পর বাড়ছে পুরোনো সিম কেনাবেচা
সিকিউরিটি পরীক্ষায় ওপেনএআই এর এআই হ্যাক করেছিল আরেক এআই কোম্পানিকে! আসলে কী ঘটেছিল?
হোয়াটসঅ্যাপে ভয়েস বা ভিডিও কলে হওয়া গুরুত্বপূর্ণ কথোপকথন সংরক্ষণ করতে চান অনেকেই। তবে জনপ্রিয় এই বার্তাবিনিময় অ্যাপে এখনো সরাসরি কল রেকর্ড করার সুবিধা নেই। ফলে অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের বিকল্প উপায়ে কল সংরক্ষণ করতে হয়। তবে এ ধরনের রেকর্ডিংয়ের আগে গোপনীয়তা ও আইনগত বিষয় সম্পর্কে সতর্ক থাকা জরুরি। বর্তমানে কিছু অ্যান্ড্রয়েড ফোনে ‘কল রেকর্ডার (আর্লি অ্যাকসেস)’ নামের একটি অ্যাপের মাধ্যমে হোয়াটসঅ্যাপের অডিও কল রেকর্ড করা সম্ভব। কিছু ডিভাইসে ভিডিও কলের শব্দও সংরক্ষণ করা যায়। তবে এই সুবিধা সব স্মার্টফোনে সমানভাবে কাজ করে না। অ্যাপটি ব্যবহার করতে হলে প্রথমে এটি ইনস্টল করে প্রয়োজনীয় অনুমতি দিতে হবে। এরপর মাইক্রোফোন, পরিচিতি তালিকা, বিজ্ঞপ্তি ও রেকর্ডিং–সংক্রান্ত অনুমতিগুলো চালু করতে হবে। পরে রেকর্ডিং অপশন সক্রিয় করে প্রয়োজনীয় সেটিংস সম্পন্ন করলেই অ্যাপটি ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত হবে। সেটআপ সম্পন্ন হওয়ার পর হোয়াটসঅ্যাপে কল শুরু হলে অ্যাপটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে কথোপকথন সংরক্ষণ করতে পারে। পরে অ্যাপে প্রবেশ করে রেকর্ড করা কল, রেকর্ডের সময় এবং কলের দৈর্ঘ্যসহ বিভিন্ন তথ্য দেখা যাবে। তবে অ্যান্ড্রয়েডের সংস্করণ, মোবাইল নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নীতি এবং সফটওয়্যারের সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক ডিভাইসে এই সুবিধা আংশিক বা পুরোপুরি অকার্যকর হতে পারে। বিকল্প হিসেবে অনেক স্মার্টফোনে থাকা বিল্ট-ইন ‘পর্দা ধারণ’ সুবিধা ব্যবহার করেও হোয়াটসঅ্যাপের অডিও বা ভিডিও কল সংরক্ষণ করা যায়। ফোনে এ সুবিধা না থাকলে নির্ভরযোগ্য পর্দা ধারণকারী অ্যাপ ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, কারও অনুমতি ছাড়া ব্যক্তিগত কথোপকথন রেকর্ড করা অনেক দেশে আইনগত অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। তাই যেকোনো কল রেকর্ড করার আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সম্মতি নেওয়া এবং স্থানীয় আইন মেনে চলাই সবচেয়ে নিরাপদ ও দায়িত্বশীল উপায়।
কেউ থামাতে পারবে না! সরাসরি চাঁদের দিকে ছুটছে স্পেসএক্সের রকেট
যুক্তরাষ্ট্রে রাজকীয় বিয়ের কয়েক দিন আগে ধসে পড়ল ২৪ বছরের তরুণের ৪৫ বিলিয়ন ডলারের এআই তহবিল
গুগল আর্থে এআই ছবি তৈরির ফিচার চালুর ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই বন্ধ
অ্যাপলের ডিজিটাল পেমেন্ট সেবায় সাময়িক প্রযুক্তিগত বিভ্রাটের কারণে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন অঞ্চলের বহু ব্যবহারকারী লেনদেন সমস্যায় পড়েছেন। বিশেষ করে অ্যাপল পে, অ্যাপল ক্যাশ ও ওয়ালেট-সংক্রান্ত সেবায় অর্থ পাঠানো, গ্রহণ এবং ব্যাংক থেকে অর্থ স্থানান্তরের ক্ষেত্রে বিঘ্নের অভিযোগ উঠে আসে। বিভিন্ন ব্যবহারকারী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সেবা পর্যবেক্ষণ প্ল্যাটফর্মে জানান, লেনদেনের সময় "Unable to Connect to Wallet Services"সহ বিভিন্ন ত্রুটি বার্তা দেখা যাচ্ছিল। কেউ কেউ অভিযোগ করেন, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে অর্থ কেটে নেওয়া হলেও তা অ্যাপল ক্যাশে যোগ হয়নি বা প্রাপকের কাছে পৌঁছেনি। অ্যাপলের সিস্টেম স্ট্যাটাস পেজেও সাময়িকভাবে স্বীকার করা হয় যে, কিছু ব্যবহারকারী অ্যাপল ক্যাশ সেবায় সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন। তবে প্রতিষ্ঠানটি বিভ্রাটের কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি। প্রযুক্তিবিষয়ক সংবাদমাধ্যম নিউজউইক জানায়, বিভ্রাট চলাকালে অনেক ব্যবহারকারী দোকানে কেনাকাটা, ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতে অর্থ পাঠানো এবং ব্যাংক থেকে অর্থ স্থানান্তরের মতো কাজে সমস্যার সম্মুখীন হন। একই সময়ে ডাউনডিটেক্টরসহ বিভিন্ন সেবা পর্যবেক্ষণ প্ল্যাটফর্মেও অভিযোগের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। অনলাইন আলোচনায় অনেক ব্যবহারকারী জানান, তারা অ্যাপলের গ্রাহকসেবার সঙ্গে যোগাযোগ করলে বিষয়টি একটি বড় ধরনের প্রযুক্তিগত সমস্যা বলে জানানো হয় এবং প্রকৌশলীরা সমাধানে কাজ করছেন বলে আশ্বাস দেওয়া হয়। তবে কখন পুরোপুরি সেবা স্বাভাবিক হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট সময় জানানো হয়নি। এরপর ধীরে ধীরে সেবা স্বাভাবিক হতে শুরু করে। বর্তমানে অ্যাপলের সর্বশেষ সিস্টেম স্ট্যাটাস অনুযায়ী অ্যাপল পে এবং সংশ্লিষ্ট অধিকাংশ সেবা সচল রয়েছে।
ব্যাংক চালু করলেন ইলন মাস্ক সাথে ‘এক্স মানি’, ডেবিট কার্ডসহ আর্থিক সেবা
রোমান্টিক সময় কাটাচ্ছেন ট্রুডো-কেটি, আলোচনায় সানস্ক্রিন মাখানোর ছবি