এআই

ছবি: সংগৃহীত
কফির কাপ হাতে মৃত্যু জল্পনা ওড়ালেন নেতানিয়াহু!

গত কয়েকদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়েছিল একটি খবর—ইরানের হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। তবে সব জল্পনা আর গুজবকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়ে এবার সশরীরে ক্যামেরার সামনে হাজির হলেন তিনি। হাতে কফির কাপ নিয়ে অত্যন্ত হাস্যোজ্জ্বল ভঙ্গিতে জানিয়ে দিলেন, তিনি বহাল তবিয়তে আছেন। সম্প্রতি এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেলে একটি ভিডিও বার্তায় নেতানিয়াহু বিদ্রূপের সুরে বলেন, "আমি কফির জন্য মরতেও রাজি, আবার দেশের জন্যও মরতে রাজি।" গত শুক্রবার নেতানিয়াহুর একটি সংবাদ সম্মেলনের ভিডিও ঘিরে বিতর্কের সূত্রপাত হয়। নেটিজেনদের একাংশ দাবি করেন, ভিডিওটির একটি বিশেষ মুহূর্তে নেতানিয়াহুর ডান হাতে ছয়টি আঙুল দেখা যাচ্ছে। মুহূর্তেই ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ে যে, আসল নেতানিয়াহু আর বেঁচে নেই এবং এই ভিডিওটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা ‘এআই’ (AI) ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে। রবিবার সকালে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে বিষয়টি অস্বীকার করা হলেও এবার খোদ নেতানিয়াহু নিজেই মুখ খুললেন। নতুন ভিডিও বার্তায় তিনি কেবল কথা বলেই ক্ষান্ত হননি, বরং ক্যামেরার সামনে নিজের দুই হাত নাড়িয়ে স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে গত ভিডিওটি নিয়ে ওঠা জল্পনা ছিল সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। যুদ্ধের উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝেও তাঁর এমন নাটকীয় উপস্থিতি আন্তর্জাতিক মহলে বেশ সাড়া ফেলেছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ১৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ইরানে ১৬৫ শিশুর প্রাণহানি: এআই-এর ব্যবহার নিয়ে উঠছে বৈশ্বিক প্রশ্ন

ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় মিনাব শহরের একটি বালিকা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাম্প্রতিক এক ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ১৬৫ জন শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনাটি আধুনিক যুদ্ধে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-এর (AI) ব্যবহার এবং এর নির্ভুলতা নিয়ে নতুন করে বিশ্বজুড়ে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের এক বিশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর হামলার প্রথম দিনেই ‘শাজারেহ তাইয়েবাহ’ নামক ওই বিদ্যালয়টি টমাহক (Tomahawk) ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে যে, মার্কিন সামরিক বাহিনীর লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণে মারাত্মক ভুলের কারণে এই প্রাণহানি ঘটেছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, লক্ষ্যবস্তু নির্বাচনের ক্ষেত্রে যে ডাটা বা তথ্য ব্যবহার করা হয়েছিল, তা ছিল বহু পুরনো। বিদ্যালয় ভবনটি একসময় একটি সামরিক ঘাঁটির অংশ থাকলেও গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তা সম্পূর্ণ আলাদা একটি বেসামরিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (CENTCOM)-এর কর্মকর্তাদের তৈরি করা টার্গেট কোঅর্ডিনেটগুলো এআই-চালিত বিশ্লেষণে যাচাই করা হলেও সিস্টেমটি ভবনটির বর্তমান বেসামরিক অবস্থান শনাক্ত করতে ব্যর্থ হয়েছে। জাতিসংঘের মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরা এই হামলাকে ‘ভয়াবহ অপরাধ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তারা বলছেন, এআই বা প্রযুক্তির দোহাই দিয়ে বেসামরিক মানুষের মৃত্যু কোনোভাবেই এড়ানো সম্ভব নয়। অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রাথমিকভাবে এই ঘটনার দায় অস্বীকার করলেও পেন্টাগনের অভ্যন্তরীণ তদন্তে মার্কিন বাহিনীর সংশ্লিষ্টতা ও যান্ত্রিক ত্রুটির কথা উঠে এসেছে। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুদ্ধে এআই ব্যবহার করলে সিদ্ধান্ত নেওয়ার গতি বাড়লেও এতে মানুষের মানবিক বিচারবুদ্ধি ও তাৎক্ষণিক তথ্য যাচাইয়ের অভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এই হামলার পর এখন প্রশ্ন উঠেছে—এআই-এর ভুলে যদি নিরপরাধ শিশুদের প্রাণ যায়, তবে তার দায়ভার কার? প্রযুক্তি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের, নাকি যে কমান্ড এটি ব্যবহার করেছে তাদের? ইরান ও মার্কিন-ইসরায়েল উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই হামলাটি ঘটে। ইরান একে ‘অপ্রমাণিত ও অপরাধমূলক’ হামলা হিসেবে বর্ণনা করে আন্তর্জাতিক আদালতের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে। এই ঘটনায় নিহত শিশুদের স্মরণে ইরানে রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হয়েছে এবং তাদের জানাজায় লাখো মানুষের ঢল নামে। বিশ্লেষকদের মতে, মিনাব শহরের এই ট্র্যাজেডি ভবিষ্যতে স্বায়ত্তশাসিত মারণাস্ত্র (Autonomous Weapons) ব্যবহারের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক নীতিমালায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে বাধ্য করতে পারে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ১৩, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।
যুদ্ধে মানুষের জীবন-মরণ নির্ধারণে এআই ব্যবহার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে হুঁশিয়ারি চীনের

যুদ্ধক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI)-এর ক্রমবর্ধমান ব্যবহার নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে চীন। বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, রণক্ষেত্রে কে বাঁচবে আর কে মরবে—এমন চূড়ান্ত ও সংবেদনশীল সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা কোনোভাবেই এআই-এর হাতে ছেড়ে দেওয়া উচিত নয়। সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্প্রতি চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র এক বিবৃতিতে এ বিষয়ে চীনের উদ্বেগের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সামরিক ক্ষেত্রে এআই ব্যবহারের সময় অবশ্যই ‘হিউম্যান প্রাইমাসি’ বা মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রাখতে হবে। অর্থাৎ, প্রাণঘাতী কোনো হামলার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার নিয়ন্ত্রণ সর্বদাই মানুষের হাতে থাকা জরুরি। চীন মনে করে, যুদ্ধের ময়দানে এআই-এর ওপর অতি-নির্ভরশীলতা বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এআই যদি নিজে থেকেই জীবন ও মৃত্যুর সিদ্ধান্ত নিতে শুরু করে, তবে তা যুদ্ধকে আরও ভয়াবহ এবং অনিয়ন্ত্রিত করে তুলবে। বিশেষ করে প্রযুক্তিগত ত্রুটি বা এআই-এর ভুল বিশ্লেষণের ফলে নিরপরাধ বেসামরিক মানুষের প্রাণহানির আশঙ্কা বহুগুণ বেড়ে যায়। বিবৃতিতে ওয়াশিংটনকে সতর্ক করে বলা হয়, এআই-চালিত অস্ত্র ব্যবস্থার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক আইন এবং নৈতিকতার বিষয়টি মাথায় রাখা অত্যন্ত প্রয়োজন। দুই দেশের মধ্যকার ক্রমবর্ধমান সামরিক ও প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতার মধ্যে এআই-এর দায়িত্বশীল ব্যবহার নিশ্চিত করতে বেইজিং যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ভবিষ্যতের সমরাস্ত্র প্রতিযোগিতায় আধিপত্য বিস্তার করতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন উভয় দেশই এআই প্রযুক্তিতে ব্যাপক বিনিয়োগ করছে। তবে চীন এই প্রথমবারের মতো রণক্ষেত্রে এআই-এর ‘স্বায়ত্তশাসিত সিদ্ধান্ত গ্রহণ’ ক্ষমতার বিরুদ্ধে সরাসরি অবস্থান নিল। উল্লেখ্য, গত কয়েক বছর ধরেই আন্তর্জাতিক মহলে ‘কিলার রোবট’ বা মানুষের হস্তক্ষেপ ছাড়া লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম ড্রোনের ব্যবহার নিয়ে বিতর্ক চলছে। চীনের এই সাম্প্রতিক সতর্কবার্তা সেই বৈশ্বিক উদ্বেগেরই প্রতিফলন বলে মনে করা হচ্ছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ১২, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
সব রেকর্ড চুরমার, কোয়ান্টাম প্রযুক্তিতে অসম্ভবকে সম্ভব করার জাদু দেখাল চীন

কোয়ান্টাম কম্পিউটিং ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) লড়াইয়ে আরও একধাপ এগিয়ে গেল চীন। দেশটির বিজ্ঞানীরা এমন একটি যুগান্তকারী 'ডাবল-ফোটন' বা দ্বি-ফোটন ডিভাইস তৈরি করেছেন, যা কোয়ান্টাম কণার কার্যক্ষমতার প্রচলিত সব সীমা বা 'এফিসিয়েন্সি সিলিং' ভেঙে দিয়েছে।  সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের (SCMP) এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই উদ্ভাবনটি কোয়ান্টাম নেটওয়ার্ক এবং সুপার-ফাস্ট ডেটা প্রসেসিংয়ের ক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। প্রথাগত কোয়ান্টাম প্রযুক্তিতে কণার (ফোটন) কার্যক্ষমতা একটি নির্দিষ্ট সীমার পর আর বাড়ানো সম্ভব হতো না। চীনা গবেষক দল, বিশেষ করে সান ইয়াত-সেন বিশ্ববিদ্যালয় এবং অন্যান্য সহযোগী প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞানীরা, একটি ন্যানো-স্কেল 'ফোটন ফ্যাক্টরি' তৈরিতে সক্ষম হয়েছেন।  এটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যা কোয়ান্টাম এনট্যাঙ্গেলমেন্ট বা কণার মধ্যকার রহস্যময় সংযোগের হার প্রায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়িয়ে দিয়েছে, যা আগে ছিল মাত্র ০.১ শতাংশের নিচে। কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ? ১. সুপারফাস্ট কম্পিউটিং: এই প্রযুক্তির ফলে কোয়ান্টাম চিপগুলো বর্তমানের এনভিডিয়া (NVIDIA) জিপিইউ-এর চেয়েও হাজার গুণ দ্রুত কাজ করতে সক্ষম হবে। ২. নিরাপদ যোগাযোগ: কোয়ান্টাম এনট্যাঙ্গেলমেন্টের স্থায়িত্ব বাড়ার ফলে হ্যাকিং-মুক্ত বিশ্বব্যাপী কোয়ান্টাম ইন্টারনেট গড়ার পথ প্রশস্ত হলো। ৩. শিল্পে বিপ্লব: মহাকাশ গবেষণা, বায়ো-মেডিসিন এবং আর্থিক খাতের জটিল হিসাব-নিকাশ এখন কয়েক মুহূর্তেই সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। গবেষক দলের প্রধানদের মতে, তারা লিথিয়াম নিওবেট (Lithium Niobate) নামক একটি বিশেষ পাতলা স্তরের ওপর এই মাইক্রোচিপ তৈরি করেছেন। এটি সাধারণ সিলিকন চিপের চেয়ে অনেক বেশি কার্যকর। বিজ্ঞানীরা এটিকে 'আর্টিফিশিয়াল অ্যাটম' বা কৃত্রিম পরমাণু কাঠামোর এক অনন্য প্রয়োগ হিসেবে দেখছেন, যা বিশ্বজুড়ে কোয়ান্টাম রেসে চীনকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেল। বিশ্লেষকদের মতে, চীনের এই সাফল্য শুধুমাত্র গবেষণাগারের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; এটি ইতিমধ্যে বাস্তব ডেটা সেন্টারে ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে। এর ফলে বিশ্বজুড়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং ডেটা প্রসেসিংয়ের সংজ্ঞাই বদলে যেতে পারে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ৯, ২০২৬ 0
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন চ্যাটবট ‘গ্রোক’
নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা, ইলন মাস্কের ‘গ্রোক’ এ তৈরি হচ্ছে আপত্তিকর ছবি

জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স-এর (সাবেক টুইটার) মালিক ইলন মাস্কের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন চ্যাটবট ‘গ্রোক’ (Grok) আবারও বিতর্কের মুখে পড়েছে। নতুন কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা সত্ত্বেও গ্রোক এখনো যৌনতাপূর্ণ বা আপত্তিকর ছবি তৈরি করছে বলে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।   প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে তৈরি করা ক্ষতিকারক কন্টেন্ট নিয়ন্ত্রণে বেশ কিছু প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা বা ‘কার্বস’ বসিয়েছিল গ্রোকের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান xAI। কিন্তু ব্যবহারকারীরা দেখতে পেয়েছেন যে, সামান্য কৌশলী প্রম্পট বা কমান্ড ব্যবহার করলেই গ্রোক এখনো বিভিন্ন আপত্তিকর এবং যৌনতাপূর্ণ ছবি তৈরি করে দিচ্ছে। এমনকি যখন সরাসরি কোনো আপত্তিকর ছবি চাওয়া হচ্ছে না, তখনও গ্রোকের ইমেজ জেনারেটর অনেক ক্ষেত্রে অনাকাঙ্ক্ষিত ফলাফল প্রদান করছে।   প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, এআই মডেলগুলোকে নিরাপদ করার জন্য যেসব ফিল্টার ব্যবহার করা হয়, সেগুলোতে এখনো অনেক ফাঁকফোকর রয়ে গেছে। গ্রোকের ক্ষেত্রেও একই সমস্যা দেখা দিচ্ছে। সমালোচকরা বলছেন, ইলন মাস্ক গ্রোককে ‘অবাধ বাকস্বাধীনতা’ বা ‘আনসেন্সরড’ হওয়ার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তার কারণেই হয়তো এর সুরক্ষাব্যবস্থা অন্য চ্যাটবটগুলোর (যেমন চ্যাটজিপিটি বা জেমিনি) তুলনায় অনেক শিথিল।   উল্লেখ্য, সম্প্রতি এআই দিয়ে তৈরি পর্নোগ্রাফিক ছবি বা ‘ডিপফেক’ নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বেড়েছে। বিশেষ করে তারকা এবং সাধারণ মানুষের ছবি ব্যবহার করে এ ধরনের কন্টেন্ট তৈরি করা হচ্ছে, যা নিয়ে বিভিন্ন দেশ কঠোর আইন করার কথা ভাবছে। এই পরিস্থিতিতে গ্রোকের এই ব্যর্থতা প্রযুক্তি মহলে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।   xAI বা ইলন মাস্কের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত নতুন কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে প্রতিষ্ঠানটি এর আগে জানিয়েছিল, তারা গ্রোকের ফিল্টারগুলোকে আরও উন্নত করার জন্য কাজ করছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬ 0
একীভূত হচ্ছে ইলন মাস্কের স্পেস-এক্স ও এক্সএআই
একীভূত হচ্ছে ইলন মাস্কের স্পেস-এক্স ও এক্সএআই

  ইলন মাস্কের হাত ধরে বদলে যাচ্ছে আগামীর প্রযুক্তি। স্পেস-এক্স এবং এক্সএআই-এর এই ঐতিহাসিক একীকরণ কেবল ব্যবসায়িক চুক্তি নয়, বরং মহাকাশ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এক অভূতপূর্ব মিলন। ১ ট্রিলিয়ন ডলার মূল্যের এই নতুন শক্তি মহাকাশে এআই ডেটা সেন্টার স্থাপন থেকে শুরু করে হাই-স্পিড ইন্টারনেট—সবকিছুতেই আনবে বৈপ্লবিক পরিবর্তন।   মহাকাশে এআই সাম্রাজ্য: প্রথমবারের মতো রকেট প্রযুক্তি এবং অ্যাডভান্সড এআই এক ছাদের নিচে। ট্রিলিয়ন ডলারের কোম্পানি: স্পেস-এক্স ও এক্সএআই মিলে তৈরি হচ্ছে বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্ম। আইপিও আসছে: আগামী জুনেই বিশাল অংকের আইপিও’র মাধ্যমে বাজিমাত করার পরিকল্পনা মাস্কের। গ্লোবাল কানেক্টিভিটি: এআই, স্পেস-ইন্টারনেট এবং সোশ্যাল মিডিয়া মিলে তৈরি হচ্ছে এক অবিচ্ছেদ্য ‘ইনোভেশন ইঞ্জিন’।   মহাকাশ গবেষণা সংস্থা স্পেস-এক্স আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের এআই স্টার্ট-আপ ‘xAI’ কে অধিগ্রহণের ঘোষণা দিয়েছে। গতকাল সোমবার এই ঐতিহাসিক পদক্ষেপের কথা জানানো হয়। ইলন মাস্কের এই মাস্টারপ্ল্যানের মূল উদ্দেশ্য হলো প্রতিদ্বন্দ্বীদের টেক্কা দিয়ে মহাকাশে শক্তিশালী এআই ডেটা সেন্টার স্থাপন করা এবং পৃথিবীব্যাপী মুক্ত তথ্যের প্রবাহ নিশ্চিত করা। এই একীকরণের ফলে রকেট, এআই চ্যাটবট এবং স্যাটেলাইট ইন্টারনেটের সমন্বয়ে একটি শক্তিশালী ইকোসিস্টেম তৈরি হবে।   আগামী জুন মাস নাগাদ এই নতুন কোম্পানিটি পাবলিক অফারিং বা আইপিও-তে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যেখান থেকে প্রায় ৫০ বিলিয়ন ডলার সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন মাস্ক। কর্মীদের দেওয়া এক বার্তায় মাস্ক জানিয়েছেন, পৃথিবী এবং মহাকাশে একটি ‘কমপ্লিট ইনোভেশন ইঞ্জিন’ তৈরি করতেই এই সাহসী উদ্যোগ।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬ 0
মিজানুর রহমান আজহারী
ভয়েস ক্লোন ও এআই প্রযুক্তিতে অভিনব জালিয়াতি: প্রতারকচক্রের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থার চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক: সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক ধরণের নতুন আপদ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে এআই-চালিত জালিয়াতি। একদল কুচক্রী মহল জনপ্রিয় বিভিন্ন ব্যক্তিত্বের ছবি ও ভয়েস ক্লোন করে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রতারণামূলক কন্টেন্ট ছড়িয়ে দিচ্ছে। বিশেষ করে বিভিন্ন ধরণের অবৈজ্ঞানিক ওষুধি পণ্য এবং চিকিৎসা সেবার বিজ্ঞাপন প্রচার করা হচ্ছে, যা দেখে প্রযুক্তির এই নেতিবাচক দিক সম্পর্কে অজ্ঞাত সাধারণ মানুষ আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।   এই প্রতারণার আঁচ লেগেছে সমাজসেবামূলক প্রতিষ্ঠান ‘হাসানাহ ফাউন্ডেশন’-এর ওপরও। ফাউন্ডেশন সূত্রে জানা গেছে, ভুয়া বিজ্ঞাপন দেখে বিভ্রান্ত হয়ে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ ফাউন্ডেশনের অফিশিয়াল নম্বরে ফোন করছেন, যা তাঁদের দাপ্তরিক কাজে বড় ধরণের বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিত্ব স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, এ ধরণের কোনো বিজ্ঞাপন বা পণ্য বিক্রির সাথে তাঁর বা তাঁর ফাউন্ডেশনের দূরতম কোনো সম্পর্ক নেই। এটি কেবল অনৈতিক নয়, বরং চরম জঘন্য একটি অপরাধ।   আইনি ব্যবস্থা ও চূড়ান্ত সতর্কতা: এই ন্যাক্কারজনক জালিয়াতি রুখতে ইতোমধ্যেই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া শুরু হয়েছে। প্রতারক পেজ ও মিডিয়াগুলোর একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে, যা দ্রুতই পুলিশের সাইবার ক্রাইম বিভাগে হস্তান্তর করা হবে। দেশের ভেতরে কিংবা বাইরে—যেখান থেকেই এই ধরণের ডিজিটাল অপরাধ চালানো হচ্ছে, তাদের প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। প্রতারকদের প্রতি ‘চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি’ উচ্চারণ করে বলা হয়েছে, অনতিবিলম্বে এই ধরণের প্রতারণামূলক কন্টেন্ট রিমুভ না করলে কোনো ধরণের আপস ছাড়াই আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একইসাথে মেধা ও প্রযুক্তির দক্ষতাকে অনৈতিক পথে ব্যবহার না করে হালাল উপায়ে জীবিকা অন্বেষণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।   শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ: যেকোনো প্রলোভন বা বিজ্ঞাপনের সত্যতা যাচাই করতে সর্বদা হাসানাহ ফাউন্ডেশনের অফিশিয়াল সোর্স ব্যবহার করুন। কোনো ধরণের ব্যক্তিগত তথ্য বা অর্থ লেনদেনের আগে ভেরিফাইড সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোর সাথে মিলিয়ে নিন। আপনাদের সচেতনতাই পারে এই ডিজিটাল মাফিয়াদের রুখে দিতে। সকল অফিশিয়াল লিংক নিচে দেওয়া হলো...   Website: https://mizanurrahmanazhari.net/ Instagram: https://www.instagram.com/dr.mizanur.rahman.azhari X (Twitter): https://x.com/AzhariTweets Youtube: https://www.youtube.com/@DrMizanurRahmanAzhariChannel Facebook: https://www.facebook.com/mizanurrahmanazhariofficial TikTok: https://www.tiktok.com/@mizanurrahmanazhari হাসানাহ ফাউন্ডেশনের অফিসিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া ও ওয়েবসাইট: Website: https://hasanahfoundation.com Facebook Page: Hasanah Foundation Group: https://www.facebook.com/groups/Hsanah4All Hasanah Olympiad Page: Hasanah Olympiad Hasanah Olympiad Website: https://hasanaholympiad.com Youtube: https://www.youtube.com/@HasanahFoundation Instagram: https://www.instagram.com/HasanahFoundation_official X (Twitter): https://www.x.com/Hasanah4All

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ১৯, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Top week

ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক

হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ পারাপারের বিনিময়ে ভারতের কাছে তিন ট্যাংকার ফেরত চাইল ইরান

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৬, ২০২৬ 0