আন্তর্জাতিক

এআই খাতে বড় বাজি ভারতের প্রযুক্তি জায়ান্ট টাটা কনসালটেন্সি, গড়ে তুলবে ৮,৯০০ বিশেষজ্ঞের দল

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ১২, ২০২৬ ১২:১
এআই খাতে সক্ষমতা বাড়াতে ৮,৯০০ বিশেষজ্ঞের নতুন দল গঠনের পরিকল্পনা ভারতের তথ্যপ্রযুক্তি জায়ান্ট টিসিএসের। ছবি: সংগৃহীত
এআই খাতে সক্ষমতা বাড়াতে ৮,৯০০ বিশেষজ্ঞের নতুন দল গঠনের পরিকল্পনা ভারতের তথ্যপ্রযুক্তি জায়ান্ট টিসিএসের। ছবি: সংগৃহীত

ভারতের বৃহত্তম তথ্যপ্রযুক্তি সেবা প্রতিষ্ঠান টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেস (টিসিএস) কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) খাতে কার্যক্রম জোরদার করতে সর্বোচ্চ ৮,৯০০ জন বিশেষজ্ঞের একটি দল গঠনের পরিকল্পনা করেছে। একই সঙ্গে এআই, ডেটা সুরক্ষা এবং সাইবার নিরাপত্তা খাতে নতুন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অধিগ্রহণের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখছে কোম্পানিটি।

 

বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে টিসিএসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কে. কৃতিভাসন বলেন, ভবিষ্যতে প্রতিষ্ঠানের মোট কর্মীর ১ থেকে ১.৫ শতাংশকে ‘ফরওয়ার্ড-ডিপ্লয়েড ইঞ্জিনিয়ার’ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে। জুন মাসের শেষে প্রতিষ্ঠানের কর্মীসংখ্যার ভিত্তিতে এ সংখ্যা প্রায় ৫,৯০০ থেকে ৮,৯০০ জন হতে পারে।

 

এই প্রকৌশলীরা সরাসরি গ্রাহক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করে তাদের ব্যবসায়িক চাহিদা অনুযায়ী এআই প্রযুক্তি বাস্তবায়ন এবং বিদ্যমান ব্যবস্থার সঙ্গে নতুন প্রযুক্তির সমন্বয় করবেন।

 

টিসিএসের প্রধান অর্থ কর্মকর্তা সমীর সেকসারিয়া জানান, দীর্ঘদিন নিজস্ব সক্ষমতার ওপর নির্ভর করলেও এখন কোম্পানিটি কৌশলগতভাবে এআই, ডেটা সুরক্ষা এবং সাইবার নিরাপত্তা খাতে অধিগ্রহণের বিষয়টিও বিবেচনা করছে।

 

কৃতিভাসনের মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আইটি আউটসোর্সিং শিল্পের জন্য হুমকি নয়; বরং এটি নতুন ব্যবসার সুযোগ তৈরি করবে। তিনি বলেন, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে এআই প্রযুক্তি কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের জন্য অভিজ্ঞ প্রযুক্তি অংশীদারের প্রয়োজন হবে, আর সেখানেই টিসিএস নিজেদের শক্ত অবস্থানে দেখতে চায়।

 

জেনারেটিভ এআই প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তারের ফলে ভারতের প্রায় ৩১৫ বিলিয়ন ডলারের তথ্যপ্রযুক্তি সেবা শিল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেক বিনিয়োগকারীর আশঙ্কা, এআইয়ের কারণে প্রকৌশলীর চাহিদা কমে যেতে পারে। তবে টিসিএসসহ ভারতের শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো মনে করছে, এআই বরং নতুন ধরনের দক্ষ জনবল ও প্রযুক্তি সেবার চাহিদা সৃষ্টি করবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

Advertisement

আন্তর্জাতিক

View more
ড্রোন প্রতিরোধের মহড়ায় নিয়ন্ত্রণ হারানোর পরে মেশিনগানের পাশে উল্টে পড়েন সৈন্য সদস্য। ছবি:সংগৃহীত
ড্রোন প্রতিরোধের মহড়ায় নিয়ন্ত্রণ হারাল ভারী মেশিনগান, ছিটকে পড়লেন রুশ সেনা

রাশিয়ার সামরিক প্রশিক্ষণের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এতে দেখা যায়, ড্রোন প্রতিরোধের মহড়ার সময় একটি ভারী মেশিনগান চালাতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ছিটকে পড়েন এক নবীন রুশ সেনা। এ সময় তার প্রশিক্ষকও অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পান।   ভিডিওতে দেখা যায়, ইয়াকবি–১২.৭ (YakB-12.7) নামের চার নলবিশিষ্ট একটি ভারী মেশিনগান—যা মূলত সোভিয়েত আমলের এমআই-২৪ যুদ্ধ হেলিকপ্টারে ব্যবহারের জন্য তৈরি—তা একটি ট্রাকে বসিয়ে পরীক্ষা চালানো হচ্ছিল। অস্ত্রটি চালু করার পর এর প্রচণ্ড ধাক্কা ও ঘূর্ণন শক্তির কারণে সেনাটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে অস্ত্রের সঙ্গে ঘুরতে থাকেন এবং একপর্যায়ে ছিটকে পড়েন।   এ সময় মেশিনগানটি অনিয়ন্ত্রিতভাবে চারদিকে গুলি ছুড়তে থাকে। ভিডিওতে দেখা যায়, প্রশিক্ষক দ্রুত নিচু হয়ে আশ্রয় নেওয়ায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়। পরে অন্য সেনারা এগিয়ে এসে অস্ত্রটির নিয়ন্ত্রণ নেন।    এ ঘটনার স্থান ও সময় আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি রুশ কর্তৃপক্ষ। তবে সামরিক বিশ্লেষক এবং একাধিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম জানিয়েছে, ভিডিওটি আসল বলেই ধারণা করা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, হেলিকপ্টারের জন্য তৈরি অস্ত্রটি যথাযথ ভারসাম্য ছাড়া ট্রাকে বসানোর কারণেই এমন বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি হয়।   ভিডিওটি এমন সময় প্রকাশ্যে এলো, যখন ইউক্রেনের ড্রোন হামলা ঠেকাতে রাশিয়া বিভিন্ন ধরনের মোবাইল আকাশ প্রতিরক্ষা ইউনিট গঠনের চেষ্টা করছে। সামরিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পুরোনো হেলিকপ্টারের অস্ত্র স্থলযানে ব্যবহার করার এই উদ্যোগ নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ: জুলাই ১৩, ২০২৬ ১৪:১
ইসরায়েলের মোসাদের সঙ্গে গোপন আঁতাতের অভিযোগে গৃহবন্দি ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমেদিনেজাদ। ছবি: সংগৃহীত

ইসরায়েলের সাথে গোপন আঁতাত: গৃহবন্দি ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট আহমেদিনেজাদ

হোয়াইট হাউজে ঢুকেও ট্রাম্পকে হত্যার নজিরবিহীন হুমকি দিল ইরান। ছবি: কোলাজ - আমেরিকা বাংলা

হোয়াইট হাউজে ঢুকেও ট্রাম্পকে হত্যা করতে পারে ইরান: সাবেক শীর্ষ কমান্ডারের হুঙ্কার

খেলার আসল আত্মা ধ্বংস করে ফুটবলকে সম্পূর্ণ করপোরেট ব্যবসায় রূপান্তরের প্রতিবাদে জুরিখে ফিফাবিরোধী বিশাল বিক্ষোভ মিছিল। ছবি: সংগৃহীত

ফিফার বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছেন সুইজারল্যান্ডের সমর্থকেরা, দুর্নীতির অভিযোগে বিক্ষোভ

অভিযানে বাংলাদেশিসহ আটক শত শত বিদেশি শ্রমিক। ছবি: সংগৃহীত
মালয়েশিয়াজুড়ে সাঁড়াশি অভিযানে আটক ২৯০ জন বাংলাদেশি

মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ দেশজুড়ে একযোগে পরিচালিত বড় ধরনের অভিযানে ৫০৩ জন বিদেশি নাগরিককে আটক করেছে। আটকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ২৯০ জন বাংলাদেশি। অবৈধভাবে অবস্থান, বৈধ কাগজপত্রের অভাব এবং ভিসার শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগে তাদের আটক করা হয়েছে।   সোমবার (১৩ জুলাই) এক বিবৃতিতে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক জাকারিয়া শাবান এ তথ্য জানান। দেশটির সংবাদমাধ্যম দ্য স্টারের প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৮টি স্থানে একযোগে পরিচালিত এই অভিযানে ইমিগ্রেশন বিভাগ, জাতীয় নিবন্ধন বিভাগ, পুলিশ এবং স্থানীয় সরকারের মোট ৮৭৬ জন কর্মকর্তা অংশ নেন।   অভিযানের সময় নিয়োগকর্তা ও বিদেশি নাগরিকসহ মোট ২ হাজার ২৬০ জনের কাগজপত্র যাচাই করা হয়। যাচাই শেষে মালয়েশিয়ার অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ৫০৩ জনকে আটক করা হয়।   আটকদের মধ্যে বাংলাদেশের ২৯০ জন ছাড়াও মিয়ানমারের ১০১ জন, ইন্দোনেশিয়ার ৬৬ জন, নেপালের ৩৮ জন, ভারতের ৩৬ জন এবং অন্যান্য দেশের ১০ জন নাগরিক রয়েছেন। তাদের বয়স ২১ থেকে ৫২ বছরের মধ্যে। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ৯৫ জন নারীও রয়েছেন। পরবর্তী তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ার জন্য সবাইকে বিভিন্ন ইমিগ্রেশন ডিপোতে পাঠানো হয়েছে।   ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, অনেকের বিরুদ্ধে বৈধ ভ্রমণ বা কাজের অনুমতিপত্র না থাকার অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া কেউ কেউ ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও মালয়েশিয়ায় অবস্থান করছিলেন। আবার অনেকেই যে খাতে কাজ করার অনুমতি পেয়েছিলেন, তার বাইরে অন্য খাতে কাজ করছিলেন। উদাহরণ হিসেবে কর্তৃপক্ষ জানায়, নির্মাণ খাতে কাজের ভিসা নিয়ে কেউ কেউ পোশাকের দোকান বা অন্যান্য ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন, যা ভিসার শর্তের পরিপন্থী।   কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, কয়েকজন ইউএনএইচসিআর কার্ডধারীকেও আটক করা হয়েছে। তাদের কার্ডের সত্যতা ও বৈধতা যাচাই করা হচ্ছে।   এদিকে তদন্তে সহায়তার জন্য আরও ১২০ জনকে বিশেষ নোটিশ (বোরাং ২৯) দেওয়া হয়েছে। নিয়োগকর্তা, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছ থেকে অতিরিক্ত তথ্য সংগ্রহের অংশ হিসেবে এই নোটিশ প্রদান করা হয়েছে।   জাকারিয়া শাবান বলেন, অবৈধ বিদেশি শ্রমিক নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান এবং বিদেশিদের মাধ্যমে পরিচালিত অবৈধ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান আরও জোরদার করা হবে। তিনি জানান, সারা দেশে দুই শতাধিক ‘হটস্পট’ চিহ্নিত করা হয়েছে, যার প্রায় অর্ধেকই ক্লাং ভ্যালি অঞ্চলে অবস্থিত।   মালয়েশিয়ায় বিদেশি কর্মীদের জন্য বৈধ কর্মঅনুমতি, নির্ধারিত খাতে কাজ এবং ভিসার শর্ত মেনে চলা বাধ্যতামূলক। দেশটির কর্তৃপক্ষ নিয়মিত অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে অভিবাসন আইন প্রয়োগ এবং অবৈধ কর্মসংস্থান নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থান বজায় রেখেছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ১৩, ২০২৬ ১১:৯
তীব্র গরমে মৃতদের মধ্যে প্রায় ৯ হাজারেরই বয়স ৬৫ বছর বা তার বেশি; বয়স্কদের নিয়ে চিকিৎসকদের গভীর উদ্বেগ। ছবি: রয়টার্স

ইউরোপে ৭ দিনে ১০ হাজারের ও বেশি মৃত্যু

আশ্রয় বাতিল হলেও জর্ডানের নাগরিক আহমদ আল-সাকারকে ডিপোর্ট না করায় আয়ারল্যান্ডে অভিবাসন বিতর্ক। ছবি: সংগৃহীত

আয়ারল্যান্ডে নিউইয়র্কের এক নারীকে হত্যা, পলাতক জর্ডানিয়ান প্রেমিক

ওডেসা অঞ্চলে টোগোর পতাকাবাহী বাণিজ্যিক জাহাজে রুশ হামলা; হতাহত ৮ জন নাবিক। ছবি: সংগৃহীত

রাশিয়ার হামলায় ওডেসা বন্দরে বেসামরিক পণ্যবাহী জাহাজে নিহত ৩, আহত ৫

অস্ট্রেলিয়া ভিত্তিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত গ্রাফিক্স ছবি: সংগৃহীত
৭০ ডলারের রিফান্ডের বদলে ৭.২ মিলিয়ন, ভুলে পাঠানো অর্থ ফেরাতে আদালতের নির্দেশ

মাত্র ৭০ ডলারের একটি রিফান্ড পাঠানোর কথা ছিল। কিন্তু একটি টাইপিং ভুলের কারণে অস্ট্রেলিয়ার এক নারীর ব্যাংক হিসাবে চলে যায় প্রায় ৭.৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (১০.৪৭ মিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলার)। আরও অবাক করা বিষয় হলো, বিশ্বের অন্যতম ক্রিপ্টোকারেন্সি প্ল্যাটফর্ম Crypto.com টানা সাত মাস এই বিপুল অঙ্কের ভুল লেনদেন টেরই পায়নি।   আদালতের নথি অনুযায়ী, ২০২১ সালের মে মাসে মেলবোর্নের বাসিন্দা থেভামানোগারি মানিভেলের কাছে একটি ছোট অঙ্কের রিফান্ড পাঠানোর সময় প্রতিষ্ঠানের এক কর্মী ভুলবশত অর্থের পরিমাণের ঘরে গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট নম্বর লিখে ফেলেন। এর ফলেই কয়েক ডলারের পরিবর্তে তার হিসাবে জমা পড়ে ১০.৪৭ মিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলার।   প্রতিষ্ঠানটি ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসে নিয়মিত আর্থিক নিরীক্ষার সময় ভুলটি শনাক্ত করে। ততদিনে ওই অর্থের বড় অংশ বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর করা হয়েছিল। আদালতে দাখিল করা নথিতে বলা হয়, ভুল করে পাওয়া অর্থের একটি অংশ দিয়ে মেলবোর্নের ক্রেইগিবার্ন এলাকায় প্রায় ১.৩৫ মিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলার মূল্যের একটি বাড়ি কেনা হয় এবং সেটি পরে ওই নারীর বোনের নামে হস্তান্তর করা হয়।   এরপর Crypto.com ভিক্টোরিয়া সুপ্রিম কোর্টে মামলা করে অর্থ উদ্ধারের উদ্যোগ নেয়। আদালত বাড়িটি বিক্রি করে অর্থ কোম্পানিকে ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি সুদ ও মামলার ব্যয়ও পরিশোধের আদেশ দেওয়া হয়।   পরবর্তী সময়ে এই ঘটনার জেরে ওই নারী ও তার সঙ্গীর বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ-সংক্রান্ত অভিযোগও আনা হয়। আদালতে তারা দাবি করেন, বিপুল অঙ্কের অর্থটি তারা একটি ক্রিপ্টো প্রতিযোগিতায় জিতেছেন বলে মনে করেছিলেন। তবে তদন্তে উঠে আসে, অর্থটি ভুলবশত স্থানান্তর করা হয়েছিল।   ঘটনাটি আন্তর্জাতিকভাবে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি বড় আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ও অডিট ব্যবস্থার গুরুত্বকে নতুন করে সামনে এনেছে। একই সঙ্গে এটি স্মরণ করিয়ে দেয় যে, ভুলবশত কারও হিসাবে অর্থ জমা পড়লেও সেই অর্থ আইনগতভাবে ব্যবহার বা নিজের সম্পদ হিসেবে দাবি করার অধিকার নেই; প্রকৃত মালিক আদালতের মাধ্যমে তা পুনরুদ্ধার করতে পারেন।

বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ: জুলাই ১৩, ২০২৬ ৮:৩০
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ ছবি:সংগৃহীত

বন্যা-ভূমিধসের ক্ষয়ক্ষতিতে গভীর শোক, বাংলাদেশের পাশে পাকিস্তান

বিষাক্ত সাপের ছবি : সংগৃহীত

এভারেস্ট অঞ্চলে বাড়ছে বিষধর সাপের দেখা, অ্যান্টিভেনম সংকটে হাসপাতাল, উদ্বেগে পর্বতারোহীরা

ব্যাংককে বারে অগ্নিকাণ্ড ধোঁয়ার ছবি : সংগৃহীত

ব্যাংককের বারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ২৭, ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে প্রাণ গেল বহু মানুষের

0 Comments