সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আন্তর্জাতিক

জন্মের পর বলা হয়েছিল বেশিদিন বাঁচবেন না, সেই ক্লাউদিওই আজ বিশ্বজুড়ে অনুপ্রেরণা

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬ ১৬:৫০
জন্মের পর বলা হয়েছিল বেশিদিন বাঁচবেন না, সেই ক্লাউদিওই আজ বিশ্বজুড়ে অনুপ্রেরণা
জন্মের পর বলা হয়েছিল বেশিদিন বাঁচবেন না, সেই ক্লাউদিওই আজ বিশ্বজুড়ে অনুপ্রেরণা

ব্রাজিলের ক্লাউদিও ভিয়েরা ডি অলিভেইরা ১৯৭৬ সালে এক বিরল শারীরিক অবস্থা নিয়ে জন্মগ্রহণ করেন। এই বিরল রোগের কারণে তার জয়েন্ট ও পেশিগুলোর বিকাশ স্বাভাবিকভাবে হয়নি, এমনকি তার মাথাটিও পেছনের দিকে উল্টানো বা বাঁকানো অবস্থায় থাকে।

 

জন্মের পর তার অস্বাভাবিক শারীরিক গঠন দেখে চিকিৎসকরা আশঙ্কা করেছিলেন যে তিনি হয়তো বেশিদিন বাঁচবেন না। তবে চারপাশের সব নেতিবাচক ধারণা ও শঙ্কাকে ভুল প্রমাণ করে ক্লাউদিও আজ জীবনযুদ্ধে এক অনন্য বিজয়ী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

 

শারীরিক সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও মায়ের অকৃত্রিম ভালোবাসা ও সমর্থন ক্লাউদিওকে আত্মনির্ভরশীল হতে সাহায্য করেছে। দৈনন্দিন জীবনের সব কাজ করার জন্য তিনি নিজের মতো করে অভিনব উপায় বের করে নেন। মুখে কলম আটকে টাইপ করা থেকে শুরু করে নিজে নিজে পড়া, লেখা এমনকি স্বাধীনভাবে কম্পিউটার ব্যবহারের কৌশলও তিনি আয়ত্ত করেন।

 

পড়াশোনায় অদম্য ক্লাউদিও পরবর্তীতে অ্যাকাউন্টিং বা হিসাববিজ্ঞানে ডিগ্রি অর্জন করেন এবং নিজের একটি সফল পেশাদার ক্যারিয়ার গড়ে তোলেন। এর মধ্য দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীর কাছে প্রমাণ করেছেন যে, শারীরিক গঠন বা প্রতিবন্ধকতা কখনোই কোনো মানুষের মেধা ও সক্ষমতাকে সংজ্ঞায়িত করতে পারে না।

 

সময়ের পরিক্রমায় বিভিন্ন টেলিভিশন অনুষ্ঠান, সংবাদমাধ্যমের ডকুমেন্টারি এবং পাবলিক ইভেন্টের মাধ্যমে ক্লাউদিও বিশ্বজুড়ে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন। বর্তমানে তিনি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ভ্রমণ করে নিজের জীবনসংগ্রামের অভিজ্ঞতা মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিচ্ছেন।

 

বিশেষত প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার, সমাজের সর্বস্তরে তাদের প্রবেশগম্যতা এবং মানসিক দৃঢ়তার বিষয়ে সচেতনতা তৈরিতে তিনি জোরালো ভূমিকা রাখছেন। ক্লাউদিওর এই অবিশ্বাস্য পথচলা আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে—সঠিক সমর্থন, সুযোগ এবং অদম্য ইচ্ছাশক্তি থাকলে যেকোনো মানুষ সমাজের প্রচলিত প্রত্যাশার চেয়েও অনেক বড় কিছু অর্জন করতে পারে।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আন্তর্জাতিক

View more
জন্মের পর বলা হয়েছিল বেশিদিন বাঁচবেন না, সেই ক্লাউদিওই আজ বিশ্বজুড়ে অনুপ্রেরণা
জন্মের পর বলা হয়েছিল বেশিদিন বাঁচবেন না, সেই ক্লাউদিওই আজ বিশ্বজুড়ে অনুপ্রেরণা

ব্রাজিলের ক্লাউদিও ভিয়েরা ডি অলিভেইরা ১৯৭৬ সালে এক বিরল শারীরিক অবস্থা নিয়ে জন্মগ্রহণ করেন। এই বিরল রোগের কারণে তার জয়েন্ট ও পেশিগুলোর বিকাশ স্বাভাবিকভাবে হয়নি, এমনকি তার মাথাটিও পেছনের দিকে উল্টানো বা বাঁকানো অবস্থায় থাকে।   জন্মের পর তার অস্বাভাবিক শারীরিক গঠন দেখে চিকিৎসকরা আশঙ্কা করেছিলেন যে তিনি হয়তো বেশিদিন বাঁচবেন না। তবে চারপাশের সব নেতিবাচক ধারণা ও শঙ্কাকে ভুল প্রমাণ করে ক্লাউদিও আজ জীবনযুদ্ধে এক অনন্য বিজয়ী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।   শারীরিক সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও মায়ের অকৃত্রিম ভালোবাসা ও সমর্থন ক্লাউদিওকে আত্মনির্ভরশীল হতে সাহায্য করেছে। দৈনন্দিন জীবনের সব কাজ করার জন্য তিনি নিজের মতো করে অভিনব উপায় বের করে নেন। মুখে কলম আটকে টাইপ করা থেকে শুরু করে নিজে নিজে পড়া, লেখা এমনকি স্বাধীনভাবে কম্পিউটার ব্যবহারের কৌশলও তিনি আয়ত্ত করেন।   পড়াশোনায় অদম্য ক্লাউদিও পরবর্তীতে অ্যাকাউন্টিং বা হিসাববিজ্ঞানে ডিগ্রি অর্জন করেন এবং নিজের একটি সফল পেশাদার ক্যারিয়ার গড়ে তোলেন। এর মধ্য দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীর কাছে প্রমাণ করেছেন যে, শারীরিক গঠন বা প্রতিবন্ধকতা কখনোই কোনো মানুষের মেধা ও সক্ষমতাকে সংজ্ঞায়িত করতে পারে না।   সময়ের পরিক্রমায় বিভিন্ন টেলিভিশন অনুষ্ঠান, সংবাদমাধ্যমের ডকুমেন্টারি এবং পাবলিক ইভেন্টের মাধ্যমে ক্লাউদিও বিশ্বজুড়ে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন। বর্তমানে তিনি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ভ্রমণ করে নিজের জীবনসংগ্রামের অভিজ্ঞতা মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিচ্ছেন।   বিশেষত প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার, সমাজের সর্বস্তরে তাদের প্রবেশগম্যতা এবং মানসিক দৃঢ়তার বিষয়ে সচেতনতা তৈরিতে তিনি জোরালো ভূমিকা রাখছেন। ক্লাউদিওর এই অবিশ্বাস্য পথচলা আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে—সঠিক সমর্থন, সুযোগ এবং অদম্য ইচ্ছাশক্তি থাকলে যেকোনো মানুষ সমাজের প্রচলিত প্রত্যাশার চেয়েও অনেক বড় কিছু অর্জন করতে পারে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬ ১৬:৫০
কানাডা–ইউরোপ অর্থনৈতিক জোটে যুক্তরাজ্যকে যুক্ত হওয়ার আহ্বান কানাডার

কানাডা–ইউরোপ অর্থনৈতিক জোটে যুক্তরাজ্যকে যুক্ত হওয়ার আহ্বান কানাডার

অস্ট্রেলিয়ায় নিষ্ঠুর মায়ের ছুরিকাঘাতে নিহত পাঁচ বছরের শিশু, মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে আরও দুই সন্তান

অস্ট্রেলিয়ায় নিষ্ঠুর মায়ের ছুরিকাঘাতে নিহত পাঁচ বছরের শিশু, মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে আরও দুই সন্তান

এবার মার্কিন হামলা হলে নতুন অস্ত্রের শক্তি দেখাবে ইরান, চমকে যেতে পারে বিশ্ব

এবার মার্কিন হামলা হলে নতুন অস্ত্রের শক্তি দেখাবে ইরান, চমকে যেতে পারে বিশ্ব

অস্ট্রেলিয়ায় ক্যারিয়ার গড়তে শুরুতে পিজা ডেলিভারির কাজ বেছে নেন এক ভারতীয় তরুণ। ছবি: সংগৃহীত
পিজা ডেলিভারি থেকে ৩ রেস্টুরেন্টের মালিক! ভারতীয় যুবকের ১১ বছরের যাত্রা

ভারতে পড়াশোনা শেষ করে অস্ট্রেলিয়ায় পাড়ি দিয়েছিলেন এক ভারতীয় তরুণ। নিজের পড়াশোনার ক্ষেত্রে চাকরি না পেয়ে শুরু করেছিলেন পিজা শপে ফুলটাইম কাজ, পাশাপাশি পিজা ডেলিভারি। প্রায় তিন বছর পর ব্যবসায়িক অংশীদার ও সঞ্চিত অর্থ নিয়ে একটি পিজা ফ্র্যাঞ্চাইজিতে বিনিয়োগ করেন তিনি। এরপর ধীরে ধীরে আরও দুটি ফ্র্যাঞ্চাইজি যুক্ত করে বর্তমানে তিনটি রেস্টুরেন্টের মালিক হয়েছেন বলে জানিয়েছেন তার শ্যালক ও উদ্যোক্তা ভিনিথ কে।   ১১ বছর আগে উচ্চশিক্ষার জন্য অস্ট্রেলিয়ায় যাওয়া ওই ব্যক্তির এই যাত্রার কথা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তুলে ধরেন ভিনিথ। তার পোস্ট অনুযায়ী, বর্তমানে ওই ব্যক্তির অস্ট্রেলিয়ায় একটি বাড়ি ও বিএমডব্লিউ গাড়ি রয়েছে। পাশাপাশি ভারতের হায়দরাবাদে একটি বাড়ি তৈরি করেছেন এবং তার বাবা-মাকেও অস্ট্রেলিয়ায় নিয়ে গেছেন।   ভিনিথের বর্ণনা অনুযায়ী, অস্ট্রেলিয়ায় পড়াশোনা শেষ করার পর নিজের পড়াশোনার ক্ষেত্রের চাকরি না পাওয়ায় তিনি পিজা শপে ফুলটাইম চাকরি নেন। সেখানে পিজা তৈরি ও অর্ডার সরবরাহের কাজ করতেন। প্রায় তিন বছর কাজ করার পর একজন ব্যবসায়িক অংশীদারের সঙ্গে মিলে এবং কিছু অর্থ বিনিয়োগ করে প্রথম পিজা ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিকানায় যুক্ত হন।   প্রথম ব্যবসা চালুর পর ধীরে ধীরে সেটি সম্প্রসারিত হয়। পরে আরও দুটি ফ্র্যাঞ্চাইজি যুক্ত হওয়ায় তার ব্যবসার পরিধি তিনটি রেস্টুরেন্টে পৌঁছায় বলে ভিনিথ জানিয়েছেন। তবে কোন ব্র্যান্ডের ফ্র্যাঞ্চাইজি, কত অর্থ বিনিয়োগ করা হয়েছিল বা ওই ব্যক্তির পড়াশোনার বিষয় কী ছিল, এসব বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি।   ব্যক্তিগত জীবনেও এ সময়ে বড় পরিবর্তন আসে। ভিনিথের পোস্ট অনুযায়ী, কোভিড-১৯ মহামারির সময় ওই ব্যক্তি ভারতে ফিরে বিয়ে করেন। পরে স্ত্রীকে নিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় ফিরে গিয়ে ব্যবসা চালিয়ে যান। ২০২৬ সালে এসে তাদের পরিবারে দুই সন্তানও রয়েছে বলে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।   ভিনিথ আরও জানান, ওই ব্যক্তি অস্ট্রেলিয়ায় নিজের বাড়ি করেছেন, বিএমডব্লিউ কিনেছেন এবং হায়দরাবাদে পরিবারের জন্য একটি বাড়ি তৈরি করেছেন। পরে বাবা-মাকেও অস্ট্রেলিয়ায় নিয়ে যান তিনি। চলতি সপ্তাহে তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকত্ব পেয়েছেন বলেও ভিনিথের পোস্টে জানানো হয়।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিনিথের পোস্ট প্রকাশের পর ঘটনাটি বিভিন্ন ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে আলোচিত হয়। পোস্টটিতে মূলত একজন শিক্ষার্থী হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় যাওয়া, নিজের ক্ষেত্রে চাকরি না পাওয়া, পিজা ডেলিভারির কাজ শুরু করা এবং পরে ফ্র্যাঞ্চাইজি ব্যবসায় প্রবেশের ধারাবাহিকতা তুলে ধরা হয়েছে।   তবে ওই ব্যক্তির নাম প্রকাশ করা হয়নি। তার ব্যবসার আয়, সম্পদের মূল্য, ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর অবস্থান কিংবা নাগরিকত্ব পাওয়ার প্রক্রিয়ার বিস্তারিত তথ্যও স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। ফলে বাড়ি, গাড়ি, তিনটি ফ্র্যাঞ্চাইজি এবং নাগরিকত্বসহ এসব তথ্য ভিনিথ কে-এর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট ও তা নিয়ে প্রকাশিত সংবাদ প্রতিবেদনের ভিত্তিতে জানা গেছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬ ১২:২৭
গুজরাট স্টেট জুডিশিয়াল সার্ভিস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে সিভিল জজ হয়েছেন দীপু কংওয়ার। ছবি: সংগৃহীত

ঘরের কাজ বাদ দিয়ে পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে বলতেন শ্বশুর, গৃহবধূ আজ সিভিল জজ

তুরস্কের এজিয়ান উপকূলে প্রত্নতাত্ত্বিক খননে উদ্ধার হওয়া ২ হাজার বছরের পুরোনো রোমান মোজাইক। ছবি: সংগৃহীত

তুরস্কে মিলল বিরল রোমান মোজাইক, লেখা ২ হাজার বছর আগের পোষা প্রাণীর নাম

গুজরাটের প্রত্যন্ত কৃষক পরিবার থেকে উঠে এসে বড় হীরা ব্যবসায়ী হয়েছেন সাভজি ধোলাকিয়া। ছবি: সংগৃহীত

১৩ বছরেই স্কুল ছাড়েন, কর্মীদের ১,২৬০ গাড়ি ও ৪০০ ফ্ল্যাট উপহার দিয়ে আলোচনায় ভারতীয় ব্যবসায়ী

নিউইয়র্কে জাতিসংঘ অধিবেশনে এরদোগানের ১৬তম ভাষণ, গুরুত্ব পাচ্ছে গাজা ও ফিলিস্তিন
নিউইয়র্কে জাতিসংঘ অধিবেশনে এরদোগানের ১৬তম ভাষণ, গুরুত্ব পাচ্ছে গাজা ও ফিলিস্তিন

জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে পৌঁছেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান। জন এফ. কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে তাঁকে স্বাগত জানান জাতিসংঘে নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত আহমেত ইলদিজ, ওয়াশিংটনে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত সেদাত ওনাল এবং নিউইয়র্কের কনসাল জেনারেল মুহিত্তিন আহমেত ইয়াজালসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কূটনৈতিক কর্মকর্তারা।   ইস্তাম্বুলের আতাতুর্ক বিমানবন্দর থেকে রওনা হওয়া তুর্কি প্রেসিডেন্টের এই সফরে তাঁর সঙ্গী হিসেবে রয়েছেন ফার্স্ট লেডি এমিন এরদোগান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান, অর্থমন্ত্রী মেহমেত সিমশেক, বিচারমন্ত্রী আকিন গুরলেক এবং জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার (এমআইটি) প্রধান ইব্রাহিম কালিনসহ উচ্চপদস্থ সরকারি ও কূটনৈতিক কর্মকর্তাদের একটি বড় প্রতিনিধিদল।   আগামী মঙ্গলবার উচ্চপর্যায়ের এই অধিবেশনের উদ্বোধনী দিনে বিশ্বনেতাদের উদ্দেশে নিজের বার্ষিক ভাষণ দেবেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট। সাধারণ পরিষদের মঞ্চে এটি হবে তাঁর ১৬তম উপস্থিতি। ধারণা করা হচ্ছে, এবারের ভাষণে তিনি গাজায় ইসরায়েলের ক্রমবর্ধমান সামরিক আগ্রাসন, স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির জরুরি প্রয়োজনীয়তা এবং ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য বৈশ্বিক কূটনৈতিক ও শাস্তিমূলক পদক্ষেপের ওপর সবচেয়ে বেশি জোর দেবেন।   অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় চলমান চরম মানবিক বিপর্যয়ের বিষয়টি বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরে ফিলিস্তিন ও এর প্রতিবেশী দেশগুলোর ওপর ইসরায়েলি হামলার বিরুদ্ধে সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে একটি সম্মিলিত, সুস্পষ্ট ও জোরালো অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানাবেন তিনি।   নিউইয়র্কে অবস্থানকালে এই সপ্তাহজুড়ে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন প্রেসিডেন্ট এরদোগান। এছাড়া আগামী বুধবার জাতিসংঘ মহাসচিবের জলবায়ু শীর্ষ সম্মেলনেও তাঁর বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে। উল্লেখ্য, আগামী নভেম্বরে তুরস্কের আনতালিয়া শহরে জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন 'কপ-৩১' (COP31) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, যার আয়োজক হিসেবে তুরস্ক এই অধিবেশনে নিজেদের প্রস্তুতি ও অঙ্গীকারের বিষয়টিও জোরালোভাবে তুলে ধরবে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬ ২২:১০
ইরানে বেআইনি কর্মকাণ্ডের অভিযোগে ফরাসি ভাষা শিক্ষাকেন্দ্র বন্ধ, বাড়ছে কূটনৈতিক উত্তেজনা

ইরানে বেআইনি কর্মকাণ্ডের অভিযোগে ফরাসি ভাষা শিক্ষাকেন্দ্র বন্ধ, বাড়ছে কূটনৈতিক উত্তেজনা

নেপালের ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উদ্ধার ও তল্লাশি অভিযান চলছে

নেপালে বন্যার এক মাস পরও নিখোঁজ ৬ হাজার, মৃ তের সংখ্যা ছাড়াল ১,৪৫০

এআই মানবসভ্যতা ধ্বংস করবে না, ‘ডুমসডে’ তত্ত্ব উড়িয়ে দিলেন এনভিডিয়া সিইও

এআই মানবসভ্যতা ধ্বংস করবে না, ‘ডুমসডে’ তত্ত্ব উড়িয়ে দিলেন এনভিডিয়া সিইও

0 Comments