সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আন্তর্জাতিক

ইরানে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতের পর মার্কিন ড্রোন ভূপাতিতের দাবি তেহরানের

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: নভেম্বর ৬, ২০২৬ ২৩:৪২
ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের কেশম দ্বীপে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে বলে জানিয়েছে তাসনিম। ছবি: সংগৃহীত
ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের কেশম দ্বীপে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে বলে জানিয়েছে তাসনিম। ছবি: সংগৃহীত

ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের কেশম দ্বীপে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে বলে জানিয়েছে দেশটির আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম। শনিবার (৭ নভেম্বর) হরমুজ প্রণালির কাছে অবস্থিত দ্বীপটিতে বিস্ফোরণের শব্দ শোনার কথাও জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এর কয়েক ঘণ্টা পর একই এলাকার আকাশে যুক্তরাষ্ট্রের একটি এমকিউ-৯ ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম। তবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার উৎস, হতাহত কিংবা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে এখনো বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

 

ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম জানিয়েছে, প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী কেশম দ্বীপে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ঘটনার বিস্তারিত তথ্য পাওয়ার পর তা প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। ক্ষেপণাস্ত্রগুলো কোথা থেকে ছোড়া হয়েছে কিংবা কারা হামলা চালিয়েছে, সে বিষয়ে প্রতিবেদনে নিশ্চিত তথ্য দেওয়া হয়নি।

 

অন্যদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কেশম দ্বীপের সুজা এলাকায় দুটি বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ওই এলাকায় আকাশ থেকে দুটি বস্তু আছড়ে পড়তে দেখা গেছে। এর আগে আকাশে উড়োজাহাজের শব্দও শুনেছেন তাঁরা।

 

বিস্ফোরণের খবর প্রকাশের কয়েক ঘণ্টা পর কেশম দ্বীপের আকাশে একটি মার্কিন এমকিউ-৯ ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করে ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি। সংস্থাটির প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনী ড্রোনটি ধ্বংস করেছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এই দাবির নিশ্চিতকরণের তথ্য পাওয়া যায়নি।

 

এর আগে শুক্রবার (৬ নভেম্বর) একই দ্বীপের আকাশে যুক্তরাষ্ট্রের আরেকটি ড্রোন ভূপাতিত করার খবর প্রকাশ করে ইরানি গণমাধ্যম। ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর বরাত দিয়ে জানানো হয়, সেটি ছিল এমকিউ-১ মডেলের ড্রোন। ফলে পরপর দুই দিনে দুটি মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি সামনে এনেছে ইরান।

 

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান সংঘাত বন্ধে কূটনৈতিক তৎপরতাও অব্যাহত রয়েছে। কাতারের আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম কার্যালয় শনিবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতার চেষ্টা চলছে। যুদ্ধ বন্ধে কোনো সমঝোতা হয়নি বলে প্রচারিত একটি খবরকে ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর বলেও উল্লেখ করেছে সংস্থাটি।

 

কাতারের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দেশটির প্রধানমন্ত্রী নিশ্চিত করেছেন যে ওয়াশিংটন ও তেহরান এখনো একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে। এ লক্ষ্যে দুই দেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রেখে মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে দোহা।

 

হরমুজ প্রণালির কাছে কেশম দ্বীপে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতের খবর এবং মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের মধ্যে নতুন করে সামনে এসেছে। তবে এসব ঘটনার পূর্ণাঙ্গ বিবরণ এবং ক্ষয়ক্ষতির তথ্য এখনো প্রকাশিত হয়নি। একই সময়ে সংঘাত বন্ধে কাতারের মধ্যস্থতায় আলোচনা অব্যাহত থাকার কথা জানানো হয়েছে।

 

সূত্র: তাসনিম


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

বিষয়

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

প্রাণীর সঙ্গে যৌন কর্মকাণ্ডের অভিযোগে গ্রেপ্তার বুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী ও সাউথ ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে প্রাণীর সঙ্গে যৌন কর্মকাণ্ডের ছবি বা ভিডিও ধারণ, বিতরণ ও সংরক্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রায়ান আবদুল বাতেন। তিনি বাংলাদেশের বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী এবং যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার সহকারী অধ্যাপক।   হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের কার্যালয়ের সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত গ্রেপ্তারসংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, গত ২৮ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রকাশিত রেকর্ডে তাঁর বিরুদ্ধে ‘Film, Distribute, or Possess Image or Video of Sexual Activity with an Animal’ শীর্ষক অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থাৎ, প্রাণীর সঙ্গে যৌন কর্মকাণ্ডের ছবি বা ভিডিও ধারণ, বিতরণ কিংবা নিজের কাছে রাখার অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।   গ্রেপ্তারসংক্রান্ত সরকারি রেকর্ড প্রকাশের পর বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে বুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী এবং যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে তাঁর পরিচয়ের কারণে ঘটনাটি নিয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যেও আলোচনা তৈরি হয়েছে।   এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রাণীটির পরিচয় সম্পর্কে বিভিন্ন দাবি ছড়িয়ে পড়লেও হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের কার্যালয়ের প্রকাশিত গ্রেপ্তারসংক্রান্ত তথ্যে নির্দিষ্ট কোনো প্রাণীর নাম উল্লেখ করা হয়নি। ফলে ছাগলের সঙ্গে যৌন কর্মকাণ্ডের যে দাবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে করা হচ্ছে, তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।   তথ্যসূত্র: হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের কার্যালয় (Hillsborough County Sheriff’s Office), ফ্লোরিডা।

আন্তর্জাতিক

View more
যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় ধ্বংসস্তূপের মাঝেই বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হলেন ২৫০ ফিলিস্তিনি যুগল। ছবি: সংগৃহীত
ধ্বংসস্তূপের মাঝেও ভালোবাসার জয়, গাজায় একসঙ্গে বিয়ে করলেন ২৫০ যুগল

ইসরাইলি হামলায় ধ্বংস হয়ে গেছে ঘরবাড়ি। কেউ হারিয়েছেন মা, কেউ পরিবারের অন্য সদস্যদের। বাস্তুচ্যুত জীবনের অনিশ্চয়তা আর স্বজন হারানোর বেদনা নিয়েই নতুন জীবনের স্বপ্ন দেখছেন ফিলিস্তিনিরা। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় একসঙ্গে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন ২৫০ ফিলিস্তিনি যুগল। ধ্বংসপ্রাপ্ত ভবন ও বাস্তুচ্যুত মানুষের তাঁবুর পাশে বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে এই গণবিয়ে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের সহযোগিতায় আয়োজিত অনুষ্ঠানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘ড্রেস অব জয়-৩’।   শুক্রবার (৬ নভেম্বর) তুরস্কের বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদনে জানানো হয়, গাজা সিটির সমুদ্র উপকূলবর্তী সি ক্লাবে এই গণবিয়ের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে অংশ নেন ২৫০ বর ও ২৫০ কনে। দীর্ঘদিনের যুদ্ধ ও মানবিক সংকটের মধ্যে এমন আয়োজনে নবদম্পতি এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে আনন্দের পাশাপাশি আবেগঘন পরিবেশ তৈরি হয়।   বিয়ের শোভাযাত্রায় অংশ নেয় কয়েক ডজন গাড়ি। ফিলিস্তিনের পতাকা, ফুল ও লাল ফিতা দিয়ে সাজানো গাড়িগুলো ধ্বংসপ্রাপ্ত ভবনের পাশ দিয়ে উপকূলীয় সড়ক ধরে অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছায়। রাস্তার দুই পাশে ছিল যুদ্ধের ক্ষতচিহ্ন এবং বাস্তুচ্যুত মানুষের অস্থায়ী তাঁবু।   অনুষ্ঠানে বরদের পরনে ছিল বিয়ের পোশাক। অন্যদিকে কনেরা সেজেছিলেন সাদা পোশাকের সঙ্গে ফিলিস্তিনের ঐতিহ্যবাহী রঙিন নকশার পোশাকে। মাথায় সোনালি অলংকার, হাতে ফুলের তোড়া এবং ঐতিহ্যবাহী সূচিকর্ম করা আবরণে তাঁদের দেখা যায়। যুদ্ধবিধ্বস্ত পরিবেশের মধ্যেও বিয়ের আনুষ্ঠানিকতায় ছিল উৎসবের আবহ।   সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল-ফারিস আল-শাহম-৩ অপারেশন সাপোর্ট কমিটি এবং সাকর বিন মোহাম্মদ আল কাসিমি চ্যারিটেবল অ্যান্ড হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় এই গণবিয়ের আয়োজন করা হয়। গাজার কঠিন জীবনযাত্রার কারণে যেসব তরুণ-তরুণীর পক্ষে বিয়ের খরচ বহন করা কঠিন হয়ে পড়েছে, তাঁদের সহায়তা করাই ছিল উদ্যোগটির উদ্দেশ্য।   গণবিয়েতে অংশ নেওয়া বর সাঈদ আল-নাজ্জার জানান, ইসরাইলি হামলায় তাঁদের পরিবারের বাড়ি ধ্বংস হয়ে গেছে। বর্তমানে তাঁরা জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরের ইয়েলো লাইনের কাছে একটি তাঁবুতে বসবাস করছেন। আয়োজকদের লটারিতে নির্বাচিত হয়ে বিয়েতে অংশ নেওয়ার সুযোগ পান তিনি।   আনাদোলুকে সাঈদ বলেন, ‘এই আনন্দ শুধু একজন বর কিংবা ২৫০ বরের নয়, এটি পুরো গাজার মানুষের আনন্দ।’ তাঁর ভাষায়, ইসরাইলি হামলায় অসংখ্য মানুষ বাড়িঘর হারিয়ে তাঁবুতে আশ্রয় নিয়েছেন। নিজের পরিবারেরও থাকার মতো অন্য কোনো জায়গা নেই।   অন্যদিকে গণবিয়েতে অংশ নেওয়া মুনির আল-তাতারির আনন্দের সঙ্গে মিশে ছিল মাকে হারানোর বেদনা। যুদ্ধের সময় ইসরাইলি হামলায় তাঁর মা ও পরিবারের আরও কয়েকজন সদস্য নিহত হন। একই হামলায় তাঁদের বাড়িটিও ধ্বংস হয়ে যায়।   জীবনের বিশেষ এই দিনে মাকে পাশে পাওয়ার ইচ্ছা ছিল মুনিরের। কিন্তু সেই ইচ্ছা পূরণ হয়নি। মায়ের অনুপস্থিতি নিয়েই বিয়ের আনুষ্ঠানিকতায় অংশ নেন তিনি। মুনির বলেন, ‘গাজায় অবরোধ ও যুদ্ধের মধ্যেও আমরা আনন্দ করব এবং আমাদের হৃদয়ে আবারও আশার সঞ্চার করব।’   গণবিয়েতে অংশ নেওয়া আরেক বর মোহাম্মদ কুওয়াইদির সামনেও রয়েছে নতুন সংসার শুরু করার কঠিন বাস্তবতা। ইসরাইলি হামলায় বাড়ি হারানোর পর নতুন করে বাড়ি ভাড়া নেওয়া কিংবা কেনার সামর্থ্য নেই তাঁর। ফলে বিয়ের পর স্ত্রীকে নিয়ে তাঁবুতেই সংসার শুরু করতে হবে।   কুওয়াইদি জানান, গাজায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম ও জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় তরুণদের জন্য বিয়ে করা আরও কঠিন হয়ে পড়েছে। বিয়ের পর কোথায় থাকবেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা একটি তাঁবুতে বসবাস করব।’   আয়োজকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ‘ড্রেস অব জয়-৩’ গণবিয়েতে অংশ নিতে আবেদন করেছিলেন ১১ হাজার ৬২২ জন। নিবন্ধন ও যাচাই-বাছাই শেষে প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করায় ১ হাজার ৩৩৫ জন চূড়ান্ত লটারিতে অংশ নেওয়ার সুযোগ পান। সেখান থেকে নির্বাচিত ২৫০ বর তাঁদের কনেদের সঙ্গে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন।   আল-ফারিস আল-শাহম-৩ অপারেশন সাপোর্ট কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ এরবি জানান, ৫০০ মানুষের এই গণবিয়ে দীর্ঘদিনের যুদ্ধ ও দুর্ভোগের মধ্যেও নতুন জীবন শুরুর আকাঙ্ক্ষাকে তুলে ধরেছে। ফিলিস্তিনি তরুণদের মনে আশা জাগানো এবং তাঁদের পরিবার গঠনে সহায়তা করাই এই উদ্যোগের লক্ষ্য।   ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইসরাইলি সামরিক অভিযানে গাজার আবাসিক এলাকাগুলোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। লাখ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে তাঁবু ও অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে বসবাস করছেন। খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, চিকিৎসা ও নিরাপদ আশ্রয়ের সংকটের মধ্যেই তাঁদের দৈনন্দিন জীবন কাটছে।   এমন পরিস্থিতিতে ২৫০ যুগলের গণবিয়ে গাজার মানুষের জীবনে সাময়িক আনন্দের উপলক্ষ তৈরি করেছে। তবে নতুন সংসার শুরু করলেও অনেক নবদম্পতির সামনে রয়ে গেছে আশ্রয়, জীবিকা ও নিরাপত্তার অনিশ্চয়তা। ধ্বংসস্তূপের পাশে বিয়ের আয়োজন তাই একই সঙ্গে আনন্দ, স্বজন হারানোর বেদনা এবং নতুন জীবনের স্বপ্নের গল্প হয়ে উঠেছে।   সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

প্রকাশ: নভেম্বর ৬, ২০২৬ ২৩:৫৪
ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের কেশম দ্বীপে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে বলে জানিয়েছে তাসনিম। ছবি: সংগৃহীত

ইরানে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতের পর মার্কিন ড্রোন ভূপাতিতের দাবি তেহরানের

মেয়ের বিয়েতে কোটি টাকা খরচ না করে ৯০ গৃহহীন পরিবারকে বাড়ি উপহার দিলেন বাবা

মেয়ের বিয়েতে কোটি টাকা খরচ না করে ৯০ গৃহহীন পরিবারকে বাড়ি উপহার দিলেন বাবা

ভুল করে কানাডা সীমান্তে গিয়ে পুলিশের জালে মার্কিন নাগরিক, গাড়িতে ছিল অ স্ত্র ও গাঁজা

ভুল করে কানাডা সীমান্তে গিয়ে পুলিশের জালে মার্কিন নাগরিক, গাড়িতে ছিল অ স্ত্র ও গাঁজা

ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির ঝাড়খণ্ডের লোকসভা সদস্য নিশিকান্ত দুবে।
চট্টগ্রাম বন্দর ভারতের নিয়ন্ত্রণে চান বিজেপি সাংসদ, দাবি করলেন নোয়াখালী-সিলেটও

বাংলাদেশের নোয়াখালী, সিলেট ও চট্টগ্রাম বন্দর ‘পুনরুদ্ধার’ করার সময় এসেছে বলে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির ঝাড়খণ্ডের লোকসভা সদস্য নিশিকান্ত দুবে। শুক্রবার ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর ঐতিহাসিক নীতির তীব্র সমালোচনা করেন।   তার অভিযোগ, তৎকালে ত্রিপুরা রাজ্যের অন্তর্গত থাকা এই অঞ্চলগুলো নেহরু জোরপূর্বক তৎকালীন পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশ) হাতে তুলে দিয়েছিলেন।   নিশিকান্ত দুবে দাবি করেন, তৎকালীন ত্রিপুরা রাজ্যের মহারাজা বীর বিক্রম সিং নেহরুর ওই সিদ্ধান্তের কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। একইসঙ্গে সিলেট ও চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত গণভোটের যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনি।   ১৯৪৬ সালের নোয়াখালী দাঙ্গার জন্য নেহরুর রাজনৈতিক উদাসীনতাকে দায়ী করে দুবে আরও বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর ভারতের নিয়ন্ত্রণে না থাকার কারণেই আজ দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলো উন্নয়নের দিক থেকে পিছিয়ে পড়েছে। তাই ভারতের স্বার্থে চট্টগ্রাম, সিলেট ও নোয়াখালী পুনরুদ্ধার করা অপরিহার্য বলে তিনি মন্তব্য করেন।   বিজেপির এই সাংসদের মন্তব্যের প্রতি প্রকাশ্য সমর্থন জানিয়েছেন ত্রিপুরার রাজপরিবারের বংশধর ও ‘তিপ্রা মথা’ দলের প্রতিষ্ঠাতা প্রদ্যোৎ বিক্রম মাণিক্য দেববর্মা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় তিনি দাবি করেন, দেশভাগের সময় ত্রিপুরার একটি বিশাল অংশ পাকিস্তানের হাতে তুলে দেওয়া ছিল ঐতিহাসিক ভুল।   চট্টগ্রাম বন্দর ভারতের নিয়ন্ত্রণে থাকলে শিলিগুড়ি করিডর বা ‘চিকেনস নেক’ নিয়ে ভারতের নিরাপত্তাজনিত কোনো দুশ্চিন্তাই থাকত না বলে তিনি উল্লেখ করেন।   উল্লেখ্য, বিভিন্ন সময় উসকানিমূলক মন্তব্য করে আলোচনায় আসা নিশিকান্ত দুবে আদানি গ্রুপের বিতর্কিত ঝাড়খণ্ড পাওয়ার প্ল্যান্টের গোড্ডা আসন থেকে নির্বাচিত লোকসভা সদস্য।

প্রকাশ: নভেম্বর ৬, ২০২৬ ১৪:৩৪
স্বামীর সঙ্গে যুক্তরাজ্য ছেড়ে নাইজেরিয়ায়, অনাগত সন্তানসহ প্রাণ গেল ৪০ বছর বয়সী নারীর

স্বামীর সঙ্গে যুক্তরাজ্য ছেড়ে নাইজেরিয়ায়, অনাগত সন্তানসহ প্রাণ গেল ৪০ বছর বয়সী নারীর

কানাডায় দুই লাখ অভিবাসীর পিআরের সুযোগ, বাংলাদেশিরাও পেতে পারেন সুবিধা

কানাডায় দুই লাখ অভিবাসীর পিআরের সুযোগ, বাংলাদেশিরাও পেতে পারেন সুবিধা

জীবনে শান্তি খুঁজতে ৪৩ বছরে ৫৩ বিয়ে

জীবনে শান্তি খুঁজতে ৪৩ বছরে ৫৩ বিয়ে, এখন এক স্ত্রী নিয়েই থাকতে চান সৌদি নাগরিক

আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৫ বছরের ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি হয়েছেন নাশরা নাইম। ছবি: সংগৃহীত
ভিপি নির্বাচিত হয়ে ১০৫ বছরের ইতিহাস বদলে দিলেন ভারতের মুসলিম তরুণী

ভারতের ঐতিহ্যবাহী আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৫ বছরের ইতিহাসে প্রথম নারী হিসেবে ছাত্র সংসদের সহসভাপতি (ভিপি) নির্বাচিত হয়েছেন মুসলিম তরুণী নাশরা নাইম। দীর্ঘ আট বছর পর অনুষ্ঠিত ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ৭ হাজার ৯১ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন তিনি। শুধু ভিপি পদেই নয়, এবারের নির্বাচনে ১৩টি পদের মধ্যে ছয়টিতে জয় পেয়েছেন নারী প্রার্থীরা। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশের পর বিশ্ববিদ্যালয়টির ছাত্ররাজনীতিতে নারীদের এই অর্জন নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।   ভারতীয় বার্তা সংস্থা প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়ার (পিটিআই) প্রতিবেদন অনুযায়ী, সহসভাপতি পদে নাশরা নাইমের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী পেয়েছেন ৫ হাজার ৮১৮ ভোট। অর্থাৎ ১ হাজার ২৭৩ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়টির দীর্ঘ ইতিহাসে এর আগে কোনো নারী শিক্ষার্থী ছাত্র সংসদের সহসভাপতি নির্বাচিত হননি। ফলে তাঁর এই জয়কে ঐতিহাসিক অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে।   নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন নাশরা নাইম। তিনি জানান, সীমিত সময়, অল্পসংখ্যক সহযোগী এবং কম সুযোগ-সুবিধা নিয়েও এই সাফল্য অর্জন সম্ভব হয়েছে তাঁর সঙ্গে কাজ করা শিক্ষার্থীদের আন্তরিকতা, সাহস ও নিষ্ঠার কারণে। একই সঙ্গে নেতৃত্বের প্রচলিত ধারণাকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি।   এবারের নির্বাচনে নারীদের সাফল্য শুধু সহসভাপতি পদে সীমাবদ্ধ থাকেনি। ছাত্র সংসদের কার্যনির্বাহী কমিটির ১০টি সদস্য পদের মধ্যে পাঁচটিতে জয়ী হয়েছেন নারী প্রার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়টির ইতিহাসে এই সংখ্যাকে রেকর্ড হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ভিপি পদসহ মোট ছয়টি পদে নারীদের বিজয় ছাত্র সংসদে নারী প্রতিনিধিত্ব উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে।   অন্যদিকে ছাত্র সংসদের সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন মোহাম্মদ নোমান আশরাফ। তিনি নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীকে ৪ হাজার ১০০টির বেশি ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছেন। সাধারণ সম্পাদক পদে জয় পেয়েছেন মোহাম্মদ হামদান। নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর বিজয়ী প্রার্থীরা শিক্ষার্থীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।   নবনির্বাচিত সভাপতি নোমান আশরাফ বলেন, দীর্ঘ আট বছরের অপেক্ষা ও আন্দোলনের পর শিক্ষার্থীরা আবার ছাত্র সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। এ কারণে এবারের নির্বাচন তাঁদের জন্য বিশেষ আনন্দের। অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হামদান জানান, বড় বিজয়ের সঙ্গে বড় দায়িত্বও আসে। শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করার অঙ্গীকার করেন তিনি।   আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ ও বিশ্ববিদ্যালয় কোর্ট নির্বাচনের প্রধান নির্বাচন কর্মকর্তা অধ্যাপক জাভেদ তালিব আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে উইমেনস কলেজ ছাত্র সংসদ নির্বাচনের প্রধান নির্বাচন কর্মকর্তা অধ্যাপক নাজিয়া হাসান সংশ্লিষ্ট নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ করেন।   দীর্ঘ আট বছর পর অনুষ্ঠিত হওয়ায় এবারের নির্বাচন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। ছাত্র সংসদ নির্বাচন আয়োজনের দাবিতে গত তিন বছর ধরে আন্দোলন করে আসছিলেন শিক্ষার্থীরা। দীর্ঘ বিরতির পর ভোটের মাধ্যমে প্রতিনিধি নির্বাচনের সুযোগ পাওয়ায় ক্যাম্পাসে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায়।   বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন জ্যেষ্ঠ শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, এবারের নির্বাচনী প্রচারণায় নতুন প্রজন্মের রাজনৈতিক সচেতনতার প্রভাব দেখা গেছে। আগের বছরগুলোতে মূলত ক্যাম্পাসের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে আলোচনা হলেও এবার জাতীয় রাজনীতি এবং মুসলিম সম্প্রদায়ের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়ও শিক্ষার্থীদের আলোচনায় উঠে এসেছে।   নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নাইমা খাতুন। তিনি এই নির্বাচনকে প্রতিষ্ঠানের গণতান্ত্রিক ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে উল্লেখ করেন। পাশাপাশি নারী শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও ক্রমবর্ধমান প্রতিনিধিত্বকে স্বাগত জানিয়ে নারী ক্ষমতায়নের গুরুত্ব তুলে ধরেন।   বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে কোনো সহিংসতার ঘটনা ঘটেনি। দীর্ঘ বিরতির পর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও পুরো প্রক্রিয়া শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে।   আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৫ বছরের ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি হিসেবে নাশরা নাইমের বিজয় এবং কার্যনির্বাহী কমিটিতে পাঁচ নারী প্রার্থীর জয় বিশ্ববিদ্যালয়টির ছাত্ররাজনীতিতে নতুন অধ্যায় তৈরি করেছে। একই সঙ্গে দীর্ঘ আট বছর পর ছাত্র সংসদ নির্বাচন ফিরে আসা এবং নারীদের প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি এবারের নির্বাচনের দুটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা হয়ে উঠেছে।   সূত্র: প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়া

প্রকাশ: নভেম্বর ৬, ২০২৬ ৯:২৩
স্কটল্যান্ডে মাসের পর মাস গর্ভবতী থাকার অভিনয় করে ভুয়া নবজাতক প্রদর্শনের ঘটনা ঘটে। ছবি: সংগৃহীত

গর্ভবতী হওয়ার অভিনয়, জেন্ডার রিভিল পার্টির পর পুতুলকে নবজাতক সাজালেন তরুণী!

মরিশাসে কর্মস্থলে দুর্ঘটনায় তিন বাংলাদেশি শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

মরিশাসে কর্মক্ষেত্রে কাচভর্তি ভারী কন্টেইনারের নিচে চাপা পড়ে তৎক্ষনাৎ ৩ বাংলাদেশির মৃত্যু

অবৈধ অভিবাসী শনাক্তে ফেসিয়াল রিকগনিশন প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর পরিকল্পনা হোম অফিসের। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাজ্যে অভিবাসী শনাক্তে ফেসিয়াল রিকগনিশন, মেয়াদোত্তীর্ণ ভিসাধারীদের জন্য দুঃসংবাদ

0 Comments