আন্তর্জাতিক

মার্কিন সরকারের অভিবাসন নীতির জনসমর্থন ইতিহাসের সর্বনিম্ন

শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬ 0
ট্রিসিয়া ম্যাকলাফলিন। ছবি: সংগৃহীত
ট্রিসিয়া ম্যাকলাফলিন। ছবি: সংগৃহীত

ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন নীতির প্রতি জনসমর্থন ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে আসায় পদত্যাগ করেছেন মার্কিন স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগের মুখপাত্র ও জনসংযোগ বিষয়ক সহকারী মন্ত্রী ট্রিসিয়া ম্যাকলাফলিন। 

 

ইপসোস গ্রুপ এবং রয়টার্সের সাম্প্রতিক জরিপ অনুযায়ী, ১,১১৭ জন নাগরিকের মধ্যে মাত্র ৩৮ শতাংশ এই নীতিকে সমর্থন জানিয়েছেন, যা গত বছরের ৪৭ শতাংশ থেকে উল্লেখযোগ্য হারে কম।

 

জানা গেছে, গত বছর শপথগ্রহণের পর ট্রাম্পের জনসমর্থন ছিল ৪৭ শতাংশ। তবে, গত কয়েক সপ্তাহে তাঁর সমর্থনের হার কমে ৩৮ শতাংশে নেমে এসেছে। ট্রাম্পের জনসমর্থন কমার সঙ্গে সঙ্গেই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ট্রিসিয়া ম্যাকলাফলিন।

 

আরও জানা গেছে, গত বছরের ডিসেম্বর মাস থেকেই পদত্যাগের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন ম্যাকলাফলিন। তাকে ট্রাম্প সরকারের কঠোর অভিবাসন নীতির মুখপাত্র হিসেবে বিবেচনা করা হতো।

 

গত বছরের ডিসেম্বর মাস থেকে ৩,০০০-এর বেশি মার্কিন ফেডারেল আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তা স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগের অনুমোদনে মিনেসোটায় ব্যাপক অভিবাসনবিরোধী অভিযান চালিয়েছেন। গত জানুয়ারি মাসে এমন এক অভিযানে দুই মার্কিন নাগরিক নিহত হন।

 

উল্লেখ্য, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে মার্কিন স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগের বাজেট বা তহবিল শেষ হয়ে যাওয়ায় সেখানে অচলাবস্থা বা ‘শাটডাউন’ শুরু হয়েছে। ফলে বিভাগের ৯০ শতাংশ কর্মী এখন বিনা বেতনে কাজ করছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো প্রকাশ: বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বণ্টনের খসড়া তালিকা

ঢাকা: দেশের সম্ভাব্য নতুন সরকার গঠনকে সামনে রেখে প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো সংবলিত একটি আনুষ্ঠানিক কমিউনিক্যে প্রকাশিত হয়েছে। এতে রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের দায়িত্ব বণ্টনের একটি খসড়া তালিকা তুলে ধরা হয়েছে।   কমিউনিক্যে বলা হয়েছে, এটি সরকারি নথি ও আনুষ্ঠানিক রেফারেন্সের উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা একটি প্রস্তাবিত কাঠামো, যেখানে প্রতিষ্ঠিত সরকারি প্রোটোকল অনুযায়ী সম্ভাব্য নিয়োগ ও দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়গুলো উল্লেখ রয়েছে।   প্রস্তাবিত দায়িত্ব বণ্টন অনুযায়ী—     •    রাষ্ট্রপতি: ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন     •    জাতীয় সংসদের স্পিকার: অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন / নিতাই রায় চৌধুরী     •    প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী: তারেক রহমান      •    স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর     •    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: সালাহউদ্দিন আহমেদ প্রতিমন্ত্রী: শহীদ উদ্দিন চৌধুরী (অ্যানি)     •    পররাষ্ট্রমন্ত্রী: আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী: ড. হুমায়ুন কবির     •    অর্থমন্ত্রী: ড. এ. বি. মির্জা আজিজুল ইসলাম / ড. রেজা কিবরিয়া (তালিকায় উল্লেখিত অনুযায়ী)     •    শিক্ষামন্ত্রী: আনাম এহসানুল হক মিলন, প্রতিমন্ত্রী: সাঈদ আল নোমান     •    আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী: মো. আসাদুজ্জামান     •    তথ্যমন্ত্রী: আন্দালিব রহমান পার্থ, প্রতিমন্ত্রী: ড. মাহদি আমিন     •    পরিকল্পনামন্ত্রী: ড. আব্দুল মঈন খান     •    বাণিজ্যমন্ত্রী: আব্দুল মুক্তাদির     •    শিল্পমন্ত্রী: আব্দুল আউয়াল মিন্টু     •    নৌপরিবহন মন্ত্রী: মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ     •    শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী: নজরুল ইসলাম খান     •    পানি সম্পদ মন্ত্রী: আসাদুল হাবিব দুলু     •    মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী: ফজলুর রহমান     •    সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী: আমানউল্লাহ আমান     •    সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী: জোনায়েদ সাকি     •    স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী: ড. এ. জেড. এম. জাহিদ হোসেন     •    যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী: আলী আজগর লবি     •    ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী: শামীম কায়সার লিংকন     •    বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী: আলতাফ হোসেন চৌধুরী     •    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু     •    কৃষিমন্ত্রী: শামসুজ্জামান দুদু     •    গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী: মির্জা আব্বাস     •    ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী: নুরুল হক নুর     •    রেলপথমন্ত্রী: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়     •    জনপ্রশাসন মন্ত্রী: ড. ইসমাইল জাবিউল্লাহ     •    সমাজকল্যাণ মন্ত্রী: রুহুল কবির রিজভী     •    পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী: দীপেন দেওয়ান   কমিউনিক্যে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এটি একটি প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো—চূড়ান্ত ঘোষণা, নিয়োগ এবং শপথ গ্রহণ সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়া অনুযায়ী সম্পন্ন হবে।

Advertisement

আন্তর্জাতিক

View more
গাজার শরণার্থী শিবিরের বাসিন্দা মাইসুন আল-বারবারাউইর ছেলের হাতে ধরা লন্ঠন। ছবি: আল জাজিরা
রমজানে গাজাবাসী: যুদ্ধ ও ইসরায়েলের হুমকির মধ্যেও আশা ও প্রার্থনা

পবিত্র রমজান মাস শুরু হলেও ফিলিস্তিনের মধ্য গাজার বুরেইজ শরণার্থী শিবিরে বাসিন্দারা এখনও যুদ্ধ ও গণহত্যার ছায়া থেকে মুক্তি পাচ্ছেন না। শরণার্থী মাইসুন আল-বারবারাউই তার ৯ বছরের ছেলে হাসানের জন্য তাঁবু সাজিয়ে রেখেছেন, রঙিন আলপনা ও রমজানের লণ্ঠনের মাধ্যমে শিশুর জন্য কিছু খুশি মুহূর্ত তৈরি করার চেষ্টা করছেন।   মাইসুন বলেন, “আমি চাইছিলাম, এই সাজসজ্জা গত দুই বছরের যুদ্ধ ও দুঃখের পরিবেশ থেকে মুক্তির এক ছোট উপায় হোক। প্রতিদিনও যাতে ওরা নিরাপদ থাকে।” গত দুই বছরের সংঘাতের সময় ৭০ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।   বর্তমান যুদ্ধবিরতি কিছুটা শান্তি এনেছে, তবে এখনও গোলাবর্ষণ ও নিরাপত্তার শঙ্কা রয়ে গেছে। খাদ্য সংকটও চলমান; অনেক ফিলিস্তিনি মৌলিক চাহিদা মেটাতে মানবিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল। রমজানের প্রথম দিনে হানান আল-আত্তার একটি ত্রাণ সংস্থা থেকে খাবারের পার্সেল পেয়েছেন।   আল আকসা মসজিদে উত্তেজনা প্রতিবারের মতো এবছরও রয়েছে। ইসরায়েলি পুলিশ মসজিদের ইমাম শেখ মোহাম্মদ আল-আব্বাসিকে গ্রেপ্তার করেছে, যার ফলে হামাস প্রতিবাদ জানিয়ে মসজিদে নিষিদ্ধ করার আদেশ অগ্রহণযোগ্য বলে মন্তব্য করেছে। প্রতি রমজানেই মসজিদে বলপ্রয়োগের ঝুঁকি থাকে।   মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি উদ্যোগের অংশ হিসেবে কিছু দেশ ট্রাম্পের শান্তি পর্ষদে যোগ দিয়েছে, তবে ইরান, লেবানন, সিরিয়া, আলজেরিয়া, তিউনিসিয়া, ওমান, ইরাক, লিবিয়া, ইয়েমেন ও সুদান এখনও অংশ নিচ্ছে না।   ইসরায়েলি সেনাবাহিনী বুধবার দক্ষিণ গাজায় তাদের একজন সৈন্য নিহত হয়েছে, যদিও নিজেদের গুলিতেই তার মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া গত আড়াই বছরে ইসরায়েলি কারাগারে কয়েক ডজন ফিলিস্তিনি বন্দি মারা গেছেন, যার অধিকাংশ মৃত্যু হয়েছে নির্যাতন ও চিকিৎসা অবহেলার কারণে।   ফিলিস্তিনিরা এই রমজানে শান্তি, খাদ্য নিরাপত্তা ও নিরাপত্তা প্রত্যাশা করছেন। মাইসুন বলেন, “যুদ্ধ থামেনি, ভয় ও শঙ্কা রয়ে গেছে। তবুও আমরা আশা করি, এই রমজান কিছু শান্তি নিয়ে আসবে।”

শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ইরানকে ঘিরে উত্তেজনা চরমে: বড় যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে ট্রাম্প প্রশাসন

ট্রিসিয়া ম্যাকলাফলিন। ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন সরকারের অভিবাসন নীতির জনসমর্থন ইতিহাসের সর্বনিম্ন

ছবি: সংগৃহীত

মুসলিমদের রমজানের শুভেচ্ছা জানালেন ট্রাম্প

ছবি: সংগৃহীত
মার্কিন হুমকির জবাব দিতে ইরানের পাশে রাশিয়া

জেনেভায় পরমাণু চুক্তি নিয়ে আলোচনার রেশ কাটতে না কাটতেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পশ্চিম এশিয়া। একদিকে ইরান সীমান্তের অত্যন্ত কাছে নতুন করে অন্তত ৫০টি যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে আমেরিকা, অন্যদিকে ওমান উপসাগরে রাশিয়ার সঙ্গে যৌথ নৌ-মহড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে তেহরান।   এমনটাই জানিয়েছে ইরানের সংবাদমাধ্যম। ওমান উপসাগর ও ভারত মহাসাগরের উত্তরে তেহরান ও মস্কোর মধ্যে নৌসেনার যৌথ মহড়া হবে আগামী কাল, বৃহস্পতিবার। আর এর ফলেই ইরান-আমেরিকার মধ্যে স্নায়ুযুদ্ধ আরও একধাপ বেড়ে গিয়েছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা।   এই মহড়া নিয়ে ওয়াশিংটনের তরফে কোনও বক্তব্য পেশ করা হয়নি। মার্কিন সেনার যুদ্ধবিমান পাঠানো নিয়ে কোনও মন্তব্য করেনি তেহরানও। জেনেভায় দুই দেশের মধ্যে দ্বিতীয় পর্যায়ের বৈঠক শেষ হয়েছে। এখন আমেরিকার প্রতিনিধি রাশিয়া ও ইউক্রেনের যুদ্ধের বিষয়ে আলোচনা শুরু করেছে। জেনেভা বৈঠক নিয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির দাবি, তেহরান ও ওয়াশিংটন চুক্তির ‘মূল নীতিগুলির’ বিষয়ে একটি সমঝোতায় পৌঁছতে সক্ষম হয়েছে।   জেনেভা বৈঠক নিয়ে আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভান্স জানিয়েছেন, কূটনৈতিক সমাধানের জন্য আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে সমস্ত শর্ত দিয়েছিলেন তার সবগুলি মেনে নিতে রাজি নয় ইরান। তৃতীয়বার ফের তেহরান ও ওয়াশিংটন বৈঠকে বসবে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। প্রসঙ্গত, পরমাণু চুক্তি নিয়ে ইরানের উপর চাপ বাড়াচ্ছেন ট্রাম্প। ওই চুক্তিকে রাজি না হলে ইরানকে ‘ফল ভোগ করতে হবে,’ এমন হুঁশিয়ারি আগেই দিয়ে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।

ইরান সীমান্তে অর্ধশত যুদ্ধবিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের

রাফাল, ক্ষেপণাস্ত্র ও হেলিকপ্টার নির্মাণে ভারত-ফ্রান্স ঐতিহাসিক চুক্তি

রাফাল, ক্ষেপণাস্ত্র ও হেলিকপ্টার নির্মাণে ভারত-ফ্রান্স ঐতিহাসিক চুক্তি

মোহসেন মাহদাওই

ফিলিস্তিনি ছাত্রনেতাকে তাড়ানোর চেষ্টা ব্যর্থ, ধাক্কা খেল ট্রাম্প প্রশাসন

আবেদনের হিড়িক, টাকা থাকলে নিউজিল্যান্ডের ‘গোল্ডেন ভিসা’ পেতে পারেন আপনিও!
আবেদনের হিড়িক, টাকা থাকলে নিউজিল্যান্ডের ‘গোল্ডেন ভিসা’ পেতে পারেন আপনিও!

নিউজিল্যান্ডের বিনিয়োগবান্ধব ‘গোল্ডেন ভিসা’ বা ‘অ্যাক্টিভ ইনভেস্টর প্লাস’ স্কিমে আবেদনের হিড়িক পড়েছে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার আকর্ষণে ধনী বিদেশিরা দেশটিতে পাড়ি জমাচ্ছেন। বিশেষ করে আমেরিকার সম্পদশালী পরিবারগুলো এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছে এবং গত কয়েক মাসে চীন থেকে আসা আবেদনের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়েছে।   আবেদনের শীর্ষে আমেরিকা ও চীন সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গোল্ডেন ভিসার জন্য আবেদনকারীদের প্রায় ৪০ শতাংশই যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। এর পরেই রয়েছে চীন ও হংকং। গত বছরের আগস্ট থেকে চীন থেকে আবেদনের সংখ্যা ৪৫ থেকে বেড়ে ৯৫-এ দাঁড়িয়েছে। শীর্ষ ১০ দেশের তালিকায় আরও রয়েছে জার্মানি, তাইওয়ান, সিঙ্গাপুর, ভিয়েতনাম, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া এবং ব্রিটেন।   কেন এই আকর্ষন? ২০২৫ সালের এপ্রিলে নিউজিল্যান্ড তাদের বিনিয়োগ ভিসার নিয়মে বড় ধরনের শিথিলতা আনে। নতুন নিয়মে বিনিয়োগের সীমা কমানো হয়েছে, ইংরেজি ভাষার বাধ্যবাধকতা তুলে দেওয়া হয়েছে এবং রেসিডেন্সি পাওয়ার জন্য বছরে বসবাসের সময়সীমা তিন বছর থেকে কমিয়ে মাত্র তিন সপ্তাহ করা হয়েছে। মূলত ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের রাজনৈতিক অস্থিরতা থেকে বাঁচতে অনেক মার্কিন নাগরিক নিউজিল্যান্ডকে নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে বেছে নিচ্ছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।   বিনিয়োগের ধরন ও শর্ত নিউজিল্যান্ডে বর্তমানে দুই ধরনের গোল্ডেন ভিসা প্রচলিত: ১. ‘গ্রোথ’ ক্যাটাগরি: এখানে তিন বছরে ন্যূনতম ৫০ লাখ নিউজিল্যান্ড ডলার (প্রায় ৩০ লাখ মার্কিন ডলার) বিনিয়োগ করতে হয়। বেশিরভাগ আবেদনকারী এই পথটিই বেছে নিচ্ছেন। ২. ‘ব্যালেন্সড’ ক্যাটাগরি: এখানে পাঁচ বছরে ১ কোটি নিউজিল্যান্ড ডলার বিনিয়োগের প্রয়োজন হয়।   উল্লেখ্য যে, আগে এই বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল ১ কোটি ৫০ লাখ নিউজিল্যান্ড ডলার।   অর্থনীতিতে প্রভাব নিউজিল্যান্ডের অভিবাসন মন্ত্রী এরিকা স্ট্যানফোর্ড জানিয়েছেন, এই স্কিমের মাধ্যমে এ পর্যন্ত প্রায় ৩৩৯ কোটি নিউজিল্যান্ড ডলার বিনিয়োগ নিশ্চিত হয়েছে। তিনি বলেন, "দেশের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্থানীয় ব্যবসা প্রসারে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।"   তবে গোল্ডেন ভিসা নিয়ে বিতর্কও কম নেই। অতীতে পেপ্যাল-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা পিটার থিয়েলকে মাত্র ১২ দিন নিউজিল্যান্ডে অবস্থান করা সত্ত্বেও নাগরিকত্ব দেওয়া নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হয়েছিল। এরপর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আরডার্ন নিয়ম কিছুটা কঠোর করেছিলেন। বর্তমানে আবাসন সংকট বিবেচনায় গোল্ডেন ভিসা ধারীরা কেবল ৫০ লাখ ডলারের বেশি মূল্যের বাড়ি কিনতে পারেন।   বৈপরীত্য একদিকে যখন ধনী বিদেশিরা নিউজিল্যান্ডে থিতু হতে চাইছেন, অন্যদিকে জীবনযাত্রার উচ্চ ব্যয় এবং দুর্বল অর্থনীতির কারণে রেকর্ড সংখ্যক নিউজিল্যান্ডের নাগরিক দেশ ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। যদিও ২০২৫ সালের সর্বশেষ তথ্যে দেখা গেছে, দেশত্যাগের এই হার আগের বছরের তুলনায় কিছুটা কমেছে।   বিনিয়োগকারীদের মতে, নিউজিল্যান্ডের ‘ডিপ-টেক’ ইন্ডাস্ট্রি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং বায়োটেকনোলজি খাতে বিনিয়োগের বিপুল সম্ভাবনা থাকায় এটি বিশ্বের ধনকুবেরদের কাছে একটি আকর্ষণীয় গন্তব্য হয়ে উঠেছে।

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

সামরিক মহড়ার কারণে কয়েক ঘণ্টা হরমুজ প্রণালী বন্ধ রেখেছিল ইরান

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। ছবি: সংগৃহীত

প্রাথমিক সমঝোতায় পৌঁছানোর পথে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান

বিশ্ব অর্থনীতিতে বড়সড় ঝাকুনি! হরমুজ প্রণালী বন্ধের ঘোষণা দিল ইরান

0 Comments