আন্তর্জাতিক

প্রেসিডেন্ট হিসাবে অভিষিক্ত হলেন জান্তা প্রধান, মিয়ানমারে আরও পাকাপোক্ত হলো সামরিক শাসন

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ৩, ২০২৬ 0
মিয়ানমারের নতুন প্রেসিডেন্ট সিনিয়র জেনারেল মিন অং হ্লাইং | ছবি: সংগৃহীত
মিয়ানমারের নতুন প্রেসিডেন্ট সিনিয়র জেনারেল মিন অং হ্লাইং | ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এক রাজনৈতিক নাটকীয়তার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে মিয়ানমারের নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হলেন জান্তা প্রধান সিনিয়র জেনারেল মিন অং হ্লাইং। শুক্রবার দেশটির সংসদীয় প্রক্রিয়ায় এই নির্বাচনের মাধ্যমে মূলত ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর ক্ষমতা দখলকারী এই সেনাপ্রধানের কর্তৃত্বই রাষ্ট্রীয়ভাবে আরও সুসংহত হলো।


রাজধানী নেপিডোয় দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট পার্লামেন্টের যৌথ অধিবেশনে ৫৬৬ সদস্যের মধ্যে ৪২৯ ভোট পেয়ে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন ৬৯ বছর বয়সী মিন অং হ্লাইং। উল্লেখ্য, গত সোমবারই তিনি সেনাপ্রধানের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন। মিয়ানমারের ২০০৮ সালের সামরিক-প্রণীত সংবিধান অনুযায়ী, কোনো চাকুরীরত সরকারি কর্মকর্তা বা সেনাপ্রধান প্রেসিডেন্ট হতে পারেন না—আর সেই আইনি বাধা দূর করতেই তার এই পদত্যাগ।


এই নির্বাচনে জান্তা প্রধানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও সাবেক জেনারেল নিও সও দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া কায়িন স্টেট অ্যাসেম্বলির সদস্য নান নি নি আয়ে তৃতীয় সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় ভাইস প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পেয়েছেন।


নির্বাচনটি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক সমালোচনা রয়েছে। জান্তা সরকার আয়োজিত গত ডিসেম্বর ও জানুয়ারির সাধারণ নির্বাচনে সামরিক বাহিনীর মদদপুষ্ট ইউএসডিপি (USDP) দল নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়। পার্লামেন্টের প্রায় ৮৬ শতাংশ আসনই এখন জান্তা সমর্থিত ও অনির্বাচিত সামরিক প্রতিনিধিদের দখলে। ফলে বিরোধী দল এবং পশ্চিমা দেশগুলো এই পুরো প্রক্রিয়াকে একটি 'প্রহসন' হিসেবে অভিহিত করেছে।


অন্যদিকে, ক্ষমতাচ্যুত নেত্রী অং সান সু চি এবং তার সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তারা এখনো বন্দি রয়েছেন। সু চির দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসিকে (NLD) আগেই বিলুপ্ত ঘোষণা করেছে জান্তা। আগামী সপ্তাহেই নতুন প্রেসিডেন্ট তার মন্ত্রিসভা গঠন করবেন বলে আশা করা হচ্ছে এবং ১০ এপ্রিলের মধ্যে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা গ্রহণ করবেন।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

Advertisement

আন্তর্জাতিক

View more
ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি | ছবি: সংগৃহীত
মধ্যপ্রাচ্য সফরে গেলেন ইতালীর প্রধানমন্ত্রী মেলোনি

জ্বালানি নিরাপত্তা এবং কৌশলগত অংশীদারিত্বের নতুন সমীকরণ মেলাতে উপসাগরীয় দেশগুলোতে গুরুত্বপূর্ণ সফর শুরু করেছেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি। শুক্রবার এই সফরের প্রথম পর্যায়ে তিনি সৌদি আরবের জেদ্দায় পৌঁছান। ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ইউরোপের পরিবর্তিত জ্বালানি পরিস্থিতিতে এই সফরকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা। ইতালীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা শুরুর পর ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU), জি-২০ এবং ন্যাটোর কোনো শীর্ষ নেতার এটাই প্রথম মধ্যপ্রাচ্য সফর। এই সফরে মেলোনি সৌদি আরব ছাড়াও কাতার এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের শীর্ষ প্রতিনিধিদের সাথে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে মিলিত হবেন। সফরের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য হলো মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সাথে ইতালির দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করা এবং সম্ভাব্য ইরানি হামলার হুমকির মুখে এই অঞ্চলের মিত্রদের প্রতি ইতালির অকুণ্ঠ সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করা। একইসঙ্গে এই সফরকে একটি শক্তিশালী কৌশলগত অংশীদারিত্ব গড়ার পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। জ্বালানি নিরাপত্তার বিষয়টি এই সফরের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। ইতালীয় সরকারের মতে, উপসাগরীয় অঞ্চল ইতালির জন্য তেল ও গ্যাসের একটি অপরিহার্য উৎস। বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে এবং ইতালির অভ্যন্তরীণ জ্বালানি চাহিদা মেটাতে এই দেশগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মূলত জ্বালানি নির্ভরতা নিশ্চিত করার মাধ্যমেই দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে চান জর্জা মেলোনি।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ৩, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন ব্রিটেনের, কি এই ‘র‍্যাপিড রেঞ্জার’?

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি: সংগৃহীত

মোদির মুখোশ খুলে দেব, এক মঞ্চে বিতর্কের চ্যালেঞ্জ মমতার!

ভয়াবহ জ্বালানি সংকটে পড়েছে পাকিস্তান | ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানে তেলের দামে ঐতিহাসিক লম্ফন; ডিজেল ৫৫ ও পেট্রোল ৪২ শতাংশ বৃদ্ধি!

ছবি: সংগৃহীত
অবশেষে চীনের মধ্যস্থতায় আলোচনায় পাকিস্তান ও আফগানিস্তান

সীমান্তে কয়েক সপ্তাহের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর উত্তেজনা কমাতে চীনের উরুমকিতে আলোচনায় বসেছে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল। বেইজিংয়ের বিশেষ কূটনৈতিক উদ্যোগে এই শান্তি আলোচনা শুরু হয়েছে বলে উভয় দেশ নিশ্চিত করেছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র তাহির আনদাব্রাবি জানান, সীমান্তে চলমান অস্থিরতা নিরসন ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল ইসলামাবাদ থেকে পাঠানো হয়েছে।   গত ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া ভয়াবহ সীমান্ত সংঘর্ষে দুই দেশের বিপুল সংখ্যক বেসামরিক নাগরিক ও সেনাসদস্য প্রাণ হারিয়েছেন। পাকিস্তানে সক্রিয় জঙ্গি সংগঠন ‘টিটিপি’কে (তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান) আফগানিস্তান আশ্রয় দিচ্ছে—ইসলামাবাদের এমন অভিযোগের পর থেকেই দুই দেশের মধ্যে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। তবে আফগান সরকার বরাবরই তাদের মাটি ব্যবহার করে পাকিস্তানে হামলা চালানোর অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। এই আস্থার সংকট কাটাতে এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে চীন গঠনমূলক ভূমিকা পালন করছে।   এর আগে তুরস্ক, সৌদি আরব ও কাতারের অনুরোধে গত ১৮ মার্চ ঈদুল ফিতর উপলক্ষে এক সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছিল দুই দেশ। কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে চীনের এই মধ্যস্থতা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এখন দেখার বিষয়, উরুমকির এই আলোচনা দীর্ঘদিনের সীমান্ত বিরোধ ও আস্থার সংকট নিরসনে কতটা কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ৩, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

আবারও মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি ইরানের!

ছবি: সংগৃহীত

তিন দিক থেকে ক্ষেপণাস্ত্রের বৃষ্টি; লণ্ডভণ্ড ইসরায়েল, কাঁপছে তেল আবিব!

মিয়ানমারের নতুন প্রেসিডেন্ট সিনিয়র জেনারেল মিন অং হ্লাইং | ছবি: সংগৃহীত

প্রেসিডেন্ট হিসাবে অভিষিক্ত হলেন জান্তা প্রধান, মিয়ানমারে আরও পাকাপোক্ত হলো সামরিক শাসন

মালাদা জেলায় রাস্তায় গাছের গুঁড়ি ফেলে, টায়ার জ্বালিয়ে চলছে বিক্ষোভ।
ভোটার তালিকা নিয়ে রণক্ষেত্র পশ্চিমবঙ্গ, সুপ্রিম কোর্টের কড়া পদক্ষেপ

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়াকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। মালদা জেলায় ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজে যুক্ত বিচারবিভাগীয় কর্মকর্তাদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা ঘেরাও এবং জাতীয় সড়ক অবরোধের ঘটনায় নজিরবিহীন পদক্ষেপ নিয়েছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট।  এই ঘটনায় রাজ্যের মুখ্যসচিব, পুলিশ মহাপরিচালক (ডিজি), মালদার পুলিশ সুপার এবং জেলাশাসককে শোকজ করেছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত। বুধবার সকাল থেকেই মালদার মোথাবাড়ি, সুজাপুর এবং কালিয়াচকের মতো এলাকাগুলোতে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, বৈধ নথিপত্র থাকা সত্ত্বেও বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) পর বিপুল সংখ্যক ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।  বিশেষ করে কালিয়াচক-২ ব্লকের বিডিও অফিসে ভোটার তালিকা যাচাইয়ের কাজ চলাকালীন সাতজন বিচারবিভাগীয় কর্মকর্তাকে রাতভর ঘেরাও করে রাখা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মাঝরাতে বিশাল পুলিশ বাহিনী গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে। বৃহস্পতিবার এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্ট গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। আদালত নির্দেশ দিয়েছে যে, এই ঘটনার তদন্তভার সিবিআই (CBI) বা এনআইএ (NIA)-র মতো কেন্দ্রীয় সংস্থাকে দিতে হবে। পাশাপাশি, বিচারকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন এবং শুনানি চলাকালীন ভিড় নিয়ন্ত্রণেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, রাজ্যে প্রায় ৬৩ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে এবং ৬০ লক্ষ ভোটার 'বিবেচনাধীন' তালিকায় রয়েছেন। 'সবর ইনস্টিটিউট' নামক একটি সংস্থার দাবি, মালদা ও মুর্শিদাবাদের মতো জেলাগুলোতে সংখ্যালঘু ভোটারদের নাম বাদ পড়ার হার তুলনামূলক অনেক বেশি। গবেষক সাবির আহমেদের মতে, ২০০২ সালের তালিকার সাথে বর্তমান ম্যাপিং প্রক্রিয়ায় অসংগতির কারণেই মানুষের মধ্যে এই ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই ঘটনাকে "রাষ্ট্রপতি শাসন জারির গেমপ্ল্যান" হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি সাধারণ মানুষকে শান্তিপূর্ণ থাকার এবং প্ররোচনায় পা না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। অন্যদিকে, বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে একে তৃণমূলের উসকানি বলে দাবি করেছেন। পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, সরকারি কাজে বাধা ও সম্পত্তি নষ্টের অভিযোগে ইতিমধ্যে ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বর্তমানে এলাকায় কেন্দ্রীয় ও রাজ্য পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ২, ২০২৬ 0
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর প্রধান কার্যালয় কমপ্লেক্স।

জ্বালানি সাশ্রয়ে মালয়েশিয়ায় কঠোর পদক্ষেপ: এসি ২৪ ডিগ্রির নিচে নয়, চালু হচ্ছে ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’

মিয়ানমারের সামরিক প্রধান মিন অং হ্লাইং।

মিয়ানমারের নতুন ‘প্রেসিডেন্ট’ মিন অং হ্লাইং: একতরফা নির্বাচনে ক্ষমতার চূড়ান্ত দখল

ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) নৌবাহিনীর কমান্ডার আলিরেজা টাংসিরি।

ইরানের ‘হরমুজ সম্রাট’ কমান্ডার তাংসিরি নিহত: যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে মধ্যপ্রাচ্য!

0 Comments