আন্তর্জাতিক

ঈদ উপলক্ষে পাকিস্তান-আফগান সামরিক অভিযান সাময়িক স্থগিত

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ১৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র রমজান শেষ হওয়ার আগে উত্তেজিত সীমান্ত অঞ্চলে পাকিস্তান সামরিক অভিযান সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে। বুধবার ঘোষণা করা হয়েছে, আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে হামলা আগামী পাঁচ দিনের জন্য স্থগিত থাকবে।

 

পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানান, এই বিরতির সিদ্ধান্ত সৌদি আরব, কাতার ও তুরস্কের অনুরোধে নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, “যদি পাকিস্তানের ভেতরে সীমান্ত পেরিয়ে কোনো সন্ত্রাসী ঘটনা ঘটে, তবে সামরিক অভিযান অবিলম্বে পুনরায় শুরু করা হবে।”

 

আফগান তালেবান সরকারও সামরিক অভিযান স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে। কাবুলের তালেবান মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মঙ্গলবার কাবুলের ওমিদ মাদকাসক্তি চিকিৎসা কেন্দ্রে বিমান হামলায় শতাধিক মানুষ নিহত হওয়ার পর বুধবার গণজানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। তালেবান দাবি করেছে, ওই হামলায় ৪০০ জনের বেশি নিহত এবং ২৬৫ জন আহত হয়েছে।

 

পাকিস্তান দাবি করেছে, তারা লক্ষ্যবস্তু হিসেবে মাদক পুনর্বাসন কেন্দ্রকে ব্যবহার করেনি। বরং ‘নির্ভুলভাবে সামরিক স্থাপনা এবং সন্ত্রাসী অবকাঠামো’ লক্ষ্য করা হয়েছে। ইসলামাবাদ অভিযোগ তুলেছে, কিছু চরমপন্থী গোষ্ঠী আফগানিস্তান থেকে পাকিস্তান হামলা চালায় এবং কাবুলের তালেবান সরকার তাদের আশ্রয় দেয়।

 

এর আগে সীমান্তে সংঘর্ষের কারণে দু’দেশের মধ্যে উত্তেজনা বাড়লেও চীনসহ বিভিন্ন দেশের মধ্যস্থতায় পরিস্থিতি কিছুটা প্রশমিত হয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তান সরাসরি আফগান তালেবানকে লক্ষ্যবস্তু করা শুরু করলে উত্তেজনা পুনরায় বৃদ্ধি পায়।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

আন্তর্জাতিক

View more
ছবি: সংগৃহীত
ঈদ উপলক্ষে পাকিস্তান-আফগান সামরিক অভিযান সাময়িক স্থগিত

পবিত্র রমজান শেষ হওয়ার আগে উত্তেজিত সীমান্ত অঞ্চলে পাকিস্তান সামরিক অভিযান সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে। বুধবার ঘোষণা করা হয়েছে, আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে হামলা আগামী পাঁচ দিনের জন্য স্থগিত থাকবে।   পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানান, এই বিরতির সিদ্ধান্ত সৌদি আরব, কাতার ও তুরস্কের অনুরোধে নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, “যদি পাকিস্তানের ভেতরে সীমান্ত পেরিয়ে কোনো সন্ত্রাসী ঘটনা ঘটে, তবে সামরিক অভিযান অবিলম্বে পুনরায় শুরু করা হবে।”   আফগান তালেবান সরকারও সামরিক অভিযান স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে। কাবুলের তালেবান মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মঙ্গলবার কাবুলের ওমিদ মাদকাসক্তি চিকিৎসা কেন্দ্রে বিমান হামলায় শতাধিক মানুষ নিহত হওয়ার পর বুধবার গণজানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। তালেবান দাবি করেছে, ওই হামলায় ৪০০ জনের বেশি নিহত এবং ২৬৫ জন আহত হয়েছে।   পাকিস্তান দাবি করেছে, তারা লক্ষ্যবস্তু হিসেবে মাদক পুনর্বাসন কেন্দ্রকে ব্যবহার করেনি। বরং ‘নির্ভুলভাবে সামরিক স্থাপনা এবং সন্ত্রাসী অবকাঠামো’ লক্ষ্য করা হয়েছে। ইসলামাবাদ অভিযোগ তুলেছে, কিছু চরমপন্থী গোষ্ঠী আফগানিস্তান থেকে পাকিস্তান হামলা চালায় এবং কাবুলের তালেবান সরকার তাদের আশ্রয় দেয়।   এর আগে সীমান্তে সংঘর্ষের কারণে দু’দেশের মধ্যে উত্তেজনা বাড়লেও চীনসহ বিভিন্ন দেশের মধ্যস্থতায় পরিস্থিতি কিছুটা প্রশমিত হয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তান সরাসরি আফগান তালেবানকে লক্ষ্যবস্তু করা শুরু করলে উত্তেজনা পুনরায় বৃদ্ধি পায়।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ১৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

৬৫ বছর পর কঙ্গোর প্রথম প্রধানমন্ত্রী লুমুম্বা হত্যার বিচারের পথে বেলজিয়াম

ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় এবার আমিরাত ও কাতারে ঈদের নামাজ মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে

ছবি: সংগৃহীত

ইরানের হামলায় কাতারে আগুন, নিরাপত্তার জন্য সাধারণ মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে

ছবি: সংগৃহীত
লারিজানি হত্যার জবাবে ‘চরম মূল্য’ দেওয়ার হুঁশিয়ারি মোজতবা খামেনির

ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলী লারিজানিকে হত্যার ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন দেশটির নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। তিনি বলেছেন, এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের ‘চরম মূল্য’ দিতে হবে।   বুধবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে মোজতবা খামেনি লারিজানিকে ইরানের রাজনৈতিক কাঠামোর একজন গুরুত্বপূর্ণ ও অঙ্গীকারবদ্ধ ব্যক্তি হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এ ধরনের ব্যক্তিত্বকে হত্যার মধ্য দিয়ে শত্রুপক্ষ তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে এবং এই রক্তের হিসাব অচিরেই নেওয়া হবে।   ইরানের আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিমের খবরে বলা হয়, সোমবার রাতে তেহরানে ইসরায়েলের বিমান হামলায় জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের প্রধান আলী লারিজানি তাঁর পুত্রসহ নিহত হন। একই রাতে পৃথক হামলায় দেশটির আধা-সামরিক বাহিনী বাসিজের প্রধান গোলামরেজা সোলেইমানিও প্রাণ হারান।   এর পরদিন দিবাগত রাতে আরেক দফা হামলায় ইরানের গোয়েন্দামন্ত্রী ইসমাইল খতিব নিহত হন। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে এটিকে ‘কাপুরুষোচিত হত্যাকাণ্ড’ বলে উল্লেখ করেছেন।   চলমান সংঘাতের শুরুতে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ একাধিক শীর্ষ রাজনৈতিক ও সামরিক নেতা নিহত হন। এরপর মোজতবা খামেনিকে নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।   এদিকে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ জানিয়েছেন, তাদের সামরিক বাহিনীকে এখন থেকে যেকোনো জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তাকে লক্ষ্যবস্তু করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এতে সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।   বিশ্লেষকেরা বলছেন, শীর্ষ নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে হামলা ও পাল্টা হুমকির ফলে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও অস্থিতিশীল হয়ে উঠতে পারে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ১৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বে টার্গেটেড হামলা, যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের কৌশলে নতুন মাত্রা

ছবি: সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন উদ্যোগে সাড়া দেওয়ার ইঙ্গিত আমিরাতের

ছবি: সংগৃহীত

ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি পুরোপুরি 'বিধ্বস্ত’, দাবি মার্কিন গোয়েন্দা প্রধানের

ছবি: সংগৃহীত
চলমান সংঘাতে ইরান যেসব শীর্ষ নেতাকে হারালো

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ধারাবাহিক সামরিক অভিযানে ইরানের শীর্ষ রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্বে বড় ধরনের শূন্যতা তৈরি হয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া হামলাগুলোতে দেশটির ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি নিহত হয়েছেন, যা ইরানের রাষ্ট্রীয় কাঠামোর জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।   এই হামলায় নিহতদের মধ্যে রয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা Ali Khamenei। ১৯৮৯ সাল থেকে দায়িত্ব পালন করা এই প্রভাবশালী নেতা তেহরানে নিজ বাসভবনে বিমান হামলায় নিহত হন। তার মৃত্যু ইরানের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় নেতৃত্বে গভীর সংকট তৈরি করেছে বলে বিশ্লেষকদের মত।   একই দিনে পৃথক হামলায় নিহত হন ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর প্রধান মোহাম্মদ পাকপুর এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী আজিজ নাসিরজাদেহ। এছাড়া সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান আবদোলরহিম মুসাভিও তেহরানে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক চলাকালে হামলায় প্রাণ হারান। খামেনির ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টা আলি শামখানিও ওই হামলায় নিহত হন, যিনি দেশটির পারমাণবিক ও নিরাপত্তা নীতির গুরুত্বপূর্ণ কারিগর ছিলেন।   মার্চ মাসেও হামলার ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকে। ১৭ মার্চ পারদিস এলাকায় বিমান হামলায় নিহত হন শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলী লারিজানি। একই ঘটনায় তার ছেলে ও এক সহযোগীও প্রাণ হারান। একই দিনে বাসিজ বাহিনীর প্রধান গোলামরেজা সোলেইমানিও নিহত হন।   সবশেষ বুধবার (১৮ মার্চ) হামলায় নিহত হন গোয়েন্দামন্ত্রী ইসমাইল খাতিব, যিনি দেশের গোয়েন্দা কার্যক্রমের অন্যতম প্রধান নিয়ন্ত্রক ছিলেন এবং শীর্ষ নেতৃত্বের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন।   বিশ্লেষকদের মতে, এত স্বল্প সময়ে ইরানের শীর্ষ পর্যায়ের এতজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির মৃত্যু দেশটির ইতিহাসে নজিরবিহীন। এতে শুধু অভ্যন্তরীণ প্রশাসন নয়, মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতি, জ্বালানি বাজার এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিতেও দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়তে পারে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ১৮, ২০২৬ 0
উত্তর কোরিয়ার শাসক কিম জং উন । ছবি: সংগৃহীত

৯৯.৯৩ শতাংশ ভোট জিতেও বাকি ‘০.০৭ শতাংশ’ ভোটার নিয়ে উদ্বিগ্ন কিম

ছবি: সংগৃহীত

ইরাকে নিহত মার্কিন সেনাদের শ্রদ্ধা জানাতে ডোভারে ট্রাম্প

রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা। ছবি: সংগৃহীত

বুশেহর পারমাণবিক কেন্দ্রে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: তীব্র নিন্দা রাশিয়ার

0 Comments