আন্তর্জাতিক

সৌদি-কুয়েতসহ আরব দেশগুলোতে ইরানের ড্রোন হামলা, বাড়ছে মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনা

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় প্রতিবেশী দেশগুলোর দিকে ধারাবাহিক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান। বুধবার সকালে সৌদি আরব ও কুয়েত জানিয়েছে, তাদের লক্ষ্য করে ইরান থেকে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।

 

এছাড়া কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান এবং বাহরাইনও একই ধরনের হামলার শিকার হয়েছে। পাশাপাশি অঞ্চলে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি, বেসামরিক স্থাপনা ও জ্বালানি অবকাঠামোকেও লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে।

 

প্রেক্ষাপটে জানা যায়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথভাবে ইরানের ওপর হামলা শুরু করলে, এর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইরান প্রতিবেশী দেশগুলোর দিকে আঘাত হানে। পরে সেই হামলার জন্য কিছু দেশের কাছে দুঃখপ্রকাশও করেছিল তেহরান।

 

তবে সাম্প্রতিক হামলা কেন অব্যাহত রয়েছে—এ বিষয়ে বিবিসির সংবাদদাতা বারবারা প্লেট-আশার বিশ্লেষণ দিয়েছেন। তার মতে, ইরান অঞ্চলের নিরাপদ, স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে ওঠা ভাবমূর্তিকে দুর্বল করতে চাইছে।

 

তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের তেল ও গ্যাস খাত বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই খাতে বিঘ্ন ঘটাতে পারলে বিশ্ববাজারে বড় প্রভাব পড়বে, যা ইরানের কৌশলগত চাপ তৈরির অংশ হতে পারে।

 

একই সঙ্গে, এই হামলার মাধ্যমে আরব প্রতিবেশীদের ওপর চাপ বাড়িয়ে যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আরও চাপ প্রয়োগের লক্ষ্যও থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, পরিস্থিতি এখন শুধু আঞ্চলিক নয়, বৈশ্বিক অর্থনীতি ও নিরাপত্তার জন্যও বড় ঝুঁকি তৈরি করছে

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

বিয়ের মাধ্যমে আমেরিকার নাগরিকত্ব কি বন্ধ? ইউএস ইমিগ্রেশন ওয়েবসাইটে কী বলা আছে

সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্রে বিয়ের মাধ্যমে নাগরিকত্ব বা গ্রীন কার্ড পাওয়ার নিয়ম বন্ধ হয়ে গেছে। তবে মার্কিন ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ ইউএস সিটিজেনশিপ এন্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিস  এর অফিসিয়াল তথ্য অনুযায়ী এই দাবি সঠিক নয়। সংস্থাটি জানিয়েছে, বিয়ের মাধ্যমে এখনও গ্রীন কার্ড এবং পরে নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগ রয়েছে, তবে আবেদনকারীদের নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলতে হবে এবং বর্তমানে যাচাই-বাছাই আগের তুলনায় বেশি কঠোর করা হয়েছে। ইউএসসিআইএসের নিয়ম অনুযায়ী, একজন মার্কিন নাগরিক বা গ্রীন কার্ডধারী তার স্বামী বা স্ত্রীর জন্য পারিবারিক ভিত্তিতে অভিবাসনের আবেদন করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে প্রথমে বৈধ বিয়ের প্রমাণসহ আবেদন জমা দিতে হয়। আবেদন অনুমোদিত হলে বিদেশি স্বামী বা স্ত্রী গ্রীন কার্ড পেতে পারেন এবং স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে থাকার অনুমতি পাবেন। সাধারণত মার্কিন নাগরিককে বিয়ে করলে প্রক্রিয়া তুলনামূলক দ্রুত হয়, আর গ্রীন কার্ডধারীকে বিয়ে করলে অপেক্ষার সময় কিছুটা বেশি হতে পারে। গ্রীন কার্ড পাওয়ার পর নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করার নিয়মও আগের মতোই রয়েছে। ইমিগ্রেশন নীতিমালা অনুযায়ী, যদি কেউ মার্কিন নাগরিককে বিয়ে করে গ্রীন কার্ড পান এবং কমপক্ষে তিন বছর একসাথে বসবাস করেন, তাহলে তিনি নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারেন। আর যদি গ্রীন কার্ডধারীকে বিয়ে করেন, তাহলে সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে পাঁচ বছর পূর্ণ হলে নাগরিকত্বের আবেদন করা যায়। ইমিগ্রেশন বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রে বেশি সাক্ষাৎকার নেওয়া হচ্ছে, অতিরিক্ত কাগজপত্র চাওয়া হচ্ছে এবং যৌথ ব্যাংক হিসাব, বাসার ঠিকানা, ট্যাক্স নথি ও পারিবারিক প্রমাণ জমা দিতে হচ্ছে। ভুয়া বিয়ের মাধ্যমে সুবিধা নেওয়া ঠেকাতে এই যাচাই-বাছাই বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া আবেদন প্রক্রিয়ায় সময় বেশি লাগার কারণেও অনেকের মধ্যে ভুল ধারণা তৈরি হয়েছে যে বিয়ের মাধ্যমে নাগরিকত্ব বন্ধ হয়ে গেছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বিয়ের মাধ্যমে আমেরিকার নাগরিকত্ব বা গ্রীন কার্ড বন্ধ হয়নি। তবে বর্তমানে আবেদন প্রক্রিয়া কঠোর হয়েছে এবং প্রতিটি ক্ষেত্রে বৈধ বিবাহ, একসাথে বসবাস এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রমাণ করা বাধ্যতামূলক।

Advertisement

আন্তর্জাতিক

View more
এই ছবিতে ইরানের একটি খোররামশাহর-৪ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ দেখা যাচ্ছে।
সৌদি আরবের জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে ইরানের ব্যাপক হামলা

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক আগ্রাসনের জবাবে সৌদি আরবের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অঞ্চলগুলোতে বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে ইরান। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) মধ্যরাত থেকে সৌদির পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশে প্রায় ৩০টি ড্রোন এবং একটি শক্তিশালী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সাহায্যে এই আক্রমণ চালানো হয়। রিয়াদের জন্য এই অঞ্চলটি কৌশলগতভাবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ দেশটির মোট তেল ও জ্বালানি মজুদের ৭০ শতাংশই এখানে অবস্থিত।   আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে উপসাগরীয় দেশগুলোর প্রধান জ্বালানি অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করছে। এর ফলে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ বন্ধ করে যুদ্ধের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখতে চাইছে তেহরান। গত কয়েকদিন ধরে কেবল পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশই নয়, বরং লোহিত সাগর উপকূলের গুরুত্বপূর্ণ বন্দর নগরী ইয়ানবুতেও ধারাবাহিক হামলা চালাচ্ছে ইরানি বাহিনী।   বিশ্লেষকরা বলছেন, এই পরিকল্পিত আক্রমণ কেবল সৌদি আরব বা আঞ্চলিক নিরাপত্তাকেই হুমকির মুখে ফেলছে না, বরং বিশ্ব অর্থনীতির ওপরও বিশাল চাপ সৃষ্টি করছে। এই পরিস্থিতির কারণে রিয়াদসহ আঞ্চলিক রাজধানীগুলোর সঙ্গে তেহরানের কূটনৈতিক সম্পর্কের আরও চরম অবনতি ঘটছে। ইরানের এই কঠোর রণকৌশল মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও অর্থনৈতিক আধিপত্যকে নজিরবিহীন চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।   সূত্র: আল জাজিরা

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ইসরায়েলের সাথে আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান হিজবুল্লাহর, ‘সীমাহীন’ লড়াইয়ের ঘোষণা

তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ট্যাঙ্কার।

নিষেধাজ্ঞা শিথিলের সুফল: ৬ বছর পর প্রথম ইরানি এলপিজি কার্গো কিনল ভারত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।

ট্রাম্পের ‘শান্তি মিশন’ নিয়ে আতঙ্কে ইসরায়েল: ১৫ দফার প্রস্তাবে কি স্বার্থ বিসর্জন দিচ্ছে ওয়াশিংটন?

ছবি: সংগৃহীত
সৌদি-কুয়েতসহ আরব দেশগুলোতে ইরানের ড্রোন হামলা, বাড়ছে মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনা

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় প্রতিবেশী দেশগুলোর দিকে ধারাবাহিক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান। বুধবার সকালে সৌদি আরব ও কুয়েত জানিয়েছে, তাদের লক্ষ্য করে ইরান থেকে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।   এছাড়া কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান এবং বাহরাইনও একই ধরনের হামলার শিকার হয়েছে। পাশাপাশি অঞ্চলে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি, বেসামরিক স্থাপনা ও জ্বালানি অবকাঠামোকেও লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে।   প্রেক্ষাপটে জানা যায়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথভাবে ইরানের ওপর হামলা শুরু করলে, এর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইরান প্রতিবেশী দেশগুলোর দিকে আঘাত হানে। পরে সেই হামলার জন্য কিছু দেশের কাছে দুঃখপ্রকাশও করেছিল তেহরান।   তবে সাম্প্রতিক হামলা কেন অব্যাহত রয়েছে—এ বিষয়ে বিবিসির সংবাদদাতা বারবারা প্লেট-আশার বিশ্লেষণ দিয়েছেন। তার মতে, ইরান অঞ্চলের নিরাপদ, স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে ওঠা ভাবমূর্তিকে দুর্বল করতে চাইছে।   তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের তেল ও গ্যাস খাত বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই খাতে বিঘ্ন ঘটাতে পারলে বিশ্ববাজারে বড় প্রভাব পড়বে, যা ইরানের কৌশলগত চাপ তৈরির অংশ হতে পারে।   একই সঙ্গে, এই হামলার মাধ্যমে আরব প্রতিবেশীদের ওপর চাপ বাড়িয়ে যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আরও চাপ প্রয়োগের লক্ষ্যও থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, পরিস্থিতি এখন শুধু আঞ্চলিক নয়, বৈশ্বিক অর্থনীতি ও নিরাপত্তার জন্যও বড় ঝুঁকি তৈরি করছে

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৫, ২০২৬ 0
ইরাকি সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র সাবাহ আল-নুমান। ছবি: সংগৃহীত

সেনাসদস্য নিহতের ঘটনায় মার্কিন দূতকে তলব করল ইরাক

ছবি: সংগৃহীত।

গাজায় 'যুদ্ধবিরতি' চলাকালীনও থামেনি রক্তপাত: নিহত প্রায় ৭০০ ফিলিস্তিনি

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান।

ইরানে সরাসরি মার্কিন সেনা পাঠাতে ট্রাম্পের ওপর সৌদি যুবরাজের প্রবল চাপ

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
নির্বাচনের আগেই বড় পদক্ষেপ: একযোগে ২৩টি পদ ছাড়লেন মমতা

আসন্ন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার আইনি বাধ্যবাধকতা ও নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে এক নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার নবান্ন সূত্রে জানা গেছে, তিনি ১১টি সরকারি দপ্তরের অধীনে থাকা মোট ২৩টি বিভিন্ন সংস্থা, বোর্ড ও প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রীর এই পদত্যাগপত্র পাওয়ার পর স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক দপ্তরের সিনিয়র স্পেশাল সেক্রেটারি একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সরকারের প্রতিটি দপ্তরকে বিষয়টি অবহিত করেছেন। নবান্ন সূত্রে জানানো হয়েছে, এটি সম্পূর্ণ একটি প্রশাসনিক প্রক্রিয়া। নির্বাচনের আগে 'অফিস অফ প্রফিট' বা লাভজনক পদের জটিলতা এড়াতে প্রতিবারই এই নিয়ম পালন করতে হয়। মুখ্যমন্ত্রী তাঁর পদত্যাগপত্রের সঙ্গে একটি সুনির্দিষ্ট তালিকা সংযুক্ত করেছেন। সেখানে তিনি স্পষ্ট উল্লেখ করেছেন যে, তালিকার বাইরেও যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে তাঁর পদ থেকে থাকে, তবে সেখান থেকেও যেন তাঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়। যেসব গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর থেকে তিনি সরে দাঁড়িয়েছেন, তার মধ্যে রয়েছে: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ, তথ্য ও সংস্কৃতি, সংখ্যালঘু উন্নয়ন ও মাদ্রাসা শিক্ষা, শিল্প ও বাণিজ্য, বিপর্যয় মোকাবিলা ও সিভিল ডিফেন্স এবং অরণ্য দপ্তর। উল্লেখিত এই দপ্তরগুলোর বিভিন্ন সংস্থায় তিনি চেয়ারপার্সন, মিশন হেড বা প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন। স্বরাষ্ট্র দপ্তর থেকে প্রতিটি দপ্তরের সচিবদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, আগামী ২৫শে মার্চ বিকেল ৪টের মধ্যে এই পদত্যাগপত্র গ্রহণ সংক্রান্ত 'কমপ্লায়েন্স রিপোর্ট' জমা দিতে হবে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৪, ২০২৬ 0
ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জঁ-নোয়েল বারোট।

লেবাননে স্থল অভিযান থেকে বিরত থাকতে ইসরায়েলকে হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ও চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনালাপ, যে বার্তা দিল চীন

জাতিসংঘের বিশেষ দূত ফ্রান্সেস্কা আলবানিজ।

ফিলিস্তিনিদের রক্ষায় ইসরায়েলের সঙ্গে সব সম্পর্ক ছিন্ন করার আহ্বান জাতিসংঘ দূতের

0 Comments