জাতীয়

বাজার স্থিতিশীল রাখতে যথেষ্ট পণ্য মজুদ আছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারদর নিয়ন্ত্রণে সরকারের প্রস্তুতি নিয়ে আশ্বস্ত করেছেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। শুক্রবার সকালে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, দেশে বর্তমানে যে পরিমাণ খাদ্যশস্য ও নিত্যপণ্য মজুদ রয়েছে, তাতে বাজার পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই।

 

মন্ত্রী বলেন, সাধারণ মানুষের স্বস্তি নিশ্চিত করতে বাজারমূল্য স্থিতিশীল রাখা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। বিশেষ করে পবিত্র রমজান মাস সামনে রেখে সরকার সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। দায়িত্ব গ্রহণের পর সময় স্বল্পতার কারণে বড় পরিসরের বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ সীমিত হলেও বর্তমান মজুদ পরিস্থিতি বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম বলে তিনি দৃঢ়ভাবে উল্লেখ করেন।

 

সিলেটের আঞ্চলিক উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা প্রসঙ্গে তিনি জানান, নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া প্রতিটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা হবে। কর্মসংস্থান সৃষ্টি, আইটি খাতের প্রসার এবং সিলেটে একটি এআই সেন্টার প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হবে। ২০২৬ সালের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে প্রযুক্তিগত সক্ষমতা অর্জনের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

 

সিলেট আইটি পার্কে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমানো, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হচ্ছে। দেশি ও প্রবাসী বিনিয়োগ বাড়াতে সরকার বিশেষ নীতিগত সহায়তা দিচ্ছে, যার সুফল দ্রুতই দৃশ্যমান হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

 

দুই দিনের সরকারি সফরে সিলেটে পৌঁছালে বিমানবন্দরে মন্ত্রীকে স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং দলীয় নেতৃবৃন্দ অভ্যর্থনা জানান। এ সময় সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম এ মালিকসহ বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো প্রকাশ: বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বণ্টনের খসড়া তালিকা

ঢাকা: দেশের সম্ভাব্য নতুন সরকার গঠনকে সামনে রেখে প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো সংবলিত একটি আনুষ্ঠানিক কমিউনিক্যে প্রকাশিত হয়েছে। এতে রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের দায়িত্ব বণ্টনের একটি খসড়া তালিকা তুলে ধরা হয়েছে।   কমিউনিক্যে বলা হয়েছে, এটি সরকারি নথি ও আনুষ্ঠানিক রেফারেন্সের উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা একটি প্রস্তাবিত কাঠামো, যেখানে প্রতিষ্ঠিত সরকারি প্রোটোকল অনুযায়ী সম্ভাব্য নিয়োগ ও দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়গুলো উল্লেখ রয়েছে।   প্রস্তাবিত দায়িত্ব বণ্টন অনুযায়ী—     •    রাষ্ট্রপতি: ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন     •    জাতীয় সংসদের স্পিকার: অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন / নিতাই রায় চৌধুরী     •    প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী: তারেক রহমান      •    স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর     •    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: সালাহউদ্দিন আহমেদ প্রতিমন্ত্রী: শহীদ উদ্দিন চৌধুরী (অ্যানি)     •    পররাষ্ট্রমন্ত্রী: আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী: ড. হুমায়ুন কবির     •    অর্থমন্ত্রী: ড. এ. বি. মির্জা আজিজুল ইসলাম / ড. রেজা কিবরিয়া (তালিকায় উল্লেখিত অনুযায়ী)     •    শিক্ষামন্ত্রী: আনাম এহসানুল হক মিলন, প্রতিমন্ত্রী: সাঈদ আল নোমান     •    আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী: মো. আসাদুজ্জামান     •    তথ্যমন্ত্রী: আন্দালিব রহমান পার্থ, প্রতিমন্ত্রী: ড. মাহদি আমিন     •    পরিকল্পনামন্ত্রী: ড. আব্দুল মঈন খান     •    বাণিজ্যমন্ত্রী: আব্দুল মুক্তাদির     •    শিল্পমন্ত্রী: আব্দুল আউয়াল মিন্টু     •    নৌপরিবহন মন্ত্রী: মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ     •    শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী: নজরুল ইসলাম খান     •    পানি সম্পদ মন্ত্রী: আসাদুল হাবিব দুলু     •    মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী: ফজলুর রহমান     •    সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী: আমানউল্লাহ আমান     •    সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী: জোনায়েদ সাকি     •    স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী: ড. এ. জেড. এম. জাহিদ হোসেন     •    যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী: আলী আজগর লবি     •    ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী: শামীম কায়সার লিংকন     •    বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী: আলতাফ হোসেন চৌধুরী     •    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু     •    কৃষিমন্ত্রী: শামসুজ্জামান দুদু     •    গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী: মির্জা আব্বাস     •    ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী: নুরুল হক নুর     •    রেলপথমন্ত্রী: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়     •    জনপ্রশাসন মন্ত্রী: ড. ইসমাইল জাবিউল্লাহ     •    সমাজকল্যাণ মন্ত্রী: রুহুল কবির রিজভী     •    পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী: দীপেন দেওয়ান   কমিউনিক্যে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এটি একটি প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো—চূড়ান্ত ঘোষণা, নিয়োগ এবং শপথ গ্রহণ সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়া অনুযায়ী সম্পন্ন হবে।

Advertisement

জাতীয়

View more
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ফোনে শুভেচ্ছা আনোয়ার ইব্রাহিমের

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে টেলিফোন করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী দাতুক সেরি আনোয়ার ইব্রাহিম। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বেলা ৩টায় বাংলাদেশ সরকারের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীকে ফোন করে অভিনন্দন জানান তিনি।   টেলিফোনে আলাপকালে দুই দেশের মধ্যে বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক বিষয়ে একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী। তিনি বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।   এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শুভেচ্ছার জন্য দাতুক সেরি আনোয়ার ইব্রাহিমকে ধন্যবাদ জানান এবং দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির লক্ষ্যে যৌথভাবে এগিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেন।   বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

শহিদ দিবসে নিরাপত্তা হুমকি নেই: র‍্যাব ডিজি

ছবি: সংগৃহীত

রমজানে সিএনজি বন্ধের সময় পুনর্নির্ধারণ

শহীদ মিনারে যাতায়াতে ডিএমপির বিশেষ নির্দেশনা

রমজানের শুরুতেই আগুন কাঁচাবাজারে! কারসাজি নাকি সরবরাহ সংকট?
রমজানের শুরুতেই আগুন কাঁচাবাজারে! কারসাজি নাকি সরবরাহ সংকট?

সিয়াম সাধনার মাস রমজান শুরু হতে না হতেই রাজধানীর কাঁচাবাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ে চিরাচরিত অস্থিরতা শুরু হয়েছে। অসাধু ব্যবসায়ীদের কারসাজি আর সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যে কার্যত জিম্মি হয়ে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।   আজ শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, পবিত্র রমজানের প্রথম জুমা ও ছুটির দিনে বাজারে উপচে পড়া ভিড় থাকলেও দামের ঊর্ধ্বগতিতে ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষ।   বাজার পরিস্থিতি: আকাশচুম্বী দাম সরেজমিনে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ইফতারের অবিচ্ছেদ্য অংশ শসা ও বেগুনের দাম এখন আকাশছোঁয়া। বাজারভেদে লম্বা বেগুন ১২০ টাকা ও গোল বেগুন ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। শসা ১২০ টাকা এবং লেবুর হালি ১০০ টাকায় গিয়ে ঠেকেছে। এছাড়া প্রতি কেজি টমেটো ৫০–৬০ টাকা, সিম ৬০–৮০ টাকা, গাজর ৬০ টাকা এবং পেঁয়াজ ৫০–৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। প্রতিটি লাউয়ের জন্য ক্রেতাকে গুনতে হচ্ছে ১০০ টাকা।   বিক্রেতাদের অজুহাত বনাম ক্রেতাদের ক্ষোভ খুচরা বিক্রেতাদের দাবি, শীতকালীন সবজির মৌসুম শেষ হওয়ায় সরবরাহ কমেছে। পাইকারি বাজারে দাম বেশি থাকায় খুচরা পর্যায়ে এর প্রভাব পড়ছে। তবে ক্রেতারা এই যুক্তি মানতে নারাজ। বাজারে কেনাকাটা করতে আসা মোহাম্মদ সায়েম বলেন, ব্যবসায়ীরা নানা অজুহাতে সাধারণ মানুষের পকেট কাটছেন। আমাদের দেশে রমজান এলেই অতি মুনাফা লোটার প্রতিযোগিতা শুরু হয়।   দিদারুল ইসলাম নামে অন্য এক ক্রেতা আক্ষেপ করে বলেন, বিশ্বের অন্যান্য মুসলিম দেশে রমজানে পণ্যের দাম কমলেও আমাদের দেশে চিত্র ঠিক উল্টো। যথাযথ বাজার মনিটরিং না থাকায় অসাধু চক্র এই সুযোগ নিচ্ছে।   বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের পর্যবেক্ষণ ভোক্তা অধিকার নিয়ে কাজ করা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাজারে কৃত্রিম সংকট ও সমন্বয়হীনতা এই অস্থিরতার মূল কারণ। তাদের মতে:   নিয়মিত তদারকি: পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ের দামের পার্থক্য কমিয়ে আনতে নিয়মিত বাজার মনিটরিং জরুরি।   সরবরাহ নিশ্চিতকরণ: পণ্য আমদানি ও মজুত পরিস্থিতির ওপর কড়া নজরদারি রাখতে হবে।   আইনি ব্যবস্থা: অতি মুনাফাখোরদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করলে বাজার নিয়ন্ত্রণে আসা সম্ভব।   রমজানের বাকি দিনগুলোতে নিত্যপণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখতে এবং সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস কমাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কঠোর ও কার্যকর পদক্ষেপ প্রত্যাশা করছেন ভুক্তভোগী সাধারণ জনতা।

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

বাজার স্থিতিশীল রাখতে যথেষ্ট পণ্য মজুদ আছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

গণমাধ্যমের ওপর নির্লজ্জ হস্তক্ষেপের অভিযোগ বিরোধীদলীয় নেতার

গণমাধ্যমের ওপর নির্লজ্জ হস্তক্ষেপের অভিযোগ বিরোধীদলীয় নেতার

শহীদ মিনারে নির্বাচনের মতো নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা থাকবে ডিএমপি কমিশনার

শহীদ মিনারে নির্বাচনের মতো নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা থাকবে: ডিএমপি কমিশনার

নির্বাচনের পর নতুন রাজনৈতিক মেরুকরণের মুখে বাংলাদেশ
নির্বাচনের পর নতুন রাজনৈতিক মেরুকরণের মুখে বাংলাদেশ

২০২৪ সালের জুলাইয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিপ্লব-পরবর্তী সংবিধান সংস্কারের জন্য আয়োজিত জাতীয় গণভোট ও সংসদ নির্বাচনের পর নতুন রাজনৈতিক উত্তেজনার আভাস দেখা দিয়েছে।   গত সপ্তাহে অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’-এর ভিত্তিতে আয়োজিত গণভোটে ৬০.২৬ শতাংশ ভোটার সংবিধান সংশোধনের পক্ষে ভোট দিয়েছেন। তবে গণভোটের ফলাফল বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া নিয়ে বিজয়ী দল বিএনপি এবং তাদের এক সময়ের মিত্র জামায়াতে ইসলামী মধ্যে মতপার্থক্য প্রকাশ পেয়েছে।   মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথগ্রহণের সময় এই দ্বন্দ্ব আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। সংবিধান রক্ষার শপথ গ্রহণের পরও বিএনপির সংসদ সদস্যরা ‘সংবিধান সংস্কার কাউন্সিল’-এ দ্বিতীয়বার শপথ নেওয়ার ক্ষেত্রে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।   উল্লেখ্য, জুলাই সনদে বর্ণিত সংস্কারগুলো বাস্তবায়নের জন্য এই কাউন্সিল বাধ্যতামূলক। বিএনপির এই অবস্থানের কারণে কাউন্সিলের বৈধতা ও সংস্কার প্রক্রিয়ার ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে।   এই বিরোধের মূলে রয়েছে সংসদের উচ্চকক্ষ গঠন প্রক্রিয়া। জুলাই সনদে বিদ্যমান ৩৫০ আসনের জাতীয় সংসদের পাশাপাশি ১০০ সদস্যের একটি উচ্চকক্ষ গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে। জামায়াতে ইসলামী এবং ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে গঠিত জাতীয় নাগরিক কমিটি চায় এই উচ্চকক্ষের নির্বাচন হোক ‘আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব’ পদ্ধতিতে।   এতে করে প্রাপ্ত ভোটের হার অনুযায়ী দলগুলো আসন পাবে। অন্যদিকে, বিএনপি বর্তমান ‘ফার্স্ট-পাস্ট-দ্য-পোস্ট’ বা সংখ্যাগরিষ্ঠতা ভিত্তিক পদ্ধতি ধরে রাখতে আগ্রহী, যা তাদের বিশাল সংসদীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতাকে আরও সংহত করতে সাহায্য করবে।   বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, তারা জুলাই সনদের সংস্কারগুলো বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হলেও এই কাউন্সিলকে এখনই বৈধ মনে করছেন না। তাদের মতে, নির্বাচিত সংসদ কর্তৃক অনুমোদিত হওয়ার পরেই এই কাউন্সিল আইনি ভিত্তি পাবে।   অন্যদিকে, জামায়াত ও জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতারা বিএনপির এই অবস্থানকে সংস্কার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করার প্রচেষ্টা হিসেবে দেখছেন। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এই ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ তৈরি করে।   এতে প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার মেয়াদ নির্ধারণ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধির মতো ৮০টিরও বেশি সংস্কার প্রস্তাব রয়েছে। এখন এই সংস্কারগুলো ১৮০ দিনের মধ্যে বাস্তবায়নের আইনি বাধ্যবাধকতা থাকলেও বড় দলগুলোর মধ্যকার এই মতভেদ বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাকে আবারও চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।   সূত্র: আলজাজিরা

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬ 0
ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন বসতে পারে এ মাসেই

ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন বসতে পারে এ মাসেই

সাত মাস ধরে বেতনহীন নড়াইল জেলা হাসপাতালের আউটসোর্সিং কর্মীরা

সাত মাস ধরে বেতনহীন নড়াইল জেলা হাসপাতালের আউটসোর্সিং কর্মীরা

৪৪তম বিসিএসে নন-ক্যাডার পদে মনোনীত ৪ হাজার ১৩৬ প্রার্থী

৪৪তম বিসিএসে নন-ক্যাডার পদে মনোনীত ৪ হাজার ১৩৬ প্রার্থী

0 Comments