খেলাধুলা

বিশ্বকাপের নতুন সূচি, বাংলাদেশকে যা বলল আইসিসি

তাবাস্সুম মোহাম্মদ জানুয়ারী ২৪, ২০২৬ 0

মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ায় ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে না চাওয়া বাংলাদেশকে সিদ্ধান্তের জন্য গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছিল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ও লিটন দাসদের সঙ্গে আলোচনা শেষে ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল জানান বাংলাদেশ আগের সিদ্ধান্তেই অনড় আছে। বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল বলেন, শ্রীলংকায় ম্যাচ সরানোর ব্যাপারে বাংলাদেশের চেষ্টা অব্যাহত থাকবে। এর দুদিন পর বাংলাদেশকে বাদ দেওয়ার অফিসিয়াল ঘোষণা দিয়েছে আইসিসি।

 

আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইসিসি। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘোষণা দেয় ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। এরই মধ্যে স্কটল্যান্ডকে নিয়ে বিশ্বকাপের নতুন সূচিও প্রকাশ করা হয়েছে।

 

আইসিসির পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রকাশিত ম্যাচ সূচি অনুযায়ী টুর্নামেন্টে অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানানোয় বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। বিসিবি নির্ধারিত সূচি মেনে ভারতে খেলতে না চাওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

 

বাংলাদেশের জায়গায় গ্রুপ ‘সি’-তে খেলবে স্কটল্যান্ড। এই গ্রুপে স্কটল্যান্ডের সঙ্গে রয়েছে ইংল্যান্ড, ইতালি, নেপাল ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

 

আইসিসি জানায়, ভারতের মাটিতে বাংলাদেশ দলের জন্য কোনো বিশ্বাসযোগ্য বা যাচাইযোগ্য নিরাপত্তা হুমকি না থাকার পরও বিসিবি তাদের ম্যাচ শ্রীলংকায় সরানোর আবেদন জানায়। শ্রীলংকা এই বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক হলেও আইসিসি সেই আবেদন প্রত্যাখ্যান করে।

 

এ বিষয়ে আইসিসি অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে একাধিক স্বাধীন নিরাপত্তা মূল্যায়ন চালায়। সেই মূল্যায়নের ভিত্তিতেই আইসিসি সিদ্ধান্তে পৌঁছায় যে, ভারতে বাংলাদেশ দল, কর্মকর্তারা কিংবা সমর্থকদের জন্য কোনো বাস্তব নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই।

 

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের উত্থাপিত উদ্বেগ নিরসনে আইসিসি দীর্ঘ ও বড় আকারের প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে গেছে। তিন সপ্তাহের বেশি সময় ধরে স্বচ্ছ ও গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে বিসিবির সঙ্গে একাধিক দফা বৈঠক করা হয়েছে। এর মধ্যে ভার্চুয়াল ও সরাসরি বৈঠক দুটোই ছিল।

 

আইসিসি জানায়, এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বিসিবির উত্থাপিত সব উদ্বেগ পর্যালোচনা করা হয়েছে। পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ ও স্বাধীন বাইরের বিশেষজ্ঞদের দিয়ে নিরাপত্তা মূল্যায়ন করানো হয়েছে এবং কেন্দ্রীয় ও অঙ্গরাজ্য পর্যায়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থাসহ টুর্নামেন্টটির বিস্তারিত নিরাপত্তা পরিকল্পনা বিসিবিকে জানিয়েছে। এসব নিশ্চয়তা আইসিসি বিজনেস করপোরেশন (আইবিসি) বোর্ডের আলোচনাসহ একাধিক পর্যায়ে আলোচনা করা হয়।

 

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আইসিসির মূল্যায়নে দেখা গেছে, ভারতে বাংলাদেশ জাতীয় দল, কর্মকর্তা কিংবা সমর্থকদের জন্য কোনো বিশ্বাসযোগ্য বা যাচাইযোগ্য নিরাপত্তা হুমকি নেই। এসব বিবেচনায় নিয়ে এবং বৃহত্তর প্রভাব মাথায় রেখে প্রকাশিত সূচিতে কোনো পরিবর্তন না আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

 

এ বিষয়ে বুধবার অনুষ্ঠিত এক বৈঠকের পর সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা দেয়া হয়।  নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো সাড়া না পাওয়ায় আইসিসি তাদের নীতিমালা ও বাছাই প্রক্রিয়া অনুযায়ী বিকল্প দল নির্বাচন করে।

জনপ্রিয় সংবাদ
অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

যুক্তরাষ্ট্রে ধেয়ে আসছে বিশাল বরফ ও তুষার ঝড় — সবচেয়ে বিপদগ্রস্ত থেকে কম বিপদগ্রস্ত রাজ্য

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে প্রায় ২,০০০ মাইল দীর্ঘ এক ভয়াবহ বরফ ও তুষার ঝড় দ্রুত বিস্তার লাভ করছে। আবহাওয়াবিদদের সতর্কবার্তা অনুযায়ী, এই ঝড়ে বরফ, তুষারপাত ও হিমশীতল বৃষ্টির সম্মিলিত প্রভাব পড়তে পারে দেশের মধ্য-পশ্চিম, দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলের বহু রাজ্যে। ঝড়ের আগেই শত শত ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে এবং সড়ক যোগাযোগ ও বিদ্যুৎ সরবরাহে বড় ধরনের ব্যাঘাতের আশঙ্কা করা হচ্ছে।   CNN–এর আবহাওয়া প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ঝড়ের তীব্রতা অঞ্চলভেদে ভিন্ন হলেও কিছু রাজ্যে পরিস্থিতি অত্যন্ত বিপজ্জনক হতে পারে।   সবচেয়ে বেশি বিপদগ্রস্ত রাজ্য (High Impact) টেক্সাস (Texas) ঝড়ের সূচনা এখান থেকেই। ভারী বরফ জমে বিদ্যুৎ লাইন ভেঙে পড়া, ব্ল্যাকআউট ও মহাসড়ক বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। ওকলাহোমা (Oklahoma) বরফালার সঙ্গে তীব্র ঠান্ডা। গ্রামীণ ও শহরাঞ্চলে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতার আশঙ্কা। আর্কানসাস (Arkansas) হিমশীতল বৃষ্টি ও বরফের স্তর জমে চলাচল প্রায় অচল হতে পারে। কেন্টাকি (Kentucky) মধ্য-পশ্চিম থেকে পূর্বাঞ্চলের সংযোগস্থল হওয়ায় তুষারপাত ও বরফের যুগপৎ প্রভাব পড়তে পারে। ওহাইও (Ohio) ভারী তুষার ও তীব্র ঠান্ডায় বিমান ও সড়ক যোগাযোগ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা। মাঝারি ঝুঁকির রাজ্য (Moderate Impact) টেনেসি (Tennessee) – বরফ ও তুষারের মিশ্র প্রভাব জর্জিয়া (Georgia) – বিশেষ করে উত্তর জর্জিয়ায় বরফ ঝড়ের সতর্কতা নর্থ ক্যারোলিনা (North Carolina) – হিমশীতল বৃষ্টি ও বরফ জমার ঝুঁকি সাউথ ক্যারোলিনা (South Carolina) – সীমিত এলাকায় বরফালার সম্ভাবনা ভার্জিনিয়া (Virginia) – তুষার ও ঠান্ডার প্রভাব ক্রমেই বাড়ছে তুলনামূলক কম ঝুঁকির রাজ্য (Lower Impact) মেরিল্যান্ড (Maryland), ওয়াশিংটন ডিসি, পেনসিলভানিয়া (Pennsylvania), নিউ ইয়র্ক (New York), ম্যাসাচুসেটস (Massachusetts) — এসব রাজ্যে ঝড় পৌঁছালেও প্রভাব তুলনামূলক কম হতে পারে, তবে তুষারপাত ও শীতজনিত দুর্ভোগ পুরোপুরি এড়ানো যাবে না। পরিবহন ও জনজীবনে প্রভাব ঝড়ের আশঙ্কায় ইতিমধ্যেই দেশের বিভিন্ন বড় বিমানবন্দরে শত শত ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ নাগরিকদের অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়িয়ে চলার এবং জরুরি প্রয়োজন ছাড়া সড়কে না নামার পরামর্শ দিচ্ছে। প্রস্তুতি ও সতর্কতা জরুরি খাবার, পানি ও ওষুধ মজুত রাখুন বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতার প্রস্তুতি নিন স্থানীয় আবহাওয়া সতর্কতা ও নির্দেশনা নিয়মিত অনুসরণ করুন বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ঝড় আগামী কয়েক দিন ধরে ধাপে ধাপে বিভিন্ন রাজ্যে প্রভাব ফেলতে পারে। পরিস্থিতির অবনতি হলে আরও জরুরি সতর্কতা জারি করা হতে পারে।

নির্বাচন উপলক্ষে সাধারণ ছুটি আরও বাড়ল

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতেই দীর্ঘ ছুটি কাটানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে। ইসলামী ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) দিবাগত রাতে পবিত্র শবেবরাত পালিত হবে। এ উপলক্ষে ৪ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এর পরদিন ৫ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) হওয়ায়, মাত্র এক দিনের ছুটি নিলেই টানা চার দিনের অবকাশ উপভোগ করা সম্ভব হবে। কারণ ৬ ও ৭ ফেব্রুয়ারি যথাক্রমে শুক্রবার ও শনিবার—সাপ্তাহিক ছুটি।   এদিকে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচন উপলক্ষে সরকার ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে। এর সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি শুক্র ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি। ফলে এখানেও টানা চার দিনের ছুটি মিলছে।   প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি থাকবে। নির্বাচনের দিন ১২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল।   অন্যদিকে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত ২০২৬ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, বছরটিতে মোট ১৪ দিন সাধারণ ছুটি এবং ১৪ দিন নির্বাহী আদেশে ছুটি নির্ধারিত রয়েছে। এর মধ্যে ৯ দিন শুক্রবার ও শনিবারের সঙ্গে মিলেছে। এছাড়া, ২০২৬ সালে ধর্মভিত্তিক ঐচ্ছিক ছুটিও নির্ধারণ করা হয়েছে।   সে অনুযায়ী মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের জন্য ৫ দিন; হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্য ৯ দিন; খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের জন্য ৮ দিন; বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের জন্য ৭ দিন এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সরকারি কর্মচারীদের জন্য ২ দিন।

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ছড়াতে পারে যৌনাঙ্গ আক্রান্তকারী পরজীবী, সতর্ক করেছেন বিজ্ঞানিরা

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ছড়াতে পারে যৌনাঙ্গ আক্রান্তকারী পরজীবী,সতর্ক করলেন বিজ্ঞানীরা স্নেইল ফিভার’ নামে পরিচিত এক ধরনের পরজীবী বিশ্বজুড়ে নতুন করে উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠছে। ত্বকের ভেতর দিয়ে মানবদেহে প্রবেশ করা এই পরজীবী দীর্ঘদিন রক্তে নীরবে অবস্থান করে এবং পরে ডিম পাড়ে,যা লিভার, ফুসফুসও যৌনাঙ্গসহ গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গে জমা হতে পারে। ভয়াবহ বিষয় হলো,বছরের পর বছর শরীরে অবস্থান করলেও অনেক ক্ষেত্রে এটি শনাক্তই নাও হতে পারে। শামুকের মাধ্যমে ছড়ানোএ পরজীবীর কারণেই রোগটির নামকরণ করা হয়েছে স্নেইল ফিভার।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছে, রোগটি এখন বৈশ্বিক উদ্বেগে পরিণত হয়েছে। কারণ পরজীবীটির গঠন ও বৈশিষ্ট্যে পরিবর্তন ঘটছে, যার ফলে এটি নতুন নতুন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি করছে। বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এমন এক সময়ে এই সতর্কবার্তা এলো,যখন৩০ জানুয়ারি ওয়ার্ল্ড নেগলেক্টেড ট্রপিক্যাল ডিজিজ ডে পালন করছে ডব্লিউএইচও।এ দিবসের লক্ষ্য হচ্ছে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, পরজীবীও ছত্রাকজনিত রোগগুলোর বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানো,যা সাধারণত দরিদ্র অঞ্চলের শত কোটিরও বেশি মানুষকে আক্রান্ত করে। কীভাবে ছড়ায় স্নেইল ফিভার :  এই পরজীবী বহন করে নির্দিষ্ট এক ধরনের শামুক।যেসব পানিতে ওই শামুক বসবাস করে,সেখানে পরজীবীর লার্ভা ছড়িয়ে পড়ে। কেউ যদি সেই পানিতে গোসল করেন বা সংস্পর্শে আসেন,তবে লার্ভা ত্বকের ভেতর প্রবেশ করতে পারে। পরজীবীগুলো এমন এনজাইম নিঃসরণ করে,যা ত্বক ভেদ করতে সক্ষম। দেহে প্রবেশের পর লার্ভাগুলো ধীরে ধীরে পূর্ণবয়স্ক কৃমিতে পরিণত হয় এবং রক্তনালিতে বাসা বাঁধে।স্ত্রী কৃমিগুলো ডিম পাড়ে। কিছু ডিম মল বা প্রস্রাবের সঙ্গে বের হয়ে গেলেও বহু ডিম শরীরের ভেতরের টিস্যুতে আটকে থাকে। এতে শরীরের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা সক্রিয় হয়ে আশপাশের সুস্থ টিস্যুকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে। ফলে বিভিন্ন অঙ্গের মারাত্মক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দেয়। বিশেষ করে তলপেট যৌনাঙ্গে ডিম জমে থাকলে ইউরোজেনিটাল স্কিস্টোসোমিয়াসিস নামের জটিল রোগ দেখা দেয়। এতে পেটব্যথা, ক্যানসার এমনকি মৃত্যুর ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে। চিকিৎসাওনতুন উদ্বেগ: সাধারণত অ্যান্টি-প্যারাসাইটিক ওষুধে স্নেইল ফিভার চিকিৎসাযোগ্য। ডব্লিউএইচও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী—যেমন শিশু কৃষিশ্রমিকও জেলেদের প্রতি বছর এই ওষুধ গ্রহণের পরামর্শ দিয়ে আসছে। তবে মালাউই লিভারপুল ওয়েলকাম ক্লিনিক্যাল রিসার্চ প্রোগ্রামের সহযোগী পরিচালক অধ্যাপক জানেলিসা মুসায়া সতর্ক করেছেন, নতুন কিছু ধরন শনাক্ত হয়েছে, যেগুলো প্রচলিত পরীক্ষায় ধরা নাও পড়তে পারে। হাইব্রিড পরজীবীর আশঙ্কা: গবেষণায় দেখা গেছে,মানুষের শরীরের পরজীবীওপ্রাণীর শরীরের পরজীবী একে অপরের সঙ্গে মিশে ‘হাইব্রিড’ বা মিশ্র ধরন তৈরি করছে। এসব হাইব্রিড পরজীবী মানুষ ওপ্রাণী—উভয়কেই আক্রান্ত করতে পারে।মালাউইতে করা এক গবেষণায় দেখা গেছে, নমুনার সাত শতাংশ পরজীবীই ছিল হাইব্রিড,যা গবেষকদের প্রত্যাশার চেয়েও বেশি। অধ্যাপক মুসায়া বলেন,এভাবে যদি প্রকৃতিতে সংক্রমণ চলতেই থাকে, তাহলে সংখ্যাটা এক সময় বেশ বড় হয়ে যাবে।তিনি আরও বলেন, গবেষণা যেহেতু নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় করা হয়েছে,এজন্য এটি হয়তো হিমশৈলের চূড়া মাত্র। শনাক্তকরণে জটিলতা: গবেষণায় আরও উঠে এসেছে, হাইব্রিড পরজীবীগুলো মানুষের যৌনাঙ্গে সংক্রমণ ঘটালেও তা শনাক্ত করা কঠিন। কারণ এসব ডিম মাইক্রোস্কোপে সাধারণ পরজীবীর মতো দেখায় না। অনেক সময় উপসর্গগুলোকে যৌনবাহিত রোগ ভেবে ভুল করা হয়।চিকিৎসা না হলে বন্ধ্যত্ব, যৌনাঙ্গে ক্ষত এবং এইচআইভি সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে। এপ্রসঙ্গে অধ্যাপক মুসায়া বলেন,“ভাবুন তো,কোনো নারী যদি সন্তান ধারণ করতে না পারেন... আমাদের সংস্কৃতিতে সন্তান হওয়া গুরুত্বপূর্ণ। সন্তান না হলে ওই নারীকে নানাভাবে কটূক্তি করেন মানুষরা। যা খারাপ এবং খুবই কষ্টের একটি রোগ। বৈশ্বিক প্রস্তুতি: ডব্লিউএইচও’র স্কিস্টোসোমিয়াসিস নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির প্রধান ডা.আমাদু গারবা জিরমে বলেন,রোগটি একটি বৈশ্বিক উদ্বেগ।তিনি জানান,কিছু দেশে মানুষের মধ্যে সংক্রমণ না থাকলেও প্রাণীদের শরীরে পরজীবী রয়ে গেছে, যা ভবিষ্যতে বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। নতুন এই হুমকি মোকাবিলায় ডব্লিউএইচও কৌশল পরিবর্তন করছে।সংস্থাটি প্রাণীদের মধ্যে রোগ নিয়ন্ত্রণে নতুন নির্দেশনা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং বিভিন্ন দেশকে হাইব্রিড পরজীবী নিয়ে আন্তর্জাতিক সতর্কবার্তা দিয়েছে। যদিও ২০০৬থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে ব্যাপক ওষুধ বিতরণের ফলে সংক্রমণ ৬০শতাংশ কমেছে, তবে অর্থায়ন কমে যাওয়ায় এই অগ্রগতি হুমকির মুখে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে সংস্থাটি।   প্রতিবেদকঃ শ্যামল সান্যাল

Advertisement

খেলাধুলা

View more
ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ আমি দেখতে চাই অশ্বিন

বিশ্বকাপ ক্রিকেটের মঞ্চে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানকে ঘিরে তৈরি হওয়া চরম অস্থিরতার মাঝে নতুন এক ভবিষ্যদ্বাণী নিয়ে হাজির হলেন ভারতীয় তারকা ক্রিকেটার রবিচন্দ্রন অশ্বিন। তিনি মনে করেন, আইসিসি’র চাপের মুখে এবং বিশাল আর্থিক লোকসানের ভয়ে পাকিস্তান তাদের ‘ভারত ম্যাচ বয়কট’ করার সিদ্ধান্ত থেকে খুব শীঘ্রই সরে আসবে।   ঘটনার প্রেক্ষাপট বেশ নাটকীয়। বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ভেন্যু পরিবর্তনের দাবি জানালে আইসিসি তা গ্রহণ করেনি; বরং পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকেই বহিষ্কার করে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। আইসিসি’র এই কঠোর সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এবং বাংলাদেশের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) ঘোষণা দেয় যে, তারা আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিপক্ষে নির্ধারিত হাইভোল্টেজ ম্যাচটিতে মাঠে নামবে না। এই পরিস্থিতি নিয়ে নিজের ইউটিউব চ্যানেলে রবিচন্দ্রন অশ্বিন বলেন, "আমার মনে হয় ভারত-পাকিস্তান ম্যাচটি শতভাগ হবে। আগামী চার-পাঁচ দিনের মধ্যেই পাকিস্তান তাদের বর্তমান অবস্থান থেকে পিছু হটবে। ব্রডকাস্টার বা সম্প্রচারকারী সংস্থাগুলোর বিশাল অংকের অর্থের ক্ষতি এড়াতে আইসিসি ও পিসিবি’র মধ্যে একটি সমঝোতা হওয়া অনিবার্য।"   অশ্বিন আরও যুক্তি দেখান যে, পাকিস্তান যদি এই সিদ্ধান্ত বজায় রাখে তবে আইসিসি’র রাজস্ব ব্যাপকভাবে কমে যাবে। এর ফলে সদস্য দেশগুলোর আয়ও কমবে, যা পাকিস্তানের ওপর কূটনৈতিক ও আর্থিক চাপ বাড়িয়ে দেবে। এমনকি শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) বিদেশি খেলোয়াড়দের অনাপত্তিপত্র বা এনওসি (NOC) না দেওয়ার মতো কঠোর সিদ্ধান্তও আসতে পারে বলে তিনি সতর্ক করেন।   ক্রিকেট বিশ্বের নজর এখন দুবাইয়ে অনুষ্ঠেয় আইসিসি’র জরুরি সভার দিকে। সেখানে পাকিস্তানের এই অনড় অবস্থানের কোনো সমাধান বের হয় কি না, নাকি রবিচন্দ্রন অশ্বিনের কথাই সত্যি প্রমাণিত হয়, তা দেখতে মুখিয়ে আছেন কোটি কোটি ক্রিকেট ভক্ত।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬ 0
পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড

ভারতের বিপক্ষে না খেললেও পাকিস্তানকে শাস্তি দিতে পারবে না কেন আইসিসি, বললেন সাবেক চেয়ারম্যান

জরুরি বৈঠক ডেকেছে আইসিসি

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে, জরুরি বৈঠক ডেকেছে আইসিসি

পিসিবি-আইসিসি

পাকিস্তানের ভারত ম্যাচ বয়কট নিয়ে আইসিসি’র বক্তব্য

দুবাইয়ে অবস্থিত আইসিসি সদর দপ্তর | এক্স
২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে না খেলার সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের? যা বলছে আইসিসি

আসন্ন ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের বিপক্ষে পাকিস্তান সরকারের 'বেছে বেছে' ম্যাচ খেলার সিদ্ধান্তের খবরে উত্তাল হয়ে উঠেছে ক্রিকেট বিশ্ব। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) পক্ষ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক চিঠি না পেলেও, বিষয়টিকে মোটেও সহজভাবে নিচ্ছে না ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি। আজ এক কড়া বিবৃতিতে সংস্থাটি জানিয়েছে, পাকিস্তানের এই সিদ্ধান্ত টুর্নামেন্টের মর্যাদা ও ক্রিকেটের মূল স্পিরিটকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।       আইসিসি স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, একটি বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে প্রতিটি দলের জন্য সমান সুযোগ ও নিয়ম প্রযোজ্য। পাকিস্তান যদি রাজনৈতিক কারণে ভারতের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের ম্যাচটি বয়কট করার সিদ্ধান্ত নেয়, তবে তা আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের নিরপেক্ষতা এবং সংহতিকে বিঘ্নিত করবে। আইসিসির মতে, আইসিসি ইভেন্টে অংশ নেওয়া সব সদস্য দেশের জন্য বাধ্যতামূলক শর্ত।   বিবৃতিতে আইসিসি উল্লেখ করেছে, তারা সংশ্লিষ্ট দেশের সরকারি নীতি ও সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তবে পাকিস্তান সরকারের এই অবস্থান কোটি কোটি ক্রিকেট ভক্তের জন্য চরম হতাশাজনক। সংস্থাটি মনে করে, ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ শুধু একটি খেলা নয়, এটি বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম বড় আবেগ। একে কেন্দ্র করে যে বাণিজ্য ও জনপ্রিয়তা তৈরি হয়, তা বাধাগ্রস্ত হলে ক্রিকেটের দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি হবে।   পাকিস্তানকে সতর্ক করে আইসিসি বলেছে, এই ধরনের সিদ্ধান্তের ফলে পাকিস্তান ক্রিকেটের ওপর দীর্ঘমেয়াদি ও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। সংস্থাটি কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরেছে:   আইনি ও আর্থিক জটিলতা: পিসিবি বিশ্ব ক্রিকেট কাঠামোর একটি বড় অংশ এবং নিয়মিত রাজস্বের সুফলভোগী। চুক্তি ভঙ্গের ফলে পাকিস্তান বিশাল অংকের আর্থিক জরিমানা বা নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে পারে।   ক্রিকেটীয় ক্ষতি: ভারতের বিপক্ষে না খেললে পাকিস্তান ২ পয়েন্ট হারাবে, যা তাদের সেমিফাইনাল সমীকরণে বড় প্রভাব ফেলবে।   ভাবমূর্তি সংকট: বারবার এ ধরনের অবস্থানে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পিসিবির গ্রহণযোগ্যতা সংকটের মুখে পড়তে পারে।সমাধানের অপেক্ষায় আইসিসি   আইসিসির বর্তমান লক্ষ্য হলো ২০২৬ বিশ্বকাপ সফলভাবে আয়োজন করা। সংস্থাটি আশা করছে, পিসিবি এই সংকটের এমন একটি গ্রহণযোগ্য সমাধান বের করবে যাতে ক্রিকেটের স্বার্থ ও ভক্তদের আবেগ রক্ষা পায়। পাকিস্তান সরকার তার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করবে কিনা, এখন সেটাই দেখার বিষয়।  

শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬ 0
জাপানের আইচি–নাগোয়ায় হবে ২০২৬ এশিয়ান গেমস। এএফপি

জাপানে এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের প্রস্তুতি চূড়ান্ত, ২৬টি খেলার দল পাঠাবে

বিশ্বকাপে খেলবে পাকিস্তান, ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কট

বাংলাদেশের পাশে থেকে বিশ্বকাপে ভারত ম্যাচ বয়কট করলো পাকিস্তান

স্টেডিয়ামে সাংবাদিকদের প্রবেশ নিয়ে কঠোর হলো বিসিবি

দীর্ঘদিনের প্রথা ভেঙে মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার সীমিত করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এখন থেকে বিসিবির আনুষ্ঠানিক ইভেন্ট বা ম্যাচের দিন ছাড়া গণমাধ্যমকর্মীরা চাইলেই আর স্টেডিয়ামে প্রবেশ করতে পারবেন না। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বিসিবির দেওয়া এক আকস্মিক বিজ্ঞপ্তির পর আজ রবিবার থেকেই এই নতুন নিয়ম কার্যকর হয়েছে।   প্রবেশপথ: সাংবাদিকদের প্রবেশের জন্য শুধুমাত্র ১ নম্বর গেট নির্ধারিত করা হয়েছে। সীমিত সময়: এখন থেকে সাংবাদিকরা কেবল ম্যাচের দিন, আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলন, বিসিবির আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণমূলক অনুষ্ঠান এবং বোর্ডের জানানো নির্দিষ্ট অনুশীলন সেশনেই স্টেডিয়ামে ঢুকতে পারবেন। অঘোষিত নিষেধাজ্ঞা: এর ফলে নিয়মিতভাবে জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের ব্যক্তিগত অনুশীলন বা বোর্ডের দৈনন্দিন খবর সংগ্রহের সুযোগ প্রায় বন্ধ হয়ে গেল।   বিসিবি আনুষ্ঠানিকভাবে ‘নিরাপত্তা জোরদার’ ও ‘শৃঙ্খলার’ কথা বললেও বিশ্লেষকরা এর পেছনে সাম্প্রতিক কিছু ভূ-রাজনৈতিক ও ক্রিকেটীয় সংকটকে দায়ী করছেন: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়া: ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ভারতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। নিরাপত্তা অজুহাতে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল সেখানে যেতে অস্বীকৃতি জানানোয় আইসিসি বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করেছে। এই সিদ্ধান্তের পর বিসিবির ওপর গণমাধ্যমের তীব্র সমালোচনা ও চাপ তৈরি হয়েছে। আইসিসির প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন বাতিল: খবর অনুযায়ী, ভারত সফরের নিরাপত্তা ইস্যুতে বিসিবির অনড় অবস্থানের কারণে আইসিসি শতাধিক বাংলাদেশি সাংবাদিকের বিশ্বকাপের অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড বাতিল করেছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে বা অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা সামাল দিতেই বিসিবি নিজের ভেন্যুতে সাংবাদিকদের প্রবেশ সীমিত করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সাইবার হামলা ও গুজব: সম্প্রতি বিসিবি আমির ডা. শফিকুর রহমানের টুইটার অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়া এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়া খবর ছড়ানোর প্রেক্ষাপটে বোর্ড অতিরিক্ত সতর্ক অবস্থান নিয়েছে।   বিসিবির এই সিদ্ধান্তকে ‘গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ’ হিসেবে দেখছেন ক্রীড়া সাংবাদিকরা। বাংলাদেশ স্পোর্টস জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন (BSJA) জানিয়েছে, আগে কখনোই সাংবাদিকদের নিয়মিত কাজে এমন বাধা দেওয়া হয়নি। এতে মাঠের খবর সংগ্রহ করা এবং ক্রিকেটারদের অভাব-অভিযোগ শোনা আরও কঠিন হয়ে পড়বে।   বিসিবির মিডিয়া কমিটি জানিয়েছে, “নিরাপত্তা, সুরক্ষা এবং শৃঙ্খলাপূর্ণ কার্যক্রম নিশ্চিত করতেই এই সিদ্ধান্ত। আমরা সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।”

মোহাইমিনুল ইসলাম ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

এবার মিরপুর স্টেডিয়ামে সাংবাদিকদের প্রবেশে নানা বিধিনিষেধ

অস্ট্রেলিয়াকে গুঁড়িয়ে ৭ বছর পর টি-টোয়েন্টি সিরিজ পাকিস্তানের

ভারতে বিশ্বকাপ আয়োজনে অনিশ্চয়তা, যা বলছে বিসিসিআই

0 Comments