খেলাধুলা

ইরানের বিশ্বকাপ ম্যাচ আয়োজনে প্রস্তুত মেক্সিকো: প্রেসিডেন্ট শেইনবাউম

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ১৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ফিফার সম্মতি মিললে ২০২৬ বিশ্বকাপে ইরানের ম্যাচগুলো আয়োজন করতে প্রস্তুত রয়েছে মেক্সিকো—এমনটাই জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ক্লাউদিয়া শেইনবাউম। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।

 

প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক সামরিক হামলার পর ইরানে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়তে পারে—এমন আশঙ্কায় ফিফার কাছে ম্যাচ ভেন্যু পরিবর্তনের অনুরোধ জানিয়েছে ইরান।

 

এ প্রেক্ষাপটে ইরানের ম্যাচগুলো যুক্তরাষ্ট্রের পরিবর্তে মেক্সিকোতে আয়োজনের প্রস্তাব এসেছে। বিষয়টি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা।

 

মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লাউদিয়া শেইনবাউম জানিয়েছেন, ফিফা অনুমোদন দিলে ইরানের ম্যাচ আয়োজন করতে তাদের কোনো আপত্তি নেই।

 

সূত্র: আল জাজিরা

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Advertisement

খেলাধুলা

View more
ছবি: সংগৃহীত
ইরানের ম্যাচ ভেন্যু মেক্সিকোতে পরিবর্তনের আবেদনে যা জানাল ফিফা

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে বিশ্বকাপে ইরানের ম্যাচের ভেন্যু পরিবর্তনের দাবি উঠলেও পূর্বঘোষিত সূচিতে অনড় থাকার ইঙ্গিত দিয়েছে ফিফা। মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ীই সব দেশের অংশগ্রহণ প্রত্যাশা করা হচ্ছে এবং সূচি পরিবর্তনের কোনো পরিকল্পনা আপাতত নেই।   এর আগে ইরানের ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি মেহেদি তাজ দাবি করেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রে ইরানি খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত নয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্যের পর ইরান যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে ম্যাচ খেলতে অনাগ্রহ প্রকাশ করে।   ট্রাম্প বলেন, ইরান বিশ্বকাপে অংশ নিতে পারে, তবে নিরাপত্তার দিক বিবেচনায় তাদের যুক্তরাষ্ট্রে আসা ‘যুক্তিযুক্ত নাও হতে পারে’। এই মন্তব্যকে হুমকি হিসেবে দেখছে তেহরান।   পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইরান জানিয়েছে, যে দেশ অংশগ্রহণকারী দলগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে না, তাদের বিশ্বকাপ আয়োজনের যোগ্যতা থাকা উচিত নয়।   ফিফার এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, তারা ইরানসহ সব অংশগ্রহণকারী দেশের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। তবে ২০২৫ সালের ৬ ডিসেম্বর ঘোষিত সূচি অনুযায়ীই টুর্নামেন্ট আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে।   সূচি অনুযায়ী, ইরানের ম্যাচগুলো যুক্তরাষ্ট্রেই অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা— ১৬ জুন: নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে (লস অ্যাঞ্জেলেস) ২১ জুন: বেলজিয়ামের বিপক্ষে (লস অ্যাঞ্জেলেস) ২৭ জুন: মিশরের বিপক্ষে (সিয়াটল) এতে স্পষ্ট হয়েছে, আপাতত ইরানের ম্যাচ মেক্সিকোতে সরানোর সম্ভাবনা নেই।

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ১৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের বিশ্বকাপ ম্যাচ আয়োজনে প্রস্তুত মেক্সিকো: প্রেসিডেন্ট শেইনবাউম

যুক্তরাষ্ট্রের পরিবর্তে মেক্সিকোতে বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো খেলতে চায় ইরান। ছবি: সংগৃহীত

নিরাপত্তা শঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রে খেলতে অনাগ্রহ ইরানের

ছবি: সংগৃহীত

নেইমারের বিশ্বকাপের স্বপ্ন ঝুলছে অনিশ্চয়তায়, ফিটনেস নিয়ে দুশ্চিন্তা

ছবি: সংগৃহীত।
বাতিল হলো স্পেন-আর্জেন্টিনা মহারণ

কাতারের লুসাইল স্টেডিয়ামে আগামী ২৭ মার্চ ফুটবল বিশ্বের দুই পরাশক্তি স্পেন এবং আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হওয়ার কথা ছিল। তবে মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি বাতিলের ঘোষণা দিয়েছে ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফা। ইউরো ২০২৪ জয়ী স্পেন এবং কোপা আমেরিকা ২০২৪ জয়ী আর্জেন্টিনার মধ্যকার এই 'ফিনালিসিমা' ম্যাচটি ঘিরে ভক্তদের উন্মাদনা ছিল তুঙ্গে। উয়েফা এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বর্তমান আঞ্চলিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে এবং আয়োজকদের সাথে দীর্ঘ আলোচনার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।  বিবৃতিতে বলা হয়, কাতারের মাটিতে এমন একটি মর্যাদাপূর্ণ ট্রফির লড়াই আয়োজন করতে না পারা উয়েফা এবং আয়োজক দেশ উভয়ের জন্যই অত্যন্ত হতাশাজনক। সময় এবং পরিস্থিতির প্রতিকূলতার কারণেই এই ম্যাচটি আয়োজন করা সম্ভব হচ্ছে না। প্রাথমিকভাবে ম্যাচটি পুনর্নির্ধারণের চেষ্টা করা হলেও দুই দলের ঠাসা সূচি এবং অন্যান্য জটিলতার কারণে কোনো ঐক্যমত্যে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। ফলে কোনো নতুন তারিখ ঘোষণা না করেই আনুষ্ঠানিকভাবে ম্যাচটি বাতিলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।  ফুটবল প্রেমীরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলেন লিওনেল মেসি এবং উদীয়মান তারকা লামিন ইয়ামালের লড়াই দেখার জন্য, যা এখন কেবল অপেক্ষাতেই সীমাবদ্ধ রইল।

তাবাস্সুম মার্চ ১৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

মেসি-ইয়ামাল লড়াই দেখা হচ্ছে না ভক্তদের; মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক উত্তেজনা

ছবি: সংগৃহীত

তাসকিন–নাহিদের তোপে ১৭ রানেই ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পাকিস্তান

আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ। ছবি: সংগৃহীত

‘কোনো দলই আইসিসির চেয়ে বড় নয়’: জয় শাহ

Messi
অনিশ্চয়তার মেঘে মহারণ: বাতিল হতে পারে বহুল প্রতীক্ষিত ‘ফিনালিসিমা’

মধ্যপ্রাচ্যের চরম উত্তেজনা আর ভেন্যু নিয়ে দুই দেশের ফুটবল ফেডারেশনের অনড় অবস্থানের কারণে গভীর অনিশ্চয়তায় পড়েছে স্পেন ও আর্জেন্টিনার মধ্যকার ‘ফিনালিসিমা’ ম্যাচ। আগামী ২৭ মার্চ কাতারের দোহায় ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে তা এখন বাতিলের মুখে। আয়োজক সংস্থা উয়েফা ও কনমেবল নিরাপত্তার খাতিরে ম্যাচটি মাদ্রিদের সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে আয়োজনের প্রস্তাব দিয়েছিল। রিয়াল মাদ্রিদ ও স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন এই প্রস্তাবে একমত হলেও বাদ সেধেছে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ)।  আর্জেন্টাইন সভাপতি ক্লদিও তাপিয়া সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, স্পেনে ম্যাচ খেললে স্বাগতিকরা বাড়তি সুবিধা পাবে। তার দাবি, ম্যাচটি আয়োজন করতে হবে বুয়েনোস আইরেসের মনুমেন্টাল স্টেডিয়ামে। দুই দেশের এই মতবিরোধের ফলে বর্তমানে তিনটি বিকল্প নিয়ে আলোচনা চলছে: বার্নাব্যুতে খেলা, লিসবন বা রোমের মতো নিরপেক্ষ কোনো ভেন্যুতে ম্যাচ সরিয়ে নেওয়া, অথবা ম্যাচটি অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা।  তবে হাতে সময় খুব কম থাকায় এবং ইউরোপের বড় স্টেডিয়ামগুলো খালি না পাওয়ায় ম্যাচটি পিছিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাই সবচেয়ে বেশি। এদিকে স্প্যানিশ গণমাধ্যম দাবি করছে, আর্জেন্টিনা সম্ভবত এই মুহূর্তে ম্যাচটি খেলতে খুব একটা আগ্রহী নয়।

আরাফাত ইবনে আব্দুল্লাহ মার্চ ১৪, ২০২৬ 0
মন্দিরে সূর্যকুমার ইয়াদভ, জয় শাহ ও গৌতম গম্ভীর

বিশ্বজয়ের ট্রফি মন্দিরে: ফের বিতর্কে উত্তাল ভারতীয় ক্রিকেটমহল

ছবি: সংগৃহীত

১ কোটি ৬৪ লাখ টাকায় দ্য হানড্রেডে বার্মিংহাম ফিনিক্সে খেলার সুযোগ পেলেন মোস্তাফিজুর রহমান

ছবি: সংগৃহীত

নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা তুলে ইরানকে বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ানোর পরামর্শ ট্রাম্পের

0 Comments