অস্ট্রেলিয়া

মিজানুর রহমান আজহারী
যে কারণে মিজানুর রহমান আজহারীর ভিসা বাতিল করেছে অস্ট্রেলিয়া

জনপ্রিয় ইসলামি বক্তা মিজানুর রহমান আজহারীকে নিয়ে আবারও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিতর্ক শুরু হয়েছে। যুক্তরাজ্যের পর এবার অস্ট্রেলিয়াতেও বাধার মুখে পড়েছেন তিনি। অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্কের সরাসরি হস্তক্ষেপে আজহারীর অস্ট্রেলিয়া সফর বাতিল এবং তার ভিসা বাতিল করা হয়েছে বলে সংবাদ প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ গণমাধ্যম ‘ডেইলি মেইল’। ডেইলি মেইলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিজানুর রহমান আজহারী সিডনি, মেলবোর্ন এবং পার্থসহ অস্ট্রেলিয়ার বেশ কয়েকটি শহরে আয়োজিত ইসলামি সম্মেলনে যোগ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার পূর্বের কিছু বক্তব্য এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার কর্মকাণ্ডকে ‘উগ্রপন্থী’ ও ‘ঘৃণা ছড়ানোর সহায়ক’ হিসেবে চিহ্নিত করে অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, টনি বার্ক আজহারীর ভিসা বাতিলের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। অস্ট্রেলিয়ার সরকার মনে করছে, তার উপস্থিতি দেশটির সামাজিক সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে অতীতে তার দেওয়া কিছু রাজনৈতিক ও ধর্মীয় বিতর্কিত মন্তব্যকে এই সিদ্ধান্তের মূল কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর আগে ২০২১ সালেও যুক্তরাজ্যে একই ধরনের পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছিলেন আজহারী। সে সময় লন্ডনে তার একটি সম্মেলনে যোগ দেওয়ার কথা থাকলেও ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্র দপ্তর তার ভিসা বাতিল করে দেয় এবং তাকে হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। অস্ট্রেলীয় সরকারের এই কঠোর অবস্থানের ফলে প্রবাসী বাংলাদেশিদের আয়োজিত পূর্বনির্ধারিত অনুষ্ঠানগুলো স্থগিত করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আজহারীর ভক্ত ও বিরোধীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। তবে এই বিষয়ে মিজানুর রহমান আজহারী বা তার টিমের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। উল্লেখ্য, মিজানুর রহমান আজহারী বর্তমানে মালয়েশিয়ায় অবস্থান করছেন এবং সেখান থেকেই বিভিন্ন দেশে ধর্মীয় সভায় অংশ নিয়ে থাকেন। তবে বিভিন্ন দেশে তার প্রবেশাধিকার নিয়ে বিতর্ক যেন পিছু ছাড়ছে না তাকে।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১, ২০২৬ 0
মিজানুর রহমান আজহারী
অস্ট্রেলিয়া বাতিল করল আজহারীর ভিসা, সফরের মাঝপথে দেশে ফেরত

অস্ট্রেলিয়ায় একাধিক ইসলামিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ করতে যাওয়া মিজানুর রহমান আজহারীর ভিসা বাতিল করা হয়েছে। এর ফলে তাকে সফরের মাঝপথেই দেশে ফিরে আসতে হচ্ছে।   সংবাদমাধ্যমে বলা হয়েছে, আজহারী আগে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন। সেখানে তিনি নাৎসি নেতা অ্যাডলফ হিটলারের প্রশংসা করেন এবং ইহুদিদের বিরুদ্ধে কঠোর মন্তব্য করেন। এই কারণে অস্ট্রেলিয়ার কর্মকর্তারা তার সফরকে প্রাথমিকভাবে সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করেছিলেন। অস্ট্রেলিয়ার লিবারেল সিনেটর জোনাথান দুনলাম আজ বুধবার জানিয়েছেন, তাকে এবং অন্যান্য সংসদ সদস্যদের আজহারীর অস্ট্রেলিয়া সফরের ব্যাপারে সতর্ক করেছিল কমিউনিটি গ্রুপ।   তিনি বলেছেন, “আমার জানামতে আজহারীর সফরের ব্যাপারে মন্ত্রীসহ একাধিক সংসদ সদস্যের সঙ্গে ‘অস্ট্রেলিয়াস্থ বাংলাদেশ জাতিগত ও ধর্মীয় সংখ্যালঘু ফেডারেশন’ যোগাযোগ করেছে।”   সংবাদমাধ্যমটি আরও বলেছে, ২০২৩ যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে আজহারী ইহুদিদের বিরুদ্ধে কথা বলেন, হলোকাস্টের প্রশংসা করেন এবং তার স্রোতাদের ইহুদিদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে বলেন।   তিনি তার বক্তব্যে বলেন, ইহুদিদের জন্য ‘ঐশ্বরিক শাস্তি’ ছিলেন হিটলার। এছাড়া ইহুদিদের বিশ্বের সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী এবং তাদের বিষাক্ত কলঙ্ক হিসেবে অভিহিত করেন তিনি।   এর পাশাপাশি ইহুদিরা বিশ্বে এইডস ছড়িয়েছে এবং বিশ্বের অনেক অশান্তির জন্য তারা দায়ী বলে বক্তব্য দেন তিনি।   অস্ট্রেলিয়ার লিবারেল সিনেটর জোনাথান দুনলাম জানান, কমিউনিটি গ্রুপ এবং সংসদ সদস্যরা তাদের সতর্ক করেছিলেন। আজহারী ব্রিসবেন, মেলবোর্ন ও সিডনিতে সম্মেলন করার কথা থাকলেও এখন তা সম্ভব হচ্ছে না। মূল সম্মেলনগুলো ৩ এপ্রিল মেলবোর্নে, ৪ এপ্রিল সিডনিতে এবং ৬ এপ্রিল ক্যানবেরায় হওয়ার কথা ছিল।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ১, ২০২৬ 0
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী
ট্রাম্পের সমালোচনার কড়া জবাব অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-ইসরাইল যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার ভূমিকা প্রসঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতিবাচক মন্তব্যের সরাসরি প্রতিবাদ জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ।   শুক্রবার (২৭ মার্চ) ক্যানবেরায় এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের পক্ষ থেকে আসা কোনো অনুরোধই অস্ট্রেলিয়া প্রত্যাখ্যান করেনি। বরং ওয়াশিংটন ও ইসরাইল এই যুদ্ধ শুরুর আগে মিত্র দেশ হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে কোনো আলোচনা করেনি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।   সম্প্রতি এক ক্যাবিনেট বৈঠকে ট্রাম্প অস্ট্রেলিয়ার ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, তাদের প্রতিক্রিয়া তাকে বিস্মিত করেছে। এর জবাবে অ্যালবানিজ বলেন, হোয়াইট হাউসের সঙ্গে তার গঠনমূলক সম্পর্ক রয়েছে, তবে ইরানের ওপর হামলার সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় অস্ট্রেলিয়াকে অন্ধকারে রাখা হয়েছিল। তিনি আরও বলেন, এই সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার আগে কোনো পরামর্শ করা হয়নি, যা সম্পূর্ণ যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব বিষয়। অস্ট্রেলিয়ার দায়িত্ব কেবল নিজেদের সিদ্ধান্তের জবাবদিহি করা।   এর আগে সংযুক্ত আরব আমিরাতের অনুরোধে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা মোকাবিলায় একটি ‘ই-সেভেন-এ ওয়েজটেইল’ নজরদারি বিমান ওই অঞ্চলে পাঠায় অস্ট্রেলিয়া। তবে হরমুজ প্রণালিতে তেলের ট্যাঙ্কার পাহারায় সরাসরি অংশ নেওয়া নিয়ে শুরুতে কিছুটা দ্বিধায় ছিল ক্যানবেরা। পরে তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল নিরাপদ করতে ২২টি দেশের একটি জোটে যোগ দেয় দেশটি।   অ্যালবানিজ বলেন, এখন পর্যন্ত যে কয়টি সুনির্দিষ্ট অনুরোধ তাদের কাছে এসেছে, তার প্রতিটিই পূরণ করা হয়েছে। সূত্র: সিএনএন

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৭, ২০২৬ 0
ইরানের নারী ফুটবল দলের কয়েকজন খেলোয়ার। ফাইল ফটো।
ইরানিদের জন্য অস্ট্রেলিয়ায় পর্যটন ভিসায় প্রবেশ নিষিদ্ধ

অস্ট্রেলিয়া সরকার ইরানি নাগরিকদের জন্য সাময়িক সময়ের জন্য পর্যটন ভিসা স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছে। বুধবার দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। তিনি উল্লেখ করেন, ইরান থেকে আসা দর্শনার্থীরা ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর দেশ ত্যাগ করবেন না—এমন আশঙ্কার পরিপ্রেক্ষিতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার থেকে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে এবং প্রাথমিকভাবে পরবর্তী ছয় মাস পর্যন্ত এটি বলবৎ থাকবে। তবে এই নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবেন দীর্ঘমেয়াদী ভিসাধারী ব্যক্তিরা এবং যাদের স্ত্রী-সন্তান বা নিকটাত্মীয় অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস করছেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বার্ক জানান, বর্তমানে প্রায় ৭ হাজার ইরানি নাগরিকের কাছে অস্ট্রেলিয়ার ভিজিটর ভিসা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, "পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।" উল্লেখ্য, চলতি মাসের শুরুর দিকে ইরানি নারী ফুটবল দলের সাত সদস্যকে রাজনৈতিক আশ্রয় দিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। তবে পরবর্তীতে তাদের মধ্যে পাঁচজন সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন এবং শরণার্থীর আবেদন প্রত্যাহার করেন। এই ঘটনার পরপরই পর্যটন ভিসার ওপর এমন কড়াকড়ি আরোপ করা হলো। এদিকে, অস্ট্রেলিয়ান গ্রিনস-এর অভিবাসন বিষয়ক মুখপাত্র সিনেটর ডেভিড শুব্রিজ এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি একে 'নিষ্ঠুর ও অন্যায্য' হিসেবে অভিহিত করে দাবি করেন, ইরানিরা যাতে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে এসে রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করতে না পারে, সেজন্যই এই পথ বেছে নেওয়া হয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৫, ২০২৬ 0
ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডেয়ার লাইয়েন ও অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ।
ঐতিহাসিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিতে সই করল অস্ট্রেলিয়া ও ইইউ

আট বছরের দীর্ঘ আলোচনা আর নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে অবশেষে আলোর মুখ দেখল অস্ট্রেলিয়া ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যকার মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি।  সোমবার অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী ক্যানবেরাতে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এই ঐতিহাসিক ঘোষণা দেন ইইউ প্রধান উরসুলা ফন ডেয়ার লাইয়েন এবং অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ। বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে আমেরিকা ও চীনের সাথে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বজায় রাখা ক্রমশ জটিল হয়ে ওঠায়, ইউরোপীয় ইউনিয়ন তাদের বাণিজ্যের পরিধি প্রসারে নতুন কৌশল গ্রহণ করেছে। অস্ট্রেলিয়ার সাথে এই চুক্তি সেই সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনারই একটি বড় অংশ। সংবাদ সম্মেলনে দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধান কেবল বাণিজ্যের কথা বলেননি, বরং একটি শক্তিশালী সামরিক ও নিরাপত্তা অংশীদারিত্বের ঘোষণাও দিয়েছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডেয়ার লাইয়েন বলেন, "ভৌগোলিক দূরত্ব থাকলেও আমাদের বিশ্বদর্শন অভিন্ন। এই বাণিজ্য ও সামরিক চুক্তির মাধ্যমে আমরা একে অপরের আরও কাছে আসব।" রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই চুক্তির ফলে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে বাণিজ্য এবং নিরাপত্তার এক নতুন সমীকরণ তৈরি হবে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৪, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
রাজনৈতিক আশ্রয় চাওয়া নারী ফুটবলারদের ‘বাড়ি ফিরতে’ বলল ইরান

ইরানের নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক জোহরা ঘানবারিসহ পাঁচ খেলোয়াড় অস্ট্রেলিয়ায় রাজনৈতিক আশ্রয় চাওয়ার পর তাদের দেশে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এ আহ্বান জানান।   বাঘাই দাবি করেন, অস্ট্রেলিয়ায় একটি টুর্নামেন্ট খেলতে যাওয়া ওই খেলোয়াড়দের ‘জিম্মি’ করা হয়েছে। তিনি লিখেছেন, মিনাব শহরে টমাহক মিসাইল হামলায় ১৬৫ জনের বেশি ইরানি স্কুলছাত্রী নিহত হওয়ার পর এখন ‘বাঁচানোর’ নামে ইরানি অ্যাথলেটদের জিম্মি করার চেষ্টা করা হচ্ছে, যা তিনি ধৃষ্টতা ও ভণ্ডামি বলে উল্লেখ করেন। তিনি নারী ফুটবল দলের সদস্যদের উদ্দেশে বলেন, দুশ্চিন্তা না করে তারা যেন দেশে ফিরে আসে, ইরান তাদের জন্য উন্মুক্ত বাহু নিয়ে অপেক্ষা করছে।   এর আগে দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে একটি ম্যাচের শুরুতে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে অস্বীকৃতি জানানোর পর ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দলটিকে ‘বিশ্বাসঘাতক’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে সমালোচনা করা হয়েছিল।   মঙ্গলবার (১০ মার্চ) এই দলের পাঁচ সদস্যকে অস্ট্রেলিয়ায় রাজনৈতিক আশ্রয় দেওয়া হয়। তারা হোটেল থেকে বের হয়ে অস্ট্রেলীয় কর্মকর্তাদের কাছে নিরাপত্তার আবেদন করলে তাদের একটি নিরাপদ আশ্রয়ে নেওয়া হয়। প্রকাশিত ছবিতে দেখা গেছে, খেলোয়াড়রা একটি টেবিলের চারপাশে বসে আছেন এবং অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক তাদের দেশটিতে থাকার অনুমতি দিয়ে নথিপত্রে স্বাক্ষর করছেন।   এর আগে সোমবার (৯ মার্চ) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ইরানের এই নারী খেলোয়াড়দের আশ্রয় দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করেছিলেন।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১০, ২০২৬ 0
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ
মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক শক্তি বাড়াচ্ছে অস্ট্রেলিয়া

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে নিজেদের প্রস্তুতি জোরদার করছে অস্ট্রেলিয়া।  দেশটির প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ এক জরুরি ঘোষণায় জানিয়েছেন, একটি বিশেষ ‘আকস্মিক পরিকল্পনা’র (Contingency Plan) অংশ হিসেবে ওই অঞ্চলে অস্ট্রেলীয় ‘সামরিক সরঞ্জাম ও সম্পদ’ পাঠানো হচ্ছে। যদিও নিরাপত্তার খাতিরে ঠিক কী ধরনের সামরিক সরঞ্জাম পাঠানো হচ্ছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দেননি প্রধানমন্ত্রী। তবে অস্ট্রেলীয় গণমাধ্যম এসবিএস নিউজ (SBS News) জানিয়েছে, ইতিমধ্যে দুটি সামরিক বিমান মোতায়েন করা হয়েছে।  মূলত উদ্ভূত পরিস্থিতিতে যেকোনো জরুরি অবস্থা মোকাবিলা এবং নিজস্ব নাগরিকদের সহায়তার লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় অংশ নেবে না অস্ট্রেলিয়া

অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওয়ং স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান সামরিক অভিযানে যোগ দেওয়ার কোনো পরিকল্পনা ক্যানবেরার নেই। সোমবার দেশটির গণমাধ্যম ‘নাইন নিউজ’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি অস্ট্রেলিয়ার এই অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন।   পেনি ওয়ং বলেন, “আমরা এই হামলায় অংশ নেইনি এবং ভবিষ্যতেও অংশ নেওয়ার কোনো ইচ্ছা আমাদের নেই।” তার এই বক্তব্যের মাধ্যমে ইরানের বিরুদ্ধে সরাসরি সামরিক সংঘাতে জড়ানোর সম্ভাবনা কার্যত নাকচ করে দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। উল্লেখ্য, ইরানের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার কূটনৈতিক সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরেই উত্তেজনাপূর্ণ। ২০২৫ সালে সিডনি ও মেলবোর্নে ইহুদি-বিরোধী অগ্নিসংযোগের ঘটনার জন্য ইরানি রেভল্যুশনারি গার্ডকে দায়ী করে ক্যানবেরা। ওই অভিযোগের পর অস্ট্রেলিয়া ইরানি রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কার করে। যদিও তেহরান শুরু থেকেই এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।   অতীতে দেখা গেছে, ২০০৩ সালের ইরাক যুদ্ধসহ যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন একাধিক সামরিক অভিযানে অস্ট্রেলিয়া সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিল। তবে বর্তমান প্রেক্ষাপটে ইরানের বিরুদ্ধে কোনো সামরিক পদক্ষেপে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত দেশটির পররাষ্ট্রনীতিতে একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২, ২০২৬ 0
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ।
বোমা হুমকিতে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন খালি

অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজকে মঙ্গলবার রাতে বোমা হামলার হুমকির কারণে তার সরকারি বাসভবন 'দ্য লজ' থেকে জরুরি ভিত্তিতে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ক্যানবেরায় এই ঘটনা ঘটেছে। প্রাথমিক তদন্তে হুমকির সঙ্গে চীনের নিষিদ্ধ ঘোষিত একটি ঐতিহ্যবাহী নৃত্যদল ‘শেন ইউন’-এর যোগসূত্র থাকার সম্ভাবনা জানা গেছে।   অস্ট্রেলিয়ান ফেডারেল পুলিশ (AFP) জানিয়েছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে ‘নিরাপত্তা জনিত ঘটনা’ দেখা দেয়। অ্যালবানিজকে কিছু ঘণ্টার জন্য নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। রাত ৯টার দিকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক ঘোষণা করা হয় এবং তিনি পুনরায় বাসভবনে ফিরেন। তল্লাশিতে কোনো সন্দেহজনক বস্তু পাওয়া যায়নি।   তদন্তে জানা গেছে, শেন ইউন-এর স্থানীয় আয়োজকদের কাছে ইমেইলের মাধ্যমে হুমকি পাঠানো হয়। ইমেইলে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের চারপাশে বিস্ফোরক রাখা হয়েছে এবং শো বাতিল না করলে বাসভবন ধ্বংস করা হবে। শেন ইউন দলটি মূলত ‘ফালুন দাফা’ বা ‘ফালুন গং’ নামে আধ্যাত্মিক আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত, যা চীনে নিষিদ্ধ।   বুধবার মেলবোর্নে এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী অ্যালবানিজ বলেন, “গণতান্ত্রিক সমাজে ভিন্নমত থাকতে পারে, কিন্তু সহিংসতা বা হুমকির কোনো স্থান নেই। জনগণকে রাজনৈতিক উত্তাপ কমানোর আহ্বান জানাই।” তিনি সামাজিক মাধ্যমে তার কুকুর ‘টোটো’র ছবি শেয়ার করে সকলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন এবং পুলিশ বাহিনীকে ধন্যবাদ জানান।   বিরোধী দলীয় নেতা এবং অন্যান্য মন্ত্রীরা ঘটনাটি তীব্র নিন্দা করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, সম্প্রতি সংসদ সদস্যদের লক্ষ্য করে হুমকির মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে। শেন ইউন জানিয়েছে, তারা নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে এবং নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী শো চালাবে। পুলিশ এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি, তবে সাইবার ক্রাইম ইউনিট ইমেইল উৎস খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬ 0
যুক্তরাজ্যে ভ্রমণে বাধ্যতামূলক ‘ইটিএ’, সমস্যায় পড়ছেন দ্বৈত নাগরিকরা
যুক্তরাজ্যে ভ্রমণে বাধ্যতামূলক ‘ইটিএ’, সমস্যায় পড়ছেন দ্বৈত নাগরিকরা

যুক্তরাজ্য সরকার আজ (২৫ ফেব্রুয়ারি) থেকে ভ্রমণের জন্য ইলেকট্রনিক ট্রাভেল অথরাইজেশন (ইটিএ) ব্যবস্থা চালু করেছে। এই নতুন নিয়মে যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া সহ মোট ৮৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইটিএ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।   ইটিএ কী এবং কারা আবেদন করবেন?   ইটিএ হলো যুক্তরাজ্যে যাত্রার আগে নেওয়ার জন্য ডিজিটাল অনুমতি। এতদিন যেসব দেশের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া যুক্তরাজ্যে যেতেন, তাদেরও এখন ইটিএ নিতে হবে। অনুমোদন পেলেও একজন ভ্রমণকারী সর্বোচ্চ ছয় মাস পর্যন্ত অবস্থান করতে পারবেন। ইটিএর মেয়াদ দুই বছর বা পাসপোর্ট মেয়াদের শেষ হওয়ার পর্যন্ত থাকবে।   পর্যটন, ব্যবসা বা স্বল্পমেয়াদি পড়াশোনার জন্য এটি ব্যবহার করা যাবে। দীর্ঘমেয়াদি কাজ বা পড়াশোনার জন্য আগের মতোই ভিসা প্রয়োজন। ব্রিটিশ ও আইরিশ নাগরিক, ‘সেটেলড স্ট্যাটাস’ধারী এবং কিছু শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে ছাড় রয়েছে।   আবেদন প্রক্রিয়া ও খরচ   ইটিএর জন্য আবেদন ফি ১৬ পাউন্ড নির্ধারণ করা হয়েছে, যা ভবিষ্যতে ২০ পাউন্ডে বৃদ্ধি পেতে পারে। আবেদন করতে সরকার গুগল প্লে বা অ্যাপল অ্যাপ স্টোর থেকে সরকারি অ্যাপ ডাউনলোড করার পরামর্শ দিয়েছে। আবেদনকারীর পাসপোর্ট ও যোগাযোগের তথ্য, একটি ছবি এবং কিছু প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে অনুমোদন কয়েক মিনিটের মধ্যে পাওয়া যাবে, তবে ভ্রমণের তিন দিন আগে আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।   ইটিএ বাতিল হলে আবেদনকারীর কারণ জানানো হবে। চূড়ান্তভাবে বাতিল হলে ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে।   বাস্তবায়ন ও যাচাই   চেক-ইন সময় বৈধ ইটিএ না থাকলে বোর্ডিং বাধা পেতে পারে। বিমান, রেল ও জাহাজ সংস্থাগুলোকে যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ডিজিটাল যাচাই ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। ইটিএ পাসপোর্টের সঙ্গে ডিজিটালি সংযুক্ত থাকবে।   দ্বৈত নাগরিকদের সমস্যা   দ্বৈত নাগরিকরা ইটিএর জন্য আবেদন করতে পারবে না। তারা ব্রিটিশ পাসপোর্ট বা দ্বিতীয় পাসপোর্টের সঙ্গে ‘সার্টিফিকেট অব এন্টাইটেলমেন্ট’-এর ডিজিটাল কপি দেখাতে হবে। তবে এই নথি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয় না, ফলে বহু দ্বৈত নাগরিককে নতুন নিয়মে জটিলতা দেখা দিয়েছে। ব্রিটিশ পাসপোর্টের খরচ প্রায় ১০০ পাউন্ড, সার্টিফিকেট প্রায় ৫৮৯ পাউন্ড।   অন্য দেশে ইটিএ   ইটিএ নতুন নয়। কানাডা, যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য দেশে এ ধরনের ডিজিটাল অনুমতি ব্যবহৃত হচ্ছে। তবে খরচের দিক থেকে পার্থক্য রয়েছে। কানাডার ইটিএ ফি ৭ কানাডিয়ান ডলার, যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৪০.২৭ মার্কিন ডলার।   ব্রিটিশ সরকার আশা করছে, নতুন এই ব্যবস্থা সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করবে এবং ভ্রমণ প্রক্রিয়া আরও আধুনিক ও কার্যকর হবে।  

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬ 0
সিরিয়ার রোজ ক্য়াম্পে অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকেরা
সিরিয়ার ক্যাম্প থেকে আর ফিরতে পারবে না অস্ট্রেলীয়রা!

সিরিয়ার রোজ ডিটেনশন ক্যাম্পে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন অনেক অস্ট্রেলীয় নাগরিক, যারা একসময় ইসলামিক স্টেটের (আইএস) আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশ ছেড়েছিলেন। তাদের দেশে ফেরার সব পথ কি তবে বন্ধ?    সম্প্রতি এই ইস্যুতে কড়া অবস্থান নিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি আলবানিজ। মঙ্গলবার তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, সিরিয়ায় অস্ট্রেলিয়ার যে নাগরিকরা ইসলামিক স্টেটের দলে নাম লিখিয়েছিল, তাদের সিরিয়া থেকে দেশে ফেরানোর প্রশ্নই ওঠে না।   সিরিয়ার রোজ ডিটেনশন ক্য়াম্পে বেশ কিছু অস্ট্রেলীয় পরিবার আছে। যাদের সঙ্গে আইএস-এর সরাসরি সম্পর্ক আছে বলে অভিযোগ। দেশে ফেরার জন্য় তারা আবেদন জানিয়েছিলেন।    অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, দেশ ছেড়ে যারা বিদেশের মাটিতে গিয়ে 'খিলাফত' গড়ার চেষ্টা করেছিল, তাদের সংস্কৃতির সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার সংস্কৃতি মেলে না। ফলে কোনোভাবেই তাদের দেশে ফেরানো হবে না।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
নিশাঙ্কার সেঞ্চুরি, অস্ট্রেলিয়াকে খাদের কিনারায় ঠেলে সুপার এইটে শ্রীলঙ্কা

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দিনের তৃতীয় ম্যাচে শ্রীলঙ্কা পাথুম নিশাঙ্কার সেঞ্চুরি ও ব্যাটারদের ধারাবাহিক পারফরম্যান্সে অস্ট্রেলিয়াকে ৮ উইকেটের ব্যবধানে হারিয়ে সুপার এইট নিশ্চিত করেছে। এই জয়ের ফলে ৩ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে শ্রীলঙ্কা গ্রুপ টেবিলের শীর্ষে অবস্থান করছে।   অস্ট্রেলিয়া ১৮২ রানে ইনিংস শেষ করে। ব্যাটিংয়ে নেমে ট্রাভিস হেড ৫৬ রানে ও মিচেল মার্শ ৫৪ রানে দলের জন্য দৃঢ় প্রতিরক্ষা গড়ে তোলেন। তবে মিডল অর্ডার ভেঙে গেলে অস্ট্রেলিয়া চাপের মধ্যে পড়ে। শ্রীলঙ্কার বোলার দুশান হেমন্ত সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নিয়েছেন।   জবাবে ব্যাট করতে নেমে শ্রীলঙ্কা দ্বিতীয় ওভারের পর কুশল পেরেরার উইকেট হারালেও ওপেনার পাথুম নিশাঙ্কা ও কুশল মেন্ডিস চাপে ফেলেননি। তারা ৯৭ রানের জুটি গড়ে দলকে জয়ের পথে এগোতে সাহায্য করেন। মেন্ডিস ৫১ রানে আউট হন। এরপর নিশাঙ্কার সঙ্গে পাভান রত্নায়েক ৭৯ রানের অপরাজিত জুটি গড়ে শ্রীলঙ্কাকে জয় এনে দেন।   পাথুম নিশাঙ্কা ১০০ রানে অপরাজিত থাকেন, ইনিংসটি মাত্র ৫২ বলে ১০টি চার ও ৫টি ছয়ে সাজানো। অপরাজিত রত্নায়েক ১৫ বলে ২৮ রান যোগ করেন।   এই জয়ের মাধ্যমে শ্রীলঙ্কা গ্রুপে ৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে, জিম্বাবুয়ে ৪ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে, অস্ট্রেলিয়া ও আয়ারল্যান্ড দুই পয়েন্ট নিয়ে তিন ও চতুর্থ স্থানে অবস্থান করছে। ওমান এখনও কোনো পয়েন্ট সংগ্রহ করতে পারেনি।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬ 0
T-20 বিশ্বকাপ
ইংল্যান্ডের পর অস্ট্রেলিয়ার আপত্তি : ভারতে বিশ্বকাপ ঘিরে নতুন অনিশ্চয়তা

ভারতে আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজন ঘিরে তৈরি হয়েছে চরম অনিশ্চয়তা। দেশটিতে মরণঘাতী নিপাহ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে শুরু হয়েছে তোলপাড়। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিএনএন এইচডি জানিয়েছে, ইংল্যান্ড ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তাদের আপত্তির কথা জানিয়ে দিয়েছে। ইউরোপের আরও বেশ কয়েকটি দেশ ভারতে খেলতে অনীহা প্রকাশ করায় টুর্নামেন্টের ভাগ্য এখন সুতোয় ঝুলছে।   অস্ট্রেলিয়ার সতর্কতা ও বৈশ্বিক উদ্বেগ: নিপাহ পরিস্থিতি নিয়ে প্রথমবারের মতো মুখ খুলেছে অস্ট্রেলিয়া। দেশটির ফেডারেল স্বাস্থ্যমন্ত্রী মার্ক বাটলার জানিয়েছেন, তাঁরা পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখছেন। বিদ্যমান স্বাস্থ্যবিধি পরিবর্তনের তাৎক্ষণিক প্রয়োজন না থাকলেও দেশটিকে ‘উচ্চ সতর্কতা’ বা হাই অ্যালার্টে রাখা হয়েছে। এশিয়ার বিভিন্ন বিমানবন্দরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা জোরদার করা হলেও খেলোয়াড়দের সুরক্ষার প্রশ্নে কোনো ছাড় দিতে নারাজ অংশগ্রহণকারী দেশগুলো।   নিপাহ: করোনার চেয়েও ভয়ংকর: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) তথ্য অনুযায়ী, নিপাহ ভাইরাস করোনার তুলনায় অনেক বেশি সংহারক হতে পারে। এই ভাইরাসে আক্রান্তদের মৃত্যুর হার ৪০ থেকে ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত। পরিস্থিতি কতটা ভয়াবহ তা বোঝা যায় ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল-এর সিদ্ধান্তে; তারা ইতিমধ্যেই স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য পিপিই, মাস্ক ও গগলস পরা বাধ্যতামূলক করেছে। এমন এক আতঙ্কের পরিবেশে বিশ্বকাপের মতো মেগা ইভেন্ট আয়োজন করা কতটুকু যুক্তিসঙ্গত, তা নিয়ে আইসিসি এখন চরম চাপে।   ভেন্যু পরিবর্তনের জোরালো আলোচনা: পরিস্থিতি সামাল দিতে পুরো টুর্নামেন্ট শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে পর্দার আড়ালে আলোচনা শুরু হয়েছে। বর্তমানে মোট ৫৫টি ম্যাচের মধ্যে ৩৫টি ভারতে এবং ২০টি শ্রীলঙ্কায় হওয়ার কথা ছিল। তবে লজিস্টিক ও বাণিজ্যিক বিশালতার কারণে শেষ মুহূর্তে ভেন্যু পরিবর্তন করা আইসিসি-র জন্য এক বিশাল চ্যালেঞ্জ। উল্লেখ্য, এর আগে নিরাপত্তা ইস্যুতে বাংলাদেশের ভেন্যু পরিবর্তনের আবেদন আইসিসি প্রত্যাখ্যান করেছিল, যা এখন নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিচ্ছে।   ক্রিকেট বিশ্বের নজর এখন দুবাইয়ে অবস্থিত আইসিসি সদর দপ্তরের দিকে। খেলোয়াড়দের জীবন রক্ষা না কি টুর্নামেন্ট সচল রাখা—শেষ পর্যন্ত কোন পথে হাঁটবে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা?

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক জানুয়ারী ৩১, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

Top week

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন
আমেরিকা

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ৩, ২০২৬ 0