অভিবাসন

ইমিগ্রেশন এজেন্ট
মিনেসোটা থেকে ৭০০ ফেডারেল এজেন্ট সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে!

যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যে চলমান অভিবাসন বিরোধী অভিযানে বড় ধরনের পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। বুধবার হোয়াইট হাউসের ‘বর্ডার জার’ টম হোম্যান এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, মিনেসোটা থেকে অবিলম্বে ৭০০ জন ফেডারেল ইমিগ্রেশন এজেন্টকে প্রত্যাহার করা হচ্ছে।   কী ঘটছে মিনেসোটায়? চলতি বছর মিনিয়াপলিসসহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় হাজার হাজার সশস্ত্র এজেন্ট মোতায়েন করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। লক্ষ্য ছিল ব্যাপক হারে অভিবাসীদের আটক ও ডিপোর্টেশন। এই পদক্ষেপের ফলে অঞ্চলজুড়ে চরম উত্তেজনা এবং প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়ে, বিশেষ করে ফেডারেল এজেন্টদের গুলিতে দুই মার্কিন নাগরিক নিহতের ঘটনায় পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে হয়।   কেন এই আংশিক প্রত্যাহার? টম হোম্যানের দাবি, মিনেসোটার স্থানীয় শেরিফরা এখন ফেডারেল কর্তৃপক্ষের সাথে ‘অভূতপূর্ব’ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। আগে যেসব শহর নিজেদের ‘স্যাঙ্কচুয়ারি সিটি’ হিসেবে ঘোষণা করে তথ্য দিতে অস্বীকার করেছিল, এখন সেখানে স্থানীয় জেল কর্তৃপক্ষ সহযোগিতায় সম্মত হওয়ায় রাস্তায় অতিরিক্ত এজেন্টের প্রয়োজনীয়তা কমেছে বলে মনে করছে প্রশাসন।   অভিযান কি থামছে? একদমই নয়। টম হোম্যান স্পষ্ট করে বলেছেন, "প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প গণ-ডিপোর্টেশন কার্যকরের বিষয়ে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ এবং সারা দেশে এই অভিযান প্রতিদিন অব্যাহত থাকবে।" ৭০০ এজেন্ট কমানো হলেও সেখানে এখনও প্রায় ২,০০০ এজেন্ট অবস্থান করছেন।   এদিকে স্থানীয় ডেমোক্র্যাট নেতা এবং গভর্নররা এই পদক্ষেপকে যথেষ্ট মনে করছেন না। তাদের দাবি, মানুষের নিরাপত্তা ও অধিকার রক্ষায় এই অভিযান পুরোপুরি বন্ধ করা প্রয়োজন। আপনার মতে, স্থানীয় শেরিফদের এই সহযোগিতার সিদ্ধান্ত কি অভিবাসীদের জন্য সংকট আরও বাড়িয়ে দেবে? আপনার মতামত কমেন্টে জানান।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
অভিবাসন প্রশ্নে নতুন বিতর্ক— আদালতের রায়ে স্থগিত ট্রাম্প প্রশাসনের পদক্ষেপ

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতি ঘিরে আবারও তীব্র বিতর্কের জন্ম দিয়েছে এক ফেডারেল আদালতের রায়। তিন লাখ পঞ্চাশ হাজারের বেশি হাইতিয়ান অভিবাসীর অস্থায়ী সুরক্ষা মর্যাদা (TPS) বাতিলের উদ্যোগ আপাতত স্থগিত করেছে আদালত, যা বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে Donald Trump প্রশাসনের জন্য।   মার্কিন ডিস্ট্রিক্ট জজ Ana Reyes রায়ে বলেন, বিচারিক পর্যালোচনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত হাইতিয়ান নাগরিকদের আইনি অবস্থান বহাল থাকবে। তার মতে, প্রশাসনের সিদ্ধান্তে যথাযথ নিরপেক্ষতা ছিল না এবং তা আগেভাগেই নির্ধারিত ছিল বলে প্রতীয়মান হয়।   রায়ে তিনি আরও কঠোর ভাষায় সমালোচনা করেন Department of Homeland Security-এর সচিব Kristi Noem-কে। বিচারকের মন্তব্য অনুযায়ী, TPS বাতিলের পেছনে অশ্বেতাঙ্গ অভিবাসীদের প্রতি বিরূপ মনোভাব কাজ করেছে বলেও ইঙ্গিত পাওয়া যায়।   বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই রায় শুধু হাইতিয়ান অভিবাসীদের জন্য নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ নীতিনির্ধারণেও বড় প্রভাব ফেলতে পারে। কারণ TPS বাতিল হলে লাখো মানুষ কাজ, বাসস্থান ও আইনি সুরক্ষা হারানোর ঝুঁকিতে পড়তেন।   এদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের প্রস্তুতির ইঙ্গিত মিললেও আপাতত আদালতের আদেশেই স্বস্তিতে রয়েছেন হাজারো হাইতিয়ান পরিবার। তবে অভিবাসন নীতি ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্ক আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকেরা।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬ 0
ফেডারেল কর্মকর্তা গ্রেগরি বোভিনো
কে এই গ্রেগরি বোভিনো — যার কঠোর অভিযানে আতঙ্কে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসীরা?

আমেরিকা বাংলা: যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে সাম্প্রতিক ইমিগ্রেশন অভিযানে যিনি সবচেয়ে আলোচিত ও বিতর্কিত নাম হয়ে উঠেছেন, তিনি হলেন ফেডারেল কর্মকর্তা গ্রেগরি বোভিনো (Gregory Bovino)। কঠোর অভিযান, বাড়ি বাড়ি তল্লাশি এবং আক্রমণাত্মক গ্রেপ্তার কৌশলের কারণে অভিবাসী কমিউনিটিতে ভয় ও অনিশ্চয়তার প্রতীক হয়ে উঠেছেন তিনি।   বোভিনোর নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে বহু ক্ষেত্রে বিচারকের ওয়ারেন্ট ছাড়াই বাড়িতে প্রবেশ, পরিবারের সামনে আটক এবং শিশুদের মানসিক আতঙ্কে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে মিনেসোটা ও মধ্য-পশ্চিমাঞ্চলে এসব অভিযানের তীব্রতা সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।   মানবাধিকার সংগঠনগুলোর ভাষ্য অনুযায়ী, এসব অভিযানের ফলে অনেক পরিবার সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে ভয় পাচ্ছে, চিকিৎসা নেওয়া বন্ধ করছে এবং সাধারণ জীবনযাপন থেকে সরে যাচ্ছে। তাদের অভিযোগ—আইন প্রয়োগের নামে মানবিক সীমা লঙ্ঘন করা হচ্ছে।   অন্যদিকে ফেডারেল কর্তৃপক্ষ বলছে, বোভিনোর নেতৃত্বাধীন অভিযান মূলত অপরাধে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের লক্ষ্য করেই পরিচালিত হচ্ছে। তবে স্থানীয় প্রশাসন ও প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, বাস্তবে সাধারণ পরিশ্রমী পরিবারগুলোই বেশি ভুক্তভোগী হচ্ছে।   বিশ্লেষকদের মতে, গ্রেগরি বোভিনো এখন শুধুই একজন কর্মকর্তা নন—তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর অভিবাসন নীতির বাস্তব প্রতিচ্ছবি, যার নাম শুনলেই অনেক অভিবাসী পরিবার আতঙ্কে কেঁপে ওঠে।

নুরুল্লাহ সাইদ জানুয়ারী ২৬, ২০২৬ 0
বিচারকের ওয়ারেন্ট ছাড়াই বাড়িতে ঢোকার অনুমতি আইসির
ভয় ও আতঙ্কে অভিবাসী পরিবার—বিচারকের ওয়ারেন্ট ছাড়াই বাড়িতে ঢোকার অনুমতি আইসির

আমেরিকা বাংলা: যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন অভিযানের ধরন নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। চলতি বছরের মে মাসে জারি করা একটি মেমোর ভিত্তিতে U.S. Immigration and Customs Enforcement (আইসি) কর্মকর্তাদের বিচারকের স্বাক্ষরবিহীন প্রশাসনিক ওয়ারেন্ট ব্যবহার করে অবৈধ অভিবাসী সন্দেহে ব্যক্তিদের বাড়িতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে—এমন তথ্য প্রকাশ করেছে একটি হুইসেলব্লোয়ার সংগঠন। সংগঠনটির দাবি, এই মেমোটি ছিল ‘গোপনীয়’, যা তারা পরে যুক্তরাষ্ট্রের আইনপ্রণেতাদের সঙ্গে শেয়ার করেছে। এতে বলা হয়েছে, অভিবাসন আইন প্রয়োগের স্বার্থে বিচারকের অনুমোদন ছাড়াই প্রশাসনিক ওয়ারেন্টের ভিত্তিতে অভিযান চালানো যেতে পারে। এই নির্দেশনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর অভিবাসী কমিউনিটিতে ভয় ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। অনেক পরিবার আশঙ্কা প্রকাশ করছে, হঠাৎ কোনো সময় আইসি কর্মকর্তারা তাদের বাসায় ঢুকে পড়তে পারেন। বিশেষ করে মিশ্র স্ট্যাটাস পরিবারের ক্ষেত্রে উদ্বেগ আরও বেশি—যেখানে পরিবারের কেউ নাগরিক, কেউ অনিবন্ধিত। আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধরনের নির্দেশনা যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনী-এর (Fourth Amendment) সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে, যেখানে বাড়িতে তল্লাশি বা গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে বিচারকের অনুমোদিত ওয়ারেন্টের কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো সতর্ক করে বলছে, বিচারকের নজরদারি ছাড়া এমন ক্ষমতা অপব্যবহারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। অন্যদিকে, প্রশাসনের ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো বলছে, দ্রুত ও কার্যকর অভিযান নিশ্চিত করতেই প্রশাসনিক ওয়ারেন্ট ব্যবহারের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে আইসি বা হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত মন্তব্য করেনি। এদিকে, মেমোটি নিয়ে কংগ্রেসে তদন্ত ও শুনানির দাবি উঠেছে। কয়েকজন আইনপ্রণেতা জানিয়েছেন, তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন এবং প্রয়োজনে U.S. Congress-এ আনুষ্ঠানিক আলোচনা করা হবে। বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতি ও নাগরিক অধিকার নিয়ে চলমান বিতর্ককে আরও তীব্র করবে এবং এর প্রভাব পড়তে পারে লাখো অভিবাসী পরিবারের দৈনন্দিন জীবনে।

নুরুল্লাহ সাইদ জানুয়ারী ২২, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Top week

ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক

হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ পারাপারের বিনিময়ে ভারতের কাছে তিন ট্যাংকার ফেরত চাইল ইরান

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৬, ২০২৬ 0