গোয়েন্দা সংস্থা

সিআইএ’র সাবেক প্রধান জন ব্রেনান I ছবি: সংগৃহীত
ট্রাম্প ও মার্কিন প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা করলেন সিআইএ’র সাবেক প্রধান জন ব্রেনান

যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ’র (CIA) সাবেক পরিচালক জন ব্রেনান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তাঁর প্রশাসনের শীর্ষ আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছেন। নিজের বিরুদ্ধে চলমান বিভিন্ন তদন্তের রেকর্ড এবং প্রমাণাদি যাতে প্রশাসন সংরক্ষণ করতে বাধ্য হয়, সে বিষয়ে আদালতের নির্দেশনা চেয়ে গত বুধবার তিনি এই আইনি পদক্ষেপ নেন।   ব্রেনানের আইনজীবীদের দাবি, ট্রাম্প প্রশাসন রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই তদন্তগুলো পরিচালনা করছে। ভবিষ্যতে যদি তার বিরুদ্ধে কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আনা হয়, তবে আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থন করে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণের জন্য এই নথিগুলো সুরক্ষিত থাকা অত্যন্ত জরুরি।   ওয়াশিংটনের ফেডারেল আদালতে দায়ের করা এই মামলায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্লাঞ্চ এবং এফবিআইয়ের পরিচালক ক্যাশ প্যাটেলকেও বিবাদী করা হয়েছে। বর্তমানে জন ব্রেনানের বিরুদ্ধে মার্কিন বিচার বিভাগের অন্তত দুটি ফৌজদারি তদন্ত চলছে।   এর মধ্যে একটি হলো ২০১৬ সালের নির্বাচনে রুশ হস্তক্ষেপের বিষয়ে কংগ্রেসে মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগ এবং অন্যটি ট্রাম্পকে ক্ষমতার বাইরে রাখার জন্য সাবেক কর্মকর্তাদের কথিত ষড়যন্ত্রের অভিযোগ। ব্রেনানের লিগ্যাল টিমের অভিযোগ, বর্তমান প্রশাসন তাদের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে শায়েস্তা করতেই আইনি ব্যবস্থাকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। তবে আলোচিত এই মামলার বিষয়ে হোয়াইট হাউস কিংবা মার্কিন বিচার বিভাগের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করা হয়নি।

ইসতিয়াক আহমেদ জুলাই ১, ২০২৬ ১৪:০
ছবি: সংগৃহীত
বিক্ষোভের আড়ালে রক্তক্ষয়ী ষড়যন্ত্র: ইরানে সাধারণ মানুষ হত্যায় ‘মোসাদ’ সম্পৃক্ততার দাবি

ইরানে সাম্প্রতিক বিক্ষোভকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আন্দোলনের ভেতরে ঢুকে সাধারণ মানুষকে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার বিরুদ্ধে। বিশেষ করে ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের সম্পৃক্ততার দাবি ঘিরে আলোচনা তীব্র হয়েছে, যদিও এসব অভিযোগ স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।   চলতি বছরের জানুয়ারিতে তেহরানের গ্র্যান্ড বাজারে মূল্যস্ফীতির প্রতিবাদ দিয়ে শুরু হওয়া বিক্ষোভ ধীরে ধীরে সরকারবিরোধী বৃহত্তর আন্দোলনে রূপ নেয়। কয়েক মাস আগের সেই আন্দোলনের কিছু রহস্যময় ঘটনার বর্ণনা এখনো আলোচনায় রয়েছে।   একজন প্রত্যক্ষদর্শীর দাবি, তেহরানের একটি শান্ত গলিতে ঝাড়ুদারের ছদ্মবেশে থাকা এক ব্যক্তি হঠাৎ আগ্নেয়াস্ত্র বের করে দুই নারীকে গুলি করেন। একই ধরনের আরেকটি ঘটনার কথা জানা গেছে উত্তরাঞ্চলের একটি শহর থেকে, যেখানে বাড়ির ছাদ থেকে এমন দৃশ্য দেখার দাবি করেছেন স্থানীয় একজন।   তেহরান থেকে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার দূরের কাজভিন শহরেও একই ধরনের ঘটনার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর একটি সূত্রের বরাতে জানা যায়, কোনো বিক্ষোভ ছাড়াই রাস্তায় এক নারী ও তার শিশুকে হত্যা করা হয়। ব্যবহৃত অস্ত্রটি ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলেও দাবি করা হয়েছে।   আরেকজন বিক্ষোভকারী জানান, পূর্ব তেহরানে একটি মিছিলে মুখোশধারী একটি দল হঠাৎ নেতৃত্ব নেয় এবং সংঘর্ষ শুরু হলে দ্রুত সরে যায়। বিশ্লেষকদের মতে, এই কৌশল ইউরোপে ব্যবহৃত তথাকথিত ‘ব্ল্যাক ব্লক’ পদ্ধতির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ, যা ইরানে অচেনা।   সরকারি হিসাব অনুযায়ী, এসব বিক্ষোভে তিন হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। তবে মার্কিনভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা মানবাধিকার কর্মী সংবাদ সংস্থা দাবি করেছে, প্রকৃত সংখ্যা সাত হাজারের বেশি হতে পারে।   এদিকে ইসরায়েলের একাধিক কর্মকর্তার মন্তব্য এই বিতর্ককে আরও উসকে দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও সামাজিক মাধ্যমে ইরানে থাকা মোসাদ এজেন্টদের উদ্দেশে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। পাশাপাশি ইসরায়েলের এক মন্ত্রীও দাবি করেছেন, তাদের লোকজন ইরানে সক্রিয় রয়েছে।   তবে এসব বক্তব্য ও অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি। বিশ্লেষকদের মতে, চলমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে তথ্যযুদ্ধ, গুজব ও মনস্তাত্ত্বিক কৌশল—সবই সমানভাবে ভূমিকা রাখতে পারে।

শাহারিয়া নয়ন এপ্রিল ১২, ২০২৬ ১৪:০
তুলসী গ্যাবার্ড। ফাইল ছবি: এএফপি
তুলসী গ্যাবার্ডকে রাখা হবে কি না—উপদেষ্টাদের মত নিচ্ছেন ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালক তুলসী গ্যাবার্ড–কে পদে বহাল রাখা হবে কি না, সে বিষয়ে নিজের মন্ত্রিসভার সদস্যদের মতামত নিচ্ছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ব্যক্তিগতভাবে এই বিষয়ে আলোচনা করেছেন তিনি।   সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, গ্যাবার্ডের প্রতি ট্রাম্পের অসন্তোষের মূল কারণ হলো—তিনি তাঁর এক সাবেক সহকারীকে সমর্থন দিয়েছেন, যিনি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের পক্ষে প্রশাসনের অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছিলেন। বিষয়টি নিয়ে ট্রাম্পের মধ্যে সন্দেহ তৈরি হয়েছে বলেও জানা গেছে।   তবে এখনো স্পষ্ট নয়, এই অসন্তোষের জেরে গ্যাবার্ডকে সরানো হবে কি না। এ পদে বিকল্প শক্তিশালী প্রার্থী না থাকায় হঠাৎ পরিবর্তন আনলে প্রশাসনের ভেতরে অস্থিরতা তৈরি হতে পারে বলে উপদেষ্টারা সতর্ক করেছেন।   গত মাসে ক্যাপিটল হিলে এক শুনানিতে গ্যাবার্ডের দেওয়া সাক্ষ্যের পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়। ওই শুনানিতে তিনি জাতীয় সন্ত্রাসবিরোধী কেন্দ্রের সাবেক পরিচালক জো কেন্ট–এর সমালোচনা করতে অস্বীকৃতি জানান। এর আগে কেন্ট পদত্যাগ করে দাবি করেছিলেন, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের জন্য তাৎক্ষণিক কোনো হুমকি নয়।   এ ঘটনার পর থেকে গ্যাবার্ডের অবস্থান নিয়ে হোয়াইট হাউসে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। যদিও রোববার সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, গ্যাবার্ডের ওপর তাঁর আস্থা এখনো রয়েছে, তবে কিছু বিষয়ে মতপার্থক্য আছে। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র স্টিভেন চেউং এক বিবৃতিতে জানান, গ্যাবার্ডের নেতৃত্ব ও কাজের প্রতি প্রেসিডেন্টের আস্থা রয়েছে এবং তিনি প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।   এদিকে প্রশাসনের ভেতরে ধারণা করা হচ্ছে, ট্রাম্প সরাসরি বরখাস্ত না করে প্রয়োজন হলে দায়িত্ব পুনর্বিন্যাসের পথ বেছে নিতে পারেন—যা তাঁর সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তগুলোতেও দেখা গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, গ্যাবার্ডকে ঘিরে এই অনিশ্চয়তা মূলত যুক্তরাষ্ট্রের ইরাননীতি ও যুদ্ধ কৌশল নিয়ে প্রশাসনের ভেতরের মতপার্থক্যেরই প্রতিফলন।

শাহারিয়া নয়ন এপ্রিল ২, ২০২৬ ১৪:০
ইরাকের বাগদাদে দেশটির গোয়েন্দা সদর দপ্তর লক্ষ্য করে আজ শনিবার ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে | ছবি: এক্স থেকে নেওয়া
ইরাকে গোয়েন্দা সদর দপ্তরে ড্রোন হামলা, নিহত ১

ইরাকের রাজধানী বাগদাদ-এ গোয়েন্দা সদর দপ্তর ও একটি যোগাযোগ ভবন লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত একজন কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা।   শনিবার সকালে শহরের প্রাণকেন্দ্রে এ হামলা চালানো হয় বলে নিশ্চিত করেছেন ইরাক সরকারের নিরাপত্তা মিডিয়া ইউনিটের প্রধান জেনারেল সাদ মান।   বার্তা সংস্থা রয়টার্স হামলার তথ্য নিশ্চিত করেছে। অন্যদিকে এএফপি নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, গোয়েন্দা সদর দপ্তরের পাশাপাশি একটি যোগাযোগ ভবনও হামলার শিকার হয়েছে।   প্রতিবেদনে বলা হয়, ক্ষতিগ্রস্ত ভবনটিতে ইরাকের একটি নিরাপত্তা সংস্থার কার্যালয় ছিল, যা দেশটিতে উগ্রবাদবিরোধী অভিযানে মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটের সঙ্গে কাজ করে।   ইরাকের ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সদর দপ্তরের কাছে ‘আইনবহির্ভূত গোষ্ঠী’র চালানো এই ড্রোন হামলায় তাদের এক কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন।   তবে হামলার দায় এখনো কোনো গোষ্ঠী স্বীকার করেনি।

শাহারিয়া নয়ন মার্চ ২০, ২০২৬ ১৪:০
জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

Top week

বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু
আমেরিকা

বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

নীলুফা নিশাত জুন ২৬, ২০২৬ ১৪:০