জনস্বাস্থ্য

ছবি: ফাইল ছবি
অস্ট্রেলিয়ায় প্রথমবার শনাক্ত এইচ৫ বার্ড ফ্লু, সতর্কতা জোরদার

অস্ট্রেলিয়ায় প্রথমবারের মতো সংক্রামক এইচ৫ ধরনের বার্ড ফ্লু শনাক্ত করেছেন গবেষকেরা। দেশটির কৃষিমন্ত্রী জুলি কলিন্স শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।   তিনি জানান, অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমাঞ্চলের প্রত্যন্ত এলাকায় একটি সামুদ্রিক পাখি ব্রাউন স্কুয়ার নমুনায় এই ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। দেশটির জাতীয় বিজ্ঞান সংস্থার পরীক্ষায় সংক্রমণের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।   মন্ত্রী আরও জানান, অসুস্থ আরেকটি পাখি জায়ান্ট পেট্রেলের নমুনায়ও সম্ভাব্য সংক্রমণের লক্ষণ পাওয়া গেছে। তবে বিষয়টি এখনও যাচাইয়ের পর্যায়ে রয়েছে।   এর আগে অস্ট্রেলিয়া ছিল একমাত্র মহাদেশ, যেখানে এইচ৫ ধরনের বার্ড ফ্লু শনাক্ত হয়নি। এই ভাইরাস সাধারণত হাঁস-মুরগি ও বন্য পাখির মধ্যে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যাপক ক্ষতির কারণ হতে পারে।   জুলি কলিন্স বলেন, “বিশ্বজুড়ে এইচ৫ বার্ড ফ্লুর বিস্তার বিবেচনায় এটি সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত নয়, তবে এটি হতাশাজনক।” তিনি আরও জানান, বর্তমানে দেশে কোনো ব্যাপক মৃত্যুর ঘটনা বা পোল্ট্রি খামারে সংক্রমণের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।   অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ ঘটনাটিকে উদ্বেগজনক হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, সরকার ইতোমধ্যে রোগটির বিস্তার রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।

শাহারিয়া নয়ন জুন ১৯, ২০২৬ ১৪:০ 0
ছবি: সংগৃহীত
নিউইয়র্কে নিরাপদ যৌনতা প্রচারে পাঁচ বছরের নতুন উদ্যোগ

যৌনবাহিত সংক্রমণ ও এইচআইভি মোকাবিলায় নতুন করে কার্যক্রম জোরদার করেছে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটি প্রশাসন। এসটিআই সচেতনতা সপ্তাহ উপলক্ষে শহরের স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, নিরাপদ যৌনতা প্রচারে তারা একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পাঁচ বছরের অংশীদারত্ব নবায়ন করেছে। এর আওতায় ২০৩১ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত সারা শহরে বিনামূল্যে কনডম ও লুব্রিকেন্ট সরবরাহ করা হবে।   এই উদ্যোগের মাধ্যমে শহরের বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, কমিউনিটি সংগঠন ও স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে নিরাপদ যৌনতার উপকরণ সহজলভ্য করা হবে। এতে বিভিন্ন ধরনের কনডম অন্তর্ভুক্ত থাকবে, যাতে ব্যবহারকারীরা প্রয়োজন অনুযায়ী বেছে নিতে পারেন।   শহরের স্বাস্থ্য কমিশনার ড. অ্যালিস্টার মার্টিন বলেন, নিউইয়র্কবাসীর জন্য এইচআইভি ও এসটিআই প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় উপকরণ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি জানান, কিছু ক্ষেত্রে সংক্রমণের হার কমলেও বর্ণ, জাতিগত পরিচয় ও এলাকার ভিত্তিতে বৈষম্য এখনো বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে।   স্বাস্থ্য বিভাগের সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক সিফিলিসের হার ১৬ দশমিক ৩ শতাংশ এবং প্রাথমিক ল্যাটেন্ট সিফিলিস ১৯ দশমিক ৬ শতাংশ কমেছে। ক্ল্যামিডিয়ার হার সামগ্রিকভাবে ৬ দশমিক ৩ শতাংশ কমলেও নারীদের ক্ষেত্রে এই হ্রাস খুবই সীমিত। অন্যদিকে জন্মগত সিফিলিসের হার ৫ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছে, যা উদ্বেগজনক।   এ ছাড়া উচ্চ দারিদ্র্যপীড়িত এলাকায় বসবাসকারীদের মধ্যে ক্ল্যামিডিয়া ও গনোরিয়ার সংক্রমণ হার নিম্ন আয়ের এলাকার তুলনায় প্রায় তিনগুণ বেশি। কৃষ্ণাঙ্গ নারীদের মধ্যে সিফিলিসের হার শ্বেতাঙ্গ নারীদের তুলনায় নয়গুণ বেশি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ১৫ থেকে ২৪ বছর বয়সী তরুণীদের মধ্যে ক্ল্যামিডিয়ার সংক্রমণ সবচেয়ে বেশি।   স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই বৈষম্যের পেছনে স্বাস্থ্যসেবায় সীমিত প্রবেশাধিকার, আর্থিক প্রতিবন্ধকতা এবং সচেতনতার অভাব বড় কারণ। তাই বিনামূল্যে নিরাপদ যৌনতার উপকরণ বিতরণ কার্যক্রমকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।   একই সঙ্গে এইচআইভি সংক্রমণের ক্ষেত্রেও উদ্বেগ রয়ে গেছে। টানা কয়েক বছর ধরে নতুন শনাক্তের সংখ্যা বাড়ছে বা স্থিতিশীল রয়েছে, যা প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার ঘাটতির ইঙ্গিত দেয়। পাশাপাশি ২০২৪ সালে এমপক্স সংক্রমণও আগের বছরের তুলনায় বেড়েছে।   স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা মনে করছেন, কেবল উপকরণ সরবরাহ নয়—সচেতনতা বৃদ্ধি, দ্রুত পরীক্ষা, চিকিৎসা নিশ্চিত করা এবং সামাজিক কলঙ্ক দূর করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এ লক্ষ্যে শহরের বিভিন্ন এলাকায় পরীক্ষা ও চিকিৎসা সেবা সম্প্রসারণ করা হচ্ছে।

শাহারিয়া নয়ন এপ্রিল ১৪, ২০২৬ ১৪:০ 0
ছবি: সংগৃহীত
নিউইয়র্কে কুলিং টাওয়ারে প্রাণঘাতী জীবাণু: ৭ মৃত্যুর পর পরীক্ষার নতুন নিয়ম

নিউইয়র্ক শহরে কুলিং টাওয়ার থেকে ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী জীবাণুর প্রাদুর্ভাবের পর কঠোর নতুন বিধিমালা জারি করতে যাচ্ছে নগর প্রশাসন। আগামী ৮ মে থেকে কার্যকর হতে যাওয়া এই নিয়মে শহরের সব কুলিং টাওয়ারে আগের তুলনায় আরও ঘন ঘন পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।   নগর স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, নতুন বিধিমালা অনুযায়ী কুলিং টাওয়ার সচল থাকা সময় বিশেষ করে গরমের মাসগুলোতে প্রতি মাসে অন্তত একবার জীবাণু পরীক্ষা করতে হবে। আগে এই পরীক্ষা ৯০ দিন অন্তর করা হতো। নতুন নিয়মে পরীক্ষাগুলো অবশ্যই দক্ষ পেশাজীবীর তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন করতে হবে। বিধিমালা লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানার পরিমাণও বাড়ানো হয়েছে।   এই কঠোর সিদ্ধান্তের পেছনে রয়েছে গত গ্রীষ্মে হারলেম এলাকায় ছড়িয়ে পড়া ভয়াবহ জীবাণুজনিত রোগের প্রাদুর্ভাব। ওই ঘটনায় অন্তত সাতজনের মৃত্যু হয় এবং শতাধিক মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়েন। স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানান, দূষিত কুলিং টাওয়ার থেকেই এই সংক্রমণ ছড়িয়েছিল, যার মধ্যে একটি হাসপাতালের টাওয়ারও ছিল।   বিশেষজ্ঞরা বলছে, এই জীবাণু বাতাসে ভাসমান ক্ষুদ্র পানিকণার মাধ্যমে ছড়ায় এবং তা শ্বাসের সঙ্গে শরীরে প্রবেশ করলে মারাত্মক নিউমোনিয়ার সৃষ্টি করতে পারে। এটি সরাসরি মানুষ থেকে মানুষে ছড়ায় না।   হারলেম ও ব্রঙ্কস এলাকায় এই রোগের ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি। কারণ হিসেবে সেখানে উঁচু ভবনের ঘনত্ব, দীর্ঘস্থায়ী রোগে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা এবং স্বাস্থ্যসেবায় বৈষম্যের বিষয়টি উল্লেখ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।   নগর প্রশাসন জানিয়েছে, বর্তমানে শহরে প্রায় ছয় হাজার কুলিং টাওয়ার রয়েছে। এসব টাওয়ারের তদারকি জোরদার করতে অতিরিক্ত পরিদর্শক নিয়োগ এবং পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দের পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।

শাহারিয়া নয়ন এপ্রিল ১৪, ২০২৬ ১৪:০ 0
হামে আক্রান্ত রোগী (প্রতীকী ছবি) | ছবি: সংগৃহীত
দেশে হামের প্রকোপে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪ জনের মৃত্যু; আক্রান্ত ১৬৮

দেশে হামের সংক্রমণ ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের লক্ষণ নিয়ে আরও চারজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) অধিদপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।   বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১৬৮ জন হামে আক্রান্ত হয়েছেন এবং একই সময়ে সন্দেহভাজন হাম রোগীর সংখ্যা ছিল ১ হাজার ১৭৭ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের গত ২৭ দিনের (১৫ মার্চ থেকে ১০ এপ্রিল) পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে ২৩ জন এবং হামের লক্ষণ নিয়ে মোট ১৪৪ জন প্রাণ হারিয়েছেন।   অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ২৭ দিনে দেশে মোট ২ হাজার ৪০৯ জন হামে আক্রান্ত হয়েছেন এবং সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ৪৯৭ জনে। আক্রান্তদের মধ্যে ৮ হাজার ৯১০ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন এবং সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৬ হাজার ৬০৯ জন। হঠাৎ হামের এই ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছে।

তাবাস্সুম মোহাম্মদ এপ্রিল ৯, ২০২৬ ১৪:০ 0
ছবি: সংগৃহীত।
ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের আঁচ, ভয়াবহ সংকটে ভারতের কনডম বাজার

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ ও উত্তেজনার প্রভাব এবার সরাসরি আছড়ে পড়েছে ভারতের জনস্বাস্থ্য খাতে। ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের জেরে সমুদ্রপথে বাণিজ্য ব্যাহত হওয়ায় ভারতে কনডম উৎপাদনে নজিরবিহীন ধস নেমেছে। ফলে বাজারে পণ্যটির তীব্র ঘাটতি দেখা দেওয়ার পাশাপাশি খুচরা মূল্য ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ভারতের প্রায় ৮ হাজার ১৭০ কোটি রুপির এই বিশাল শিল্প এখন অস্তিত্ব সংকটে। চাহিদা বৃদ্ধি নয়, বরং উৎপাদনের জন্য অপরিহার্য লুব্রিকেন্ট (সিলিকন অয়েল) ও পেট্রোকেমিক্যাল সরবরাহে বিঘ্ন ঘটাই এই সংকটের প্রধান কারণ। কনডম উৎপাদনে ল্যাটেক্স স্থিতিশীল রাখতে ব্যবহৃত অ্যামোনিয়ার দাম ইতিমধ্যে ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া পিভিসি এবং অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলের মতো প্যাকেজিং উপকরণের চড়া দাম ও সরবরাহ ঘাটতি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। ভারতে বছরে প্রায় ৪০০ কোটির বেশি কনডম উৎপাদিত হয়। এর মধ্যে সরকারি প্রতিষ্ঠান এইচএলএল লাইফকেয়ার একাই বছরে ২২১ কোটি ইউনিট উৎপাদন করে। ম্যানকাইন্ড ফার্মা ও কিউপিড লিমিটেডের মতো শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলো বর্তমানে সরবরাহ শৃঙ্খল বজায় রাখতে হিমশিম খাচ্ছে। দেশটির সরকার জ্বালানি ও শক্তি চাহিদাকে অগ্রাধিকার দেওয়ায় অভ্যন্তরীণ পেট্রোকেমিক্যাল সরবরাহ ৩৫ শতাংশ কমিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, ভারতের মতো ১৪০ কোটি জনসংখ্যার দেশে কনডম শুধু একটি পণ্য নয়, এটি পরিবার পরিকল্পনা এবং যৌনবাহিত রোগ (STI) প্রতিরোধের প্রধান অস্ত্র। কম মুনাফার ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা এই বিশাল বাজার এখন খাদের কিনারায়। দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেলে বা বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকলে দীর্ঘমেয়াদী সামাজিক ও স্বাস্থ্যগত বিপর্যয় ঘটতে পারে। ইতোমধ্যে দিল্লি ও মুম্বাইয়ের মতো মেগাসিটিগুলোর ওষুধের দোকানে কনডমের সরবরাহে ব্যাপক অনিয়মিততা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে।

ইসমাইল হোসাইন এপ্রিল ৩, ২০২৬ ১৪:০ 0
ছবি: সংগৃহীত
ইরান যুদ্ধের প্রভাবে ভারতে কনডম সংকট, দাম বাড়তে পারে ৫০%

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রভাব এবার সরাসরি পড়েছে ভারত-এর কনডম বাজারে। সরবরাহ শৃঙ্খলে বিঘ্ন, কাঁচামালের ঘাটতি এবং উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধির কারণে দেশটিতে কনডম সংকট তৈরি হয়েছে, যার ফলে খুচরা পর্যায়ে দাম প্রায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।   খাত–সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটি চাহিদা বৃদ্ধির কারণে নয়; বরং সমুদ্রপথে বাণিজ্য ব্যাহত হওয়া, পেট্রোকেমিক্যাল সরবরাহ কমে যাওয়া এবং উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় লুব্রিকেন্টের ঘাটতির সরাসরি ফল। বিশেষ করে সিলিকন তেল, যা কনডম উৎপাদনে অপরিহার্য, বর্তমানে সংকটে রয়েছে। পাশাপাশি কাঁচা ল্যাটেক্স সংরক্ষণে ব্যবহৃত অ্যামোনিয়ার দাম ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে।   ভারতে প্রতিবছর ৪০০ কোটির বেশি কনডম উৎপাদিত হয়। এই খাতে HLL Lifecare Limited, Mankind Pharma এবং Cupid Limited-এর মতো বড় প্রতিষ্ঠানগুলো সরবরাহ সংকটে পড়েছে। এর মধ্যে শুধু HLL Lifecare-ই বছরে প্রায় ২২১ কোটি কনডম উৎপাদন করে।   উৎপাদকদের মতে, পিভিসি ফয়েল, অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলসহ প্যাকেজিং উপকরণের দাম ও সরবরাহে অস্থিরতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। এর সঙ্গে পরিবহন ব্যবস্থার বিঘ্ন উৎপাদন ও সরবরাহে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।   বর্তমানে ভারতের কনডম বাজার মূলত উচ্চ উৎপাদন ও কম মুনাফার ওপর নির্ভরশীল, যাতে বৃহৎ জনগোষ্ঠীর জন্য এটি সাশ্রয়ী রাখা যায়। তবে চলমান সংকটে এই মডেলটি বড় চাপে পড়েছে। গত মার্চে এক আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে জানানো হয়, জ্বালানি চাহিদাকে অগ্রাধিকার দিতে গিয়ে দেশীয় পেট্রোকেমিক্যাল সরবরাহ ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত কমানো হতে পারে, যা কাঁচামালের সংকট আরও বাড়াবে।   বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, এই সংকটের গুরুতর জনস্বাস্থ্যগত প্রভাব থাকতে পারে। পরিবার পরিকল্পনা ও যৌনবাহিত সংক্রমণ প্রতিরোধে কনডম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এর ব্যবহার কমে গেলে দীর্ঘমেয়াদে সামাজিক ও স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়তে পারে। ইতোমধ্যে বড় শহরগুলোতে এর প্রাথমিক প্রভাব দেখা যাচ্ছে। মুম্বাই ও দিল্লি-এর বিভিন্ন ওষুধের দোকানে কনডম সরবরাহে অনিয়মিততা লক্ষ্য করা গেছে।

শাহারিয়া নয়ন এপ্রিল ৩, ২০২৬ ১৪:০ 0
ছবি: ফাইল ফটো
দেশে হামের প্রকোপ ভয়াবহ: ২৪ ঘণ্টায় ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত আরও ৬৮৫

দেশে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে হামের সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় (একদিনে) এই বায়ুবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে আরও ৬৮৫ জন শিশু। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই উদ্বেগজনক তথ্য জানানো হয়েছে।   স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, নতুন চারজনসহ চলতি বছর এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে অন্তত ৪২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে কেবল মার্চ মাসেই মারা গেছে ৩২ জন। সংক্রমণ এখন আর কেবল নির্দিষ্ট এলাকায় সীমাবদ্ধ নেই; ঢাকা ছাড়াও রাজশাহী, ময়মনসিংহসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় এই রোগ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। সংক্রমণের উচ্চমাত্রার কারণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা কঠিন হয়ে পড়ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।   চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, হামের সংক্রমণের ক্ষমতা (R0) অত্যন্ত বেশি হওয়ায় এটি খুব দ্রুত এক শিশু থেকে অন্য শিশুর শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। আক্রান্ত শিশুদের ক্ষেত্রে নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া এবং মস্তিষ্কের সংক্রমণের (এনসেফালাইটিস) মতো মারাত্মক জটিলতা দেখা দিতে পারে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির ওপর জোর দেওয়ার পাশাপাশি আক্রান্ত শিশুদের দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে বলা হয়েছে।

তাবাস্সুম মোহাম্মদ এপ্রিল ১, ২০২৬ ১৪:০ 0
ছবি: সংগৃহীত।
বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত দেশের তালিকায় দ্বিতীয় বাংলাদেশ, শীর্ষে কোন দেশ?

২০২৫ সালের বৈশ্বিক বায়ুমান সূচকে বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত দেশের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে পাকিস্তান। মঙ্গলবার সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণ সংস্থা 'আইকিউএয়ার' (IQAir) প্রকাশিত বার্ষিক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। এই তালিকায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে বাংলাদেশ ও তাজিকিস্তান। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তানে বাতাসে ক্ষতিকারক সূক্ষ্ম কণা পিএম ২.৫ (PM2.5)-এর উপস্থিতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) নির্ধারিত সীমার চেয়ে ১৩ গুণ বেশি রেকর্ড করা হয়েছে। বায়ুদূষণের এই ভয়াবহ পরিস্থিতির কারণে দেশটির লাহোরসহ প্রধান শহরগুলো ঘন কুয়াশা ও ধোঁয়াশার (Smog) কবলে রয়েছে। আইকিউএয়ার জানায়, ২০২৫ সালে বিশ্বের ১৪৩টি দেশ ও অঞ্চলের ওপর এই গবেষণা চালানো হয়। যার মধ্যে ১৩০টি দেশই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্ধারিত বায়ুমান বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েছে। গত বছর মাত্র ১৩টি দেশ ও অঞ্চল ডব্লিউএইচও-এর মানদণ্ড (প্রতি ঘনমিটারে ৫ মাইক্রোগ্রামের কম পিএম ২.৫) বজায় রাখতে পেরেছে, যা ২০২৪ সালের তুলনায় কিছুটা উন্নত। তালিকায় দেখা গেছে, ২০২৪ সালে সবচেয়ে দূষিত দেশের তালিকায় শীর্ষে থাকা চাদ এবার চতুর্থ অবস্থানে নেমে এসেছে। তবে গবেষকদের মতে, এটি দূষণ কমার কারণে নয় বরং তথ্যগত ঘাটতির কারণে হতে পারে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র তাদের বৈদেশিক দূতাবাসগুলো থেকে বায়ুমান পর্যবেক্ষণ কর্মসূচি বন্ধ করে দেওয়ায় অনেক দেশের প্রকৃত চিত্র পাওয়া সম্ভব হয়নি। শহরভিত্তিক দূষণেও দক্ষিণ এশিয়ার আধিপত্য বজায় রয়েছে। ২০২৫ সালে বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহর হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে ভারতের 'লোনি'। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে চীনের 'হোটান'। প্রতিবেদনে দেখা গেছে, বিশ্বের শীর্ষ ২৫টি দূষিত শহরের সবগুলোই ভারত, পাকিস্তান এবং চীনে অবস্থিত। জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রতিকূল আবহাওয়াকে দূষণের অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে লাওস, কম্বোডিয়া এবং ইন্দোনেশিয়ার মতো দেশগুলোতে বৃষ্টিপাত ও বায়ুপ্রবাহ বেশি হওয়ায় দূষণের মাত্রা আগের চেয়ে কিছুটা কমেছে। অন্যদিকে, কানাডার ভয়াবহ দাবানলের ধোঁয়া যুক্তরাষ্ট্র থেকে শুরু করে ইউরোপ পর্যন্ত বায়ুদূষণ বাড়িয়ে দিয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, পিএম ২.৫ কণা সরাসরি মানুষের ফুসফুস ও রক্তে মিশে দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে। বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে ক্রমবর্ধমান শিল্পায়ন এবং যানবাহন থেকে নির্গত ধোঁয়া এই পরিস্থিতির জন্য প্রধানত দায়ী।

নীলুফা নিশাত মার্চ ২৩, ২০২৬ ১৪:০ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

ছয় বছরের মেয়ের মৃত্যুর পর বাবারও মরদেহ উদ্ধার , একসঙ্গে দাফন করা হবে বাবা-মেয়েকে

অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে ছয় বছরের এক শিশুকন্যা ও তার বাবার মৃত্যুকে ঘিরে শোকের ছায়া নেমে এসেছে স্থানীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে। পুলিশ জানিয়েছে, পারামাট্টা নদীতে ঘটে যাওয়া এই মর্মান্তিক ঘটনায় ৪৭ বছর বয়সী মওলিক ধান্ধুকিয়া এবং তার ছয় বছরের মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার পর তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।   স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত শনিবার সিডনির কনকর্ড এলাকার কাছে একটি নৌকা ভাড়া করেছিলেন মওলিক ধান্ধুকিয়া। তার সঙ্গে ছিলেন ছয় বছর বয়সী কন্যা। কিছু সময় পর নদীতে জরুরি পরিস্থিতির খবর পেয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করে পুলিশ ও জরুরি সেবা সংস্থাগুলো।   আরও পড়ুন...টেক্সাসে স্বামীর গুলিতে স্ত্রী নিহত, পরে পুলিশের গুলিতে স্বামী নিহত; দুই শিশুকে   পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, দুপুরের কিছু আগে মওলিক ধান্ধুকিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর প্রায় সাত ঘণ্টা ধরে শিশুটির সন্ধানে ব্যাপক অনুসন্ধান চালানো হয়। উদ্ধারকারীরা শেষ পর্যন্ত বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শিশুকন্যার মরদেহ নদী থেকে উদ্ধার করেন। ঘটনার তদন্তে সহায়তার জন্য আশপাশের বিভিন্ন সূত্র থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। স্থানীয় একটি স্থাপনার সিসিটিভি ফুটেজও তদন্তকারীদের হাতে এসেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটির প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।   এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক শোকবার্তায় জানানো হয়েছে, আগামী শুক্রবার রাউস হিলের ক্যাসেলব্রুক ক্রেমেটোরিয়ামে বাবা ও মেয়ের যৌথ শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হবে। শোকবার্তায় লেখা হয়েছে, “দুই কোমল ও সদয় আত্মা, যারা চিরকাল আমাদের হৃদয়ে বেঁচে থাকবে। তাদের আত্মার শান্তি কামনা করছি।” তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার আগে কয়েক দফা নৌকা ভাড়া করেছিলেন মওলিক ধান্ধুকিয়া। একবার তার স্ত্রী প্রীতিবেন ধান্ধুকিয়াও তার সঙ্গে ছিলেন বলে জানা গেছে।   আরও পড়ুন...টেক্সাসে বিস্ফোরণের আগুনে পুড়েও বাড়ি ও নাতি-নাতনিদের বাঁচালেন এক সাহসী দাদা   পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করেছে, যা তদন্তের অংশ হিসেবে পরীক্ষা করা হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত এর বিষয়বস্তু প্রকাশ করা হয়নি। কেন এমন ঘটনা ঘটল, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে মৃত্যুর প্রায় দুই সপ্তাহ আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দীর্ঘ একটি পোস্ট করেছিলেন মওলিক ধান্ধুকিয়া। সেখানে তিনি ২০০৫ সালে জিমে ব্যায়াম করার সময় ঘাড়ে পাওয়া আঘাতের কারণে দীর্ঘদিন ধরে ভোগা শারীরিক সমস্যার কথা উল্লেখ করেছিলেন।   ওই পোস্টে তিনি লিখেছিলেন, ঘাড়ের দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা তার জীবনের অনেক সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এমআরআই পরীক্ষায় তার মেরুদণ্ডের ঘাড়ের অংশে স্নায়ুর ওপর চাপের বিষয়টি ধরা পড়ে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। মওলিক ধান্ধুকিয়া পেশাগত জীবনে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে কাজ করতেন। ২০২২ সাল থেকে তিনি সাউথ ইস্টার্ন সিডনি লোকাল হেলথ ডিস্ট্রিক্টে অ্যাপ্লিকেশন সাপোর্ট বিশ্লেষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এর আগে অস্ট্রেলিয়া ও ভারতে বিভিন্ন সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন।   এই ঘটনার পর পরিবারটির জন্য সহায়তা তহবিলও গঠন করেছেন স্বজন ও পারিবারিক বন্ধুরা। তহবিল সংগ্রহের আহ্বানে বলা হয়েছে, প্রীতিবেন ধান্ধুকিয়া একসঙ্গে তার স্বামী ও একমাত্র কন্যাকে হারিয়েছেন। এই কঠিন সময়ে তাকে আর্থিক ও মানসিক সহায়তা দেওয়ার জন্য সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।   ▶️ ট্রাম্পের লাখ ডলারের এইচ-১বি ভিসা ফি অবৈধ ঘোষণা মার্কিন আদালতের   তহবিলের অর্থ শেষকৃত্যের ব্যয়, ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা এবং নিকট আত্মীয়দের যাতায়াত ও আবাসন খাতে ব্যবহার করা হবে বলে জানানো হয়েছে। নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের সুপারিনটেনডেন্ট ক্রিস্টিন ম্যাকডোনাল্ড ঘটনাটিকে “পরিবার ও সমাজের জন্য এক গভীর ট্র্যাজেডি” হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, “এটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক একটি ঘটনা। আমরা সব দিক থেকে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছি এবং কোনো সম্ভাবনাই উপেক্ষা করা হবে না।” পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পেছনে পারিবারিক সহিংসতার কোনো উপাদান ছিল কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হয়নি।   ঘটনার পর পুরো এলাকায় শোকের আবহ বিরাজ করছে। বাবা ও মেয়ের একসঙ্গে শেষকৃত্যের খবর আরও আবেগঘন পরিবেশ তৈরি করেছে। স্বজন ও পরিচিতজনরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের স্মরণ করে শোক প্রকাশ করছেন।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

Top week

ছবি: সংগৃহীত
বিশ্ব

ছয় বছরের মেয়ের মৃত্যুর পর বাবারও মরদেহ উদ্ধার , একসঙ্গে দাফন করা হবে বাবা-মেয়েকে

নুরুল্লাহ সাইদ জুন ১৯, ২০২৬ ১৪:০ 0