আমেরিকা

এপস্টিনের বান্ধবী গিলেন ম্যাক্সওয়েল কংগ্রেসে জবাব এড়ালেন, কী কারণ দেখালেন আইনজীবীরা

শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬ 0
জেফরি এপস্টিনের সঙ্গে গিলেন ম্যাক্সওয়েল। ফাইল ছবি: রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্রের যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টিনের একসময়ের ঘনিষ্ঠ বান্ধবী গিলেন ম্যাক্সওয়েল সোমবার হাউস ওভারসাইট কমিটির সামনে হাজির হওয়ার পর কংগ্রেসের প্রশ্নের জবাব দেননি। আইনজীবীরা জানিয়েছেন, মার্কিন সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী অনুযায়ী নিজের দোষ স্বীকারে বাধ্য না হওয়ার অধিকার প্রয়োগ করেছেন ম্যাক্সওয়েল।

 

মানব পাচারে যুক্ত থাকার অভিযোগে ম্যাক্সওয়েল বর্তমানে ২০ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছেন। এপস্টিনের সঙ্গে তার সম্পর্ক ও সংশ্লিষ্ট জবানবন্দি দিতে কমিটির সামনে উপস্থিত হলেও, তিনি কোনো প্রশ্নের উত্তর দেননি।

 

রিপাবলিকান কমিটি চেয়ারম্যান জেমস কোমার জানান, ম্যাক্সওয়েলের আইনজীবীরা হাউস প্যানেলকে জানিয়েছিলেন, তারা তখনই জবানবন্দি দেবেন, যদি তার আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট তাঁকে ক্ষমা দেন। তবে মার্কিন আইনপ্রণেতারা এই দাবিকে প্রত্যাখ্যান করেছেন।

 

৬৪ বছর বয়সী ম্যাক্সওয়েল ২০২১ সালে দোষী সাব্যস্ত হন। আদালত প্রমাণ করেছে, তিনি অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের ধনী ব্যক্তিদের কাছে সরবরাহের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বিচার চলাকালে নিউইয়র্কের একটি কারাগারে মৃত্যু হয় এপস্টিনের।

 

এছাড়াও, কংগ্রেস হাউস কমিটি এপস্টিনের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত প্রভাবশালী ব্যক্তিদের জবানবন্দি নেওয়ার জন্য তলব করেছে। যদিও সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটনকেও তলব করা হয়েছে, তাদের সরাসরি জবানবন্দি নেওয়া হয়নি।

 

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের বিমানবাহী রণতরী কিছুই না; মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা

মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   পার্সটুডে- মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটার সতর্ক করে বলেছেন যে পশ্চিমারা সর্বদা তার গুপ্তচর সংস্থাগুলির মাধ্যমে ইরানের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ভিত্তি ধ্বংস করতে চাইছে এবং অপর্যাপ্তভাবে নিয়ন্ত্রিত তথ্য-যোগাযোগ রুট ব্যবহার করে কিছু ইরানিকে তাদের এজেন্ট নিয়োগ করেছে।   ক্ষেপণাস্ত্র ইরানের জন্য একটি পছন্দসই আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয় পার্সটুডে অনুসারে, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরিসর সীমিত করার বিষয়ে মার্কিন কর্মকর্তাদের বক্তব্যের কথা উল্লেখ করে রিটার ব্যাখ্যা করেছেন যে এই শর্তটি বাস্তবে "নিরস্ত্রীকরণ" এবং ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের কাছ থেকে "কৌশলগত আত্মহত্যার" অনুরোধের সমতুল্য। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে ক্ষেপণাস্ত্র শুধুমাত্র ইরানের জন্য একটি কাঙ্ক্ষিত আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয়, বরং প্রতিরোধ ও বেঁচে থাকার মেরুদণ্ড এবং এই স্তম্ভটি অপসারণকারী যেকোনো চেষ্টো ইরানকে অরক্ষিত করে তুলবে। তিনি যুক্তি দেন যে ইরান যদি তার ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা এতটাই কমিয়ে দেয় যে তারা আর ইসরায়েলে আঘাত করতে পারবে না, তাহলে ইসরায়েল প্রতিশোধের ভয় ছাড়াই ইরানে আক্রমণ করবে।   ইরানের সাথে যুদ্ধ নীতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অক্ষমতা আমেরিকান বিশ্লেষক স্পষ্ট করে বলেন যে ইরানের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ এড়ানোর মূল কারণ কৌশলগত অক্ষমতা। তিনি বলেন, যেকোনও সামরিক আক্রমণ ইরানকে এমন প্রতিক্রিয়ার দিকে ঠেলে দেবে যা একই সাথে মার্কিন বাহিনী এবং স্বার্থের জন্য গুরুতর ক্ষতি বয়ে আনতে পারে। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে এই ধরনের পরিবেশে ইরানের সাথে যুদ্ধ কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কৌশলগত সুবিধাতো আনবেই না বরং ট্রাম্পের জন্য একটি অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিপর্যয়ও হতে পারে। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কেবল ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষার জন্য।   আলোচনা একটি ফাঁদ সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা পরামর্শ দেন যে ইরানের উচিত দুর্বলতা থেকে নয়, বরং ওয়াশিংটনে রাজনৈতিক অজুহাতের পথ বন্ধ করার জন্য আলোচনায় প্রবেশ করা। তবে, রিটার সতর্ক করে দেন যে ইরানি কর্মকর্তাদের সর্বদা ধরে নেওয়া উচিত যে আলোচনা "একটি ফাঁদ"। কূটনীতির মাধ্যম বজায় রেখে, ইরানের উচিত তার সামরিক ও গোয়েন্দা যন্ত্রপাতিকে পূর্ণ সতর্ক রাখা । স্কট রিটার সাম্প্রতিক নৌ সংঘর্ষকে আমেরিকার শ্রেষ্ঠত্ব বা আগ্রাসনের লক্ষণ হিসেবে নয়, বরং ইরানের প্রবেশাধিকার-বিরোধী এবং আঞ্চলিক-বিরোধী ক্ষমতার প্রতি ওয়াশিংটনের কৌশলগত ভয়ের প্রতিফলন। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে ইরানের নতুন প্রজন্মের নির্ভুল, কৌশলগত এবং হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের সামনে মার্কিন বিমানবাহী রণতরীগুলি "অপ্রচলিত" সিস্টেমে পরিণত হয়েছে।   প্রধান হুমকি: ভেতর থেকে পতনের জন্য মানসিক যুদ্ধ অবশেষে, স্কট রিটার "মানসিক যুদ্ধ" নামক একটি ধারণার কথা উল্লেখ করেছেন; এমন একটি যুদ্ধ যেখানে, তিনি যুক্তি দেন, সরাসরি সামরিক সংঘাতের চেয়ে অনেক বেশি বিপজ্জনক, কারণ এর লক্ষ্য হল একটি গুলি না চালিয়েও একটি সমাজকে ভেতর থেকে ধ্বংস করা

Advertisement

আমেরিকা

View more
জেফরি এপস্টাইন
এপস্টাইনের নথি থেকে মুছে ফেলা হয়েছে ছয় সম্ভাব্য সন্দেহভাজনের তথ্য

মার্কিন বিচার বিভাগের অসম্পাদিত নথিতে জেফরি এপস্টাইন মামলার এমন কিছু তথ্য বেরিয়ে এসেছে, যা রীতিমতো তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। রিপাবলিকান থমাস ম্যাসি এবং ডেমোক্র্যাট রো খন্না জানিয়েছেন, নথিতে এমন কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম রয়েছে যারা সরাসরি অপরাধের সাথে জড়িত থাকতে পারেন। তবে রহস্যজনকভাবে বিচার বিভাগ সেই নামগুলো কালো কালি দিয়ে ঢেকে (Redacted) রেখেছে।   উভয় আইনপ্রণেতাই জানিয়েছেন, নথিতে থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে একজন অত্যন্ত ‘পরিচিত নেতা’ এবং অন্যজন জনসমক্ষে বেশ ‘সুপরিচিত ব্যক্তিত্ব’। তাঁরা এই গোপন নথিগুলো জনসম্মুখে প্রকাশ করার জোরালো দাবি জানিয়েছেন। তবে ‘বক্তৃতা ও বিতর্ক ধারা’র আইনি জটিলতা এবং ফৌজদারি দায়বদ্ধতার ঝুঁকি তাঁদের কিছুটা সতর্ক করে রেখেছে।   এর আগে হাউস জুডিশিয়ারি কমিটির ডেমোক্র্যাট জেমি রাসকিন এবং অন্যান্য আইনপ্রণেতারা অভিযোগ করেছিলেন যে, বিচার বিভাগ উদ্দেশ্যমূলকভাবে এপস্টাইন মামলার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করছে। এই নতুন তথ্য সেই অভিযোগকে আরও জোরালো করে তুলল। সাধারণ মানুষের মনে এখন একটাই প্রশ্ন—সেই ‘পরিচিত নেতা’ আসলে কে?

ইশতিয়াক মাহমুদ ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬ 0
যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন ও শুল্ক এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) এজেন্ট

আইসিই এজেন্টদের পিছু নিলেই কঠোর ব্যবস্থা

ট্রাম্পের ট্যারিফে গত বছর গড় আমেরিকান পরিবারের খরচ বেড়েছে প্রায় ১,০০০ ডলার

ট্রাম্পের ট্যারিফে গত বছর গড় আমেরিকান পরিবারের খরচ বেড়েছে প্রায় ১,০০০ ডলার

জেফরি এপস্টিনের সঙ্গে গিলেন ম্যাক্সওয়েল। ফাইল ছবি: রয়টার্স

এপস্টিনের বান্ধবী গিলেন ম্যাক্সওয়েল কংগ্রেসে জবাব এড়ালেন, কী কারণ দেখালেন আইনজীবীরা

নিউ ইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি
নিউ ইয়র্কবাসীর সামনে মহানবীর (সা.) হিজরতের ঐতিহাসিক গল্প তুলে ধরলেন মেয়র জোহরান মামদানি

নিউ ইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র: নিউ ইয়র্ক সিটির মেয়র Zohran Mamdani সাম্প্রতিক এক জনসমাবেশে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)–এর ঐতিহাসিক হিজরতের প্রসঙ্গ তুলে ধরে অভিবাসন ও মানবিকতার গুরুত্ব নিয়ে বক্তব্য দিয়েছেন।   একটি আন্তধর্মীয় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মেয়র মামদানি বলেন, ইসলাম একটি এমন ধর্ম যার ইতিহাস গড়ে উঠেছে অভিবাসন ও আশ্রয়ের নৈতিকতার ওপর। তিনি উল্লেখ করেন, ইসলামের নবী নিজেও নির্যাতনের মুখে মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত করতে বাধ্য হয়েছিলেন—যা মানব ইতিহাসে এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   মেয়র মামদানি তার বক্তব্যে বলেন, “হিজরত আমাদের শেখায়—নিরাপত্তা, আশ্রয় ও সহানুভূতি মানুষের মৌলিক অধিকার। আজকের অভিবাসন সংকট বোঝার জন্য এই ইতিহাস অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।” তিনি আরও বলেন, নিউ ইয়র্ক সিটি সবসময়ই অভিবাসীদের শহর হিসেবে পরিচিত এবং এখানে ভিন্ন ধর্ম, ভাষা ও সংস্কৃতির মানুষের সহাবস্থানই এই শহরের শক্তি। বিশ্লেষকদের মতে, একজন পশ্চিমা শহরের মেয়রের পক্ষ থেকে ইসলামের ইতিহাসের এমন মানবিক দিক তুলে ধরা বহুসংস্কৃতির প্রতি সম্মান এবং অভিবাসন ইস্যুতে সহানুভূতিশীল দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন। মেয়র মামদানির এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইতোমধ্যে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে এবং বিভিন্ন মহল থেকে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যাচ্ছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬ 0

যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা ছাড়াই ইরানে হামলা চালাবে ইসরায়েল

জেফ্রি এপস্টিন

জেফ্রি এপস্টিনের ‘পিরামিড’ চক্রের হাড়হিম করা রহস্য

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের বিমানবাহী রণতরী কিছুই না; মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের বিমানবাহী রণতরী কিছুই না; মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা

ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’-এ যোগ না দেওয়ার ঘোষণা ইতালির
ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’-এ যোগ না দেওয়ার ঘোষণা ইতালির

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত বহুজাতিক শান্তি সংস্থা ‘বোর্ড অব পিস’-এ যোগ না দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে ইতালি। গত শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্তোনিও তাজানি এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, দেশটির সংবিধানে থাকা অলঙ্ঘনীয় আইনি সীমাবদ্ধতার কারণেই তারা এই বৈশ্বিক উদ্যোগে অংশ নিতে পারছেন না।   চলতি বছরের জানুয়ারিতে দাভোসে আয়োজিত ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে ট্রাম্প এই ‘বোর্ড অব পিস’ গঠনের ঘোষণা দিয়েছিলেন। ইতোমধ্যে ১৯টি দেশ এর সনদে স্বাক্ষর করেছে। মূলত গাজার পুনর্গঠন তদারকির উদ্দেশ্যে এই সংস্থাটি গঠনের প্রাথমিক লক্ষ্য জানানো হলেও, এর সনদে সংস্থাটির পরিধি বিশ্বজুড়ে বিস্তৃত করার ইঙ্গিত রয়েছে।   ইতালির সংবাদ সংস্থা আনসাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পররাষ্ট্রমন্ত্রী তাজানি বলেন, “আমরা বোর্ড অব পিসে পূর্ণাঙ্গ সদস্য হিসেবে অংশ নিতে পারছি না কারণ আমাদের সংবিধানে আইনি সীমাবদ্ধতা স্পষ্টভাবে নির্ধারিত আছে। আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে এটি অতিক্রম করা ইতালির জন্য কোনোভাবেই সম্ভব নয়।” ইতালির সংবিধানের ধারা অনুযায়ী, কোনো একক বিদেশি নেতার অধীনে সরাসরি পরিচালিত কোনো সংস্থায় দেশটি পূর্ণ সদস্য হিসেবে যোগ দিতে পারে না।   উল্লেখ্য, ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি শুরুতে এই উদ্যোগের প্রতি বেশ আগ্রহ দেখিয়েছিলেন। তবে তিনিও স্বীকার করেছিলেন যে বর্তমান কাঠামোতে ইতালির সংবিধানে বড় ধরনের জটিলতা রয়েছে। মেলোনি আশা করেছিলেন, ইউরোপীয় দেশগুলোর উদ্বেগের কথা মাথায় রেখে ট্রাম্প হয়তো এই সংস্থার মূল কাঠামোতে কিছুটা পরিবর্তন আনবেন। কিন্তু তাজানির সাম্প্রতিক ঘোষণা সেই প্রত্যাশায় পানি ঢেলে দিয়েছে। বিশেষ করে মিলানে শীতকালীন অলিম্পিক চলাকালীন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সঙ্গে বৈঠকের মাত্র একদিন পরেই ইতালির পক্ষ থেকে এমন কড়া সিদ্ধান্ত জানানো হলো।   আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, ‘বোর্ড অব পিস’-কে অনেকেই বর্তমান জাতিসংঘের একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে দেখছেন। এই উদ্যোগ নিয়ে ফ্রান্স এবং ব্রিটেনের মতো ঘনিষ্ঠ মার্কিন মিত্রদের মধ্যেও যথেষ্ট দ্বিধা রয়েছে। সমালোচকদের বড় একটি অংশ মনে করছেন, এই সংস্থার মাধ্যমে ডোনাল্ড ট্রাম্প মূলত আন্তর্জাতিক শান্তি প্রক্রিয়ায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একক কর্তৃত্ব ও নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছেন। ইতালির এই পিছুটান ট্রাম্পের এই উচ্চাভিলাষী প্রজেক্টের জন্য একটি বড় ধাক্কা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।   সূত্র: আল জাজিরা।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬ 0
মহানবীর (সা) দৃষ্টিতে সেরা পুরুষ

মহানবীর (সা) দৃষ্টিতে সেরা পুরুষ

US President Donald Trump

২০ বার মুদ্রাস্ফীতি জয়ের দাবি ট্রাম্পের

ফটো: প্রেসিডেন্ট ক্লিনটন ও হিলারি ক্লিনটন দম্পতি

বন্ধ দরজায় নয়, লাইভ সম্প্রচার হোক এপস্টিন-কাণ্ডের সাক্ষ্য

0 Comments